Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাদার তেরেসা (১৯১০–১৯৯৭) – প্রেম, করুণা ও ধর্মের মূর্ত প্রতিমা

    কী আশ্চর্য যোগাযোগ! যে বছর বিশ্বনন্দিত মানবসেবিকা ফ্লোরেন্স নাইটিংগেলের মৃত্যু,

    ওই একই বছর জন্মগ্রহণ করেন ভবিষ্যতের আরেক বিশ্ব বিশ্রুত মানবসেবিকা মাদার তেরেসা।

    ১৯১০ সালে ২৬ আগস্ট দক্ষিণ যুগোস্লাভিয়ার স্কপিয়েত নামক শহরে তেরেসার জন্ম। তাঁর বাবা ছিলেন বহুভাষাবিদ নিকোলাস বোজাঝিও ও মায়ের নাম ড্রাফিল বার্নাই। মিশনারির এই সেবাব্রতের জীবন বেছে নেয়ার আগে তেরেসার নাম ছিল অ্যাগনেস গোনাস্কা বেজাকিসহিউ। তাঁরা ছিলেন এক ভাই, দুবোন।

    সেসময় যুগোস্লাভিয়ার মিশনারিরা অনেকেই ধর্মপ্রচার ও সেবাধর্মের ব্রত নিয়ে ভারতে আসতেন। কেউ থাকতেন কলকাতায়, আবার কেউ-বা যেতেন দার্জিলিং-এর দিকে। এই মিশনের নাম ছিল বেঙ্গল মিশন ফিল্ড।

    মাদার তেরেসার যখন ১৫ বছর বয়স, তখনই আর্থাৎ সেই ১৯২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর তারিখে একজন জেসুইট বা মিশনারি নেতা বেঙ্গল মিশন ফিল্ড সম্পর্কে যুগোস্লাভিয়ায় একটি উৎসাহভরা পত্র প্রেরণ করেন ভারতের দার্জিলিং-এর কারসিয়াং থেকে।

    এই পত্রটি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পড়ে শোনানো হয়। বিশেষ করে স্কুলের যেসব ছাত্রছাত্রী ধর্মীয় ও সেবা সংগঠন সোভালিটির সদস্য, তাদেরকে বিশেষভাবে পত্রটি পড়ে ও ব্যাখ্যা করে বোঝানো হয়।

    এর পরও মিশনারিদের যেসব পত্র স্কুলে আসত তার সবগুলো পড়ে শোনানো হতো সেভালিটির সদস্যদের। সেখানে লেখা থাকত কেমন করে খ্রিস্টান মিশনারিরা পৃথিবীর দারিদ্র্যপীড়িত বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষুধার্ত ও অসুস্থ মানুষের সেবা করছেন। কীভাবে তারা হাসি ফোটাচ্ছেন দুখি মানুষের মুখে। আর্তমানবতার সেবায় মিশানারিরা কীভাবে নিজেদের সঁপে দিয়েছেন, তারও বিবরণ থাকত এসব পত্রে।

    অল্পবয়সী অ্যাগনেস ওরফে তেরেসা উৎসাহ ব্যঞ্জনাভরা পত্রগুলো নিয়মিত পড়ে পড়ে এতই অনুপ্রাণিত হন যে, তিনি বেঙ্গল মিশনের সদস্য হয়ে ভারতে আসার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁর মনে হতে লাগল, তিনিও যদি এমন করে আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে সঁপে দিতে পারতেন, তাহলে শান্তি পেত তাঁর আত্মা।

     

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    কোলকাতা
    কলকাতা
    কলকাতার
    কলকাতায়
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    তারপর সত্যি সত্যি একদিন তাঁর স্বপ্ন সফল হলো।

    ১৯২৮ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি শিক্ষকতার দায়িত্ব নিয়ে কলকাতায় আসেন। তিনি প্রথমে শিক্ষকতা শুরু করেন এন্টালি সেন্ট মেরি স্কুলে। এই স্কুলে তিনি ছিলেন দীর্ঘ ১৮ বছর। পরে তিনি বদলি হয়ে আসেন লরেটো স্কুলে। এই স্কুলে শিক্ষকতা করার সময়ই তাঁর জীবনে আসে এক বিরাট পরিবর্তন।

    লরেটো স্কুলের পাশেই ছিল একটি বস্তি। মতিঝিল বস্তি নামে পরিচিত এই নোংরা এলাকায় ছিল কয়েক হাজার ক্ষুধার্ত ও ছিন্নমূল মানুষের বসবাস।

    স্কুল ছুটির পর কিংবা টিফিনের সময় তিনি প্রায়ই এই বস্তিতে চলে আসতেন। তাঁর হাতে থাকত রুটি, কলা বা অন্যসব শস্তা খাবার৷ কখনও স্কুলের মেয়েদের টিফিনের বাড়তি খাবার। তিনি এসব খাবার এনে তুলে দিতেন বস্তির কঙ্কালসার ও উলঙ্গ ছেলেমেয়েদের হাতে। এই খাবার পেয়ে তারা কী যে খুশি হতো! তেরেসাকে দেখেই তারা এসে ঘিরে ধরত তাঁকে ‘মা-মা’ বলে।

     

    আরও দেখুন
    কোলকাতা
    কলকাতার
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতা
    কলকাতায়
    বইয়ের
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কবিতা
    Books

     

    উল্লেখ্য মতিঝিল বস্তির এই উলঙ্গ ও ক্ষুধার্ত শিশুগুলোই তেরেসাকে প্রথমে মা (মাদার) বলে ডাকতে শুরু করে। সেই থেকেই তিনি সকলের কাছে ‘মা’।

    তিনি মতিঝিল বস্তির দুস্থ মানুষের সুখ-দুঃখ আর অভাব অভিযোগের কথা শুনতেন নিজের চোখে দেখতেন গভীর মনোযোগ দিয়ে। তাদের নরকযন্ত্রণার ছবি গভীর মনোযোগ দিয়ে।

    তারপর ক্লাসে ফিরে এসে মেয়েদের কাছে সেসব দুখি মানুষের কথা বলতেন। তাদের সাহায্য করার জন্য তিনি ছাত্রীদের কাছে আবেদন জানাতেন। ধনী ঘরের মেয়েরা তাদের টিফিন ও যাতায়াতের পয়সা থেকে বাঁচিয়ে তা তুলে দিতেন প্রিয় শিক্ষিকা অ্যাগনেসের হাতে। অ্যাগনেস সেই পয়সা দিয়ে আবার খাবার কিনে নিয়ে প্রবেশ করতেন মতিঝিল বস্তিতে।

    এমনি করেই চলল অনেক দিন। ক্রমে এই দুস্থ মানুষজনকে সাহায্য করার কাজটি যেন তাঁর কাছে নেশার মতো হয়ে গেল। তাঁর মনে হতে লাগল এটাই বুঝি তাঁর জন্য শ্রেষ্ঠ কাজ, তা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। অন্য কাজ করতে মনও চায় না। আর্তমানবতার সেবা করার জন্যই যেন তাঁর জন্ম হয়েছে। এটাই তিনি করতে চান। তিনি নিজেকে তাদের সেবায় সম্পূর্ণ সঁপে দিতে আগ্রহী হয়ে উঠতে থাকেন।

     

    আরও দেখুন
    কোলকাতা
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতার
    কলকাতায়
    কলকাতা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Books
    বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    এরপর সত্যি সত্যি তিনি সম্পূর্ণভাবে মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করার সংকল্পে নিজেকে নিয়োজিত করে সন্নাসিনীর ব্রত গ্রহণ করেন।

    এরপর তাঁর জীবনে যে ঘটনা ঘটে, তা কোনোদিন তিনি ভুলে যাননি। ১৯৪৬ সালের ১০ ডিসেম্বর বড়দিনের আগে তিনি কোলকাতা থেকে দার্জিলিং যাচ্ছিলেন। তিনি ট্রেনের কামরায় বসে দুপাশের দ্রুত অপসৃয়মাণ প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলির দিকে তাকিয়ে ছিলেন আনমনে। তাঁর মন তখন ছিল ঈশ্বরে নিবেদিত। তিনি চলতে চলতেই একমনে যিশুর মহান মূর্তির ধ্যান করছিলেন। ঠিক তখনই যেন তিনি শুনতে পেলেন মহান যিশুর আহ্বান, যার কথা তিনি পরে বলেছেন এভাবে—”I heard the call to give up all and follow Him to the slums to serve Him amongst the poorest of the poor.”

    অ্যাগনেস বুঝতে পারলেন অন্তর্যামীর নির্দেশ। মহান যিশুই যেন তাঁকে বলছেন, স্কুলের চাকরি ছেড়ে তুমি চলে এসো দীনদরিদ্র মানুষের পাশে। তাদের সেবাই ঈশ্বরের সেবা। আমিই তাদের পাশে এসে দাঁড়াতে বলছি তোমাকে।

     

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতা
    কলকাতায়
    কোলকাতা
    কলকাতার
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    Library
    ই-বুক রিডার
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    এরপর তা-ই হলো। এর ঠিক দুবছরের মধ্যে অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে তিনি লরেটো স্কুলের চাকরি ছাড়ার অনুমোদন চেয়ে মিশন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেন। তাঁর আবেদন মঞ্জুর হলো।

    তিনি যখন লরেটো স্কুলের চাকরি ছেড়ে দিয়ে আসেন, তখন তাঁর হাতে ছিল মাত্র পাঁচ টাকা। এ-রকম নিঃস্ব অবস্থাতেই তিনি স্কুলের সাজানো ফুলের বাগান, স্নিগ্ধ পরিবেশ, সুখময় নিশ্চিন্ত জীবন ফেলে এসে আশ্রয় নিলেন শিয়ালদহ রেলস্টেশন লাগোয়া এক পুরনো ভাঙা বাড়িতে।

    তিনি শুধু সুখময় জীবনই ফেলে এলেন না। নিজের পৈতৃক নামটা পর্যন্ত ছেড়ে দিয়ে এলেন। মিশনারি জীবন শুরু করার সময়ে মহামান্য পোপের অনুমতিক্রমে তিনি নতুন নাম গ্রহণ করলেন তেরেসা, পরে যা সকলের মুখে মুখে হয়েছে মাদার তেরেসা।

    শিয়ালদহের এই ভাঙা বাড়িতেই তিনি কয়েকটি অনাথ শিশুকে নিয়ে শুরু করলেন তাঁর সেবাকার্য। থাকা-খাওয়াও এখানেই। এই নোংরা পরিবেশই এখন তাঁর সত্যিকার স্বর্গধাম।

     

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতার
    কোলকাতা
    কলকাতায়
    কলকাতা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা কমিকস
    বাংলা কুইজ গেম
    অনলাইন বই
    বাংলা উপন্যাস

     

    পরে তিনি শিয়ালদহের পার্শ্ববর্তী বস্তিতে একটি স্কুল খুললেন। তাঁর স্কুলের সব ছেলেমেয়েই ছিল বস্তিবাসী। বস্তির অন্ধকারেই তিনি আলোর দীপ জ্বালাতে চান।

    কিন্তু এখানে সত্যিকার স্কুল চালানোর মতো জায়গা না থাকায় তিনি সেটি স্থানান্তর করলেন মৌলালিতে। এটিও একটি পুরনো বাড়ি। বাড়ির মালিক মাইকেল গোমেস বাঙালি খ্রিস্টান।

    তেরেসার ইচ্ছে ছিল মুমূর্ষুদের সেবা করার জন্য একটি সেবাশ্রম প্রতিষ্ঠা করবেন। কিন্তু মাইকেলের বাড়িটি ছিল খুবই ছোট। এখানে স্কুলেরই জায়গা হয় না। এর পাশে সেবাশ্রম খুলবেন কোথায়? কিন্তু তিনি দমলেন না। আশ্রম খোলার জন্য জায়গার অনুসন্ধান করতে লাগলেন।

    অবশেষে জায়গা পাওয়া গেল। কালীঘাটের মন্দিরের বাউন্ডারি ওয়াল ঘেঁষে আছে একটি ধর্মশালা। এই পরিত্যক্ত ধর্মশালাতেই তেরেসা ১৯৫০ সালে স্থাপন করলেন তাঁর সেবাশ্রম। মুমূর্ষু নিরাশ্রয়দের আশ্রয়স্থলটির নাম দেয়া হল ‘নির্মল হৃদয়’।

     

    আরও দেখুন
    কলকাতা
    কলকাতার
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতায়
    কোলকাতা
    Library
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা কবিতা

     

    পঙ্গু, পরিত্যক্ত, নিঃস্ব, অভুক্ত ও সহায়সম্বলহীন মৃত্যুপথযাত্রী শিশু, বালক, বালিকা, বৃদ্ধ, বৃদ্ধা নির্বিশেষে আশ্রয় পেল মায়ের আশ্রমে। তাঁরা পেতে লাগল সেবা আর সান্ত্বনা। মাদার তেরেসা ১৯৪৮ সালের ২১ ডিসেম্বর ভারতের নাগরিকত্ব লাভ করেন।

    তেরেসা এর আগেই নার্সের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এবার সেই শিক্ষাই কাজে লাগালেন সেবাশ্রমে। এভাবেই শুরু হয় তাঁর ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’-র কাজ, ১৯৫০ সালে।

    উল্লেখ্য, দুবছর পর অর্থাৎ ১৯৫২ সালে কলকাতার পুরসভা এই পরিত্যক্ত ধর্মশালাটি মাদার তেরেসার মিশনকে দান করে দেয়।

    মিশনের লক্ষ্য ছিল জাতিধর্ম নির্বিশেষে দীনদরিদ্র মানুষের সেবা করা, দরিদ্র মানুষদের ভালোবাসা। মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত যেসব অনাথ শিশু, দুরারোগ্য ব্যাধির জন্য পরিবার পরিজনদের স্নেহ থেকে বঞ্চিত, সহায়সম্বলহীন সেইসব আর্তমানুষ— তাদের সেবা করাই হলো মিশনের কাজ।

     

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতায়
    কলকাতা
    কোলকাতা
    কলকাতার
    বাংলা গল্প
    Library
    বইয়ের
    ই-বই ডাউনলোড
    বই পড়ুন

     

    কালীঘাট থেকেই যাত্রা শুরু হলো তেরেসার। তারপর ক্রমেই কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেতে লাগল। কলকাতা শহরেই প্রতিষ্ঠিত হলো আরও বেশ কয়েকটি সেবাশ্রম।

    জগদীশচন্দ্র বসু রোডে স্থাপিত হলো অনাথ শিশুদের জন্য সেবাশ্রম ‘নির্মলা শিশু ভবন’। আজও এর কার্যক্রম অব্যাহত। এখানে কেউ এলেই তাঁর মন আনন্দে ভরে উঠবে। চোখে পড়বে কচি কচি শিশুদের হাসিমুখ। কাউকে খাওয়ানো হচ্ছে, কারো গায়ে তেল মাখানো হচ্ছে, কেউ-বা স্নান করছে। কাজগুলো করছেন মিশনারির মহিলা-কর্মী অর্থাৎ সন্ন্যাসিনীরা।

    চারদিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, ঝকঝকে তকতকে। কলকাতার যে-কোনো আধুনিক নার্সিং হোমকে হার মানিয়ে দিতে পারে।

    উল্লেখ্য কলকাতার এই জগদীশচন্দ্র বসু রোডেই অবস্থিত তেরেসার মিশনারি অব চ্যারিটির প্রধান কাৰ্যালয়।

    মাদার তেরেসা শহরের পথে চলতে চলতে কুষ্ঠরোগীদের দেখেন। রাস্তায় কুষ্ঠরোগাক্রান্তদের ভিক্ষার পাত্র হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখে তিনি ব্যাকুল হন। তাদের জন্য কিছু একটা করার জন্য তাঁর মন আকুলিবিকুলি করে ওঠে। তিনি বস্তিতে কুষ্ঠরোগীদের কাছে যান, তাদের ক্ষতবিক্ষত শরীরে পরম স্নেহে হাত বোলান। মনে মনে ভাবেন, এদের জন্যও কিছু একটা করতে হবে। অবশেষে অনেক চেষ্টার পর প্রতিষ্ঠিত হয় সোদপুরে গান্ধি কুষ্ঠ আশ্রম ‘প্রেম নিবাস’। অর্থের অভাবে প্রথমে খুব বড় ধরনের কিছু করা সম্ভব হয়নি। ১৯৬৪ সালে পোপ ষষ্ঠ পল ভারত সফরের সময় মাদার তেরেসার কুষ্ঠ আশ্রম পরিদর্শন করেন। এ-সময় তিনি তাঁর নিজের দামি লিংকন গাড়িটি উপহার হিসেবে দিয়ে গিয়েছিলেন মাদার তেরেসাকে।

     

    আরও দেখুন
    কলকাতায়
    কলকাতার
    কোলকাতা
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতা
    অনলাইন বই
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য

     

    গাড়িটি দিয়েছিলেন মাদার তেরেসার ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্যই। কিন্তু গাড়িটি তিনি নিজে ব্যবহার না করে সেটিকে উপলক্ষ করে একটি লটারির ব্যবস্থা করলেন। এতে দারুণ সাড়া পাওয়া গেল। কয়েক লক্ষ টাকা সংগৃহীত হলো। এই সব টাকাই তিনি দান করলেন কুষ্ঠ আশ্রম-প্রেম নিবাসের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য।

    এ ছাড়া তিনি ‘পোপ জন শান্তি পুরস্কার’ স্বরূপ পেয়েছিলে কয়েক লক্ষ টাকা। এই টাকা দিয়েও তিনি আসানসোলের কাছে গড়ে তোলেন কুষ্ঠরোগীদের জন্য একটি শহর—শান্তিনগর।

    শুধু কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গ নয়, মাদার তেরেসার সেবাকার্য ক্রমে ছড়িয়ে পড়তে লাগল আরও বৃহত্তর পরিসরে। ক্রমে তা ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ল। আজ বিশ্বের সবকটি মহাদেশেই স্থাপিত হয়েছে মিশনারিজ অব চ্যারিটির শাখা। এশিয়া, আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার প্রায় সর্বত্র মাদার তেরেসার কল্যাণহস্ত সম্প্রসারিত।

    পৃথিবীর যে-কোনো প্রান্তের আর্তমানুষের কান্না তেরেসার অন্তরকে ব্যাকুল করে, তিনি ছুটে যান তাদের কাছে। সাধ্যমতো সাহায্য করেন।

     

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতায়
    কলকাতা
    কলকাতার
    কোলকাতা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    তেরেসার এই বিশাল ও মহৎ কর্মযজ্ঞে কোনো বাধাই কিন্তু তাঁকে আটকে রাখতে পারেনি। লরেটো স্কুল ছেড়ে আসার সময় তাঁর সম্বল ছিল মাত্র পাঁচ টাকা। অথচ আজ মিশনারিজ অব চ্যারিটি প্রতিদিনই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে সেবাকার্যের জন্য খরচ করে প্রায় ১২,০০,০০০ টাকা। অন্নছত্রগুলোতে (লঙ্গরখানা) প্রতিদিন গড়ে আহার করে প্রায় ৬০,০০০ নিরন্ন মানুষ। ৮১টি (১৯৯৬ সাল পর্যন্ত) আশ্রয় কেন্দ্রে এ পর্যন্ত আশ্রয় পেয়েছে প্রায় ১৪,০০০ ছিন্নমূল মানুষ। ৪,০০০ শিশুর জন্য রয়েছে ৭০টি অনাথ আশ্ৰম।

    মিশনারিজ অব চ্যারিটির পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে ১৫০টি বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে হাজার হাজার শিশু-কিশোর। এ ছাড়া রয়েছে প্রায় ৭০০টি ভ্রাম্যামাণ চিকিৎসা কেন্দ্ৰ।

    মাদার তেরেসার সেবাকর্মের অধিকাংশ অর্থ আসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ত্রাণ ও কল্যাণ সংস্থা কিংবা ধনাঢ্য ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে। অর্থ, ঔষধ, পরিধেয় ও খাদ্য দিয়ে তাঁরা সাহায্য করছেন এই কল্যাণময়ী মাকে।

     

    আরও দেখুন
    কলকাতা
    কলকাতার
    গিফ্টের বাস্কেট
    কোলকাতা
    কলকাতায়
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ই-বই

     

    মাদার তেরেসার বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত এই সেবকার্যের প্রধান সহকারিণী হলেন এক বাঙালি রমণী—নাম সুভাষিণী। তবে তাঁর বর্তমান নাম অ্যাগনেস। মাদার তেরেসার পরিত্যক্ত পৈতৃক নামে নিজের নামকরণ করেছেন সুভাষিণী।

    এ ছাড়া তাঁর অন্যান্য প্রধান প্রধান সহকারিণীর মধ্যে আছেন সিস্টার ক্লেয়ার (প্রকৃত নাম কিরণ দত্ত), সিস্টার বার্নার্ড, সিস্টার ডোরোথিসহ আরও অনেক। এঁরা সকলেই মাদার তেরেসার বিশ্বময় প্রতিষ্ঠিত সেবাকর্মযজ্ঞে আত্মোৎসর্গ করেছেন।

    দেশ-বিদেশের বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মাদার তেরেসা। তিনি ১৯৭৯ সালে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। এ ছাড়াও ভারত সরকারের কাছ থেকে পেয়েছেন ভারতরত্ন ও দেশিকোত্তমসহ অনেকগুলো পুরস্কার।

    আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় মিলে এ পর্যন্ত তিনি ৪৫টি পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু কোনো পুরস্কারই এই মহীয়সী মহিলাকে আনন্দিত বা গর্বিত করে না। তিনি আপন মনে করে গেছেন তাঁর সেবাকর্ম। তিনি মনে করেন ঈশ্বরের ধ্যান আর আর্তসেবার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

     

    আরও দেখুন
    কোলকাতা
    কলকাতার
    কলকাতা
    গিফ্টের বাস্কেট
    কলকাতায়
    অনলাইন বুক
    বইয়ের
    বাংলা কুইজ গেম
    ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    এই মহীয়সী নারী বৃদ্ধ বয়সেও সেবাব্রতের কাজ নিয়ে অক্লান্তভাবে ঘুরে বেড়িয়েছেন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। তিনি শিশু আর মুমূর্ষু মানুষকে মাতৃস্নেহে জড়িয়ে ধরতেন বুকে। মাতৃত্বের এ দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে আর নেই বললেই চলে।

    মাদার তেরেসা বাংলাদেশেও তাঁর সেবাকাজে দুবার এসেছিলেন।

    তিনি কলকাতায় ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১০টায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }