Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সন্ধ্যাসংগীত – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প54 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ ও সুধা

    অস্ত গেল দিনমণি । সন্ধ্যা আসি ধীরে
    দিবসের অন্ধকার সমাধির ‘ পরে
    তারকার ফুলরাশি দিল ছড়াইয়া ।
    সাবধানে অতি ধীরে নায়ক যেমন
    ঘুমন্ত প্রিয়ার মুখ করয়ে চুম্বন ,
    দিন-পরিশ্রমে ক্লান্ত পৃথিবীর দেহ
    অতি ধীরে পরশিল সায়াহ্নের বায়ু ।
    দুরন্ত তরঙ্গগুলি যমুনার কোলে
    সারাদিন খেলা করি পড়েছে ঘুমায়ে ।
    ভগ্ন দেবালয়খানি যমুনার ধারে ,
    শিকড়ে শিকড়ে তার ছায়ি জীর্ণ দেহ
    বট অশত্থের গাছ জড়াজড়ি করি
    আঁধারিয়া রাখিয়াছে ভগন হৃদয় ,
    দুয়েকটি বায়ূচ্ছ্বাস পথ ভুলি গিয়া
    আঁধার আলয়ে তার হয়েছে আটক ,
    অধীর হইয়া তারা হেথায় হোথায়
    হু হু করি বেড়াইছে পথ খুঁজি খুঁজি!
    শুন সন্ধ্যে! আবার এসেছি আমি হেথা ,
    নীরব আঁধারে তব বসিয়া বসিয়া
    তটিনীর কলধ্বনি শুনিতে এয়েছি ।
    হে তটিনী , ও কি গান গাইতেছ তুমি!
    দিন নাই , রাত্রি নাই , এক তানে শুধু
    এক সুরে এক গান গাইছ সতত —
    এত মৃদুস্বরে ধীরে , যেন ভয় করি
    সন্ধ্যার প্রশান্ত স্বপ্ন ভেঙে যায় পাছে!
    এ নীরব সন্ধ্যাকালে তব মৃদু গান
    একতান ধ্বনি তব শুনে মনে হয়
    এ হৃদি-গানেরি যেন শুনি প্রতিধ্বনি!
    মনে হয় যেন তুমি আমারি মতন
    কী এক প্রাণের ধন ফেলেছ হারায়ে ।
    এসো স্মৃতি , এসো তুমি এ ভগ্ন হৃদয়ে —
    সায়াহ্ন-রবির মৃদু শেষ রশ্মিরেখা
    যেমন পড়েছে ওই অন্ধকার মেঘে
    তেমনি ঢালো এ হৃদে অতীত-স্বপন!
    কাঁদিতে হয়েছে সাধ বিরলে বসিয়া ,
    কাঁদি একবার , দাও সে ক্ষমতা মোরে!
    যাহা কিছু মনে পড়ে ছেলেবেলাকার
    সমস্ত মালতীময় — মালতী কেবল
    শৈশবকালের মোর স্মৃতির প্রতিমা ।
    দুই ভাই বোনে মোরা আছিনু কেমন!
    আমি ছিনু ধীর শান্ত গম্ভীর-প্রকৃতি ,
    মালতী প্রফুল্ল অতি সদা হাসি হাসি ।
    ছিল না সে উচ্ছ্বসিনী নির্ঝরিণী সম
    শৈশব-তরঙ্গবেগে চঞ্চলা সুন্দরী ,
    ছিল না সে লজ্জাবতী লতাটির মতো
    শরম-সৌন্দর্যভরে ম্রিয়মাণ-পারা ।
    আছিল সে প্রভাতের ফুলের মতন ,
    প্রশান্ত হরষে সদা মাখানো মুখানি ;
    সে হাসি গাহিত শুধু উষার সংগীত —
    সকলি নবীন আর সকলি বিমল ।
    মালতীর শান্ত সেই হাসিটির সাথে
    হৃদয়ে জাগিত যেন প্রভাত পবন ,
    নূতন জীবন যেন সঞ্চরিত মনে!
    ছেলেবেলাকার যত কবিতা আমার
    সে হাসির কিরণেতে উঠেছিল ফুটি ।
    মালতী ছুঁইত মোর হৃদয়ের তার ,
    তাইতে শৈশব-গান উঠিত বাজিয়া ।
    এমনি আসিত সন্ধ্যা ; শ্রান্ত জগতেরে
    স্নেহময় কোলে তার ঘুম পাড়াইতে ।
    সুবর্ণ-সলিলসিক্ত সায়াহ্ন-অম্বরে
    গোধূলির অন্ধকার নিঃশব্দ চরণে
    ছোটো ছোটো তারাগুলি দিত ফুটাইয়া ,
    নন্দনবনের যেন চাঁপা ফুল দিয়ে
    ফুলশয্যা সাজাইত সুরবালাদের ।
    মালতীরে লয়ে পাশে আসিতাম হেথা ;
    সন্ধ্যার সংগীতস্বরে মিলাইয়া স্বর
    মৃদুস্বরে শুনাতেম শৈশব-কবিতা ।
    হর্ষময় গর্বে তার আঁখি উজলিত —
    অবাক ভক্তির ভাবে ধরি মোর হাত
    একদৃষ্টে মুখপানে রহিত চাহিয়া ।
    তার সে হরষ হেরি আমারো হৃদয়ে
    কেমন মধুর গর্ব উঠিত উথলি!
    ক্ষুদ্র এক কুটির আছিল আমাদের ,
    নিস্তব্ধ-মধ্যাহ্নে আর নীরব সন্ধ্যায়
    দূর হতে তটিনীর কলস্বর আসি
    শান্ত কুটিরের প্রাণে প্রবেশিয়া ধীরে
    করিত সে কুটিরের স্বপন রচনা ।
    দুই জনে ছিনু মোরা কল্পনার শিশু —
    বনে ভ্রমিতাম যবে , সুদূর নির্ঝরে
    বনশ্রীর পদধ্বনি পেতাম শুনিতে ।
    যাহা কিছু দেখিতাম সকলেরি মাঝে
    জীবন্ত প্রতিমা যেন পেতেম দেখিতে!
    কত জোছনার রাত্রে মিলি দুই জনে
    ভ্রমিতাম যমুনার পুলিনে পুলিনে ,
    মনে হত এ রজনী পোহাতে চাবে না ,
    সহসা কোকিল-রব শুনিয়া উষায় ,
    সহসা যখনি শ্যামা গাহিয়া উঠিত ,
    চমকিয়া উঠিতাম , কহিতাম মোরা ,
    ‘ এ কী হোল! এরি মধ্যে পোহাল রজনী! ‘
    দেখিতাম পূর্ব দিকে উঠেছে ফুটিয়া
    শুকতারা , রজনীর বিদায়ের পথে ,
    প্রভাতের বায়ু ধীরে উঠিছে জাগিয়া ,
    আসিছে মলিন হয়ে আঁধারের মুখ ।
    তখন আলয়ে দোঁহে আসিতাম ফিরি ,
    আসিতে আসিতে পথে শুনিতাম মোরা
    গাইছে বিজনকুঞ্জে বউ-কথা-কও ।
    ক্রমশ বালককাল হল অবসান ,
    নীরদের প্রেমদৃষ্টে পড়িল মালতী ,
    নীরদের সাথে তার হইল বিবাহ ।
    মাঝে মাঝে যাইতাম তাদের আলয়ে ;
    দেখিতাম মালতীর শান্ত সে হাসিতে
    কুটিরেতে রাখিয়াছে প্রভাত ফুটায়ে!

    সঙ্গীহারা হয়ে আমি ভ্রমিতাম একা ,
    নিরাশ্রয় এ-হৃদয় অশান্ত হইয়া
    কাঁদিয়া উঠিত যেন অধীর উচ্ছ্বাসে ।
    কোথাও পেত না যেন আরাম বিশ্রাম ।
    অন্যমনে আছি যবে , হৃদয় আমার
    সহসা স্বপন ভাঙি উঠিত চমকি ।
    সহসা পেত না ভেবে , পেত না খুঁজিয়া
    আগে কী ছিল রে যেন এখন তা নাই ।
    প্রকৃতির কি-যেন কী গিয়াছে হারায়ে
    মনে তাহা পড়িছে না । ছেলেবেলা হতে
    প্রকৃতির যেই ছন্দ এসেছি শুনিয়া
    সেই ছন্দোভঙ্গ যেন হয়েছে তাহার ,
    সেই ছন্দে কী কথার পড়েছে অভাব —
    কানেতে সহসা তাই উঠিত বাজিয়া ,
    হৃদয় সহসা তাই উঠিত চমকি ।
    জানি না কিসের তরে , কী মনের দুখে
    দুয়েকটি দীর্ঘশ্বাস উঠিত উচ্ছ্বসি ।
    শিখর হতে শিখরে , বন হতে বনে ,
    অন্যমনে একেলাই বেড়াতাম ভ্রমি —
    সহসা চেতন পেয়ে উঠিয়া চমকি
    সবিস্ময়ে ভাবিতাম , কেন ভ্রমিতেছি ,
    কেন ভ্রমিতেছি তাহা পেতেম না ভাবি!

    একদিন নবীন বসন্ত-সমীরণে
    বউ-কথা-কও যবে খুলেছে হৃদয় ,
    বিষাদে সুখেতে মাখা প্রশান্ত কী ভাব
    প্রাণের ভিতরে যবে রয়েছে ঘুমায়ে ,
    দেখিনু বালিকা এক , নির্ঝরের ধারে
    বনফুল তুলিতেছে আঁচল ভরিয়া ।
    দুপাশে কুন্তলজাল পড়েছে এলায়ে ,
    মুখেতে পড়েছে তার উষার কিরণ ।
    কাছেতে গেলাম তার , কাঁটা বাছি ফেলি
    কানন-গোলাপ তারে দিলাম তুলিয়া ।
    প্রতিদিন সেইখানে আসিত দামিনী
    তুলিয়া দিতাম ফুল , শুনাতেম গান ,
    কহিতাম বালিকারে কত কী কাহিনী ,
    শুনি সে হাসিত কভু , শুনিত না কভু ,
    আমি ফুল তুলে দিলে ফেলিত ছিঁড়িয়া ।
    ভর্ৎসনার অভিনয়ে কহিত কত কী!
    কভু বা ভ্রূকুটি করি রহিত বসিয়া ,
    হাসিতে হাসিতে কভু যাইত পলায়ে ,
    অলীক শরমে কভু হইত অধীর ।
    কিন্তু তার ভ্রূকুটিতে , শরমে , সংকোচে ,
    লুকানো প্রেমেরি কথা করিত প্রকাশ!
    এইরূপে প্রতি উষা যাইত কাটিয়া ।
    একদিন সে-বালিকা না আসিত যদি
    হৃদয় কেমন যেন হইত বিকল —
    প্রভাত কেমন যেন যেত না কাটিয়া —
    দিন যেত অতি ধীরে নিরাশ-চরণে!
    বর্ষচক্র আর বার আসিল ফিরিয়া ,
    নূতন বসন্তে পুনঃ হাসিল ধরণী ,
    প্রভাতে অলস ভাবে , বসি তরুতলে ,
    দামিনীরে শুধালেম কথায় কথায়
    ‘ দামিনী , তুমি কি মোরে ভালোবাস বালা ? ‘
    অলীক-শরম-রোষে ভ্রূকুটি করিয়া
    ছুটে সে পলায়ে গেল দূর বনান্তরে —
    জানি না কী ভাবি পুনঃ ছুটিয়া আসিয়া
    ‘ ভালোবাসি — ভালোবাসি — ‘ কহিয়া অমনি
    শরমে-মাখানো মুখ লুকালো এ বুকে ।
    এইরূপে দিন যেত স্বপ্ন-খেলা খেলি ।
    কত ক্ষুদ্র অভিমানে কাঁদিত বালিকা ,
    কত ক্ষুদ্র কথা লয়ে হাসিত হরষে —
    কিন্তু জানিতাম কি রে এই ভালোবাসা
    দুদিনের ছেলেখেলা , আর কিছু নয় ?
    কে জানিত প্রভাতের নবীন কিরণে
    এমন শতেক ফুল উঠে রে ফুটিয়া
    প্রভাতের বায়ু সনে খেলা সাঙ্গ হলে
    আপনি শুকায়ে শেষে ঝরে পড়ে যায় —
    ওই ফুলে থুয়েছিনু হৃদয়ের আশা ,
    ওই কুসুমের সাথে খসে পড়ে গেল!
    আর কিছুকাল পরে এই দামিনীরে
    যে কথা বলিয়াছিনু আজো মনে আছে ।
    ‘ দামিনী , মনে কি পড়ে সে দিনের কথা ?
    বলো দেখি কত দিন ওই মুখখানি
    দেখি নি তোমার ? তাই দেখিতে এয়েছি!
    জোছনার রাত্রে যবে বসেছি কাননে ,
    দুয়েকটি তারা কভু পড়িছে খসিয়া ,
    হতবুদ্ধি দুয়েকটি পথহারা মেঘ
    অনন্ত আকাশ-রাজ্যে ভ্রমিছে কেবল ,
    সে নিস্তব্ধ রজনীতে হৃদয়ে যেমন
    একে একে সব কথা উঠে গো জাগিয়া ,
    তেমনি দেখিনু যেই ওই মুখখানি
    স্মৃতি-জাগরণকারী রাগিণীর মতো
    ওই মুখখানি তব দেখিনু যেমনি
    একে একে পুরাতন সব স্মৃতিগুলি
    জীবন্ত হইয়া যেন জাগিল হৃদয়ে ।
    মনে আছে সেই সখি আর-এক দিন
    এমনি গম্ভীর সন্ধ্যা , এই নদীতীর ,
    এইখানে এই হাত ধরিয়া তোমার
    কাতরে কহেছি আমি নয়নের জলে ,
    ‘ বিদায় দাও গো এবে চলিনু বিদেশে ,
    দেখো সখি এত দিন বাসিয়াছ ভালো ,
    দুদিন না দেখে যেন যেয়ো না ভুলিয়া!
    সংসারের কর্ম হতে অবসর লয়ে
    আবার ফিরিয়া যবে আসিব দামিনী ,
    নব-অতিথির মতো ভেবো না আমারে
    সম্ভ্রমের অভিনয় কোরো না বালিকা! ‘
    কিছুই উত্তর তার দিলে না তখন ,
    শুধু মুখপানে চেয়ে কাতর নয়নে
    ভর্ৎসনার অশ্রুজল করিলে বর্ষণ ।
    যেন এই নিদারুণ সন্দেহের মোর
    অশ্রুজল ছাড়া আর নাইকো উত্তর!
    আবার কহিনু আমি ওই মুখ চেয়ে ,
    ‘ কে জানে মনের মধ্যে কি হয়েছে মোর
    আশঙ্কা হতেছে যেন হৃদয়ে আমার
    ওই স্নেহ-সুধামাখা মুখখানি তোর
    এ জনমে আর বুঝি পাব না দেখিতে । ‘
    নীরব গম্ভীর সেই সন্ধ্যার আঁধারে
    সমস্ত জগৎ যেন দিল প্রতিধ্বনি
    ‘ এ জনমে আর বুঝি পাব না দেখিতে । ‘
    গভীর নিশীথে যথা আধো ঘুমঘোরে
    সুদূর শ্মশান হতে মরণের রব
    শুনিলে হৃদয় উঠে কাঁপিয়া কেমন ,
    তেমনি বিজন সেই তটিনীর তীরে
    একাকী আঁধারে যেন শুনিনু কী কথা ,
    সমস্ত হৃদয় যেন উঠিল শিহরি!
    আর বার কহিলাম , ‘ বিদায় — ভুলো না । ‘
    তখন কি জানিতাম এই নদীতীরে
    এই সন্ধ্যাকালে আর তোমারি সমুখে
    এমনি মনের দুখে হইবে কাঁদিতে ?
    তখনো আমার এই বাল্যজীবনের
    প্রভাত-নীরদ হতে নব-রক্তরাগ
    যায় নি মিলায়ে সখি , তখনো হৃদয়
    মরীচিকা দেখিতেছিল দূর শূন্যপটে ।
    নামিনু সংসারক্ষেত্রে যুঝিনু একাকী ,
    যাহা কিছু চাহিলাম পাইনু সকলি ।
    তখন ভাবিনু যাই প্রেমের ছায়ায়
    এতদিনকার শ্রান্তি যাবে দূর হয়ে ।
    সন্ধ্যাকালে মরুভূমে পথিক যেমন
    নিরখিয়া দেখে যবে সম্মুখে পশ্চাতে
    সুদূরে দেখিতে পায় প্রান্ত দিগন্তের
    সুবর্ণ জলদজালে মণ্ডিত কেমন ,
    সে-দিকে তারকাগুলি চুম্বিছে প্রান্তর ,
    সায়াহ্নবালার সেথা পূর্ণতম শোভা ,
    কিন্তু পদতলে তার অসীম বালুকা
    সারাদিন জ্বলি জ্বলি তপন-কিরণে
    ফেলিছে সায়াহ্নকালে জ্বলন্ত নিশ্বাস ।
    তেমনি এ সংসারের পথিক যাহারা
    ভবিষ্যৎ অতীতের দিগন্তের পানে
    চাহি দেখে স্বর্গ সেথা হাসিছে কেবল
    পদতলে বর্তমান মরুভূমি সম ।
    স্মৃতি আর আশা ছাড়া সত্যকার সুখ
    মানুষের ভাগ্যে সখি ঘটে নাকো বুঝি!
    বিদেশ হইতে যবে আইসে ফিরিয়া
    অতি হতভাগা যেও সেও ভাবে মনে
    যারে যারে ভালোবাসে সকলেই বুঝি
    রহিয়াছে তার তরে আকুল-হৃদয়ে!
    তেমনি কতই সখি করেছিনু আশা ,
    মনে মনে ভেবেছিনু কত-না হরষে
    দামিনী আমার বুঝি তৃষিতনয়নে
    পথপানে চেয়ে আছে আমারি আশায় ।
    আমি গিয়ে কব তারে হরষে কাঁদিয়া ,
    ‘ মুছ অশ্রুজল সখি , বহু দিন পরে
    এসেছে বিদেশ হতে ললিত তোমার ‘ ।
    অমনি দামিনী বুঝি আহ্লাদে উথলি
    নীরব অশ্রুর জলে কবে কত কথা ।
    ফিরিয়া আসিনু যবে — এ কী হল জ্বালা!
    কিছুতে নয়নজল নারি সামালিতে ।
    ফেরো ফেরো চাহিয়ো না এ আঁখির পানে ,
    প্রাণে বাজে অশ্রুজল দেখাতে তোমায়!
    জেনো গো রমণি , জেনো , এত দিন পরে
    কাঁদিয়া প্রণয় ভিক্ষা করিতে আসি নি ,
    এ অশ্রু দুঃখের অশ্রু — এ নহে ভিক্ষার!
    কখনো কখনো সখি অন্য মনে যবে
    সুবিজন বাতায়নে রয়েছ বসিয়া
    সম্মুখে যেতেছে দেখা বিজন প্রান্তর
    হেথা হোথা দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন কুটির
    হু হু করি বহিতেছে যমুনার বায়ু —
    তখন কি সে-দিনের দুয়েকটি কথা
    সহসা মনের মধ্যে উঠে না জাগিয়া ?
    কখন যে জাগি উঠে পার না জানিতে!
    দূরতম রাখালের বাঁশিস্বর সম
    কভু কভু দুয়েকটি ভাঙা-ভাঙা সুর
    অতি মৃদু পশিতেছে শ্রবণবিবরে ;
    আধো জেগে আধো ঘুমে স্বপ্ন আধো-ভোলা —
    তেমনি কি সে-দিনের দুয়েকটি কথা
    সহসা মনের মধ্যে উঠে না জাগিয়া ?
    স্মৃতির নির্ঝর হতে অলক্ষ্যে গোপনে ,
    পথহারা দুয়েকটি অশ্রুবারিধারা
    সহসা পড়ে না ঝরি নেত্রপ্রান্ত হতে ,
    পড়িছে কি না পড়িছে পার না জানিতে!
    একাকী বিজনে কভু অন্য মনে যবে
    বসে থাকি , কত কী যে আইসে ভাবনা ,
    সহসা মুহূর্ত-পরে লভিয়া চেতন
    কী কথা ভাবিতেছিনু নাহি পড়ে মনে
    অথচ মনের মধ্যে বিষণ্ন কী ভাব
    কেমন আঁধার করি রহে যেন চাপি ,
    হৃদয়ের সেই ভাবে কখনো কি সখি
    সে-দিনের কোনো ছায়া পড়ে না স্মরণে ?
    ছেলেবেলাকার কোনো বন্ধুর মরণ
    স্মরিলে যেমন লাগে হৃদয়ে আঘাত ,
    তেমনি কি সখি কভু মনে নাহি হয়
    সে-সকল দিন কেন গেল গো চলিয়া
    যে দিন এ-জন্মে আর আসিবে না ফিরি!
    পুরাতন বন্ধু তারা , কত কাল আহা
    খেলা করিয়াছি মোরা তাহাদের সাথে ,
    কত সুখে হাসিয়াছি দুঃখে কাঁদিয়াছি ,
    সে-সকল সুখ দুঃখ হাসি কান্না লয়ে
    মিশাইয়া গেল তারা আঁধার অতীতে!

    চলিনু দামিনী পুনঃ চলিনু বিদেশে —
    ভাবিলাম একবার দেখিব মুখানি ,
    একবার শুনাইব মরমের ব্যথা ,
    তাই আসিয়াছি সখি , এ জনমে আর
    আসিব না দিতে তব শান্তিতে ব্যাঘাত ,
    এ জন্মের তরে সখি কহো একবার
    একটি স্নেহের বাণী অভাগার ‘ পরে ,
    ভ্রমিয়া বেড়াব যবে সুদূর বিদেশে
    সে-কথার প্রতিধ্বনি বাজিবে হৃদয়ে! ‘

    থামো স্মৃতি — থামো তুমি , থামো এইখানে ,
    সম্মুখে তোমার ও কি দৃশ্য মর্মভেদী ?
    মালতী আমার সেই প্রাণের ভগিনী ,
    শৈশবকালের মোর খেলাবার সাথী
    যৌবনকালের মোর আশ্রয়ের ছায়া ,
    প্রতি দুঃখ প্রতি সুখ প্রতি মনোভাব
    যার কাছে না বলিলে বুক যেত ফেটে ,
    সেই সে মালতী মোর হয়েছে বিধবা!
    আপনার দুঃখে মগ্ন স্বার্থপর আমি
    ভালো করে পারিনু না করিতে সান্ত্বনা!
    নিজের চোখের জলে অন্ধ এ নয়নে
    পরের চোখের জল পেনু না দেখিতে!
    ছেলেবেলাকার সেই পুরানো কুটিরে
    হাসিতে হাসিতে এল মালতী আমার ,
    সে-হাসির চেয়ে ভালো তীব্র অশ্রুজল!
    কে জানিত সে-হাসির অন্তরে অন্তরে
    কালরাত্রি অন্ধকার রয়েছে লুকায়ে!
    একদিনো বলে নি সে কোনো দুঃখ-কথা ,
    একদিনো কাঁদে নি সে সমুখে আমার!
    জানি জানি মালতী সে স্বর্গের দেবতা!
    নিজের প্রাণের বহ্নি করিয়া গোপন ,
    পরের চোখের জল দিত সে মুছায়ে ।
    ছেলেবেলাকার সেই হাসিটি তাহার
    সমস্ত আনন তার রাখিত উজ্জ্বলি ,
    কত-না করিত যত্ন করিত সান্ত্বনা ।
    হাসিতে হাসিতে কত করিত আদর!
    কিন্তু হা , শ্মশানে যথা চাঁদের জোছনা
    শ্মশানের ভীষণতা বাড়ায় দ্বিগুণ —
    মালতীর সেই হাসি দেখিয়া তেমনি
    নিজের এ হৃদয়ের ভগ্ন-অবশেষ
    দ্বিগুণ পড়িত যেন নয়নে আমার!
    তাহার আদর পেয়ে ভুলিনু যাতনা ,
    কিন্তু হায় , দেখি নাই , বিজন-শয্যায়
    কত দিন কাঁদিয়াছে মালতী গোপনে!
    সে যখন দেখিত , তাহার বাল্যসখা
    দিনে দিনে অবসাদে হইছে মলিন ,
    দিনে দিনে মন তার যেতেছে ভাঙিয়া ,
    তখন আকুলা বালা রাত্রে একাকিনী
    কাঁদিয়া দেবতা কাছে করেছে প্রার্থনা —
    বালিকার অশ্রুময় সে প্রার্থনাগুলি
    আর কেহ শুনে নাই অন্তর্যামী ছাড়া!
    দেখি নাই কত রাত্রি একাকিনী গিয়া
    যমুনার তীরে বসি কাঁদিত বিরলে!
    একাকিনী কেঁদে কেঁদে হইত প্রভাত ,
    এলোথেলো কেশপাশে পড়িত শিশির ,
    চাহিয়া রহিত উষা ম্লান মুখপানে!
    বিষময় , বহ্নিময় , বজ্রময় প্রেম ,
    এ স্নেহের কাছে তুই ঢাক মুখ ঢাক ।
    তুই মরণের কীট , জীবনের রাহু ,
    সৌন্দর্য-কুসুম-বনে তুই দাবানল ,
    হৃদয়ের রোগ তুই , প্রাণের মাঝারে
    সতত রাখিস তুই পিপাসা পুষিয়া ,
    ভুজঙ্গ বাহুর পাকে মর্ম জড়াইয়া
    কেবলি ফেলিস তুই বিষাক্ত নিশ্বাস ,
    আগ্নেয় নিশ্বাসে তোর জ্বলিয়া জ্বলিয়া
    হৃদয়ে ফুটিতে থাকে তপ্ত রক্তস্রোত ।
    জরজর কলেবর , আবেশে অসাড় ,
    শিথিল শিরার গ্রন্থি, অচেতন প্রাণ ,
    স্খলিত জড়িত বাণী , অবশ নয়ন ,
    আশা ও নিরাশা-পাকে ঘুরিছে হৃদয় ,
    ঘুরিছে চোখের ‘ পরে জগতসংসার!
    এই প্রেম , এই বিষ , বজ্র-হতাশন
    কবে রে পৃথিবী হতে যাবে দূর হয়ে!
    আয় স্নেহ , আয় তোর স্নিগ্ধসুধা ঢালি
    এ জ্বলন্ত বহ্নিরাশি দে রে নিবাইয়া!
    অগ্নিময় বৃশ্চিকের আলিঙ্গন হতে ,
    সুধাসিক্ত কোলে তোর তুলে নে তুলে নে!
    প্রেম-ধূমকেতু ওই উঠেছে আকাশে ,
    ঝলসি দিতেছে , হায় , যৌবনের আঁখি ,
    কোথা তুমি ধ্রুবতারা ওঠো একবার ,
    ঢালো এ জ্বলন্ত নেত্রে স্নিগ্ধ-মৃদু-জ্যোতি ।
    তুমি সুধা , তুমি ছায়া , তুমি জ্যোৎস্নাধারা ,
    তুমি স্রোতস্বিনী , তুমি উষার বাতাস ,
    তুমি হাসি , তুমি আশা , মৃদু অশ্রুজল ,
    এসো তুমি এ প্রেমেরে দাও নিভাইয়া ।
    একটি মালতী যার আছে এ সংসারে
    সহস্র দামিনী তার ধূলিমুষ্টি নয়!

    ক্রমশ হৃদয় মোর এল শান্ত হয়ে
    যন্ত্রণা বিষাদে আসি হল পরিণত ।
    নিস্তরঙ্গ সরসীর প্রশান্ত হৃদয়ে
    নিশীথের শান্ত বায়ু ভ্রমে গো যখন ,
    এত শান্ত এত মৃদু পদক্ষেপ তার
    একটি চরণচিহ্ন পড়ে না সরসে ,
    তেমনি প্রশান্ত হৃদে প্রশান্ত বিষাদ
    ফেলিতে লগিল ধীরে মৃদুল নিশ্বাস ।
    নিরখিয়া নিদারুণ ঝটিকার মাঝে
    হাসিময় শান্ত সেই মালতী কুসুমে
    ক্রমশ হৃদয় মোর এল শান্ত হয়ে ।
    কিন্তু হায় কে জানিত সেই হাসিময়
    সুকুমার ফুলটির মর্মের মাঝারে
    মরণের কীট পশি করিতেছে ক্ষয়!
    হইল প্রফুল্লতর মুখখানি তার ,
    হইল প্রশান্ততর হাসিটি তাহার ,
    দিবা যবে যায় যায় , হাসিময় মেঘে
    দূর আঁধারের মুখ করয়ে উজ্জ্বল —
    এ হাসি তেমনি হাসি কে জানিত তাহা!
    একদা পূর্ণিমারাত্রে নিস্তব্ধ গভীর
    মুখপানে চেয়ে বালা , হাত ধরি মোর
    কহিল মৃদুলস্বরে — ‘ যাই তবে ভাই! ‘
    কোথা গেলি — কোথা গেলি মালতী আমার
    অভাগা ভ্রাতারে তোর রাখিয়া হেথায়!
    দুঃখের কণ্টকময় সংসারের পথে
    মালতী , কে লয়ে যাবে হাত ধরি মোর ?
    সংসারের ধ্রুবতারা ডুবিল আমার ।
    তেমন পূর্ণিমা রাত্রি দেখি নি কখনো ,
    পৃথিবী ঘুমাইতেছে শান্ত জোছনায় ;
    কহিনু পাগল হয়ে — ‘ রাক্ষসী পৃথিবী
    এত রূপ তোরে কভু সাজে না সাজে না! ‘

    মালতী শুকায়ে গেল , সুবাস তাহার
    এখনো রয়েছে কিন্তু ভরিয়া কুটির ।
    তাহার মনের ছায়া এখনো যেন রে
    সে কুটিরে শান্তিরসে রেখেছে ডুবায়ে!
    সে শান্ত প্রতিমা মম মনের মন্দির
    রেখেছে পবিত্র করি রেখেছে উজ্জ্বলি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনার তরী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article প্রভাতসংগীত – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }