Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤷

    দিন প্রতিদিন – ১

    ১

    ‘জয় কালী ফ্লুটস।’

    অফিস থেকে ফেরার সময় রোজই দোকানটা দেখে দিব্যেন্দু। দেখাই হয়। সাতজন্মে তাদের পরিবারে কেউ গান বাজনা করেনি। গানের ব্যাপার পরিবারে নেই। কেউ শোনেও না। তাই দোকানটা দেখাই হয়। এর বেশি কোনকালেই হয়নি। শুধু যাওয়া আসা, শুধু স্রোতে ভাসা।

    প্রবল গরম পড়েছিল।

    এখন মেঘ হচ্ছে। বৃষ্টিও হচ্ছে। অফিস ফেরতা বৃষ্টির চোটে জয় কালী ফ্লুটসেই আটকে গেল দিব্যেন্দু। গিটার, মাউথ অর্গান, হারমোনিয়াম, তবলা…কত জিনিস।

    দিব্যেন্দু মরা চোখে দেখতে লাগল।

    হঠাৎ একটা জিনিসের উপর তার চোখ আটকাল। বাঃ। ভালো তো। এটা কাজের।

    ‘কত দাদা?’

    দাম বলল দোকানদার। দিব্যেন্দু দরদাম না করেই কিনে ফেলল।

    .

    .

    বৃষ্টি নামতে দৌড়। শেয়ালদা অবধি দৌড়ে যেতে পারলে বাস ভাড়াটুকু বাঁচে।

    বাসভাড়া X মাসের ওয়ার্কিং ডে = সেভিংস। খারাপ না।

    ট্রেন শেয়ালদায় দাঁড়িয়ে আছে। ঝড়ের মতো পাবলিক ছুটছে। ডানদিক থেকে বাঁদিক থেকে। সামনে থেকে পাঁচ নাম্বার বগি। তাদের গ্রুপের ওই একটাই কামরা।

    দিব্যেন্দু ছুটল না। জানে সিট রেখে দেবে কামরুল।

    কামরুলকে সবাই ভিমরুল বলে। কামরুল রাগে না। কিংবা রাগলেও দেখায় না। হাওয়া খারাপ হচ্ছে। রাগ দেখিয়ে লাভ নেই।

    দিব্যেন্দু ঢুকতেই কামরুলের চোখ খুশিতে ভরে উঠল, ‘এসো এসো।’

    দিব্যেন্দু বসল। উইন্ডো সিট। সিটে বসার আগে একটু দেখে নেয় দিব্যেন্দু। লোকজন খুব হারামি। একবার ফাঁকা সিট দেখে বসার পর দেখা গেল কেউ হেগে রেখে দিয়েছিল।

    লোকজন ট্রেনে কী করে হাগে কে জানে। হাগার পর ছোঁচে কোথায়? কই, তার তো হাগা পায় না এতো। সেদিন গোটা রাস্তাটা কী করে ফিরেছিল সেই জানে।

    তাস সাফল করছে তাপস। আড়চোখে তার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কালকের পেমেন্টটা পাইনি কিন্তু।’

    দিব্যেন্দু ফোন বের করে বলল, ‘দিয়ে দিচ্ছি। ভাবখানা এমন করছ, যেন পালিয়ে যাব।’

    তাপস খিকখিক করে ওর বিশ্রী হাসিটা হেসে বলল, ‘শালা বাঙাল, কাঁটাতার পেরিয়ে এসেছিস। কবে আবার ও পারে চলে যাবি।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘চোপ শালা, পোকা খোর।’

    তাপস কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল। কামরুল অন্য কথা তুলল। অন্য কথা তোলার দায় কামরুলেরই থাকে। না তুললেই সব ঝামেলা শেষমেশ হিন্দু-মুসলমানেই চলে যাবে। কামরুল বলল, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ কীভাবে হারলো দেখলে?’

    তাপস বলল, ‘নেদারল্যান্ডের কাছে তো? হবেই তো। যে দেশে মোল্লা নেই, সে দেশ উন্নতি করবেই।’

    কামরুল দাঁত বের করল। এটা ছোট। গায়ে লাগছে না।

    ট্রেন ছাড়ল। বিকাশ বলল, ‘আদা তিনশো টাকা কেজি। খাব কী রে ভাই? কার পেছনে গুঁজব?’

    তাপস বলল, ‘আদা খাবি না। যেটার দাম বেশি, সেটা খাবি না।’

    বিকাশ চুপ করে গেল। সে কথা কম বলে।

    তাপস দিব্যেন্দুর দিকে তাকাল, ‘কীরে বাঙাল, তুই দেখলি আমি টেক্কা দিয়েছি, তারপর তুই ট্রাম্প করলি? এই শুঁটকি মাছের বুদ্ধি নিয়ে খেলতে আসিস?’

    দিব্যেন্দু ফ্যাকাসে মেরে গেল। অন্যমনস্ক হয়ে ভুল করে ট্রাম্প করে দিয়েছে। তাপস এবার ছাড়বে না। দিব্যেন্দু গলা তুলল, ‘ঠিক আছে গেড়ি গুগলি। থাম। অনেক হয়েছে। বাড়ি গিয়ে মাংস রান্নার সময় আরও দু’থাবা চিনি দিয়ে দিস।’

    তাপস বলল, ‘খেলতে পারিস না, খেলতে আসিস কেন?’

    ও পাশ থেকে একটা বাচ্চা ড্যাবড্যাব চোখে তাদের দেখছে। দিব্যেন্দু সেটা দেখে চুপ করে গেল।

    এক-একটা স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াচ্ছে, আরও লোক উঠছে। দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অফিসে মারাত্মক ঝামেলা হয়েছে আজ। চাকরিটা যাবে যাবে করছে। দিব্যেন্দুর কাঁধের কাছটা কেমন দপ দপ করছে। প্রেশার বেড়েছে। ওষুধ খেতে হবে।

    তাপসের বক বক আর উল্লাসে গোটা রাস্তাটা কাটল।

    তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে।

    স্টেশনে ট্রেন থামার পরে অপেক্ষা করল না দিব্যেন্দু। দৌড়ে সাইকেল স্ট্যান্ডে গিয়ে সাইকেল নিয়ে সাইকেলে উঠে পড়ল। দাঁড়ানো যাবে না। পায়খানা পেয়েছে।

    প্রতিদিন ঠিক এই সময়টাই পায়খানা পায়। ট্রেন দাঁড়ালেই। ঠিক কোন টাইমটেবিলে এটা হয় জানা নেই।

    মুখে মারিতং বীর তাপস ভেজা বেড়ালের মতো স্টেশনেই দাঁড়িয়ে আছে। ট্রেনে বাতেলায় অন্ধকার করে দেওয়া তাপস বাড়িতে খুব একটা কথা বলে না।

    তাপসের বাড়িতে যেতে ভালো লাগে দিব্যেন্দুর। তখন কী ভদ্র!

    তাপসের বউ বাঙাল। বাড়িতে পারে না। বাঙাল বউয়ের উপর সব ফ্রাস্ট্রেশন ট্রেনে ঝাড়ে।

    বৃষ্টি হচ্ছে। অনেক কষ্টে পায়খানা আটকে দিব্যেন্দু মফস্‌সলের রাস্তায় সাইকেল দৌড় করাচ্ছে।

    .

    রুমা জানলা দিয়ে দেখছিল দিব্যেন্দু আসছে। দৌড়ে দরজা খুলে দিল।

    দিব্যেন্দু সাইকেল ফেলে জামা প্যান্ট খুলে গামছা নিয়ে বাথরুমে দৌড়ল।

    দশ মিনিটে শান্তি নেমে এল।

    দিব্যেন্দু এরপর স্নান করবে কুড়ি মিনিট ধরে। গান বর্জিত জীবন। একটাও গান বেরোবে না। কোনও হু হাও না।

    আধঘণ্টা পর সে বাথরুম থেকে বেরিয়ে লুঙ্গি পরল।

    ফতুয়া পরে ব্যাগ থেকে জয় কালী ফ্লুটস থেকে কেনা জিনিসটা বের করে রুমাকে ডাকল, ‘এসো দেখি।’

    রুমা ঘরে ঢুকল।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘এসো। কাছে এসো।’

    রুমা আরেকটু এগিয়ে এল।

    দিব্যেন্দু অভ্যস্ত হাতে রুমার চুল ধরল, ‘এসেছিল আজ? তোর নাং?’

    রুমা চুপ করে রইল। কথা বলল না।

    দিব্যেন্দু হাতে নিল জিনিসটা। তবলার হাতুড়ি। ছোট অথচ কার্যকর।

    মেঝেতে বসে রুমার বাঁ-পায়ের বুড়ো আঙুলে এক বাড়ি মারল। রুমা আর্তনাদ করে মেঝেয় বসে পড়ল।

    রক্ত বেরোচ্ছে।

    দিব্যেন্দু রুমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল, ‘আজকেই কিনলাম। এটা কাজে দেবে। যাও, মুড়ি গরম করে নিয়ে এসো।’

    রুমা ফ্যালফ্যাল করে দিব্যেন্দুর দিকে তাকিয়ে আছে।

    তার ব্যাকগ্রাউন্ডে তাদের প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের ছবিগুলো কোলাজ করা। রুমার এক ভাই করে দিয়েছিল…

    ২

    ‘যখন মারবে, তখন দেখবে যেন পোশাকের উপর দিয়ে মারে। তাতে লাগে কম।’

    পলা বলল।

    পায়ে ব্যান্ডেজ করতে হয়েছে। ইনজেকশন পড়েছে। ব্যথা হচ্ছে ভীষণ।

    ওষুধের দোকানে জিগ্যেস করেছিল কী হয়েছে। রুমা বলেছে পায়ে হাতুড়ি পড়েছে। দোকানদার বিশ্বাস করছিল না।

    এই দোকানেই পলার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল রুমার। পলার হাত ভেঙে দিয়েছিল ওর বর। এখন অনেকটাই ঠিক আছে। আজ পলার হাতে ইস্তিরি ঘষে দিয়েছে। কালো হয়ে ভয়াবহ দেখাচ্ছে।

    রুমা বলল, ‘তোমাকে যখন ইস্তিরি দিল, তখন কি জামা পরেছিলে?’

    পলা মাথা নাড়ল, ‘না। স্নান করে এসেছিলাম। কী মনে হয়েছিল, ছ্যাকা দিয়ে দিল।’

    আজমত স্টোরের গেটের পাশ দিয়ে ঘড়ি দেখা যাচ্ছে। রাত আটটা বেজে গেছে। বৃষ্টি প্রচুর হয়েছে। রাস্তা ভেজা।

    দিব্যেন্দু যেমন রুমাকে সন্দেহ করে, পলার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সেটা না। পলার বাবার কাছে ওর শ্বশুরবাড়ি থেকে পনেরো লাখ টাকা পণ চেয়েছিল। পলার বাপের বাড়ি তেরো লাখ জোগাড় করতে পেরেছিল। ওই দু’লাখের জন্যই মার খেতে হচ্ছে এখনও। ওর বরের ইচ্ছে হলেই পলাকে মারে।

    রুমার পায়ে বেশ ব্যথা হচ্ছে। খোঁড়াতে খোঁড়াতে হাঁটছে।

    পলা বলল, ‘সেই যে ছেলেটা, যাকে নিয়ে তোমাকে সন্দেহ করে, সে এখন কোথায় আছে?’

    রুমা মাথা নাড়ল, ‘জানি না।’

    পলা বলল, ‘আমার বাবাকে ফোন করেছিল। বলেছে এই সপ্তাহের মধ্যে টাকা না পেলে যেভাবে শুয়োর মারে, সেভাবে রড গরম করে আমার ওখানে…’

    পলার মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেল।

    রুমা তাদের বাড়ির সামনে পৌঁছতে দেখল পাড়ার কোন এক বয়স্ক লোকের সঙ্গে দিব্যেন্দু গল্প করছে। পাড়ায় দিব্যেন্দুর ইমেজ অত্যন্ত ভদ্র সভ্য একজন মানুষের। রুমা ফিসফিস করে বলল, ‘আমি ঢুকলাম। সাবধানে যাও।’

    পলা বলল, ‘ঠিক আছে।’

    দিব্যেন্দু দেখল রুমা ঘরে ঢুকছে। সে কিছু বলল না। যার সঙ্গে দিব্যেন্দু কথা বলছিল, সেই ভদ্রলোক বললেন, ‘কী হয়েছে বউমা? খুঁড়িয়ে হাঁটছ যে?’

    রুমা বলল, ‘ওই রান্না করতে গিয়ে…’

    দাঁড়াল না সে। দ্রুত পায়ে ঘরের ভেতর ঢুকে গেল। বাইরে থাকলে রাতে দিব্যেন্দু এসে বলবে সে ওই লোকটার সঙ্গে ভাব জমাতে চেষ্টা করছিল। রুমা যখন বলবে লোকটা তার বাবার বয়সি, তখন দিব্যেন্দু বলবে সুগার ড্যাডি বোঝো? বোঝো না? কোথায় কী ফুল ফুটিয়ে রাখছ আমি কী করে বুঝব? আমি তো বুঝতে পারব না।

    রুমা ঘরে ঢুকে গেল। ফোনে প্রত্যুষের নাম্বার ডায়াল করল। ফোন এখনও অফ। রুমা হাল ছাড়ে না। রোজই একবার চেষ্টা করে।

    দিব্যেন্দু হুট করে ঘরের ভেতর ঢুকে গেল।

    রুমার হাতে ফোন দেখে বলল, ‘কী হল? কাকে ফোন করছিলে?’

    রুমা বলল, ‘কাউকে না।’

    দিব্যেন্দু স্থির চোখে রুমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ব্যথা হয়েছে পায়ে?’

    রুমা ঘাড় নাড়ল। দিব্যেন্দু বসার ঘরে গিয়ে টিভি চালাল।

    .

    রুমা শ্বাস ছাড়ল। ফুলসজ্জার রাতে দিব্যেন্দু জিগ্যেস করেছিল, ‘প্রেম করেছ কোনও দিন?’

    রুমা মাথা নেড়ে ‘না’ বলেছিল।

    দিব্যেন্দু খাটে শুয়ে চুল ঠিক করতে করতে বলেছিল, ‘আমার ছিল। কেটে গেছে। খুব ভালোবাসত। শোন, প্রেম টেম নিয়ে এত চাপ নেবে না। ওগুলো পাস্ট লাইফ। অত চাপের তো কিছু নেই।’

    রুমা বলেছিল, ‘না, সত্যি নেই।’

    দিব্যেন্দু স্থিরচোখে তার দিকে তাকিয়ে বলেছিল, ‘আমাদের আগে বন্ধু হওয়া দরকার। তাই না?’

    রুমা তাও বলেনি। রাত কেটে গেল। পরের দিন দিব্যেন্দু কেমন মায়াভরা চোখে তার সঙ্গে কথা বলল। ভালো ভালো চকলেট এনে দিল। তিন চার দিন কেটে গেল। রুমার মনে হল সে খুব বড় কোনও অন্যায় করছে। তার এভাবে লুকিয়ে রাখা ঠিক হচ্ছে না। রাতে ক্রিম মাখতে মাখতে বলেছিল, ‘একজন ছিল। কথা হত ফোনে। এটুকুই। আর কিছু না।’

    দিব্যেন্দু খুশি গলায় বলল, ‘এই তো। সব বলা উচিত। ঠিক করেছ।’

    রুমা একটু একটু করে বলতে শুরু করল।

    হাসি হাসি মুখ করে সব কথা শুনছিল দিব্যেন্দু।

    তারপর রাত বাড়তেই শুরু হল অকথ্য অত্যাচার…

    ৩

    ‘আদা কত? পঁয়ত্রিশ টাকা শ? কী বল?’

    বলভদ্র দামটা শুনে দাঁড়িয়ে গেলেন। মাথাটা কেমন বন বন করছে। জিনিসের দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে সামলানো যাচ্ছে না আর। গিন্নি বলল আদা আনতে, তিনিও হ্যাঁ-হ্যাঁ করে বেরিয়ে এলেন। দোকানে একটু আদা আর কাঁচালঙ্কা নেওয়ার পর বলছে পঞ্চাশ টাকা। প্রথমে ঠাহর করতে পারছিলেন না, দামটা কোনটার বেড়েছে। আদা, না কাঁচালঙ্কার। এবার পরিষ্কার হল।

    টাকা মিটিয়ে পোস্ত কেনার আগে একবার জোরে দম নিয়ে নিলেন। এটা করতে হয়। পোস্ত কিনতে গেলেও বুকে একটা ধাক্কা লাগে। তবে পোস্ত বরাবরই মহার্ঘ্য। ভোটের আগে জনগণের দাম যেমন বেড়ে যায় আদার মতো, পোস্তর ব্যাপারটা সেরকম নয়। পোস্ত সারাবছরই ঘ্যাম নিয়ে থাকে।

    দিব্যেন্দুকে দোকানে দেখে মনটা ভালো হয়ে গেল বলভদ্রের। ভারি ভালো ছেলে। মিষ্টি ভাষী। সম্মান করে বড়দের। এরকম ছেলে দেখলে মন ভালো হবেই।

    দিব্যেন্দু তাকে দেখে হাসল, ‘ভালো তো দাদা?’

    বলভদ্র বললেন, ‘ভালো আর কী দেখলে হে? আদা সাড়ে তিনশো। ভাবো! এবার তো আদা পাদা লবনচাদা বলার আগেও টাকা দিতে হবে মনে হচ্ছে।’

    কথাটা বলে একচোট হেসে নিলেন বলভদ্র। জমেছে জোকটা। লিখে রাখতে হবে। দিব্যেন্দু হাসল না। কেমন গুটিশুটি মেরে গেল।

    বলভদ্র অপ্রস্তুত হলেন, ‘আহা, তুমি আবার খারাপ ভাবলে নাকি?’

    দিব্যেন্দু লাজুক গলায় বলল, ‘না না দাদা। ঠিক আছে।’

    জোকটা তার মতো লোকের হিসেবে অশ্লীল হয়ে গেছে বুঝে বলভদ্র মেক আপ দেওয়ার চেষ্টা করলেন, ‘আজ তো ছুটি?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘হ্যাঁ দাদা।’

    বলভদ্র বললেন, ‘তো আজ চলে এসো আমাদের বাড়ি। দুপুরে খাওয়া-দাওয়া করে যাও।’

    দিব্যেন্দু অবাক হল, ‘আজ?’

    বলভদ্র বললেন, ‘হ্যাঁ, চলে এসো। তোমার বউদি তো অনেক দিন ধরেই বলছিল। কী খাবে বল? খাসি না ইলিশ?’

    দিব্যেন্দু আমতা আমতা করতে লাগল, ‘আজ? মানে দাদা, আজ…’

    বলভদ্র দিব্যেন্দুর হাত চেপে ধরলেন, ‘ওসব কথা শুনবো না ভাই। আজকেই আসতে হবে। অনেক ডেট পিছিয়েছ। আর না।’

    দিব্যেন্দু নিমরাজি হয়ে মাথা নাড়ল, ‘ঠিক আছে দাদা। যাব।’

    বলভদ্র খুশি হলেন, ‘ঠিক আছে। এসো তবে। আমি মাছ আর মাংস নিয়েনি।’

    পোস্ত নিয়ে বলভদ্র হন্তদন্ত হয়ে মাছ বাজারের দিকে রওনা হয়ে গিন্নিকে ফোন করলেন, ‘হ্যাঁ, শোন, দিব্যেন্দুর সঙ্গে দেখা হয়ে গেছে। দুপুরে বলে দিয়েছি।’

    গিন্নি শান্ত গলায় বলল, ‘বাজার নেই কিছু নেই, এখন প্রায় দশটা বাজে।’

    বলভদ্র বললেন, ‘ও যা করবে তাই খেয়ে নেবে। দিব্যেন্দু ভারি ভালো ছেলে।’

    ফোন কেটে বলভদ্র চোখ বন্ধ করে হিসেব করে নিলেন। যা টাকা আছে হয়ে যাবার কথা।

    ঠিক আছে। যা হবে দেখা যাবে। কিনে নেওয়া যাক।

    সাড়ে দশটা নাগাদ বাজার হল।

    স্কুটির সামনে ব্যাগ ঝুলিয়ে বলভদ্র রওনা দিলেন। বৃষ্টির মধ্যেই রোদ উঠে গেছে। তাতে প্রবল গরম লাগছে। স্কুটি চালালে যদিও হাওয়া লাগায় গরম কম লাগে।

    বাড়ির সামনে এসে স্কুটি রেখে আগে তালা খুললেন তিনি। সাধারণত কোথাও গেলে বাড়ির দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ করে দিয়ে যান।

    দরজা খুলে আবার স্কুটির থেকে ব্যাগ নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে বললেন, ‘এই নাও। করে ফেলো।’

    গিন্নি বললেন, ‘করছি।’

    বলভদ্র বললেন, ‘গলার কাছটা কিছু একটা দাও। দিব্যেন্দুর বউয়ের সামনে আবার গল্প করতে বসে যেও না দাগটা আমার সিগারেটের ছ্যাকায় হয়েছে।’

    গিন্নি ঘাড় নাড়লেন।

    বলভদ্র সিগারেট ধরালেন। দিব্যেন্দুকে দিয়ে একটা পলিসি করাতেই হবে। নইলে এ মাসের টার্গেট ফুলফিল হবে না। জীবনে কত জ্বালা!

    ৪

    দিব্যেন্দু মিষ্টি নিয়ে এসেছে। বলভদ্র প্যাকেটটা নিয়ে বললেন, ‘আরে, আবার এসবের কী দরকার ছিল? এসো এসো।’

    রুমাকে নিয়ে দিব্যেন্দু ড্রইংরুমে ঢুকল।

    বলভদ্র বললেন, ‘বস।’

    রুমা খুঁড়িয়ে হাঁটছিল। বলভদ্র বললেন, ‘বউমার কী হয়েছে?’

    রুমা সসংকোচে বলল, ‘চোট লেগেছে।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘খুব চিন্তায় আছি বুঝলেন দাদা, পা বেশ ফুলেছে। একজন ভালো ডাক্তার দেখাতে পারলে ভালো হত।’

    বলভদ্রের স্ত্রী রুপালী ঘরে ঢুকেছিলেন। দিব্যেন্দুর কথা শুনে দীর্ঘশ্বাস পড়ল তার। দিব্যেন্দু কত খেয়াল রাখে স্ত্রীর।

    বলভদ্র বললেন, ‘সরকারবাবুকে দেখিয়ে নাও। ভালো ডাক্তার। অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস করছেন।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আজকেই দেখাচ্ছি।’

    রুমা চুপ করে বসে রইল।

    বলভদ্র তার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘বউমাকে নিয়ে ঘরে যাও।’

    রুপালী রুমাকে নিয়ে তাদের বেডরুমে গেলেন। রুপালী বললেন, ‘দিব্যেন্দু খুব খেয়াল রাখে তোমার?’

    রুমা ঘাড় নাড়ল।

    রুপালী গলা থেকে কাপড় সরালেন। রুমা সেটা দেখে বলল, ‘এটা সিগারেটের ছ্যাকা। তাই না?’

    রুপালী বললেন, ‘ওই আর কী, লেগে গেছিল।’

    রুমা বুকের কাপড় সরাল। ডান স্তনে গোল করে ছ্যাকার দাগ। রুপালী বড় বড় চোখ করে সেদিকে তাকিয়ে রইলেন। রুমা কাপড় ঠিক করে নিয়ে বসল। রুপালী বললেন, ‘দেখে তো মনে হয় না!’

    রুমা বলল, ‘আপনার বরকে দেখেও মনে হয় না।’

    রুপালী বললেন, ‘কিছু ভেবেছ?’

    রুমা বলল, ‘একজন আছে। রোজ ফোন করি। একদিন ফোনে পাবো নিশ্চয়ই। সেদিনের অপেক্ষায় আছি।’

    বলভদ্রের ডাক এল, ‘ভাত বেড়ে দাও। দুটো বাজতে চলল।’

    রুপালী শশব্যস্ত হয়ে বললেন, ‘চল। দেরি করলে অন্য সমস্যা হবে।’

    দিব্যেন্দু আর বলভদ্র টেবিলে বসেছে। রুপালী খাবার দিতে শুরু করলেন। বলভদ্র বললেন, ‘তোমরা দুজনেই বসে যাও। আবার দাঁড়িয়ে আছ কেন?’

    রুমা বসল। বলভদ্র বললেন, ‘দুই পরিবার মিলে কোথাও বেড়াতে যেতে হবে। কী বউমা, কোথায় যেতে ভালো লাগে তোমার? পাহাড় না সমুদ্র?’

    রুমা থালায় আঁকিবুঁকি কাটছিল। বলভদ্রের প্রশ্ন শুনে বলল, ‘সমুদ্র।’

    বলভদ্র বললেন, ‘বাঃ। খুব ভালো। বুঝলে দিব্যেন্দু, ছুটি ম্যানেজ কর। আমরা গোয়া ঘুরে আসব।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘সে তো অনেক খরচ দাদা।’

    বলভদ্র বললেন, ‘আরে সে লোক আছে আমার। ব্যবস্থা হয়ে যাবে। ওসব নিয়ে ভেবো না। ডিসেম্বরেই ব্যবস্থা করছি। ওই সময়টা ওখানে কার্নিভাল হয়। পঁচিশে পৌঁছব, একবারে ইয়ার এন্ডিংটা কাটিয়ে ফেরা যাবে, কী বল?’

    রুপালী ঠান্ডা গলায় বললেন, ‘গোয়ায় শুনেছি পাবলিক প্লেসে স্মোক করলে খুব বড় অ্যামাউন্ট ফাইন করে। গোপাল ঠাকুরপোরা গেছিল, বলছিল।’

    বলভদ্র বললেন, ‘সে দেখা যাবে। হোটেলের রুমের ভেতর কে কী করছে, কে কী খাচ্ছে, সেটা তো আর দেখতে আসবে না। ওই মেটে কারিটা দাও তো।’

    রুপালী মেটে কারি এগিয়ে দিলেন। বলভদ্র বললেন, ‘আমার এই জিনিসটা দারুণ লাগে। আর ভালো লাগে মুরগির কচকচি। যেন ছেলেদের…’ রুমার দিকে তাকিয়ে জিভ কাটলেন বলভদ্র।

    দিব্যেন্দু চুপ করে খেয়ে যাচ্ছিল। বলভদ্র দিব্যেন্দুকে বললেন, ‘মেটে কারিটা খাও ভাই, তোমার বউদি এটা খাসা রাঁধেন। খেয়ে বল।’

    দিব্যেন্দু নিল।

    খেতে আরও দশ মিনিট সময় লাগল। রুমাকে নিয়ে রুপালী ঘরে গেলেন। বলভদ্র সিগারেট ধরিয়ে বললেন, ‘বুঝলে দিব্যেন্দু, একটা ইনসিউরেন্স এসেছে। ডেথ বেনিফিট প্রচুর টাকার। একবার দেখতে পারতে।’

    দিব্যেন্দু বলভদ্রর কথা শেষ হবার আগেই বলল, ‘হ্যাঁ, শুনছিলাম আপনি সেদিন কাউকে একটা বোঝাচ্ছিলেন। আমি যদি আমার বউয়ের নামে করি? ও তো চাকরি করে না।’

    বলভদ্র বললেন, ‘হ্যাঁ, করা যাবে। একটু কমপ্লিকেশন আছে। দেখেনি। করে নিও।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আমার নামে তো পলিসি আছেই। ওর নামেও থাক।’

    বলভদ্র খুশি মনে মাথা নাড়লেন, ‘হ্যাঁ। তুমি যে বউমার কথা এতো চিন্তা কর, সেটা খুবই ভালো।’

    দিব্যেন্দু লাজুক হাসল।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }