Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    দুর্গাদাস লাহিড়ী এক পাতা গল্প719 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৫. শুক্লযজুর্বেদ – পঞ্চবিংশ অধ্যায়

    পঞ্চবিংশ অধ্যায়

    মন্ত্রঃ– শাদং দদ্ভিবকাং দন্তমূলৈমৃদং বর্ষৈস্তেগাং দংষ্ট্রাভ্যাং সরস্বত্যা অগ্রজিং জিহ্বায়া উৎসাদমবক্রনে তালু বাজং হেনুভ্যামপ আস্যেন বৃষণমাণ্ডাভ্যামাদিতা শ্মশ্রুভিঃ পন্থানং ভ্যাং দ্যাব্যাপৃথিবী বর্তোভ্যাং বিদ্যুতং কনীনকাভ্যাং শুক্লায় স্বাহা কৃষ্ণায় স্বাহা পার্যাণি পাণ্যবার‍্যা ইক্ষবোহর্ষাণি পক্ষ্মাণিপাষা ইক্ষবঃ৷১৷ বাতং প্রাণেনাপানেন নাসিকে উপয়ামমধরেণেীঠেন সদুত্তরেণ প্রকাশেনান্তরমনুকাশেন ব্যহং নিবেষ্যং মূর্ধা স্তনয়িং নির্বাধেনাশনিং মস্তিষ্কেণ বিদ্যুতং কনীনকাভ্যাং কর্ণাভ্যাং শ্রোত্রং শ্রোত্রাভ্যাং কর্ণেী তেদনীমধরকণ্ঠেনাপঃ শুষ্ককণ্ঠেন চিত্তং মন্যাভিরদিতিং শীষ্ণা নিঋতিং নির্জৰ্জল্যেন শীষ্ণা সংক্রোশৈঃ প্রাণান্ রেম্মাণং স্তূপেন৷৷২৷৷ মশকান্ কেশৈরিন্দ্রং স্বপসা বহেন বৃহস্পতিং শকুনিদেন কূর্মা ফৈরাক্রমণং সুরাভ্যাক্ষলাভিঃ কপিঞ্জলাঞ্জবং জভ্যামনং বাহুভ্যাং জাম্বীলে নারণ্যমগ্নিমতিরুভ্যাং পুষণং দোভামশিনাবংসাভ্যাং রুদ্রং বোরাভ্যাম্৷৷৩৷ অগ্নেঃ পক্ষতিায়োনিপক্ষতিরিন্দ্রস্য তৃতীয়া সোমস্য চতুর্থদিত্যৈ পঞ্চমীন্দ্রাণ্যৈ ষষ্ঠী মরুতাং সপ্তমী বৃহম্পতেরষ্টম্যমৃণো নবমী ধাতুর্দশমীন্দ্রস্যৈকাদশী বরুণস্য দ্বাদশী যমস্য এয়োদশী ॥৪৷৷ ইন্দ্রাগ্যেঃ পতিঃ সরস্বত্যৈ নিপক্ষতির্মিত্রস্য তৃতীয়ায়াং চতুর্থ নির্ধ্বত্যৈ পঞ্চম্যগ্নীষোময়োঃ ষষ্ঠী সর্পাণাং সপ্তমী বিষ্ণোষ্টমী পূষ্ণো নবমী ত্বষ্ঠুর্দশ মীন্দ্রস্যৈকাদশী বরুণস্য দ্বাদশী যম্যৈ ত্রয়োদশী দ্যাবাপৃথিব্যোর্দক্ষিণং পার্শ্বং বিশ্বেষাং দেবানামুত্তর৷৷৷৷ মরুতাং স্কন্ধা বিশেষাং দেবানাং প্রথমা কীকসা রুদ্রণাং দ্বিতীয়াহহদিত্যানাং তৃতীয়া বায়োঃ পুচ্ছমগ্নীবোময়োর্ভাসদৌ কুঞ্চেী শ্রোণিভ্যামিন্দ্রা বৃহস্পতী ঊরুভ্যাং মিত্রাবরুণাবল্পাভ্যামাক্রমণং স্থূরাভ্যাং বলং কুষ্ঠাভ্যাম্৷৷৬৷ পূষণং বনিষ্ঠুনাইন্ধাহীনংস্থুলগুদয়া সপা গুদাভির্বিত আন্ত্রৈরপো বস্তিনা বৃষণমাণ্ডাভ্যাং বাজিনং শেপেন প্রজাং রেতসা চাষান্ পিত্তেন প্রদরা পায়ুনা কুম্মাঞ্ছকপিণ্ডৈঃ৷৷৷৷ ইন্দ্রস্য ক্রোড়োহদত্যৈ পাজস্যং দিশাং জবোহদিত্যৈ ভসজ্জীমূতা হৃদয়ৌপশে নান্তরিক্ষং পুরীততা নভ উদর্যেন চক্রকৌ মতভ্যাং দিবং বৃক্কাভ্যাং গিরীন প্লাশিভিরুপলান্ প্লীহা বল্মীকান্ ক্লোমভিপ্লোভিন্মান্ হিরাভিঃ স্রবন্তীদা কুক্ষি ভ্যাং সমুদ্রমুদরেণ বৈশ্বানরং ভস্মনা।।৮৷৷ বিধৃতিং নাভ্যা ঘৃতং রসেনাপো যুক্লা মরীচীর্বিভিনীহারমূষ্মণা শীনং বসয়া পুম্বা অভিব্রাদুনী দূষীকাভির রক্ষাংসি চিত্ৰাণ্যনৈক্ষত্রাণি রূপেণ পৃথিবীং ত্বচা জুকায় স্বাহা।৯। হিরণ্যগর্ভঃ সমবর্ততাগ্রে ভূতস্য জাতঃ পতিরেক আসীৎ। স দাধার পৃথিবীং দ্যামুতেমাং কস্মৈ দেবায় হবিষা বিধেম।১০ যঃ প্রাণততা নিমিষতে মহিত্বৈক ইদ্রাজা জগতত বভূব। য ঈশে অস্য দ্বিপদশ্চতুষ্পদঃ কস্মৈ দেবায় হবিষা বিধেম৷১১৷৷ যশস্যমে হিমবন্তো মহিত্বা যস্য সমুদ্রং রসয়া সহাহুঃ। যস্যেমাঃ প্রদিশো যস্য বাহু কস্মৈ দেবায় হবিষা বিধেম৷৷১২৷৷ য আত্মদা বলদা যস্য বিশ্ব উপিসতে প্রশিষং যস্য দেবাঃ। যস্যচ্ছায়ামৃতং যস্য মৃত্যু কস্মৈ দেবায় হবিষা বিধেম৷৷১৩৷৷ আ নো ভদ্রাঃ ক্রতবো যন্তু বিশ্বতোহদাসো অপরীতাস উদ্ভিদঃ। দেবা নো যথা সদমিদ্‌ধে অসন্নপ্রায়ুবো রক্ষিতাররা দিবে দিবে৷৷১৭৷ দেবানাং ভদ্রা সুমতিঋজুয়তাং দেবানাং রাতিরভি নো নিবততা। দেবানাং সখ্যমুপসেদিমা বয়ং দেবা ন আয়ুং প্রতিরন্তু জীবসে৷৷১৫৷৷ তাপূর্বায়া নিবিদা হুমহে বয়ং ভগং মিত্রমদিতিং দক্ষমধি। অর্যমণং বরুণং সোমমশিনা সরস্বতী নঃ সুভগা ময়ঙ্করৎ ॥১৬৷ তন্নে বাতোময়োভু বাতু ভেষজং তন্মাতা পৃথিবী তৎপিতা দ্যৌঃ। তদ্ গ্রাবাণঃ সোমসুতো ময়োভুবস্তদখিনা শৃণুতং ধিষ্ণ্যা যুব৷১৭৷ তমীশানং জগতস্তম্ভষম্পতিং ধিয়ঞ্জিমবসে হুমহে বয়ম্। পুষা নো যথা বেদসামসদ বৃধে রক্ষিতা পাযুরদব্ধঃ স্বস্তয়ে।১৮।স্বস্তিনইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ স্বস্তিনঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ স্বস্তি নস্তাক্ষ্যো অরিষ্টনেমিঃ স্বস্তি নো বৃহস্পতির্দধাতু।১৯৷৷ পৃষদশ্বা মরুতঃ পৃশ্নিমাতরঃ শুভংযাবানো বিদথেষু জগয়ঃ। অগ্নিজিহ্বা মনবঃ সূরচক্ষসসা বিশ্বে নো। দেবা অবসা গমহি৷৷২০৷ ভদ্রং কর্ণেভিঃ শৃণুয়াম দেবা ভদ্রং পশ্যেমাক্ষভির্যজত্রাঃ। স্থিরৈরঙ্গৈ ষ্টুযাংসস্তভিব্যশেমহি দেবহিতং যদায়ুঃ।।২১ শতমিনু শরদো অস্তি দেবা যত্রা নশ্চক্রা জরসং তনূনা পুত্ৰাসো যত্র পিতো ভবন্তি মা নো মধ্যা রীরিষতায়ুর্গন্তোঃ ॥২২৷৷ অদিতিদৌরদিতিরন্তরিক্ষমদিতির্মাতা স পিতা স পুত্রঃ। বিশ্বে দেবা অদিতিঃ পঞ্চ জনা অদিতি জামদিতির্জনি৷৷২৩৷৷ মা নো মিত্রো বরুণো অর্যময়ুরিন্দ্র ঋভুক্ষা মরুতঃ পরি খ্য। যদ্বাজিনো দেবজাতস্য সপ্তঃ প্রবক্ষ্যামো বিদথে বীর্যাণি৷২৪৷ যন্নির্ণিজা রেক্লসা প্রাবৃতস্য রাতিং গৃভীতাং মুখতো নয়ন্তি। সুপ্রাজো মেমদ্বিশ্বরূপ ইন্দ্রাপূষ্ণোঃ প্রিয়মপ্যেতি পাথঃ ॥২৫৷৷ এষ ছাগঃ পুরো অশ্বেন বাজিনা পূষ্ণো ভাগো নীয়তে বিশ্বদেবাঃ। অভিপ্রিয়ং যৎপুরোডাশমবতা ত্বষ্টেদেনং সৌশবসায় জিম্বতি।।২৬৷৷ যুদ্ধবিষ্যমৃতুশো দেবযানং ক্রিমানুষঃ পর্যশ্বং নয়ন্তি। অত্রা পূষ্ণঃ প্রথমে ভাগ এতি যজ্ঞং দেবেভ্যঃ প্রতিবেদষজঃ ২৭৷৷ হোতাহধ্বর্যরাবয়া অগ্নিমিন্ধো গ্রাবগ্রাভ উত শংস্তা সুবিপ্রঃ। তেন যজ্ঞেন স্বরংকৃতেন সিষ্টেন বক্ষণা আ পৃণধ্বম৷৷২৮৷৷ যুপব্ৰস্কা উত যে ঘূপবাহাষালং যে অশ্বপায় তক্ষতি। যে চার্বতে পচনং সম্ভর্যতো তেমভিৰ্ত্তিন ইন্বতু।।২৯৷৷ উপ প্রাগাৎ সুমন্মেহধায়ি মন্ম দেবানামাশা উপ বীতপৃষ্ঠঃ। অন্বেনং বিপ্ৰা ঋষয়ো মদন্তি দেবানাং পুষ্টে চক্‌মা সুবন্ধু৷৩০৷৷ যদ্বাজিনো দাম সানমতো যা শীর্ষণ্যা রশনা রঞ্জুরস্য। যদ্বা ঘাস্য প্রভৃতমাস্যে তৃণং সর্বা তা তে অপিব দেবেম্বস্তু৷৷৩১৷৷ যদস্য ক্রিবিযো মক্ষিকাশ যদ্বা স্বরৌ স্বধিতৌ রিমস্তি। যদ্বস্তয়োঃ শমিতুঃখে সর্বা তা তে অপি দেবেম্বস্তু।৩২৷৷ যদ্বধ্য মুদরস্যাপবাতি য আমস্য ক্রবিষো গন্ধো অস্তি। সুকৃতা তচ্ছমিতারঃ কৃথদ্ভুত মেঘং শৃতপাকং পশন্তু৷৩৩৷৷ যত্তে গাত্ৰাদগ্নিনা পচ্যমানাদভি শূলং নিহতস্যাবধাবতি। মা তম্যামাশ্ৰিষম্মা তৃণেষু দেবেভ্যস্তদূশদ্ভো রাত মস্তু৷৷৩৪৷৷ যে বাজিনং পরিপশ্যন্তি কৃং য ঈমাহুঃ সুরভি নিৰ্হিরেতি। যে চার্বতো মাংসভিক্ষামুপাসত উততা তেষামভিগুৰ্তিন ইতু৷৩৫৷ যন্নীক্ষণং মাস্পচন্যা উখায়া যা পাত্রাণি খৃষ্ণ আসেচনানি। উম্মণ্যাপিধানা চরূণামঙ্কাঃ সূনাঃ পরি ভূষন্ত্যম্ ৷৷৩৬৷৷ মা ত্বাইগ্নিৰ্ব্বনয়ীদ্রুমগন্ধিৰ্মোখা ভ্রাজাভি বিক্ত জখ্রিঃ। ইষ্টং বীতমভিগৃংবষকৃতং তং দেবাসঃ প্রতি গঅন্ত্য৷৷৩৭৷৷ নিক্রমণং নিযদনং বিবর্তনং যচ্চ পত্বীশমবতঃ। যচ্চ পপৌ যচ্চ ঘাসিং জঘাস সর্বা তা তে আপ দেবেম্বস্তু।।৩৮৷৷ যদায় বাস উপ স্কুণ্যধীবাসং যা হিরণ্যান্যস্মৈ সন্দানমন্তং পীশং প্রিয়া দেবেম্বা ময়ন্তি।।৩৯। যত্তে সাদে মহসা শূকৃতস্য পাঞ্চা বা কশয়া বা তুতোদ। সুচেব তা হবিষো অধ্বরেষু সর্বা তা তে ব্ৰহ্মণা সূদয়ামি৷৷৪০৷৷ চতুস্ত্রিংশদ্বাজিনো দেববন্ধোবীরশ্বস্য স্বধিতিঃ সমেতি। অচ্ছিদ্রা গাত্রা বয়ুনা কৃণোত পরুষ্পরুরনুঘুষ্যা বিশস্ত।৪১ একরশ্বস্যা বিশস্তা দ্বা যন্তারা ভবতস্তথ ঋতুঃ। যা তে গাত্ৰাণামৃতুথা কৃপোমি তা তা পিণ্ডানাং প্র জুহোম্যগ্নেী।৪২৷৷ মা ত্বা তপৎপ্রিয় আত্মহপিযন্তং মা স্বধিতিস্তম্ব আ তিষ্ঠিপত্তে। মা তে গৃধুরবিশস্তাতিহায় ছিদ্রা গাত্ৰাণ্যসিনা মিথু কঃ৪৩৷৷ ন বা উ এতম্বিয়সে ন রিষ্যসি দেবাঁ ইহেষি পথিভিঃ সুগেভিঃ। হরী তে যুঞ্জা পৃতী অভূতামুপাস্থাদ্বাজী ধুরি রাসভস্য।৪৪৷৷ সুগব্যং নো বাজী স্বখ্যং পুংসঃ পুত্ৰ উত বিশ্বাপুষংরয়ি। অনাগাং নো অদিতিঃ কৃণোতু ক্ষত্রং নো অশ্বে বনতাং হবিষ্মন্৪৫। ইমা নু কং ভুবনা । সীধামেন্দ্রস্ট বিশ্বে চ দেবাঃ। আদিতৈরিন্দ্রঃ সগণণা মরুদ্ভিরশ্মভ্যং ভেষজা করৎ। যক্ষং চ নম্বং চ প্রজাং চ প্রজাং চাদিতৈরিন্দ্রঃ সহ সীষধাতি৷৪৬৷ অগ্নে ত্বং নো অন্তম উত ত্রাতা শিবো ভবাবরূথ্যঃ। বসুরগ্নিসুবা অচ্ছা নক্ষি দুমত্তমং রয়িং দাঃ। তং ত্বা শশাচিষ্ঠ দীদিবঃ সুমায় নুনমীমহে সখিভ্যঃ ৪৭৷৷

    [কণ্ডিকা-৪৭, মন্ত্র-৫০]

    .

    মন্ত্ৰার্থঃ— ১। অশ্বের দন্তের দ্বারা শাদ নামক দেবতাকে প্রীণিত (প্রীত) করছি। দণ্ডের মূলের দ্বারা ভবকা নামক, দেবতাকে প্রীণিত করছি। দণ্ডের পৃষ্ঠভাগের দ্বারা মদ নামক দেবতাকে প্রীণিত করছি। স্রংষ্ট্রাসমূহের দ্বারা বেগা নামক দেবতাকে এবং জিহ্বাগ্রের দ্বারা সরস্বতীকে প্রীণিত করছি। জিহ্বার দ্বারা উৎসাহ নামক দেবতাকে, তালুর দ্বারা অবক্ৰন্দ দেবতাকে, হনুর দ্বারা বাজ নামক দেবতাকে, মুখের দ্বারা আপঃ দেবতাকে প্রীণিত করছি। অশ্বের অশুকোষের দ্বারা বরুণদেবকে, চিবুকের রোমের দ্বারা আদিত্যদেবগণকে, হৃদ্বয়ের দ্বারা মার্গদেবকে, চক্ষের পক্ষ্মদ্বয়ের রোমের দ্বারা দ্যাবাপৃথিবীকে, কণীনিকা অর্থাৎ চক্ষুগোলকদ্বয়ের দ্বারা বিদ্যুৎদেবতাকে প্রীণিত করছি। শুক্লের (শুক্ল দেবতার) নিমিত্ত স্বাহা মন্ত্রে আহুতি প্রদান করছি; কৃষ্ণের (কৃষ্ণ দেবতার) নিমিত্তও স্বাহা। নেত্ররোম পারদেবতাক। ইক্ষবো অর্থাৎ নেত্রের নিম্নভাগস্থ রোম অবার নামক দেবতাক। এ থেকে ভিন্ন অবারদেবতাক। চক্ষের পলক পারদেবতাক। এই সকল দেবতাকে আমি প্রাণিত করছি।

    ২। অশ্বের প্রাণের (বা প্রাণবায়ুর) দ্বারা বায়ু। দেবতাকে প্রীণিত করছি। অপান বায়ুর দ্বারা নাসিকার অধিষ্ঠাতা দেবদ্বয়কে, অধরের (অর্থাৎ নিম্ন ওষ্ঠের) দ্বারা উপম দেবতাকে এবং ওষ্ঠের (অর্থাৎ উধ্ব ওষ্ঠের) দ্বারা সৎ নামক দেবতাকে প্রীণিত করছি। উপরের কান্তির দ্বারা অন্তর দেবতাকে, নীচের দেহকান্তির দ্বারা বাহ্যদেবতাকে, মূর্ধার দ্বারা নিবেষ্য দেবতাকে প্রীণিত করছি। অশ্বের শিরঃমধ্যস্থ মজ্জাভাগের দ্বারা স্তনয়িতু দেবতাকে, মস্তিষ্কের দ্বারা অশনিদেবকে, কনীনিকাদ্বয়ের দ্বারা বিদ্যুৎদেবতাকে, কর্ণদ্বয়ের দ্বারা শ্রোত্রদেবকে, স্রোত্র অর্থাৎ কর্ণস্থ ছিদ্রদ্বয়ের দ্বারা কর্ণের অধিষ্ঠাতা দেবকে, নিম্নকণ্ঠের দ্বারা তেদনী দেবতাকে, শুষ্ককণ্ঠের দ্বারা আপঃ দেবতাকে, এবং গ্রীবার পশ্চাদ্ভাগের নাড়ীসমূহের দ্বারা চিত্ত দেবতাকে প্রণিত করছি। অশ্বের শিরের দ্বারা দিতি দেবতাকে, নির্জল্পন মস্তকের দ্বারা অদিতি দেবীকে, জর্জর শিরোভাগের দ্বারা নিঋতি দেবীকে, চলনকালে ধ্বনিকারী অশ্বাঙ্গসমূহের প্রাণদেবতাগণকে এবং উদ্ভুত শিখাভাগের দ্বারা রেশ্ম দেবকে প্রীণিত করছি।

    ৩। অশ্বের স্কন্ধস্থরোমসমূহের দ্বারা মশক নামক দেবকে, সুকর্মা (অর্থাৎ শোভন কর্মশালী) স্কন্ধের দ্বারা ইন্দ্রকে, লম্ফ প্রদান পূর্বক ভূমিতে গমনশীল পক্ষীর ন্যায় পশুর দ্বারা বৃহস্পতি দেবতাকে, খুরশালী পশুর দ্বারা কূর্ম দেবতাকে, স্কুল গুলের দ্বারা আক্রমণ নামক দেবতাকে প্রীণিত করছি। গুলের নিম্নস্থিত নাড়ীসমূহের দ্বারা কপিল দেবকে, পশুর জঙ্ঘার দ্বারা জব নামক দেবতাকে অগ্রভাস্থ পাদদ্বয়ের অর্থাৎ বাহুযুগলের দ্বারা অধ্বীন দেবতাকে, জাম্বীর অর্থাৎ লেবুর ন্যায় আকারসম্পন্ন জানুর মধ্যভাগস্থ অস্থিসন্ধির (অর্থাৎ হাঁটুর) দ্বারা অরণ্যদেবকে, উরুদ্বয়ের দ্বারা অগ্নিদেবতাকে, পশুর ভুজদ্বয়ের দ্বারা পুষা দেবতাকে, স্কন্ধের দ্বারা অশ্বিনদ্বয়কে এবং স্কন্ধগ্রন্থিসমূহের দ্বারা রুদ্র দেবতাকে প্রীণিত করছি৷৷

    ৪। (অশ্বের বগলের অস্থিসমূহকে বঙ্কি বলে। এগুলি সংখ্যায় ছাব্বিশটি–তেরটি এক দিকে এবং তেরটি অপর দিকে। এই বঙ্কিগুলির দেবতা-বিভাগ এই রকম) দক্ষিণ বগলের প্রথম বঙ্কি দ্বারা অগ্নি দেবের, নিম্নস্থ দ্বিতীয় বক্তি দ্বারা বায়ুদেবকে, তৃতীয়টির দ্বারা ইন্দ্রের, চতুর্থটির দ্বারা সোমদেবকে, অদিতির নিমিত্ত পঞ্চমটি, ইন্দ্রানীর নিমিত্ত ষষ্ঠটি, সপ্তমটি মরুৎদেবতারগণকে, অষ্টমটির দ্বারা বৃহস্পতি দেবতাকে, অর্যমার উদ্দেশ্যে নবমটি, ধাতার নিমিত্ত দশমটি, ইন্দ্রের নিমিত্ত একাদশতমটি, বরুণ দেবতাকে দ্বাদশতমটি এবং ত্রয়োদশতম বঙ্কির দ্বারা যমকে প্রণিত করছি।

    ৫। বাম বগলের প্রথম বঙ্কি ইন্দ্র ও অগ্নি দেবতার। এর নিম্নস্থ দ্বিতীয়টি সরস্বতীর, মিত্রের তৃতীয়টি, চতুর্থ বঙ্কিটি অপাং অর্থাৎ জলের অধিষ্ঠাত্ দেবতার, নিঋতির নিমিত্ত পঞ্চমটি, ষষ্ঠটি অগ্নি ও সোমের নিমিত্ত, সপ্তমটি সর্পদেবতার, অষ্টমটি বিষ্ণু দেবতার, নবমটি পূষা দেবতার, দশমটি ত্বষ্টাদেবতার, একাদশটি ইন্দ্রদেবের, দ্বাদশতমটি বরুণ দেবতার, ত্রয়োদশতম বঙ্কির দ্বারা যমদেবতাকে প্রীণিত করছি। এইভাবে দক্ষিণ পার্শ্বস্থ সকল বঙ্কিটি দ্বারা দ্যাবাপৃথিবীর অভিমানী দেবতার এবং বাম পার্শ্বস্থ সকল বঙ্কির দ্বারা বিশ্বদেবগণের (অর্থাৎ সকল দেবগণের) প্রীতি সাধন করছি।

    ৬। (অশ্বের অন্য অঙ্গসমূহের দেবতা)–মরুবৃন্দের নিমিত্ত অশ্বের স্কন্ধপ্রদেশের দ্বারা, বিশ্বদেবগণের নিমিত্ত অপুচ্ছের উপরস্থ প্রথম অস্থিপংক্তির দ্বারা রুদ্রদেবতার নিমিত্ত দ্বিতীয় অস্থিপংক্তির দ্বারা, আদিত্যগণের নিমিত্ত তৃতীয় অস্থিপংক্তির দ্বারা, বায়ুদেবের নিমিত্ত পুচ্ছের দ্বারা, অগ্নি ও সোমের নিমিত্ত নিতম্বের দ্বারা, কুঞ্চ নামক দেবদ্বয়ের নিমিত্ত দক্ষিণ ও বাম কটিভাগের দ্বারা, ইন্দ্র ও বৃহস্পতির নিমিত্ত উরুদ্বয়ের দ্বারা, মিত্র ও বরুণ দেবতার নিমিত্ত উভয় উরুর সন্ধিভাগের দ্বারা, আক্রমণ নাম দেবতার নিমিত্ত নিতম্বের স্থূলভাগদ্বয়ের দ্বারা, এবং বলদেবতার নিমিত্ত নিতম্বের আবর্তন ভাগের দ্বারা প্রীতি সাধন করছি৷৷

    ৭। পূষা দেবতাকে অশ্বের বৃহৎ অন্ত্রের দ্বারা প্রীণিত করছি। অন্ধাহি (অর্থাৎ অন্ধসর্প) দেবতাকে স্থূল, পায়ুস্থানের দ্বারা প্রীণিত করছি। পায়ুভাগের মাংসের দ্বারা বিত নামক দেবতাকে প্রীণিত করছি। বস্তির (বা মূত্রস্থলীর) দ্বারা আপঃ দেবতাকে প্রীণিত করছি। অণ্ডকোষের দ্বারা বৃষণ দেবতাকে প্রীণিত করছি। অশ্বলিঙ্গের দ্বারা অশ্বদেবতাকে প্রণীতি করছি। প্রজা দেবতাকে অশ্ববীর্যের দ্বারা প্রীণিত করছি। চাষ নামক দেবতাকে পিত্তের দ্বারা প্রীণিত করছি। পায়ুস্থানের তৃতীয় ভাগের দ্বারা প্রদর দেবতাকে প্রীণিত করছি এবং বিষ্ঠাপিণ্ডের দ্বারা কুম্মান নামক দেবতাকে প্রীণিত করছি।

    ৮। ইন্দ্র দেবতাকে অশ্বের ক্রোড়দেশের দ্বারা, অদিতিকে অশ্বের পাজস্যের (অর্থাৎ বলকারক অঙ্গের) দ্বারা, দিকসমূহকে অশ্বের স্কন্ধ ও কুক্ষির সন্ধিস্থানের দ্বারা, অদিতির নিমিত্ত অশ্বের ভস (অর্থাৎ লিঙ্গাগ্র)-এর দ্বারা, জীমূত দেবতাকে অশ্বের হৃদয়স্থ মাংসের দ্বারা, হৃদয়কে আচ্ছাদিত করণশালী অন্ত্রের দ্বারা অন্তরিক্ষের অভিমানী দেবতার, নভ নামক দেবতাকে অশ্বের উদরস্থ মাংসের দ্বারা, চক্রবাক দেবদ্বয়কে অশ্বগ্রীবার অপোভাগস্থ হৃদয়ের উভয় পার্শ্বের অস্থির দ্বারা, দিব নামক দেবতাকে বৃক্ক অর্থাৎ কুক্ষিস্থিত মাংসের দ্বারা, শিশ্নের মূলাগ্রভাগে স্থিত প্লাশী নামক নাড়ীসমূহের দ্বারা গিরি নামক দেবতাকে, অশ্বের প্লীহার দ্বারা উপল নামক দেবতাকে, অশ্বের ক্লোম অর্থাৎ যকৃতের দ্বারা বল্মীক দেবগণকে, হৃদয়ের নাড়ীসমূহের দ্বারা গুল্ম দেবগণকে, শিরাসমূহের দ্বারা স্রবন্তী দেবতাকে, কুক্ষির দ্বারা হ্রদ দেবতাগণকে, জঠরের দ্বারা সমুদ্র দেবকে এবং অশ্বের অঙ্গস্থ ভস্মের দ্বারা বৈশ্বানর দেবকে প্রীণিত করছি।

    ৯। অশ্বের নাভির দ্বারা বিধৃতি দেবতাকে, অশ্বের রস অর্থাৎ বীর্যের দ্বারা ঘৃত দেবতাকে, পান্নরসের দ্বারা আপঃ দেবতাকে, শরীরগত উষ্ম বা তাপের দ্বারা নীহার দেবতাকে, বসা দ্বারা শীন দেবতাকে, অশ্রুর দ্বারা প্রম্বা দেবতাকে, চক্ষের মল বা পিচুটির দ্বারা হ্রাদুনী দেবতাকে, রুধিরের দ্বারা রাক্ষসকে, অনুক্ত অঙ্গের দ্বারা চিত্রদেবগণকে, রূপের দ্বারা নক্ষত্রসমূহের অধিষ্ঠাত্ দেবতাগণকে, এবং চর্মের দ্বারা পৃথিবী দেবতাকে প্রীণিত করছি। জুমুক (বেদোক্ত গায়ত্রীর অধিষ্ঠাতা) বরুণের উদ্দেশ্যে স্বাহা মন্ত্রে আহুতি প্রদান করছি৷

    ১০। প্রাপঞ্চের (সৃষ্টির পূর্বে কেবল হিরণ্যগর্ভ দেবতাই বিদ্যমান ছিলেন। উৎপন্ন ভূতমাত্রের তিনিই একমাত্র স্বামী (বা পালক) ছিলেন। তিনি এই ভূলোককে ধারণ করেছিলেন। তিনি এই দুলোককেও ধারণ করেছিলেন। সেই হিরণ্যগর্ভ প্রজাপতি দেবের উদ্দেশ্যে আমরা সদা ভক্তি সহকারে হবিঃ প্রদান করছি।

    ১১৷ যে পরমাত্মা আপন মহিমায় এই জগতের সকল প্রাণ, অপান, নিমেষ ও উন্মেষকারী জীবসমূহের একমাত্র অধিপতি হয়েছেন, এবং যিনি এই জগতের সকল দ্বিপাদ ও চতুষ্পদ প্রাণীসমূহকে আপন ঐশ্বর্যের অন্তর্ভুক্ত করেন, সেই প্রজাপতি দেবের নিমিত্ত আমরা ধন-ধান্যে সদা পরিচর্যারত আছি৷

    ১২। যাঁর মহিমার প্রতীক স্বরূপ এই হিমালয় পর্বত দণ্ডায়মান এবং নদীসমূহের সাথে সমুদ্রকেও যাঁর মহিমা বলা হয় এবং এই প্রকৃষ্ট দিসমূহ যাঁর ভুজস্বরূপ, সেই প্রজাপতি কে বর নিমিত্ত আমরা সদা ভক্তি ও যোগের দ্বারা ধ্যানশীল হই।

    ১৩। যিনি আত্মা ও বলের দানকর্তা, বিশ্ব যাঁর অনুশাসনকে মান্য করে, দেবতাগণও যাঁর অনুজ্ঞায় বর্তমান থাকেন, যাঁর কৃপাসমূহ অমৃতস্বরূপ এবং যাঁর ক্রোধ সাক্ষাৎ মৃত্যুস্বরূপ, সেই প্রজাপতি দেবতাকে আমি হবিঃ দ্বারা পরিচর‍্যা করছি৷

    ১৪। চারি দিক হতে আমরা অহিংসিত, অনাক্রান্ত, শক্রভেদক যজ্ঞ প্রাপ্ত হই। যে প্রকারে দেবগণ সদা আমাদের অভিবৃদ্ধিতে লীন হয়ে থাকেন এবং দিনে দিনে তারা অপ্রমাদভাবে আমাদের রক্ষক হয়ে থাকুন।

    ১৫। দেবগণের কল্যাণী সুমতি আমাদের প্রতি আরও ঋজু (সরল বা সহজ) হোক। দেবগণের দান আমাদের সদাই প্রাপ্ত হোক। আমরা দেবগণের সাখ্যভাবকে সদাই প্রাপ্ত হওয়ার নিমিত্ত এবং.দেবগণ আমাদের দীর্ঘ জীবনের নিমিত্ত আমাদের আয়ুকে আরও আরও বর্ধিত করুক।

    ১৬। পূর্বকালীন স্ততির দ্বারা আমরা সেই ভগ, মিত্র, অদিতি ও অহিংসক দক্ষকে আহ্বান করছি। সেই সাথে অর্যমা, বরুণ, সোম এবং অশ্বিনদ্বয়কেও আহ্বান করছি। সুভগা সরস্বতী আমাদের কল্যাণ সাধন করুক।

    ১৭। বায়ু আমাদের সেই সুখকর, ভেষজ বহন করে আনয়ন করুক, সেই মাতা পৃথিবী ও সেই পিতা দুলোকও আমাদের মঙ্গল সাধন করুক। সোমের অভিষবকারী ও সুখের ভূমির উপরে স্থিত প্রস্তরগুলিও আমাদের সুখ ও কল্যাণ প্রদান করুক। হে অশ্বিদ্বয়! তোমরা দুজনও স্ববুদ্ধির দ্বারা সেই সুখ ও শান্তি প্রতিশ্রুত করো।

    ১৮। চরাচরের পালক, বুদ্ধির প্রেরক এবং সবৈশ্বর্যবান্ সেই রুদ্ররূপী পরমাত্মাকেই আমরা আহ্বান করছি। যেরূপে পৃষা দেবতা আমাদের ধনের বৃদ্ধির কারক হয়ে থাকে, সেইরূপেই সেই রক্ষক, পালক এবং অনুপহিংসিত পূষা দেবতা আমাদের কল্যাণের নিমিত্তভাগী হোক।

    ১৯। চিরন্তন কীর্তিশালী ইন্দ্রদেব আমাদের কল্যাণ করুক। সকল ধনের পালক পূষা আমাদের কল্যাণ করুক। অহিংসিতনেমি অর্থাৎ অপ্রতিহতগতি তাদেব (অর্থাৎ গরুড়) আমাদের কল্যাণ করুক এবং বৃহস্পতি দেবতাও আমাদের। কল্যাণ ধারণ করুক।

    ২০। পৃষদশ্ব (অর্থাৎ পৃষত নামক অশ্বযুক্ত), পৃশ্নিমাত (অর্থাৎ দ্যুলোক যার মাতা), শুভ গতিশীল (অর্থাৎ কল্যাণদানকারী), যজ্ঞে গমনশীল, অগ্নিজিহ্ (অর্থাৎ অগ্নিই যার জিহ্বা), এমনই বিচারবান্ (অর্থাৎ সর্বজ্ঞ), এবং সূর্যচক্ষু (অর্থাৎ সূর্যকে প্রকাশশীল) মরুৎ এবং বিশ্বদেবগণ আপন রক্ষণের সাথে এই স্থানে আমাদের যজ্ঞে আগত হোক।

    ২১। হে দেবগণ! আমরা কর্ণে যেন ভদ্রবচনই শ্রবণ করি। হে যজনীয় দেবগণ! আমরা চক্ষে যেন ভদ্র দৃশ্যই দর্শন করি। স্থির অঙ্গে সদা দেবগণের স্তুতি করে আমরা স্বশরীরে যেন সেই আয়ুকে প্রাপ্ত হই, যা দেবগণ আমাদের প্রদান কর।

    ২২। হে দেবগণ! এই শত শরৎকাল বিগত হয়ে যাচ্ছে, যার অন্দরে অন্দরে আপনারা আমাদের শর রের জরাবস্থা নির্ধারিত করছেন। সেই অবধির অন্দরে পুত্রও পিতায় পরিণত হয়ে যাচ্ছে। হে দেবগণ! জীবনযাত্রীর (জীবিত আমাদের) আয়ুকে মধ্যভাগে খণ্ডিত করো না; (অর্থাৎ আমাদের পূর্ণ আয়ু ভোগ করতে দাও)।

    ২৩৷ অদিতিই দ্যুলোক; অদিতিই অন্তরিক্ষলোক; অদিতিই মাতা; সে-ই পিতা এবং সেই পুত্র। অদিতি বিশ্বদেবা অর্থাৎ সকল দেবতা। অদিতি পঞ্চজনা (অর্থাৎ মানব), অদিতিই জাত বা অজাত সব কিছু এবং অদিতিই প্রজনন শক্তি ৷৷

    ২৪। মিত্র, বরুণ, অর্যমা, বায়ু, ইন্দ্র, ঋভুক্ষা (দেবের আধারভূত প্রজাপতি) এবং মরুবৃন্দ আমাদের যেন নিন্দা না করে যে, আমরা দেবগণের দ্বারা উৎপন্ন বা দেবভূত এবং সর্পণশীল অশ্বের বীর কার্যের বর্ণনা যজ্ঞে করছি।

    ২৫। বিপ্রগণ যখন স্নানের দ্বারা শুদ্ধীকৃত এবং ধনের (বা স্বর্ণমুদ্রার) দ্বারা আচ্ছাদিত যজ্ঞীয় অশ্বের সম্মুখে গৃহীত আজ্যসঙ্কু ধান ইত্যাদি খাদ্য আনয়ন করে–তখন পূর্বগামী তথা অনেক বর্ণশালী এবং ইন্দ্র ও পূষার প্রিয় ভক্ষ্য ছাগ দুটিও তা ভক্ষণের নিমিত্ত অগ্রে গমন করে।

    ২৬। পূষার (এস্থলে অগ্নির) ভাগ এবং বিশ্বদেবগণের হিতকর্তা এই ছাগ যখন বেগবান্ অশ্বের দ্বারা আপন সম্মুখে আনীত হয়, তখন স্বয়ং প্রজাপতি ত্বষ্টাই দেবগণের প্রীণক (অর্থাৎ প্রীতি সম্পাদক) এবং প্রথম দেয় ছাগকে সুকীর্তির কারণে অশ্বের সাথে সংযোজিত করে থাকে।

    ২৭। হবির্ভূত এবং প্রতি ঋতুতে দেবযান পথ প্রাপ্তশীল অশ্বকে তিনজন মানব হোতা যখন পর্যগ্নিরকণ (অর্থাৎ কুশের দ্বারা জল ছিটিয়ে পবিত্র) করে, তখন পূষার প্রথম যজ্ঞভাগ (ভক্ষ্য) এই ছাগ আপন বাক্যের দ্বারা দেবতাগণকে যজ্ঞের সূচনা প্রদান পূর্বক সম্মুখে আগত হয়।

    ২৮৷ হে হোতা, অধ্বর্যু, প্রতিস্থাতা, অগ্নিমিন্ধ (অর্থাৎ অগ্নির ইন্ধনদাতা), গ্রাবস্তোতা (সোমাভিষবের নিমিত্ত প্রস্তর গ্রহণকারী), ও ব্রহ্মা! (সকল ঋত্বিক)! সেই সু-অলঙ্কৃত এবং সম্যক্ হুত অশ্বমেধ যজ্ঞের দ্বারা ঘৃত, দুগ্ধ, দধি ইত্যাদিকে পূর্ণ করো (অর্থাৎ যজ্ঞ সাধন করে তার ফলের দ্বারা পরিপূর্ণতা প্রাপ্ত করো)।

    ২৯। যুপের নিমিত্ত বৃক্ষ। কর্তনশালী, কর্তিত যুপকে বহনশীল, যুপের অগ্রভাগে বন্ধনযোগ্য কাষ্ঠকে তক্ষণিত করে (চেঁচে-ছুলে) দিচ্ছে এবং যারা অশ্বের পাকের (রন্ধনের) নিমিত্ত কাষ্ঠ-ভাণ্ড ইত্যাদি একত্রিত করছে–সেই সকলের উদ্যম আমরা যেন প্রাপ্ত হই; (অর্থাৎ যজ্ঞকে সফল করি)।

    ৩০। সেই মননীয় ফল স্বয়ংই আমাদের প্রাপ্ত হয়েছে। এই কমনীয় পৃষ্ঠভাগ অশ্বদেবের মনোরথকে পূর্ণ করার নিমিত্ত আগত হোক। এই অশ্বকে হেতু করে বিদ্বান ঋষি বা ঋত্বিকগণও আনন্দিত হোক–যে, যে অশ্বকে আমরা দেবগণের পুষ্টির নিমিত্ত সুষ্ঠুভাবে বন্ধন করেছি৷৷

    ৩১। বেগবান্ অশ্বের যে রঞ্জু আছে, অশ্বের পশ্চাৎভাগ (অর্থাৎ পাদদ্বয়) বন্ধনের যে রঞ্জু আছে, শিরোভাগে বন্ধনের নিমিত্ত যে রঙ্কু আছে, এর মুখে দেবার জন্য যে লাগাম ও যে তৃণ ইত্যাদি আছে, হে অশ্ব! তোমার সেই সবই এক্ষণে দেবতাগণের প্রাপ্ত হোক ॥

    ৩২। অশ্বমাংসের যে অংশ মক্ষিকাগণ ভক্ষণ করেছে অথবা যে মাংস যুপের খড়েঙ্গ লিপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিংবা যা অশ্বঘাতকের হস্তে বা নখে লিপ্ত হয়ে রয়ে গিয়েছে–হে অশ্ব! তোমার সেই সবই এক্ষণে দেবগণের প্রাপ্ত হোক।

    ৩৩। ক্ষুদ্র অন্ত্রে যে অর্ধপক্ক (আধ-হজম) তৃণ ইত্যাদি আছে এবং ছেদনের পর বাহির হয়ে আসা গন্ধপূর্ণ যে অপক (কাঁচা) মাংস ইত্যাদি সবগুলি ছেদনকারী পুণ্যজন সংগৃহীত করে এবং সেই সাথে রন্ধনকারী অশ্বমেধিয় অশ্বমাংসকে যথাযথ পক্ক করে–গলিত না করে কিংবা অপক (কাঁচা) না রেখে সুপ করুক৷

    ৩৪। হে অশ্ব! লৌহের শলার উপর রক্ষিত করে পচ্যমান তোমার মাংসের যে ভাগ নীচে পতিত হয়ে যাচ্ছে, সেগুলি ভূমিতেই থাকুক এবং যেগুলি তৃণ ইত্যাদিতেই লিপ্ত থাকুক। ঐ সবগুলিকে কামনাকারী দেবতাগণকে প্রদানিত হোক।

    ৩৫। যারা অশ্বের পরিপক্ক হওয়া (রন্ধন) দর্শন করছে এবং যারা এমন বলছে যে–আহা! কি সুগন্ধ নির্গত হচ্ছে; আচ্ছা, সবগুলি আনয়ন করো, আরও, যারা অশ্বমাংসকে ভিক্ষা করছে, তাদের সকলের প্রযত্ন আমাদের প্রোৎসাহিত করুক৷

    ৩৬। মাংস পনশালী লৌহনির্মিত বড় যে হণ্ডা (হাঁড়ি) পুনঃ পুনঃ দৃষ্ট হচ্ছে; পনের পর রসকে সেচনকারী যে পাত্র (বাসন) আছে, রস হতে তাপকে বাহিরে নির্গত হতে না দেওয়া যে ঢাকনা আছে, মাংসচরুর হৃদয় ইত্যাদি অঙ্গকে বোধিতশালী যে যষ্টি প্রভৃতি সাধন আছে এবং ছেদনের যে খড়গ প্রভৃতি আছে সে সবই অশ্বকে সুশোভিত করছে; (অর্থাৎ সেগুলি অশ্বকে দেবযোগ্য করছে)।

    ৩৭। ঈষৎ ধূম্রবান অগ্নি, হে অশ্ব! তোমার পক্ক হওয়ার কালে নিজ ধ্বনি না করে মাংসের দ্বারা টগবগ টগবগ ধ্বনি না উঠিয়ে, নিজের (অর্থাৎ অগ্নির) দ্বারা প্রদীপ্তা উখার স্থালী, যা তোমার গন্ধকে সতত আঘ্রাণিত করে, তা কম্পিত হয় না। যাজিত, ভক্ষিত, উদ্যমিত এবং বষট্‌কৃত সেই অশ্বমাংস দেবতাগণ গ্রহণ করছেন।

    ৩৮। অশ্বের নিষ্ক্রমণ, উপবেশন, শয়ন, এবং পাদবন্ধনের এই স্থান; অশ্ব যে জল পান করেছে, যে তৃণ ভক্ষণ করেছে; হে অশ্ব! তোমার সেই সব কিছুই দেবগণেরই প্রাপ্ত হোক।

    ৩৯। অশ্বের নিমিত্ত যে আচ্ছাদক বস্ত্র, যে বস্ত্র নিম্নে বিস্তৃত (বিছানো), যে স্বর্ণ ইত্যাদির অলঙ্কার একে সজ্জিত করেছে, অশ্বের যে শিরবন্ধন এবং যে পাদবন্ধন, এই সবই অশ্বের প্রিয় দেবতাগণকে প্রাপ্ত হওয়ার প্রযত্নকারী হয়ে থাকে।

    ৪০। হে অশ্ব! অশ্বারোহী আপন তেজের সাথে তোমার উপর আরোহণ করে যে কশাঘাতের শব্দ করে, পদের দ্বারা তাড়না করে যে পীড়া প্রদান করে, সে সবই সুবার দ্বারা হবিঃ ক্ষালনের ন্যায় আমি মন্ত্রের দ্বারা দূর করছি।

    ৪১। বেগবান এবং দেবপ্রিয় অশ্বের চতুস্ত্রিংশ (চৌত্রিশ) অঙ্গকে খড়গ পরিত্রাণ দান করে। হে ঋত্বিকগণ! জ্ঞানের সাথে একটি একটি অঙ্গকে ঘোষণা পূর্বক এক্ষণে তোমরা প্রতিটি অঙ্গকে অচ্ছিদ্র (দোষহীন) করো এবং ছিন্ন করো।

    ৪২। একমাত্র প্রজাপতিই অশ্বের ছেদনকর্তা এবং দ্যাবাপৃথিবী–এই দুই দেবতা এর নিয়ন্ত্রক। হে অশ্ব! আমি অধ্বর্যু তোমার যে সে অঙ্গকে ছেদন করে পৃথক করছি–সেই সেই মাংসপিণ্ডকে আমি অগ্নিতে আহুতি প্রদান করছি (আপনউপযোগে গ্রহণ করছিনা)।

    ৪৩। হে অশ্ব! স্বর্গে গমনজনিত কারণে তোমার প্রিয় শরীর যেন ব্যথাপ্রাপ্ত না হয় এবং এই খড়ঙ্গ তোমার শরীরকে খণ্ড খণ্ড করে দেবতাগণকে সমর্পণ করুক–যেন সেই এই কর্মে নিরস্ত না হয়। এই লোভী ও অকুশল ছেদনকারীও শাস্ত্রসম্মত বিধিক্রম পরিত্যাগ করে যেখানে সেখানে ছেদন করে যেন (এই যজ্ঞ) ব্যর্থ করে না দেয়।

    ৪৪। হে অশ্ব! যজ্ঞের নিমিত্ত ছেদিত হয়েই তো মৃত্যুপ্রাপ্ত হচ্ছো এবং বিনষ্ট হচ্ছে না। এই স্থান হতে এক্ষণে তুমি দেব্যান পথে সোজা দেবগণকেই প্রাপ্ত হবে। তোমার রথে ইন্দ্রের হরী এবং মরুবৃন্দের পৃষতী নামক অশ্ব সংযোজিত হবে। অশ্বিদ্বয়ের রাসভের অগ্রেও বেগবান্ অশ্ব আগত হবে।

    ৪৫। দেবত্ব প্রাপ্ত বেগবান্ অশ্ব আমাদের সুন্দর গাভী ও অশ্বশালী করুক, আমাদের সুন্দর পুরুষার্থসাধক পুত্রশালী করুক। সে আমাদের সকলকে পোষণযোগ্য ধন প্রদান করুক। অখণ্ড্য অশ্ব আমাদের নিষ্পাপ করুক। হবিযুক্ত অশ্ব আমাদের রাজ্য প্রদান করুক।

    ৪৬। এই অশ্বমেধ যজ্ঞের দ্বারা আমরা এই লোকসমুদায়কে সিদ্ধ করছি। বিশ্বদেবগণ এবং মরুবৃন্দের সাথে গণবা ইন্দ্র আদিত্যগণের মাধ্যমে আমাদের নিমিত্ত ভেষজ্য (ভেষজ প্রস্তুত) করুক। আদিত্যবর্গের সাথে ইন্দ্র যজ্ঞ, আমাদের শরীর এবং প্রজাগণের (অর্থাৎ পুত্র ইত্যাদির) হিত সাধন করছে।

    ৪৭। হে অগ্নি! তুমিই আমাদের অত্যন্ত নিকটস্থিত হয়ে থাক। তুমি আমাদের রক্ষক, শরণ্য, এবং কল্যাণকারী হও। অগ্নি বাসক (আশ্রয় প্রদায়ক) এবং ধনদানের দ্বারা কীর্তিশালী। হে অগ্নি! তুমি আমাদের যজ্ঞের দিকে আগত হও। তুমি আমাদের অত্যন্ত দীপ্তিযুক্ত ধন প্রদান করো। হে অত্যন্ত দীপ্তিবান্ এবং সকলের প্রকাশক অগ্নি! মিত্রগণের সুখের নিমিত্ত আমরা তোমার নিকট ধন যাচন (প্রার্থনা) করছি। (সেই তুমি আমাদের জ্ঞাত হও। তুমি আমাদের আহ্বান শ্রবণ করো)। হে অগ্নি! তুমি সকল হিংসেচ্ছুগণ হতে আমাদের রক্ষা করো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়
    Next Article সামবেদ-সংহিতা (বঙ্গানুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দুর্গাদাস লাহিড়ী

    কৃষ্ণ যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    August 28, 2025
    দুর্গাদাস লাহিড়ী

    সামবেদ-সংহিতা (বঙ্গানুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }