Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    দুর্গাদাস লাহিড়ী এক পাতা গল্প719 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৪. শুক্লযজুর্বেদ – চতুস্ত্রিংশ অধ্যায়

    চতুস্ত্রিংশ অধ্যায়

    মন্ত্রঃ– যজ্জাগ্রততা দূরমুদৈতি দৈবং তদু সুপ্তস্য তথৈবৈতি। দুরঙ্গমং জ্যোতিষাং জ্যোতিরেকং তন্ম মনঃ শিবসঙ্কল্পমুস্ত৷৷৷৷৷ যেন কমাণ্যপসো মনীষিণো যজ্ঞে কৃথন্তি বিদথেষু ধীরাঃ। যদপূর্বং যক্ষমন্তঃ প্রজানাং তন্মে মনঃ শিবসঙ্কল্পমস্তু৷৷২। যৎপ্রজ্ঞামুত চেত ধৃতিশ্চ যজ্জ্যোতিরন্তরমৃতং প্রজাসু। যস্মান্ন ঋতে কিঞ্চন কর্ম ক্রিয়তে তন্মে মনঃ শিবসঙ্কল্পমস্তু৷৩৷৷ যেনেদং ভূতং ভুবনং ভবিষ্যৎ পরিগৃহীতমমৃতেন সর্বম্। যেন যজ্ঞস্তায়তে সপ্তহোতা তন্মে মনঃ শিবসঙ্কল্পমতু৷৷৷৷ যস্মিন্থঃ সাম যজুংষি যস্মিন্ । প্রতিষ্ঠিতা রথনাভাবিবারাঃ। যস্মিংশ্চিত্তং সর্বমোতং প্রজানাং তন্মে মনঃ শিবসঙ্কল্পমস্তু৷৷৷৷ সুষারথিরশ্বানিব যন্মনুষ্যান্নেনীয়তে ইভীশুভির্বাজিন ইব। হৃপ্রতিষ্ঠং যদজিরং জবিষ্ঠং তন্মে মনঃ শিবসঙ্কল্পমস্তু।।৬। পিতুং নু স্তোষং মহো ধর্মাণং তবিষী। যস্য ত্রিতো বব্যাজসা বৃত্ৰং বিপর্বদয়ৎ৭৷৷ অন্বিদনুমতে ত্বং মন্যাসৈ শং চ নস্কৃধি। ক্ৰত্বে দক্ষায় নো হিনু প্র ণ আয়ুংষি তারিষঃ ৮৷৷ অনু নোহদ্যানুমতির্যজ্ঞং মন্যতা। অগ্নিশ্চহব্যবাহনোভবতং দাশুষে ময়ঃ৯৷৷ সিনীবালি পৃথুঠুকে যা দেবানামসি স্বসা। জুষস্ব হব্যমাহুতং প্রজাং দেবি দিদিঢ়িনঃ ১০। পঞ্চ নদ্যঃ সরস্বতীমপি যন্তি সস্রোতসঃ। সরস্বতী তু পঞ্চধা সো দেশেহভবৎ সরিৎ ॥১১৷ ত্বমগ্নে প্রথমে অঙ্গিরা ঋষিৰ্দেবো দেবানামভবঃ শিবঃ সখা। তব ব্রতে কবয়য়া বিদ্মনাপসোহজায়ন্ত মরু ভ্ৰাজদষ্টয়ঃ।।১২। ত্বং নো অগ্নে তব দেব পায়ুভিমোনো রক্ষ তন্বশ্চ বন্দ্য। ত্রাতা তোকস্য তনয়ে গবামস্যনিমেষং রক্ষমাণস্তব ব্রতে৷৷১৩৷ উত্তানায়ামব ভরা চিকিত্বাদ্যঃ প্রবীতা বৃষণং জজান অরুষস্তুপো রূশদস্য পাজ ইড়ায়াপুত্রো বয়ুনেহজনিষ্ট৷৷১৪৷ইড়ায়াত্ত্বা পদে বয়ং নাভা পৃথিব্যা অধি। জাতবেদো নিধীমহ্যগ্নে হব্যায় বোঢ়বে।১৫৷৷ প্র মন্মহে শবসানায় শুষমাঙ্গুষং গির্বণসে অঙ্গিরস্বৎ। সুবৃক্তিভিঃ স্তুবত ঋগমিযাযাৰ্চামার্কং নরে বিতায়৷৷১৬৷ প্ৰ বো মহে মহি নমো ভরধ্বমাঙ্গুষ্যং শবসনায় সাম। যেনা নঃ পূর্বে পিতরঃ পদজ্ঞা অর্চন্তো অঙ্গিরসোগা অবিন্দ৷১৭৷ ইচ্ছন্তি ত্বা সোম্যসঃ সখায়ঃ সুন্তি সোমংদবতি প্রয়াংসি। তিতিক্ষন্তে অভিশস্তিং জনানামিন্দ্র ত্বদা কশ্চন হি প্রকেতঃ ॥১৮৷ ন তে দূরে পরমা চদ্ৰজাংস্যা তু প্র যাহি হরিবো হরিভ্যাম্। স্থিরায় বৃষ্ণে সবনা কৃতেমা যুক্তা গ্রাবাণঃ সমিধানে অগ্নেী।১৯। আষাঢ়ং যুৎসু পৃতনাসু পপ্রিং স্বর্ষামঙ্গাং বৃজনস্য গোপা। ভরেষুজাং সুক্ষিতিং সুসং জয়ন্তং ত্বমনু মদেম. সোম৷৷২০৷ সোমমা ধেনুং সোমো অবন্তমাশুং সোমো বীরং কর্মণ্যং দদাতি। সাদন্যং বিদথ্যং সভেয়ং পিতৃশ্রবণং যো দদাশদস্মৈ৷৷২১৷ ত্বমিমা ওষধীঃ সোম বিশ্বামপো অজনয়ন্ত্বং গাঃ। মা ততন্থাবন্তরিক্ষং ত্বং জ্যোতিষা বি তমো ববৰ্থ৷৷২২৷৷ দেবেন নো মনসা দে, সোম রায়ো ভাগং সহসাবগ্নভি যুধ্য। মা ত্বা তনদীশিষে বীর্যসস্যাভয়েভ্যঃ প্রচিকিৎসা গবিষ্টো।।২৩৷৷ অষ্টেী ব্যখ্যৎ ককুভঃ পৃথিব্যাস্ত্রী ধম্ব যোজনা সপ্ত সিন্ধু। হিরণ্যক্ষঃ সবিতা দেব আগাদ্দধদ্রত্না দাশুষে বার্যাণি৷৷২৪৷৷ হিরণ্যপাণিঃ সবিতা বিচৰ্ষণিরুতে দ্যাবাপৃথিবী অন্তরীয়তে। অপামীবাং বাধতে বেতি সূর্যমভি কৃষ্ণেন রজসা দ্যামৃণোতি৷৷২৫৷৷ হিরণ্যহস্তো অসুরঃ সুনীথঃ সুমৃভীকঃ স্ববা আত্ববাঙ। অপসেধন রক্ষসো যতুধানানস্থাদ্দেবঃ প্রতিদোষং গৃণানঃ।।২৬৷৷ যে তে পন্থাঃ সবিতঃ পূৰ্যাসোহরেণবঃ সুকৃতা অন্তরিক্ষে। তেভিননা অদ্য পথিভিঃ সুগেভী রক্ষা চ নো অধি চ ব্রুহি দেব।২৭৷৷ উভা পিবতমশ্বিনোভা নঃ শৰ্ম যচ্ছত। অবিদ্রিযাভি রূতিভিঃ৷৷২৮৷ অল্পস্বতীমশ্বিনা বাচমস্মে কৃতং নো দম্রা বৃষণা মনীষা। অদ্যুতো হবসে নি হয়ে বাং বৃধে চ নো ভবতং বাজতৌ৷৷২৯৷৷ দ্যুভিরভিঃ পরি পাতমম্যানরিষ্টেভিরশ্বিনা সৌভগেভিঃ। তন্নো মিত্রো বরুণণা মামহন্তামদিতিঃ সিন্ধু পৃথিবী উত দ্যৌঃ ৩০৷ আ কৃষ্ণেন রজসা বর্তমানো নির্বেশয়নুমৃতং মত্যং চ।। হিরণ্যয়েন সবিতা রথেনা দেবো যাতি ভুবনানি পশ্য৷৷৩১৷ আ রাত্রি পার্থিবং রজঃ পিতুরপ্রায়ি ধামভিঃ। দিবঃ সদাংসি বৃহতী বি তিষ্ঠস আ ত্বেষং বর্ততে তমঃ ।।৩২৷৷ উষস্তচ্চিত্রমা ভরাস্মভ্যং বাজিনীতি। যেন তোকং চ তনয়ং চ ধামহে৷৷৩৩৷৷ প্রাত রগ্নিং প্রাতরিন্দ্রং হবামহে প্রাতর্মিত্রাবরুণা পাতরশ্বিনা। প্রাতর্ভং পূষণং ব্ৰহ্মণস্পতিং প্রাতঃ সোমমুত রুদ্রং হুবেম।।৩৪। প্রাতর্জিতং ভগমুগ্ৰং হুবেম বয়ং পুত্ৰমদিতের্যো বিধর্তা। আশ্চিদ্যং মন্যমানস্তুরশ্চিদ্ৰাজ্য চিদ্যং ভগং ভক্ষীত্যাহ।৩৫৷৷ ভগ প্রণেতর্ভগ সত্যরাধো ভগেমাং ধিয়মূদবা দন্নঃ। ভগ প্র নো জনয় গোভিরশ্বৈগ প্র নৃভিবন্তঃ স্যাম।।৩৬৷ উতেদানীং ভগবন্তঃ স্যামোত প্রপিত্ব উত মধ্যে অহ্নাম। উততদিতা মঘবন সূর্যস্য বয়ং দেবানাং সুমতৌ সাম৷৩৭৷৷ ভগ এব ভগবাঁ অস্তু দেবাস্তেন বয়ং ভগবন্তঃ স্যাম। তং ত্বা ভগ সর্ব ইজ্জোহবীতি স নো ভগ পুর এতা ভবেহ৷৷৩৮। সমধ্বরাঘোষসো নমন্ত দধিক্রাবেব শুয়ে পদায়। অর্বাচীনং বসুবিদং ভগঃ নো রথমিবাশ্বা বাজিন আ বহ।।৩৯৷৷ অশ্ববতী গোমতীর্ন উষাসো বীরবতীঃ সদমুচ্ছন্তু ভদ্রাঃ ঘৃতং দুহানা বিশ্বতঃ প্রপীতা যুয়ং পাত স্বস্তিভিঃ সদা নঃ॥৪০ পূষন্ তর ব্রতে বয়ং ন রিয্যেম কদাচন। স্তোতারস্ত ইহ স্মসি৷৷৪১৷ পথপথঃ পরিপতিং বচস্যা কামেন কৃতো অভ্যানডর্ক। স নো রাসছুরুধশ্চন্দ্রাগ্রা ধিযং ধিয়ং সীধাতি প্ৰ পূষা৷৪২৷ ত্রীণি পদা বি চক্ৰমে বিষ্ণুগোপা অদাভ্যঃ। অতো ধর্মাণি ধারয়৷৪৩৷ তদ্বিপ্রাসো বিপন্যবো জাগুবাংসঃ সমিন্ধতে। বিষ্ণো যৎপরমং পদ৷৷৪৪৷৷ ধৃতবর্তী ভুবনানামভিশ্রিয়োৰী পৃধ্বী মধুদুঘে সুপেশসা। দ্যাবাপৃথিবী বরুণস্য ধর্মা বিষ্কভিতে অজরে ভূরিরেতসা।৪৫৷৷ যে নঃ সপত্না অপ তে ভবন্দ্ৰিাগ্নিভ্যামব বাধামহে তান্। বসবো রুদ্রা আদিত্যা উপরিশৃশং মোগ্রং চেত্তারমধিরাজম৷৷৪৬ আ নাসত্যা ত্রিভিরেকাদশৈরিহ দেবেভির্যাতং মধুপেয়মশ্বিনা প্রায়ুস্তারিষ্টং নী রপাংসি মৃক্ষতং সেধতং দ্বেষো ভবতং সচাভুবা৷৪৭৷ এষ ব তোমো মরুত ইয়ং গীৰ্মান্দার্য্য মান্যস্য কারোঃ। এষা যাসীষ্ট তন্থে বয়াং বিদ্যামেষং বৃজনং জীরদানু৷৪৮৷ সহস্তোমাঃ সহচ্ছন্দস আবৃতঃ সহপ্রমা ঋষয়ঃ সপ্ত দৈব্যাঃ পূর্বেষাং পন্থমনুদৃশ্য ধীরা অন্যালেভিরে রথ্যো ন রশ্মী৷৷৪৯৷৷ আয়ুষাং বৰ্চস্যং রায়ম্পোষমৌক্তি। ইদং হিরণ্যং বৰ্চস্বজ্জৈায়াবিশদু মা৷৫০৷ ন তদ্রক্ষাংসি ন পিশাচাস্তরন্তি দেবানামোজঃ প্রথমজং হ্যেৎ। যো বিভৰ্তি দাক্ষায়ণং হিরণ্যং স দেবে কৃণুতে দীৰ্ঘমায়ুঃ স মনুষ্যেষু কৃণুতে দীর্ঘমায়ুঃ।৫১। যদাবধুন্ দাক্ষাণা হিরণ্যং শতানীকায় সুমনস্য মানাঃ। তন্ম আ বমি শতশারদায়ায়ুম্মাঞ্জরদষ্টিযথাসম্৷৷৫২৷৷ উত নোহহিবুধ্যঃ শৃগোত্বজ একপাৎপৃথিবী সমুদ্রঃ। বিশ্বে দেবা ঋতাবৃথো হুবানাঃ স্তু মন্ত্রাঃ কবিশস্তা অবন্তু।৫৩৷ ইমা গির আদিত্যেভ্যো ঘৃতঃ সনাদ্রাজভ্যো জুবা জুহোমি। শৃণোতু মিত্রো অর্যমা ভগোনস্তুবিজাতো বরুণেআ দক্ষো অংশঃ।৫৪। সপ্ত ঋষয়ঃ প্রতিহিতাঃ শরীরে সপ্ত রক্ষন্তি সদমপ্রমাদ। সপ্তাপঃ স্বপতে লোমীয়ুস্তত্র জাগৃতে অস্বপ্নজৌ সত্ৰসদৌ চ দেবো।৫৫৷ উত্তিষ্ঠ ব্ৰহ্মণম্পতে দেবয়ন্তমেহে। উপ প্র যন্তু মরুতঃ সুদানব ইন্দ্র প্রার্ভবা সচা৷৫৬৷ প্র নূনং ব্ৰহ্মণস্পতিমন্ত্রং বদত্যুথ্যম্। যস্মিন্নিন্দ্রো বরুণা মিত্রো অর্যমা দেবা ওকাংসি চক্রিরে।৫৭৷ ব্ৰহ্মণস্পতে ত্বমস্য যন্তা সুক্তস্য বোধি তনয়ং চ জিম্ব। বিশ্বং তদ্ভদ্রং যদবন্তি দেবা বৃহদ্বদেম বিদথে সুবীরাঃ। য ইমা বিশ্বা বিশ্বকর্মা যো নঃ পিতা অন্নপতেহন্নস্য নো দেহি।৫৮৷৷

    [কাণ্ড-৫৮ : মন্ত্র-৫৮]

    .

    মন্ত্ৰার্থঃ— ১।দিব্য শক্তিসমূহের সাথে যুক্ত যে মন জাগ্রত মনুষ্যের নিকট হতে গমন করে দূরে ব্যক্ত হয়, সুষুপ্ত মনুষ্যেরও সেই মন সেই দূরে গমন করে। দূরে গমনকারী এবং শ্রোত্রা ইত্যাদি ইন্দ্রিয়ের স্বরূপ জ্যোতিসমূহে একই জ্যোতি প্রকাশক যে আমার মন, তা শুভ সঙ্কল্প-সম্পন্ন হোক৷

    ২। কর্মা, মনীষী এবং ধীর ব্যক্তি যজ্ঞের এবং অন্য ধনলাভের ক্ষেত্রে যে মনের দ্বারাই কর্ম করে থাকে, যে মন প্রজাগণের অভ্যন্তরে অপূর্ব এবং প্রকাশমান্ জ্যোতি, আমার সেই মন শুভ সঙ্কল্পশালী হোক।

    ৩। যা প্রজ্ঞান, যা চিত্র (বা চেতনা), এবং যা ধৃতি; যা প্রজাগণের মধ্যে আন্তর ঋত (সত্য) সংজ্ঞক, যা ব্যতীত কেউই কর্ম করতে পারে না, আমার সেই মন সদা শুভ সঙ্কল্পশালীই তোক৷

    ৪। যে অমর মনের দ্বারা এই ভূত-ভবিষ্যৎ বর্তমান সর্ব জগৎ ধারিত হয়েছে, এবং যার দ্বারা সপ্ত হোতা-সংযুক্ত যজ্ঞ বিস্তৃত হয়, আমার সেই মন, হে পরমাত্মা! সদা শুভ সঙ্কল্প-সম্পন্ন হোক।

    ৫। যার মধ্যে ঋক্‌সমূহ, সামগান এবং যজুঃ–রথের নাভিতে যুক্ত অরের (কাষ্ঠখণ্ডবিশেষের) ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে, এবং যাতে প্রাণীগণের সকল মন্দ ও শুভ ভাব ওতপ্রোত হয়ে থাকে, আমার সেই মন, হে পরমাত্মা! সদা শুভ সঙ্কল্পশালীই হোক।

    ৬। কুশল সারথি কর্তৃক অশ্বকে অভীষ্ট স্থলে চালিত করার ন্যায় এবং লাগামের দ্বারা অশ্বকে নিয়ন্ত্রিত করার ন্যায়, যে মনুষ্যকে যত্রতত্র নিয়ে যায়; হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত যে অজর এবং অত্যন্ত বেগবা, আমার সেই মন, হে ভগবন্! সদা শুভ সঙ্কল্পশালী হোক৷

    ৭। আমি তেজ এবং শক্তির ধারক সেই অন্নের সংস্তুতি করছি, যে অন্নের বলে ইন্দ্রদেব বৃত্রকে খণ্ড খণ্ড করে কর্তন করেছিল।

    ৮। হে অনুমতি! তুমি আমাদের মনোরথের অনুমোদন করো এবং আমাদের কল্যাণ করো। কর্ম ও বলের নিমিত্ত তুমি আমাদের প্রেরিত করো এবং আয়ুকে বৃদ্ধি করো।

    ৯। আজ আমাদের যজ্ঞকে অনুমতি দেবী দেবগণের দ্বারা অনুমোদিত করুক। অনুমতি ও হব্যবাহক অগ্নি হবিদাতা যজমানের নিমিত্ত সুখস্বরূপ হোক৷

    ১০। হে মহাস্তুতা সিনীবালী (দেবপুত্রী)! যে তুমি দেবগণের ভগিনী, সেই তুমি, আহুত হবিঃ সেবন করো। হে দেবী! আমাদের সন্তান প্রদান করো।

    ১১। আপন সহায়িকা নদীসমূহের সাথে দৃষদ্বতীশতদ্র চন্দ্রভাগা-বিপাশা-রেবতী– এই পঞ্চ নদী সরস্বতী নদীতে সঙ্গমিতা হয়েছে। পাঁচটি ধারায় প্রবাহমানা সেই সরস্বতী আপন প্রবাহ প্রদেশে একই সরিৎ হয়ে গিয়েছে। (অর্থাৎ পাঁচটি নদী আপন নাম ত্যাগ করে সরস্বতীর নাম ধারণ করে নিয়েছে)।

    ১২। হে অগ্নি! তুমিই প্রথম অঙ্গিরা ঋষি। দ্যোতমান তুমি দেবগণের কল্যাণকারী ও মিত্র হয়েছ। ক্রান্তদ্রষ্টা, বিদিতকর্মা এবং দীপ্তিমান হয়ে ঋষি (বা বর্শা) সমন্বিত মরুৎ, হে অগ্নি! তোমার সেবায় রত হয়ে আছে।

    ১৩। হে দ্যোতমান-বন্দনীয় অগ্নি! তুমি আপন রক্ষাসমূহের দ্বারা এই ধনী যজমান এবং তার পুত্রদের রক্ষা করো। পুত্র-পৌত্র ও গাভীগণকে অনিমেষে রক্ষা করণশালী তুমিই রক্ষক। হে অগ্নি! আমরা তোমার কর্মে (অর্থাৎ যজ্ঞে) বিদ্যমান আছি৷

    ১৪। হে অধ্বর্যু! প্রজ্ঞানবান্ তুমি উত্তানিত হয়ে (চিৎ হয়ে) পড়ে থাকা কাষ্ঠে অগ্নিকে নিয়ে রাখো। কামনা করা মাত্র সেই অরণি তৎক্ষণাৎই অভিষেক্তা অগ্নিকে উৎপন্ন করে দিয়েছে। রক্তজ্বালাসঙ্ঘাত এবং পৃথিবীর পুত্র অগ্নি জ্ঞানের সাথে মন্থন করার পর উৎপন্ন হয়েছে। এর তেজ উজ্জ্বল।

    ১৫। হে জাতবেদা অগ্নি! যজ্ঞভূমির স্থান এবং পৃথিবীর নাভি উত্তর বেদিতে আমরা তোমাকে হবিঃ বহনের নিমিত্ত নিহিত (বা স্থাপিত) করছি।

    ১৬। বলের কামনা করণশালী, স্তুতির দ্বারা লভ্য, সৎ-স্তুতিসমূহের দ্বারা স্তুতিযোগ্য, ঋকসমূহের দ্বারা প্রতিপাদ্য, নররূপ লব্ধখ্যাতি ইন্দ্রদেবের নিমিত্ত আমরা, অঙ্গিরা ঋষির ন্যায় ত্রিবৃৎ ইত্যাদি বলপ্রাপক স্তোম স্মরণ করছি এবং মন্ত্র উচ্চারিত করছি।

    ১৭। হেঋত্বিকগণ! বলের কামনা করণশালী এবং মহান দেবতা ইন্দ্রের নিমিত্ত মহৎ সোমান্ন এবং স্তোমোপযোগী সাম আহৃত করো; যে সামের দ্বারা আমাদের পদজ্ঞ (পদমাত্মের স্বরূপ জ্ঞাতা) পূর্বজ অঙ্গিরাগণ (বা পূর্বপুরুষগণ) ইন্দ্রের অর্চনা করে গাভীসমূহ (বা সূর্যকিরণসমূহ) প্রাপ্তশালী হয়েছিলেন৷

    ১৮। হে ইন্দ্র! সোম সম্পাদন করণশালী মিত্র যজমান তোমাকে আকাঙ্ক্ষা করছেন। তারা সোমের অভিষব করছেন; হবিরান্নকে বেদির উপর স্থাপন করে এবং লোকের নিন্দা সহ্য করে–কেন? এইজন্য যে, তোমার নিকট হতে প্রজ্ঞান-বিশেষ অবশ্যই প্রাপ্ত হওয়া যায়।

    ১৯। সুদূরেও স্থিত লোক তোমা হতে দূরে নয়। অতএব হে হরী নামক অশ্বশালী ইন্দ্র! স্থির বলসেচক ইন্দ্রের উদ্দেশে এই প্রাতঃসবন ইত্যাদি করা হয়েছে। এবং অগ্নির সমিদ্ধ হওয়ার পর অভিষব প্রস্তর যুক্ত করা হয়েছে (অর্থাৎ সোমরস অভিযব করা হয়েছে)।

    ২০। যুদ্ধে অসহনীয়, সেনাগণে সর্বত্র ব্যাপ্তশীল, জলের বর্ষক, বলের রক্ষক; যুদ্ধে জয়ী, শুভ নিবাসভূত, সুকীর্তিবান্ এবং জয়শালী তুমি হেন সোমরসকে, হে সোম! আমরা আনন্দিত করছি।

    ২১। যে যজমান সোমের উদ্দেশ্যে হবিঃ প্রদান করেন, সোম তাঁকে নবপ্রসূতা গাভী প্রদান করে, ব্যাপনশীল অশ্ব প্রদান করে এবং কর্মঠ পুত্রও প্রদান করে। গৃহে সজ্জনতা, যজ্ঞে সৎ-সংযোগ, সভায় সৎ-সমাবেশে এবং পিতার অনুশাসনে বিদ্যমান (বিনীত) সন্তানদাতা এই সোমের নিমিত্ত আহুতি প্রদান করা হচ্ছে।

    ২২। হে সোম! তুমি এই সকল ওযধিসমূহকে জলকে এবং গাভীকে উৎপন্ন করেছ। তুমি বিস্তৃত অন্তরিক্ষকে বিস্তীর্ণ করেছ এবং তুমিই জ্যোতির দ্বারা অন্ধকারকে বিনষ্ট করেছ।

    ২৩। হে সোমদেব! আপন দিব্য মনের দ্বারা, হে বলবন্! তুমি তোমার আপন বনের এক ক্ষুদ্র অংশ আমাদের প্রদান করো। কেউই তোমাকে প্রতিবদ্ধ করে না। তুমি বলবীর্যের অধিষ্ঠাতা। যজ্ঞে তুমি আমাদের দুই লোকের যোগ্য নিরোগ করে দাও; (অর্থাৎ তোমার নিকট হতে দিব্য মন ও দিব্য ধন লাভ করে যজ্ঞ সুসম্পাদন পূর্বক আমরা যেন এই লোকে নিরোগ থাকতে পারি, এবং মরণের পরে স্বর্গলোকে গমন করতে পারি)।

    ২৪। হিরন্ময় কিরণশালী সূর্য পৃথিবীর সাথে সম্বন্ধিত অষ্ট দিককে, তিন অন্তরিক্ষকে (লোককে), যোজন দূর প্রদেশকে এবং সপ্ত বিশাল সাগরকে প্রকাশিত করছে। হবিদাতা যজমানের নিমিত্ত বরণীয় রত্ন ইত্যাদি প্রদান করে সবিতাদেব উদিত হচ্ছে৷

    ২৫। হিরন্ময় কিরণশালী এবং বিশিষ্ট রূপে প্রজাগণকে দর্শনশালী সবিতাদেব দ্যাবা ও পৃথিবী উভয়ের মধ্যেই গমন করে থাকে। উদয় হয়ে সে অন্ধকাররূপ ব্যাধিকে অপবাধিত (দূর) করে থাকে। যখন সূর্য অস্তমিত হয়, তখন আপন কৃষ্ণ প্রকাশের (অর্থাৎ অন্ধকারের) দ্বারা দ্যুলোককে রিক্ত সদৃশ করে দিয়ে থাকে৷

    ২৬। হিরন্ময় কিরণরূপ হস্তশালী, প্রাণবান্ কল্যাণস্তুতি, মিত্রগণের সুখয়িতা এবং তেজবা সূর্য আমাদের অভিমুখ হোক। যাতুধানদেব (অর্থাৎ রাক্ষসদের) অপসিদ্ধ (বা চূরীভূত করে প্রতিদিন স্কৃয়মান সূর্যদেব উধ্বস্থ হয়ে থাকে।

    ২৭। হে সবিতা! তোমার যে পূর্বকালীন, ধূলিরহিত এবং সাধু সম্পাদিত মার্গ বিধাতার দ্বারা অন্তরিক্ষে নির্মিত হয়েছে, সেই সুগম্য মার্গের দ্বারা, হে দেব! আজ তুমি যজ্ঞে আগমন করো এবং আমাদের রক্ষা করো। হে দেব! তুমি আমাদের স্থাপিত করো বা আপন করে লও।

    ২৮। হে অশ্বিদ্বয়! তোমরা দুজন সোমরস পান করো এবং আমাদের সুখ-শান্তি প্রদান করো। হে অশ্বিনদ্বয়! তোমরা দুজন আপন অখণ্ডিতা রক্ষাসমূহের দ্বারা আমাদের সুরক্ষিত করো।

    ২৯। হে যুবা অশ্বিনদ্বয়! আমাদের মধ্যে কর্মবতী বুদ্ধি পূর্ণ করো। হে দর্শনীয়গণ! হে সেচকগণ! আমাদের কামনাকেও যজ্ঞময়ী করে দাও। হে অশ্বিদ্বয়! দ্যুতক্রীড়া রহিত অর্থাৎ সৎপথে অর্জিত অন্নের নিমিত্ত, এই অন্নলাভক যজ্ঞে তোমরা দুজন আমাদের সহায়ক হও।

    ৩০। হে অশ্বিদ্বয়! অহিংসিত এবং সুগম যুক্তিসমূহ বা রক্ষাসমূহের দ্বারা তোমরা দুজন আমাদের দিবারাত্র রক্ষা করো। মিত্র, বরুণ, অদিতি, সিন্ধু, পৃথিবী এবং দ্যুলোক আমাদের সেই রক্ষা প্রতিশ্রুত করুক৷

    ৩১। রাত্রিকালে লোকে লোকে ভ্রমণকারী, দেব ও মনুষ্যকে তাদের আপন আপন স্থানে ও কর্মসমূহের অধিষ্ঠিত করে এবং লোকসমূহকে দর্শন করতে করতে সবিতাদেব আপন হিরন্ময় রথে গমন করছে।

    ৩২। হে রাত্রি! পালক বা উৎপাদক অন্তরিক্ষের স্থানসমূহের সাথে তুমি পার্থিব লোককে সর্বৰ্থা আপূরিত করে দিয়েছে, অথবা পোষক সূর্যের কৃষ্ণ তেজের দ্বরা হে রাত্রি! তুমি পৃথীলোককে পূর্ণ করে দিয়েছ। হে মহতি! তুমি দুলোকেরও স্থানসমূহকে অভিব্যাপ্ত করে রয়েছ। অন্ধকার আপন পূর্ণ প্রদীপ্তির সাথে সর্বত্র বর্তমান হয়ে রয়েছে৷

    ৩৩। হে অন্নদায়িনী উষা! তুমি আমাদের জন্য সেই বিচিত্র ধন আহৃত করো যে, যার দ্বারা আমরা নিজেদের, পুত্র এবং পৌত্রকে জীবিত রাখতে পারি।

    ৩৪। প্রাতঃকালে আমরা অগ্নিকে আহ্বান করছি। ইন্দ্রকেও আহ্বান করছি। প্রাতঃ মিত্র ও বরুণের। প্রাতঃকাল অশ্বিন্দ্বয়ের। প্রাতঃকাল মনের, পূষার এবং মন্ত্ৰাধিদেবতা ব্ৰহ্মণস্পতির। তাদের সকলকে আমরা আহ্বান করছি। প্রাতঃকালে আমরা সোম ও রুদ্রেকেও আহ্বান করছি।

    ৩৫। প্রাতঃকালে আমরা অদিতির পুত্র, জেতা, উগ্রস্বভাব এবং বিশেষ রূপ ধারণশীল ভগদেবকে আহ্বান করছি। বুভুক্ষিতও যাকে সম্মান প্রদান করে উদিত হও–এমন বলে থাকে, রোগীও এবং রাজাও যাকে উদয় হও এমন বলে থাকে।

    ৩৬। হে নেতা! হে সত্যধন ভগ! ধন ইত্যাদি প্রদান করার সময় আমাদের এই বুদ্ধিকেও উচ্চে উন্নীত করো (অর্থাৎ আমাদের ধন প্রদান করো এবং সেই সাথেই আমাদের উদার করে দাও)। হে ভগ! আমাদের গাভী, অশ্ব ইত্যাদির দ্বারা বৃদ্ধি প্রাপ্ত করো। হে ভগ! আমরা যেন সেবক ইত্যাদির দ্বারা বহু মনুষ্য-সম্পন্ন হতে পারি।

    ৩৭। হে ভগ! আমরা বর্তমানে যেন ধনবান হই। সূর্যের অস্তগমনের পর এবং দিনের মধ্যেও আমরা যেন ধনবান হই। হে মঘবন্! আমরা যেন সূর্যের উদয়কালেও ধনী হই। আমরা যেন সদা দেবতাগণের সুমতিতে বিদ্যমান থাকি।

    ৩৮। হে দেবগণ! ভগই ধনবান্ দেবাত হোক। তার দ্বারাই আমরা ধনবান্ দেবা হই। হে ভগ! তুমি হেন সেই ভগদেবকেই সর্ব জগৎ অত্যন্ত আহ্বান করছে। হে ভগ! সেই তুমি আমাদের অগ্রগামী হও; (অর্থাৎ আমরা যেন তোমাকে অনুসরণ করতে পারি)।

    ৩৯। অশ্বের ন্যায় যজ্ঞের নিমিত্ত এবং পবিত্র পদের নিমিত্ত উপায়সমূহ প্রহিত হচ্ছেন ধনপ্রাপক ভগকে সেই উপায়সমূহ আমাদের প্রাপ্ত করাক; যেমন বেগবান্ অশ্ব রথকে গৃহে আনয়ন করে।

    ৪০। অশ্ব, গাভী এবং পুত্রের দাত্রী কল্যাণকারিণী উপায়সমূহ আমাদের নিমিত্ত প্রকট হোক। শিশির-জলকে ক্ষরিত করে এবং সর্বথা প্রবৃদ্ধা হে উষাগণ! তোমরা আমাদের কল্যাণের সাথে সুরক্ষিত করো।

    ৪১। হে পূষা! তোমার যজনে নিরত আমরা কখনও যেন বিনষ্ট হই। যজ্ঞে যেন তোমারই স্তুতি করণশীল হই।

    ৪২। বেদবাণী এবং যজ্ঞ কর্মের দ্বারা অভিমুখীকৃত পূষা সকল পথের অধিপতি সূর্যকে প্রাপ্ত হয়ে থাকে। সেই পূষা আনন্দের মূল শোকনাশক উপায় ধন ইত্যাদি আমাদের প্রদান করুক। পূষাদেব আমাদের প্রতিটি যজ্ঞ ইত্যাদি কর্ম বা বিচারকে (অর্থাৎ সিদ্ধান্তকে) সিদ্ধ করুক।

    ৪৩। জগতের রক্ষক এবং অদমনীয় যজ্ঞদেবতা বিষ্ণুদেব অগ্নিবায়ু ও আদিত্যরূপ তিন পদে (তিন লোককে) রক্ষা করছেন বা বন্ধন করে রেখেছেন। তিনিই এই সত্য প্রভৃতি ধর্মসমূহকে ধারণ করেন।

    ৪৪। বিষ্ণুর যে পরম গুপ্ত স্থান আছে, তাকে জাগতিক প্রলোভন হতে মুক্ত অর্থাৎ নিষ্কাম ও সতত জাগরুক (চৈতন্যময়) বিদ্বান্ ব্রাহ্মণগণ দীপিত করে থাকে।

    ৪৫। উদকবতী, লোকগণের আশ্রয়ণীয়া, বিস্তীর্ণা (উর্ব), বিস্তৃতা, জলদাত্রী, শোভন রূপশালিনী, অজরা এবং প্রভূত রেতস্কা দ্যাবাপৃথিবী বরুণের ধর্মের দ্বারা দৃঢ়ীকৃত হয়।

    ৪৬। আমাদের যারা শত্রু, তারা অধোগামী হোক। আমরা তাদের ইন্দ্র ও অগ্নির দ্বারা দূরীভূত করি। বসুগণ, রুদ্রবর্গ এবং আদিত্যসমূহ আমাদের সকলের উচ্চস্থিত, উৎকৃষ্ট জ্ঞাতা ও অধিরাজ করুন।

    ৪৭। হে নাসত্য নামক অশ্বিদ্বয়! ত্রয়াস্ত্রিংশ সংখ্যক (ত্রিগুণৈরকাদশ অর্থাৎ তেত্রিশ) দেবগণের সাথে সোমরস পানের উদ্দেশে তোমরা দুজন এইস্থলে যজ্ঞে আগত হও। আমাদের আয়ুকে বর্ধিত করো, পাপসমূহকে শোধিত করো, দ্বেষী শত্রুগণকে প্রতিষিদ্ধ করো এবং আমাদের কল্যাণের নিমিত্ত সহপ্রাপ্ত (বা সহযোগী) হও।

    ৪৮। হে মরুৎবর্গ! এই তোমাদের স্তোম, এই তোমাদের স্তুতি–নিঃস্বার্থ ও মাননীয় যজ্ঞকর্তার। বর্ষার নিমিত্ত আহ্বয়মান হে মরুৎবর্গ! বাল্য-যুবা-বৃদ্ধাবস্থাকে দৃঢ় করার নিমিত্ত তোমরা এখানে আগত হও। হে মরুৎবর্গ। আমাদের বর্ষা বা অন্ন এবং ক্ষিপ্রপ্রদ বল প্রাপ্ত করো।

    ৪৯। স্তোম, ছন্দ, কর্ম এবং প্রমাণের সাথে সপ্ত দৈবী ঋষি, (ভরদ্বাজ, কশ্যপ, গৌতম, অত্রি, বিশ্বামিত্র, জমদগ্নি ও বশিষ্ঠ) সৃষ্টিযজ্ঞকে লাভ করেছিলেন। পূর্বকল্পের দৈবী ঋষিগণের পথকে অনুসরণ করে সেই ধীমানগণ এই সৃষ্টিকর্মের প্রারম্ভ করেছিলেন; যেভাবে সারথি অশ্বের লাগামকে গ্রহণ করে থাকে।

    ৫০। আয়ু, ব্রহ্মতেজঃ, ধন-সমৃদ্ধি, শত্রুভেদন, এই স্বর্ণ রৌপ্য এবং তেজ,জয়ের নিমিত্ত আমাতেই প্রবিষ্ট হোক।

    ৫১। রাক্ষস ও পিশাচগণ তাকে (অর্থাৎ হিরণ্যকে) সহ্য করতে পারে না; কারণ তা দেবগণের প্রথমোৎপন্ন তেজ। যে মনুষ্য দাক্ষায়ণ অর্থাৎ অলঙ্কারস্বরূপ হিরণ্য ধারণ করে, সে দেবলোকে এবং মনুষ্যলোকে দীর্ঘ আয়ু লাভ করে।

    ৫২। প্রসন্ন হয়ে দক্ষবংশোৎপন্ন সুমতিসম্পন্ন ব্রাহ্মণগণ শতানীক রাজাকে যে হিরণ্যাভরণ বন্ধন করে দিয়েছিল, আমি সেই আভরণই নিজেও শত শরৎ-ঋতু সম্পন্ন আয়ুর নিমিত্ত বন্ধন (বা ধারণ) করছি। যে রকমে আমিও আয়ুষ্মন এবং বৃদ্ধ শরীরশালী হতে পারি।

    ৫৩। অহিবুধ্য দেব, অজ একপাৎ, পৃথ্বী, সমুদ্র এবং বিশ্বদেবগণ আমাদের আহ্বান শ্রবণ করো। সত্য বা যজ্ঞের বর্ধক, আহ্বায়মান, মন্ত্রের দ্বারা সংস্তুত, কবিগণের (ক্রান্তদর্শীগণের) ও মেধাবী ঋষিবর্গের দ্বারা প্রশংসিত সেই দেবতাগণ আমাদের রক্ষা করুক।

    ৫৪। চিরকাল ব্যাপী শোভমান আদিত্যবর্গের নিমিত্ত আমি এই ঘৃতস্রাবিনী স্তুতিবাণীসমূহ বুদ্ধিরূপ জুহু (যজ্ঞপাত্র; সুক)-এর দ্বারা হোম করছি। আমাদের এই বাণীসকলকে মিত্র, অর্ঘমা, ভগ, বলোৎপন্ন বরুণ, দক্ষ এবং অংশ–এই সূর্যবিশেষগণ শ্রবণ করুক৷

    ৫৫। সপ্ত ঋষি (প্রাণ)–ত্ব-চক্ষু শ্রবণ-রসনা-ঘ্রাণ-বুদ্ধি, শরীরে নিহিত আছে। সেই সপ্ত প্রাণ অপ্রমাদ ভাবে এই শরীররূপ গৃহকে রক্ষা করে থাকে। শরীরিক বিষয়সমূহে ব্যাপনশীল সেই সপ্ত প্রাণ জীবের সুযুপ্ত হওয়ার পর আত্মায় লীন হয়ে যায়। সেইকালে চিরানিদ্র (অর্থাৎ কখনও নিদ্রাশীল নয়, এমন) এবং জীবনদাতা প্রাণ ও অপান সদা জাগ্রত থাকে।

    ৫৬। দেবগণকে কামনা করে, আমরা তোমাকে যাচিত করছি। হে ব্ৰহ্মণস্পতি! তুমি উত্থিত হও। সুদাতা মরুৎ-গণ নিকটে আগমন করুক। হে ইন্দ্র! তুমিও ক্ষিপ্র এবং যজ্ঞসঙ্গত হও।

    ৫৭। নিশ্চিয়ই মন্ত্ৰাধিপ ব্রাহ্মণস্পতি উথাহ্ মন্ত্র বলছেন, যাতে (অর্থাৎ যে মন্ত্রগুলিতে) ইন্দ্র, বরুণ, মিত্র, চিতস্বিক অর্যমা ও অন্যান্য দেবতাগণ আপন আপন বাস নির্মাণ করে; (অর্থাৎ সেই মন্ত্রসমূহের মধ্যে ঐ ঐ দেবতাগণ সংশ্লিষ্ট হয়ে যায়)।

    ৫৮। হে ব্রাহ্মণস্পতি দেব। তুমি এই লোকের নিয়ন্তা। তুমি আমাদের উচ্চারিত সূক্তসমূহ জ্ঞাত হও এবং আমাদের পুত্রগণকে প্রীণিত করো। দেবগণের যে কল্যাণময়তা আছে, তার সবই আমাদের হোক; (অর্থাৎ দেবগণ তাদের কল্যাণশক্তির দ্বারা আমাদের কল্যাণ সাধন করুক)। কল্যাণযুক্ত পুত্র প্রাপ্ত হয়ে যজ্ঞে আমরা মহৎ মন্ত্র উচ্চারণ করব। যে বিশ্বকর্মা প্রাণীবর্গকে সংহার করে, যে আমাদের পালন করে, হে অন্নপালক দেব! সেই তুমি আমাদের অন্ন প্রদান করো। য ইমা (১৭।১৭), বিশ্বকর্মা (১৭।২৬), যো নঃ পিতা (১৭।২৭) এবং অন্নপতে (১১।৮৩) মন্ত্রে কথিত হয়ে গিয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়
    Next Article সামবেদ-সংহিতা (বঙ্গানুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দুর্গাদাস লাহিড়ী

    কৃষ্ণ যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    August 28, 2025
    দুর্গাদাস লাহিড়ী

    সামবেদ-সংহিতা (বঙ্গানুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }