Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    দুর্গাদাস লাহিড়ী এক পাতা গল্প719 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. শুক্লযজুর্বেদ – অষ্টম অধ্যায়

    অষ্টম অধ্যায়

    মন্ত্রঃ– উপযামগৃহীতোহস্যাদিত্যেভ্য স্থা। বিষ্ণু উরুগায়ৈষ তে সোমস্তং রক্ষস্ব মা ত্বা দভ৷৷১। কদাচন স্তরীরসি নেন্দ্র সশ্চসি দাশুষে। উপোপেনু মঘর ভূয় ইনু তে দানং দেবস্য পৃচ্যত আদিত্যেভ্যস্তৃা।।২।। কদাচন প্র যুচ্ছস্যুভে নি পাসি জন্মনী। তুরীয়াদিত্য সনং ত ইন্দ্রিয়মাতস্থামৃতং দিব্যাদিত্যেভ্যস্থা৷৷৩৷ যজ্ঞো দেবানাং প্রত্যেতি সুম্নমাদিত্যাসো ভবতা মৃডয়ন্তঃ। আ বোহবাচী সুমতিবৃত্যাদংহোশ্চিদ্বা। বরিবোবিত্তরাসদাদিত্যেভ্যা৷৷৷৷ বিবস্বন্নাদিত্যৈষ তে সোমপীথস্তস্মিন্ মৎস্ব। শ্ৰদস্মৈ নয়র বচসে দধাতন যদাশীদা দম্পতী বামমতঃ। পুমা পুত্রো জায়তে বিন্দতে বস্বধা বিশ্বাহারপ এধতে গৃহে৷৷৫৷৷ বামমদ্য সবিতর্বামমু শো দিবে দিবে বামমম্মুভ্যং সাবীঃ। বামস্য হি ক্ষয়স্য দেব ভূরেরয়া ধিয়া বামভাজঃ স্যাম।।৬৷৷ উপমগৃহীতোহসি সাবিত্রোহসি চনোধানোধা অসি চনো ময়ি ধেহি। জিম্ব যজ্ঞং জিন্ন যজ্ঞপতিং ভগায় দেবার ত্বা সবিত্রে৷৷৷৷ উপযামগৃহীতোহসি সুশর্মাহসি সুপ্রতিষ্ঠানো বৃহদুক্ষায় নমঃ। বিশ্বেত্ত্বা দেবেভ্য এষ তে যোনির্বিশ্বেভ্যত্ত্বা দেবেভ্যঃ৷৷৷৷ উপযামগৃহীতোহসি বৃহস্পতিসুতস্য দেব নোম ত ইন্দোরিন্দ্রিয়াবতঃ পত্নীবততা গ্রহ ঋধ্যাস। অহং পরস্তাদহমবস্তাদ্বদন্তরিক্ষং তদু মে পিতাহভূৎ। অহং সূর্যমুভয়তো দদর্শহাং দেবানাং পরমং গুহা যৎ।৯। অগ্না ই পত্নীবন্তসজুদেবেন ত্বা সোমং পিব স্বাহা। প্রজাপতিবৃষাহসি রেতোধা রেতো ময়ি ধেহি প্রজাতেন্তে বৃষ্ণো রেতোধসো রেতোধামশীয়।১০৷ উপযামগৃহীতোহসি হরিরসি হারিযোজনো হরিভ্যাং ত্বা। হর্যোধানা স্থ সহসোমা ইন্দ্রায়৷৷১১৷ যস্তে অশ্বসনির্ভক্ষো যো গোসনিস্তস্য ত ইষ্টযজুষ স্তুতন্তোমস্য শস্তোথস্যোপহৃতস্যোপহুতো ভক্ষয়ামি।১২। দেবকৃতস্যৈনসোহবজনমসি। মনুষ্যকৃতস্যৈনসোহবজনমসি। পিতৃকৃতস্যৈনসোহবজনমস্যা-অকৃতস্যৈনসোহবজনমস্যেনস এনসোহবজনমসি। যচ্চাহমেননা বিদ্বাশ্চকার যচ্চাবিদ্বাস্তস্য সর্বস্যৈনসোহবযজনমসি৷৷১৩৷ সং বসা পয়সা সং তনুভিরগন্মহি মনসা সং শিবেন। ত্বষ্টা সুদত্রো বিদধাতু রায়োহনুমাষ্ঠু তন্বে যদ্বিলিস্টম৷১৪। সমিন্দ্র নোমনসা নেষি গোভিঃ সংসূরিভিমঘবন্তং স্বস্ত্যা। সংব্ৰহ্মণা দেবকৃতং যদস্তি সং দেবানাং সুমতৌ যজ্ঞিয়ানাং স্বাহা।১৫৷৷ সং বচসা পয়সা সং তনুভিরগন্মহি মনসা সং শিবেন। ত্বষ্টা সুদত্রো বি দধাতু রায়োহনুমাঞ্জু তন্বে যদ্বিলিস্ট৷৷১৬৷ ধাতা রাতিঃ সবিতেদং জুষাং প্রজাপতিনিধিপা দেবো অগ্নিঃ। ত্বষ্টা বিষ্ণুঃ প্রজয়া সংররাণা যজমানায় দ্রবিণং দধাত স্বাহা।১৭৷ সুগা বো দেবাঃ সদনা অকর্ম য আজম্মেদং সবনং জুষাণাঃ। ভবমাণা বহমানা হবীংষ্যষ্মে ধৰ্ত্ত বসবো বসূনি স্বাহা।।১৮৷৷ যাঁ আহবহ উশতো দেব দেবস্তা প্রেরয় স্বে অগ্নে সধস্তে। জক্ষিবাংসঃ পপিবাচসশ্চ বিশ্বেহসুং ধর্মং স্বরাতিষ্ঠাতানু স্বাহা।১৯৷৷বয়ংহি ত্বা প্রতি যজ্ঞে অস্মিন্নয়ে হোরমবৃণীমহীহ। ঋধগয়া ঋধগুতাশমিষ্ঠাঃ প্রজান যজ্ঞমুপ যাহি বিদ্বান্তস্বাহা।।২০৷৷ দেবা গাতুবিদো গাতুং বিত্ত্বা গাতুমিতো। মনসম্পত ইমং দেব যজ্ঞং স্বাহা বাতে ধাঃ৷৷২১৷ যজ্ঞ যজ্ঞং গচ্ছ যজ্ঞপতিং গচ্ছ স্বাং যোনিং গচ্ছ স্বাহা। এষ তে যজ্ঞো যজ্ঞপতে সহসূক্তবাকঃ সর্ববীরস্তং জুষস্ব স্বাহা।।২২৷৷ মাহির্ভূৰ্মা পৃদাকুঃ। উরুং হি রাজা বরুণশ্চকার সূর্যায় পন্থমন্বেতবা উ। অপদে পাদা প্রতিধাতবেহকরুতাপবক্তা হৃদয়াবিধশ্চিত্। নমো বরুণায়াভিষ্ঠিততা বরুণস্য পাশঃ৷৷২৩৷৷ অষ্মেরনীকমপ আ বিবেশাপাংনপাত্ প্রতিরক্ষন্নসূর্য। দমেদমে সমিধং যক্ষ্যগ্নে প্রতি তে জিহ্বা ঘৃতমুচ্চরণ্য স্বাহা।।২৪৷৷ সমুদ্র তে হৃদয়মস্বন্তঃ সং ত্বা বিশন্তোষধীরূপঃ যজ্ঞস্য ত্বা যজ্ঞপতে সুক্তোক্তৌ নমোবাকে বিধেম যৎ স্বাহা।২৫৷ দেবীরাপ এষ বো গর্ভস্তং সুপ্রীতং সুভৃতং বিভৃত। দেব সোমৈষ তে লোকস্তস্মিথুং চ বক্ষ পরি চ ব ৷৷২৬া৷ অবভৃথ নিচুম্পূণ নিচেরুরসি নিচুম্পুণঃ। অব দেবৈদেবকৃতমোনোহয়াসিষমব মর্ত্যেমত্যকৃতং পুরূরাবেণা দেব রিষম্পাহি। দেবানাং সমিসি৷৷২৭৷৷ এজতু দশমাস্যো গর্ভো জরায়ুণা সহ। যথাহয়ং বায়ুরেজতি যথা সমুদ্র এজতি। এবায়ং দশমাস্যো অজ্জরায়ুণা সহ৷৷২৮৷ যস্যৈ তে যজ্ঞিয়ো গর্ভো যস্যৈ যোনিহিরণ্যয়ী। অঙ্গান্যতা যস্য তং মাত্রা সমজীগমং স্বাহা।।২৯৷৷ পুরুদস্মো বিষ্ণুরূপ ইন্দুরন্তমহিমানমানঞ্জ ধীরঃ। একপদীং দ্বিপদীং ত্রিপদীং চতুষ্পদীমষ্টাপদীং ভুবনানু প্রথন্তাং স্বাহা।।৩০৷৷ মরুততা যস্য হি ক্ষয়ে পাথা দিবো বিমহসঃ। স সুগোপাতমো জনঃ ॥৩১৷ মহী দ্যোঃ পৃথিবী চনইমং যজ্ঞং মিমিক্ষতা। পিতৃতাং নো ভরীমভিঃ।।৩২। আ তিষ্ঠ বৃহথং যুক্তা তে ব্ৰহ্মণা হরি। অর্বাচীনং সু তে মনো গ্রাবা কৃণোতু বরুনা। উপযামগৃহীতোহসীন্দ্রায় বা যোড়শিন এষ তে যোনিরিন্দ্রায় ত্বা যোড়শিনে৷৷৩৩। যুহ্মা হি কেশিনা হরী বৃষণা কক্ষা। অথা ন ইন্দ্র সোমপা গিরামুপতিং চর। উপযামগৃহীতোহসীন্দ্রায় ত্বা ঘোড়শিন এষ তে যোনিরিদ্ৰায় ত্বা ঘোড়শিনে।।৩৪৷ ইন্দ্ৰমিদ্ধরী বহতোহপপ্রতিধৃষ্টশবস। ঋষীণাং চ। স্তুতীরূপ যজ্ঞং চ মানুষাণা। উপযামগৃহীতোহসীন্দ্রায় ত্বা যোড়শিন এষ তে যোনিরিদ্ৰায় ত্বা ষোড়শিনে৷৷৩৫৷৷ যস্মান্ন জাতঃ পরো অনন্যা অস্তি য আবিবেশ ভূবনানি বিশ্বা। প্রজাপতিঃ প্রজয়া সংররাণস্ত্রীণি জ্যোতীংষি সচতে স ষোড়শী।।৩৬৷৷ ইন্দ্ৰশ্চ সম্রাবরুণ রাজা তৌ তে ভক্ষং চক্ৰতুর এতম্। তয়োরহমনু ভক্ষং ভক্ষয়া ম বাদেবী জুষাণা সোমস্য তৃপ্যতু সহ প্রাণেন স্বাহা৷৷৩৭৷ অগ্নে পবস্ব স্বপা অম্মে বৰ্চঃ সুবীর্য। দধদ্রয়িং ময়ি পোষ। উপযামগৃহীতোহস্যষ্ময়ে ত্বা বৰ্চস এষ তে যোনিরগয়ে ত্বা বসে। অগ্নে বৰ্চস্বিন্বষাং দেবেম্বসি বনহং মনুষ্যে ভূয়াস৷৷৩৮৷ উত্তিষ্ঠাজসা সহ পীত্বী: শিপ্রে অবেপয়ঃ। সোমমিন্দ্র চক্ষু সুত। উপযামগৃহীতোহসীন্দ্রায় হৌজসে। এষ তে যোনিরিন্দ্রায় জসে। ইন্দ্রোজিষ্ঠেীজিষ্ঠং দেবোসস্যাজিষ্ঠোহহং মনুষ্যেষু ভূয়াস৷৩৯। অদৃশ্ৰমস্য কেতবো বি রশ্ময়ো জনা অনু। ভ্রাজন্তো অগ্নয়ো যথা। উপমহীতোহসি সূর্যায় ত্ব ভাজায়ৈষ তে যোনিঃ সূর্যায় ত্বা ভ্রাজায়। সূর্য ভ্রাজিষ্ঠ ভ্রাজিষ্ঠস্তুং দেবেসি ভ্রাজিষ্ঠোহহং মনুষ্যেষু ভূয়াস৷৷৪০৷ উদু ত্যং জাতবেদসং দেবং বহন্তি কেতবঃ। দৃশে বিশ্বায় সুর্য। উপযামগৃহীতোহসি সূর্যায় ত্বা ভ্রাজায়ৈষ তে যোনিঃ সূর্যায় ত্বা। ভাজায়।৪১। আ জিম্ৰ কলশং মহ্যাঁ ত্বা বিশবিঃ । পুনরূজা নি বর্তস্ব সা নঃ সহস্রং ধুহ্মোরুধারা পয়স্বতী পুনৰ্মা বিশতাদ্রয়িঃ৷৪২৷৷ ইড়ে রন্তে হব্যে কাম্যে চন্দ্রে জ্যোতেহদিতে সরস্বতি মহি বিশ্রুতি। এতা তে অয়ে নামানি দেবেভ্যো মা সুকৃতং ক্ৰয়াৎ।।৪৩৷৷ বিন ইন্দ্ৰ মৃধো জহি নীচা যচ্ছ পৃতন্যতঃ। যো অশ্ম অভিদাসত্যধ্বরং গময়া তমঃ উপযামগৃহীতোহসীন্দ্রায় ত্বা বিমৃধ এষ তে যোনিরিন্দ্রায় ত্বা বিমৃধে৷৷৪৪৷৷ বাচস্পতিং বিশ্বকর্মাণমূতয়ে মনোজুবং বীজে অদ্যা হুমেব। সা নো বিশ্বানি হবনানি জোষদ্বিশ্বশরবসে সাধুকর্মা। উপমগৃহীতোহসীন্দ্রায় জ্বা বিশ্বকর্মণ এষ তে যোনিরিন্দ্রায় ত্বা বিশ্বকর্মাণে৷৷৪৫৷৷ বিশ্বকর্ম হবিষা বর্ধনেন ত্রাতারমিন্দ্রমকৃণো রবধ্ব। তস্মৈ বিশঃ সমনমন্ত পূবীরয়মুগ্রো বিহবব্যা যথাহসৎ। উপযামগৃহীতোহসীন্দ্রায় ত্বা বিশ্বকর্মণ এষ ত যোনিরিদ্ৰায় ত্বা বিশ্বকর্মণে৷৷৪৬৷৷ উপযামগৃহীতোহস্যগয়ে ত্বা গায়ত্রছন্দসং গৃহ্রামীন্দ্রায় ত্রিষ্টুচ্ছুন্সং গৃহ্রামি। বিশ্বোভ্যস্খা দেবেভ্যো জগচ্ছন্দসং গৃহূম্যনুপ্তেহভিগরঃ।।৪৭৷ ব্রেশীনাং ত্বা পত্মন্না। ধূনোমি কুকুননানাং বা পত্মন্না ধূনোমি ভন্দনানাং ত্বা পত্মন্না ধূনোমি মদিন্তমানাং ত্ব পত্মন্না ধূনোমি। মধুমানাং ত্বা পত্মন্না ধূনোমি। শুক্রং ত্বা শুক্র ধূনোমদ্যে রূপে সূর্যস্য রশ্মিষু৷৷৪৮। ককুভং রূপং বৃষভস্য বোচতে বৃহচ্ছুক্রঃ শুক্ৰস্য পুরোগাঃ সোমঃ সোমস্য পুরোগঃ। যত্তে সোমাদাভ্যং নাম জাগৃবি তস্মৈ স্বা গৃমি তস্মৈ তে সোম সোমায় স্বাহা।।৪৯৷ উশি ত্বং দেব সোমাগ্নেঃ প্রিয়ং পাথোহপীহি। বশী ত্বং দেব সোমেন্দ্রস্য প্রিয়ং পাথোহপীহ্যম্মৎসখা ত্বং দেব সোম বিশ্বেষাং দেবানাং প্রিয়ং পাথোহপীরি৷৫০]। ইহ রতিরিহ রমমিহ ধৃতিরিহ স্বধৃতিঃ স্বাহা। উপসৃজন্ ধরুণং মাত্রে ধরুণণা মাতরং ধয়ন। রায়ম্পোষমস্মাসু দীধর স্বাহা।৫১৷ সত্ৰস্য ঋদ্ধিরস্যগন্ম জ্যোতিরমৃতা অভূম। দিবং পৃথিব্যা অধ্যাহরূহামাবিদাম দেবাস্বর্জোতিঃ৫২৷৷ যুবাং তমিাপর্বর্ত পুরোষুধা যো নঃ পৃতন্যাদপ তং তমিদ্ধতং বজ্রেণ তং তমিন্ধত। দূরে চত্তায় ছন্তসগহনং যদিনক্ষত্। অস্মাকং শক্রপরি শূর বিশ্বততা দর্মা দর্ষীষ্ট বিশ্বতঃ। ভূর্ভুবঃ স্বঃ সুপ্রজাঃ প্রজাভিঃ স্যাম সুবীরা বীরৈঃ সুপোষা, পৌষৈঃ ৫৩৷ পরমেষ্ঠ্যভিধীতঃ প্রজাপতিবাচি ব্যাহৃতায়ামন্ধো অচ্ছেতঃ। সবিতা সন্যাং বিশ্বকর্মা দীক্ষায়াং পূষা সোমক্রয়ণ্যাম্৷৷৫৪৷৷ ইন্দ্ৰশ্চ মরুতশ্চ ক্ৰয়ায়োপোথিতোহসুরঃ পণ্যমাননা। মিত্রঃ ক্রীত। বিষ্ণুঃ শিবিবিষ্ট উরাবাসন্নঃ বিষ্ণুর্ণন্ধিষঃ প্রোহ্যমাণঃ।।৫৫৷৷ প্ৰাহ্যমাণঃ সোম আগততা বরুণ। আসন্দ্যামাসগন্নাহগ্নিরাগ্নী। ইন্দ্রো হবির্ধানেহথর্বোপাবহ্রিয়মাণঃ ৫৬৷ বিশ্বে দেবা আশুষু প্তো বিষ্ণুরাপীতপা আপ্যায্যমাননা। যমঃ সূয়মানো বিষ্ণুঃ সম্রিয়মাণো বায়ুঃ পূয়মানঃ শুক্রঃ পূতঃ শুক্রঃ ক্ষীরশ্রীমন্থীসঙ্কুশ্রীঃ।৫৭৷ বিশ্বে দেবাশ্বমসেমুন্নীত হসুহোমায়োদ্যতো রূদ্রো হুয়মাননা বাতো ইভ্যাবৃত্তো নৃচক্ষাঃ প্ৰতিখ্যাতো ভক্ষো ভক্ষ্যমাণঃ পিতরো নারাশংসাঃ৫৮। সন্নঃ সিন্ধুরভৃথায়োদ্যতঃ সমুদ্রোহভ্যবহ্রিয়মাণঃ সলিলঃ প্ৰপ্লতে যযোরোজসা ভিতা রাজাংসি বীর্যেভিীরতমা শবিষ্ঠা। যা পত্যেতে অপ্রতীতা সহোবির্ধিষ্ণু অগম্বরূণা পূর্বহূতৌ।।৫৯৷ দেবান্দিবমগন্যজ্ঞস্ততো মা দ্রবিণমষ্ট্রমনুষ্যানন্তরিক্ষমগন্যজ্ঞস্ততো মা দ্রবিণমষ্ঠু পিতৃণ পৃথিবীমগন্যজ্ঞস্ততো মা দ্রবিণমন্টু যং কং নোকমগ যজ্ঞস্ততে মে ভদ্রমভূৎ৬০৷ চতুস্ত্রিংশত্তন্তবো যে বিতত্নিরে ইমং যজ্ঞং স্বধয়া দদন্তে। তেষাং ছিন্নং সম্বেতমি স্বাহা ধর্মো অপপ্যতু দেবান্।।৬১৷ যজ্ঞস্য দোহো বিততঃ পুরুত্ৰা সো অষ্টধা দিবমাততান। স যজ্ঞ ধুক্ষ মহি মে প্রজায়াং রায়ম্পোষং বিশ্বমায়ুরশীয় স্বাহা।।৬২। আ পবস্ব হিরণ্যবদশ্ববৎসোম বীরবৎ। বাজং গোমমা ভর স্বাহা।।৬৩৷৷

    [কাণ্ড-৬৩, মন্ত্র সংখ্যা-১৫০]

    .

    মন্ত্ৰার্থঃ– (এই অষ্টম অধ্যায়ে তৃতীয় সবনে উপযোগী আদিত্যগ্রহ প্রভৃতি গ্রহগণকে গ্রহণ করার মন্ত্র বলা হচ্ছে। দুজন দুজন দেবগণের সহহোমের নিমিত্ত প্রতিপ্রস্থতা নামক ঋত্বিজ দ্রোণ কলশের দ্বারা আদিত্যগ্রহতে। সোমরস ভরবেন। প্রতিপ্রস্থাতা)

    ১। হে সোমরস! তোমায় উপযাম পাত্র দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে (এরপর সে দ্বিদেবত্য আহুতিগুলিকে অগ্নিতে নিক্ষেপ করে)। তারপর সে এই মন্ত্রাংশের দ্বারা হুতশেষ সোমরসকে একটি পাত্রে ঢেলে দেয় এবং সেটিকে আদিত্যস্থালী দ্বারা ঢোক রেখে দেয়। হে সোমরস! অদিতির পুত্র দ্বাদশ আদিত্যের জন্যে আমি তোমায় এই স্থালী-তে আসিঞ্চিত করি। হে উরুক্ৰম বিষ্ণো! এই তোমার সোমরস। তুমি একে রাক্ষসাদির থেকে রক্ষা করো। হে সোমরস! এবার তোমায় রাক্ষসাদি হিংসিত করতে পারবে না৷

    ২। হে ইন্দ্র! (= আদিত্য) তুমি কখনও হিংসক হওনা। তুমি হবিদাতা যজমানের হবিরন্নের সাথে সদাই সঙ্গত থাকো। হে ধনবান ইন্দ্র! তোমার অধিকাধিক দান আমরা প্রাপ্ত হয়েই থাকি। হে সোমরস! আমি তোমায় আদিত্যগণের জন্যেই গ্রহণ করছি।

    ৩। এই নিম্ন যজুঃ কে পাঠ করে পূতভৃদ ঘটের দ্বারা সোমরসকে আদিত্য গ্রহে পুনরায় ভরবেন)। হে আদিত্য! তুমি কখনও প্রমাদ করো না। তুমি দেব-মানবের রক্ষা করে থাকো। হে আদিত্য! এই তৃতীয় সবণগত বলকারী সোমরস তোমারই নিমিত্ত বেদিতে স্থিত করা হয়েছে। তোমার অমৃত স্বরূপ দুলোকে অবস্থিত। হে সোমরস! আমি তোমায় আদিত্যগণের জন্যে গ্রহণ করছি।

    ৪। আদিত্যগ্রহতে পরিপূর্ণ যে সোমরস, (সেটিকে দৈ-এর সাথে মেশান) দেবগণের সুখের নিমিত্ত যজ্ঞ প্রবর্তিত হয়ে থাকে। হে আদিত্যগণ! তোমরা আমাদের সুখ প্রদান করতে থাকো আর অবস্থান করো। হে দেবগণ! তোমাদের অনুগ্রহাত্মিকা বুদ্ধি আমাদের দিকে অভিমুখী হোক। তোমাদের যে অনুগ্রহপরা বুদ্ধি বর্তমান, সেটি যেন পাপীকে অত্যন্ত ধনবান না করে। হে সোমরস! আমি আদিত্যগণের জন্যেই তোমায় দৈ বা দধি দ্বারা মিশ্রিত করছি।

    ৫। (পাথর দিয়ে প্রতিস্থাতা দৈ আর সোমরসকে মিশ্রিত করবেন)। হে অন্ধকারনাশক আদিত্য! এই তোমার পান করবার দধিমিশ্রিত সোমরস। তুমি এতে পূর্ণরূপে তৃপ্ত হও (আনন্দে দধি-পান করো)। (এরপর যজমানের স্ত্রী পূতভৃদ ঘটটি অবলোকন করবেন এবং ঋত্বিজগণকে বলবেন–) হে আশীর্বাদদানে সমর্থ ব্ৰহ্মাদি ঋত্বিজগণ! তোমরা সবাই এবার আমার আশীর্বাণীতে শ্রদ্ধা ধারণ করো (= এই দৃঢ় বিশ্বাসী হও যে এই যজমান পত্নী যা কিছু চাইবে আমরা আশীঃ রূপে সেটাই তাকে প্রদান করবো)। এই যজমান পতি-পত্নী যেন বরণীয় ধনভোগ করতে পারে। পুরুষত্বোপেত পুত্র যেন এদের থেকে উৎপন্ন হয়। সেই পুত্র যেন বিপুল ধন প্রাপ্ত করে। ধনপ্রাপ্তির পর সে সদাই আপন গৃহে বাস করে পুত্রধনাদির দ্বারা অভিবৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়।

    ৬। (সায়ংসবনের পুরোডাশ-ইডা ভক্ষণ করে এবং সব সম্পর্কিত শেষ কর্ম সমাপ্ত করে পুনরায় উপাংশু বা অন্তর্যামগ্ৰহ এদের মধ্যে কোন একটি দ্বারা সবিতাদেবের সোমাংশ গ্রহণ করবে)। হে, সবিতাদেব! আমরা যেন আজ বরুণীয় ধনপ্রাপ্ত হই। সেই স্পৃহনীয় ধন যেন আমরা কালও প্রাপ্ত হই এবং হে সবিতাদেব! তুমি আমাদের দিনে দিনে স্পৃহণীয় ধন,বরণীয় ধন প্রসূত করাও। হে সবিতাদেব! আর অধিক কি? আমরা (যেন) অত্যধিক ধনে পরিপূর্ণ গৃহের স্বামী হতে পারি। হে দেব! আমরা যেন আমাদের এই স্তুতির দ্বারা ধনভাক্ হতে পারি।

    ৭। হে সোমরস! তোমায় উপযাম পাত্রের দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে। তুমি সবিতাদেবের পেয়াংশ এবং অন্নদাতা। হে অন্নদাতা! তুমি আমাদের অন্ন প্রদান করো। হে সোমরস! তুমি এই যজ্ঞকে দেবগণের কৃপাপ্রাপ্তির যোগ্য করে তোল এবং যজ্ঞস্বামী যজমানকে প্রসন্ন করো। হে সোমরস! আমি তোমায় ঐশ্বর্যবান্ সবিতাদেবের জন্যে গ্রহণ করছি।

    ৮। (পান না করা সাবিত্রগ্রহ থেকে অধ্বর্যু পূতভৃদ ঘটের দ্বারা মহাবৈশ্বদেব গ্রহে সোমরসকে গ্রহণ করবে)। হে বৈশ্বদেবগ্রহে অবস্থিত সোমরস! তোমায় উপমপাত্রের দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে। তুমি সুষ্ঠু সুখদাতা এবং সুন্দররূপে স্থিত। অথবা সুশর্মা-সুপ্রতিষ্ঠান প্রাণরূপ (তৈ. সং ৪/৪/১/১৪) রূপে অভিহিত। বৃহৎ সেক্তা (= প্রজাপতি) কে নমস্কার। হে সোমরস! আমি তোমায় বিশ্বদেবগণের জন্যে গ্রহণ করছি। এই তোমার স্থান। বিশ্বদেবগণের নিমিত্ত আমি তোমায় এই বেদীতে প্রতিষ্ঠিত করছি।

    ৯। (উপাংশু বা অন্তর্যামগ্রহের দ্বারা প্রতিস্থাতা পত্নীবগ্রহকে গ্রহণ করবেন)। হে সোমরস! তোমায় উপযামপাত্রের দ্বারা গৃহীত বা গ্রহণ করা হয়েছে। হে আহ্লাদক সোমরস! যজ্ঞস্বামী যজমানের দ্বারা অভিষুত বীর্যশালী তথা পত্নীবৎ গ্রহগণকে আমি সমৃদ্ধি প্রদান করি–ভরে দেই। (এরপর প্রতিস্থাতা প্রচরণীবার দ্বারা অবশিষ্ট ঘৃত দিয়ে পত্নীবৎগ্রহে স্থিত সোমরসটি মিশ্রিত করবেন)। (মন্ত্রদ্রষ্টা ঋষি) পর = ঊর্ধ্বলোক আমিই প্রাপ্ত করেছি এবং অধোলোকগত পৃথিবী আদি আমারই স্বরূপ। এই যে অন্তরিক্ষ (= দ্যুলোক) রয়েছে, সেই আমার পিতা হয়েছিল। আমি সূর্যকে দুই দিক থেকেই দেখেছি। দেবগণের অবস্থিতি যে পরমগুহায় (= ইন্দ্রিয়স্থান ব্রহ্মগুহায়)–আমি সেটিও দেখেছি।

    ১০। (মন্ত্রটি পাঠ করে পত্নীবগ্রহের দ্বারা অগ্নির উত্তরভাগে হোম করবে)। হে পত্নী দ্বারা যুক্ত অগ্নে! তুমি ত্বষ্টাদেবের সাথে প্রীতিভাব প্রাপ্ত হয়ে এই সোমরস পার করো। এটি তোমার জন্যে সোমরসের আহুতি। (এরপর নেষ্টা নামক ঋত্বিজ যজমানের স্ত্রীকে পশ্চিমদ্বারে এনে উদ্গাতা ঋত্বিজের উত্তর দিকে উপবেশন করিয়ে দেবেন। তাকে বলবেন উদ্গাতাকে অবলোকন করতে। পত্নী উদ্গাতাকে অবলোকন করতে করতে এই যজু কে বলবেন–) হে উদ্গাতর! সন্তানদের স্বামী তুমি বীর্যধারণকর্তা হে বীর্যধারক ঋত্বিজ! তুমি আমার মধ্যে বীর্যকে ধারিত করো। আমি, তুমি, প্রজাপতি, সেক্তা এবং বীর্যধারকের বীর্যের দ্বারা যেন আমি বীর্যধারী পুত্র প্রাপ্ত হই৷৷

    ১১। (আগ্রয়ণঘটের দ্বারা হারিযোজন গ্রহকে ভরুন)। হে সোমরস! তোমায় উপযাম পাত্রের দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে। তুমি হরিতবর্ণের। তুমি হরি অশ্বগণকে স্বস্থতে সংযোজনকারী ইন্দ্রের ভাগ। হে সোম! আমি তোমায় ঋক্ সাম মন্ত্রাদির জন্যে গ্রহণ করছি। হে দগ্ধ যবগণ! তুমি ইন্দ্রের হরি অশ্বের খাদ্যাংশ স্বরূপ। তুমি সোমরসের সাথে হরি অশ্বগণের নিমিত্ত (ভোগরূপ) হও। অথবা সোমের সাথে ইন্দ্রের খাদ্য হও।

    ১২। (সকল ঋত্বিজগণ দগ্ধ যবগুলি নিয়ে এবং সেগুলির আঘ্রান গ্রহণ করে উত্তরবেদিতে অর্পণ করবেন) হে সযব (যবসংযুক্ত) সোমরস! তোমাদের এই সবগুলি দেবগণের দ্বারা ভক্ষণ হবে, অশ্ব এবং গাভীদের দেওয়া হবে। যজুগণের দ্বারা প্রীয়মান, উদ্গাতাগণের দ্বারা স্তুত্য, হোতা ঋত্বিজগণের দ্বারা প্রশস্যমান এবং অনুজ্ঞাত দ্বারা অনুজ্ঞায়মান আমি, তোমার সেই ভক্ষ্যবস্তুটিকে ভক্ষণ  করি।

    ১৩। সকল ঋত্বিকগণ ছয়টি ছয়টি করে স্তম্ভ খণ্ডকে অগ্নিতে নিক্ষেপ করবেন। হে ঘূপখণ্ড! দেবগণের মধ্যে যজ্ঞাদি না করে যে পাপ করা হয়েছে–তুমি সেই পাপের বিনাশকর্তা। মনুষ্যগণের মধ্যে নিন্দা আদি পাপের তুমি বিনাশক। পিতৃপুরুষগণকে পিণ্ডদানাদি না প্রদান করা হেতু পাপের তুমি বিনাশক। স্বয়ং আপন নিন্দা-শ্লাঘা জনিত পাপের তুমি বিনাশক। অন্য যাবতীয় প্রকার পাপেরও তুমি নাশক। আমার জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে কৃত সকল প্রকার পাপের তুমি বিনাশক।

    ১৪। (চাতালে রাখা জলপূর্ণ ঘটগুলিকে সেগুলির চমসের দ্বারা স্পর্শ করে)। আমার ব্রহ্মবৰ্চস, পুষ্টি শারীরিক অবয়ব এবং শুভ মনের দ্বারা যেন সঙ্গতিপ্রাপ্ত হই। সুদাতা ত্বষ্টাদেব আমাদের ধনের বিধান করো এবং সেটি আমাদের শরীরে যে পাপ বা শিথিলতা-বিকতা বিদ্যমান রয়েছে, সেগুলি যেন দূর করে৷

    ১৫। এই যজুগুলির দ্বারা সমষ্টযজু সংজ্ঞক নব আহুতিগুলির হোম করে বলবেন– ইন্দ্র! মঘবন্! তুমি আমাদের শুভ, মনোকামনা, গাভীগণ, বিদ্বানগণের সর্বপ্রকার স্বপ্তি (= কল্যা (গো) মন্ত্র, দেবগণের নিমিত্ত যজ্ঞ (যজ্ঞফল) এবং যজনীয় দেবগণকে সবুদ্ধি দ্বারা সংযোজিত করে থাকো। এই তোমার জন্যে আহুতি। (প্রথম আহুতি প্রদান করবে)।

    ১৬। আমরা ব্রহ্মবৰ্চস, জল, শরীর, পুষ্টি এবং শুভ মনের দ্বারা সঙ্গত হই। সুদাতা ত্বষ্টাদেব যেন আমাদের জন্যে ধনের বিধান দেন এবং শরীরের যা কিছু পাপ বা শৈথিল্য আছে–সেটিকে দূরীভূত করে। (এরপর দ্বিতীয় আহুতি প্রদান করবে) ॥

    ১৭। দানশীল ধাতা, সবিতা, ধনের পালক প্রজাপতি এবং দ্যুতিমান অগ্নি এই যজ্ঞ যেন সেবন করেন। ত্বষ্টাদেব এবং প্রজার অত্যন্ত দানে সমৃদ্ধ বিষ্ণু যজমানের জন্যে ধন বিহিত করবেন (= দেবেন)। এটিই আহুতি। (এরপর তৃতীয় আহুতি দেবে)।

    ১৮। আমাদের এই সবন (= যজ্ঞ)-কে প্রীয়মান করে তুমি যে এখানে আগমন করেছে–তাই আমি তোমাদের সবার জন্যে সুগমতার দ্বারা প্রাপ্য উপবেশনের স্থানগুলি নির্মাণ করছি। হে উপবেশনকারী দেবতাগণ! হবিগণকে বহনকারী এবং হবিগণকে স্বমুখাদিতে ভরে গমনকারী তোমরা সবাই আমাদের জন্যে ধনসমূহকে ধারণ করো। এই তোমার জন্যে হবি। (এই মন্ত্রের দ্বারা চতুর্থবার আহুতি দেওয়া উচিত)

    ১৯। হে দ্যুতিমান অগ্নি! হরিগণের কামনাকারী যে দেবতাগণকে হবি গ্রহণ করার জন্যে তুমি এখানে আমাদের মনে নিয়ে এসেছিলে–সেই সবাইকে এবার তুমি তাদের আপন-আপন ঘরে যাওয়ার জন্যে প্রেরিত করো। চরু এবং পুরোডাশ আদি হবিকে ভক্ষণ করেছে এবং সোমরস প্রকৃতি হবি পান করে সেই সব দেবতাগণ যেন বায়ু, আদিত্য তথা দ্যুলোকে যথাযোগ্য প্রস্থান করেন। তাদের সবার জন্যে এই আহুতি (এই মন্ত্র দ্বারা পঞ্চম আহুতি প্রদান করা উচিত)।

    ২০। হে অগ্নে! আমরা তোমায় এখানে এই যজ্ঞে হোতা (= দেবগণের আহ্বায়ক বা হোমনিস্পাদক) রূপে বরণ করেছিলাম। হে অগ্নে! তুমি যজ্ঞে সমৃদ্ধির অনুকূলে দেবতাদের যাজন করেছে এবং তার সাথে যজ্ঞের প্রকরণে ঘটিত ত্রুটি-বিচ্যুতিও তুমি যথাবৎ প্রশমিত করেছে। এবার আমাদের এই যজ্ঞ সম্পূর্ণ জেনে তুমি এবার স্বগৃহে পদার্পণ করো। এই তোমর জন্যে আহুতি। (এই মন্ত্র পড়ে যষ্ঠ আহুতি প্রদান করবে) ৷৷

    ২১। যজ্ঞকে সমাপ্ত বলে জ্ঞাত হওয়া হে দেবগণ! তোমরা যজ্ঞ সমাপ্ত জেনে এবার স্ব-স্ব স্থানে প্রস্থান করো। হে আমাদের মনে বিদ্যমান যজ্ঞের সংকল্প চরিতার্থকারী প্রজাপতি! আমি এই যজ্ঞ তোমার হস্তে সমর্পণ করছি। তুমি একে বায়ুতে ধারণ করে। এটি তোমার জন্যে আহুতি। (এই মন্ত্র পড়ে সপ্তমবার আহুতি প্রদান করবে)।

    ২২। হে যজ্ঞ! তুমি আপন প্রতিষ্ঠা (= স্থিতি) র জন্যে যজ্ঞের দেবতা বিষ্ণুকে সপ্রাপ্ত হও। আপন উৎপত্তির নিমিত্তভূত এবং ক্রিয়াশক্তির মূল বায়ুকে তুমি সপ্রাপ্ত হও। এটি তোমার আহুতি (এই যজুঃ পাঠ করে অষ্টম আহুতি দেওয়া উচিত)। স্তোত্ৰস্তব সহিত এবং চরু-পুরোডাশ, সোমরস এবং বধ্যপশু রূপী বীরগণের দ্বারা। যুক্ত। এই যজ্ঞ–এবং হে যজ্ঞের স্বামী যজমান! এটি তোমারই। তুমি এটিকে প্রীতির সাথে সেবন করো। এটি আহুতি স্বরূপ। (এই যজুষ দ্বারা নবম আহুতি প্রদান করা উচিত)

    ২৩।(এবার এই মন্ত্র দ্বারা যজমান আপন হস্তে ধারণ করে থাকা মৃগের শিং বা শৃঙ্ঘটিকে এবং কোমরে বেঁধে রাখা মেখলাটিকে খুলে চাতালে ফেলে দেবেন)। হে মেঘলারজ্জো! আমার দ্বারা নিক্ষিপ্ত হয়ে তুমি সর্পও হয়ো না, অজগরও নয় (অধ্বর্যু চাতালের ওপর পূর্বসুখী হয়ে দাঁড়িয়ে এবং অবভৃথ স্নানের জন্যে উদ্যত যজমান দ্বারা এই মন্ত্রটি উচ্চারিত করাবেন)। বরুণদেব, সূর্যের পদচারণের জন্যে বিস্তৃত অন্তরীক্ষের নির্মাণ করেছেন। সেই বরুণ পদস্থলের অভাবে সূর্যের চরুণ রেখে সঞ্চারণের নিমিত্ত পদস্থলটির অবস্থিতি সম্ভবপর করে তুলেছে। সেই বরুণ অতি সামান্য দুঃখদায়ী পরনিন্দাকারীকেও তিরস্কৃত করে থাকেন (সেক্ষেত্রে গহিত পাপকার্য করা ব্যক্তিদের তিনি কেনই বা কঠোর দণ্ড দেবেন না)? (অবভৃথ স্নানের জন্যে যজমানকে হলে প্রবেশ করিয়ে তার দ্বারা এই যজুঃর অধ্বর্যু বলাবেন)। বরুণদেবকে নমস্কার। বরুণদেবের পাশ ছরিয়ে দেওয়া হয়েছে৷

    ২৪। (একটি প্রজ্জ্বলিত সমিধাকে জলে ফেলে তার উপর চতুগৃহীত ঘি দ্বারা আহুতি প্রদান করবেন)।.হে অগ্নে! তোমার অপানপাত নামক মুখরূপী ভাগ, অসুরগণ কৃত বিঘ্নকে দূরীভূত করে জলে প্রবেশ করে গেল। হে অগ্নে! সেই তুমি ঘরে ঘরে বিদ্যমান হয়ে আহুত ঘৃতের দ্বারা নিজের সাথে সম্পৃক্ত হও। হে অগ্নে! তোমার জ্বালারূপী জিহ্বা ঘৃতের নিমিত্ত ঊর্ধ্বমুখী হয়ে সঞ্চারণ করে থাকে। এটি আহুতিস্বরূপ৷

    ২৫। (এই মন্ত্রপাঠের পর ঋজীষের দ্বারা পূর্ণ ঘটকে জলে ফেলে দেবেন) হে সোম! যে তোমার হৃদয় জলের অভ্যন্তরে সমুদ্রে রয়েছে, সেখানে যেন তোমাতে ঔষধ প্রাপ্ত হয় এবং জলও পায়। হে যজ্ঞের পালক সোম! যজ্ঞে শুভবচনের উচ্চারণ এবং নমস্কারের বচনে আমি তোমায় প্রতিষ্ঠিত করছি। [= আমি স্তুতিপাঠের দ্বারা তোমার স্তবপাঠ করি এবং তোমায় নমস্কার করি।] এটি আহুতিস্বরূপ।

    ২৬। (ঋজীষের দ্বারা পরিপূর্ণ ঘটের আধারটিকে জলে নিক্ষিপ্ত করে, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা)। হে দ্যোতমান জলসমূহ! এই ঋজীষকুম্ভ তোমাদের গর্ভস্বরূপ। সেই সুপ্রীত (= প্রিয়) এবং সম্যক্ ধারকস্বরূপ ঋজীষকে তুমি ধারণ করো। হে ঋজীষপ্রায় দ্যোতমান সোম! এই তোমার লোক। এতে অবস্থিত থেকে তুমি আমাদের জন্যে সুখশান্তি আনয়ন করো এবং এর সাথে আমাদের সমস্ত বাধাবিপত্তিকে দূরে নিয়ে যাও৷৷

    ২৭। (ঋজীষঘটকে জলে নিমজ্জিত করবেন)। যে যজ্ঞে পা নীচের দিকে করে (নিম্নমুখী করে) ঘটে জল ভরা হয়ে থাকে সেটিকে অবভৃথযাগ বলা হয়ে থাকে। সেই অবভৃথযাগ (বা ঘটকে সম্বোধন করে) হে অবভৃথযাগ! তুমি মন্দগতি বা ধীরগতিতে চলো, যদিও তুমি নিতান্ত সঞ্চরণশীল। তবুও তুমি ধীরভাবে সঞ্চরণ করো। যে যজ্ঞ! আমি দেবতাদের প্রতি যে অপরাধবশতঃ পাপকার্য করেছি, সেটিও এতে প্রবাহিত হয়ে এসেছে। মনুষ্যগণের দ্বারা মনুষ্যগণের প্রতি যে পাপ সংঘটিত হয়েছিল, সেটিও এখানে প্রবাহিত হয়ে এসেছে। যজ্ঞদেব! প্রভূত বিপরীত ফলদায়ী হিংসা থেকে আমাদের রক্ষা করো। (এরপর জলে দণ্ডায়মান যজমান স্বয়ং স্নান করবেন, স্নানের পরে জল থেকে বেরিয়ে শুদ্ধ বস্ত্রধারণ করে আহবণীয়াগ্নিতে সমিধাদান করবে) হে সমিধে! তুমি দেবতাদের সমিধাস্বরূপ৷৷

    ২৮। (এই মন্ত্রগুলিতে যজ্ঞার্থে যে গাভীটিকে উৎসর্গ করা হবে, যদি সেটি গর্ভিণী হয়, তাহলে সেই গর্ভের প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ আহুতর বিধান করা হয়েছে। গাভীটিকে মেরে সেটির গর্ভটি বের করা হয়ে থাকে। গর্ভটির রক্তের আহুতি দিয়ে বাকী গর্ভপিণ্ডটিকে পাগড়ীতে বেঁধে মন্ত্রের দ্বারা অভিমন্ত্রিত করে অগ্নিতে একসাথে নিক্ষেপ করা হয়)। (এই সময় প্রথম মন্ত্রটির গর্ভের থেকে পৃথক করা মাংসপিণ্ডটিকে অভিমন্ত্রিত করবে)। যে ঝিল্লিটি গর্ভকে বেষ্টন করে রয়েছে, সেটির সাথে দশমাসের গর্ভটিকে কম্পন করাতে হবে। যেমন বায়ু কম্পিত হয় এবং সমুদ্রে ঢেউ উত্তোলিত হতে থাকে, সেই ভাবে এই দশমাসের গর্ভটিও ঝিল্লীর সাথে কম্পন করুক।

    ২৯। হে বোগায় বা বশাগাভী! যে তোমার গর্ভটি যজ্ঞের যোগ্য, যে তোমার যোনি স্বর্ণময়ী, যে তোমার গর্ভের শরীরাবয়ব অকুটিল–আমরা সেই গর্ভকে মাতৃরূপী তোমার সাথে সংযোজিত করি। (এই মন্ত্রে পড়ে গর্ভের রক্তের হোম কার্য করে দেবে)

    ৩০। (এর পরবর্তী মন্ত্রের থেকে প্রতিপ্রস্থাতা প্রচরণামের সুবায় গর্ভের রক্তের ভরে অধ্বর্যুর হোম সমাপ্ত করার পর স্বিষ্টকৃত আহুতি প্রদান করবেন) (এতে গর্ভকে ইন্দু = সোমরূপের দ্বারা স্রবণ করা হচ্ছে। বহুদশনীয়, অনেক স্বরূপ যুক্ত এবং ধীর গর্ভরূপী সোম পেটের ভেতরে মহিমা প্রাপ্ত করে থাকে। বশা গাভীকে এক, দুই, তিন, চার এবং আট পদযুক্ত মেনে সর্বভূতের বিস্তার প্রাপ্ত করুক, এই প্রার্থনা। এটাই আহুতিস্বরূপ।

    ৩১। (সমিষ্টযজুঃ নামক আহুতিগুলির পরে শামিত্র নামক অগ্নিতে পাগড়ী বাঁধা গর্ভপিণ্ডটিকে নিক্ষেপ করবেন)। হে মরুৎগণ! যে যজমানের ঘরে দ্যুলোকের বিশিষ্ট প্রকাশ সম্পন্ন তোমরা সবাই সোমরস পান করে থাকো, সেই যজমানই অত্যন্ত সুরক্ষাপ্রাপ্ত হয়।

    ৩২।(এই মন্ত্রপাঠ করে শামিত্র অগ্নিতে নিক্ষেপ্ত মাংসপিণ্ডটিকে অঙ্গার দ্বারা ঢেকে দেবেন)। মহতী এই দ্যাবাপৃথিবী আমাদের এই যজ্ঞকে আপন করুণাঞ্চলের দ্বারা যেন আসিঞ্চিত করে। তিনি যেন আমাদের ভরণের যোগ্য ধনাদি দ্বারা আপূর্ণ করেন।

    ৩৩। হে বৃত্রের হন্তা! সম্মুখে উপস্থিত হও। রথে যুক্ত তোমার বেদরূপী সবুজ বর্ণের অশ্বগণ ইন্দ্র এসো–রূপী আমন্ত্রণ শুণে আমাদের রথে যুক্ত হবার কাল আগত জেনে আপনা-আপনি রথে যুক্ত হয়েছে। সোমাভিষব পাথর এবার রথারূঢ় তোমার মনটিকে যেন আমাদের যজ্ঞাভিমুখী করে দেয়। সোমাভিষব শব্দের দ্বারা হে সোম! তুমি উপযামের দ্বারা গৃহীত হও।

    ৩৪। যে কারণবশতঃ দীর্ঘ কেশরযুক্ত সবুজ অর্থাৎ তারুণ্যের পরিচায়ক। এমনই অশ্বসমূহকে রঞ্জু-লাগামের দ্বারা বেঁধে স্তুতিরূপী বাণী শ্রবণ করে, তুমি আমাদের গৃহে এসো।

    ৩৫। ইন্দ্রকে দুটি হরিবর্ণ অশ্ব প্রাপ্ত করানো হয়ে থাকে। যদিও দ্বিবচনান্তহরীশব্দটি ঋক-সাম বাচক, অতএব সবুজবর্ণের অশ্ব ইন্দ্র প্রাপক–এমন ব্যাখ্যা সমীচীন নয়। সুতরাং নানা বর্ণ ছন্দোময় ঋসামই ইন্দ্রের প্রাপক। ইন্দ্র! তুমি অপ্রতিহত বলশালী। বশিষ্ঠাদি ঋষিগণের কাছে নিয়ে যাবে এবং মনুষ্যের যজ্ঞাদির কাছে অশ্বগণ ইন্দ্রকে নিয়ে যাবে ৷

    ৩৬৷ এরা সবাই লোকলোকান্তরে প্রবিষ্ট হয়ে রয়েছে। সমগ্র প্রজাগণের সাথে রমমাণ,সেই প্রজাপতিদেব এই সূর্য, অগ্নি এবং বিদ্যুৎ (অথবা বায়ু–উট কথিত) প্রভাযুক্ত তিনটি জ্যোতির সাথে যুক্ত হয় (= এই তিনটিকে স্বজ্যোতি প্রদানের জ্যোতির্ময় করে দেওয়া হয়) এমন যিনি, সেই প্রজাপতি পরমাত্মাই ষোড়শী (= ষোড়শকলা = প্রাণাদি লিঙ্গশরীরের অবয়বের সাথে যুক্ত।।

    ৩৭। (এই মন্ত্র পাঠ করে ষোড়শিগ্রহতে পরিপূর্ণ সোমরসটি ভক্ষণ করুণ)। সেই দুজন, অর্থাৎ রাজা বরুণ এবং সম্রাট ইন্দ্র এই ষোড়শিগ্রহতে স্থিত সোম! সর্বপ্রথম তোমায় ভক্ষণ করেছিল। ওদের পরে আমি তোমায় ভক্ষণ করি। প্রাণের সাথে আমার বাগদেবী (= সরস্বত্তী = স্তুতি) আমার পান করা সোমরস দ্বারা যেন তৃপ্ত হন। এটাই আহুতিস্বরূপ ।।

    ৩৮৷ (মন্ত্র সংখ্যা ৩৭ অবধি ষোড়শীযোগ সম্পূর্ণ হয়েছে। এবার ৩৮ থেকে দ্বাদশাহ মন্ত্র শুরু হবে। ষডাহ নামক এক পৃষ্ঠ্য যজ্ঞ হয়ে থাকে। এটি ছয় দিনে সম্পন্ন হয়। এতে প্রথম তিন দিন ক্রমশঃ অগ্নে পবস্বআদি মন্ত্রের দ্বারা অতিগ্রাহ্যগ্রগুলিকে গ্রহণ করবে। অগ্নে বর্চস্বিন্ইত্যাদি মন্ত্রের দ্বারা সেই সেই গ্রহগুলির হুতশেষ সোমরস পান করুন)। হে শুভকর্ম অগ্নে! তুমি আমাদের মধ্যে ব্রহ্মবৰ্চস্ এবং সব্বীর্য প্রাপ্ত করাও–ভরো এবং আমাতে গো-অশ্বধন এবং পোষ (= অন্ন) বিধৃত (= ধারিত বা প্রদান) করো। হে সোমরস! তুমি উপযামপাত্রের দ্বারা গৃহীত হয়েছে। আমি এটি তেজস্বী অগ্নির জন্যে গ্রহণ করি। হে সোম! এই তোমার স্থান। আমি তেজস্বী অগ্নির জন্যে তোমায় এখানে ধারণ করি। হে তেজস্বিন্ অগ্নে! দেবতাগণের মধ্যে তুমি পরম তেজবান। সেই তোমার ন্যায় তেজস্বীর প্রসাদে আমিও যেন মনুষ্যগণের মধ্যে ব্রহ্মবৰ্চস্বী হই। (এই মন্ত্রের দ্বারা প্রথম অতিগ্রাহ্যগ্রহকে গ্রহণ করা উচিত)।

    ৩৯। হে ইন্দ্র! ওজস্বীতার সাথে উঠে তুমি অধিসবণ চর্মের ওপর অভিষব করা সোমরস পান করেছে এবং আনন্দ সহকারে আপন অধরোষ্ঠগুলি লেহন করছ। হে সোমরস! তুমি উপযামগ্রহের দ্বারা গৃহীত হয়েছ। আমি তোমায় ওজস্বী ইন্দ্রের জন্য গ্রহণ করছি। হে সোম! এটি তোমার স্থান, আমি তোমায় ওজস্বী ইন্দ্রের জন্য ধারণ করি। হে ওজস্বী ইন্দ্র দেবতাদের মধ্যে তুমি অত্যন্ত ওজস্বী। তোমা হেন পরম ওজস্বীর কৃপায় আমিও যেন মনুষ্যগণের মধ্যে পরম ওজস্বী হই৷৷

    ৪০। (তৃতীয় অতিগ্রাহ্যগ্রহ গ্রহণের মন্ত্র) মনুষ্যগণের আনুকূল্যে প্রাপ্ত এই সূর্যের প্রজ্ঞাপিকা রশ্মি দেখা যাচ্ছে। সেগুলি অগ্নির রশ্মির ন্যায় উজ্জ্বল। হে সোমরস! তুমি উপবাস গ্রহের দ্বারা গ্রীহিত হয়েছে। আমি তোমায় তেজস্বী সূর্যের জন্য গ্রহণ করি। হে তেজস্বীতম সূৰ্য্য! প্রকাশমান বস্তুগণের মধ্যে তুমি অত্যন্ত তেজস্বী। হে তেজস্বীতম সূৰ্য্য! আমি তোমার ন্যায় পরম তেজস্বীর দয়ায় যেন মনুষ্যগণের মধ্যে পরম তেজস্বী হতে পারি ৷

    ৪১৷ (এখানে দ্বাদশাহ যজ্ঞ সমাপ্ত হল)। [গবাময়ন নামক সংবৎসরযাগের বিষুবন্ নামের মধ্যদিনে সূর্যকে অর্ঘ্য স্বরূপ প্রদত্ত পশুর বলির পরে অতিগ্রাহ্যগ্রহ গ্রহণ করা উচিত]। বিশ্বের দেখার নিমিত্ত সর্ববিষয়ে জ্ঞাত সেই সূৰ্য্যদেবের প্রজ্ঞাপক রশ্মিগুলি উপরে অন্তরিক্ষে নিয়ে আসে। হে সোমরস! তুমি উপযামগ্রহের দ্বারা গৃহীত হয়েছে। আমি তোমায় তেজস্বী সূর্যের নিমিত্ত গ্রহণ করি। হে সোম! এটিই তোমার স্থান। আমি তোমায় তেজস্বী সূর্যের নিমিত্ত গ্রহণ করি।

    ৪২। [গর্গোত্রির রাত্রে অহীনযাগের সবনগুলিতে সহস্র গাভী দক্ষিণা দেওয়ার বিধান রয়েছে। সহস্র সংখ্যক গাভীগুলির অন্তিম গাভীটিকে রোহিণী নামে অভিহীত করা হয়ে থাকে। সেটিকে হবিধান এবং আগ্নীর্ধের মধ্যে দাঁড় করানো হয়ে থাকে। সেই সময় দ্রোণ কলটিকে গাভীটির দ্বারা শুকিয়ে নেওয়া উচিত]। হে মহিমাময়ী রোহিণী গাভী তুমি এই দ্রোণ কলসটির আঘ্রাণ নাও। এই দ্রোণ কলসে যে সোমরস পরিপূর্ণ রয়েছে সেটি যেন তোমাতে প্রবিষ্ট হয়। তুমি সেগুলিকে ওজস্বরূপ বানিয়ে পুনরায় আমাদের ফেরৎ দাও। আমাদের দ্বারা পূজতাবাদানে প্রদত্তা তুমি হেন গাভী আমাদের দানের প্রতিফলস্বরূপ পুনরায় সহস্রগাভী প্রদান করো। এই গাভীগুলি প্রভূত ধারযুক্তা এবং পূর্ণ দুগ্ধবতী হোক। হে রোহিণী! তোমার দয়ায় আমার মধ্যে যেন গোঅশ্বধন এসে প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ৪৩। [উক্ত রোহিণী গাভীর দক্ষিণ কর্ণে যজমান এই মন্ত্রটিকে জপ করবেন]। হে অহন্তব্যা গাভী! তুমি মনুর পুত্রী ইড়ার ন্যায় স্তুতি যোগ্যা, রমণে রত যিনি করে থাকেন আহ্বানের যোগ্য, কামনার যোগ্য, আদিকা দ্যুতি যুক্তা, অদীনা দেবমাতা অদিতির সদৃশ, ক্ষীরবতী মহিমাময়ী এবং বিশেষরূপে এইগুলি তোর নাম। এবার তুমি দেবতাদের সমক্ষে আমায় শুভকর্মকারী বলে ব্যাখ্যা করো।

    ৪৪৷ [গবাময়োন যজ্ঞের অন্তিম মহাব্রতের দিনে প্রজাপতির সাথে সম্বন্ধযুক্ত পশুগণকে মারবার পর বা মারতে গেলে ইন্দ্র সম্পর্কিত গ্রহটিকে গ্রহণ করার তিনটি মন্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম মন্ত্রটি এই]। হে ইন্দ্র! তুমি আমাদের হিংসক শত্রুগণকে মারো। যে শত্রুরা সেনা নিয়ে। আমাদের উপর আক্রমণ করার কামনা করে তাদের তুমি অপদস্থ করো। যে দুষ্টগণ আমাদের হানি করতে চায়, হে ইন্দ্র! তুমি তাদের রসাতলে পৌঁছে দাও। হে সোমরস! তোমায় উপযাম পাত্রের দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে। আমি তোমায় বিশিষ্ট যুদ্ধ পারদর্শী ইন্দ্রের জন্য গ্রহণ করছি। হে সোমরস! এটি তোমার স্থান। বিশিষ্ট যুদ্ধে পারদর্শী ইন্দ্রের জন্য আমি তোমায় এখানে ধারণ করছি৷৷

    ৪৫৷ [দ্বিতীয় মন্ত্র এই প্রকার]। বাণীর স্বামী বা পালক, সর্বকর্মা এবং মনের সদৃশ বেগবান ইন্দ্রকে আজ আমরা অন্নের যুদ্ধে রক্ষা করার জন্য আহ্বান করি। সমস্ত সংসারের কল্যাণকর্তা এবং সাধুকর্মা সেই ইন্দ্র আমাদের সমস্ত আহ্বান [বা সামিগ্রির] সেবন করবেন। হে সোমরস! তুমি উপযাম পাত্রের দ্বারা গৃহীত হয়েছ। আমি সর্বকর্মী ইন্দ্রের জন্য গ্রহণ করি। হে সোম! এই তোমার স্থান। আমি সর্বকর্মা ইন্দ্রের জন্য এখানে ধারণ করি।

    ৪৬৷ (তৃতীয় মন্ত্র) হে বিশ্বকর্মন! তুমি হবির দ্বারা অগ্রসরিত হওয়াতে রক্ষক ইন্দ্রকে সর্বপ্রকারে বধ রহিত করে দিয়েছ। সেই ইন্দ্রের জন্যে পূর্বকালের প্রজাগণ এমন করতেন। যে প্রকারে এই উদঘূর্ণ বল ইন্দ্র সবার দ্বারা বিবিধ রূপে আহ্বায়িত করা হয়ে থাকে সেই রূপে যেন পরিণতি প্রাপ্ত হয়। হে সোমরস! তুমি উপযাম পাত্রের দ্বারা গৃহীত হয়েছ। আমি তোমায় বিশ্বকর্মা ইন্দ্রের জন্য গ্রহণ করি। হে সোম! এই তোমার স্থান। আমি তোমায় বিশ্বকর্মা ইন্দ্রের নিমিত্ত এখানে ধারণ করি।

    ৪৭। (গুলের কাঠের যে দ্রোণ ঘটে সোমরস ভরা হয়েছে–সেটিতে হোতার চমস পরিপূর্ণ নিগ্রাম্য সংজ্ঞাযুক্ত জল ঢেলে সেটির মধ্যে তিনটি সোমলতাকে ফেলবেন। অগ্ৰয়ে ত্ব ইত্যাদি তিনটি মন্ত্রের দ্বারা ক্রমশঃ অদাভ্য গ্রহকে গ্রহণ করবেন। কুলগত লোকেদের বক্তব্য এই যে এই তিনটি মন্ত্রের দ্বারা ক্রমশঃ তিনটি সোমলতাকেই অগ্নিতে নিক্ষেপ করা উচিত উপমহীতোঅসি এই ত্রতটি মন্ত্রাংশ তিনটি মন্ত্রের পূর্বে যুক্ত করে নেওয়া উচিত। প্রথম মন্ত্র-) হে সোমরস! তুমি উপযাম পাত্রের দ্বারা গৃহীত হয়েছ। গায়ত্রীর ছন্দযুক্ত তোমাকে আমি অগ্নির জন্য গ্রহণ করছি। হে সোমরস!তুমি উপ্যাম পাত্রের দ্বারা গৃহীত হয়েছ। তৃষ্টুপ ছন্দযুক্ত তোমাকে আমি ইন্দ্রের জন্য গ্রহণ করি। হে সোমরস! তোমায় উপম পাত্রের দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে। জগতের ছন্দযুক্ত তোমাকে আমি বিশ্বদেবগণের জন্য গ্রহণ করছি। হে সোমরস! এই অনুষ্টুপ ছন্দইতো তোমার সাক্ষাৎ স্তবপাঠ।

    ৪৮। (আহুনীয়বেদীর নিকট গিয়ে অদভ্য সংজ্ঞাক গ্রহে স্থিত জলকে, সোমবল্লীর অংশগুলি দিয়ে নাড়াবেন)। হে সোম! গমনশীল মেঘসমূহের উদরে শুয়ে থাকা জলকণার পতনের নিমিত্ত (= বর্ষা হওয়ার নিমিত্ত) আমি তোমায় আকম্পিত করি। অত্যন্ত গর্জনশীল মেঘগণের উদরে স্থিত জলের পতনের নিমিত্ত আমি সেগুলিকে আধুনিত করছি। কল্যাণ বা সুখকারী জলের বর্ষণের নিমিত্ত আমি তোমায় আধূনিত করছি। অত্যন্ত আনন্দদায়ক জলের বর্ষণের জন্য আমি তোমায় আধূনিত করছি। হে সোম! শুদ্ধরূপী তুমি অর্থাৎ সোমকে আমি শুদ্ধ নিগ্রাভ্য জলেই আধূনিত করি। হে সোম! আমি দিনের রূপে এবং সূর্যরশ্মিদের আধূনিত করছি।

    ৪৯। হে সোম! তুমি শ্রেষ্ঠের মহান আদিত্য রূপ এবং অত্যন্ত শুশোভিত। মহান এবং শুদ্ধ আদিত্যের স্বরূপ রূপী তুমি সোমের পুরোগামী। সোমই সোমের পুরোগামী। হে সোম! তোমার যে অদম্য, অহিংস্য এবং জাগরণশীল যে নাম, আমি তোমায় সেই জন্য গ্রহণ করি। (অদভ্য গ্রহে স্থিত সোমের আহুতি প্রদান করুন)। হে সোম! সেই সোমরূপী তোমার জন্য এই আহুতি।

    ৫০৷ (এই আগামী তিনটি যজুষের দ্বারা উদূখলে স্থিত অংশুগণকে = সোমখণ্ডগুলিকে সোমে ধারণ করুন)। হে দ্যুতিমান সোম! তুমি কাম্যমান হয়ে অগ্নির প্রিয় ভোজন হয়ে, তাকে প্রাপ্ত হও। (এতে প্রথম অংশটি ফেলুন)। হে দ্যুতিমান সোম! তুমি কান্ত বা সবাইকে বশীভূত করে রাখেন যে ইন্দ্র তার প্রিয় ভক্ষ্য হয়ে তাকে প্রাপ্ত হও। (এতে দ্বিতীয় অংশটিকে ফেলুন)। হে দ্যুতিমান সোম! আমাদের মিত্ররূপী তুমি বিশ্বদেবগণের প্রিয় অন্ন হয়ে তাদেরকে প্রাপ্ত হও।(এতে তৃতীয় অংশুটিকে ধারণ করুন)।

    ৫১৷ (দীক্ষা গ্রহণকারী প্রত্যেক যজমানকে অধ্বর্যুর দ্বারা স্পর্শ করার পর এবার গার্হপত্যাগ্নিতে ঘৃতের আহুতি দেবেন)। হে গাভীগণ তোমাদের রমণ (= প্রসরতা) এই যজমানদের মধ্যেও যেন থাকে। তুমি সেটি নিয়ে এখানেই মশগুল থাকো। তোমার এই যজমানদের মধ্যে যেন সন্তোষ থাকে। তোমার আপন বাছুরগুলির দ্বারাও যেন এই যজমানদের সন্তোষ সাধন হয়। এটি আহুতি স্বরূপ। (শালার দুয়ারে এই দ্বিতীয় আহুতি দেবেন)। মাতা পৃথিবীকে ধারণ করতে থাকা অগ্নিকে পান করে এবং মাতা পৃথিবীর পান করে (= পৃথিবীতে উৎপন্ন হবিরাদির ভক্ষণ করতে থাকা সেই অগ্নির গো অশ্বের পুষ্টি সমৃদ্ধিকে আমাদের মধ্যে ধারণ করান) এটিই আহুতি স্বরূপ ৷৷

    ৫২।(উত্তর হবির্ধানের অন্য পদের আলম্বণের ভিত্তিতে সত্রের ঋদ্ধি নামক সামগানে রত হবেন। যজমানদের এটি আত্মসংস্তুতি)। হে সোম! তুমি যজ্ঞের সাক্ষাৎ সমৃদ্ধি স্বরূপ। আমরা তোমার দ্বারা আদিত্যরূপ জ্যোতি প্রাপ্ত হয়েছি। এবার আমরা অমরণধর্মা হয়ে গেছি। আমরা পৃথিবী থেকে উঠে স্বর্গে আরূঢ় হয়েছি। ইন্দ্রাদি দেবগণকে জেনেছি বা দেখেছি এবং দিব্যজ্যোতি স্বরূপ পরমব্রহ্মকেও জেনেছি বা প্রাপ্ত হয়েছি।

    ৫৩। (এই যজুঃকে পাঠরত অবস্থায় একটি যজ্ঞে অবস্থিত বেশ কয়েকজন যজমান দক্ষিণ হবির্ধানের ভেতরে স্থিত হবির্ধান শকটের নীচ দিয়ে পূর্বমুখী হয়ে বেরোবেন)। হে ইন্দ্রপর্বত (= বজ্র) তুমি দুজন শত্রুরই সাথে সম্মুখ মরে যুদ্ধকারী। আমাদের যেসব শত্রুরা আমাদের প্রতি সেনাকামিত এদের তোমরা দুজন নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করো। তুমি তাকে বজ্রের দ্বারা হত্যা করো। যারা শত্রু মেনে গভীর বনে বা জলে প্রবেশ করে যায় তাদেরও হে শৌর্য্যবান ইন্দ্র! তুমি তাদের হত্যা করো। আমাদের চতুর্দিকে বিদ্যমান শত্রুকে তুমি হত্যা করো। বিদারণশীল বজ্র সেই সর্বস্থানে বিদ্যমান শত্রুগণকে ধ্বংস করে ফেলো (বিবিধ কামনাযুক্ত যজমানগণ সবাই একসঙ্গে বাণীর বিসর্জন করবেন)। ভূ = স্বয়ং উৎপন্ন, ভুবঃ = উৎপন্ন হওয়া এবং স্বঃ = সুখস্বরূপ সেই পরমাত্মা। আমরা সুন্দর প্রজাগণের (=সন্তানগণের) দ্বারা সুন্দর প্রজাযুক্ত হই এবং পোষক অন্নাদির সমৃদ্ধি দ্বারা আপন প্রজাগণের যেন সুষ্ঠু পোষক হতে পারি।

    ৫৪। [এই যজুঃ-এর মধ্যে বিভিন্ন প্রায়শ্চিত্তের বিধান রয়েছে। যদিও যজ্ঞের বহুবিধ উপকরণের প্রয়োগ হয়ে থাকে, তবুও সর্বপ্রধান হল সোম। বিভিন্ন দশা এবং স্থিতির মধ্যে সেটি ভিন্ন দেবতার স্বরূপ ধারণ করে থাকে। যে যে স্থিতিতে বা যে উপকরণের দ্বারা যজ্ঞে বৈকল্যপ্রাপ্ত হওয়া যায় সেইরূপ স্থিতি এবং দশায় সোমদেবতার নামে আহুতি দেওয়া উচিত। বিকলাঙ্গতা সমাপ্ত হয়ে সম্পূর্ণতা সিদ্ধ হয়ে থাকে। তখনই যজ্ঞের পূর্ণফল প্রাপ্ত হওয়া যায়। অন্যথায় হানির সম্ভাবনা থাকে। তাই এই প্রায়শ্চিত্তীয় আহুতিগুলির বিধান দেওয়া হয়েছে। এই প্রায়শ্চিত্তীয় আহুতিগুলি মোট ৩৪টি হয়ে থাকে। দুধ দোয়ার সময় যদি মাটির ঘটটি ভেঙে যায় সেই ভগ্ন ঘটটিকে ছুঁয়ে পরমেষ্ঠিনে স্বাহা, প্রজাপতয়ে স্বাহা প্রারম্ভ করে সলিলয়ে স্বাহাঅবধি ৩৪টি আহুতি দেবেন। যজ্ঞের নিমিত্ত যে গাভীটি দোহন করার ছিলো সেটি মারা গেলে তার স্থান উত্তরমুখী করে স্থিত পত্নীশালার পূর্বভাবে অথবা পূর্বঅভিমুখে স্থিতা সেই গাভীটির লেজ অনুসারে সেটির দক্ষিণ অস্থিতে ৩৪টি আহুতি প্রদান করবেন। এর পর অন্যগাভী এনে দোহন করাবেন। কয়েকজন আচার্যের এই মত যে সুবায় স্থিত ঘি যদি পড়ে নষ্ট হয়ে যায় তবেই এই ৩৪টি আহুতির দ্বারা হোম করা উচিত।– (এই পরমেষ্টি প্রভৃতি দেবতাগণ যজ্ঞের শরীর স্বরূপ হয়ে থাকেন। এর দ্বারাই একএকটি অবস্থায় সেই সেই অবস্থা সূচক দেবতার প্রায়শ্চিত্তীয় আহুতিগুলি প্রদান করলে যজ্ঞটি প্রতিসন্ধিত হয়ে যায়)। মন্ত্ৰার্থ যজমানের দ্বারা সোমরাসের দ্বারা যজ্ঞ করবো এই প্রকার সংকল্পিত সোমকে পরমেষ্ঠি বলা, হয়ে থাকে। যজমানের বাণী দ্বারা এবার আমি সোমরসের দ্বারা এই যজ্ঞ করবো এইরূপ বলার পরে সেই সোমটি প্রজাপতি নামক দেবতা হয়ে যায়। সম্মুখ থেকে ইন্দ্রাদি দেবগণের নিমিত্ত প্রাপ্ত হয়ে সেই সোমটিকে অন্ধঃ সংজ্ঞক অভিহিত করা হয়ে থাকে। যখন সেটি প্রদান করা হয় তখন সেটিকে সবিতা বলা হয়। দীক্ষা প্রাপ্ত এই সোম বিশ্বকর্মা হয়ে থাকে। সোম ক্রয়ের প্রতিমূল্যরূপে যে গাভীটিকে দেওয়া হয় সেটি নিয়ে এলে সোমপূষা নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। (এই এই অবস্থায় এই এই পরমেষ্টিগণপ্রজাপতয়ে অন্ধমে–সবিতে–বিশ্বকর্মণে–পূষণে ইত্যাদি ইত্যাদি বলতে বলতে আহুতি প্রদান করা উচিত)।

    ৫৫৷ ক্রয় করার জন্যে যে সোমটিকে তোলা হয় সেটি ইন্দ্র-মরুত হয়ে থাকে। ক্রয় করা হচ্ছে যে সোম সেটি অসুর হয়ে থাকে। যেটি ক্রীত হয়েছে, সেটিকে মিত্র বলা হয়ে থাকে। যজমানের জঙ্ঘায় স্থিত সোম শিষিবিষ্ট বিষ্ণু হয়ে থাকে। ছকড়ি দ্বারা যে সোমটিকে নিয়ে যাওয়া হয়, সেটি জগৎপালক বিষ্ণু হয়ে থাকে। (ইন্দ্র-মরুত-অসুর মিত্র-শিষিবিষ্ট-বিষ্ণু-নরন্ধিষ বিষ্ণু প্রভৃতি নামে আহুতি দেবেন)।

    ৫৬। কড়ের থেকে নীচে নামিয়ে আনা সোমকে বরুণ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। আসন্দী বা মঞ্চিকায় স্থিত সোমকে অগ্নি বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। আগ্নী মধ্যে বিদ্যমান থেকে সোম ইন্দ্র নামধারী হয়ে থাকে। হৃদেত্বা মনসে ত্বা মন্ত্রের থেকে যে সোমটি খণ্ড করার জন্যে আনা হয় সেটি অথবা হয়ে থাকে। (এই বরুণ-অগ্নি, ইন্দ্র, অথবা নামগুলির দ্বারা আহুতি প্রদান করুন)।

    ৫৭৷ খণ্ডাকারে কর্তিত এবং বিভাজিত সোম বিশ্বদেব নামে অভিহিত হয়ে থাকে। অভিবর্ধিত হয়ে সোম সম্যকরূপে প্রতিমান ভক্তগণের পালনকারী বিষ্ণু হয়ে থাকে। দশাপবিত্রের পবিত্ৰীকৃত সোম। বায়ু হয়ে থাকে। পাবিত সোম শুক্র হয়ে থাকে। দুধের দ্বারা বিমিশ্রিত সোম ও শুক্রই হয়ে থাকে। সুতয়ার দ্বারা বিমিশ্রিত সোম মন্থী হয়ে থাকে। (এই বিশ্বদেব আপ্রীতপা বিষ্ণুঃ যম বিষ্ণু শুক্র মন্থী নামক আহুতি দেবেন)।

    ৫৮। গৃহপাত্রগুলিতে যে সোম নেওয়া হয় সেটিকে বিশ্বদেব সংজ্ঞায় অভিহিত করা হয়ে থাকে। হোমের জন্যে উদ্যত সোম অসু হয়ে থাকে। সোমকে যখন হোম করা হয় তখন সেটি রুদ্র হয়ে থাকে। হুতশেষ অবস্থায় ভক্ষণের জন্যে সভামণ্ডপে আনীত সোমকে বাত সংজ্ঞায় অভিহিত করা হয়ে থাকে। হে ব্রহ্ম! যে সোমকে বিভিন্ন বাক্যের দ্বারা ভক্ষণের জন্যে জিজ্ঞাসিত হয়েছে, সেই সোমকে নৃচক্ষা সংজ্ঞায় অভিহিত করা হয়ে থাকে। যে সোমটিকে পান করা হয়ে থাকে সেটি ভক্ষ সংজ্ঞাযুক্ত হয়ে থাকে। পান করার পরে অন্ত্রের মধ্যে স্থিত যে সোম সেটি নারাশংস হয়ে থাকে। (এই বিশ্বদেব-অসুরুবতে-নক্ষা-ভক্ষ-নারাশংস-পিতর ইত্যাদি নামের দ্বারা প্রায়শ্চিত্তির আহুতি প্রদান করা হয়)।

    ৫৯। অবভৃথ স্থানের জন্য উদ্যত সোমকে সিন্ধু সংজ্ঞায় অভিহিত করা হয়ে থাকে। জলের অভিমুখে সেটিকে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্তিমটি সমুদ্র সংজ্ঞায় অভিহিত হয়ে থাকে। (এই সিন্ধু-সমুদ্র সলিল নামের দ্বারাও সোমের প্রায়শ্চিত্তীয় আহুতিগুলি দেবেন। এতে যজ্ঞ অবিকলাঙ্গ এবং প্রভাবশালী হয়ে থাকে। রসভাবকে প্রাপ্ত সোমকে জলের সঙ্গে মিশ্রিত করবেন। কালাহুতি হোম এবং বচনও করবেন)। যে বরুণ এবং বিষ্ণুর ওজ বলের দ্বারা লোকলোকান্তর স্থির করা রয়েছে; যে আপন বলবীর্যের দ্বারা সবচেয়ে বেশী বীর এবং বলবান। সে শত্রুদের দ্বারা কখনও আক্রান্ত হয়নি এবং আপন অভিভাবকারী বলের দ্বারা শত্রুর সর্বসম্পত্তির স্বামী হয়ে থাকেন সেই বিষ্ণু বা বরুণদেব যজ্ঞের পূর্বে আহ্বায়িত হয়ে যেন শীঘ্রই আসেন৷

    ৬০৷ এই যজ্ঞ লোকের দেবতাগণ প্রাপ্ত হয়েছেন। সেই দেবতাগণের কৃপায় যজ্ঞের ফলভূত প্রভূত ধন যেন আমরা প্রাপ্ত হই। অন্তরীক্ষতে যে যজ্ঞ প্রাপ্ত হয়েছে। সেটিই মনুষ্যগণের মধ্যে প্রাপ্ত হয়েছে। সেই অন্তরীক্ষ থেকে যেন আমি বর্ষাধন প্রাপ্ত হই। যে যজ্ঞ পৃথিবীতে হচ্ছে সেটি পিতৃপুরুষগণ প্রাপ্ত হচ্ছেন। সেই পৃথিবীদ্বারা যেন আমি স্বর্ণাদিন প্রাপ্ত হই। আর কি, শুধু এই নয় যে কোন লোকেই যেন যজ্ঞ প্রাপ্ত হয়ে থাকে। আমার ন্যায় যজমানের যেন সেই লোক থেকেই কল্যাণ হয়৷৷

    ৬১। (মহাবীর ঘট যদি ফেটে যায় তাহলে এই মন্ত্রটির দ্বারা প্রায়শ্চিত্তিয় ঘৃতের আহুতি দেবেন)। প্রায়শ্চিত্ত শমণের দ্বারা যে ৩৪টি দেবতা এই যজ্ঞের ফলদায়ক তন্তুগুলিকে বিস্তারিত করে থাকেন, এবং যারা এই যজ্ঞের অন্নের দ্বারা তৃপ্ত হয়ে ধারণ করে থাকেন–সেই মহাবীরের ঘটের ভেঙে যাওয়ার জন্যে বিচ্ছিন্ন যজ্ঞকে ঘৃতের এই প্রায়শ্চিত্তিয় আহুতির দ্বারা প্রতিসন্ধিত করছি। এটি আহুতি স্বরূপ। এবার এই মহাবীর ঘট সূর্যরূপী হয়ে দেবতাগণকে যে সপ্রাপ্ত হয়।

    ৬২। [সোমযাগে কোন প্রকার অবান্তর যজ্ঞ বা যজ্ঞাঙ্গের বিঘটন ঘটলে ৩৪ টি দেবতার নামে যথাকাল আহুতি দেবেন। নিজের যজ্ঞমানকে দিয়ে সেটি বলাবেন] যজ্ঞের আহুতির শুভ ফল বিবিধ রূপে বিস্তার প্রাপ্ত হয়েছে এবং সেটি দিশার ভেদের দ্বারা যজ্ঞফলকে আটটি প্রকারে বিস্তারিত করেছেন। হে যজ্ঞ! তুমি আমার প্রজ্ঞা থেকে মহৎ ধনাদি দুহিত (প্রদান) কর। আমরাও ধন, পোষণ, সাধন, অন্নাদি এবং সম্পূর্ণ আয়ুকে যেন প্রাপ্তি হই। এটিই আহুতি স্বরূপ।

    ৬৩। [পশু বা সোমযাগে যজ্ঞ স্তম্ভের উপরে যদি কাক এসে বসে তাহলে উদ্গাতার দ্বারা হোম করানো উচিত।] হে সোম!তুমি সোনা-ঘোড়া এবং পুত্রের ফল দ্বারা সমৃদ্ধ হয়ে আমাদেরকে প্রাপ্ত হও। গাভীর থেকে সঙ্গত অন্ন তুমি আমাদের জন্য নিয়ে এসো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়
    Next Article সামবেদ-সংহিতা (বঙ্গানুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দুর্গাদাস লাহিড়ী

    কৃষ্ণ যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    August 28, 2025
    দুর্গাদাস লাহিড়ী

    সামবেদ-সংহিতা (বঙ্গানুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }