Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ষষ্ঠ ঋতু – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প130 Mins Read0
    ⤶

    ন’ নম্বর গলি

    ন’ নম্বর গলি

    রাজধানীর উত্তর প্রান্ত থেকে যে সড়কটা সোজা বেরিয়ে এসে দুভাগ হয়ে গেছে তারই একটার নাম হয়েছে বারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড। বাংলাদেশে ইংরেজের বিরাট শিল্প এলাকা গড়ে উঠেছিল এককালে এই রোডের ধারে ধারে।

    এ রোডের প্রায় মাঝামাঝি অঞ্চলে, তার বুকে চিরে যে অসংখ্য গলি পথ আচমকা চোখে পড়ে তারই একটার নাম ন নম্বর গলি। সেই মাঠের ধারে রেল লাইনে গিয়ে মিশেছে গলিটা। বড় গলি। সেই গলিরও আছে আবার শাখা-প্রশাখা। সেগুলোর নাম নেই, দরকারও নেই তার।

    ভোরবেলা থেকে শুরু করে বিকাল পাঁচটা অবধি এ গলির অধিবাসীদের কাউকে বড় একটা চোখে পড়ে না। কারণ সকলেই থাকে কারখানায়। নেহাত রুগ্ন, বুড়ো, ছেলেমানুষ আর পোয়াতি মেয়েমানুষ ছাড়া ঘরের আগল কারও খোলা থাকে না। দোকান ঘরগুলোর দরজা মাপে পোয়াটাক খোলা থাকে, এ-সময়ে খদ্দেরের ভিড় থাকে না বলে। কেবল খোলা থাকে রাস্তার মোড়ের বড় চা-খানাটা আর ধোঁয়াটে হোটেল ঘর দুটো। রাত্রিচর চোর পকেটমার গুণ্ডারা আর এক আধটা সেপাই আড্ডা জমায় চা-খানায় আর হোটেলগুলোতে চাপে ভাতের হাঁড়ি।

    সন্ধ্যা যখন ঘনিয়ে আসে, বিদঘুটে গরম কেটে গিয়ে খানিক হাওয়া বয় তখন ধীরে ধীরে। সারাদিনের নিঝুম ঝিমুনো ন নম্বর গলি চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

    এসময়ে কারখানার খাটিয়েরা ঘরে ফেরে সবাই। প্রত্যেকটা ঘরেই প্রায় জ্বলে উনুন। তা ছাড়া পথের ধারে জ্বলে তেলেভাজাওয়ালাদের উনুনগুলো। ফুলুরি, পেঁয়াজি, ফুচকা, দই বড়ার ঝাল টোকো বিষাক্ত তেলের গন্ধে ভরে ওঠে বাতাস। ধোঁয়ার দম আটকানো ধূসরতায় ছেয়ে ফেলে ন নম্বর গলির আকাশ।

    এ সময়ে হাসি, গান, ঝগড়া-বিবাদ, বাচ্চাদের কান্না, ফেরিওয়ালাদের চিৎকারে এক বিচিত্র কলরবে মুখর থাকে ন নম্বর গলি। মাতালের ভিড় বাড়ে, ভিড় বাড়ে শৌখিন রিকশাওয়ালা, আর জোয়ান তাঁতি স্পিনারদের। চটকলের মধ্যে শ্রমিক হিসাবে যাদের চোখে পড়ে বেশি। অল্পবয়সীরা এসে সব আড্ডা জমায় ন নম্বর গলির শেষের দিকটায়, যেখানে বেশ্যা বস্তিটা মৌচাকের মতো জমাট বেঁধে উঠেছে, আলোর ঝলকে হাসি উপচে পড়ে যেখানে মদের বোতলগুলোর রঙিন মসৃণ গা বেয়ে।

    ধাঙ্গরেরা তাদের পোষা শুয়োরগুলোর আস্তানার জন্য মাঝে মাঝে ভাবে। কিন্তু এ ন নম্বর গলির মতো অসংখ্য গলিগুলোর জন্য কেউ ভাবে না। এখানকার মানুষরাও বোধ হয়—এখানকার জীবন সম্বন্ধে অচৈতন্য। এর কোনও বৈচিত্র্য নেই। তবু ন নম্বর গলিকে আজ অচেনা মনে হবে। তার দৈনন্দিন চলার পথে কোথায় যেন মস্ত একটা হোঁচট খেয়েছে। এ গলির মধ্যে যারা ভাল, যাদের সকলে সমীহ করে, যারা সাহসী—তাদের ছোঁয়াচ যেন গলিটার সকলের মধ্যেই লেগেছে। ন নম্বর গলি আজ তাই শান্ত, কিন্তু এত উদ্ধত দেখা যায় না তাকে।

    ইলিয়াসের চা-খানা থেকে উঠে পড়ল মতিলাল তার বিরাট চেহারাটা নিয়ে।

    শের মতিলাল, ন নম্বর গলির শের। খলিফা। ন নম্বর গলির মধ্যে সবচেয়ে সম্মানের পদবী খলিফাগিরি যে দখল করেছে, আদায় করেছে প্রভুত্ব—সে হল খলিফা মতিলাল।

    হাঁ, এককালে সে ছিল ওই রুস্তম, রঘুনন্দন, সব ভিন এলাকা আর এ এলাকার খলিফাদের একজন ছোকরা সাকরেদ মাত্র। বহু চড়-চাপড়, লাথঘুষা খেয়েছে ওস্তাদদের, তামিল করেছে বহুত কড়া হুকুম। বহু দুখ তখলিফের পর মহারাজা হনুমানজির কৃপা হল তার উপর। একদিন রঘুনন্দনকে ডেকে বসল পাঞ্জা লড়বার ফিকিরে। এসপার নয় ওসপার। বিগড়ে গিয়েছিল মতির মন। বুকটার মধ্যে ক্রোধ আর আফসোস জমে জমে বারুদ হয়ে উঠেছিল। হাঁ, একজন থাক। হয় রঘু, নয় মতি।

    হনুমানজির কৃপা। আগুনের তাত লাগা লোহার রডের মতো বেঁকে দুমড়ে পড়ে গিয়েছিল রঘুনন্দনের চওড়া লোমশ হাতটা।

    এক বোঝা বেলফুলের মালা দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিল তাকে ন নম্বর গলি। হাঁ, শের বটে। জোয়ান খলিফা। এলাকার রাজা। পঞ্চায়েত নয়, পুলিশ দারোগা নয়, জেল কাচারি নয়, যা করতে হয় সবকিছুর মালিক খলিফা। মহল্লার সরকার।

    জেল খাটতে হয়, মামলা লড়তে হয়, সব ঝামেলা মাথায় আসবে খলিফার। খলিফা কিনা। আর এই হল এইসব মজুর এলাকার চলতি নিয়ম।

    মতি উঠল ইলিয়াসের চাখানা থেকে। সারাদিন কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমিয়ে চোখ দুটো হয়েছে ভাটার মতো লাল। তা ছাড়া রাতের শরাবির আমেজটাও নিঃশেষ হয়নি এখনও। কানের সোনার মাকড়ি দুটো চকচকিয়ে উঠল আলোয়।

    এই হল নিয়ম। খলিফা হতে হলে, লোহা দিয়ে কান পিটিয়ে থেঁতো করে সোনার মাকড়ি পরতে হয়।

    সালাম খলিফা! রাস্তার আশে পাশে মেয়ে পুরুষ, বালক বৃদ্ধদের অভিনন্দন শোনা যায়। মতি দাঁড়ায় না। এক অদ্ভুত দৃপ্ত ভঙ্গিতে, নির্লিপ্ত হাসিতে এগিয়ে যায়। সঙ্গে যায় দুচারজন-জঙ্গী জোয়ান সাকরেদ।

    অ্যাই ওপ শালা! থমপকে দাঁড়িয়ে পড়ে, ঠাস্ করে একটা চড় কষালো সে রামধনির গালে। কেতনা দিন শালা তোকে মানা করেছি—

    একটা লাথি দিয়ে রামধনির তেলসুদ্ধ চড়ানো কড়াটা আর উনুনটা ফেলে দিল সে মাটিতে। খলিফার বিচার। রামধনিকে সে মানা করেছিল তেলে ভাজা বিক্রি করতে এ মহল্লায়। কেননা, লোকটা বারো নম্বর গলির মানুষ।

    ঠিক হ্যায়। একজন সাকরেদ শাসায় : দুসরা দিন দেখব, শালা তোর শির চড়িয়ে দেব উনুনে।

    হায় রাম! রামধনি মার খাওয়া কুকুরের মতো সামনের বস্তিটার গায়ে লেপটে যায়।

    বৈজুর ছেলে লালু একটু দেমাকি কায়দায় আসছিল। ছোকরাটা আজকাল একটু ভাব ধরেছে উড়ু উড়ু। খলিফা চালে কথাবার্তা বলে, বুকটা চিতিয়ে দেয় সামনের দিকে। মহল্লার ছুকরিগুলোর উপর নজর তার বড় বেশি। খলিফার কাছে দু চারটে নালিশও হয়ে গেছে তার নামে।

    মতিকে আসতে দেখে, টুক করে মুদিখানার ঝাঁপের পাশে সরে পড়ে সে।

    সালাম হো খলিফা! কী একটা ওজন করতে করতেই বলে মুদিয়াইন। পরমুহূর্তেই ঝাঁপের দিকে চেয়ে মুচকি হেসে বলে, ওখানে কি রে? কুত্তা না, বিল্লি?

    হাঁ, ভারী খাপসুরত আছে মুদিয়াইন এখনও। দু চারটে ছেলের মা বলে কিছুতেই মনে হয় না ওকে। ওর দিকেও নজর আছে লালুর।

    কিন্তু গালাগাল শুনে চোয়াল দুটো শক্ত হয়ে উঠল তার। রাস্তায় খলিফা, চেঁচানো সম্ভব নয়। চাপা গলায় খিস্তি করল সে।

    কী বললি? কপট রাগে ঝেঁজে উঠল মুদিয়াইন। বুদ্ধু কাঁহাকে, দেখবি–বোলাব খলিফাকে?

    যেন মন্ত্রোচ্চারণ করল মুদিয়াইন। বোকার মতো শান্ত হয়ে গেল লালুর মুখটা। বেড়ার ফাঁক দিয়ে দেখল—মতির চেহারাটা মিলিয়ে গেছে কি না।

    মিলিয়ে গেছে। এবার সে বেশ খানিকটা বুক টান করে ঝাঁপের পাশ থেকে বেরিয়ে প্রায় মুদিয়াইনের গা ঘেঁষে বসে।

    কী বলছ? মুদিয়াইনের সারা দেহটা সে চোখ দিয়ে চাটে।

    বলছি, তোর উমর কত হল রে ছোকরা? পান খাওয়া পাতলা ঠোঁট দুটো ধনুকের ছিলার মতো বেঁকে ওঠে মুদিয়াইনের। কাঁচা প্রাণ ভরে ওঠে লালুর রূপ রসে। কিন্তু কথার ঘায়ে ভেঙে যায় সে রসের ভাণ্ড।

    তোর এ গরব একরোজ টুটিয়ে দেব। উঠতে উঠতে বলে লালু : হপ্তা হরতালটা ঢুকে যাক, তোদের ওই বুঢ়া খলিফাকে তারপর পাঞ্জায় ডাকব। সেদিন

    থোড়া কেড়ুয়া তেল লিয়ে যা, কবজিতে মালিশ করবি।

    লালু তখন চলতে শুরু করেছে।

    মুদিয়াইন ডাকল : এ রামু, ভোলা, এ নরেশ ভাইয়া–লালুর বাত শুনে যাও তোমরা।

    কিন্তু আজ কেউ আসবে না, তা সে জানে। অন্যান্য দিন এতক্ষণ তার দোকানে আর দোকানের ধারে খাটিয়ায় জোয়ান বুড়োদের ভিড় লেগে যায়। মরদগুলির সঙ্গে ঢলে ঢলে গল্প করে। হেসে গড়িয়ে মুদিয়াইন পাড়ার মেয়ে বউদের বুকে জ্বালা ধরিয়ে দেয়। মরদগুলি যে তাদেরই মরদ, বাপ, ভাই। কেউ কেউ চুপ করে থাকতে না পেরে এতক্ষণে তুবড়ি ছুটিয়ে দেয় গালাগালির। কিন্তু মুদিয়াইনের তাতে যায় আসে না কিছুই।

    কিন্তু আজ কেউ আসবে না। মুদিয়াইন ভাবে মিনমিনে বোকা বোকা দেখতে এই শয়তানগুলো–কারখানায় নাকি কি একটা গোলমাল বাধিয়ে এসেছে। হপ্তা ওঠায়নি কেউ আজ। মুদিয়াইনের ধার তো শোধ হলই না। এর উপর আবার হারামজাদাগুলো নাকি কাল বিলকুল কারখানা বন্ধ করে দেবে।

    মহল্লা খলিফার কানে এখনও যায়নি কথাটা। সে বহাল তবিয়তে হাতির মতো ঢুলতে ঢুলতে চলেছে শরাবির দোকানের দিকে রোজকার মতো। দুনিয়া কেঁপে উঠুক, এই সময়ে পয়লা শরাব, তারপর সব বাত পুছ হবে।

    কিন্তু তারও মনে খটকা লেগেছে। গলিটা যেন এখনও ঝিমিয়ে আছে বলে মনে হচ্ছে। নেহাত ফাঁকা আওয়াজ—সালাম খলিফা, তার বেশি কিছু নয়। গান নেই, হল্লা নেই, নেই মাতোয়ালের চিৎকার—। মনে মনে বলে,কেয়া বাত?

    বাতের নিকুচি করেছে, এখন চাই শাব। হাঁ শরাব।

    মোড়ে মোড়ে জটলার বহর বাড়ছে। তর্কের ঝড় বইছে। বাজে মাথা-গরম করা তর্ক। নাঙ্গা ফকির খালি-পট মাথা গরমের দল। মায়া লাগে মতির, সকরুণ হাসে সে। আদমি নয়, জানবার আছে। জানবার। জানোয়ারের খলিফা সে। কমতি মহব্বত, জাস্তি মার যাদের দাওয়াই।

    চোপ! লাগাব দো ঝাপর। বলতে বলতে রামচন্দর কষিয়ে দিল দুটো চড় তার বন্ধুর গালে।

    অ্যাই—ওপ। হেঁকে উঠল মতি।

    আরে বাপ রে! খলিফা!

    সালাম খলিফা।

    শালা, মারতা কাঁহে?

    শালী খালি খানে মাংতা। খানা কাঁহা? রূপেয়া নেহি

    বাস্ বাস্। ঝগড়া করবি না। গোলমাল চায় না মতি। শান্তি চায়, শান্তিরক্ষক খলিফা সে।

    কিন্তু মনে পড়ল না তার আজ হপ্তার দিন রুপেয়া কেন নেই ওর হাতে।

    চায়ের দোকানগুলোতে মাঝারি ভিড়। রোজকার মতো গানে গল্পে উচ্ছ্বসিত ভিড় নয়, স্তব্ধ চিন্তিত হাত পা গুটিয়ে বসা ভিড়।

    সালাম খলিফা। বেয়াকুবগুলোর হাত পর্যন্ত ওঠে না কপালে। অনিচ্ছার অভিনন্দন, থোড়াই কেয়ার করা ভাব। নিজেদের নিয়েই সব মশগুল। কেয়া বাত? খলিফা না মতি?

    হতাশ পেশোয়ারি আর কাবুলিওগালারা বিচিত্র ভাষায় ফিসফিস্ করে গালাগাল দিতে দিতে ফিরে চলেছে। না সুদ, না আসলি। কোনও ব্যাটা একটা আধেলাও ছোঁয়াল না। বলে, হপ্তা হরতাল কিয়া হ্যায়…

    আরে এ শালে। রাজিন্দর ওর ছেলেকে হাঁকল। চুল্লী জ্বালাতা ক্যায়া, হামারা শির পাকায়েগা?

    ছোট ছেলে। মা নেই। বাপকে কারখানা থেক ফেরে চুপচাপ থম্ ধরে বসে থাকতে দেখে নিজেই উনুনে আগুন দেবার চেষ্টা করছিল। পেটের জ্বালা। বাপের খামখেয়ালিতে বেশি রাত করতে সে রাজি নয়। কিন্তু কথা শুনে থমকে গেল। ভুখ লাগতা হ্যায়।

    হাত ধরে ছেলেটাকে ধরে বুকের কাছে নিয়ে আসে রাজিন্দর। চল, থোরা চা উ পি কে আয়ি। ক্যায়া করেগা, হপ্তা হরতাল হুয়া হ্যায় না?

    সালাম খলিফা! ছেলেকে নিয়ে রাজিন্দর রাস্তায় বেরোয়।

    সালাম। ছেলেটাও মতিকে অভিনন্দন জানায়।

    জিতা রহো বেটা।

    খলিফার চাল, খলিফার ইজ্জত। দুধ পিনেবালা লেড়কাও সেলাম দেবে।

    তেলেভাজাওয়ালি অবলা এর মধ্যেই পাততাড়ি গুটাচ্ছে দেখে তাজ্জব মানল মতিলাল।

    আভি চললি যে?

    তা কী করব? অবলা ঠোঁট বাঁকায়। বিকিকিনি নেই, ভাজা মাল ঠাণ্ডা হয়ে জমে যেতে লাগছে। এতক্ষণ নাইনে দাঁড়ালে রোজগার হত।

    হাঁ? ক্যায়া, শালা ভিখারি বনে গেল ন নম্বর গলি?

    দে, হামকো আঠ আনার মাল দে।

    মিশি দেওয়া দাঁত বেরিয়ে পড়লো অবলার। ফুলুরি আর পেঁয়াজি দিতে দিতে বলে, তা, খলিফার আর আমাদের নাইনে যাওয়া হয় না কেন?

    মতি হাসল। তোদের লাইনটা বিলকুল বুড্ডিদের লাইন আছে।

    তা একদিন না হয় মুফতেই মহব্বত দিয়ে এসো।

    সাকরেদের হাত থেকে পয়সা নিয়ে অবলা সরে পড়ে।

    মোড়ে মোড়ে জটলা। বহু জেনানার দল মুরগির ডিমে তা দেওয়ার মতো ঘরে বসে আছে। ঘরে ঘরে গালি খিস্তি ঝগড়া গোলমাল নেই। নেই হাসি গান হল্লার কান ঝালাপালা করা শব্দ।

    খলিফা মতিলাল একেবারে অনভ্যস্ত সাঁঝবেলায় মহল্লার এ ঝিমুনিতে। অনভ্যস্ত ন নম্বর গলির পুরনো নোংরা জীবন।

    কী ব্যাপার? খালি বাচ্চা লেড়কাগুলোর ঘ্যানঘ্যানে কান্না। কান্নার মধ্যে খালি ভুখা শব্দের ছড়াছড়ি। আর মোড়ে মোড়ে জটলা।

    হাঁ, একটা খটকা লাগে।

    যা-নে দেও। শরাব না টানলে কিছু দিমাকে ঢুকবে না।

    ন নম্বর গলির বাঙালি পাড়া।

    দু একটি কেরানিবাবু আছে বাবুসাহাব বাড়িওয়ালাদের দু-একটা আব্রুওয়ালা পাকা বাড়ি নিয়ে। আর সবই মিস্তির মজুর কুলির দল।

    একই দৃশ্য এখানে।

    মোড়ে মোড়ে জটলা। মাথা গরম করা হাঁক ডাক বাজে কথা।

    সম্প্রতি এখানে আরও ভিড় বেড়েছে। পাকিস্তানি হিন্দু বাঙালিদের ভিড়। মুরগির বাচ্চার পালের মতো আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছে মুলুক-ছাড়া মানুষেরা। যে বিচারে এসব হয়েছে সেই বিচারে থুক দেয় মতিলাল।

    সেলাম খলিফা!

    এই পরেশোয়া! পরেশকে হাঁকল মতিলাল।

    লালুর দোস্ত পরেশ। পকেট মারে এ ছোকরা। কিন্তু আজ বড় ঝিমিয়ে পড়েছে। আজ সারা এলাকাটার পকেট খালি হয়ে গেছে। বরাত! নিজের বাপটার ওপরও রাগ হয় তার। শালারা হপ্তা হরতাল করেছে। খেতেই জোটে না, তার আবার—। আজ তো নিশ্চয়ই ভাত বন্ধ। হপ্তা যখন হয়নি।

    কিন্তু হিম হয়ে গেছে তার বুক, খলিফার ডাক শুনে।

    কী বে শালা, গরিব বেচারা কার্তিকের দুঠো রূপেয়া মেরে দিয়েছিস তুই ওর লেড়কার দাবাই এনে দিবি বলে?

    ঠাস্ করে একটা চড় পড়ে পরেশের গালে। কামিনা কাঁহাকে। আর শালা কেতনা দিন হামি মানা করেছি কি ই এলাকায় পাকিট মারবি না।

    আর একটা চড় পড়ে অন্য গালে। সঙ্গে সঙ্গে দুটো টাকাও দেয়। লে, আভি দিয়ে দে কার্তিককে। মারের পরই টাকা। বাপের কাছে মার খাওয়া শান্ত ছেলের মতো নীরবে চোখের জল মোছে পরেশ। যাক্, উপোস থাকতে হবে না বাপের হপ্তা হরতালের জন্য। এ টাকা দিয়েই আজ…। ঘরের দিকে গেল সে।

    রাস্তার আলো আঁধারিতে দেখল একটা কাবলে তার বাপকে টাকপড়া মাথাটায় চাপড়ে চাপড়ে বলছে, টুমলোক বুঢঢু আছে। হপ্তা উঠাও, আপনি খাও, হামার ছুডটা মিটাও। মালুম?

    হাঁ। কেঠো হাসি হেসে মাথা নাড়ে পরেশের বাপ। কিন্তু খাঁসাহেব, এটা আমাদের রুজির লড়াই হ্যায়, কাল তো তামাম কারখানা বন্ধ রহেগা।

    কুচ শুনবে না। ঝেঁজে ওঠে কাবুলিওয়ালা। কাল হামার ছুড চাই, বেগর-ছুডকে ভি ছুড হোবে।

    সালোয়ারের ঝাপটা দিয়ে চলে গেল সে।

    এবার চোখ তুলতেই পরেশকে চোখে পড়ে তার বাপের।–কুত্তার বাচ্চা! ঝেঁঝে উঠল বাপ, আমার মরা মুখ দেখতে এসেছ শালা? এসো, আজ পিণ্ডি গেলাচ্ছি তোমাকে।

    পরেশ কিছু না বলে, একটু ইতস্তত করে খলিফার দেওয়া টাকা ছুড়ে দেয় বাপের দিকে।

    নেই মাংতা। রগের চোটে হিন্দি বেরিয়ে পড়ে বাপের। টাকাটা ছুড়ে ফেলে পরেশের পায়ের কাছে। রোজগার করবে না, হারামজাদা পকেট মারবে আর গিলবে। বেরো, হট যা।

    পরেশ নির্বিকার ভাবে সরে পড়ে। খানিকটা গিয়ে একটা লাইটপোস্টের আড়াল থেকে লুকিয়ে দেখে বুড়ো কী করে।

    বুড়ো মাটিতে হাতড়ে হাতড়ে খুঁজছে টাকাটা, আর গালি দিচ্ছে। …

    বেশ্যাপল্লী।

    ফাঁকা, চুপচাপ। বসে দাঁড়িয়ে এধার ওধার ছিটকে আছে মেয়েগুলো। নতুন মুখের আশায় তীক্ষ্ণ চোখে দেখছে চারিদিকে। বাবু ভদ্রলোকদের আশায়।

    আজ ভিড় নেই শৌখিন রিকশওগালা, মজুর, তাঁতিদের। গান নেই, হল্লা নেই মাতোয়ালের। গন্ধ নেই ছড়িয়ে—চামেলির তেল আর বেলী ফুলের।

    কেয়া বাত?

    খটকা লাগছে খলিফা মতিলালের।

    আইয়ে, খলিফাজি আইয়ে, সর্দারজি আইয়ে!

    দুহাত তুলে অভিনন্দন জানাল মদের দোকানের মালিক কুণ্ডু বাবু।

    কেয়া বাত? তাজ্জবে ভ্রূ কুঁচকে গেল মতির। শরাবখানাটাও খালি! কেয়া, মর গয়া নও নম্বর গল্লি? কুলি কামিন তাঁতি রিকশওয়ালা, ছোকরা ফিটার স্পিনার কোথায় গেল সব? কাঁহা গেল বিলাসপুরী দিলদরিয়া মেহেরারুর দল, নাঙ্গা মাতায়ালে, শরাবপিনেওয়ালীদের হাসি গান হল্লা? কাঁহা সুখন, সাবীর, যারা মদখাওয়া বিলাসপুরী মেয়েদের গা থেকে কাপড় খুলে দিয়ে বহুত বঢ়িয়া বাহারে ফুর্তি শোরগোল মচায়?

    তাজ্জব।

    কেয়া বাত কুণ্ডু বাবু, এ শরাবখানা, না শ্মশান ঘাট আছে?

    আর বোলো না খলিফাজি। আফসোসে মুখ বিটকেল হয়ে ওঠে কুণ্ডবাবুর। বলে, কুলি কামিন শালারা আজ হপ্তা হরতাল করেছে। তাই কারওর টিকিটি নেই আজ।

    হাঁ? খানে বিনা মরে এগুলো, আবার হপ্তা হরতালের রমজানি? রাম রাম! উল্লুক ন নম্বর গলি।

    শুধু তাই? কাল পুরা হরতাল মানাবে আবার।

    আরে বাব্বা! শালাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দিমাক ঠিক নেই। খালি ফালতু শোরগোল মচাতা।

    ছোড়ো ইয়ার। শরাব লাও। ও-সব বাজে ব্যাপারে খলিফা বাত করে না।

    হঠাৎ চমকে উঠলো খলিফা মতিলাল। কপালে হাত ঠেকিয়ে সেলাম জানাল সে–সালাম বাবুলোক।

    চমকে উঠেছে সে শাবখানায় কয়েকজন বাবুলোককে দেখে। চেনে সে, মুখার্জিবাবু, বোসবাবু, বাবুসাহেব রাম শর্মা, শঙ্কর সিং। এরা নিজেদের সমাজপতি বলে, মহল্লার বিচারক হতে চায়। মুদি কারবার করে, মেয়েপট্টি চালায়। কারখানার সাহেবদের দোস্ত। এখানকার মজুরগুলির সঙ্গে, মতিলালকেও ওরা ঘৃণা করে। খলিফাকে চায় ওরা হটিয়ে দিতে। এরা এলাকার কারবারি মহলের কর্তা।

    কিন্তু, হাঁ, তাজ্জব! এরা কেন শরাবখানায়? সঙ্গে আরও দু চারজন ছিল। ভিন এলাকার ছোটখাটো ছিঁচকে গুণ্ডা। শরাব টানছে ওরা।

    যানে দেও। লাও, শরাব চালাও। বেশি তাজ্জব হওয়া ভাল নয়। খলিফা তো সে।

    মদ টানতে টানতে বিড় বিড় করে সে। মরবে খাটিয়েগুলো জরুর মরবে। খানা নেই, পিনা নেই, হপ্তা হরতাল! আরে বাপরে! যত বাজে ফালতু কাজ। কুলি কামিন্ কা লড়াই।

    কিন্তু খটকা লাগছে বড়, দিমাক চটে যাচ্ছে বাবু শরীফ আদমিগুলোর সঙ্গে ছিঁচকে গুণ্ডাগুলোর গুনগুন ফুসফুস কানাকানি ভাবভঙ্গি দেখে। কী চায় এরা, কী বলছে এরা? হাঁ, খলিফা ওদের সালাম ঠোকে, বাবু বলে মানে, কিন্তু লিখাপঢ়াবালা টোপিওয়ালা এ-সব আদমিদের সে বিশ্বাস করে না। বাবুলোক সব মতলববাজ আছে।

    বেরিয়ে গেল সব বাবুলোকেরা। পিছে গুণ্ডা আদমিগুলো।

    থুক ফেলল মতিলাল ছিঁচকে গুণ্ডাগুলোর দিকে চেয়ে। গুণ্ডা নয়, কুত্তা। বাবুদের পিছে পিছে ঘোরে। হাঁ, খাঁটি গুণ্ডাবাজির দাম দিতে রাজি আছে খলিফা, রাজি আছে নিজের পাশে বসতে দিতে। কিন্তু এরকম নয়। ওদের মতো হুকুম তামিল করনেওয়ালাদের নয়।

    কুণ্ডুবাবু কেশো গলায় ভুঁড়ি কাঁপিয়ে নমস্কার ঠুকল বাবুদের দিকে চেয়ে। খলিফাকে বলল চোখ মেরে, হরতালের দাওয়াই দেবে শালাদের ভাল করে। মাল চেনেনি এখনও। দিনটাই আজ মাটি করে দিয়েছে।

    হরতালের দাওয়াই? সে আবার কী চিজ?

    হটাও ফালতু কথা। শরাব খেতে খেতে নেশাটা জমে উঠেছে খলিফার।

    হঠাৎ একটা শোরগোলে তার নেশা যেন চড় খেয়ে কেটে গেল।

    কেয়া বাত? মার দাঙ্গা? ন নম্বর গল্লিমে? মতি খলিফার এলাকায়? শের খলিফা। এক ঝটকা মেরে উঠে দাঁড়াল সে। হাঁ, খলিফা হ্যায় না মতি ন নম্বর গলির। এ পরেশ না হয় লালু হারামজাদার কাজ হবে জরুর। নয় তো, মাথা গরম, হরতাল শোরগোল মচানেওয়ালা রাজিন্দর, জগু, শিবুর ফালতু গোলমাল। শালাদের হাড্ডিগুলো গুঁড়িয়ে দিতে হবে আজ।

    ছুটে এল সাকরেদদের নিয়ে।

    রাম রাম। তাজ্জব মানল মতি ঘটনাস্থলে এসে।

    ঝগড়া লাগিয়েছে বোসবাবু আর মুখার্জিবাবু, বাবু সাহাব রাম শর্মা আর শংকর সিং-এর সঙ্গে। আর ওদের পিছে পিছে ঘোরা গুণ্ডাগুলো হিন্দি বাংলায় ঝগড়া লাগিয়েছে নিজেদের মধ্যে।

    কেয়া বাত? একই দলের লোক, দোস্ত আদমি সব, বঢ়ে বঢ়ে লিডর লোক সব নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লাগিয়ে দিল! মাতোয়ালে হয়ে গেল লোকগুলো?

    আরে এ বাবু লোক, এ শালালোক, তুমলোক না অভি শরাব পিতা রহা এক সাথ?

    হট যাও! কে যেন ধমকে উঠল মতিলালকে।

    রাগে গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠল খলিফার। শের খলিফা।

    এঃ, ইমান ভুলে গেছে শালা বাবুসাহাব আদমিগুলো। বোসবাবু আর শংকর সিং, নাংগা ফকিরগুলোকে সাক্ষী মানছে, জঘন্য গালাগালির সমর্থন চাইছে, চাইছে প্রতিকার।

    হট যাও, শালা দেখ লেংগে বাঙালি লোককো। ছিঁচকে গুণ্ডাটার সঙ্গে শংকর সিংও সায় দিল।

    আয়রে শালা মেড়োর ডিম, ঢ্যামনার বাচ্চারা। মুখার্জি বাবুর তড়পানির ফাঁকে তার সাকরেদ হাঁকল।

    হাঁ, ন নম্বর গলি জেগেছে, কেটেছে ঝিমুনি, ভেঙেছে আড়মোড়া। ন নম্বর গলির সবাই বাইরে এসেছে, ভাগ হয়ে গেছে দুটো।

    আরে কেয়া কর রহে তুমলোক? চিৎকার করে উঠল খলিফা–ই লোক দোন্ত হ্যায়, মাতোয়ালে বন্ গিয়া হ্যায়। দারুণ গর্জনে ড়ুবে গেল শের খলিফার গলা। শালা লোক গালি কাঁহে দেতা?

    তোরা শালারা কেন গালি দিচ্ছিস? জবাব আসে।

    রহমতের তন্দুরি রুটি বানাবার উঁচু উনুনটার উপর লাফিয়ে ওঠে রাজিন্দর। ভাই লোক!…

    হাঁক দিল সে, এ দাঙ্গামে ফাঁসো মত।

    হঠাৎ একটা ধস্তাধস্তির মধ্যে জান্তব গর্জন ওঠে। মার মার…

    বেয়াকুবের মতো খলিফা দেখল, বাবু সাহাবদের গুণ্ডাটার লাঠি সজোরে গিয়ে পড়ল রাজিন্দরের মাথায়।

    তাজ্জব! বে-ইজ্জত শের খলিফার! কেউ মানল না। একই এলাকার দোস্ত আদমি বাঙালি হিন্দুস্থানী লড়াই শুরু করে দিল। সারা ন নম্বর গলি খুন খারাবিতে মেতে গেল।

    থুক। সব জানবার হ্যায়, বিলকুল।

    কিন্তু শের খলিফা হ্যায় না মতি?—খবরদা–র!

    হাঁক দিল মতি।

    খ্যাপা কুকুরের মতো হাঁকল রাম শর্মাজি, ঠার যাও মতি।

    মতি ঠার যাবে? কেন, এ কার ইলাকা!–ঝাঁপ দিল সে ভিড়ের মাঝে, উজবুকদের ডাণ্ডাবাজির মাঝখানে। খবরদা–র!

    ধাক্কা খেল খলিফা, ঝাঁ করে একটা ডাণ্ডা এসে পড়ল একটা চোখের উপর। ভিড়ের পেষণে ছিটকে পড়ল সে মাটিতে। শের খলিফা!…

    আর্ত চিৎকার নারী পুরুষ শিশুর, কুকুরের আর গরুর। ক্রুদ্ধ গর্জন আর ডাণ্ডার ঠোকাঠুকিতে ন নম্বর গলিকে আর চেনা যায় না।

    শোন, শোন, রাজিন্দরের জায়গায় পরেশের বুড়ো বাপ অনেক কসরত করে উঠে হাঁকল। এ-লড়াই শয়তানদের…

    মার! জন্তুর চিৎকার ওঠে। নিষ্ঠুর শব্দ ওঠে আঘাতের।

    তাজা গরম রক্ত খানিকটা ছিটকে এসে লাগল খলিফার গালে।

    এঃ। থুক দেয় আবার মতি। একটা রক্তাক্ত চোখ হাত দিয়ে চেপে ধরে মাটি হিঁচড়ে হিঁচড়ে মার খাওয়া জানোয়ারের মতো সরে যায় খলিফা! শের খলিফা!…

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছিন্নবাধা – সমরেশ বসু
    Next Article মানুষ – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }