Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সহধর্মিণী – পাঁচকড়ি দে

    পাঁচকড়ি দে এক পাতা গল্প101 Mins Read0
    ⤶

    সহধর্মিণী – ২৫

    পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ

    অনেকক্ষণ পতিবক্ষে আনন্দাশ্রু বিসর্জ্জনে অনেক পরিমাণে সুস্থ হইয়া হেমাঙ্গিনী আবার পূর্ব্বের ন্যায় ব্যগ্রকণ্ঠে স্বামীকে বলিল, “কেন তুমি এ সব কথা আগে আমায় বল নাই? কেন রমেন্দ্র বাবুর অবস্থা দেখিয়া তখনই সকলকে জানাও নাই? কেন সব কথা সকলকে বল নাই? কেন এমন নিষ্ঠুর উদাসীনতা দেখাইতে? তাহা হইলে আমি—আমি এত কষ্ট পাইতাম না। নিজের হৃদপিণ্ড নিজে উপাড়িয়া ফেলিবার আয়াস যে কি কঠিন তাহা তোমরা বুঝিবে না।”

    সতীশচন্দ্র বলিলেন, “কেন বলি নাই, তাহা ত তোমায় বলিলাম। আমায় লোক সন্দেহ করিবে বলিয়াই এ কথা প্রকাশ করিতে সাহস করি নাই। পথে মালী খুনের কথা বলায়, আমার মনে হইয়াছিল, সে নিশ্চয়ই রমেন্দ্রের খুনের কথাই বলিতেছে। তাই খানসামা মাড়োয়ারীর খুনের কথা বলায় আমার মনে হইয়াছিল যে সে ভুল শুনিয়াছে। মাড়োয়ারী খুন হয় নাই, রমেন্দ্রনাথ খুন হইয়াছেন।”

    “কেন তুমি এ রকম করিলে—কেন—কেন, তাই আমরাও তোমাকে সন্দেহ করিয়াছিলাম। কি কষ্ট যে পাইয়াছি, তাহা তুমি জান না। তুমি আমার সর্ব্বস্ব—ইহকাল পরকালের আশ্রয়—ধৰ্ম্ম অর্থ কাম মোক্ষ—আমার সর্বস্ব—তোমাকে খুনী মনে করার আগে আমার সহস্রবার মৃত্যু শ্রেয়ঃ—কিন্তু এই খোকাখুকীদের জন্য সে প্রশস্ত পথও যে আমার রুদ্ধ—আমার যে অবস্থা হইয়াছিল তা আর কি বলিব! আমি জীবনৃতা—সজ্ঞানে লুপ্তসংজ্ঞা—যাহার উত্তমাঙ্গ দূষিত, বিষক্লিন্ন—তাঁহার জীবন কি ভীষণ তাহা বুঝিবে কি?” হেমাঙ্গিনী আবার কাঁদিয়া ফেলিল।

    সতীশচন্দ্র কহিলেন, “সব জানি, কিন্তু উপায় ছিল না। প্রকৃত খুনী ধরা না পড়িলে অন্যের কথা কি—তোমরাও আমার কথা বিশ্বাস করিতে না, তাই আমাকে বাধ্য হইয়া নীরব থাকিতে হইয়াছিল। এখন ত সব শুনিলে—এখনও কি সন্দেহ কর?”

    “না—না—আমি বাঁচিলাম! আমায় ক্ষমা কর, অবলা নিরক্ষরা তোমারই সহধর্মিণীকে ক্ষমা কর।”

    সতীশচন্দ্র দুই হস্তে হেমাঙ্গিনীর অশ্রুসিক্ত মুখখানি তুলিয়া ধরিয়া সাদরে সপ্রেমে চুম্বন করিলেন। কিয়ৎক্ষণ উভয়েরই কথা কহিবার ক্ষমতা ছিল না। অবশেষে সতীশচন্দ্র বলিলেন, “আজই এখান থেকে যাইবে স্থির করিয়াছ?”

    “হাঁ, রাত্রের গাড়ীতে যাওয়া স্থির করিয়াছি।”

    “তোমার শরীর এখনও ভাল হয় নাই, আরও কয়েকদিন এখানে থাকিলে তোমার শরীর ভাল হইবে, তাহার পর কলিকাতায় ফিরিব—কি বল?”

    “তুমি যা বল। এখন সব স্থান আমার স্বর্গ বলে বোধ হইতেছে, কেননা পূত-পতিবক্ষ আবার আমার আশ্রয় হইয়াছে। তুমি হয় ত শোন নাই, আমার জ্বর-বিকার হইয়াছিল।”

    “আমি সব জানি। তুমি কেমন আছ, আমি রোজ খবর পাইতাম।”

    “কে খবর দিত? পিসীমা বলিলেন, তিনি তোমায় পত্র লেখেন নাই?”

    “ডাক্তার বাবু রোজ খবর দিতেন। তোমার পীড়া বাড়িলে আমি তখনই ছুটিয়া আসিতাম। কিন্তু ডাক্তর বাবু রোজ লিখিতেন, পীড়া গুরুতর বটে, তবে কোন ভয় নাই, আসিবার আবশ্যকতা নাই। তুমি কি মনে কর যে আমি তোমায় ভুলিয়াছিলাম?”

    “না—না—তা আমি কখনও মনে করি নাই, কিন্তু আমার হৃদয়ের অবস্থা তুমি বুঝিতেছ না—যেখানে আমার প্রাণের দেবতার অধিষ্ঠান সেখানে এ রুধিরস্রাবী খুনীর অবস্থান হইবে—দেবতার মন্দিরে পিশাচ বসিবে! হৃদয়ের এ তুমুল ঝড় কি ভীষণ!—যা’ক, ওসব পাপের কথায় আর দরকার নাই, কৰ্ম্মফল সকলকেই ভুগিতে হয়, আমিও ভুগিয়াছি। তবে তুমিই আমায় অন্যায় সন্দেহ করিয়াছিলে?”

    “স্বীকার করি। কিন্তু এখন সে সন্দেহ একেবারে গিয়াছে। আর কখনও এই সন্দেহ-রাক্ষস যে আমার হৃদয়ে প্রবেশ করিতে পারিবে, তাহার কোন সম্ভাবনা নাই। দেখ, স্বামী ও স্ত্রী এক, অভিন্ন হৃদয়। সুখে-দুঃখে—সম্পদে বিপদে, দম্পতী অদ্বৈত। স্বামী ও স্ত্রীর পৃথক্ ধৰ্ম্ম বা চিন্তা নাই। আমি তাহা হাড়ে হাড়ে, মজ্জায় মজ্জায় বুঝিয়াছি! পরস্পরে আত্মগোপনই সংসারে দাম্পত্যে দারুণ হলাহল প্রসব করে, আর তাতে সমগ্র বিশ্ব অচিরে বিনাশ পায়। তুমি আমার পত্নী—ইহকাল পরকালের অর্দ্ধাঙ্গিনী সহধর্ম্মিনী, তোমায় সন্দেহ করে আমাদের সর্বনাশ হইতেছিল—আমার বড় সাধের সাজান সোনার সংসার একেবারে ছারেকারে যাইতে বসিয়াছিল!

    “ভগবান আছেন—”

    “আর পাচ হাজার কেন, আমার সমস্ত সম্পত্তি দিলেও রমেন্দ্রবাবু যদি ফিরিয়া আইসেন, আমি তাহাও করিতে প্রস্তুত আছি।”

    “সে রাত্রে যাহা দেখিয়াছিলে, তাহা কি সকলকে পুলিসকে বলিবে না?”

    “না—হেম, এ সব কথা বলিয়া কোনই লাভ নাই। লোকটাকে আমি অন্ধকারে দেখিতে পাই নাই। যে লোক ধরা পড়িয়াছে সেই যে রমেন্দ্রকে খুন করিয়াছিল, তাহা আমি শপথ করিয়া বলিতে পারিব না। আমি কলিকাতায় পুলিশকে সব কথা বলিয়াছি, আর এখানে সেই কথা বলিয়া কথা বাড়াইয়া কোনই লাভ নাই। যাহা আমরা জানিলাম, ইহাই যথেষ্ট। আর কাহারও জানিবার আবশ্যকতা কি!”

    এই সময়ে খোকা সেইখানে ছুটিয়া আসিয়া “বাবা বাবা” বলিয়া সতীশচন্দ্রকে জড়াইয়া ধরিল। সতীশচন্দ্র তাহাকে কোলে তুলিয়া লইয়া চুম্বন করিলেন।

    খোকাবাবুর পশ্চাতে পুরাণ ঝি, বাবু যে ফিরিয়া আসিয়াছেন তাহা সে জানিত না, কাজেই বিস্মিত ভাবে চাহিয়া রহিল।

    হেমাঙ্গিনী বলিল, “ঝি, বাবু বলিতেছেন-“

    সতীশচন্দ্র বলিলেন, “হাঁ, এখনও হেমের শরীর ভাল হয় নাই, আরও দিনকতক এখানে তাহার থাকা দরকার। যাও—জিনিষ পত্র খুলিতে বল।”

    উপসংহার

    আজি সতীশবাবুর গৃহে মহা সমারোহ, হেমাঙ্গিনীর ব্যধিমুক্তির প্রীতিভোজন। সতীশবাবুর মধুপুরস্থ আলাপী ও বন্ধুগণ সকলেই সস্ত্রীক তাঁহার বাড়ীতে নিমন্ত্রিত। প্রদোষে প্রীতিভোজন হইবে। ষ্টেশন- ষ্টাফের সঙ্গে তিনি কলিকাতার সেই প্রসিদ্ধ গোয়েন্দা পুলিশ মহাশয়কেও উৎসবে যোগদানের নিমিত্ত মহা সমাদরে আহ্বান করিয়াছেন। হেমাঙ্গিনী এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ হইতে পারে নাই, রোগমুক্ত হইলেও তাহার দুর্ব্বলতা বেশ আছে। তথাপি আনন্দোচ্ছ্বাসে হেম আর শয্যাগত নহে, পিসীমা ও শুধাংশুর সঙ্গে সেও সৰ্ব্বত্র সৰ্ব্ববিষয়ে নানাবিধ উপদেশ দিতেছে। আজ তাহার প্রাণ উৎসাহপূর্ণ, হৃদয় প্রফুল্ল, সুন্দর মুখখানি শারদ চন্দ্রমার ন্যায় হাসি-সুধাময়। মাঝে মাঝে শান্তি বা ক্লান্তি বোধ করিলে এক একবার হল-ঘরে সোফায় বসিয়া বিশ্রাম করিতেছে। ক্রমে সন্ধ্যা হইল, অমনি সতীশবাবুর পূৰ্ব্ব-কৃত বন্দোবস্তমত গৃহের সর্ব্বত্র আলোকমালায় সুরঞ্জিত হইল। বস্তুতঃ গৃহখানি সাজসজ্জা ও আলোতে যেন দিব্য বৈজয়ন্ত ধামের ন্যায় শোভা পাইতে লাগিল, কেননা আজিকার সব আয়োজন, সতীশবাবু ও গৃহস্থিত সকলেই, প্রাণের প্রীতি ও আনন্দের অনুরূপ করিবার জন্য পূর্ব্ব হইতেই প্রাণপণে চেষ্টিত। পরিবারস্থ সকলের হৃদয়ই আনন্দময়, মুখে প্রীতির উচ্ছ্বাস। কক্ষমধ্যে সতীশবাবু হেমাঙ্গিনীকে একাকিনী দেখিয়া তাহার পার্শ্বে আসিয়া উপবিষ্ট হইলেন। তাহাকে দেখিলেই বোধ হয় সতীশবাবুর হৃদয়খানি প্রীতি-প্রফুল্ল, নেত্রদ্বয় প্রেম-পূরিত ও মুখ হাসিময়-

    “আজ বড় আনন্দের দিন হেম, আমাদের যেন আজ আবার ফুলশয্যা। কিন্তু—”

    “কিন্তু কি! আর কিন্তু বলোনা, আমার প্রাণের ভিতর কেমন করে উঠে। একবার এই কিন্তুর জন্য তোমার কাছে এক কথা লুকায়ে কত ভীষণ দণ্ড ভোগ করতে হোল!”

    “ঠিক কথা, হেম। তোমাতে আমাতে কিছু লুকাবার নাই। লুক-চুরিই সুধাময় দাম্পত্যে মহাবিষ ঢালিয়া দেয়। আমি তা বেশ বুঝিয়াছি, প্রাণে প্রাণে উপলব্ধি করিয়াছি। আমার “কিন্তু” তা’ বলিবার অভিপ্ৰায় নহে, আমি বলিতে যাইতেছিলাম—আমাদের এই প্রীতিউৎসবে ডাক্তার রমেন্দ্রনাথ যদি উপস্থিত থাকিতেন তাহা হইলে কি সুখের হইত! রমেন্দ্রবাবু আমাদের জন্য কত করিয়াছেন—রমেন্দ্রবাবু ওরূপ নিঃস্বার্থভাবে প্রাণ দিয়া চিকিৎসা না করিলে খোকাকে কি আর ফিরিয়া পাইতাম! আর আমি ঈর্ষায় অন্ধ হয়ে তাঁর সকল কার্য্যেই নিরর্থক কত দোষ বাহির করিয়াছি, তাঁর পবিত্র হৃদয়সম্বন্ধে কত অসাধু অভিমত পোষণ করিয়াছি। আমার এই গুরুতর পাপের সমুচিত দণ্ডই ভুগিয়াছি।”

    সহসা বিস্মিতি ও ভীতি বিজড়িত কণ্ঠে হেমাঙ্গিনী আর্তরব করিয়া উঠিল—’কে কে—আপনি—র—!” হেমাঙ্গিনী সোফার উপরে মুচ্ছিত হইয়া পড়িল। সতীশচন্দ্র নিতান্ত ব্যস্ত-ত্রস্ত হইয়া তাহার চোখে ও মুখে অঞ্জলি পূর্ণ করিয়া সলিল নিক্ষেপ করিতে করিতে তালবৃত্ত বীজন করিতে লাগিলেন। বস্তুতঃ হেমাঙ্গিনীর হঠাৎ এইরূপ মূৰ্চ্ছা দেখিয়া সতীশবাবু বড়ই ভীত ও বিব্রত হইয়া পড়িয়াছিলেন, অন্য কোনও দিকে তাঁহার দৃষ্টি ছিল না।

    কি আশ্চর্য্য! সত্যসত্যই রমেন্দ্রবাবু কক্ষমধ্যে প্রবিষ্ট হইলেন! তিনি ধীর পাদবিক্ষেপে অগ্রসর হইয়া নাড়ী পরীক্ষার জন্য হেমাঙ্গিনীর করধারণ করিলেন। সতীশ বাবুর দৃষ্টি সহসা তাঁহার উপরে নিপতিত হইল। যুগপৎ ভীতি, বিস্ময় ও আনন্দে তাঁহার বানিষ্পত্তি হইল না।

    রমেন্দ্র বাবু বুঝিতে পারিয়া বলিলেন—”আমি মরি নাই, বাঁচিয়া আছি। আজ আপনাদের এই উৎসবে যোগদানের লোভ সংবরণ করিতে না পারিয়া বরাবর চলিয়া অসিয়াছি। ব্যস্ত বা ভীত হইবেন না সতীশবাবু, ইনি এখনই সুস্থ হইবেন।”

    “আপনাকে কি বলিয়া সম্বোধন করিব বুঝিতে পারিতেছি না। আমি আপনার নিকটে বড়ই অপরাধী। নিতান্ত সৌভাগ্যবলে আবার আপনাকে দেখিতে পাইলাম। ধন্য ভগবান্।”

    “কিছু না সতীশবাবু। সব কেবল ভুল—আপনি ভুল করিয়াছিলেন, আমি ভুল করিয়াছিলাম, আপনার পত্নীও ভুল করিয়াছিলেন। তাই আমরা সকলেই সমুচিত ভুগিয়াছি। এখন আমাদের ভ্রম ভাঙ্গিয়াছে, আশা করি সকলেই এবার সুখী হইব।”

    “আমি বিষম ভ্রমে পতিত হইয়াছিলাম তাহা বেশ বুঝিয়াছি—অস্থিতে অস্থিতে মজ্জায় মজ্জায়, উহার উপলব্ধি করিয়াছি। হেমও ভুল করিয়াছিল, বটে! কিন্তু আপনি কি ভুল করিয়াছিলেন, ডাক্তারবাবু?”

    আমি কি ভুল করিয়াছিলাম? আমার এই বিষম ভুলের জন্যই ত নিরর্থক আপনাদিগকে, মধুপুর শুদ্ধ লোককে, এত কষ্ট পাইতে হইয়াছে। পশ্চাদ্দিক্ হইতে হঠাৎ একটা লাঠীর আঘাতে আমি একেবারে নিঃসংজ্ঞ প্রায় হইয়া পড়িয়াছিলাম, তারপর একটু সংবিৎ প্রাপ্ত হইয়াই আপনাকে আমার সম্মুখে দেখিয়া আমি নিতান্ত অবাক্ ও ম্রিয়মাণ হইয়া পড়িলাম, মনে হইল আপনিই আমাকে আঘাত করিয়াছেন, নতুবা আমাকে তাদৃশ অবস্থায় ফেলিয়া আপনি তৎক্ষণাৎ পলাইবেন কেন? আপনি কেন হঠাৎ এরূপ নৃশংস আচরণ করিলেন তাহা তৎক্ষণাৎ বুঝিয়া উঠিতে পারিলাম না। কিন্তু আপনি চলিয়া গেলে আপনার বিবাহের পূর্ব্ববর্ত্তী বৃত্তান্ত সকলই আমার মনে আসিতে লাগিল এবং আমি বেশ বুঝিলাম যে গুরুতর ঈর্ষায় অন্ধ হইয়া আপনি আমাকে হত্যা করিবার মানসে এইরূপ দারুণ যষ্টির প্রহার করিয়াছিলেন। এই ভাব মনে উদিত হইবামাত্রই সংসারের উপর অত্যন্ত বিতৃষ্ণা জন্মিল, মাৰ্জ্জনা করিবেন সতীশবাবু, আপনার উপরেও আমার অত্যন্ত ঘৃণা হইল, কেননা আমি জানি আপনি আপনার স্ত্রীকে প্রাণাপেক্ষা ভালবাসেন। যে পত্নীকে প্রাণের চাইতে ভালবাসে সে কি তাহার উপরে পরপুরুষাসক্তির সন্দেহ করিতে পারে? কারণ, প্রকৃত প্রেম ও ভালবাসায় কামসক্তি নাই, সুতরাং তাহাতে ঈর্ষা বা সন্দেহেরও স্থান নাই। আমি আপনার সম্বন্ধে বড়ই সঙ্কীর্ণ অভিমত হৃদয়ে পোষণ করিলাম।”

    সতীশচন্দ্ৰ বাধা দিয়া বলিলেন—”আপনি ঠিক ধারণাই করিয়াছিলেন, ডাক্তারবাবু। আমি হেমকে পূর্ব্বে ঠিক প্রকৃত ভালবাসি নাই, কেবল তাহার রূপজ মোহে আচ্ছন্ন ছিলাম মাত্র, তাই পদে পদে ঈর্ষা, সন্দেহ, দ্বেষ আসিয়া আমাকে সময় সময় পশুরও হেয় করিয়া তুলিত। বলিতে কি ডাক্তরবাবু, দাম্পত্য কি, সহধৰ্ম্মণী কি—কিছুই আগে বুঝি নাই। কেবল ভোগ ও বাসনা পরিপূর্ত্তি লইয়াই ব্যস্ত ছিলাম। এতদিনে চোখ ফুটিয়াছে—সহধৰ্ম্মিণীকে চিনিয়াছি। বলুন, রমেন্দ্রবাবু, তারপর?

    রমেন্দ্র। তারপর মনে করিলাম, আমি এক্ষণে আপনাদের আবার দেখা দিলে, আপনার ঈর্ষা এখন শুধু ক্রোধে ও হিংসায় পরিণত হইবে, আর সাধ্বী হেমাঙ্গিনীর ক্লেশ ও অশান্তির পরিসীমা থাকিবে না। তৎপরিবর্তে আমি যদি, যতদিন আপনারা মধুপুরে থাকিবেন, ততদিন কোথায়ও অন্য আপনাদের অবিদিত হইয়া থাকি, তাহা হইলে আমি আর জীবিত নাই জানিয়া আপনি নিশ্চিন্ত থাকিবেন—আপনার পত্নীরও অশান্তির কোন কারণ থাকিবে না। কিন্তু আমি পলাইয়া গিয়াছি এরূপ হইলে এখানে অনেক কথা উঠিতে পারে, এমনকি সাধ্বী হেমাঙ্গিনীর সম্বন্ধেও নানা কথা প্রচার হইতে পারে, তাহাতে শুধু অশান্তি বাড়িবে বই কমিবে না। তাই আমি পকেট হইতে মাত্র দশখানি দশ টাকার নোট লইয়াই, (আমার সঙ্গে সেদিন অনেক গুলি টাকা ছিল) আমার সমুদয় পোষাক ইত্যাদি ফেলিয়া রাখিয়া সেইখানেই পতিত একখণ্ড জীর্ণবস্ত্র পরিধান করিয়া গিরিধীর পথে অদৃশ্য হইয়া যাই।

    সতীশবাবু। সে কি রকম! আপনার মৃতদেহ মধুপুর বাসী সকলেই চাক্ষুষ দেখিয়াছে—পুলিশ পরীক্ষান্তে উহা রীতিমত শ্মশানে দগ্ধ হইয়াছে?

    রমেন্দ্র। তাহা হইয়াছে বটে। আশ্চর্য্য হইবেন না সতীশবাবু—এখানে কাকতাল সংযোগ ঘটিয়াছে।

    সতীশবাবু। কিরূপ? ডাক্তারবাবু একি রহস্য-যবনিকা আপনি উত্তোলিত করিতেছেন?

    ঠিক এই সময়ে কলিকাতার সুবিখ্যাত গোয়েন্দা মহাশয় নিমন্ত্রণারক্ষার জন্য সেখানে উপস্থিত হইলেন। তিনি রমেন্দ্রবাবুকে দেখিবামাত্র পকেট হইতে একখানি ফটো বাহির করিয়া কিয়ৎক্ষণ তৎপ্রতি দৃষ্টিপাত করিলেন, তারপর বলিলেন—”মাপ করিবেন সতীশ বাবু, হরেন্দ্র বিশ্বাস, আমি তোমাকে দণ্ডবিধি আইনের বিধি অনুসারে বাগবাজার নিবাসীনী শ্রীমতী বিলাসিনীর হত্যাপরাধে ধৃত করিতেছি।” এই বলিয়াই তিনি রমেন্দ্রবাবুর দক্ষিণ হস্ত দৃঢ়মুষ্টিতে ধারণ করিলেন। রমেন্দ্রবাবু কোনও কথা বলিলেন না।

    সতীশবাবু বিস্ময়ে অবাক্ হইয়া রহিলেন। এই সময়ে হেমাঙ্গিনীর সম্পূর্ণ জ্ঞান সঞ্চার হইল এবং প্রফুল্লবাবু প্রভৃতি অন্যান্য নিমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ আসিয়া পৌঁছিলেন। এদিকে অনেকক্ষণ যাবৎ হেমাঙ্গিনী ও সতীশবাবুকে না দেখিতে পাইয়া পিসীমা ও সুধাংশু তাঁহাদের খোঁজে হল ঘরে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। সকলেই সম্মুখে রমেন্দ্রবাবুকে দেখিয়া যুগপৎ ভীতি, বিস্ময় ও আনন্দে নিৰ্ব্বাক্ হইয়া রহিলেন। আবার গোয়েন্দা পুলিশ মহাশয়ের হস্তে রমেন্দ্রনাথের দক্ষিণ হস্ত সুদৃঢ় ধৃত দেখিয়া তাঁহাদের বিস্ময়ের আর সীমা রহিল না। সকলেই ব্যাপার কি জানিবার জন্য রমেন্দ্রবাবুর মুখ প্রতি সোৎসুক কৌতুহলপূর্ণ নেত্রে চাহিলেন।

    রমেন্দ্রবাবু। ডিটেকটিভ বাবু ব্যস্ত হইবেন না—আপনারা এ রহস্যের কিনারায়ও আসিতে পারেন নাই। আমি যখন দেখিলাম আমারই মৃতদেহ সকলে যথারীতি সৎকার করিয়া ঘরে ফিরিল, তখন তলাইয়া দেখিবার জন্য আমার বেশ একটু আগ্রহ হইল। ঘটনা পরম্পরা বেশ রহস্যময়ই বটে। আমি পশ্চাৎ সন্ধানে জানিয়াছি, ঠিক আমারই মত চেহারার আর কে ব্যক্তির মৃতদেহ আমার পরিত্যক্ত পরিচ্ছদে সজ্জিত ঠিক আমি যেখানে পড়িয়াছিলাম, সেই খানেই আমার ভৃত্য দেখিতে পাইয়াছিল। লাসের সমুদয় মুখখানি রক্তমাখা মাটীতে লিপ্ত ছিল বলিয়া আমি কি আমার ঠিক হুবহু একাকার অপর ব্যক্তি ইহা কেহই ঠিক করিতে পারেন নাই, আর কাহারও অন্য ব্যক্তি বলিয়া আদৌ সন্দেহও হয় নাই।

    সতীশ। ডাক্তারবাবু, আপনি দেখিতেছি এক অপূর্ব কাহিনীর সূচনা করিয়া তুলিয়াছেন? এরূপ ব্যাপার ত অদ্ভুত গোয়েন্দা কাহনীতেও শুনি নাই?

    রমেন্দ্র। এ ঘটনা প্রকৃত হইলেও গোয়েন্দার অদ্ভুত কল্পনাময় উপন্যাসকে ছাপাইয়া গিয়াছে বটে। আমি বিশেষ অনুসন্ধানে জানিলাম, হরেন্দ্র বিশ্বাস নামক ঠিক আমারই চেহারার এক ব্যক্তি কলিকাতার বাগবাজার হইতে একটি যুবতী বিধবা সালঙ্কারা ভদ্রমহিলাকে প্রলোভিত করিয়া যামতাড়ায় আনিয়া, কিছুদিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রীভাবে উভয়ে তথায় বাস করিতেছিল। হঠাৎ কি কারণে কলহ হওয়ায় ঠিক আমাদের ঘটনার দিনই বিশ্বাসমহাশয় সন্ধ্যাবেলা প্রণয়িণীকে হত্যা করিয়া তাহার সমুদয় গহনা ও নগদ টাকা কড়ি লইয়া পদব্রজে মধুপুরে আসিতে আসিতে মধুপুরের মাঠে এই দোষাদদের হস্তেই নিহত হন। দেষাদেরা অকুস্থানে পুনরায় আসিয়া আমাকে দেখিতে না পাইয়া সেই হরেন্দ্র বিশ্বাসকে আমার পোষাকে সজ্জিত করিয়া সেখানে রাখিয়া দেয়।

    সতীশবাবু। অদ্ভুত কাহিনী! এ যে আরব্যোপন্যাসকেও অতিক্রম করিতেছে? তবে দোষাদদের এরূপ করিবার উদ্দেশ্য কি?

    রমেন্দ্র। দোষাদেরা ধড়ীবাজ দস্যু—পুলিশের চোক্ষে ধুলি দিবার উদ্দেশ্যেই এরূপ করিয়াছিল। তাহারা মনে করিল আমার লাশ কেহ সরাইয়া অন্যতর লইয়া গিয়াছে, আর এই নূতন লাশ ও ঠিক আমার চেহারার, অথচ বিদেশী, ইহার হত্যাকাণ্ড কেহই জানেনা, সুতরাং আমার পোষাকে সজ্জিত করিয়া রাখিয়া দিলে কেহই অন্য ব্যক্তি বলিয়া সহজে ধরিতে পারিবে না। সুতরাং একটা খুন চাপিয়া যাইবে, আর বস্তুতঃ তাহাই হইয়াছে।

    তখন গোয়েন্দা পুলিশ মহাশয় নিতান্ত লজ্জিত হইয়া রমেন্দ্রবাবুর নিকটে পুনঃ পুনঃ ক্ষমা ভিক্ষা চাহিলেন। তিনি বলিলেন, তিনি অনেক জটিল খুনের অনুসন্ধান করিয়া হত্যাকারীকে ধৃত করিয়াছেন, কিন্তু তাঁহার জীবনে এরূপ অপ্রস্তুত আর কখনও হন নাই। তিনি সেইদিন হইতে গোয়েন্দার কৰ্ম্ম ছাড়িয়া দিবেন প্রতিজ্ঞা করিলেন।

    বলা বাহুল্য রমেন্দ্রবাবুকে সেদিন প্রত্যেককে পৃথক্ ভাবে অনেকবার নিজের কাহিনী বলিতে হইয়াছিল। তিনি অবশেষে সতীশবাবু ও হেমাঙ্গিনীকে নিৰ্জ্জনে তাঁহাদের সমুদয় ভুল ভাঙ্গাইয়া দিয়াছিলেন—তিনি যে সুমুদায় জানিয়াই আজ প্রীতি-ভোজের দিন সেখানে আসিয়াছেন তাহা তাঁহাদের বেশ করিয়া বুঝাইয়া দিলেন, সুতরাং সেদিনকার প্রীতি-ভোজটি সম্পূর্ণরূপে সকলের পূর্ণপ্রীতিপদ হইয়াছিল।

    হেমাঙ্গিনীর যত্নে ও উৎসাহে শীঘ্রই প্রফুল্লবাবুর কন্যার সঙ্গে রমেন্দ্রনাথের শুভবিবাহ হইয়া গেল। এই বিবাহে হেমাঙ্গিনী সুশীলাকে এক ছড়া হীরার পুষ্পহার উপহার দিয়াছিলেন, তাহার মটো ছিল—’পতি বিনা রমনীর কিছু নাহি আর’। সতীশচন্দ্রও রমেন্দ্রবাবুকে এক ছড়া চেইন হার উপহার দিয়াছিলেন, তাহার মটো ছিল—অৰ্দ্ধাং ভাৰ্য্যা মনুষ্যস্য ভাৰ্য্যা শ্রেষ্ঠতমঃ সখা’। রমেন্দ্রের মাতা নবদম্পতীকে আশীর্ব্বাদ করিতে করিতে আজি মন খুলিয়া হেমাঙ্গিনীকে আশীর্ব্বাদ করিলেন—”মা তুমি পতির সহধর্মিণী হও”।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঁচকড়ি দে রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article মৃত্যু-রঙ্গিনী – পাঁচকড়ি দে

    Related Articles

    পাঁচকড়ি দে

    নীলবসনা সুন্দরী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবিনী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যাকারী কে – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    গোবিন্দরাম – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যা-রহস্য – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }