Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প936 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. অমরনাথের শরীর

    অমরনাথের শরীর বয়সের তুলনায় বেশি বুড়িয়ে যাচ্ছিল। আজকাল একটুতেই মাথা ঘোরে, প্রেশার বেড়ে গিয়েছে খুব। চিন্তা করলেই মাথার যন্ত্রণা শুরু হয়। বাগানের ডাক্তার ছুটি নেবার পরামর্শ দিয়েছিলেন, পনেরো দিন একদম বিশ্রামে থাকতে হবে, চিন্তা করলে চলবে না। দীপাকে নিয়ে যে-সমস্যা তিনি তৈরি করেছিলেন তার ধাক্কা সামলানোই যখন মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছিল, ঠিক তখনই মৃত পিতা ফিরে এলেন সন্ন্যাসের শেষ বাধা পার হতে। ব্যাপারটাকে মেনে নিতে তাঁর খুব কষ্ট হয়েছিল। পরেরদিন সকালে সর্বত্র খোঁজ করেও তিনি সন্ন্যাসীর দর্শন পাননি। অথচ মনোরমার দিকে তাকিয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। মনোরমা যেন ঘটনাটা সম্পর্কে একদম নির্বিকার। তিনি মানতেই রাজি নন যে তাঁর স্বামী জীবিত, এবং এই বাড়িতে এসেছিলেন। বিধবার যা যা করণীয় তাই নিষ্ঠার সঙ্গে করে চলেছেন তিনি।

    এখন অনেকটা অজান্তেই দীপার কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন অমরনাথ। চিঠিপত্র আর লেখেন না। সেই ভার দিয়েছেন অঞ্জলিকে। সে-ই মেয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে। জলপাইগুড়িতে বন্যার খবর পেয়ে অত্যন্ত বিচলিত বোধ করেছিলেন। খবরটা এসেছিল সন্ধেবেলা। সেদিন রেডিয়োতে শুনেছিলেন। সন্ধে নামলে যাওয়ার উপায় নেই। সারারাত ছটফট করেছিলেন। সক্কালবেলায় বানারহাট মালবাজার সেবক হয়ে শিলিগুড়িতে পৌঁছে শুনেছিলেন সেদিন যাওয়া হবে না। পরের দিন মেয়ের কাছে এক হাঁটু কাদা মেখে পৌঁছে বলেছিলেন, ‘তোমার মা বললেন এখানে অসুবিধে হলে আমার সঙ্গে চা বাগানে চলে আসতে।’

    দীপা মাথা নেড়ে বলেছিল তার কোনও অসুবিধে হচ্ছে না। অমরনাথ সেদিনই আবার ঘুরপথে ফিরে গিয়েছিলেন চা বাগানে। মাথা ঘোরা আরম্ভ হয়েছিল তখন থেকেই। দীপা এবার ফাইন্যাল পরীক্ষা দিচ্ছে। অঞ্জলি একাই দু’দিন ঘুরে এসেছে। বাগানের ডাক্তারের ওষুধে অমরনাথের শরীর ভাল হচ্ছে না। বাঁদিকের বুকে প্রায়ই ব্যথা হচ্ছে। বাগানের ডাক্তার এবার পরামর্শ দিলেন কোনও স্পেশালিস্টকে একবার দেখাতে।

    জলপাইগুড়ি শহরে এইসময় বুকের বিশেষজ্ঞ তেমন কেউ নেই, শিলিগুড়িতে আছেন। কিন্তু অনেক আলোচনার পর স্থির হল শিলিগুড়িতে যাওয়ার চেয়ে কলকাতায় গিয়ে চিকিৎসা করানো ঢের ভাল। থাকা খাওয়ার খরচ এক, তা ছাড়া আরও ভাল চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানো যাবে। অঞ্জলি তার দাদা সুভাষচন্দ্রকে চিঠি লিখল। দীপার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলেই তারা দিন সাতেকের জন্যে অমরনাথকে নিয়ে কলকাতায় যেতে চায় তার চিকিৎসার জন্যে। সুভাষচন্দ্র চটপট উত্তর দিলেন, ‘সাত দিনের জন্যে কোনও অসুবিধে নেই।’

    এই লাইনটা অমরনাথ অপছন্দ করলেন। চিকিৎসার প্রয়োজনে সাত দিনের বেশি থাকলে সুভাষচন্দ্র যে অসুবিধায় পড়বেন তা লাইনটিতে স্পষ্ট! কলকাতায় সাধারণ মানুষের বাসস্থানের সমস্যা প্রকট তা তিনি জানেন। যদিও সুভাষচন্দ্র যখন এখানে আসেন এবং বেশ কিছুদিন থেকে যান, তখন তাঁর আচরণে সেটা বোঝা যায় না। অঞ্জলি তাঁকে লিখেছে যদি অল্প ভাড়ায় মাসখানেকের জন্যে একটা বাড়ি পাওয়া যায় তা হলে খুব ভাল হয়।

    ছেলের জন্যে মনোরমাও উদ্বিগ্ন হয়েছেন। যদিও কলকাতায় চিকিৎসার জন্যে যাওয়ার প্রস্তাবে তাঁর কিছুটা অস্বস্তি হয়েছে। বউমার দাদার বাড়িতে গিয়ে থাকার বাসনা বিন্দুমাত্র নেই। অবশ্য এখনও কেউ তাঁকে যেতে বলেনি। সমস্ত কিছুর উদ্যোগ অঞ্জলিই নিচ্ছে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে আলোচনা করে। ইতিমধ্যে বাড়িতে সবাই বুঝতে পেরেছে যে করেই হোক অমরনাথকে সুস্থ করা দরকার। এই পরিবারের প্রতিটি মানুষের ভবিষ্যৎ ওই একটি জীবনের ওপর নির্ভর করছে। মনোরমার উদ্বেগ তাই মাঝে মাঝে মাত্রা ছাড়াচ্ছে। অঞ্জলির কাছে সেটা এখন বিরক্তিকর মনে হচ্ছে। শেষপর্যন্ত অঞ্জলি মনোরমাকে বলতে বাধ্য হল, ‘মা, ওঁকে নিয়ে কলকাতায় কতদিন থাকতে হবে বুঝতে পারছি না। ওখানে তো আপনার জন্যে আলাদা ব্যবস্থা করা যাবে না।’

    মনোরমা চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন, ‘জলপাইগুড়িতে ভাল ডাক্তার নেই?’

    ‘থাকলে কেউ সাধ করে অতদূর যায়?’ অঞ্জলি তখনই কথা শেষ করেছিল। তার হঠাৎই মনোরমার জন্যে কষ্ট হল। অমরনাথ ওঁর একমাত্র পুত্র। অঞ্জলি নিজের দুই ছেলের একজনের এমন হলে ছেড়ে দিয়ে দূরে থাকতে পারত? অসম্ভব। অঞ্জলির সন্ন্যাসীর কথাও মনে পড়ল। এ-ব্যাপার নিয়ে আর কোনও আলোচনা এই বাড়িতে না হলেও অঞ্জলির বিশ্বাস, ভদ্রলোককে মনোরমা চিনতে পেরেও না চেনার ভান করেছেন। কেন করেছেন সেটা বুঝতে অসুবিধে হয় না। কিন্তু করার সময় এবং তার পরে বুকের মধ্যে যে-যন্ত্রণা নিয়ে উনি আছেন তার কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু কোথায় ওঠা হবে, কীরকম পরিবেশ হবে, না জেনে ওঁকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব?

    বিকেলের ডাকে দুটি চিঠি এল। দীপার পরীক্ষা সামনের সপ্তাহে। সে তৈরি। দ্বিতীয় চিঠিটা লিখেছেন সুভাষচন্দ্র। কলকাতার মেডিকেল কলেজের হার্ট স্পেশালিস্টের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করা হয়েছে। এখানে নামকরা ডাক্তারদের দেখা একমাস আগে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। সুভাষচন্দ্রের এক পরিচিত ভদ্রলোক মির্জাপুর স্ট্রিটে থাকেন। তাঁর বাসায় দুটো ঘর পাওয়া যাবে। তবে তাঁকে অন্তত দু’মাসের ভাড়া দিতে হবে। মাসিক দেড়শো টাকা। কলকাতায় পৌঁছাবার দিন জানালে সুভাষচন্দ্র স্টেশনে থাকতে পারবেন।

    চিঠিটা পড়ে অমরনাথ স্বস্তি পেলেন। যদিও দেড়শো টাকা মাসিক ভাড়া তাঁর কাছে যথেষ্ট বেশি তবু এই টাকা কোনওমতে ব্যবস্থা করা যাবে। যাতায়াতের ভাড়া অফিস থেকে পাওয়া যাবে। দু’বছর অন্তর বেড়ানোর জন্যে একটা নির্দিষ্ট টাকা পাওয়া যায় অফিস থেকে। অনেকেই সেটা নিয়ে বাড়িতে বসে থাকে। চিকিৎসার খরচ চেষ্টা করলে কিছুটা অন্তত পাওয়া যাবে। বেশিরভাগ চা-বাগানগুলোর হেডঅফিস কলকাতায়। এখন যিনি হেডঅফিসের মেজকর্তা তিনি একসময় এই চা-বাগানে নিয়মিত ট্যুরে আসতেন। ভাল আলাপ আছে অমরনাথের সঙ্গে। মিস্টার মুখোপাধ্যায় বলে সম্বোধন করেন তাঁকে। গিয়ে দাঁড়ালে তিনি নিশ্চয়ই না বলতে পারবেন না। নিজের শরীরের বদলে অমরনাথের এবার দীপার জন্যে চিন্তা শুরু হল। যা ঝড় গেল মেয়েটার ওপর দিয়ে তাতে পরীক্ষার ফল আর কত ভাল হতে পারে। জলপাইগুড়ি থেকে গ্র্যাজুয়েট হলে স্কুলে একটা চাকরি পেতে পারে মেয়েটা। কলকাতায় ডাক্তার স্থির হবার খবর পেয়েই মনে হতে লাগল শরীর অনেক ভাল হয়ে গিয়েছে।

    রাত্রে খাওয়াদাওয়ার পর অঞ্জলি মনোরমার ঘরের দরজায় শব্দ করল। দীপা না থাকলে রাত ন’টার মধ্যে দরজা বন্ধ করেন তিনি। চাপা গলায় প্রশ্ন এল, ‘কে?’

    ‘আমি।’ অঞ্জলি নিচু গলায় জানান দিল।

    মনোরমা দরজা খুলে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী হয়েছে?’

    অঞ্জলি ভেতরে ঢুকল, ‘দাদার চিঠি এসেছে আজ। আমাদের জন্যে দুটো ঘর ভাড়া করেছেন। আমার একার পক্ষে সবদিক সামলে চলা মুশকিল হবে—।’

    ‘দীপা তো যাচ্ছে। সে বেশ বড় হয়ে গিয়েছে আজকাল।’

    ‘কিন্তু আমার ইচ্ছে আপনি আমার সঙ্গে চলুন। আমি ভরসা পাই তা হলে।’

    ‘আমাকে কেন যেতে বলছ? তোমাদের সমস্যা বাড়বে।’ মনোরমা মুখ ফেরালেন।

    ‘দুটো ঘর আছে। আপনি আপনার ছেলের সঙ্গে একটা ঘরে থাকবেন। এতে কোনও সমস্যা হবে না। বরং আমাকে যদি বেরুতে হয় আপনি ওঁর পাশে থাকতে পারবেন।

    মনোরমা চুপ করে রইলেন। অঞ্জলি তাঁর দিকে তাকিয়েছিল। উত্তর না পেয়ে বলল, ‘মা, আপনি চলুন। এখানে একা থাকলে চিন্তাই করে যাবেন, কষ্ট বাড়বে। ওখানে আমি চেষ্টা করব আপনার জন্যে আলাদা ব্যবস্থা করে দিতে।’

    মনোরমা মাথা নাড়লেন, ‘আমার জন্যে আলাদা ব্যবস্থা করতে হবে না।’

    ‘মানে?’ অঞ্জলি অবাক।

    ‘বিদেশে গিয়ে নিয়ম মানার কোনও দরকার নেই।’

    ‘কিন্তু আপনার ছেলের জন্যে মাছ মাংস রাঁধতে হতে পারে।’

    ‘আগে নিরামিষ করে নিয়ে পরে ওসব কোরো।’

    অঞ্জলি মাথা নাড়ল। তার খুব অবাক লাগছিল। মনোরমা এত পালটে গেলেন কী করে? নাকি নিজের বাসনা পূর্ণ করতে শেষপর্যন্ত এইটুকু মেনে নিলেন। এখন এখানে যে ছোঁয়াছুঁয়ি বাঁচানোর চেষ্টা করে চলেছেন সেটাও স্বচ্ছন্দে বিস্মৃত হলেন। স্বচ্ছন্দে কি? অঞ্জলি বুঝতে পারল না।

    ‘কবে যাবে?’ মনোরমা প্রশ্ন করলেন।

    ‘দীপার পরীক্ষার পরেই।’

    ‘এ-বাড়ির কী হবে?’

    ‘বুধুয়া আছে। ওই দেখাশোনা করবে। পাশের বাড়িকেও বলে যাব।’

    ‘খোকা কি চাইছে আমি যাই?’

    ‘ওঁর সঙ্গে আমার এ ব্যাপারে কথা হয়নি। কলকাতায় যেতে গেলে আপনার কী কী জিনিস কিনতে হবে তার একটা ফর্দ করে রাখবেন। আমি দীপার পরীক্ষার দিন জলপাইগুড়িতে যাব, তখন কিনে আনব।’ অঞ্জলি ঘর থেকে বেরিয়ে এল। ওর মন এখন ভাল।

    পরীক্ষার শেষ দিনে হস্টেলে ফিরে এসে দীপা দেখল অঞ্জলি তার জন্যে বসে আছে। পরীক্ষার আগেই তার আসার ইচ্ছে ছিল কিন্তু সেইসময় অমরনাথ আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। একটু ভাল লাগলেই ছুটি বাঁচাতে কাজে বেরুতেন তিনি। দিন পাঁচ-ছয় মোটামুটি চলত। তারপর আর পারতেন না। এ-ব্যাপারে অঞ্জলির নিষেধ শোনার মানুষ তিনি নন। এইরকমটাই হয়েছিল কয়েকদিন আগে। ফলে অঞ্জলির আর জলপাইগুড়িতে আসা হয়নি। কিন্তু এই খবর মেয়েকে না জানিয়ে অন্য কথা লিখেছিল চিঠিতে। আজ মাকে দেখে খুশি হল দীপা। দ্রুত কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, ‘বাবা কেমন আছে মা?’

    অঞ্জলি বলল, ‘ভাল না। বুকের ব্যথাটা কিছুতেই কমছে না। ওষুধ খেলে ভাল থাকছে, না খেলে যে-কে সেই। তোর পরীক্ষা কেমন হল?’

    ‘হল। আমরা কলকাতায় যাচ্ছি কবে?’

    অঞ্জলি যা যা ঘটেছে তা দীপাকে খুলে বলল। বলতে বলতে হঠাৎ তার ধারণা হল সেই একদিনের বাচ্চা মেয়ে আজ অনেক বড় হয়ে গিয়েছে। ঠিক মেয়ে নয়, বন্ধুর মতো এর সঙ্গে সব কথা খুলে বলা যায়। সংসারের যাবতীয় অর্থচিন্তা, অমরনাথের কিছু হয়ে গেলে যে বিপর্যয় আসবে সেসব ভাবনাও অকপটে বলতে পারল সে।

    দীপা গম্ভীর হয়ে মাথা নাড়ল, ‘তুমি আগ বাড়িয়ে এতসব ভাবছ কেন? ভাল চিকিৎসা হলে বাবা ঠিক হয়ে যাবে। আমার মনে হচ্ছে কলকাতায় গিয়ে মামার ওখানে না উঠে সোজা ওই ভাড়াবাড়িতে উঠলে ভাল হয়।’

    ‘কেন?’

    ‘এতে মামার সঙ্গে সম্পর্ক ভাল থাকবে।’

    অঞ্জলির ব্যাপারটা পছন্দ হল না। একথা ঠিক সুভাষচন্দ্র নিজেই তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। প্রতি নববর্ষে এবং বিজয়াতে অঞ্জলি চিঠি দিয়েছে এই বছরগুলো ধরে এবং সেইসব চিঠিতে বউদিকেও প্রণাম জানিয়েছে। কিন্তু সেই মহিলার কাছ থেকে কোনও চিঠি আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। যেহেতু অঞ্জলির মা একসময় ওই মহিলাকে অপছন্দ করতেন তাই তিনি নিজেকে নির্লিপ্ত রেখেছেন। আর অমরনাথও গায়ে পড়ে ওঁদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে যাননি। অঞ্জলি দু’-একবার বলেছিল কিন্তু অমরনাথ উৎসাহিত হননি। কথাটা অপছন্দ হলেও মেয়ের বুদ্ধিতে আস্থা বাড়ল তার। সেইদিন বিকেলে যা-কিছু কেনাকাটা করে মেয়েকে নিয়ে ফিরে এল সে চা-বাগানে।

    বাড়িতে ঢুকে অমরনাথের সামনে দাঁড়াল দীপা। অমরনাথ ইজিচেয়ারে শুয়ে জানলা দিয়ে লিচুগাছের দিকে তাকিয়ে ছিলেন, পায়ের শব্দে মুখ ফেরালেন। মুখ সহজ করে জানতে চাইলেন, ‘কেমন হল?’

    ‘পাশ করব।’

    ‘একবার সত্যসাধন মাস্টারের সঙ্গে দেখা করে এসো। কাল শ্যামল এসে বলল ওঁর শরীর খুব খারাপ। তোমার পড়াশুনার পেছনে ওঁর দান সবচেয়ে বেশি।’

    দীপা মাথা নাড়ল। তারপর জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কেমন আছ?’

    ‘আমি ভাল আছি। তোমার মা ঠাকুমা অনর্থক চিন্তা করছেন। তুমি তো এঁদের মতো মানুষ হওনি, তুমি নিশ্চয়ই বুঝবে এসব চিন্তার কারণ কী।’

    ‘তুমি কী ভেবেছ?’

    ‘শিবপরের বোটানিক্যাল গার্ডেনে একটা বটগাছ আছে। গাছটা যখন প্রথম বড় হয়েছিল তখন তার মূল গুঁড়ির ওপর সমস্ত শরীরটা দাড়িয়েছিল। আস্তে আস্তে বিভিন্ন ডাল থেকে ঝুরি নামতে নামতে সেগুলো মাটিতে শেকড় ছড়িয়ে নিজেরাই এক একটা গাছ হয়ে গেল। কিন্তু যতদিন সেটা হয়নি ততদিন মূল গাছটির গোড়ার ওপর তার জীবন নির্ভর করত। আমি জানি আমার বেঁচে থাকার প্রয়োজন অনেকটা এই কারণেই। তুমি এবং তোমার ভাইরা যতদিন পায়ের তলায় মাটি না পাবে ততদিন আমাকে বেঁচে থাকতে হবে। এটা শুধু এঁদের আকাঙক্ষা নয়, আমারও। যাও বিশ্রাম করো। দীপার মনে হল বিশ্রামটা অমরনাথের দরকার। একটানা কথা বলে তিনি কাহিল হয়ে পড়েছেন। মুখে ক্লান্তি জমেছে, নিশ্বাস দ্রুত হল। সে আর দাঁড়াল না।

    দুই ভাই এখন পূর্ণ কিশোর। একসঙ্গে থেকেও ওরা চিরকালই দীপার থেকে আলাদা স্বভাব নিয়ে রয়েছে। দু’জনেই খুব উত্তেজিত হয়ে রয়েছে। কলকাতার দ্রষ্টব্য স্থানগুলোর লিস্ট করে রেখেছে। এই বয়সে বাবার অসুখ নিয়ে ভাবার মতো মানসিকতা এদের তৈরি হয়নি। অথচ ওই বয়সে তার বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। ছেলেরা সম্ভবত অনেক সময় নেয় প্রাপ্তবয়স্ক হতে।

    মনোরমার ঘরে ঢুকে সে বিছানায় ধপ করে বসেই আবার লাফিয়ে উঠল, ‘এই যাঃ।’

    মনোরমা নাড়ু বানাচ্ছিলেন। অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী হল?’

    ‘বাইরের কাপড়ে বিছানায় বসে পড়েছিলাম।’

    ‘ও।’ মনোরমা মুখ ফেরালেন, ‘এখন তো ভেতর বাইরে বিচার করলে চলবে না। বসেছ যখন তখন বসো। বিদ্যাধরীর বিদ্যা কতদূর হল?’

    ‘ইন্টারমিডিয়েটটা পাশ করে যাব মনে হচ্ছে।’

    ‘গ্রাজুয়েট হতে হলে আর কতদিন পড়তে হবে?’

    ‘দু’বছর।’

    ‘ওরে বাবা। তা যাই বলিস, তুই যে পরীক্ষা দিলি আমাদের বংশের কোনও মেয়ে দূরের কথা ছেলেরাই ওই পরীক্ষা দেয়নি।’ গর্বের হাসি হাসলেন মনোরমা।

    দীপা এক পলক দেখল। তারপর ইচ্ছে করেই বলল, ‘আমি তোমাদের বংশের কেউ নই।’

    ‘তা তো বলবেই। নিজের ছানা ভেবে বড় করে এখন তো কোকিলের ডাক শুনব।’

    শব্দ করে হেসে উঠল দীপা। এবং হাসতে হাসতে প্রায় চিৎকার করে উঠল, ‘ও ঠাকুমা, তুমি এটা কী বললে?’

    ‘কী হল, চেঁচাচ্ছিস কেন? তোর বাবার অসুখ খেয়াল নেই?’ মনোরমা অপ্রস্তুত।

    ‘আমি কোকিল হলে তোমরা, তুমি নিজেকে কাক বলছ।’

    এইসময় অঞ্জলি এসে দাঁড়ায় দরজায় চিৎকার এবং হাসি শুনে। মনোরমা তাকেই সাক্ষী মানলেন, ‘দ্যাখো বউমা, কলেজ থেকে ফিরে আমাকে জ্বালাতে এল।’

    অঞ্জলি ভ্রূ কোঁচকাল, ‘কী বলছিস তুই?’

    জবাবটা মনোরমাই দিলেন, ‘পড়াশুনো করে ওঁর শিক্ষা হয়েছে যে উনি আমাদের বংশের নন।’

    দীপা বড় চোখে তাকাল, ‘কথাটা মিথ্যে, বলো মা?’

    ‘এসব কথা উঠছে কেন?’ অঞ্জলির মুখ গম্ভীর হল।

    ‘কথার কথা। আমি তোমাদের বংশের নই কিন্তু আমার চেয়ে আপন তোমাদের কেউ নেই। আচ্ছা, আমরা কবে রওনা হচ্ছি?’ প্রশ্নটি মনোরমাকে। কারণ অঞ্জলি তাকে আগেই জানিয়েছিল বাগানের ম্যানেজার তাদের জন্যে টিকিট কাটতে শিলিগুড়িতে লোক পাঠিয়েছেন। খবরটা আজ দুপুরেই বাড়িতে পৌঁছে যাওয়ার কথা।

    মনোরমা মাথা নাড়লেন, ‘আমি জানি না তো। কেউ কিছু বলেনি।’

    দীপা অঞ্জলিকে বলল, ‘আমি একটু মাস্টারমশাইয়ের কাছ থেকে ঘুরে আসছি।’

    ‘কাল সকালে যাস না। এখনই সন্ধে হয়ে যাবে।’

    ‘যাব আর আসব।’ দীপা উঠোনে নেমে এল। সে দেখল বুধুয়া তার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। বুধুয়ার এখন মধ্যবয়স। দীপা জিজ্ঞাসা করল, ‘কেমন আছ?’

    বুধুয়া মাথা নাড়ল, ‘ভাল না। বউ ভেগে গিয়েছে।’

    ‘মানে?’ দীপা অবাক।

    ‘ছয় মাস আগে শাদি হয়েছিল। বানারহাটের মেয়ে। আমি চা-বাগানে কাজ করি না, বাবুবাড়িতে নোকর হয়ে আছি বলে থাকল না।’ বুধুয়া বিমর্ষ মুখে বলল।

    ‘তুমি তো বাবাকে বলে চা বাগানে চাকরি নিতে পারো?’

    ‘নাঃ। আমার ওইসব কাজ ভাল লাগে না?’

    দীপার কৌতূহল বাড়ছিল, ‘বউয়ের জন্যে তোমার মন কেমন করে না?’

    বুধুয়া দ্রুত মাথা নেড়ে নিঃশব্দে হ্যাঁ বলল।

    ‘তা হলে তুমি চা-বাগানে কাজ নিয়ে নাও।’

    বুধুয়া উদাস চোখে কাঁঠাল গাছের মাথায় তাকাল। সেখানে দুটো শালিক তর্ক জুড়েছে। দীপা আর দাঁড়াল না। খিড়কি দরজা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল। এখন ঘন বিকেল। মাঠে ছেলেরা খেলছে। বাগানের মেয়েরা সেজেগুজে দলবেঁধে মাঠের একধারে পাক খাচ্ছে। এরা নিতান্তই ঘোট। কিন্তু ভাবভঙ্গিতে ইতিমধ্যেই পাকামি এসে গিয়েছে। ওরা দূর থেকে দীপাকে দেখে দাড়িয়ে পড়ল। দীপা যেন ওদের লক্ষ করেনি এমন ভঙ্গিতে হেঁটে আসাম রোডে উঠে এল।

    মসৃণ পিচের রাস্তার দু’ধারে ছায়া টেনে আনা দেওদার গাছের সারি। এই রাস্তায় হাঁটতে দীপার খুব ভাল লাগছে আজ। কয়েকটি মদেশিয়া কামিন ওর দিকে তাকাতে তাকাতে চলে গেল। এবং তখনই সে বিশুর বাবা আর মাকে আসতে দেখল। এই চা-বাগানে যে রক্ষণশীল মানসিকতা এখনও চলে আসছে তাতে কোনও স্বামী-স্ত্রী, তা যে-বয়সেরই হোক না কেন, একসঙ্গে পথে হাঁটতে বড় একটা দেখা যায় না। মুখোমুখি হতেই দীপা দাঁড়িয়ে পড়ল, ‘কেমন আছেন জেঠিমা?’

    বিশুর মা মাথা নাড়লেন, ‘ভাল না। তুমি নিশ্চয়ই জানো বিশু মিলিটারিতে গিয়েছে।’

    ‘হ্যাঁ! ওরা যেদিন যায় সেদিনই বন্যা এসেছিল জলপাইগুড়িতে।’

    ‘ও, তুমি জানো তা হলো দুটো ছেলে একসঙ্গে গেল, খোকন ফিরে এল কিন্তু বিশু এল না। সে শুনেছি কাশ্মীর না কোথায় এখন আছে। দেড়মাস চিঠি পাইনি। তাই তোমার জ্যাঠামশাইকে নিয়ে তেলিপাড়ায় গিয়েছিলাম।’

    ‘তেলিপাড়ায় কেন?’

    ‘ওখানে একজন কাপালিক এসেছেন। ত্রিকালজ্ঞ। মারণ-উচাটন সবরকম বিদ্যে জানেন। তাঁর পায়ে পড়ে বললাম ছেলেটাকে ফিরিয়ে আনতে। উনি কথা দিয়েছেন। এখন কী আছে বরাতে কে জানে!’

    দীপা হাসি সামলাল বেশ চেষ্টা করে, ‘কিন্তু ফিরিয়ে আনতে চাইছেন কেন? ওর যদি ওই চাকরি ভাল লাগে তা হলে করতে দিন না।’

    ‘তারপর কোথায় শত্রুর গুলি খেয়ে মরে থাকুক, আমরা জানতেও পারব না। এ কী কথা বলছ তুমি?’ ভদ্রমহিলার গলার স্বর পালটে গেল।

    ‘মিলিটারিতে যদি কেউ চাকরি নিয়ে না যায় তা হলে আমাদের দেশকে শত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করবে কারা?’

    ‘ওসব কথা ভাবার লোক আছে, আমি চাই বিশু ফিরে আসুক।’ ওঁরা আর দাঁড়ালেন না। দীপা লক্ষ করল বিশুর বাবা তাকে কোনও প্রশ্ন করলেন না। বিশু নিশ্চয়ই ফিরে আসবে না। কিন্তু খোকন ফিরে এসেছে কেন? খোকনের চরিত্রের মধ্যে একটা মেয়েলি নরম ভাব ছিল। কিন্তু তাই বলে ভয় পেয়ে ফিরে আসবে সেটা কখনও মনে হয়নি।

    বাজারের রাস্তায় পৌঁছে দীপা দেখল প্রচুর অচেনা ছেলে এসে গিয়েছে এখানে। তারা শহরের ছেলেদের মতো রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে আড্ডা মারছে। এরকম দৃশ্য আগে এখানে দেখা যেত না। একটি ছেলেকে বলতে শুনল, ‘দারুণ জিনিস।’

    দীপা এক মুহূর্ত থমকে দাঁড়াল। ছেলেগুলোর দিকে তাকাল। ওরা সঙ্গে সঙ্গে মুখ ফিরিয়ে নিল। এদের সঙ্গে কথা বলতে যাওয়ার কোনও মানে হয় না বলে মনে হল দীপার। সে আবার হাঁটতে আরম্ভ করল।

    সত্যসাধন মাস্টারের বাড়ি স্কুল পেরিয়ে কলোনির মধ্যে। এলাকাটা ছাড়ালেই খুঁটিমারি ফরেস্ট। কাঠের বাড়ি। ছোট উঠোন, টিনের বাউন্ডারি দেওয়া। টিনের গেট খুলতেই একজন বয়স্কা মহিলা মাথায় ঘোমটা টেনে উঠে দাঁড়ালেন। রোদে শুকুতে দেওয়া কাঠের টুকরো ঝুড়িতে ভরছিলেন তিনি।

    দীপা জিজ্ঞাসা করল, ‘মাস্টারমশাই আছেন?’

    মহিলা মাথা নাড়লেন, ‘তুমি দীপা, না?’

    ‘হ্যাঁ।’ দীপা এগিয়ে এসে প্রণাম করল। মহিলার দিকে তাকালেই বোঝা যায় অভাব তাঁর নিত্যসঙ্গী। তিনি আর্শীবাদ করলেন, ‘আয়ুষ্মতী হও মা। যাও ভিতরে যাও, তিনি শুইয়া আছেন।’ দীপা কাঠের সিঁড়ি বেয়ে দরজায় গিয়ে দাঁড়াল।

    ‘পরীক্ষা কেমন দিলা?’ চিনচিনে গলায় একটা প্রশ্ন ভেসে এল ঘরের কোনা থেকে। এখনও আলো জ্বালা হয়নি। জিনিসপত্রে ঠাসা ঘরটিতে চিমসে গন্ধ ভাসছে। দীপা সেখানে দাঁড়িয়েই জানতে চাইল, ‘আপনি, আপনার কী হয়েছে?’

    ‘পেটে বড় যন্ত্রণা হয়, আর কিছু না। এখানে আসো, পরীক্ষা কেমন দিলা?’

    দীপা এগিয়ে খাটের পাশে দাঁড়াল। খাট বলতে তক্তপোশ এবং তার ওপর প্রায় শতরঞ্চি হয়ে যাওয়া তোষক। সত্যসাধন মাস্টার চিত হয়ে শুয়ে আছেন। এই আধা-অন্ধকারে বোঝা যাচ্ছিল তাঁর মুখ চোখ ভেঙে গিয়েছে। অত্যন্ত শীর্ণ হয়েছেন তিনি, চোখ কোটরে ঢুকে গিয়েছে। দীপা খাটের পাশে রাখা কাঠের চেয়ারে বসতে বসতে বলল, ‘পরীক্ষা ভালই দিয়েছি। কিন্তু এ কী চেহারা হয়েছে আপনার?

    প্রশ্নের জবাব না দিয়ে চোখ বন্ধ করে সত্যসাধন জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সিক্সটি পার্সেন্ট নম্বর পাইবা তো? ইউ মাস্ট রিমেম্বার দ্যাট ইউ আর ফাইটিং এগেইনস্ট ডেস্টিনি। ইউ আর টু মেক ইয়োর ওন ফিউচার। ভুলবা না কখনও কথাটা।’

    ‘আমি চেষ্টা করব।’

    ‘না। বলল, তোমারে জয়ী হইতে হইব।’

    ‘কিন্তু আপনি ডাক্তার দেখাচ্ছেন?’

    ‘কবিরাজি করাইতেছি। কলোনিতে একজন ভাল কবিরাজ আছেন। রাজশাহীর মানুষ। মাঝে মাঝে একটু উপকার দেয়।’ নিশ্বাস ফেললেন সত্যসাধন। তারপর যেন মনে পড়ল এমন ভঙ্গিতে বললেন, ‘তোমার বাবার তো খুব অসুখ। কেমন আছেন?’

    ‘ভাল না। কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হবে।’

    ‘তুমি যাইবা সঙ্গে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘গুড। শোনো, যখনই টাইম পাইবা তখনই কয়েকটা জায়গায় যাইবা। ধরো, প্রেসিডেন্সি কলেজ, ন্যাশনাল লাইব্রেরি। ওইসব জায়গায় কিছুক্ষণ থাকলেই মনের পরিবর্তন হয়। আমার ইচ্ছা ছিল তুমি প্রেসিডেন্সি কলেজে ভরতি হও।’

    এইসময় একটা হ্যারিকেন নিয়ে সত্যসাধনের স্ত্রী প্রবেশ করলেন, ‘অল্প কথা কইলে ভাল হয়। কবিরাজমশাই রাগ করবেন।

    ‘আরে রাখো তোমার কবিরাজ। এরে চেনো তুমি?’

    মহিলা হাসলেন, ‘তোমারে দেইখ্যা ওনার মুখে কথা ফুটতেছে।’

    ‘শোনো, সারাজীবন অনেক ছাত্রছাত্রী দেখলাম। কিন্তু এ হল আমার বেস্ট স্টুডেন্ট। কিছু খাইতে দাও এরে।’

    দীপা তাড়াতাড়ি বলে উঠল, ‘না না। আমার একটুও খিদে নেই। কিন্তু ডাক্তার, মানে কবিরাজ কী বলছে? অসুখটা কী?’

    ‘লিভারে পচন ধরছে। মদ্যপান করলে নাকি এই রোগ হয়। দু’বেলা ভাত জোটে নাই ঠিকমতো, মদ্যপান করার মতো মনও হয় নাই কখনও। অথচ দ্যাখো, আমার লিভারে সেই রোগ বাসা বাঁধল। এরেই বলে কপাল।’

    ‘আপনি কপালকে মেনে নিচ্ছেন কেন? লড়াই করছেন না কেন?’

    ‘ওরে মা, লড়াই করনের একটা বয়স থাকে। যখন রক্ত গরম তখন দুনিয়া পায়ের তলায়। জীবন থিকা আমার আর পাওনের কিছু নাই।’

    ‘এসব কথা শুনতে চাই না। বাগানের ডাক্তারকে আপনি দেখিয়েছেন?’

    ‘না। তিনি আমারে দেখবেন কেন?’

    ‘আমি বলব। আপনাকে সেরে উঠতেই হবে।’

    দীপা যখন উঠে দাঁড়াল তখন বাইরে ঘন অন্ধকার। একটু আগে বুধুয়া হাজির হয়েছে টর্চ নিয়ে। অঞ্জলি তাকে পাঠিয়েছে। দীপার কেবলই মনে হচ্ছিল মাস্টারমশাই আর বেশিদিন বাঁচবেন না। এই একটু কথা বলেই কেমন হাঁপিয়ে পড়েছেন। বোঝা যাচ্ছে তাঁর পেটে আবার যন্ত্রণা শুরু হয়েছে। শায়িত মানুষকে প্রণাম করতে নেই। সে মাস্টারমশাইয়ের কপালে হাত রাখল, ‘আপনাকে বাঁচতে হবে। আমার জন্যে আপনাকে বাঁচতে হবে।’

    সত্যসাধন বললেন, ‘পাগল। তোমার জীবনে আমার প্রয়োজন আর নাই। আমার যা ছিল, আমি দিতে পারি, তার সব নিয়া তুমি রান শুরু করছ। তোমারে পড়ানোর যোগ্যতা আর আমার নাই। শিশু যখন মায়ের কোলে থাকে তখনই তার স্তন্যদুগ্ধের প্রয়োজন হয়। কিন্তু যেই সে অন্য খাদ্য গ্রহণ করতে শেখে তখন মায়ের স্তন্যের দুগ্ধ শুকাইয়া যায়। এইটাই জীবনের নিয়ম। শোনো মা, তোমারে একটা কথা বলি, কখনও পিছনদিকে তাকাইবা না। তোমার চেয়ে নীচে যার স্থান তার সঙ্গে হৃদয়ের কথা বলবা না। তুমি যতক্ষণ নিজে না মনে করো অন্যায় ততক্ষণ পাঁচজনে যাই বলুক, তুমি কথা কানে তুলবা না। তোমার বিচারক তুমি।’

    আগামীকাল আবার আসবে বলে দীপা বাইরে বেরিয়ে এল। বুধুয়া দাঁড়িয়ে ছিল গেটের সামনে। ওকে দেখামাত্র টর্চ জ্বালল। এই অন্ধকারে পথ হাঁটা সত্যি মুশকিল। দীপা অঞ্জলির কাণ্ডজ্ঞানে কৃতজ্ঞ হল। দূরে শেয়াল ডাকছে। বুধুয়া টর্চ হাতে আলো ফেলতে ফেলতে পেছনে আসছে। সত্যসাধন মাস্টারের জন্যে দীপার খুব কষ্ট হচ্ছিল। বাজার পেরিয়ে বাগানে এসে সে বুধুয়াকে নিয়ে ডাক্তারবাবুর কোয়ার্টার্সে চলে এল। লুঙ্গি পরে হ্যারিকেনের আলোয় খবরের কাগজ পড়ছিলেন ডাক্তারবাবু বাইরের ঘরে বসে। দীপাকে দেখে অবাক হলেন, ‘কী ব্যাপার, তুমি? পরীক্ষা কেমন হল?’

    ‘ভাল। আপনাকে একবার যেতে হবে।’

    ‘কেন? বাবার কি শরীর আবার খারাপ হয়েছে?’

    ‘না। বাবার না। মাস্টারমশাই, সত্যসাধনবাবুর।’

    ‘হ্যাঁ, শুনেছিলাম বটে উনি অসুস্থ। কিন্তু উনি তো চা-বাগানের স্টাফ নন।

    ‘কিন্তু কোনও মানুষ অসুস্থ হলে এসব বিচার কি সবসময় করা উচিত?’

    ‘বেশ, তুমি চাইছ যখন তখন আমি যাচ্ছি। কিন্তু ওঁর বাড়ি আমি চিনি না।’

    ‘আমি আপনাকে নিয়ে যেতে পারি।’

    ‘দরকার হবে না। তোমাদের কাজের লোক চেনে? ও সঙ্গে গেলেই হবে।’

    ‘খোকন বাড়িতে আছে?’

    ‘না হে। সে আজ আলিপুরদুয়ারে চলে গেল। মাসির বাড়িতে। আর তো কিস্যু হবে না জীবনে। যে-ছেলে মিলিটারিতে গিয়ে পরিশ্রম সহ্য না করে পালিয়ে আসে তার জন্যে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয় না। হঠাৎ লাস্ট বাসে আলিপুরদুয়ারে চলে গেল। তুমি বাড়িতে যাও, আমি মাস্টারকে দেখে আসছি।’

    বুধুয়াকে নির্দেশ দিয়ে অন্ধকার মাঠের মধ্যে দিয়ে কোয়ার্টার্সে ফিরতে ফিরতে দীপার মনে হল, খোকন কি তার সঙ্গে দেখা হওয়া এড়াতেই মাসির বাড়িতে চলে গেল? নইলে হুট করে লাস্ট বাস কেউ ধরে না। অন্তত একটু আত্মসম্মানবোধ এখনও ওর মধ্যে কাজ করছে মনে হতে ভাল লাগল দীপার।

    রাত আটটার মধ্যেই রাতের খাবার ওষুধ খেয়ে শুয়ে পড়েন অমরনাথ। দীপা পরিষ্কার হয়ে তাঁর ঘরে গেল। মশারি এখনও ফেলা হয়নি। অমরনাথ চোখ বন্ধ করে শুয়ে ছিলেন। মেয়ে পাশে গিয়ে দাঁড়াতেই চোখ মেললেন। দীপা জিজ্ঞাসা করল, ‘কেমন আছ?’

    অমরনাথ হাসলেন। কিন্তু তৎক্ষণাৎ হাসিটা কাঁপতে লাগল। তাঁর ঠোঁট মুচড়ে উঠল। চোখ বন্ধ হল। চোখের দুই কোণ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। দীপা ধীরে ধীরে ওঁর মাথার পাশে উঠে বসল। আঙুলের ডগায় জলের ধারা মুছিয়ে দিয়ে বলল, ‘কেঁদো না। কাঁদলে তোমার শরীর আরও খারাপ হবে।’

    অমরনাথ একটা বড় নিশ্বাস ফেললেন। দীপা ওঁর মাথায় গালে হাত বুলিয়ে দিতে আরম্ভ করল। ধীরে ধীরে অমরনাথ নিজের ডান হাত দীপার কোলের ওপর রাখলেন। অঞ্জলি কাজ সেরে ঘরে ঢুকতে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। দৃশ্যটি সে দেখল, দেখে খুশি হল। ওরা কেউ কোনও কথা বলছে না। অন্যদিন ঘুমের ওষুধ না খেলে অমরনাথের কিছুতেই ঘুম আসে না। আজ পনেরো মিনিটের মধ্যে তিনি নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়লেন। অঞ্জলির মনে পড়ল, ঠিক এইভাবেই অনেক অনেক বছর আগে মেয়েকে পাশে নিয়ে শুয়ে অমরনাথ নিজেই ঘুমিয়ে পড়তেন আর মেয়ে চুপিচুপি উঠে আসত।

    রান্নাঘরে গিয়ে দীপা জানতে পারল তাদের টিকিট হয়েছে পরশু। ম্যানেজার বলে পাঠিয়েছেন এখান থেকে বাগানের গাড়িতে সবাইকে পৌঁছে দেওয়া হবে শিলিগুড়িতে। বেলা একটায় বেরিয়ে পড়তে হবে। মনোরমা আর অঞ্জলির ব্যস্ততা বেড়ে গিয়েছে। পরশু যেন আগামীকাল। বুধুয়া ফিরে এল। সে বলল ডাক্তারবাবু থেকে গিয়েছেন মাস্টারমশাইয়ের বাড়িতে। ওঁর নাকি ব্যথা খুব বেড়েছে। দীপা অঞ্জলিকে সব বলল। কাল সকালে চা খেয়েই দীপা মাস্টারমশাইয়ের কাছে যাবে।

    অঞ্জলি দরজায় শব্দ করতে মনোরমার ঘুম ভাঙল। তখন রাত শেষ হয়েছে কিন্তু দিন আরম্ভ হয়নি। মনোরমা দরজা খুলতেই অঞ্জলি বলল, ‘ডাক্তারবাবু এইমাত্র বাড়ি ফিরলেন।’

    কেন, মনোরমা বুঝতে পারলেন না।

    ‘আমার ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। বাইরের বারান্দায় গিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। দেখি উনি ফিরছেন।’ কথাগুলি বলার সময় অঞ্জলি দেখল দীপা বিছানা ছেড়ে উঠে এসেছে। সে পরিষ্কার গলায় প্রশ্ন করল, ‘উনি কী বললেন?’

    ‘আজ ভোরে সাড়ে তিনটের সময় মাস্টারমশাই চলে গিয়েছেন।’

    হঠাৎ একটা কান্না ছিটকে বেরুল দীপার গলা থেকে। আর সঙ্গে সঙ্গে তার মুখে আঁচল চেপে ধরলেন মনোরমা, ‘মুখপুড়ি, করছিস কী? বাড়িতে একটা রুগি রয়েছে না? খবরটা পেলে তার কী অবস্থা হবে কেউ বলতে পারে?’

    কান্না চেপে ছটফট করতে লাগল দীপা। তারপর ছুটে চলে গেল বাথরুমে। মুখে জল দিয়েই সে ছুটল উঠোন পেরিয়ে খিড়কির দরজার দিকে। প্রায় পাগলের মতো সে দৌড়াতে লাগল খালি পায়ে আসাম রোড ধরে। এখন রাস্তায় একটিও লোক নেই। প্রতিদিনের মতো পাখিরা ডাকছে গাছের ডালে ডালে। ভোর হচ্ছে। স্কুলবাড়ির সামনের মাঠের কাছে পৌঁছে থমকে গেল দীপা। তারপর হাঁটুমুড়ে বসে হাউহাউ করে কাঁদতে লাগল। যে-কান্নাটা এতক্ষণ বুকের পাঁজরায় পাক খাচ্ছিল তা ভোরের শূন্য প্রান্তরে উগরে দিতে পেরে স্বস্তি হল। একসময় সম্মোহিতের মতো সে মাস্টারমশাইয়ের বাড়ির সামনে পৌঁছাল, সেখানে কিছু ছাত্র, পাড়ার লোকজন ইতিমধ্যে ভিড় জমেছে। স্কুলের অন্যান্য মাস্টারমশাই, কিছু ছাত্র, পাড়ার লোকজন ওরা দীপাকে দেখল। দীপা উঠোনের একপাশে আঁচল দাঁতে চেপে দাঁড়িয়ে রইল। মাস্টারমশাইয়ের মৃতদেহ নিয়ে স্কুলে যাওয়া হবে কিনা এইসব কথা হচ্ছিল। শুধু ভেতর থেকে মাস্টারমশাইয়ের স্ত্রীর ভাঙলায় কান্না ভেসে আসছিল। পরিবেশের সঙ্গে একটু অভ্যস্ত হয়ে গেলে দীপা ধীরে ধীরে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়াল। সেখানে চার-পাঁচ জন মানুষ চুপচাপ বসে আছে। একজন মহিলা মাস্টারমশাইয়ের স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে আছেন। আর মাস্টারমশাই নিশ্চিন্তে শুয়ে আছেন। জীবনের সমস্ত সমস্যার বাইরে। মুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি। হঠাৎ দীপার কানের কাছে কেউ বলে উঠল, ‘ইউ মাস্ট রিমেম্বার দ্যাট ইউ আর ফাইটিং এগেইনসট ডেস্টিনি। কখনও পিছন দিকে তাকাইবা না।’ দীপা বিড়বিড় করল, ‘কখনও না।’

    বেলা বারোটা নাগাদ সবাই তৈরি। ডাক্তারবাবু তেজেনবাবু শ্যামল এসেছে বিদায় দিতে। জিনিসপত্র ভোলা হয়ে গিয়েছে গাড়িতে। অমরনাথ ধীরে ধীরে গাড়িতে উঠলেন। তাঁর পাশে মনোরমা অঞ্জলি আর দীপা। দুই ছেলে সামনে। বুধুয়া দাঁড়িয়ে ছিল করুণ মুখে।

    গাড়ি চলতে শুরু করল। কোয়ার্টার্সের সামনের মাঠ পেরিয়ে আসাম রোড ধরতেই দীপার মনে সত্যসাধন মাস্টারের মুখ ভেসে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে ঠোঁট চাপল দাঁতে, মুখে মেঘ জমল। অমরনাথ সেটা দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মন খারাপ করছে? তোর তো মন খারাপ করার কথা না। জলপাইগুড়িতে থেকে এ জায়গা ছেড়ে যাওয়া অভ্যেস হয়ে যায়নি?’ দীপা জবাব দিল না। সত্যসাধন মাস্টারের মৃত্যুর কথা অমরনাথকে জানানো হয়নি। সহজ হতে চেষ্টা করল দীপা। হঠাৎ তার মনে হতে লাগল তার জীবন এবার অন্য বাঁক নিতে যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাতকাহন ২ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }