Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প936 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৭. তিনতলার ব্যালকনি

    তিনতলার ব্যালকনির একেবারে শেষ টেবিলটা খালি পেয়ে গিয়েছিল অসীম। সরু একফালি প্যাসেজের মতো জায়গায় পরপর টেবিল পাতায় যে ফ্যানটির দরকার হয়েছে তার অবস্থান ওই টেবিলের শেষে। ফলে ঝড়ের মতো হাওয়ায় দীপার চুল উড়িয়ে দিচ্ছিল বারেবার। নাজেহাল হয়ে সে বলল, ‘আমি এদিকে মুখ করে বসব।’

    ওরা চেয়ার বদল করল। টেবিলে টেবিলে ছেলেমেয়েদের কথা বলার শব্দ এক হয়ে সামদ্রিক গর্জনের মতো শোনাচ্ছে। বাঁদিকে তাকাতেই পুরো দোতলার মেঝে জুড়ে থাকা টেবিলগুলো এবং মানুষের মাথা দেখা যাচ্ছে। দীপা দেখল অনেকেই চোখ তুলে তাদের দিকে, তার দিকে তাকিয়ে আছে। খাবারের অর্ডার দিয়ে অসীম একটু ঝুঁকে এল। এখন হাওয়ার ঝাপটা সরাসরি লাগছে তার। মুখে, দীপার পেছন থেকে ওটা আসায় সে দু’হাতে কানের পাশের চুল চেপে রইল। একটু অসুবিধে হলেও আরাম লাগছে এভাবে বসতে। অসীম জিজ্ঞাসা করল, ‘তারপর?’

    ‘তুমি আমাকে তোমার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্যে ব্যস্ত হচ্ছ কেন?’

    ‘দেখাতে।’

    ‘মানে?’

    ‘আমার বন্ধু কীরকম স্বভাবের, তার চেহারা কীরকম—’

    ‘বি সিরিয়াস অসীম!’

    ‘আমি তো সিরিয়াস হয়েই আছি।’

    ‘দেখিয়ে কী লাভ হবে?’

    অসীম সোজা হল, ‘কী ব্যাপার বলো তো? গ্লোরিয়ার মৃত্যু তোমাকে বদলে দিয়ে গেল নাকি? এবার তোমাকে বুঝতে পারছি না।’

    ‘তবে! দ্যাখো। এখনই বুঝতে পারছ না!’

    ‘বুঝতে চাই।’

    দীপা চট করে সিদ্ধান্ত নিল। সে বলল, ‘অসীম, তোমাকে আমার খুব ভাল বন্ধু বলে মনে হয়। তুমি কখনও মুখে বললানি সরাসরি, তুমি আমাকে চাও?’

    অসীম কোনও কথা না বলে মাথা দোলাল, সে চায়।

    ‘কীভাবে?’

    ‘আশ্চর্য! যেভাবে পুরুষ নারীকে চায়। স্ত্রী হিসেবে।’

    ‘কবে?’

    ‘আর বছর তিন-চার অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের পড়াশুনা শেষ হলেই।’

    ‘শেষ হবার পর যদি আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল না হয়?’

    ‘বোকার মতো কথা বোলো না। এ-দেশে বেকারের সংখ্যা যতই বাড়ুক দু’জনে একসঙ্গে ভেসে বেড়াব না। তুমি কল্পনা করতে পারো আমি পড়াশুনা শেষ করে না খেয়ে মরছি!’

    দীপা হাসল, ‘বালাই ষাট! তা কি ভাবতে পারি!’

    ‘তোমার ব্যাপারটা কী বলো তো?’

    অসীমের প্রশ্নের জবাব দেবার আগেই বেয়াবা মোগলাই পরোটা নিয়ে এল। নুন মরিচ ছড়িয়ে তার একটা ছোট টুকরো মুখে ফেলে দীপা জবাব দেয়, খুব খিদে পেয়েছে। আগে খেয়ে নিই, তারপর বলছি। এই যে আমি তোমার সঙ্গে বসে খোলা রেস্টুরেন্টে মোগলাই পরোটা খাচ্ছি তা চা-বাগান দূরের কথা জলপাইগুড়ি শহরেও ভাবতে পারতাম না।

    ‘তুমি যখন ওখানে নেই ভাবার কী দরকার?’

    দীপা জবাব দিল না। চুপচাপ খাওয়া শেষ করল। জল খেল। তারপর বলল, ‘অসীম, তুমি জানো, আমি আই এ এস-এ বসব।’

    ‘বসলেই যে তুমি সুযোগ পাবে তার কী স্থিরতা আছে? এখন পর্যন্ত ক’টা মেয়ে আই এ এস-এ সুযোগ পেয়েছে?’

    ‘পেয়েছে। তুমি খবরের কাগজ পড়োনি?’

    ‘হ্যাঁ একজন। নামটা ভুলে গিয়েছি।’

    ‘রমা মজুমদার।’

    ‘কিন্তু তুমি নিজে কী করে নিশ্চিত হলে যে পাবে।’

    ‘আমি আর হারতে রাজি নই।’

    ‘তার মানে?’

    ‘আমি জীবনের শুরুতে ভাগ্যের কাছে বড়রকম হেরে গিয়েছিলাম অসীম। সেই হারের পর আমার মাস্টারমশাইয়ের কথাই একমাত্র আদর্শ, আমাকে ভাগ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে জিততে হবে, কখ্খনও পেছন ফিরে তাকাব না।’

    ‘আমি তোমার কথা বুঝতে পারছি না!’

    ‘তোমাকে কীভাবে বলি?’

    ‘সহজভাবে। যেভাবে মানুষ কথা বলে!’

    দীপা চোখ তুলে তাকাল, ‘আমার মা মারা গিয়েছিলেন আমি জন্মানোমাত্র। মানুষ হয়েছি মাসি এবং মেসোমশাইয়ের কাছে। তাঁদেরই মা-বাবা বলতাম এতদিন। আমার নিজের বাবাকে আমি কখনও চোখে দেখিনি।’

    ‘হুঁ। তুমি কি এর জন্যে দুঃখিত?’

    ‘একদম না।’

    ‘তা হলে আমারও কিছু এসে যায় না।’

    দীপা কিছুক্ষণ অসীমের দিকে তাকাল। অসীম চোখ সরাল না। দীপা খুব নিচু গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমাদের বাড়িতে কোনও বিধবা মহিলা আছেন?’

    অসীম ঝুঁকে এল, ‘হাওয়ায় শুনতে পেলাম না, জোরে বলো।’

    দীপা প্রশ্নটা আবার উচ্চারণ করল। অসীম মাথা নাড়ল, ‘আছেন! পিসিমা!’

    ‘তিনি কি মাছ মাংস ডিম খান? রঙিন শাড়ি পরেন?’

    ‘মাথা খারাপ!’

    ‘কার?’

    ‘মানে, এ-দেশের বিধবাদের ওসব বললে তারা পাগল হয়ে যাবে।’

    ‘আমি তোমার রহস্য বুঝতে পারছি না। এমন সব প্রশ্ন করছ কেন?’

    ‘তোমার পিসিমা যদি পাগল না হয়ে যান?’

    ‘দ্যাখো, ছেলেবেলা থেকেই আমি তাকে ওইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। অন্য কোনও ছবি আমি ভাবিনি।’ অসীম বলল।

    ‘ভাবোনি কেন?’

    ‘স্রেফ অভ্যেস।’

    ‘ধরো, তিনি যদি ওইসব নিয়ম যা আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল তা আর না মানেন? তুমি কি মানতে পারবে?’

    ‘পিসিমার ব্যাপারের সঙ্গে তুমি আমি কীভাবে জড়িত হচ্ছি?’

    ‘আমার প্রশ্নের জবাব দাও আগে, বলছি।’

    অসীম চোখ বন্ধ করল, করে হেসে ফেলল, ‘সত্যি কথা হল, মানতে পারছি না বললে নিজের কাছে নিজে ছোট হয়ে যাব আবার উলটোটা ভাবতে স্বস্তি পাচ্ছি না।’

    দীপা খুব খুশি হল। অসীম এভাবে সত্যি কথা বলবে সে আশা করেনি। সে ঠিক করে নিল, অকপট হওয়াই এ ক্ষেত্রে উচিত কাজ হবে। এইসময় কফি এল। বেয়ারা ব্যবহৃত প্লেটগুলো তুলে নিয়ে গেল। কফির গরম কাপ টেনে নিয়ে দীপা বলল, চা-বাগানের বাড়িতে আমরা কখনও কফি খাইনি।’

    অসীম বলল, ‘কফি বাগানের লোকেরাও চা খেতে উৎসাহী নয়, হয়তো।’

    দীপা হাসল, একটু মাথা ঝাঁকাল, তারপর বলল, ‘জানো অসীম, আমি যখন ছোট, সেই এগারো-বারো বছর বয়েসে, যাঁদের আমি মা-বাবা-ঠাকুমা বলতাম তাঁরা আমার ভালর জন্যে খুব বড়লোকের একমাত্র ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন।’ খুব সহজ গলায় কথাগুলো উচ্চারণ করল। সে।

    অসীম কফিতে চুমুক দিতে গিয়ে যেন ছ্যাঁকা খেল। চট করে সোজা হয়ে বসল সে। তার দুই চোখে মুখে বিস্ময় ঠিকরে বেরুচ্ছে। কিছুক্ষণ কথা বলতে পারল না অসীম। যেন তার নিশ্বাসও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দীপা দেখল টেবিলে রাখা হাত কাঁপছে। সে আবার কথা শুরু করল, ‘বিয়ে হয়েছিল। চা-বাগান থেকে আমায় নিয়ে আসা হল জলপাইগুড়ি শহরে। দুটো দিন একটা রাত কাটল কালরাত্রি আর নিয়মকানুন মেনে। ওই বয়সের আমার বোধ-বুদ্ধির কথা নিশ্চয়ই অনুমান করছ। তারপর এল ফুলশয্যা। যার সঙ্গে আমার বিয়ে দেওয়া হয়েছিল তার শরীরে অল্পবয়সেই মৃত্যু বাসা বেঁধেছিল। তাকে দিয়ে কোনওমতে একটি সন্তান উৎপাদন করে নিতে পারলেই বংশরক্ষা হয় এমন চিন্তা ছিল—।’

    হঠাৎ কানে হাত দিয়ে চাপা গলায় চিৎকার করে উঠল অসীম, ‘আঃ, আর আমার শুনতে ভাল লাগছে না, প্লিজ!’

    ‘না। শুনতে তোমাকে হবেই।’ দীপা হঠাৎ গম্ভীর হয়ে গেল, ‘একটা বীভৎস রাতের স্মৃতি আমার জন্যে রেখে ছেলেটি সকালবেলায় হাসপাতালে গেল। না, তার শরীরে এমন শক্তি ছিল না যা দিয়ে সে তার বাবার ইচ্ছে পূর্ণ করে। এখনও চোখ বন্ধ করলে একটি ক্লীব পুরুষের গোঙানি শুনতে পাই, সমস্ত শরীর ঘিনঘিন করে ওঠে। আমি কুমারী অবস্থায় পালিয়ে এসেছিলাম চা বাগানে আর আমার স্বামী মারা গিয়েছিল সেই দিনই, হাসপাতালে। আমি বিধবা হলাম বিয়ের বাহাত্তর ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই। প্রথমদিকে বিধবার যা যা করণীয় তাই আমাকে করতে বাধ্য করা হয়েছিল। সে এক ভয়ংকর জীবন!’

    ‘কারা বাধ্য করেছিল?’

    ‘আমার হিতাকাঙক্ষীরা।’ দীপা হাসল, ‘মজার কথা হল, শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করেছিলাম আমি। কিন্তু এই সমাজ আমাকে বিধবা বলে যাবে আমৃত্যু। শ্বশুরবাড়ির কেউ আজ বেঁচে নেই, আমার কারও কাছে কোনও দায় নেই—।’ এই অবধি বলে থেমে গেল আচমকা দীপা।

    ‘থামলে যে?’

    ‘দায় নেই কথাটা সত্যি নয় অসীম। অন্তত একজন মহিলার কাছে আমি দায়গ্রস্ত। যাঁকে আমি ঠাকুমা বলি, যাঁর পাশে শুয়ে শৈশব, বাল্যকাল এবং কৈশোর কাটিয়েছি।’

    অসীম কীভাবে বলবে প্রথম বুঝতে পারছিল না। শেষপর্যন্ত সে বলতে পারল, ‘দীপাবলী, তুমি চমৎকার একটা গল্প শোনালে!’

    ‘গল্প?’ হতভম্ব দীপা।

    ‘নয়তো কী? তোমার মতো স্মার্ট পরিষ্কার মনের মেয়ের জীবনে এমন ঘটনা ঘটতেই পারে না। যদি ঘটত তা হলে তুমি এখানে পৌঁছোতেই পারতে না। আসল কথা হল, এসব বলে তুমি আমায় পরীক্ষা করছ! তাই তো?’

    দীপা অপলক তাকাল, ‘যদি করি?’

    ‘তা হলে জেনো আমি বিশ্বাস করছি না।’

    দীপা বলল, ‘অসীম, কাউন্টারে গিয়ে এসবের বিল দেওয়া যায় না।’

    অবাক হল অসীম, ‘কেন যাবে না? কিন্তু একথা বলছ কেন?’

    ‘আমি উঠব। আমার শরীর ভাল লাগছে না।’

    ‘কী হল তোমার?’

    ‘বললাম তো, শরীর ভাল লাগছে না।’

    ‘হঠাৎ?’

    ‘হঠাৎই।’

    ‘আমি কি কিছু খারাপ বললাম?’

    ‘না। তুমি যা স্বাভাবিক তাই বলেছ। চলো।’ দীপা উঠে দাড়াল। সে কফি স্পর্শ করেনি। অসীম আর একবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে হাল ছাড়ল। প্যাসেজ পেরিয়ে দীপা সোজা চলে গেল কাউন্টারে। তার পেছনে জোরে পা ফেলে অসীম বলল, ‘তুমি দিচ্ছ কেন? প্লিজ!’

    দীপা মাথা নাড়ল, ‘না, আজ আমাকে দিতে দাও।’

    দাম মিটিয়ে সিঁড়ি ভেঙে নামার সময় অসীমের দিকে তাকিয়ে দীপা বলল, ‘জানো, আমি একটা বিরাট ঋণের বোঝা বয়ে চলেছি। এখন পর্যন্ত যা খরচ করছি তা ওই ঋণ থেকেই নেওয়া। এ সবই আমাকে শোধ করতে হবে।’

    ‘কীসের ঋণ? তুমি কার কাছ থেকে টাকা ধার করেছ?’

    ‘টাকা তো বটেই। আরও অনেক, অনেক ঋণ?’

    ‘কী হেঁয়ালি করছ বলো তো, আমি তোমার কথা কিছুই বুঝতে পারছি না।’

    জবাব না দিয়ে নীচে নেমে এল দীপা, তারপর ঘুরে দাঁড়াল, ‘অসীম, এবার আমি যাই। বন্ধু হিসেবে তুমি খুব ভাল, খুব।’

    ‘বেশ। চলে যেতে চাইলে তুমি যাবে। কিন্তু আমার ভুলটা বলে যাও।’

    ‘তোমার কোনও ভুল নেই।’

    ‘না। তুমি আমায় একটা গল্প বললে। আমি জানি নিজেকে তুমি অনেক বেশি মূল্যবান বলে মনে করো। আই এ এস দেবে, জীবনের অনেক সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠবে; আমার মতো একটি সাধারণ ছেলের ভালবাসায় আটকে থাকতে তুমি চাও না। কিন্তু এই ভাবনাটা মুখ ফুটে বলোনি কেন এতদিন? কেন আমাকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্যে একটা মিথ্যে গল্প সাজাতে হল?’

    অসীমের গলার স্বর এতটা উঁচুতে উঠেছিল যে পাশ দিয়ে যাওয়া কয়েকজন দাঁড়িয়ে পড়ল। দীপা কী করবে বুঝতে পারছিল না। অসীমকে খুব ক্ষিপ্ত দেখাচ্ছে। যে-কেউ বুঝবে খুব গোলমাল হয়েছে। সে শুধু বলতে পারল, ‘তুমি ভালভাবে কথা বলে অসীম। আমি কোনও গল্প শোনাইনি।’

    ‘আমি তোমাকে বিশ্বাস করি না।’

    ‘হঠাৎ?’

    ‘এটা বানানো গল্প।’

    ‘খামোকা তোমাকে বলতে যাব কেন? আচ্ছা! তুমি আমার সঙ্গে হস্টেলে চলো। প্রমাণ পেয়ে যাবে সেখানে।’

    ‘কীসের প্রমাণ?’ অসীম নড়ছিল না। দীপা দেখল ভিড় বাড়ছে। এখানে দাঁড়িয়ে থাকা আর উচিত হবে না। সে কথা না বলে হাঁটতে শুরু করল। এইসময় পেছন থেকে হাসি ভেসে এল। যারা কৌতুহলী ছিল তারা হাসছে এখন। রাগ অপমান আচমকা অসহায় করে তুলল দীপাকে। ট্রামে ওঠার কথা খেয়ালে এল না। এবং তখন অসীম ওর পাশে চলে এল, ‘এভাবে চলে যাচ্ছ যে!’

    ‘তুমি আমাকে ছেড়ে দাও অসীম, প্লিজ লিভ মি। আমি একা থাকতে চাই।’

    ‘কেন?’

    ‘তুমি হাসিগুলো শোনোনি? এভাবে আমাকে অপমান নাই বা করলে।’

    ‘অদ্ভুত! আমি তোমাকে অপমান করলাম?’ অসীমের গলা ভাঙল, ‘তুমি আমাকে এড়িয়ে যেতে চাইছ না?’

    ‘এখন চাইছি। কারণ আমি বিধবা এটা তুমি মানতে পারছ না।’

    অসীম খুব অসহায় হয়ে পড়ল। দীপার চেহারায় বিবাহিতা মেয়ের কোনও চিহ্ন নেই। বিবাহিতা মেয়েদের শরীরে যে পরিবর্তন আসে তা নিয়ে বন্ধুবান্ধবরা নানান গল্প করে থাকে। কলেজে যে-কোনও বিবাহিতা মেয়ের সঙ্গে কুমারী মেয়ের প্রভেদ সাদা চোখে বোঝা যায়। সে বলল, ‘হ্যাঁ, আমি মানতে পারছি না। তোমার আচরণ কথাবার্তায় সেটা কখনও বোঝা যায়নি বলেই আচমকা শুনে মানা যে-কোনও মানুষের পক্ষেই অসম্ভব।’

    ‘বাঃ, আমি তোমাকে বানিয়ে গল্প বলব?’

    অসীম জবাব দিল না। ওরা হাঁটছিল। বেশ কিছুক্ষণ হাঁটার পর অসীম জিজ্ঞাসা করল, ‘হস্টেলে গেলে তুমি আমাকে কী দেখাবে?’

    ‘হস্টেলের খাতায় আমার বাবার উপাধি মুখার্জি দেখতে পাবে।’

    ‘সেটা অসম্ভব নয়। তিনি তোমার নিজের বাবা ছিলেন না।’

    হকচকিয়ে গেল দীপা। কখনও ব্যাপারটা তার মাথায় আসেনি।

    অসীম হাসল, ‘তুমি বরং অন্য কোনও জোরদার কিছু প্রমাণ হিসেবে দাও যা আমি বিশ্বাস করতে পারি। ধরো, বিয়ের কার্ড, ওইসময় ভোলা ছবিটবি—।’

    দীপা মাথা নাড়ল, ‘যে-ব্যাপারটা ভুলে যেতে চেয়েছি প্রাণপণে, তার স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে বেড়াব এমন ভাবছ কী করে? আর এরপর, বিশ্বাস করো অসীম, প্রমাণ দিয়ে সম্পর্ক জিইয়ে রাখার কোনও ইচ্ছে আমার নেই। দেখা হলে কথা বলব, বন্ধু না হোক পরিচিতের সঙ্গেও তো লোকে কথা বলে। চলি।’

    দীপা পা চালাল। ওর কেবলই মনে হচ্ছিল অসীম তার পেছনে আসছে। দূরত্ব বাড়াবার জন্যে সে জোরে পা চালাল। না, সে কোনওভাবে অসীমকে দোষী করতে পারছে না। একটা ভাললাগা তৈরি হয়েছিল। অসীম সেটাকে ইতিমধ্যে ভালবাসায় নিয়ে গিয়েছিল, প্রায় নিঃশব্দে সে ব্যাপারটাকে মেনে নিতে বলেছিল। ওরা কখনও মুখ ফুটে উচ্চারণ করেনি ভালবাসি কিন্তু সেটা ব্যবহারে অপ্রকট তো ছিল না। এই অবস্থায় অসীমের ধারণা তো খুব স্বাভাবিকভাবে তৈরি হতে পারে সে আর পাঁচটা মেয়ের মতো স্বাভাবিক, অবিবাহিতা।

    কিন্তু এই ভাল হল। বিদ্যাসাগর মশাইয়ের কথা ছেড়ে দেওয়া যাক, স্বয়ং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর চাননি তাঁর পরিবারের বিধবা বউয়ের পুনর্বিবাহ হোক। সেই মানসিকতা আজও অসীম ও অসীমদের মতো প্রগতিবানরা যদি বয়ে বেড়ায় তা হলে কিছু করার নেই। গত আশি বছরে কবে কে কোথায় বিধবা বিবাহ করেছিল বলে আজ দেশে সেটাই স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে দাঁড়াবে এমন আশা করা বোকামি। বরং একটা গভীর খাদের একদম কিনারা থেকে ফিরে আসতে পারল বলে অসীমকে ধন্যবাদ দেবে সে। নিজের সঙ্গে এইসব কথা বলতে বলতে সে হেদুয়ায় চলে এল। এখন বিছানা টানছে তাকে। নিজের বিছানায় উপুড় হয়ে অনেকক্ষণ শুয়ে থাকতে পারলে আর কিছু চায় না। না, সে পেছন ফিরে তাকাবে না, কিছুতেই না।

    হস্টেলের গেটের কাছে পৌছে সে থমকে দাঁড়াল। উলটো ফুটপাথ থেকে কেউ তাকে চেঁচিয়ে ডাকছে। দীপা অনেক কষ্টে মুখ ফেরাল। তার কষ্ট হচ্ছে কেন, কেন শরীর এমন ভারী হয়ে যাচ্ছে, এই চিন্তায় ফেরার অবকাশ পেল না। সে দেখতে পেল সুভাষচন্দ্র তাকে হাত উঁচিয়ে দাঁড়াতে বলছেন।

    সুভাষচন্দ্র ওখানে দাঁড়িয়ে কেন? ওঁর পাশে একজন মাঝবয়সি মহিলা। ইদানীং খোঁজখবর করা সুভাষচন্দ্র একদম ছেড়েই দিয়েছেন। ট্রাম-বাস দেখে রাস্তা পেরিয়ে সামনে এসে দাঁড়ালেন তিনি, ‘অনেকক্ষণ এসেছি; কোথায় গিয়েছিলি, শুনলাম কে খুন হয়েছে বলে নাকি আজ কলেজ বন্ধ ছিল।’

    ‘হ্যাঁ। একটু দরকারে বেরিয়েছিলাম।’

    ‘হুটহাট কলকাতা শহরে বেরুনো ঠিক নয়। লোকে বাঙাল ভাববে।’

    ‘বাঙাল?’।

    ‘হ্যাঁ, পাকিস্তান থেকে আসা রিফিউজি। এ-দেশের মেয়েরা অমন হুটহাট বের হয় না?’

    প্রচণ্ড রাগ হয়ে গেল দীপার। কিন্তু সে কিছু বলার আগেই সুভাষচন্দ্র গলা নামিয়ে নিচু স্বরে বললেন, ‘তোর হস্টেলের গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে আত্মারাম খাঁচাছাড়া হয়ে গিয়েছিল। পুলিশে পুলিশে থিকথিক করছে। দারোয়ান বলল যে মেয়েটা খুন হয়েছে সে নাকি তোর ঘরেই থাকত। দেখিস, পুলিশে ছুঁলে ছত্রিশ ঘা।’

    ভাবনাটা এক লহমায় ঘুরে গেল। পুলিশ হস্টেলে এসেছে তদন্ত করতে? কিন্তু বাইরে কোনও গাড়ি দেখতে পাচ্ছে না তো? ওরা নিশ্চয়ই জেরা করবে তাকে। করলে ক্ষতি কী! গ্লোবিয়ার সম্পর্কে সে যা জানে বলে দেবে। সুভাষচন্দ্র বললেন, ‘তোর সঙ্গে খুব জরুরি কিছু কথা ছিল। কোথায় বসে বলা যায় বল তো?’

    ‘গেস্টরুমে আসুন।’

    ‘দুর! পুলিশের সামনে কথা বলব কী করে?’ বলতে বলতে সুভাষচন্দ্র মুখ তুললেন, ‘কিছু চাই ভাই? অনেকক্ষণ থেকে দেখছি দাড়িয়ে আছ?’

    দীপা মুখ ফেরাতেই অসীমকে দেখতে পেল। অসীম সেখানে দাঁড়িয়েই হাসল, ‘হ্যাঁ, দীপাবলীর সঙ্গে একটু কথা আছে!’

    সুভাষচন্দ্র দীপাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘চিনিস নাকি?”

    ‘হ্যাঁ। কলেজে পড়ে।’

    ‘নে, কী কথা বলবে বলছে সেরে নে, তারপর আমরা বলব।’

    দীপা কিছু বলার আগেই অসীম মাথা নাড়ল, ‘না না, আমার সময় লাগবে। আপনারাই বরং শেষ করে নিন।’

    সুভাষচন্দ্র গম্ভীর হয়ে গেলেন, ‘দিস ইজ নট গুড। রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলা তোর বাবাও, মানে অমরনাথ মুখুজ্যেও পছন্দ করত না।’

    দীপা ঘুরে দাড়াল, ‘অসীম, আর কি কোনও জরুরি কথা থাকতে পারে?’

    অসীম নির্দ্বিধায় মাথা নাড়ল, ‘হ্যাঁ।’

    দীপা কী করবে বুঝে উঠল না। সেইসময় দারোয়ান গেট থেকে বেরিয়ে এল। দীপাকে দেখতে পেয়ে সে তড়বড় করে বলে উঠল, ‘আরে দিদি, পুলিশ আপনাকে খুঁজতেছিল।’

    দীপা সুভাষচন্দ্রকে বলল, ‘আপনারা গেস্টরুমে এসে বসুন। আমি আসছি।’

    সে সোজা গেট পেরিয়ে ঢুকে পড়ল। থিকথিক করা পুলিশ নজরে এল না। সুপারের ঘরে দু’জন পুলিশ অফিসার বসে আছেন। তাকে দেখতে পেয়ে সুপার বললেন, ‘এই যে, তুমি এসে গিয়েছ! এঁরা তোমার সঙ্গে কিছু কথা বলতে চান। এর নাম দীপাবলী বন্দ্যোপাধ্যায়।’

    দীপা তৃতীয় চেয়ারটিতে বসতেই একজন অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনি আর গ্লোরিয়া একই ঘরে থাকতেন?’

    ‘হ্যাঁ।’ দীপা মাথা নাড়ল।

    ‘ও কেন বর্ধমানে গিয়েছিল জানেন?’

    ‘না। আমি জানতাম ও শান্তিনিকেতনে গিয়েছে।’

    ‘হুম! মেয়ে হিসেবে ও কেমন ছিল?’

    ‘ভাল।’

    ‘কীরকম ভাল। বাঙালিদের মতো স্বভাব ছিল না নিশ্চয়ই।’

    ‘বাঙালিদের স্বভাব বলতে আপনি কী বোঝাতে চাইছেন?’

    প্রশ্নটা শশানামাত্র দুই অফিসার নিজেদের মধ্যে দৃষ্টি বিনিময় করে নিলেন। এবার দ্বিতীয়জন প্রশ্ন করলেন, ‘গ্লোরিয়াকে কেন খুন করা হল এ-ব্যাপারে কোনও সূত্র দিতে পারেন?’

    ‘আমি জানি না।’

    ‘ও মদ সিগারেট খেত? পুরুষবন্ধুদের সঙ্গে ঘুরত।’

    ‘মদ খেত না। সিগারেট খেতে দেখেছি। ওর দেশের কিছু ছেলের সঙ্গে নিশ্চয়ই ওর বন্ধুত্ব ছিল। তাদের কারও সঙ্গে ওর সম্পর্ক কিছুদিন আগে ভেঙে গিয়েছিল।’

    কীরকম সম্পর্ক?

    ‘মনে হয় তাকে গ্লোরিয়া ভালবাসত।’

    ‘গুড। কী নাম তার?’

    ‘আমি জানি না।’

    ‘কেন?’

    ‘ও আমাকে বলেনি, আর কারও ব্যক্তিগত ব্যাপারে প্রশ্ন করতে চাইনি।’

    ‘হুম। মেয়ে হিসেবে সে কেমন ছিল?’

    ‘ভাল। প্রথম প্রথম ভাষা এবং অভ্যেসগুলো আলাদা বলে কিছু অসুবিধে হত আমার। কিন্তু পরে মনে হয়েছে ও খুব সোজা ধরনের মেয়ে।’

    ‘কোনও দুষ্টচক্রের সঙ্গে তার সংযোগ ছিল বলে মনে হয়?’

    ‘না। থাকলেও আমি জানি না।’

    ‘গ্লোরিয়াকে আপনি এখানে এসে প্রথম দ্যাখেন?’

    ‘হ্যাঁ। আমি জলপাইগুড়ির মেয়ে আর ও জাম্বিয়ার মেয়ে।’

    ‘ঠিক আছে। যদি প্রয়োজন হয় আপনাকে আবার বিরক্ত করব। এবার যেতে পারেন।’

    মাথা নেড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল দীপা। একজন অফিসার বলছেন, ‘খুব শক্ত মেয়ে তো, এই বয়সে এমন উত্তর আশা করা যায় না।’

    সুপার বললেন, ‘হ্যাঁ, মেয়েটি একটু অন্যরকম।’

    ‘অন্যরকম মানে?’ অফিসারের গলায় কৌতূহল।

    ‘খুব সিরিয়াস টাইপের কোনও কোনও মেয়ে থাকে, ওই ধরনের।’

    দীপা আর দাঁড়াল না।

    গেস্টরুমে এসে দেখল সুভাষচন্দ্র আর সেই মহিলা পাশাপাশি বসে আছেন। সে পৌঁছানোমাত্র সুভাষচন্দ্র বললেন, ‘খুব বদ ছোকরা। কমিউনিস্ট নাকি?’

    ‘কার কথা বলছেন?’

    ‘আরে যে তোর সঙ্গে কথা বলার জন্যে দাঁড়িয়ে ছিল। কথা শুনে তো মনে হয় না ও-দেশের। মুখে মুখে তর্ক করছিল।’ খুব বিরক্ত দেখাচ্ছিল তাঁকে।

    ‘কোথায় গেল অসীম?’

    ‘অসীম? ওর নাম অসীম! ঘুরে আসতে বলেছি। এখানে হুটহাট ছেলেরা চলে এলে দেখা করতে দেয়? মেয়েদের হস্টেলে নিয়মকানুন নেই?’

    ‘এখন ভিজিটিং আওয়ার্স চলছে। কী ব্যাপার বলুন।’ দীপা বসল।

    মুহূর্তেই পালটে গেলেন সুভাষচন্দ্র, ‘তুই তো আর এই বুড়ো মামার খোঁজখবর নিস না। মাসের কুড়ি দিনই অসুস্থ থাকি। হাই ব্লাডপ্রেশার, তার ওপর আমাশা লেগে আছে। অমরনাথ মুখুজ্যের চলে যাওয়ার সময় বিছানায় পড়ে ছিলাম। খুব বড় ধাক্কা পেয়েছিলাম খবরটা শুনে। তোর সঙ্গে যে এসে দেখা করব এমন মনের জোর ছিল না। কী অকালেই না চলে গেল লোকটা।’

    দীপা জবাব দিল না। সে মহিলাকে দেখল। বোগা ছোটখাটো চেহারা। একদৃষ্টিতে তিনি দীপাকে দেখে যাচ্ছেন। সুভাষচন্দ্র মাথা নাড়লেন শোকার্ত ভঙ্গিতে, ‘তবে অঞ্জলির সঙ্গে আমার যোগাযোগ আছে। চিঠিপত্র দেয়। এখনও ওদের কোয়ার্টার্স ছাড়তে হয়নি তবে ঘরবাড়ি তুলে ফেলেছে। কারও জন্যে তো কিছু আটকে থাকে না এই পৃথিবীতে, মাঝখান থেকে তুই একদম একা হয়ে গেলি। তোরা দু’জনেই ঠিক, আমি আর কাকে সমর্থন করব!’

    ‘আপনি বলছিলেন খুব জরুরি কথা আছে।’

    ‘হ্যাঁ, সেজন্যেই তো এলাম। কিন্তু এই পুলিশের ঝামেলা চুকেছে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘বাঃ, চিন্তা হচ্ছিল খুব। এক ঘরে ছিলি, মেমসাহেব তার ওপর নিগ্রো, স্বভাবচরিত্র তো এদের খুব একটা ভাল হয় বলে শুনিনি।’

    ‘মামা, আমার শরীর ভাল নয়। আপনি কী বলতে এসেছেন বলুন।’

    সুভাষচন্দ্র মহিলার দিকে তাকালেন। মহিলা বললেন, ‘হ্যাঁ, ওকে অনেকক্ষণ আটকে রেখেছি আমরা।’ তারপর দীপার দিকে তাকালেন, ‘তোমার নাম খুব মিষ্টি।’

    ‘আমি কিন্তু আপনাকে চিনতে পারছি না। মামা এখনও পরিচয় করিয়ে দেননি।’ কিছুটা বিস্ময় নিয়ে বলল দীপা।

    সুভাষচন্দ্র একটু আড়ষ্ট হলেন, ‘মানে পরিচয় করিয়ে দেবার সুযোগ পাইনি এখনও। ইনি হচ্ছেন তোমার মা, এঁকে প্রণাম করো।’

    হকচকিয়ে গেল দীপা। বিস্ময়ে সে কথা বলতে পারল না।

    সুভাষচন্দ্র মাথা নাড়লেন, ‘শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছ। কিন্তু এটাই সত্যি। অঞ্জলি তোমার সম্পর্কে মাসি হয়। তাকে তুমি মা বলতে। আসলে তোমার গর্ভধারিণী গত হওয়ার পর তোমার জন্মদাতা বিবাগী হয়ে যান। পরে যখন সংসারী হন তখন এঁকেই বিবাহ করেন। তার মানে, ইনি যেহেতু তোমার জন্মদাতার স্ত্রী তাই এঁকেই মা বলে ডাকা উচিত। নাও, প্রণাম করো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাতকাহন ২ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }