Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিউয়েন সাঙের দেখা ভারত – প্রেমময় দাশগুপ্ত

    প্রেমময় দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প268 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হিউয়েন সাঙের দেখা ভারত – ৭০

    ॥ ৭০ ॥ ‘কিউ-চে-লো’ বা গুর্জর

    বল্লভী থেকে উত্তরমুখো কম বেশি ১৮০০ লি যাবার পর গুর্জ্জর দেশে পৌঁছানো যায়।

    দেশটির আয়তন ৫ হাজার লির কাছাকাছি। রাজধানীর নাম পি-লো-মো-লো (রাজপুতানার বালমের, 25° 48′′N 71° 16′E) 30 লি এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে। কৃষিজাত দ্রব্যাদি ও লোকজনের চালচলন সুরাষ্ট্রের মতোই। ঘন জনবসতি। পরিবারগুলি বেশ অবস্থাপন্ন। বেশির ভাগ লোকই অন্যধর্মী। বৌদ্ধ ধর্মীরা সংখ্যায় বেশ অল্প।

    একটি মাত্র সংঘারাম আছে এ দেশে। শতখানেক ভিক্ষুর বসবাস সেখানে। সকলেই হীনযানের অনুরাগী। সর্বাস্তিবাদ শাখার নির্দেশ মতো চলে। দেবমন্দিরের সংখ্যা অনেক (কয়েক দশ) বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীরা সেখানে থাকেন।

    রাজা ক্ষত্রিয় বর্ণের লোক। তাঁর বয়েস সবে মাত্র কুড়ি বছর। তিনি একজন প্রজ্ঞাবান লোক। সাহসীও। বুদ্ধের মতবাদে তিনি গভীরভাবে বিশ্বাসী। বিশিষ্ট প্রতিভাবানদের তিনি বিশেষভাবে কদর দেখান।

    ॥ ৭১ ॥ ‘উ-শে-ইয়েন-ন’ বা উজ্জয়িনী

    এবার দক্ষিণ-পূর্বদিকে যাত্রা করা গেলো। কমবেশি ২৮০০ লি পথ ভাঙার পর আমরা এসে থামলাম ‘উ-শে-ইয়েন-ন’ বা উজ্জয়িনী।

    এরাজ্যটি পরিসরে ছয় হাজার লির মতো। রাজধানীর পরিধি ৩০ লি হবে। ঘন লোকবসতি ভরা। পরিবারগুলি বিত্তবান।

    এখানে অনেকগুলি সংঘারাম থাকলেও বেশীর ভাগেরই ভাঙাচোরা অবস্থা। গুটি চার পাঁচ যা খাড়া অবস্থায় আছে। সেখানে শ’তিনেক ভিক্ষু থাকেন। তাঁরা হীনযান ও মহাযান দু’য়েরই চর্চ্চা করেন। দেবমন্দির রয়েছে অনেক (কয়েক দশ)। নানা সম্প্রদায়ের বিধর্মীরা সেখানে থাকেন।

    রাজা ব্রাহ্মণ বর্ণের লোক। অন্যধর্মী শাস্ত্রাদিতে তাঁর গভীর জ্ঞান রয়েছে। সত্য-ধর্মের প্রতি কোন আকর্ষণ বা বিশ্বাস নেই।

    শহর থেকে খানিক পথ গেলেই একটি স্তূপের দেখা পাওয়া যাবে।

    ॥ ৭২ ॥ চি-কি-তো

    এখান থেকে এক হাজার লি মতো উত্তর-পূর্বমুখো যাবার পর ‘চি-কি-তো’ রাজ্যে এসে পৌঁছলাম।

    এ দেশটি কমবেশি চার হাজার লি অঞ্চল নিয়ে। রাজধানীটি ১৫-১৬ লি মতন হবে। এখানকার মাটি উর্বরা বলে খ্যাতি রয়েছে। নিয়মিত চাষ-আবাদ, ফসল বোনা হয়। ফলনও যথেষ্ট। এখানে বিশেষভাবে ডাল ও যবের চাষ হয়ে থাকে। ফল, ফুল অপর্যাপ্ত ফলানো হয়।

    আবহাওয়া চলনসই, লোকজনেরা সহজাতভাবে সদগুণবান ও শান্তশিষ্ট। বেশির ভাগই অন্য ধর্মে বিশ্বাসী। বৌদ্ধধর্মানুরাগী খুব কম লোকই। অনেকগুলি সংঘারাম থাকলেও মাত্র কিছু ভিক্ষু সেখানে থাকেন। দশটির মতো দেবমন্দির রয়েছে। কয়েক হাজার অনুগামী সেখানে থাকেন।

    রাজা ব্রাহ্মণ বর্ণের লোক। তিনি ত্রি-রত্নে গভীর বিশ্বাসী। সদগুণাবলীর জন্য যারা বিশিষ্ট তাদের তিনি সম্মান করেন পুরস্কার দেন। দূর দূর দেশ থেকে এখানে প্রচুর শিক্ষিত ও জ্ঞানী লোকের সমাবেশ ঘটে।

    ॥ ৭৩ ॥ ‘মো-হি-শি-ফ-লো-পু-লো’ বা মহেশ্বরপুর

    এখান থেকে এবার আমরা উত্তরের দিকে চলতে শুরু করলাম। যাবো মো-হি-শি- ফ-লো-পু-লো বা মহেশ্বরপুর। প্রায় ন’শো লি অতিক্রম ক’রে এখানে এলাম।

    এ রাজ্যটি ৩০০০ লি মতো অঞ্চল জুড়ে। রাজধানীর ঘের তিরিশ লির কাছাকাছি।

    এখানকার জমির ফল-ফসলাদি, লোকজনের আচার ব্যবহার সব কিছুই উজ্জয়িনীর মতো। এরা অন্য ধর্মের প্রতি গভীর অনুরাগী। বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি কোন শ্রদ্ধা নেই।

    অনেক দেবমন্দির এখানে (কয়েক দশ)। পাশুপত সম্প্রদায়ের লোকই সব থেকে বেশী।

    রাজা ব্রাহ্মণ বর্ণের লোক। বুদ্ধদেবের মতবাদের প্রতি তার কোন অনুরাগই নেই।

    ॥ ৭৪ ॥ ‘সিন-তু’ বা সিন্ধু

    এখান থেকে এবার গুর্জ্জর ফিরে গেলাম। তারপর উত্তরমুখো চলতে থাকলাম। ধু ধু প্রান্তর, নানা বিপদজনক গিরিসঙ্কটের মধ্য দিয়ে ১৯০০ লি মতো পথ ভাঙলাম। বিরাট সিন্ধু নদ পার হয়ে এলাম সিন্ধু রাজ্যে।

    রাজ্যটির পরিধি প্রায় ৭০০০ লি। রাজধানী শহরের নাম পি-শেন-পো- পুলো। ৩০ লি খানেক এলাকা জুড়ে গড়ে উঠেছে। মাটি খাদ্যশস্য ফলনের পক্ষে উপযোগী। প্রচুর গম ও জোয়ারের ফলন হয়। সোনা, রূপা ও দেশী তামা এখানে প্রচুর মেলে। গরু, ভেড়া, উট, খচ্চর ইত্যাদি পশু পালনের পক্ষেও অঞ্চলটি উপযোগী। উটগুলি আকারে ছোট, একটি মাত্র কুঁজ রয়েছে। এখানে প্রচুর পরিমাণে লবণ পাওয়া যায়। দেখতে ‘চিন্নবর’ (chinnabar)-এর মতো লালচে। সাদা, কালো ও পাথুরে লবণও আছে। কাছের ও দূরের বিভিন্ন অঞ্চলে এই সব লবণ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    মানুষজনের প্রকৃতি কঠোর ও খেয়ালী। কিন্তু বেশ সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ তারা। ঝগড়া ঝাঁটি ও কথায় কথায় প্রতিবাদ ও অস্বীকার করার অভ্যাস রয়েছে। জ্ঞানচর্চ্চা করে বটে, কিন্তু বিশিষ্টতা অর্জনের দিকে কোন চেষ্টা নেই। বুদ্ধের মতবাদের প্রতি অনুরাগ রয়েছে।

    এখানে কয়েক শো সংঘারাম রয়েছে। সেখানে হাজার দশেকের মতো ভিক্ষু থাকেন। সম্মতীয় শাখার হীনযান অনুগামী তারা। যাঁরা একান্তভাবে ধর্মানুরাগী তাঁরা পাহাড় ও বনাঞ্চলের মধ্যে নির্জনে বসবাস করেন। সেখানে তাঁরা দিনরাত অবিরামভাবে অহতত্ব অর্জনের জন্য সাধনা ক’রে চলেছেন।

    তিরিশটির মতো দেবমন্দির আছে। নানান সম্প্রদায়ের অনুগামীরা সেখানে বাস করেন।

    দেশের রাজা শূদ্রবর্ণের লোক। স্বভাবে তিনি স্বতঃই সৎ ও আন্তরিক। বুদ্ধের মতবাদকে শ্রদ্ধা করেন।

    তথাগত প্রায়ই এ দেশ ভ্রমণ করেছেন। এজন্য রাজা অশোক এখানে অনেকগুলি (কয়েক দশ) স্তূপ বানিয়েছেন। পরম অর্হৎ উপগুপ্ত এ রাজ্যে প্রায়ই ধর্ম প্রচারের জন্য আসতেন। তিনি যে সব জায়গায় থেকেছেন, সেখানেই সংঘারাম বা স্তূপ বানানো হয়েছে। যেদিকে যাও ওই স্মারক চোখে পড়বে।

    সিন্ধু নদের পাশে কয়েক শো লি ব্যাপী নিচু জলাভূমি অঞ্চল জুড়ে কয়েক লক্ষ পরিবারের বসবাস। এদের হৃদয় বলে কিছু নেই। অতি উগ্র ও তড়বড়ে স্বভাবের। রক্তপাতের দিকে প্রবল ঝোঁক। এরা বিশেষভাবে গো-পালন করে নিজেদের ভরণপোষণ চালায়। এদের কোন শাসক বা প্রভু নেই। পুরুষ বা মেয়েই হোক এরা ধনীও নয়, দরিদ্রও নয়। এরা মাথা কামায়, ভিক্ষুদের ‘কাষায়’ বস্ত্র পরে। এ শুধু তাদের বাইরের পোষাকই, ভিতরে তারা সাধারণ গৃহী মানুষের মতোই আচরণ করে। নিজেদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গীকেই এরা সমর্থন করে ও মহাযানকে কথায় কথায় আক্রমণ করে।

    ॥ ৭৫ ॥ মু-লো-সান-পু-লু’ বা মূলস্থানপুর (মুলতান )

    এ রাজ্য পেরিয়ে চললাম পূর্বদিকে। সিন্ধু নদ ডিঙিয়ে তার পূর্ব তীর বরাবর ন’শো লি মতো পথ চলার পর পৌঁছলাম এসে মু-লো-সান-পু-লু বা মূলস্থানপুর (মুলতান)।

    এ দেশটির পরিসর মাত্র চার হাজার লি মতো। রাজধানীর ঘের তিরিশ লির কাছাকাছি। ঘন বসতি ভরা। পরিবারগুলি বেশ সমৃদ্ধ। এ রাজ্যটি চেক (সে- কিঅ) রাজ্যের অধীন। জমি বেশ রসালো ও উর্বরা। জলবায়ু স্নিগ্ধ ও মনোরম। লোকজনের আচার ব্যবহার সততা ও সরলতা ভরা। বিদ্যার দিকে অনুরাগ রয়েছে, সদগুণের কদর করে। বেশির ভাগই দেব-পূজায় বিশ্বাসী। সামান্য কিছু বৌদ্ধধৰ্মী।

    রাজ্যে দশটির মতো সংঘারাম রয়েছে, তার বেশির ভাগেরই ভাঙাচোরা অবস্থা। সামান্য কতক ভিক্ষু আছেন। তাঁরা বিদ্যাচর্চ্চা করেন বটে, তবে আত্মোন্নতির কোন স্পৃহা নেই। ৮টি দেবমন্দির আছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অন্য ধর্মীরা সেখানে থাকে। এখানে একটি সূর্য বা আদিত্য মন্দির আছে। এটি অতি চমৎকার ও যথেষ্ট জাঁকালো করে সাজানো। সূর্যদেবের প্রতিমাটি হলদে সোনায় গড়া ও নানা দুর্লভ রত্নাদি দিয়ে সাজানো। স্ত্রীলোকেরা এখানে গান-বাজনা করে, প্রদীপ জ্বালিয়ে ফুল ও ধূপ ও ধুনা সুগন্ধি দিয়ে সম্মান জানায়। আদি থেকেই এই রীতি চলে আসছে। পঞ্চসিন্ধুর রাজা ও অভিজাত পরিবারেরা এই দেবতার নিকট নানা দামী দামী পাথর ও রত্নাদি নিবেদন করেন।

    এঁরা একটি পুণ্যশালা বানিয়েছেন। এখানে গরিব, রুগ্ন প্রভৃতিকে খাদ্য, পানীয় ও ওষুধ বিতরণ করা হয়, জীবন ধারনের উপায় করে দেয়া হয়। সব দেশের লোক এখানে পূজা দিতে আসেন। সব সময়েই শত শত লোকের ভিড়। মন্দিরটির চারিদিকে পুকুর ও ফুলের বাগান রয়েছে। সেখানে বিনা বাধায় যে কোন লোক ঘুরে বেড়াতে পারেন।

    ॥ ৭৬ ॥ ‘পো-ফ-তো’ বা পর্বত রাজ্য

    এখান থেকে উত্তর-পূর্বদিকে চললাম এবার। সাতশো লি পথ ভাঙার পর এসে থামলাম ‘পো-ফ-তো’ বা পর্বত রাজ্যে।

    প্রায় পাঁচ হাজার লি জুড়ে এই রাজ্যটি। রাজধানীর আয়তন কুড়ি লি মতো। দেশটি ঘন বসতিপূর্ণ ও চেক রাজ্যের অধীন। শুকনো জমিতে ফলন হয় এমন ধান এখানে প্রচুর পরিমাণে হয়। এ দেশের মাটি ডাল ও গম চাষের পক্ষেও অনুকূল।

    আবহাওয়া না বেশি গরম না বেশি ঠাণ্ডা। লোকজন সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ। কিছুটা তড়বড়ে ও ব্যস্তবাগীশ। এদের ভাষা নিচু মানের। সাধারণ রচনা ও সাহিত্যে বেশ পারদর্শী। বৌদ্ধধর্মী ও অন্য ধর্মী দুই-ই রয়েছে এখানে।

    দশটির মতো সংঘারাম এ রাজ্যে। ভিক্ষু হাজারখানেক হবে। হীনযান ও মহাযান দু’য়েরই চর্চ্চা করেন।

    রাজা অশোকের তৈরী চারটি স্তূপ রয়েছে এখানে। কুড়িটির মতো দেবমন্দির আছে। বিভিন্ন মতের অন্য ধর্মীরা এখানে থাকেন, সমবেত হন।

    রাজধানী শহরের কাছেই একটি বড়ো সংঘারামের দেখা পেলাম। শ’খানেক ভিক্ষু আছেন। মহাযানের চর্চ্চা করেন। শাস্ত্রাচার্য জিনপুত্র এখানে থেকে যোগাচার্যভূমি শাস্ত্রকারিকা বইখানি লেখেন। শাস্ত্রাচার্য ভদ্ররুচি ও গুণ প্রভ এখানেই ধর্মজীবনে দীক্ষিত হয়েছিলেন। এ সংঘারামটি অগ্নিকাণ্ডের ফলে নষ্ট হয়েছে, এজন্য বর্তমানে পুরোপুরি পরিত্যক্ত অবস্থা।

    ॥ ৭৭ ॥ ‘ও-তিন-পো-চি-লো’ বা অত্যনবকেল

    সিন্ধুদেশ পিছনে ফেলে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে পনের শো থেকে ষোলো শো লি গিয়ে আমরা ও-তিন-পো-চি-লো বা অত্যনবকেল রাজ্যে পৌঁছালাম।

    এ দেশটির পরিসর পাঁচ হাজার লি মতো। প্রধান শহরের নাম খিএ-ৎসি-শি- ফ-লো। আয়তনে তিরিশ লি খানেক। শহরটি সিন্ধু নদ ও মহাসাগর সঙ্গমে। এখানকার বাড়িঘরগুলি খুব অলংকৃত করা। দামী দামী আসবাব ও দুর্লভ জিনিসপত্রে বোঝাই। বর্তমানে এখানকার কোন স্থানীয় শাসক নেই, রাজ্যটি সিন্ধুর অধীন।

    এখানকার জমি নিচু ও স্যাঁতসেঁতে, মাটি নোনা (বেশীর ভাগ এলাকাই বুনো লতাপাতা গুল্ম ভরা অনাবাদী জমি)। খুব অল্প জমিতেই চাষ হয়। ডাল আর গমের ফলন হার প্রচুর। অন্যান্য কয়েক ধরনের ফসলের উৎপাদন সাধারণ রকমের।

    আবহাওয়া ঠাণ্ডা, প্রচণ্ড জড়-বাত্যার প্রকোপ। গরু, ভেড়া, উট, গাধা এইসব ধরনের পশু পালনের পক্ষে বেশ অনুকূল জায়গা।

    লোকজন মারমুখী ও ব্যস্তবাগীশ। জ্ঞানচর্চ্চার দিকে কোন আগ্রহ নেই। মধ্য ভারত থেকে এদের ভাষা কিছুটা পৃথক। আচার ব্যবহারের দিক থেকে সৎ ও আন্তরিকতাপূর্ণ। ত্রিরত্নের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল।

    আশিটির মতো সংঘারাম আছে। ভিক্ষুর সংখ্যা সেখানে হাজার পাঁচেক। বেশীর ভাগ ভিক্ষুই সম্মতীয় শাখানুবর্তী হীনযানপন্থী। দশটির মতো দেবমন্দির। সবাই প্রায় পাশুপত সম্প্রদায়ের।

    রাজধানীতে শহর মধ্যে একটি শিবমন্দির রয়েছে। মন্দিরটি খুব উঁচু দরের ভাস্কর্য মণ্ডিত। দেব-প্রতিমার অলৌকিক ক্ষমতার খ্যাতি রয়েছে। পাশুপত অনুগামীরা এ মন্দিরটিতে বাস করেন। তথাগত প্রায়ই এ রাজ্যে ধর্ম প্রচারের জন্য আসতেন। তাঁর স্মারক হিসাবে রাজা অশোক এখানে ছয়টি স্তূপ গড়ে গেছেন।

    ॥ ৭৮ ॥ ‘লঙ-কিও-লো’ বা লঙ্গলা

    এবার পশ্চিমদিকের পথে চললাম। দু হাজার লি যাবার পর এসে উঠলাম ‘লঙ- কিও-লো’ বা লঙ্গলা।

    এ দেশটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে কয়েক হাজার লি, উত্তর-দক্ষিণেও ওই রকম। রাজধানীটি ৩০ লি খানেক এলাকা জুড়ে। নাম-সু-নু-লি-চি-ফ-লো (সূনুরিশ্বর?)

    এখানকার মাটি সরস ও উর্বরা। ফসলের ফলন প্রচুর। জলবায়ু ও লোকের আচার আচরণ অত্যনবকেল-র মতোই। ঘন লোকবসতি ভরা। দামী দামী পাথর ও রত্ন প্রচুর। দেশটি সমুদ্রকূলে। পশ্চিমী প্রমীলা রাজ্য যেদিকে এ রাজ্যটি সেদিক পানে। এখানকার কোন প্রধান শাসক নেই। লোকেরা এক বিরাট উপত্যকা জুড়ে বসবাস করে চলেছে। কেউ অন্য কারো ‘পরে নির্ভরশীল নয়। এরা পারস্য সরকারের অধীন। বর্ণমালা প্রায় ভারতের বর্ণমালার আকার। ভাষা সামান্য কিছুটা পৃথক। বৌদ্ধধর্ম ও অন্য ধৰ্মী দুই-ই আছে।

    শ’খানেক সংঘারাম রয়েছে। বোধহয় হাজার দুয়েক ভিক্ষু সেখানে আছেন। তাঁরা হীনযান ও মহাযান দু’য়েরই চর্চ্চা করেন। কয়েক শো দেবমন্দির চোখে পড়বে। পাশুপাত সম্প্রদায়ের অনুগামীরাই সব থেকে বেশি। শহরে একটি মহেশ্বর দেবের মন্দির রয়েছে। এটি সুন্দরভাবে কারুকার্য ও ভাস্কর্য করা।

    ॥ ৭৯ ॥ ‘পি-তো-শি-লো’ বা পীতশিলা

    অত্যনবকেল রাজ্য থেকে আমরা পা বাড়ালাম উত্তরদিকে। প্রায় সাতশো লি এগোবার পর পি-তো-শি-লো বা পীতশিলা রাজ্যে পৌছালাম।

    রাজ্যটির আয়তন কম হলেও হাজার তিনেক লি। রাজধানীর পরিধি ২০ লি জায়গাটি লোক বসতিতে ভরপুর। কোন স্থানীয় রাজা নেই, সিন্ধুর অধীন।

    লবণ ও বালিভরা মাটি। হিমেল ঝড়-ঝঞ্ঝা বয়। ডাল ও গমের যথেষ্ট ফলন। ফুল ফল বলতে গেলে বিরল।

    মানুষজনের আচার ব্যবহার উগ্র ও রুক্ষ। এদের ভাষা মধ্য ভারতের তুলনায় সামান্য ভিন্ন। বিদ্যাচর্চ্চার দিতে ঝোঁক নেই। তবে যতটুকু জানে তার পরে তাদের গভীর আস্থা রয়েছে। পঞ্চাশটির মতো সংঘারাম আছে। হাজার তিনেক ভিক্ষু থাকেন সেখানে। সম্মতীয় শাখার হীনযান উপাসক সকলে। কুড়িটির মতো দেবমন্দির দেখতে পাওয়া যাবে। পাশুপত মতবাদের প্রাধান্যই সেখানে বেশী।

    নগরীর উত্তরদিকে ১৫-১৬ লি গেলে একটি বিরাট বনের মধ্যে কয়েক শো ফুট উঁচু একটি স্তূপ দেখা যাবে। এটি রাজা অশোকের তৈরী।

    এর কিছু পূর্বে একটি পুরানো সংঘারাম। বিশিষ্ট অর্থৎ মহা-কত্যায়ন এটি গড়েন। কাছেই চার বুদ্ধের স্মারক হিসেবে একটি স্তূপ আছে।

    এখান থেকে উত্তর পূর্বমুখো তিনশো লি যাবার পর আমরা দেখা পাই ‘ও- ফন-চ’ বা অবণ্ড রাজ্যের।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাংলা উপন্যাসে গণিকা – প্রীতিলতা রায়
    Next Article মহাস্থবির জাতক – প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }