Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিউয়েন সাঙের দেখা ভারত – প্রেমময় দাশগুপ্ত

    প্রেমময় দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প268 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হিউয়েন সাঙের দেখা ভারত – ৬০

    ॥ ৬০ ॥ সিংহল

    সিংহল রাজ্যটি সাত হাজার লি আয়তনের। রাজধানীর পরিধি ৪০ লি মত হবে। আবহাওয়া গরম। মাটি উর্বর ও সরস থাকায় চাষ আবাদও ঠিক মতো হয়ে চলেছে। ফুল আর ফলও অপর্যাপ্ত হয়। জনসংখ্যাও অনেক। প্রত্যেকটি পরিবারই তার বিষয় সম্পত্তি থেকে ভালো রোজগার করে।

    এখানকার লোকেরা ছোটখাটো চেহারার। গায়ের রঙ কালো। স্বভাবে উগ্রতার পরিচয় পাওয়া যায়। জ্ঞানচর্চার দিকে এদের আকর্ষণ রয়েছে, সদগুণাবলীকে সম্মান করে। ধর্মীয় ঐশ্বর্যকে তারা গভীর শ্রদ্ধা করে; ধর্মাচরণ ও পুণ্য অর্জনের দিকে যথেষ্ট চেষ্টা রয়েছে।

    এ দেশকে আদিতে রত্নদীপ বলা হতো। এখানে দামী দামী রত্ন পাওয়া যায় বলেই এ নাম। পুরাকালে এটি রাক্ষসের আবাস ছিল।

    এ রাজ্যের লোকেরা আগে নীতিশূন্য ধর্মীয় পূজা অর্চনার প্রতি আসক্ত ছিল। বুদ্ধের মৃত্যুর একশো বছর পর রাজা অশোকের ছোট ভাই মহেন্দ্র এখানে বুদ্ধের বাণী প্রচার করেন। সেই থেকে এখানকার লোক বুদ্ধের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়ে। এখানে প্রায় একশোটির মতো সংঘারাম গড়ে ওঠে ও সেখানে কুড়ি হাজারের কাছাকাছি ভিক্ষু বসবাস করতে থাকেন। এঁরা প্রধানতঃ মহাযান শাখার স্থবির মতবাদের অনুগামী। এর দু’শো বছর পর তাঁরা দু’টি শাখায় ভাগ হয়ে যান। একদল ‘মহাবিহার বাসী’-যাঁরা মহাযানের বিরোধী ও হীনযানের অনুগামী। অন্যদল-’অভয় গিরি বাসী’-যাঁরা উভয় যানেরই চর্চ্চা করে থাকেন। এঁরা বিভিন্ন মতবাদের ত্রি-পিটকের নির্দেশগুলিকে একাকার করে ফেলেছেন। এই মতবাদপন্থী ভিক্ষুরা নৈতিক নিয়মগুলিকে বিশেষভাবে মেনে চলতেন। উপলব্ধি ক্ষমতা ও প্রজ্ঞার জন্য তাঁরা বিশিষ্টতা অর্জন করেছিলেন। তাঁদের নির্ভুল আচরণ ও চালচলন পরবর্তী কালের কাছে আদর্শ স্বরূপ হয়ে উঠেছিল।

    রাজার প্রাসাদের কাছেই বুদ্ধদেবের দন্ত বিহার। এটি কয়েকশো ফুট উঁচু নানা রকম দুর্লভ রত্ন দিয়ে অলংকৃত। বিহারের উপরে একটি খাড়া দণ্ড রয়েছে। তার মাথায় একটি পদ্মরাগ মণি বসানো আছে। এ থেকে সব সময়ে উজ্জ্বল জ্যোতি খেলে চলেছে। কি দিন কি রাত সব সময়েই সে আলো দূরে থেকে চোখে পড়ে, তখন একে একটি নক্ষত্রের আলো বলে মনে হয়। রাজা প্রতিদিন বুদ্ধের তিনবার দাঁতটিকে সুগন্ধি জল দিয়ে ধোয়া মোছা করেন, কখনো বা সুগন্ধি চূর্ণ দিয়ে মাজেন।

    একে বর্তমানে সি-লন-শান বা সিলনগিরি বলা হয়। কিন্তু আগে সিংহল বলা হতো।

    এখানকার বর্তমান রাজ্য অ-লি-ফুন-নই-’রহ (অলিবুনর?) সোলি (চোল) দেশের লোক। সে গভীরভাবে ভিন্ন ধর্মের অনুরাগী, বুদ্ধের ধর্মের প্রতি তার কোন রকম অনুরাগ নেই। সে যেমন ক্রূর তেমনি স্বেচ্ছাচারী। যা কিছু ভালো মহৎ, সে তারই বিরোধী। দেশের লোকেরা এ সত্ত্বেও এখনো বুদ্ধের দাঁতের প্রতি সম্মান দেখায়।

    দন্ত বিহারের কাছেই একটি ছোট বিহার আছে। এটিও নানারকম মূল্যবান রত্ন দিয়ে অলংকৃত। এখানে বুদ্ধের একটি সোনার প্রতিমা রয়েছে। মূর্তিটি স্বাভাবিক মানুষের আকারের। এ দেশের একজন পুরানো রাজা এটি গড়ে গেছেন। পরে তিনি শিরোভূষণটিকে রত্ন খচিত করেন।

    রাজপ্রাসাদের পাশেই একটি রন্ধনশালা রয়েছে। রোজ এখান থেকে আগে আট হাজার ভিক্ষুকে খাদ্য দেয়া হতো। ইদানীং দশ বছর খানেক ধরে এ দেশে বিশেষ বিশৃঙ্খলা চলেছে, কোন সুপ্রতিষ্ঠিত রাজা নেই এদিকে দৃষ্টি দেবার জন্য।

    দেশের উপকূলে একটি উপসাগরের দরুন এই রাজ্যটি দামী রত্নাদি ও মূল্যবান পাথরের দিক থেকে ধনী। রাজা নিজে সেখানে ধর্মানুষ্ঠান করেন, এর ফলে আত্মীয়রা তাঁকে নানারকম দুর্লভ ও মূল্যবান বস্তু উপহার দেয়। দেশের অধিবাসীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। যে যার ধর্মীয় সুকৃতি অনুসারে ফল লাভ করে। যে যা পায় তার নির্দিষ্ট এক ভাগ রাজাকে কর দেয়।

    রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বদিকে লংকা পর্বত।

    এখান থেকে সমুদ্র পার হয়ে আরো দক্ষিণে গেলে কয়েক হাজার লি পর ন- লো-কি-লো বা নরকির দ্বীপ পড়বে। সেখানকার লোকেরা ছোটখাটো মাত্র তিন ফুট লম্বা। তাদের দেহ মানুষের মতো হলেও পাখির মতো চঞ্চু রয়েছে। তারা কোন শস্য ফলায় না, কেবল নারিকেলের উপর বেঁচে থাকে।

    ॥ ৬১ ॥ কঙ-কিন-নো-পু-লো বা কঙ্কনাপুর

    দ্রাবিড় রাজ্য পেছনে ফেলে উত্তরদিকে এগিয়ে চলে আমরা এক জন্তু জানোয়ার ভরা অরণ্যের দেখা পাই। এখানে পর পর মানব বর্জিত কতক শহর রয়েছে, বরং এদের শহর না বলে গ্রাম বলাই ঠিক হবে। ডাকাত লুটেরার দল এখানে দল বেঁধে পর্যটকদের উপর হামলা চালায়। জখম করে, অনেক সময় বন্দীও করে রাখে। এই পথ ধরে দু’হাজার লি মতো যাবার পর আমরা কঙ-কিন-নো-পু-লো বা কঙ্কনাপুরের দেখা পেলাম।

    এ দেশটি আয়তনে পাঁচ হাজার লির কাছাকাছি। রাজধানী তিরিশ লি মতো জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছে। মাটি রসালো ও উর্বরা। নিয়মিত চাষের কাজ চালিয়ে যথেষ্ট ফসল ফলাচ্ছে। আবহাওয়া খর, গরমের বেশ দাপট।

    এখানকার লোকজনেরা বেশ উৎসাহী ও চটপটে স্বভাবের। রঙ তাদের কালো। মেজাজ উগ্র, চালচলন অমার্জিত। জ্ঞানচর্চ্চার দিকে ঝোঁক রয়েছে, সদগুণাবলী ও প্রতিভার কদর করে।

    একশোটির মতো সংঘারাম আছে। দশ হাজার খানেক ভিক্ষু সেখানে থাকেন। মহাযান ও হীনযান দু’য়েরই চর্চ্চা করেন। দেবতাদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। কয়েকশো দেবমন্দির বর্তমান। নানা সম্প্রদায়ের বিধর্মীদের পীঠস্থান এগুলি।

    রাজপ্রাসাদের পাশেই একটি বড়ো সংঘারাম দেখলাম। শ’তিনেক ভিক্ষু থাকেন। প্রত্যেকেই বিশিষ্ট লোক। একশো ফুটের বেশি উঁচু বিরাট একটি বিহার রয়েছে। রাজকুমার স্বার্থসিদ্ধের (সিদ্ধার্থ) একটি মূল্যবান উষ্ণীষ বা মুকুট আছে এখানে। এটি উচ্চতায় দু’ফুটের কিছু কম, নানা দামী রত্ন পাথর দিয়ে অলংকৃত করা। একটি রত্ন খচিত আধারে একে রাখা হয়। এটি অর্হৎ শ্রুতবিংশতি কোটির শিল্পকর্ম।

    নগরীর উত্তরদিকে একটুখানি গেলেই ৩০ লি এলাকা জুড়ে একটি তালবন। গাছের পাতাগুলি লম্বা ও চওড়া। রঙ চকচকে উজ্জ্বল। ভারতের সব রাজ্যেই লেখার জন্য এই পাতা ব্যবহার করা হয়। এই বনের মধ্যেই একটি স্তূপ দেখলাম।

    শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে কিছুটা গেলেই একশো ফুট মতো উঁচু একটি স্তূপ দেখা যাবে। এটি অশোক রাজার গড়া। এর পাশেই একটি সংঘারামের ভগ্নাবশেষ রয়েছে। শুধু ভিতটুকুই যা বর্তমান।

    শহরের পূর্বদিকেও একটি স্তূপ আছে। ফুট তিরিশেক ছাড়া বাকী অংশ মাটিতে বসে আছে।

    ॥ ৬২ ॥ ‘মো-হো-লো-চ’ বা মহারাষ্ট্র

    কঙ্কনাপুরের সীমানা ছেড়ে উত্তর-পশ্চিমদিকে এগিয়ে চললাম। এক বিরাট অরণ্যের মধ্য দিয়ে চলেছি। হিংস্র জন্তু জানোয়ার, ডাকাত ও লুটেরার দল সুযোগ পেলেই পর্যটকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। পদে পদে জখম হবার, প্রাণ খোয়াবার ভয়। এ পথ ধরে ২৪০০ থেকে ২৫০০ লি যাবার পর দেখা পেলাম মো-হো-লো- চ বা মহারাষ্ট্র রাজ্যের।

    রাজ্যটির আয়তন পাঁচ হাজার লি মতন। এক বড়ো নদীর পশ্চিম পাড়ে ৩০ লি খানেক এলাকা জুড়ে রাজধানী শহরটি গড়ে উঠেছে।

    এখানকার মাটি সরস ও উর্বরা। নিয়মিত চাষ আবাদ চলছে। ফসলের ফলন খুবই ভালো। আবহাওয়ায় গরমের দাপট। লোকজন সৎ ও সরল স্বভাবের। শরীরের গড়ন বেশ লম্বা চওড়া। একগুঁয়ে ও প্রতিহিংসাপরায়ণ। কেউ কোন উপকার করলে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা পোষণ করে। শত্রুদের উপর কোনরকম মায়া-মমতা দেখায় না। কেউ অপমান করলে, তার শোধ তুলবার জন্য প্রাণ বিসর্জন দিতেও পিছপা হয় না। যদি কেউ দুর্দশা, দুর্বিপাকে পড়ে কোন সাহায্য চায়, নিজেদের ব্যস্ততার ঠেলায় তাকে সাহায্য করতেই ভুলে যাবে। কারো উপরে প্রতিশোধ নেবার আগে তারা শত্রুপক্ষকে হুঁশিয়ার করে দেবে, তারপর উভয়ে বর্শা হাতে নিয়ে একে অন্যের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। যখন কেউ পালাবার চেষ্টা করে অন্যজন পিছু পিছু ধাওয়া করে, তবে যে লোক নতিস্বীকার করে আত্মসমর্পণ করে তাকে কখনো তারা হত্যা করে না।

    কোন সেনাপতি যুদ্ধে হেরে গেলে তারা তাকে কোন শাস্তি দেয় না। পরিবর্তে, তাকে মেয়েদের কাপড় উপহার পাঠায়। এর ফলে, (অপমানিত হয়ে) সে নিজেই মৃত্যুবরণ করে নেয়। এ রাজ্যে কয়েকশো লোক নিয়ে গড়া একটি সংসপ্তক সেনাবাহিনী রয়েছে। প্রত্যেকবার যুদ্ধযাত্রার আগে তারা মদ খেয়ে মাতাল হয়ে নেয়। তারপর বর্শা হাতে একদল লোক দশ হাজারের মুখোমুখি হয় ও যুদ্ধের আহ্বান জানায়। যদি এই ‘সংসপ্তক’ সেনারা কোন লোককে অকারণেও মেরে ফেলে, দেশের আইন তাদের কোন শাস্তি দেয় না। যখনই তারা বাইরে বের হয়, তারা তাদের আগে আগে ভেরী বাজিয়ে চলে। এছাড়া তারা শয়ে শয়ে হাতিকে মাতাল করে যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে যায়। নিজেরাও মদ খেয়ে নেয়। তারপর একত্র হয়ে হাতি ও মানুষে মিলে সামনে যা কিছু পায় দলিয়ে মাড়িয়ে ধ্বংস করে চলে। ফলে কোন শত্রুদলই এদের সামনে তিষ্ঠোতে পারে না।

    এই সব লোক ও হাতি নিজের মুঠোয় থাকার জন্য রাজা তার পড়শীদের সঙ্গে তাচ্ছিল্যকর ব্যবহার করেন। তিনি ক্ষত্রিয় বর্ণের লোক। নাম তাঁর পুলকেশি। তাঁর কল্যাণকর কাজসমূহের সুফল ও প্রভাব বিরাট এলাকা জুড়ে অনুভূত হয়। তাঁর প্রজারা তাঁকে গভীরভাবে মেনে চলে। অধুনা শীলাদিত্য মহারাজ পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সব জাতিকে জয় করে নিয়েছেন। দেশের অতিসুদূর প্রান্তেও তাঁর প্রতিপত্তি রয়েছে। কিন্তু একমাত্র এই রাজ্যের লোকেরাই তাঁর অধীনতা মেনে নেয়নি। তিনি পঞ্চ-সিন্ধুর সব অঞ্চল থেকে সৈন্য সমবেত করে, সব দেশ থেকে সেরা নায়কদের বেছে নিয়ে, নিজেই তাঁদের নিয়ে এদের জয় করার জন্য এসেছিলেন। তবুও তিনি এদের সৈন্যদের জয় করতে পারেননি।

    স্বভাবের দিক থেকে এরা বিদ্যানুরাগী। বৌদ্ধ ও অন্য ধর্ম দু’য়েরই চর্চ্চা করে। একশোটির মতো সংঘারাম আছে এখানে। পাঁচ হাজারের মতো ভিক্ষুও আছেন। মহাযান ও হীনযান উভয়কেই অনুসরণ করেন তাঁরা। দেবমন্দির একশোর কাছাকাছি। সেখানে সব সম্প্রদায়ের বিধর্মীরাই থাকেন।

    রাজধানীর ভিতরে ও বাইরে বুদ্ধদেবের স্মৃতি বিজড়িত ৫টি স্থানে পাঁচটি স্তূপ আছে। সব ক’টিই রাজা অশোক গড়েছেন। এছাড়া ইট ও পাথরের গড়া আরো এতো স্তূপ রয়েছে যে সবগুলির বিবরণ দেয়া অসম্ভব।

    শহরের দক্ষিণে অল্প খানিকটা গেলেই একটি সংঘারাম চোখে পড়বে। এখানে চাওয়ান-ঝে-ৎসই বোধিসত্ত্বের একটি পাথরমূর্তি আছে।

    রাজ্যের পূর্ব সীমান্তে একটি দুরারোহ পর্বতমালা আছে। এর মাঝে, এক অন্ধকার উপত্যকায় একটি সংঘারাম গড়া হয়েছে। এর বিশাল মহাকক্ষগুলি ও তার বারান্দাগুলি পাহাড়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। তার প্রতিটি তলের পিছন দিকে বন্ধুর পর্বত, সামনে উপত্যকা।

    সেই সংঘারামটি অর্হৎ আচার (O-che-1o) বানিয়েছেন, ইনি পশ্চিম ভারতীয় ছিলেন।

    এর বিহারটি একশো ফুটের মতো উঁচু। মাঝে ৭০ ফুট খানেক লম্বা একটি বুদ্ধ-মূর্তি রয়েছে। তার ওপর সাত ধাপ যুক্ত পাথরের ছত্র। কোন রকম অবলম্বন ছাড়াই সেগুলি উপরে উঠে গেছে। প্রত্যেকটি ছত্রের মধ্যে তিন ফুটের মতো ব্যবধান।

    বিহারের চারপাশেই পাথরের দেয়ালগুলিতে বুদ্ধের বোধিসত্ত্ব জীবনের নানা ঘটনা চিত্রিত রয়েছে। বুদ্ধত্ব অর্জনের আগে তিনি যেসব শুভসংকেত দর্শন করেন তার চিত্র ও তাঁর নির্বাণ ঘটনাসহ তাঁর জীবনের বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ঘটনাবলীর চিত্রও এখানে রয়েছে।

    এই দৃশ্যগুলি অতি নিপুণ ও নিখুঁত ভাবে রূপায়িত করা হয়েছে। সংঘারামের বাইরের ফটকে, উত্তর ও দক্ষিণ দিকে, ডাইনে ও বাঁয়ে দুটি পাথরের হাতি আছে। প্রাচীনকালে জিন বোধিসত্ত্ব প্রায়ই এই সংঘারামটিতে আসতেন।

    ॥ ৬৩ ॥ ‘পো-লু-কিএ-চে-পো’ বা ভরুকচ্ছে

    এবার আমরা পশ্চিম দিকে এগিয়ে চললাম। প্রায় হাজার লি পথ চলার পর নর্মদা নদী পার হয়ে পৌঁছালাম এসে পো-লু-কিএ-চে-পো বা ভরুকচ্ছেব (ভরুকচ্ছ)।

    রাজ্যটি ২৪ শত থেকে ২৫ শত লি এলাকা জুড়ে। রাজধানী ২০ লি মতন। এখানকার মাটি নোনা। গাছপালা লতাগুল্ম অন্যান্য অঞ্চলের মতো অত বেশি নজরে পড়ে না। অল্প স্বল্প ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এরা সাগরের জল জ্বাল দিয়ে নুন বানায়। সমুদ্রই এদের একমাত্র অবলম্বন, যা কিছু সম্পদ আর রোজগারের পথ। আবহাওয়া গরম। সব সময়েই ঘূর্ণি ঝড় আর বাতাসের দাপট।

    লোকজনের ধরন ধারণ কেমন যেন হিম আর নির্বিকার। স্বভাব-চরিত্র কুটিল ও বিকৃত। এদের মধ্যে লেখাপড়ার চর্চ্চা নেই। সত্যমার্গী ও বিপথমার্গী দুই মতের লোকই রয়েছে।

    রাজ্যটিতে দশটির মতো সংঘারাম আছে। শ’তিনেক ভিক্ষু সেখানে। এরা মহাযানের উপাসক। স্থবির শাখার অনুগামী। দেবমন্দির গুটি দশেক। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিপথ মার্গীরা সেখানে থাকে।

    ॥ ৬৪ ॥ ‘মো-ল-প’ বা মালব

    ভরুকচ্ছেব পিছনে ফেলে উত্তর-পশ্চিমে এগিয়ে চলতে থাকলাম। প্রায় দু’হাজার লি পথ ভাঙার পর মো-ল-প বা মালব দেশের দেখা মিললো।

    দেশটি দু’হাজার লি এলাকা জুড়ে। তিরিশ লি রাজধানীর আয়তন। এর দক্ষিণ ও পূর্ব সীমা দিয়ে মহানদী বয়ে চলেছে। জমি সরস ও উর্বরা, এজন্য ফসলের ফলন অপর্যাপ্ত। লতাগুল্ম গাছপালার সীমা সংখ্যা নেই, ফল ও ফুল অফুরান। শীতে গম বোনার পক্ষে এ জমি বিশেষ উপযোগী। এরা বেশির ভাগই মচমচে রুটি ও ভাজা শস্য চূর্ণ বা তা দিয়ে তৈরী খাবার খায়।

    লোকজন বেশ সদগুণ সম্পন্ন নরম স্বভাবের। বুদ্ধির প্রখরতা বিশেষ লক্ষ্য করার মতো। এদের ভাষা বেশ প্রাঞ্জল ও পরিষ্কার। বিদ্যাবত্তা বেশ গভীর ও ব্যাপক।

    বিদ্যা ও জ্ঞানের পীঠরূপে ভারতের দুই প্রান্তের দু’টি দেশের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো। দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে মালব আর উত্তর-পূর্বে মগধ। এরা সদগুণাবলীর কদর করে, সভ্য-ভব্য আচরণের সম্মান করতে জানে। মন বুদ্ধিদীপ্ত, আর অপার প্রচেষ্টাশীল। এ সব সত্ত্বেও এরা মিথ্যা ধর্মে বিশ্বাসী। বৌদ্ধ ধর্মীও রয়েছে। দুই সম্প্রদায় মিলেমিশে বাস করে।

    একশোটির মতো সংঘারাম আছে এখানে। দু’হাজারের কাছাকাছি ভিক্ষু সেখানে। হীনযানের সম্মতীয় শাখার উপাসক সবাই। নানাধরনের দেবমন্দির শ’খানেক রয়েছে। অসংখ্য বিধর্মী উপাসক সেখানে। তবে, পাশুপতদের সংখ্যাই বেশি।

    এরাজ্যের ইতিহাস থেকে জানা যায় যে এখন থেকে ৬০ বছর আগে এখানে শীলাদিত্য নামে এক রাজা ছিলেন। জ্ঞানী ও বিদ্বানরূপে তাঁর খুব খ্যাতি ছিল। ছিল উঁচুদরের সাহিত্য প্রতিভাও। চতুর্বিধ প্রাণীকে সযত্নে লালনপালন করতেন, গভীর শ্রদ্ধা করতেন ত্রিরত্নকে। সারা জীবনে কেউ তাঁকে কখনো এতটুকু রাগ করতে দেখেনি, কোন প্রাণীর বিন্দুমাত্র ক্ষতি বা আঘাত করতে দেখেনি কখনো। যাতে কোন প্রাণী হত্যা না হয় এ জন্য তিনি তাঁর হাতি ও ঘোড়াদের ছাঁকনী দিয়ে ছেঁকে তারপর জল খেতে দিতেন। তাঁর পঞ্চাশ বছর রাজত্বকালে বন্য পশুদের সঙ্গেও মানুষের প্রীতির সম্বন্ধ গড়ে উঠেছিল। কোন লোক তাদের কোন ক্ষতি করতো না, তাদের হত্যা করতো না।

    শীলাদিত্য তাঁর প্রাসাদের পাশেই একটি বিহার তৈরী করান। এটিকে সবরকম শিল্পকলায় সুষমামণ্ডিত করা হয়েছে। এখানে তিনি সপ্ত বুদ্ধের প্রতিমা গড়ে বসিয়েছেন। প্রতি বছর তিনি দেশের চারিদিক থেকে ভিক্ষুদের আমন্ত্রণ করে এনে ‘মোক্ষ মহাপরিষদ’ সম্মেলন বসাতেন। তাদের দানধ্যান করতেন। এ প্ৰথা এখনো এখানে চলিত রয়েছে।

    রাজধানী থেকে উত্তর-পশ্চিমে ২০০ লি মতো গেলে ব্রাহ্মণদের একটি শহর (বা ব্রহ্মাণপুর-এর) দেখা পাওয়া যাবে। এর কাছে একটি গভীর খাদ আছে। তার পাশেই রয়েছে ছোট্ট একটি স্তূপ।

    ॥ ৬৫ ॥ ‘ও-চ-লি’ বা অটলি

    দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে যেতে যেতে এক উপসাগর কূলের দেখা পেলাম। সেখান থেকে উত্তর-পশ্চিমে চললাম এবার। ২৪০০ থেকে ২৫০০ লি পথ পেরিয়ে এসে পড়লাম ‘ও-চ-লি’ বা অটলি রাজ্যে।

    রাজ্যটির পরিসর ছয় হাজার লির কাছাকাছি। কুড়ি লি খানেক এলাকা নিয়ে এর রাজধানীটি গড়ে উঠেছে। ঘন-জন বসতি ভরা। ভালো জাতের রত্ন পাথর ও মূল্যবান সামগ্রীর এক বিপুল ভাণ্ডার এ রাজ্যটি। ভূমিজাত ফসলাদির কোন রকম কিছু অভাব নেই। তাহলেও ব্যবসাই এদের প্রধান জীবিকা। জমি লবণাক্ত ও বালিভরা। ফুল ও ফল তাই অপর্যাপ্ত নয়।

    এ অঞ্চলে হাটসিয়ান (hutsian) গাছ প্রচুর জন্মে। এ গাছের পাতাগুলি ঝে- চুয়েন গোলমরিচ গাছের (sz’chuen pepper) পাতার মতো দেখতে। হিয়ুন-লু (hiun-lu) সুগন্ধি গাছও এখানে জন্মে। এর পাতা থঙ-লি (thang-li) গাছের পাতার মতো।

    এলাকাটির জল বাতাস গরম। বাতাস আর ধুলোর দাপটও রয়েছে। লোকজনের ধরন-ধারণ কেমন যেন নিস্পৃহ-নির্বিকার, ঠাণ্ডা। ধন-সম্পদই এদের কাছে সবকিছু, সদগুণাবলী দুচোখে বিষ। এখানকার বর্ণমালা, ভাষা, রীতিনীতি, আচার ব্যবহার, লোকদের শরীরের গড়ন-সবকিছুই মালব দেশের মতো। অটলির বেশির ভাগ লোকেরই পুণ্যকর্মের প্রতি কোন রকম আকর্ষণ বা বিশ্বাস নেই। যারা একটু বিশ্বাস করে তারা সকলেই দেব-ভক্ত। তাদের মন্দির রয়েছে এখানে হাজারখানেক। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিধর্মীরা সেখানে সমবেত হয়, বাস করে।

    ॥ ৬৬ ॥ ‘কিএ-চ’ বা কচ্ছ

    মালব থেকে উত্তর-পশ্চিমদিকে পথ চলে ৩০০ লি খানেক পার হবার পর ‘কিএ-চ’ বা কচ্ছে যাওয়া যায়।

    দেশটি আয়তনে তিন হাজার লির কাছাকাছি। কুড়ি লি রাজধানীর পরিধি। বেশ ঘন বসতি ভরা অঞ্চল। পরিবারগুলি বেশ সমৃদ্ধ ও ধনী। কোন স্থানীয় শাসক নেই। মালব রাজ্যের অধীন।

    জলবায়ু, জমির ফসল, ফুলফলাদি, গাছপালা, লোকজনের আচার ব্যবহার ইত্যাদিতে দুদেশের মধ্যে গভীর সাম্য রয়েছে।

    দশটির মতো সংঘারাম আছে। হাজারখানেক ভিক্ষুর বাস সেখানে। হীনযান ও মহাযান দুয়েরই চর্চ্চা করে তারা। বেশ কিছু (কয়েক দশ) দেবমন্দির রয়েছে। সেখানে অগুণতি বিধর্মী অনুগামী।

    ॥ ৬৭ ॥ ‘ফ-ল-পি’ বা বল্লভী

    কচ্ছকে পিছনে ফেলে এবার উত্তরমুখো চলতে থাকলাম। লক্ষ্য হলো ‘ফ-ল-পি’ বা বল্লভী রাজ্য। প্রায় হাজার লি মতন পথ হাঁটার পর সেখানে পৌঁছলাম।

    ছয় হাজার লি মতন অঞ্চল জুড়ে এ রাজ্যটি। রাজধানীর পরিসর ৩০ লির কাছাকাছি। মাটির রকম, জলবায়ু, মানুষজনের চালচলন আচার ব্যবহার সবকিছুই মালব রাজ্যের মতো।

    বেশ ঘন বসতি ভরা জায়গাটি। পরিবারগুলি ধনী ও সচ্ছল। কয়েকশো পরিবার আছে যারা রীতিমতো কোটিপতি। দূর অঞ্চল থেকে নানারকম মূল্যবান পণ্যসম্ভার এসে এখানে পাহাড় হয়।

    একশোর মতো সংঘারাম হবে এখানে। ভিক্ষুর সংখ্যা হাজার ছয়েক। বেশির ভাগই সম্মতীয় শাখানুগামী হীনযানপন্থী। দেব মন্দিরও শ’খানেক। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রচুর বিধর্মীর বাস সেখানে।

    বুদ্ধদেব প্রায়ই এদেশে আসতেন। এজন্য রাজা অশোক বুদ্ধের বিশ্রাম স্থানগুলিতে স্মারক বা স্তূপ বানিয়েছেন। এগুলির মধ্যে অপর তিন বুদ্ধের ভ্রমণ স্থানগুলিও আছে।

    বর্তমান রাজা ক্ষত্রিয় বর্ণের লোক। তিনি মালবের শীলাদিত্য রাজার ভাইপো। কন্যাকুজের (কান্যকুব্জ) বর্তমান রাজা শিলাদিত্যের জামাই। তাঁর নাম ধ্রুবপট (বা ধ্রুব ভট্ট)। তিনি বেশ সজীব ও ব্যস্তবাগীশ স্বভাবের। প্রজ্ঞা ও শাসন দক্ষতা অগভীর। অতি সম্প্রতি তিনি বৌদ্ধ ধর্মানুরাগী হয়েছেন। প্রতিবছর তিনি এক মহাসম্মেলন ডাকেন। সাতদিন ধরে সেখানে নানা মূল্যবান ধনরত্ন, সুস্বাদু সব মিষ্টান্ন দান করেন। ভিক্ষুদের ত্রিবিধ পোষাক, ওষুধ বা তার দাম ও মূল্যবান সপ্তরত্নে তৈরী নানা রকম বস্তু বিতরণ করে থাকেন। এসব দান করে আবার দ্বিগুণ মূল্যে নিয়ে নেন। তিনি সদগুণাবলীর কদর করেন। ভালো কাজকে সম্মান দেখান। যাঁরা প্রজ্ঞার জন্য খ্যাতিবান তাঁদের বিশেষভাবে ভক্তি শ্রদ্ধা করেন। যেসব বড়ো বড়ো ভিক্ষু দূর দূর অঞ্চল থেকে আসেন তাঁদের তিনি বিশেষ করে শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখান।

    শহর থেকে একটুখানি দূরে একটি বড়ো সংঘারাম আছে। এটি অর্থৎ আচার- এর গড়া। গুণমতি ও স্থিরমতি বোধিসত্ত্ব ভ্রমণ পথে এখানে কিছুকাল থেকে প্রবন্ধ গ্রন্থাদি রচনা করেন। এই রচনাগুলি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে।

    ॥ ৬৮ ‘ও-নন-তো-পু-লো’ বা আনন্দপুর

    এবার উত্তর-পশ্চিমদিকে রওনা হওয়া গেল। যাবো ও-নন-তো-পু-লো বা আনন্দপুর। সাতশো লি মতন পথ ভাঙতে হলো সেজন্য।

    রাজ্যটি দুই হাজার লি আয়তনের। রাজধানী গড়ে উঠেছে ২০ লি মতো এলাকা জুড়ে। ঘন বসতি ভরা। পরিবারগুলি বেশ ধনী। কোন স্থানীয় রাজা নেই। মালব রাজ্যের অধীন।

    এখানকার কৃষিজাত দ্রব্যাদি, জল বাতাস, সাহিত্য, আইন-কানুন সব কিছুই মালব দেশের মতো।

    সংঘারাম আছে প্রায় দশটি। হাজারের কিছু কম ভিক্ষু আছেন। তারা হীনযানের সম্মতীয় শাখার অনুগামী। বেশ কিছু দেবমন্দির রয়েছে (কয়েক দশ)। এগুলি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিধর্মীয়দের বিচরণ ক্ষেত্র।

    ॥ ৬৯ ॥ ‘সু-লো-চ’ বা সুরাষ্ট্র

    বল্লভী থেকে পশ্চিমে গেলাম এবার। ৫০০ লি যাবার পর দেখা পেলাম ‘সু-লো-চ’ বা সুরাষ্ট্র রাজ্যের।

    দেশটির আয়তন চার হাজার লির কাছাকাছি। রাজধানীর পরিধি তিরিশ লি। রাজধানীর পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে মাহী নদী চলে গেছে। বেশ ঘন বসতি ভরা অঞ্চলটি। বাসিন্দারা সচ্ছল ও ধনী। রাজ্যটি বল্লভীদের অধীন।

    এ অঞ্চলের মাটি নোনা। ফল ও ফুলের ছড়াছড়ি তাই বেশ কম। আবহাওয়া গা-সওয়া গোছের হলেও ঝড় ঝঞ্ঝার বিরাম নেই। লোকজন যত্নহীন, নির্বিকার নিস্পৃহ ধরনের। লঘু ও অস্থির-মতি স্বভাব। লেখাপড়া, জ্ঞানচর্চ্চার দিকে কোন শ্রদ্ধা বা আগ্রহ নেই। সত্যধর্মী ও অন্যধর্মী দু-ই রয়েছে।

    পঞ্চাশটি মতো সংঘারাম আছে। সেখানে হাজার তিনেক ভিক্ষুর বসবাস। তাদের বেশীর ভাগই মহাযানের স্থবির শাখার অনুগামী। শ’খানেক দেবমন্দির রয়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিধর্মীতে সেগুলি ভরা।

    এ রাজ্যটি পশ্চিম সাগর পথে অবস্থিত। এজন্য সাগর-নির্ভর জীবিকাগুলি ও ব্যবসা বাণিজ্য এদের আয়ের প্রধান পথ।

    এই শহর থেকে খানিকটা গেলেই উদুন্ত পাহাড়। এর উপর একটি সংঘারাম আছে। পাহাড়ের গা কেটে বেশীর ভাগ কক্ষ ও বারান্দাগুলি বানানো হয়েছে। পাহাড়টি ঘন বন জঙ্গল ও গাছগাছালিতে ভরা। কয়েকটি ঝরনা একে ঘিরে বয়ে চলেছে। মুনি-ঋষিদের বিচরণ ও বাসের জায়গা এটি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাংলা উপন্যাসে গণিকা – প্রীতিলতা রায়
    Next Article মহাস্থবির জাতক – প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }