Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিউয়েন সাঙের দেখা ভারত – প্রেমময় দাশগুপ্ত

    প্রেমময় দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প268 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হিউয়েন সাঙের দেখা ভারত – ৫০

    ॥ ৫০ ॥ ‘কিএ-লো-ন-সু-ফ-ল-ন’ বা কর্ণসুবর্ণ।

    এ রাজ্যটির ঘের ১৪০০ থেকে ১৫০০ লি। রাজধানীর পরিধি ২০ লির কাছাকাছি। ঘন জনবসতিতে ভরা। পরিবারগুলি বেশ ধনী ও সমৃদ্ধ। জমি নিচু ও মাটি দো-আঁশ। চাষ আবাদ বরাবর নিয়ম মতো হয়ে আসছে। অফুরান ফুলের চাষ। এ ছাড়া নানা ধরনের অসংখ্য দামী দামী সামগ্রীর চাষ। আবহাওয়া বেশ মনোরম। লোকেরা অমায়িক ও সৎ। জ্ঞানচর্চ্চাকে অত্যধিক ভালোবাসে। অতি আগ্রহের সঙ্গে এর চর্চ্চা করে। বৌদ্ধধর্মী ও অন্য-ধর্মী দুই-ই আছে এদের মধ্যে। সংঘারাম রয়েছে দশটির মতো। সেখানে দু’হাজারের মতো ভিক্ষু থাকেন। হীনযানের সম্মতীয় শাখার অনুগামী তাঁরা।

    দেবমন্দির পঞ্চাশের মতো হবে। সেখানে অসংখ্য অন্য-ধর্মীর বাস।

    এ ছাড়া আরো তিনটি সংঘারাম রয়েছে। এখানে দেবদত্তর নির্দেশ মেনে দই ব্যবহার করা হয় না।

    রাজধানীর পাশেই একটি সংঘারাম আছে। এটির নাম রক্তবিতি। এর মহাকক্ষগুলি বেশ বড়োসড়ো ও আলো বাতাস ভরা। তলযুক্ত গম্বুজগুলি খুবই উঁচু। রাজ্যের সেরা জ্ঞানীগুণী খ্যাতিবানরা সকলেই প্রায় এখানে সমবেত হন। তাঁরা একে অপরের চরিত্র গঠনে, জ্ঞানের অগ্রসর প্রচেষ্টায় সাহায্য করেন। আগে এখানকার লোকজন বুদ্ধের মতবাদের প্রতি অনুরাগী ছিল না। এ সময়ে একজন দক্ষিণ ভারতীয় বিধর্মী পণ্ডিত ছিলেন। তিনি তাঁর পেটে তামার পাত বেঁধে রাখতেন, কপালে একটি জ্বলন্ত মশাল। সদর্পে পা ফেলে লাঠি হাতে তিনি এ দেশে এসে হাজির হলেন। বিতর্ক সভা আহ্বানের ভেরী বাজিয়ে তর্ক-যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে চাইলেন। একটি লোক তখন প্রশ্ন করলো : আপনার এমন বিচিত্র সাজ কেন? তিনি জবাব দিলেন : আমার বিদ্যা এতো বেশি যে ভয় হয় তা পাছে পেট ফেটে বেরিয়ে যায়। অসংখ্য লোক নিদারুণ অজ্ঞতার আঁধারে বাস করছে দেখে আমার তাদের জন্য ভারি দুঃখ হয়, তাদের (জ্ঞানের) আলো দেখানোর জন্যই আমি কপালে মশাল জ্বালিয়েছি।

    দশদিন কেটে গেল। তাঁর সঙ্গে তর্কে নামার মতো কাউকে পাওয়া গেল না। একজন বললো : এখানে বনের মধ্যে একজন বিদেশী শ্রমণ আছেন। তিনি খুব পণ্ডিত। রাজা তাঁকে ডেকে আনলেন। তিনিও একজন দক্ষিণ ভারতীয়। তিনি সহজেই বিধর্মী পণ্ডিতকে তর্কে পরাস্ত করলেন।

    রাজা শ্রমণের প্রতি শ্রদ্ধাপরায়ণ হয়ে এই সংঘারামটি গড়ে দিলেন। সেই থেকে এখানে বুদ্ধদেবের শিক্ষা বিস্তার করতে থাকলো।

    এই সংঘারাম থেকে অল্প কিছূ দূরে রাজা অশোকের তৈরী একটি স্তূপ রয়েছে। পাশেই একটি বিহার। যে সব জায়গায় বুদ্ধদেব এসে ধর্ম প্রচার করেন সে সব জায়গায় আরো কয়েকটি স্তূপ আছে। এগুলি রাজা অশোক বানিয়ে গেছেন।

    ॥ ৫১ ॥ ‘উ-চ’ বা উড়

    কর্ণসুবর্ণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে এগিয়ে প্রায় ৭০০ লি মতো যাবার পর উ-চ বা উড্র দেশ। [তাম্রলিপ্তি থেকে উড্র যান]

    আয়তনে এ রাজ্যটি ৭০০০ লি মতন। রাজধানীর ঘের ২০ লি খানেক। প্রচুর ফসলের ফলন দেখে বোঝা যায় মাটি বেশ সরস ও উর্বরা। অন্য যে কোন দেশের তুলনায় এখানে যে কোন ফলের ফলন বেশি। এখানে যে সব নতুন ধরনের লতাগুল্ম ও নামকরা সব ফুল ফোটে সেগুলির তালিকা দেয়া বেশ দুরূহ।

    আবহাওয়া গরম। মানুষজন সুসভ্য নয়। চেহারা লম্বা-চওড়া, গায়ের রঙ হলদেটে-কালচে। তাদের কথাবার্তার ভঙ্গী ও ভাষা মধ্য ভারতের চেয়ে আলাদা। তারা জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ও এজন্য অবিরাম চেষ্টা করে চলে। অধিকাংশই বৌদ্ধ ধর্মানুরাগী।

    একশোটির মতো সংঘারাম রয়েছে। দশ হাজারের মতো ভিক্ষু সেখানে থাকেন। সকলেই মহাযানের চর্চ্চা করেন।

    পঞ্চাশটির মতো দেবমন্দির। সব সম্প্রদায়ের বিধর্মীরাই সেখানে থাকেন।

    বুদ্ধদেব এ রাজ্যের যে সব জায়গায় ধর্মপ্রচার করে গেছেন সেখানেই একটি স্তূপে গড়া হয়েছে। এরকম স্তূপ মোট দশটি। সব ক’টিই রাজা অশোক গড়ে গেছেন।

    রাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের দিকে একটি বড়ো পাহাড়ের মাঝে ‘পুষ্পগিরি ‘ নামে একটি সংঘারাম আছে। এখানেও একটি স্তূপ আছে।

    এর উত্তর-পশ্চিম দিকে একটি পাহাড়ের উপর একটি সংঘারাম আছে। সেখানেও একটি স্তূপ দেখা যাবে।

    রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে, সাগরকূলে একটি শহর চোখে পড়লো। নাম চে-লি-ত-লো বা চরিত্র। আয়তনে ২০ লির মতো। এখান থেকে সওদাগরেরা দূর দেশে যাত্রা করে, বিদেশীরাও যায় আসে, অন্য কোথাও যাবার পথে এখানে থেমে বিশ্রাম নেয়। শহরটির দেয়াল বেশ মজবুত ও উঁচু। এখানে সব ধরনের দুর্লভ ও দামী দামী জিনিষ মেলে।

    শহরের বাইরে পর পর পাঁচটি বিহার রয়েছে। এদের তলবিশিষ্ট গম্বুজগুলি খুব উঁচু, চমৎকারভাবে মুনি-ঋষিদের মূর্তি খোদাই করা।

    এখান থেকে কুড়ি হাজার লি মতন দক্ষিণদিকে গেলে তবে সিংহল।

    ॥ ৫২ ॥ ‘কঙ্গ-উ-তো’ বা কঙ্গোদ

    উড্র থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে চললাম। পথে বিরাট বিরাট সব বনাঞ্চল পড়লো। তার মধ্য দিয়ে পথ চলে ১২০০ লি যাবার পর কঙ্গ-উ-তো বা কঙ্গোদ রাজ্যে প্রবেশ করলাম।

    রাজ্যটির আয়তন এক হাজার লির কাছাকাছি। রাজধানীর পরিধি ২০ লি মতো। একটি উপসাগর কূলে এ রাজ্যটি। এর পাহাড়মালাগুলি উঁচু আর খাড়া। জমি নিচু ও স্যাঁতসেঁতে। চাষ আবাদের কাজ লেগে আছে, ফসলও ভালো হয়। গরম আবহাওয়া। লোকজন সাহসী ও তাড়নার বশ। শরীরের গড়ন লম্বা-চওড়া, গায়ের রঙ কালো, নোঙরা থাকে। চাল-চলনের মধ্যে কিছুটা বিনয়ের ভাব দেখা যায় আর মোটামুটিভাবে সও বলা চলে। তাদের লিখিত বর্ণমালার চেহারা মধ্য ভারতের মতোই। কিন্তু ভাষা আর তার উচ্চারণ রীতি পুরোপুরি ভিন্ন। অন্য ধর্মীদের মতবাদের প্রতি তাদের গভীর শ্রদ্ধা, বুদ্ধ ধর্মের প্রতি কোন অনুরাগ নেই।

    শ’খানেকের মতো দেবমন্দির দেখা যাবে। সেখানে বোধহয় ১০ হাজারের কাছাকাছি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অন্যধর্মীরা থাকে।

    এ রাজ্যের মধ্যে অনেকগুলি (কয়েক দশ) ছোট ছোট শহর রয়েছে। সাগরের সঙ্গে সংযোগ রেখে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে এগুলি গড়ে উঠেছে। শহরগুলি স্বাভাবিকভাবেই বেশ উঁচু সুরক্ষিত। সৈন্যরাও বেশ সাহসী ও পরাক্রমী। পড়শী দেশগুলিকে তারা সৈন্যবলের সাহায্যে শাসন করে, কেউ এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারে না।

    সাগরকূলের এই রাজ্যটিতে অনেক দুর্লভ আর দামী দামী জিনিষের প্রাচুর্য রয়েছে। কড়ি ও মুক্তা দিয়ে তারা বাণিজ্যিক আদানপ্রদান চালায়। সবজে নীলরঙা বড়ো বড়ো হাতি রয়েছে এখানে। এগুলোকে যানবাহন টানার কাজে ও অতি দূরদেশে যাত্রার সময় ব্যবহার করা হয়।

    ॥ ৫৩ ॥ কিও-লিঙ্গ-কিএ=কলিঙ্গ

    কঙ্গোদ পিছনে ফেলে আরো দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে যাত্রা শুরু হলো। বুনো জন্তু জানোয়ারে ভরা বন আর গভীর জঙ্গল। গাছগুলো যেন একেবারে স্বর্গে মাথা উঁচিয়েছে। সূর্যের মুখ দেখার একটুও উপায় নেই। এই পথ ধরে ১৪০০ থেকে ১৫০০ লি যাবার পর আমরা পা রাখলাম কলিঙ্গ রাজ্যে।

    এ দেশটির আয়তন পাঁচ হাজার লির মতো হবে। রাজধানীর পরিধিও ২০ লি খানেক। নিয়মিতভাবে চাষবাসের কাজ চলে, ফলনও ভালো। ফুল ও ফল অফুরান। বেশ কয়েকশো লি জুড়ে একটানা বন-জঙ্গল-অরণ্য। সবজে-নীল রঙের বুনো হাতি প্রচুর। পড়শী দেশগুলিতে এই হাতির বেশ কদর রয়েছে।

    আবহাওয়া অঙ্গারের মতো জ্বলন্ত। মানুষজন উগ্র ও দুর্বিনীত। তাদের চাল- চলন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রুক্ষ ও অভদ্র হলেও কথা দিলে কথা রাখে ও বিশ্বাস করা চলে। তাদের ভাষা হালকা ও ছন্দোগতিময়। উচ্চারণ পরিষ্কার ও নির্ভুল। কিন্তু শব্দ ও ধ্বনির ক্ষেত্রে মধ্য ভারত থেকে তারা যথেষ্ট ভিন্ন।

    এখানকার খুব কম লোকই বৌদ্ধ ধর্মানুরাগী। অন্য ধর্মীরাই প্রধান। দশটির মতো সংঘারাম আছে। ভিক্ষু ৫০০ খানেক। এরা স্থবির শাখানুগামী মহাযান- পন্থী।

    শ’খানেক দেবমন্দির রয়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিধর্মীরা অগুণতি সংখ্যায় সেখানে থাকে। সব থেকে বেশি হলো নির্গ্রন্থ সম্প্রদায়ের অনুগামী।

    আগে এখানে খুব ঘন বসতি ছিল। তারপর এক ঋষির ক্রোধে রাজ্যটি প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে। বাইরের লোকেরা এসে এখানে ধীরে ধীরে বসবাস শুরু করে। তবুও যথেষ্ট বসতি এখনো গড়ে ওঠেনি।

    রাজধানী থেকে অল্প কিছু দূরে একশো ফুট মতো উঁচু একটি স্তূপ রয়েছে। রাজা অশোক এটি বানিয়ে গেছেন।

    রাজ্যটির উত্তর সীমানায় একটি বড়ো খাড়া পাহাড়ের উপরেও (মহেন্দ্র গিরি) একশো ফুটের মতো উঁচু একটি পাথরের স্তূপ রয়েছে।

    ॥ ৫৪ ॥ কিও-স-লো : কোশল

    কলিঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিমদিকে রওনা হলাম এবার। শুধু বন আর বন, পাহাড় আর পাহাড়। এরই মধ্য দিয়ে প্রায় ১৮০০ লি পথ ভাঙবার পর এলাম কিও-স- লো বা কোশল (দক্ষিণ কোশল)।

    পাঁচ হাজার লি মতো আয়তনের এ রাজ্যটির সীমা পাহাড় কন্দর দিয়ে ঘেরা। একের পর এক ঘন বন আর জঙ্গল। রাজধানী শহরটির ঘের ৪০ লি হবে। জমির সরসতা ও উর্বরতার জন্য ফসলের ফলনও অঢেল।

    শহর আর গ্রামগুলি যেন গা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে। ঘন বসতি ভরা এলাকা। মানুষজন বেশ লম্বা-চওড়া চেহারার। গায়ের রঙ কালো। মেজাজ কড়া, মার, দাঙ্গা-প্রবণ। সাহসী আর গোঁয়ার। বৌদ্ধ ও অন্য-ধর্মী দু’রকমই রয়েছে। লেখাপড়া জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ও খুব চালাক চতুর বুদ্ধিমান।

    রাজা ক্ষত্রিয় জাতির লোক। বুদ্ধের ধর্মমতের প্রতি গভীর অনুরাগী। তাঁর সদগুণাবলী ও সহৃদয়তার খ্যাতি দূর দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

    শ’খানেক সংঘারাম রয়েছে। হাজার দশেকের কিছু কম ভিক্ষু সেখানে থাকেন। সকলেই তাঁরা মহাযানের অনুগামী। দেবমন্দির সত্তরটির মতো। নানা সম্প্রদায়ের অন্য-ধর্মীদের পীঠস্থান সেগুলি।

    শহর থেকে অল্প কিছু দক্ষিণে একটি সংঘারাম আছে। রাজা অশোকের তৈরী একটি স্তূপও রয়েছে তার কাছে। নাগার্জুন বোধিসত্ত্ব এ সংঘারামে থাকতেন। সে সময়ে এখানকার রাজা ছিলেন সদবহ (সাতবাহন)। রাজা তাঁকে বিশেষ শ্রদ্ধা করতেন। দেব বোধিসত্ত্ব এ নাগার্জুনের শিষ্য। নাগার্জুন রসায়ন বিদ্যাতেও সুদক্ষ ছিলেন।

    দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে তিনশো লি মতো গেলে ব্রহ্মগিরি পর্বতের দেখা মিলবে। এ পর্বতের একক চূড়াটি এ অঞ্চলের সব পাহাড়কে ছাড়িয়ে আকাশে মাথা তুলেছে। এই ভাব-গম্ভীরময় নিরেট পাহাড়টি হঠাৎ যেন এর খাড়া অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে, মাঝে কি আশেপাশে কোন উপত্যকা নেই। নাগার্জুন বোধিসত্ত্বের জন্য রাজা সাতবাহন এই পাহাড়ের মাঝ বরাবর সুড়ঙ্গ খুঁড়ে একটি সংঘারাম বানিয়ে দিয়েছেন। প্রায় দশ লি মতন সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সেই ঢাকা পথ দিয়ে এর মধ্যে যাতায়াতের রাস্তা বানানো হয়েছে। কোন পথ দিয়ে ভেতরে ঢুকতে হবে তা জানা না থাকায় আমরা পাহাড়ের গোড়ায় দাঁড়িয়ে তার সারা গায়ে খোদাই করা ভাস্কর্য দেখতে থাকলাম। ছাদে ঢাকা চলাচলের বারান্দসহ পাঁচতলা উঁচু সৌধ। উপরে উঁচু উঁচু গম্বুজ। প্রত্যেকটি তলাতেই বিহারসহ চারটি করে মহাকক্ষ। প্রত্যেকটি বিহারেই একটি করে সোনার বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে। প্রত্যেকটিই স্বাভাবিক মানুষের আকারের। অপূর্ব তার শিল্প সুষমা, সোনা ও মূল্যবান রত্নাদি দিয়ে অপরূপ ভাবে সাজানো। পাহাড়ের উঁচু চূড়াটি থেকে কয়েকটি ঝরনাধারা নেমে এসেছে জলপ্রপাতের মতো হয়ে। বয়ে চলেছে তার জলধারা সৌধটির প্রত্যেকটি তলাকে ঘিরে তার ধার-বারান্দাগুলি দিয়ে। এদিক ওদিক তৈরী ফোকরগুলি দিয়ে ঢুকছে সৌধের ভেতরে আলো।

    ॥ ৫৫ ॥ ‘অন-ত-লো’ বা অন্ধ্র

    কোশল পিছনে ফেলে এক বিরাট অরণ্যের মধ্য দিয়ে আমরা অন-ত-লো বা অন্ধ রাজ্যের দিকে এগিয়ে চললাম। প্রায় ৯০০ লি পথ চলার পর সেখানে এলাম।

    তিন হাজার লি এ রাজ্যটির আয়তন। ২০ লি হলো রাজধানীর পরিধি। এ শহরটির নাম পিঙ-কি-লো (বিঙ্গিল? = সম্ভবত বেঙ্গি)।

    এখানকার জমি সরস ও উর্বরা। নিয়মিতভাবে চাষ আবাদের কাজ হয়। খাদ্য-শস্যের ফলন বেশ প্রচুর। আবহাওয়া গরম, লোকজন উগ্র ও তাড়না-প্রবণ।

    এ এলাকার ভাষা ও বাক্যনিবাস মধ্যভারত থেকে ভিন্ন ধরনের। বর্ণমালার চেহারা সেখানকার সঙ্গে প্রায় এক।

    কুড়িটির মতন সংঘারাম আছে। ভিক্ষু থাকেন সেখানে তিন হাজারের মতো। দেবমন্দির তিরিশটি। অগুণতি বিধর্মী সেখানে বাস করে থাকেন।

    শহর থেকে একটুখানি দূরে একটি বিরাট সংঘারাম রয়েছে। এর একাধিক তলবিশিষ্ট গম্বুজগুলি ও ঝুল-বারান্দাগুলি সুন্দর কারুকাজ ও অলংকার করা। এখানে অনুপম শিল্প-সুষমামণ্ডিত একটি বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে। সংঘারামের সামনে কয়েক শো ফুট উঁচু একটি পাথরের স্তূপ রয়েছে। এর সব কটিই অর্হৎ ও-চে-লো (অচল) এর তৈরী।

    এখান থেকে একটুখানি দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে গেলে রাজা অশোকের তৈরী একটি স্তূপের দেখা পাওয়া যাবে।

    কুড়ি লি মতো দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে গেলে একটি নির্জন পাহাড়ের উপর একটি স্তূপ চোখে পড়বে। এখানে জিন বোধিসত্ত্ব ইন-মিঙ-লুন (ন্যায়ম্বার তারক-শাস্ত্র বা হেতু বিদ্যা শাস্ত্র?) রচনা করেন।

    ॥ ৫৬ ॥ ‘তো-ন-কিএ-ৎসে-কিঅ’ বা ধনকণ্টক

    এখান থেকে এবার নির্জন বনানীর বুক চিরে দক্ষিণদিকে ‘তো-ন-কিএ-ৎসে-কিঅ’ বা ধনকণ্টক চললাম। হাজার লির মতো পথ চলার পর সেখানে পৌঁছলাম।

    এ রাজ্যটি আয়তনে ছয় হাজার লি খানেক হবে। রাজধানীর ঘেরও ৪০ লির কাছাকাছি। মাটি সরস ও উর্বরা। চাষ আবাদের কাজ নিয়মিতভাবে করা হয়। ফসলের ফলন বেশ ভালোই। দেশের বেশির ভাগ জায়গাই বসতি বৰ্জিত। শহরগুলির লোক সংখ্যাও ভয়ানক কম। আবহাওয়া গরম। লোকদের গায়ের রঙ হলদেটে-কালচে। স্বভাবের দিক থেকে উগ্র ও তাড়না-প্রবণ। জ্ঞানের প্রতি অপার শ্রদ্ধা রয়েছে।

    অসংখ্য সংঘারাম এ রাজ্যটিতে। তবে সবই প্রায় জন-বর্জিত ভাঙাচোরা। যে কটিকে এখনো টিকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের সংখ্যা কুড়িটির মতো হবে। হাজারখানেক ভিক্ষু সেখানে থাকেন। সকলেই মহাযানের অনুরক্ত। শ’খানেক দেবমন্দির আছে। নানান সম্প্রদায়ের অগুণতি বিধর্মী সেখানে থাকেন।

    রাজধানী থেকে পূর্বে, পাহাড়ের গোড়ায় পূর্বশীল নামে একটি সংঘারাম আছে। পশ্চিমদিকেও পাহাড় কোলে আবরশীল নামের সংঘারামটি রয়েছে। আগেকার এক রাজা এগুলি ক’রে দিয়েছিলেন। এখন এ দু’টিতে কেউই থাকে না।

    শহরের দক্ষিণে অল্প কিছুটা হাঁটলে একটি বড়ো পাহাড়ী গুহার দেখা মিলবে। মৈত্রেয় বোধিসত্ত্বের অপেক্ষায় শাস্ত্রবেত্তা ভাববিবেক এখানে এক গোপন অসুরপুরীতে বাস করে চলেছেন। এই বিখ্যাত পণ্ডিত বাইরে সাংখ্যকার কপিলের অনুগামী হলেও মূলতঃ নাগার্জুনের মতবাদের অনুরক্ত।

    ॥ ৫৭ ॥ ‘চু-লি-য়ে’ চুল্য বা চোল দেশ

    ধনকণ্টক পিছনে ফেলে এগোতে থাকলাম। এবার আমাদের লক্ষ্য চু-লি-য়ে বা চোল রাজ্য। দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে হাজারখানেক লি পথ ভাঙার পর থামলাম এসে চোলিতে।

    ২৪০০ থেকে ২৫০০ লি আয়তনের এ রাজ্যটির রাজধানী শহরটি মাত্র দশ লি খানেক এলাকা জুড়ে।

    বেশির ভাগ অঞ্চলেই জনমানব নেই, বুনো জন্তু জানোয়ারের বাসভূমি। পরপর জলাভূমি আর ঘন বনজঙ্গল। লোকসংখ্যা খুব কম। লুটেরা-ডাকাতের দল সবার চোখের সামনে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আবহাওয়া গরম ঠেকলো। লোকজনের ব্যবহারও নিষ্ঠুর, মায়া-মমতাহীন। স্বভাব সহজাতভাবেই উগ্র। বিরোধী ধর্মমতের প্রতিই এদের অনুরক্তি।

    এই এলাকার সংঘারামগুলি যেমন ভাঙাচোরা আর আবর্জনায় ভরা ভিক্ষুরাও তেমনি নোংরা। বেশ কিছু (কয়েক দশ) দেবমন্দির আছে। নির্গ্রন্থ সন্ন্যাসীর সংখ্যাই সব থেকে বেশি।

    শহর থেকে কিছুটা দক্ষিণ-পূর্বে গেলে রাজা অশোকের গড়া একটি স্তূপ চোখে পড়বে। শহর থেকে পশ্চিমদিকে দেখা যাবে একটি পুরানো সংঘারাম দেব বোধিসত্ত্ব এখানে অর্হৎ উত্তরের সঙ্গে দেখা করতে আসেন।

    ॥ ৫৮ ॥ ‘ত-লো-পি-চো’ বা দ্ৰাবিড়

    চোল রাজ্য থেকে এবার আমরা আরো দক্ষিণে চললাম। হিংস্র জন্তু জানোয়ার ভরা এক বিরাট অরণ্য প্রদেশের মধ্য দিয়ে পথ চলতে থাকলাম। ১৫০০ থেকে ১৬০০ লি পার হবার পর এলাম ‘ত-লো-পি-চ’ বা দ্রাবিড় রজ্যে।

    দেশটির আয়তন ছয় হাজার লির বেশি হবে না। রাজধানী শহরের নাম কাঞ্চীপুর। তিরিশ লি মতন এলাকা জুড়ে শহরটি।

    এখানকার মাটি উর্বরা। চাষ আবাদের কাজও ভালোই চলে। শস্যের ফলনও বেশ ভালো হয়। ফুল ফলের কোন অভাব নেই, অফুরান রয়েছে। দামী দামী রত্ন ও অন্যান্য জিনিসও এখানে পাওয়া যায়।

    আবহাওয়া গরম বলেই মনে হলো। লোকজন দেখলাম সাহসী। সততা ও সত্য ভাষণের দিকে গভীর অনুরাগ রয়েছে। জ্ঞানচর্চ্চার দিকে অপার অনুরাগ ও শ্রদ্ধা। এখানকার ভাষা ও বর্ণমালা মধ্য ভারতের তুলনায় ভিন্ন হলেও এই ভিন্নতা খুবই সামান্য।

    কয়েকশো সংঘারাম আছে এখানে। ভিক্ষুর সংখ্যাও দশ হাজার খানেক। সকলেই মহাযান শাখার স্থবির মতধারার অনুগামী। দেবমন্দির আশিটির মতো। নির্গ্রন্থ সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসীই বেশি।

    তথাগত এদেশে প্রায়ই আসতেন ও ধর্মপ্রচার করে বেড়াতেন। এজন্য রাজা অশোক এখানে বুদ্ধদেবের স্মৃতি বিজড়িত জায়গাগুলিতে অনেকগুলি স্তূপ বানিয়ে গেছেন।

    কাঞ্চীপুর ধর্মপাল বোধিসত্ত্বের জন্মস্থান। তিনি ছিলেন এ রাজ্যের এক মন্ত্রীর বড়ো ছেলে।

    শহর ছেড়ে খানিক দূরে এগোলে দক্ষিণদিকে একটি বড়ো সংঘারাম দেখা যাবে। এখানে অশোক রাজার তৈরী একশো ফুটের মতো একটি উঁচু স্তূপ রয়েছে।

    ॥ ৫৯ ॥ ‘মো-লো-কিউ-চ’ বা মালকুট

    এবার আরো দক্ষিণদিকে এগিয়ে চললাম। দীর্ঘ তিন হাজার লি পথ পেরিয়ে এলাম অবশেষে ‘মো-লো-কিউ-চ’ বা মালকুট।

    রাজ্যটির আয়তন পাঁচ হাজার লির কাছাকাছি। রাজধানীর শহরটি গড়ে উঠেছে প্রায় ৪০ লি এলাকা জুড়ে। এখানকার মাটি নোনা। শস্যের ফলন তাই ততো বেশি নয়। পড়শী দ্বীপগুলিতে যে সব মূল্যবান জিনিসপত্র পাওয়া যায় সেগুলি এখানে আনা ও বাছাই করা হয়।

    আবহাওয়া বেজায় গরম। মানুষজন বেজায় কালো। স্বভাবের দিক থেকে তারা দৃঢ়চেতা ও গোঁয়ার। বৌদ্ধধর্মী ও অন্যধর্মী দুই-ই রয়েছে তাদের মধ্যে। লেখাপড়া ও জ্ঞানচর্চ্চার দিকে তেমন কোন অনুরাগ নেই। ব্যবসায়িক লাভ লোকসান নিয়েই মেতে আছে।

    অনেক পুরানো সংঘারামের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। তাদের দেয়ালগুলিই যা একটু খাড়া রয়েছে এখনো। ভিক্ষুর সংখ্যা খুবই অল্প। বেশ কয়েকশো দেবমন্দির আছে। বিধর্মী অনুগামীদের সংখ্যাও অগুণতি। বেশির ভাগই নির্গ্রন্থ সম্প্রদায়ের।

    শহর থেকে খানিক দূর গেলে পূর্বদিকে একটি পুরানো সংঘারাম চোখে পড়বে। তার পথ ও প্রাঙ্গণ বুনো গাছপালার জঙ্গলে ঢাকা, শুধু যা ভিত দেয়ালগুলিই কোন মতে এখনো খাড়া রয়েছে। রাজা অশোকের ছোট ভাই মহেন্দ্র এটি বানিয়েছিলেন।

    এর পূর্বে একটি স্তূপ নজরে এলো। তার প্রায় সবটাই মাটিতে বসে গেছে। কেবল চূড়ার দিকটি মাটির উপরে রয়েছে। রাজা অশোক এটি গড়েন।

    রাজ্যের দক্ষিণদিকে, সাগরকূলে, মলয় পর্বতমালা। বিরাট উঁচু উঁচু চূড়া, খাড়া খাড়া পাহাড়, গভীর উপত্যকা আর গিরি ঝরনার জন্য প্রসিদ্ধ। এখানে শ্বেত চন্দন ও চন্দনিভ গাছ জন্মায়। দুটি গাছই একরকম দেখতে। প্রখর গরমকালে পাহাড়ের উপর গিয়ে এ দুটোর পার্থক্য কষা সম্ভব। তখন দূর থেকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে বড়ো বড়ো সাপ চন্দন গাছের পা জড়িয়ে পাক খেয়ে পড়ে আছে। এই গাছের গা খুব ঠাণ্ডা বলে সাপেরা ঐভাবে পাক খেয়ে পড়ে থাকে। এভাবে মূল চন্দন গাছ চিনবার পর দূর থেকে গাছের গায়ে তীর বিঁধিয়ে গাছটিকে চিহ্নিত ক’রে রাখা হয়। শীতকালে সাপ যখন আর থাকে না তখন গিয়ে গাছ কেটে ফেলা হয়।

    এ অঞ্চলে কপূরও মেলে। কর্পূর গাছের গুঁড়ি দেখতে পাইন গাছের মতোই, তবে পাতা, ফুল ও ফল দেখতে আলাদা রকমের। যখন গাছ কেটে ফেলা হয় ও রসালো অবস্থায় থাকে তখন কোন গন্ধ পাওয়া যায় না। কাঠ শুকিয়ে গেলেই তার মধ্যে শিরার মতো দেখা দেয় ও ফেটে ফেটে যায়। তখন এর মধ্যে অভ্রের মতো স্বচ্ছ জমাট বরফ রঙের কপূরের দেখা মেলে।

    মলয় পর্বতমালার পূর্বদিকে পোতলক পর্বত। এর গিরিপথগুলি ভয়ঙ্কর বিপদ-ভরা। পাহাড়ের পাশগুলি ভীষণ খাড়া, উপত্যকাগুলি দারুণ উঁচু নিচু এবড়ো খেবড়ো। পাহাড়ের উপরে একটি হ্রদ রয়েছে। জল আয়নার মতো স্বচ্ছ। একটি খাদ থেকে একটি বড়ো নদী নেমে এসেছে। নদীটি নামার পথে পাহাড়টিকে কুড়িবার পাক খেয়ে নেমে এসেছে ও শেষমেশ দক্ষিণ সাগরে গিয়ে মিশেছে। হ্রদের পাশে দেবতাদের একটি পাথর-প্রাসাদ রয়েছে।

    এই পাহাড় থেকে উত্তর-পূর্ব মুখো গেলে সাগর পাড়ে একটি শহরের দেখা পাওয়া যাবে। এখান থেকেই সাধারণতঃ দক্ষিণ-সাগর ও সিংহল যাত্রা করা হয়। এখানকার লোকেরা বলে থাকে যে এই বন্দর থেকে জাহাজে চড়লে ও তিন হাজার লি মতো দক্ষিণ-পূর্বে গেলে সিংহল পৌঁছান যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাংলা উপন্যাসে গণিকা – প্রীতিলতা রায়
    Next Article মহাস্থবির জাতক – প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }