Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বনলতা – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প56 Mins Read0
    ⤷

    রমণী

    রমণী

    এযুগে আপনার চিন্তার দরবারে, স্ত্রিয়াশ্চরিত্রম্ দেবা ন জানন্তি, ইত্যাদি জাতীয় বচন কী রকম বিশ্বাসযোগ্য বলে বিবেচনা করেন, জানি না। আমার অবিশ্যি এমন সাহস নেই যে বলি, উপরোক্ত বচনগুলোর উৎপত্তি একেবারেই ভিত্তিহীন, তবে ভিত্তিগুলোতে যে পরিমাণ রহস্যের জারক রস মেশানো হয়েছে, সেগুলো সম্পর্কে বলতে গেলে, কিছুটা সাহস সঞ্চয় করে বলতে পারি, ওই সব বচনের মধ্যে সম্ভবত পুরুষের অনভিজ্ঞতার বিড়ম্বনাটাই বেশি রয়েছে। কথাটা বলতে আমাকে এত কিন্তু কিন্তু করতে হচ্ছে, তার কারণ আর কিছু নয়, পাছে স্ত্রী চরিত্ররা আমার দিকে কটাক্ষ করে ভেবে বসেন, এ পুরুষের বড় সাহস দেখছি! তাঁর কটাক্ষের কারণ আর কিছু নয়, সম্ভবত তিনি নিজেকে চিরদিনই সেই রহস্যের আড়ালে রাখতে চেয়েছেন। কিন্তু তাঁর এবম্বিধ কটাক্ষের হাত থেকে আমি বেচারি আসলে রেহাই চাই, যে কারণে, পুরুষের উক্তির হেতুটাই বলতে চেয়েছি, এবং পুরুষের অনভিজ্ঞতা জনিত বিড়ম্বনায় যে সব প্রবচনের সৃষ্টি হয়েছে, তাতে তাঁর, অর্থাৎ নারীর দুঃখ পাবার কিছু নেই।

    এ কথাগুলো আমাকে বলতে হল, ইদানীং আমার ধারণা হয়েছে, যে মানুষকে আমরা সর্বাপেক্ষা বেশি অনাবিষ্কৃত অজ্ঞেয় বলে এসেছি, সম্ভবত সেই অনাবিষ্কৃত মানুষকে, এ যুগের আমরা কিছু কিছু চিনতে আরম্ভ করেছি। এ আবিষ্কারের চেষ্টা শিল্পের একটা বড় কাজ, কিংবা তাই বা কেন, একটা বড় আশ্রয় বলাই ভাল। শিল্পের ওটাই একটা পরম পবিত্র ও মহৎ দীনতা, মানুষকে সে চিনে ফেলেছে, এ কথাটা আর দশজনের মতো দুম দাম বলতে পারে না, চেনাটাকে সে একটু একটু করে ব্যাখ্যা করে। তার অনেক ব্যর্থতা যেমন দেখেছি, কিন্তু কিছু সার্থকতা নিশ্চয়ই দেখেছি। কিন্তু যে কারণে, আপনাকে ইদানীং কালের ধারণার কথাটা বলতে চেয়েছিলাম সেটা হল, এতাবতকাল যা জেনে এসেছি, তাতে কোথায় যেন একটা একপেশেমি রয়ে গিয়েছে। সাম্প্রতিককালে তার বিস্তার দেখে, একপেশেমি থেকে বেরিয়ে আসবার চেষ্টা দেখে, হঠাৎ যেন কেমন ভয় পাচ্ছি, সভ্যতার ট্র্যাজেডি না আবার এর ভিতর দিয়ে প্রকাশ হয়ে পড়ে। তবে দেশ বিদেশের কিছু কিছু লেখা পড়ে, ভয়টা আমার ভিতরে শিকড়-গাড়তে পারে না, কারণ দেখছি, ভয়টা আর কিছু নয়, মানুষ যত আবিষ্কৃত হচ্ছে, ততই সভ্যতার ফাঁকিটাই ধরা পড়ে যাচ্ছে। আসলে, সেই ফাঁকির মধ্যে আমরা সবাই জড়ানো বলেই, আমরা চেঁচামেচি লাগিয়ে দিই, আর নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে নোটিস দিতে আরম্ভ করি, না না এ সব বলা চলবে না, এ সব শুধুই অন্ধকারের কথা। আচ্ছা দেখুন তো, সাধ করে কেউ অন্ধকারের কথা বলে। আলোর জন্যে ব্যাকুলতাই তো, অন্ধকারের কথা বলাতে চায়, বলতে চায়, দ্যাখো, আমার অন্ধকারের মধ্যে কী বীভৎস ভয়ংকরতা রয়েছে।

    দেখুন, যোগাযোগের কুমুদিনীর কোনও মুক্তি হয়েছিল কিনা, আমি জানি না, কিন্তু চতুরঙ্গের দামিনীর বুকেতে, এক অন্ধকার রাত্রের গুহায়, পদাঘাতের তীব্র ব্যথা আর দুঃসহ যন্ত্রণায় চোখের জলের মধ্যে, আমি প্রায় আমারই চোখের জল মিশিয়ে ফেলি, আমি অনুভব করি, আঘাত আর অন্ধকার আর ব্যথা আর যন্ত্রণার ভিতর দিয়ে, কোথায় যেন আলোয় স্নান করা একটি প্রাণের মুক্তি ঘটছে। এবং এই সব কারণেই, ইদানীং বলতে ইচ্ছা করছে, একজন বুদ্ধ বা একজন খ্রিস্টের বাণীই মাত্র মানবসমাজকে মুক্তি দিতে পারে না, প্রতিটি মানুষকেই তার মুক্তির মূল্য দিতে হবে। বাণী কপচানো নয়, একেবারে ব্যক্তির রক্তমাংসেই, নিজেকেই তার নিজের বাণীর জন্ম দিতে হবে। হাল আমলের মানুষকে দেখে কি আপনারও তা বলতে ইচ্ছে করে না।..

    কিন্তু, এ কী প্রলাপ দেখুন, কথা ছিল গল্প বলার, আরম্ভ করেছি শিবের গীত। আসলে, আমার নিজের লেখার মতো গল্প কিছু হাতড়ে পাচ্ছি না। আপনাকে দেব দুটো চিঠি, একটি আমার এক বন্ধুর, সেটা নিতান্তই লিংক। দ্বিতীয় চিঠিটি, বন্ধুকে লেখা আর একজনের একজন রমণীর, অনুগ্রহ করে আপনার পত্রিকায় পত্রস্থ করবেন।

    সব মিলিয়ে একটা গল্প হয়ে উঠবে কি না জানি না, যদি না হয়, তার জন্যে আগেই মার্জনা চেয়ে রাখছি, এবং যদি হয়, তা হলে দেখবেন, আমার উপরোক্ত প্রলাপের কোনও মূল্যই নেই, শেষ পর্যন্ত সেই একটি কনভেনশনাল গল্পই দাঁড়িয়েছে, বা একটি চরিত্র। অতএব, প্রলাপাদির জন্যেও ক্ষমা করবেন। ইতি।

    বন্ধুর চিঠি

    বন্ধুবরেষু:
    আমার জবানিতে তোমাকে সব কথা জানাতে পারলে ভাল হত, কিন্তু এখন আমার সে প্রবৃত্তি নেই। নেই তার কারণ, আমার স্বচ্ছন্দ উড়ে চলা তেজি ডানায় কোথায় যেন একটা আঘাত লেগেছে। আঘাতের স্বরূপ বা স্থানটা ঠিক চিনতে পারছি না বলেই গোলমালটা আরও বেশি লাগছে। তুমি আমাকে মোটামুটি চেনো, আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে; অপরের একটি চিঠিও তোমাকে এই সঙ্গেই পাঠালাম। সঙ্গের চিঠিটি পড়ে, কী বুঝলে, যদি একটু জানাও, তা হলে বাধিত হই। আমি ঘটনার মধ্যে কিছুই বুঝতে পারিনি, তবে, ওই যে বললাম, অনুভূতির মধ্যে কোথায় একটা গোলমাল হয়েছে, যার কোনও ব্যাখ্যা করতে পারছি না। তুমি সাহিত্যিক মানুষ, মানুষের মনের খবর না কি তোমরাই জান। অতএব, তোমার বিচারটা জানলে পরে, নিজের ভিতরের খোঁজটা করতে পারি।

    তুমি তো জানোই, আমার কোনও কোনও বিষয়ে কতগুলো অহংকার জমে আছে, এবং যে অহংকারগুলো প্রায় আমার মজ্জাতেই মিশে গিয়েছে। এটা বুঝতে পারছি, আঘাতের একটা ঘা সেই অহংকারের কোথাও লেগেছে, কিন্তু আমার ধারণাটা ব্যাপারটা তার থেকে কিছু কিঞ্চিৎ বেশি। কিন্তু এত কথা আমি আর তোমাকে লিখব না, সঙ্গের চিঠিটাই তোমাকে সব কথা জানিয়ে দেবে আশা করি। হয়তো অবাকই হবে, চিঠিটাতে আমার যে বর্ণনা দেওয়া আছে, সেটা কেমন অদ্ভুত সত্যি, অথচ, নিজে দূরের কথা, তোমরাও কেউ কোনওদিন আমার কথা বলতে গিয়ে ঠিক ওভাবে বলনি।

    তোমার উত্তরের আশায় রইলাম। ভালবাসা।
    ইতি —

    বন্ধুর লেখা চিঠি

    মান্যবরেষু,
    একমাত্র ঈশ্বরই জানেন, এইভাবে আপনাকে চিঠি লিখিয়া পাঠাইব কোনওদিন ভাবি নাই। আন্না, হারাণী, বিলুদিদি, ইত্যাদি–সব্বাইকে বলিয়াছি, আপনাকে আমি একখানি চিঠি লিখিব। দেখুন, তাহারা আমাকে বিশ্বাস করে নাই যে, আপনাকে আমি লিখিতে পারি। কিন্তু আপনি দেখিতেছেন, পারি। বিলুদিদিদের এ কথা বলি নাই, কবে চিঠি দিব, কেবল বলেছি, দিব। তাহারা তো বিশ্বাস করে নাই, তাই আর জিজ্ঞাসাও করে নাই। আন্নার মাথায় কীরকম পোকা আছে, সে-ই একমাত্র ডাকিয়া বলে, দিয়েছিস? আমি চুপ করিয়া থাকি, আর হাসি। আমাকে হাসিতে দেখিয়া সে ভাবে, আমি তাহাদের ঠাট্টা করিয়াছি। ওরা সবাই যদি আপনাকে লিখিতে পারে, তবে আমি লিখিব না কেন। ওরা ভাবে, ওদের সঙ্গে আপনার খুব ভাব, আমার সঙ্গে ভাব নাই বলিয়া আমি লিখিতে পারিব না। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমি কলকল করিয়া কথা বলিতে পারি না, খিলখিল করিয়া হাসিতে পারি না, বা আপনার পায়ের কাছে গিয়া ওদের মতো বসিতে পারি না, তা বলিয়া সত্যি কি আপনার সঙ্গে আমার ভাব নাই।

    আপনি আমাদের গ্রাম হইতে গিয়াছেন গত ১৯শে অঘ্রাণ, বুধবার, আর আজ মাঘ মাসের পায়ের কাছে গিয়া ওদের মতো বসিতে পারি না, তা বলিয়া সত্যি কি আপনার সঙ্গে আমার ভাব নাই।

    আপনি আমাদের গ্রাম হইতে গিয়াছেন গত ১৯শে অঘ্রাণ, বুধবার, আর আজ মাঘ মাসের ৯ তারিখ। ইহার মধ্যে প্রায় হিসাব করিলে, পঞ্চাশ দিন হয়। এতদিন ধরিয়া রোজই ভাবি, আপনাকে চিঠি লিখিব অথচ লিখিতে পারি নাই। প্রথম প্রথম কয়েকদিন তো খালি এই কথা ভাবিয়াছি আমি কি পাগল না কি যে আপনাকে চিঠি লিখিব। একলা একলাই লজ্জায় মরিয়া যাইতাম। আমি যেন দেখিতে পাইতাম, আমার চিঠিটা হাতে লইয়া আপনি কী রকম হাসিতেছেন। এমনকী, দেখিতাম আপনি আপনার বন্ধু বান্ধবদের ডাকিয়া আমার লেখা দেখাইয়া সবাই মিলিয়া খুব হাসাহাসি করিতেন। কিন্তু আবার মনে হইত, কেন হাসিবেন কেন, আমি তো খারাপ কথা কিছু লিখিতে চাই না। এইসব সাত-পাঁচ ভাবিতে ভাবিতে এমন হইল, মন আর কিছুতেই স্থির করিতে পারি না। শেষে ভগবানকে ডাকিয়া বলিলাম, হে ভগবান আমাকে একটা চিঠি লিখিয়ে দাও, আমার মনে একটু সাহস দাও আমাকে এত লজ্জা দিয়ো না, আমি যেন ওঁকে একটা চিঠি লিখিতে পারি। জানেন, এতদিন লিখিতে পারি নাই বলিয়া, রাত্রে শুইয়া কাঁদিয়া ফেলিয়াছি, ঘুম আসিত না। মা বলে, কী হয়েছে, তোর, শরীর খারাপ না কি। বন্ধুরা বলে, কী লো শুকোচ্ছিস কেন। বরের চিন্তায় না কি।

    আপনি তো জানেন, আমার কপাল খারাপ, বর আমাকে নেয় না। সবাই বলে, আমার গত জন্মের অনেক পাপ আছে, তাই বর নেয় না। কী জানি, গত জন্মে কী পাপ করিয়াছিলাম, তা তো কিছুই জানি না, সবাই বলে, আমি শুনি। তবে আপনাকে বলিতে পারি, আমি ও সব কিছু বিশ্বাস করি না। আবার এ কথাও সত্যি, বরের উপর আমার একটুও রাগ হয় না। কত ভাবি, রাগ করিব, অথচ রাগ করিতে পারি না। মাঝে মাঝে মা বলে, কথায় কথায় তুই আমার পরে এত রাগ করিস, কই তোর বরের উপর তো কখনও রাগ করতে দেখি না।

    দেখুন তো, মাকে যে কী বুঝাইব, ভাবিয়া পাই না। বরের উপর রাগ না আসিলে আমি কী করিব। গাঁয়ের বাউরি বউ খাদনবালা কথামত চুনা মাছ বা আচার না দিয়ে গেলে, তাহার সঙ্গে দুদিন কথা বলি না, তাহার উপরেও আমার রাগ হয়, তবু বরের উপরে হয় না, ইহাতে আমি কী করিব। মা যে কখন কী বলে আর করে, তাহা আমি সবই বুঝিতে পারি, তাই কোনও কিছু হইলে মায়ের উপর রাগ না করিয়া থাকিতে পারি না। বাউরি বউ কী কী কারণে আমার কাজ করিয়া দিতে পারে না, সব জানি। হয়তো সে তার বরের কথায় সারাদিন ঘরে বসিয়া মদ চোলাই করিয়াছে, সন্ধ্যাবেলা দুটিতে তাই খাইয়া গড়াগড়ি গিয়াছে। যাহাদের বুঝিতে পারি, তাহাদের উপর রাগ। যাহাদের সঙ্গে একটা কিছু গিয়া আনা নেওয়া করি, তাহাদের উপর রাগ করি। কিন্তু বরের উপর রাগ করিব কেন। তার সঙ্গে আমার কিছুই আনা নেওয়া নাই। অনেক ভাবিয়া দেখিয়াছি, কোনও কারণে তার উপরে রাগ করিতে পারি কিনা। একমাত্র দেখি, সে যখন কথা নাই বার্তা নাই, উপশাস্ত্র শ্বশুরবাড়িতে আসিয়া উপস্থিত হয়, আর রাত্রে থাকিতে চায়, তখন আমার মাথার মধ্যে আগুন জ্বলিতে থাকে। মুখ ফুটিয়া আপনাকে আর কতটা বলিতে পারি, সে আসিয়া রাত্রিবাস করিতে চাহিলেই, হারাণী আন্নারা সব ঠাট্টা করিতে থাকে, ভাবে সেই রাত্রিটা আমার খুব সুখের। মাও আমাকে রাত্রে বরের কাছে যাইতে বলে। তখন আমার যে এত বয়স হইয়াছে, সবাই বলে পঁচিশ বছরের ধুমসো মেয়েমানুষ, সে কথা বলিয়া যাই। মনে হয় আমি মরিয়া যাইব। মনে হয় ঘৃণায় শরীরটা রি রি করিতেছে। তখন মনে হয় শ্রীনাথপুরের মেলায় রাত্রে যে আমাকে একটা লোক একবার জাপটাইয়া ধরিয়াছিল, যাহাকে ধরিয়া লোজনেরা মারধোর করিয়াছিল, তাহাও অনেক ভাল ছিল। তবু বরের এই রাত্রিবাস সহ্য করিতে পারি না। পনেরো বছর বয়সে বিবাহ হইয়াছিল, আজ পঁচিশ বছর। তখন হইতেই জানি যাহার সঙ্গে আমার বিবাহ হইয়াছে, তাহা সে চায় নাই, কারণ তাহার না কি মেয়েমানুষের অভাব নাই। তাহার অবস্থা ভাল, অনেক জমিজমা বাড়ি পুকুর, মায় কলকাতায় চাকরি, সবই। তবে তাহার কেন মেয়েমানুষের অভাব হইবে। এই সব ভাবিয়া, আমি বেশ ছিলাম। তারপরে বর বলে, তুই কাঁদিস না, রাগও করিস না। তোর এত অহংকার কীসের। এই বলিয়া পিটাইয়া বাপের বাড়িতে পাঠাইয়া দিল। কিন্তু কাঁদিব কেন, রাগিব কেন, কিছুই জানিতাম না, জানেন, আমি এমনিতে খুব ভাল থাকি, জেদ চাপিলে রক্ষা নাই। তাই বরের সঙ্গে রাত্রিবাস আমার কোনওকালেই হয় না। কিন্তু এ সব কথা থাক। আপনি না জানি কী ভাবিতেছেন। অথচ আজ যে এমন বেহায়া হইয়াছি, তাহা কিন্তু অনেক সাধনা করিয়া, ভগবানকে ডাকিয়া, ডাকিয়া হইয়াছি। প্রথমে চিঠি লেখার লজ্জা কাটাইয়া, তারপর এই কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং হাতের লেখার লজ্জা কাটাইয়াছি তারপর যে সব কথা কোনওদিন লিখিতে পারিব না ভাবিয়াছিলাম, সেই লজ্জাও কাটাইয়াছি। সেই যে বলে না, লজ্জা ঘৃণা ভয়, তিন থাকিতে নয়, আমার সেই রকম হইয়াছে। লজ্জা ত্যাগ করিয়াছি। যদি ঘৃণা করেন, তাহাতেও আর ভাবি না। আর সমাজের বা আপনার ভয়, তাও মন হইতে দূর করিয়াছি।

    এইবার চিঠি লেখার কারণ বলি। দোহাই আমার উপর রাগ করিবেন না। অবিশ্যি যদি করেন, তা হইলে আর কী করিব। তবে, আপনাকে আমি এত ভালভাবে চিনিতে পারিয়াছি, তাহা না জানাইয়া থাকিতে পারিতেছি না। ইহাতে আপনার হয়তো কিছুই যায় আসে না, কিন্তু আমার মনে হইতেছে, যেন আমার বুকের মধ্যে রক্ত ঝরিতেছে, তাই আমি লিখিতেছি।

    এবার আপনি যখন আমাদের গ্রামে আসিলেন, কয়েকদিন আগে হইতেই তাই লইয়া হারাণী, আন্না, বিলুদি সবাই আলোচনা করিতেছিল। আপনাকে সকলে এতই ভালবাসে, সকলেই ভুলিয়া গিয়াছে, আপনি পাঁচ বছর আগে, এখানে সরকারি জরিপের কাজ করিতে আসিয়া, হঠাৎ ফণীকাকার মেয়েকে বিবাহ করিয়া বসিলেন। গ্রামে তাহা লইয়া ঘোঁট পাঁচালি হইলেও, দুদিনেই থামিয়া গিয়াছিল, কারণ জাতের কোনও বাধা ছিল না, এমনকী গোত্রেরও কোনও অসুবিধা হয় নাই। আর আপনিও ছেলেমানুষ, সুন্দর, সুপুরুষ। আপনার মতো বর, আপনার মতো জামাই পরম ভাগ্যের কথা। কলকাতায় আপনাদের বাড়ির অবস্থা ভাল, সংসারে তেমন কোনও ঝামেলা নাই। ইহা হইতে আর কী ভাল হইতে পারে। আপনি যখন বিবাহ করিতে আসিয়াছিলেন, আমাদের সকলেরই মনে হইয়াছিল, স্বর্গের থেকে ইন্দ্র কিংবা কার্তিক ঠাকুর নামিয়া আসিয়াছে। কিন্তু রমলার কপাল খারাপ, সে আপনার বউ হইয়া, বেশিদিন আপনার সঙ্গে সুখে ঘর করিতে পারিল না, কাল রোগ তাকে লইয়া গেল।

    জানেন, আমার মুখ খুব খারাপ, এমনি দেখিলে বুঝিতে পারিবেন না। মনে মনে আমার মুখ খারাপ। এখন মনে হয়, রমলাটা মরিয়া বাঁচিয়াছে, সে কি আপনাকে লইয়া সুখে ঘর করিতে পারিত। আমার তো একেবারেই মনে হয় না। কারণ সংসারে কোনও কোনও পুরুষ বা মেয়ে জন্মায়, যাহারা কখনও একজনকে লইয়া সুখে থাকিতে পারে না, তাহাদের কেহ থাকিতে দেয় না। আমি আপনাকে দিয়াই সেটা ভাল বুঝিয়াছি।

    যাই হোক, রমলা মরিয়াছে বটে, কিন্তু এই গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মেয়েরা তো মরে নাই। তাহারা আপনার জন্যেই মরিয়াছে। আজকাল আপনি আবার একজন গায়ক হইয়াছেন। কলকাতায় আপনার অনেক নাম। আপনার রূপ, আপনার গুণ, খ্যাতি, গাড়ি, টাকা, সবই যেন আগুনের মতো জ্বলিতেছে, আর পতঙ্গেরা আপনাকে ঘিরিয়া ঘিরিয়া নাচিতেছে, মরিতেছে। তবে হ্যাঁ, সে মরণেও বোধহয় সুখ আছে। আমার তো ধারণা কলকাতা শহরটাই আগুন, যেন শ্মশান, সেখানে আপনাকে ঘিরিয়া কী ঘটিতেছে জানি না, তবে যখন হারাণী আন্না বিলুদিদের মুখে শুনি, একশো টাকা দামের এক বোতল বিলাতি মদ আপনি ব্যাগে লুকিয়ে এনেছেন, তখনই কলকাতার আগুনের আঁচ বুঝিতে পারি।

    আপনি আসেন শ্বশুরবাড়িতে, ফণীকাকার বাড়িতে, কিন্তু আপনার নিমন্ত্রণ দক্ষিণপাড়ার ঘরে ঘরে। আপনার নিজের দূর সম্পর্কের যুবতী শালিই আছে জনা তিনেক, তার সঙ্গে পাড়ার অন্যান্য মেয়ে বউ, সবাই আপনাকে লইয়া কী মাতামাতি করে। তা আপনি আমার থেকে ভালই জানেন। দেখিয়া শুনিয়া আমার তো কেষ্টঠাকুর আর গোপিনীদের কথাই বারে বারে মনে হয়। অন্তত দুই-তিনটি পাশাপাশি বাড়ির মেয়েরা আপনার সেবার জন্যে সকাল থেকেই ছুটোছুটি আরম্ভ করে। আপনার জন্যে ফোঁটানো গরমজল ঠাণ্ডা করিয়া দেওয়া, আপনি স্নান করিবেন, আপনার খাবার জল, আপনার জলখাবার। এমনকী মেয়েরাই আপনার গায়ে তেল মাখাইয়া দেয়। গায়ে একটি ঘামাচি দেখিলে, সকলের হাত সুড়সুড়াইয়া ওঠে। অতএব, আপনি আসিতেছেন জানিলে, দক্ষিণপাড়ার মেয়েমহলে উৎসব লাগিয়া যায়।

    এবারও যখন আপনার গাড়ি আসিয়া ফণীকাকার বাঁশঝাড়ের ছায়ায় দাঁড়াইল, সেই রকমই উৎসব। মেয়েরাই আগে আপনাকে দখল করিয়া বসিল। গুরুজনদের কাছে গিয়া প্রণাম করিবার সময়ও আপনার হইয়া ওঠে না। আপনার দোষ কী। গুরুজনেরা এই ভাবিয়া নিশ্চিন্ত, আহা এমন গুণবান বিপত্নীক জামাই, তাহাকে লইয়া সবাই যদি একটু মাতিয়া ও মাতাইয়া রাখিতে পারে, রাখুক না কেন। কিন্তু আপনি ভালই জানেন, আপনি আসিয়াছেন একটু মুখ বদলাইতে। খারাপ অর্থে লইবেন না যেন। আমি তো নিজের চোখেই দেখিয়াছি, আন্না আপনার হাত লইয়া তাহার নিজের বুকে চাপিয়া কী রকম নিশ্বাস ফেলিতে থাকে। হারাণীর মতো রূপসী মেয়ে, অন্ধকারে আপনার বাহুবন্ধনে কী রকম পাগল হইয়া যায়, আমি সাক্ষী আছি। বিলুদির মতো মেয়ে, যাহাকে পাড়ার গুরুজনেরাও বয়সের তুলনায় বেশি মান্য করিয়া থাকে, যাহার ব্যক্তিত্ব গাম্ভীর্যকে সকলেই ভয় করে, সেই বিলুদি পর্যন্ত গভীর রাত্রে, আপনার টলোমলো শরীরটাকে বুকে জড়াইয়া শোয়ার ঘরে লইয়া যায়। অন্যান্য মেয়েদের কথা বাদই দিলাম। গ্রামের মাতালদের উপর সকলেরই রাগ ও ঘৃণা। বিলুদির সামনে কোনও মাতাল কথা বলিতে সাহস করে না। কিন্তু আপনাকে সকলে ক্ষমা করিয়াছে।

    কিন্তু এ সব পুরানো কথা। এবার আমাকে দেখিয়া আপনার কী হইল, বলুন তো। আপনি অবিশ্যি আমাকে কখনও আগে দেখেন নাই, আমিও আপনার কাছে আসি নাই, যদিও আমি দক্ষিণপাড়ারই মেয়ে। কেন আসি নাই, তাহা যদি বলিতে হয় তবে বলিতে হয়, মনে মনে ভাবিতাম, কেন যাইব। ফণীকাকার জামাই হতে পারে সুন্দর, নাম করা গায়ক, ধনী, তাতে আমার কী। আমার রাগ হইত, কিছুতেই যাইতাম না। তবে যাইতে ইচ্ছা করিত। আপনি আসিলেই যাইতে ইচ্ছা করিত, মনকে শাসন করিতাম। এইবার আর পারিলাম না। আমি জানি, আপনার সহচরীদের তুলনায়, রূপে আমি নিরেশ। তবু আপনি আমাকে দেখিয়া প্রথমে বলিলেন, বাঃ দুর্গা প্রতিমার মতো। তারপরে বলিলেন, ঠিক লক্ষ্মীঠাকরুন।

    কিন্তু ভাবিয়া দেখুন, আপনি বারেবারেই চোখ নামাইয়া লইয়া ছিলেন। আপনি যে চোখে চাহিতে অভ্যস্ত, সেই চোখে আমার দিকে তাকাইয়া বারেবারেই চোখ সরাইয়া লইয়াছেন। অথচ বিশ্বাস করুন, আপনি আমার লাল পাড় শাড়ি, পায়ের আলতা, সিথের সিঁদুর, যাহা কিছু দেখিয়া মুগ্ধ হইয়াছিলেন, এবং একবার যদি হাত বাড়াইয়া কাছে টানিতেন, আমি নিজেকে ফিরাইতে পারিতাম না। অথচ আপনি একবারও টানিলেন না, চুইলেন না, যেন জীবনে নতুন কিছু দেখিয়াছেন, এইভাবে বারে বারে চোখ তুলিয়া দেখিলেন আর কী একভাবে যেন মাথা নিচু করিয়া রহিলেন। আপনার সহচরী রূপসিরা আমার উপর চটিল, বিরক্ত হইল, নানান কথা ঠেস মারিয়া বলিল, আপনাকেও বলিল, তবু আপনি নিজেকে ঠিক করিতে পারিলেন না। আপনাকে আমি যখন হাসিয়া বলিলাম, কী হল, চুপ করে রইলেন যে। আপনি কেবল বলিলেন, মনটা কেমন ভার হয়ে যাচ্ছে। অথচ আপনার তো মন ভার হইবার কথা নয়। বেশ তো পরিবৃতই ছিলেন।

    তিন দিন আপনি আমাকে কেবল দেখিলেন, এবং যাইবার সময় আপনার মুখের মেঘ কাটিল না, আমি রাস্তার ধারে দাঁড়াইয়া কেবল মুখ বুজিয়া চোখের জল মুছিলাম। একটা কথাও বলিতে পারিলাম না। তবে মনে মনে কেবল বলিলাম, ভগবান ওঁকে একটু শান্তি দাও, একটু শান্তি দাও, তোমার দেওয়া এত আগুনে কেন ওঁকে পুড়িয়ে মারছ।

    আমি এইটুকুই জানি, আপনার চোখে যত হাসি ছিল, আগুন ছিল, তার মধ্যে একজন দুঃখী অসহায় এমনকী উঞ্ছ মানুষকেই দেখেছি। যাহার কিছুই নাই, বুকের মধ্যে শ্মশানের হাহাকার। যাহা চাহিয়া আপনি সারা জীবনেও পান নাই, আপনি তাহার খোঁজেই আগুনে পুড়িয়া ছুটাছুটি করিতেছেন। কেন এমন মনে হইল, জানি না। দেখিবা মাত্রই এ কথা মনে হইল, আর সেই জন্যেই যেন আপনি আমার দিকে চোখ রাখিতে পারিলেন না। তাই সত্যি না কি। মনে হইল, দ্যাখো, লোকটির এত আছে, তবু নাই। কিন্তু সে কথা তো বলিতে পারি না, তাই কেবল চোখে জল আসিল, কথা বলিতে পারিলাম না। আপনার গাড়ি যখন সাঁকো পার বাঁক ফিরিল, তখন বিলুদিকে বলিতে শুনিলাম, আপনার চোখে না কি জল দেখা দিয়াছিল। ইহার পরেও চিঠি না লিখিয়া কেমন করিয়া থাকি। এবার হইতে আমি কেবল এই প্রার্থনা করিব, ওঁকে একটু শান্তি দাও, ওঁকে একটু মিলাইয়া দাও।

    আমি নিজের জন্যেও সেই প্রার্থনাই করি যে, তাই অপরের জন্যেই করি। প্রণাম নেবেন, আর এই চিঠির জন্যে ক্ষমা করবেন। ইতি— ফুলফুল

    [ডাকনামটাই লিখিলাম, চিনিতে সুবিধা হইবে।]

    ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমনোমুকুর – সমরেশ বসু
    Next Article ফুলবর্ষিয়া – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }