Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    মাহতাব উদ্দিন এক পাতা গল্প52 Mins Read0
    ⤷

    মাহতাব উদ্দিনের গান

    গান-১

    গ্রাম অঞ্চলের মানুষ আমরা, গ্রামেই ঠিকানা
    অগ্রায়ন মাসের নতুন ধানে কৃষক কৃষানী দেওয়ানা ॥
    নতুন বউয়ে দিয়া গোমটা নতুন চাউলের বানায় পিঠা,
    চিতা পিঠা আর মেরা পিঠা বাপা পিঠাও মন্দ না ॥
    মরগ মুরগী জবাই করে ঢেঁকিতে খুটে বর্তা করে,
    পিঠা খাওয়ার উৎসব করে প্রায় ঘরে ঘরে সবজনা ॥
    মেয়ের বাড়ি আর শশুর বাড়ি পিঠা লয়ে যায় পাতিল ভরি,
    গ্রাম অঞ্চলের দিন ভিখারী তারাও বাকি থাকে না ॥
    গোয়ালির ধোঁয়াতে পুড়িয়া পিঠা খাইতে ভালো কত মিটা,
    প্রতি বৎসর পিঠার উৎসব মাহতাব মিয়ার কামনা ॥

    গান-২

    কর্মফল ভোগ করিতে জন্ম নিলাম মামদিপুরে,
    শিশুকালে মা মরিল, ডাকতে পারলাম না বদন ভরে।
    শিশুকালেই মাতা হারা ধারা বহে দুই নয়নে,
    সর্বহারা বাড়ি ছাড়া শুধু পিতার কারণে,
    দুটি ভাই বনে বনে জীবন ধারন কষ্ট করে ॥
    ঘুরে ফিরি বনে বনে মিলে এই দুটি ভাই,
    সাগর ফেনাতে ভাসলাম আশ্রয়দাতা কেহই নাই,
    আপন দোষেই কপালে ছাঁই দোষ দেব আর বল কারে ॥
    অকূল সাগরে ভেসে ভেসে গেলাম সাগরের কিনারে,
    এখন মহা আনন্দে, গানের ছন্দে ঝাপ দিলাম প্রেমের সাগরে,
    যৌবনেরই জ্বালা, হাতে নিলাম বেহালা,
    এখন জগৎ পাগল গানের সুরে॥
    না জানি কী অপরাধে, জন্মভূমিতে জায়গা নাই।
    বাঁশাটি আশ্রয় নিয়া সুখে দুঃখে দিন কাটাই,
    মাহতাব বলে, আর চিন্তা নাই মুর্শিদ যদি দয়া করে।।

    গান-৩

    সংসারের সংসারী মাইনা নাই চাকুরি যাগমারী করতে চলেছি।।
    পরকে আনিলাম ঘরে আপনার বদল চোখের নেশাতে পরে দিয়েছি সকল,
    সেতো অভাগী করে রাগারাগী, ভূতে পাওয়া রোগী সেজেছি
    পুত্র হল ভাগ্যক্রমে সুখের সীমা নাই,
    প্রাণ পণে আদর করে তাকে খাওয়ায় আর পড়াই।
    সেই পুত্র বলে, বোরা তুমি সকল নষ্টের গোড়া,
    হাইরে কপাল পোড়া, কী দায় ঠেকেছি।
    ভাই হল রক্তের বাঁধন কত বাহুবল,
    আপদে বিপদে কর্ত সহায় সম্বল,
    ভাইয়ে কয় দাদা ভাগ করে দাও আধা,
    জেনে শুনে গাধা সেজেছি
    ভালো মন্দ যাহাই করলাম হল অবসান
    শোক সাগরে ভেসে ভেসে গাই দুঃখের গান।
    বাউল মাহতাব মিয়া বলে, সাথী একটি পরের ছেলে,
    তারে আমি নিয়া কোলে যাত্রা করিলাম।

    গান-৪

    দ্বীনের নবী আমার ধন চাইলো না,
    নবী ভবেতে আসিয়া কত কষ্ট করিয়া
    পরিয়া গেলেন নবী ছিড়া তেনা।
    নবী সাতদিনেরই উপবাস করেতেছি প্রকাশ
    ফাতেমার আবাসে করলেন রওনা,
    নবীজী দেখেনও গিয়া ফাতেমায়
    হাছেন হোছেন কে নিয়া আছেন বসিয়া,
    মায়ের খানা মিলে না।
    দেখিয়া নবীজিরে ফাতেমা বলেন হযরত আলীরে
    গায়ের চাদর বিক্রি করে ডাল চাউল আনেন না,
    আলী বাজারে গিয়া চাদর বিক্রি করিয়া
    ডাল চাউল খরিদ করিয়া হলেন রওয়ানা।
    খোদায় বললেন জিব্রাইল কে ডাকিয়া,
    যাওনা জিব্রাইল চলিয়া পরীক্ষা করিয়া দেখ আমায় দেয় কী না,
    জিব্রাইল আসিয়া বললেন আলীকে ডাকিয়া
    সাতদিন ধরিয়া হুজুর ভিক্ষার পাইছি না।
    আলী ডাল চাউল খরিদ করিয়া, রাস্তাতে দিয়া
    খালি হাতে চলে গেল কিছুই নিল না, ফা
    তেমায় জুরিলেন ক্রন্দন কে করবেন বারন
    খোদার সিংহাগণ সেদিন ঠিক ছিল না।
    খোদায় কয় জিব্রাইল দোস্তের কাছে হও দাখিল
    যে জন দ্বীনের উকিল তাকে গরীব রাখব না,
    গিয়া বল পরিস্কার দিব স্বর্নের পাহাড়
    এই ভবে নবীর কষ্ট করতে হবে না।
    নবী বললেন জিব্রাইলকে ডাকিয়া
    যাওগা জিব্রাইল ফিরিয়া,
    এই ভবে আসিয়া আমি ধন চাহি না,
    গিয়া বল খোদার টাই এই ভিক্ষা আমি চাই,
    মাহতাব বলে, মাফ করবেন সাঁই
    উম্মতের গোনা।

    গান-৫

    মমিন মুসলমান রোজা, নামাজ, কালেমা পড় ঠিক রাখ ইমান,
    নেকী বধি ওজন দিরে হাশরের ময়দান।
    মমিন ভাই বারোমুখী সূর্য মাতার উপরে আসিবে
    সেই সূর্যেরই তেজে মস্তক গলিয়া পরিবে,
    আগুন বরাবর মাটি হইবে গরম
    ফজরের নামাজ হবে পায়েরই খরম,
    আছরের নামাজ হবে গায়ের চাদরখান,
    রহম কর রহমতউল্লাহ রহিমও রহমান।
    মমিন ভাই, মাগরিবেরই নামাজ সেদিন
    পাংকা যাবে হইয়া
    তাপিত অঙ্গ শীতল করিবে বাতাসও করিয়া,
    এশার-ই নামাজ সেদিন জুরাবে পরাণ
    শরবত গুলিয়া দেবে মেস্ক ও জাফরান।
    মমিন ভাই, রোজা, নামাজ না পড়িয়া যদি কেহ মরি
    সেই ব্যাক্তিকে বানাইরে ওয়াইল দোযখের খড়ি,
    খরি হইয়া জ্বলবে সেদিন হাদিসে প্রমান
    মাহতাব বলে, নামাজ বিনে ঘুছবে না নিধান।

    গান-৬

    রোজা, নামাজ, কালেমা পড় আদায় কর পাঞ্জখানা
    খুশি হয় রব্বানা,
    পরিলে নামাজ রোজা সেরাতুল মুস্তাকীন রাস্তা সোজা
    মমিন মানুষে পাইছে মজা কমিনে পাইছে না
    কুরআনের বিরাশি জায়গায় নামাজের ঘোষণা,
    কুরআন আল্লাহর মুখের বানী বিশ্বাস রাখ ষোলআনা।
    যত আছ ভাই মুসলমান ঠিক রাখিয়া নিজের ইমান
    মান ইসলামেরই বিধান যা হাদিসে ঠিকানা,
    পর্দাপুসিদায়া থাক বেপর্দা হইও না,
    লা ইলাহা ইল্লাহু হরদম কর জপনা।
    বড়কে মান্য কর ছোটকে স্নেহ কর
    হাশর মিজান বিশ্বাস কর তুমি চিরদিন রবে না,
    নবীর দ্বীন না মানিলে সাফায়াত পাবে না
    মাহতাব উদ্দিন হাশরের দিন
    নবীর সাফায়াত করেন কামনা।

    গান-৭

    ওরে ভাই ম্যাকার কথা শুনে লও আমার
    দেহ লাইটের পাম গেছে কমিয়া
    তারাতারি পাম দেও করিয়া।
    শরীয়তের বাতিখান, তরিকতের তেল
    মারফতে অগ্নি ধরায় হাকিকত ম্যানটেল জালায়
    মুর্শিদ নামেরই ধম হইলে বেশকম
    গরগরাগর শব্দ যাবে হইয়া।
    একুশ হাজার ছয়শত পামের নাম্বার ঠিক
    অতিরিক্ত পাম করিলে বাতি হইবে লিক,
    চাবি হইবে স্নেক আগে জ্ঞান নয়নে দেখ
    তাড়াতাড়ি পিন দাও করিয়া।
    চতুরদিকে আয়না দিয়া বাতি করছে ফিট
    ভীতরেতে অগ্নি জ্বালায় দিয়া ইসপ্রিট,
    নষ্ট হইলে অসার, বাতি হইবে অন্ধকার
    কাঁদরে সেদিন ভাঙ্গা বাতি লইয়া।
    কলের বাতি নষ্ট হইলে কে করবে ওয়াইলিং
    ঝংকারে ধরিয়া খাইবে নাই বিসিলিং।
    মাহতাব মিয়ার এই মত বাতি রাখিও মেরামত
    নয় দরজার চাবি দেও আটাইয়া।

    গান-৮

    মিছা মর কেন জাল বেয়ে ওরে মন জেলে
    ভক্তি জালের মাছ ধরতে কঠিন হঠাৎ না বাজে জালে।
    জালের তিনশ ষাটটি গাই একটিও ভালো নাই
    সাধন বজন পূর্ন খাটি লসকাটিতে পাই
    লারা ছাড়া গণতিসারা এইমাত্র তোর কপালে।
    জাল ফিকতে শিখ না ওরে পাগল মনা
    ফিকতে গেলে জড়িয়া পরে ছড়িয়ে পরে না,
    লুলু মার্জান তুলতে পার ঐ নদীতে ডুব দিলে।
    আগে কর গুরুর সন্ধানী নদীতে মাপিতে পানি
    এই নদীতে তরী বাইছে কত জ্ঞানী গুণী।
    ওরে মেসক, মতি তুলতে পার
    মাহতাব মিয়ার গানে বলে।

    গান-৯

    মেঘে বিঝে রোদ্রে পুরে মাঠে ফসল ফলায় যারা
    সোনার মানুষ তারা।
    কাঠের লাঙ্গলে চাষিয়ে মাঠি মই দিয়া করে পরিপাটি
    সোনার ফসল ফলায় খাটি আমার চাষি ভায়েরা,
    আধুনিক যুগের পদ্ধতি ভাই শিক্ষা করছে যারা
    তারা লাইন করিয়া লাগায় ইরি এক হাত লম্বা হয় ধানের ছড়া।
    যারা ভবে আদত চাষি নানান জাতের করে কৃষি লাউ,
    কুমড়া, শিম, শসার বিচি লাগায় মা বোনেরা,
    হাতের জিনিস মজা মেরে খায় বছর ভরা
    আরও হাট বাজারে বিক্রি করে
    কাইকাবেগুন পাইচা ভরা।
    চাষি বলে, আমরার মতে যে চলবে এই জগতে
    পেট ভরিয়া পাইবে খেতে লাগবে না ভিক্ষা করা,
    দশ-পনেরোটা বাচ্চা যাদের ওরাই লক্ষী ছাড়া
    মাহতাব বলে, শান্তি চাইলে শিখ জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা।

    গান-১০

    বাপগো বাপ ভাইগো ভাই মই লইয়া কান্দে
    ওক্কা চোংগা লইয়া চল বন্দে।
    বঙ্গবন্ধু মজিবুর রহমান বাংলাদেশের কৃতি সন্তান
    বাংলাদেশ উজ্জলয় এই চাঁন্দে,
    টঙ্গীপাড়া ফরিদপুরে ফুল ফুটিল সরোভরে
    মোহিত হল এই ফুলেরই গন্ধে।
    সরকার দিচে কলের লাঙ্গল অধিক ফলাইব ফসল
    আর দিচে পানি সেছের কল প্রতি কথার ছন্দে,
    করব মোরা ইরিধান বাড়াইব দেশের মান
    গাইব গান মনেরই আনন্দে।
    আমি করি গরুর খামার ভাবি দিছে মুরগীর খামার
    মুরগীর খেদমত করে কোপা বেন্ধে,
    আমি বিলে মাছ ধরি, ভাবি কাটে তরি তরকারী
    মাহতাব বলে, ভাবি ভালো রান্ধে।

    গান-১১

    পরাণ কান্দে তোমরাই লাগিয়া ওগো আওয়ামী লীগের প্রাণ প্রিয়া।
    সাহেবও ফরিদপুরে জন্ম নিলা কত কষ্ট শয্য করলা
    বরবের পাষান বুকে নিলা জাতির লাগিয়া,
    আর কতদিন একাধারে রাখল তোমায় কারাগারে
    কষ্ট দিল খানের গোষ্টি নিয়া।
    সাহেবও বোধহয় তুমি আল্লাহর অলি, তোমার কাছে জ্ঞানের থলি
    ছয় দফার কথাগুলি দিয়াছ বুঝাইয়া,
    বাঙালিকে করে শোষন পাঞ্জাবীরা করত ভোজন
    সুখে খাইত বাইশ পরিবার লইয়া।
    সাহেবও তোমার চেষ্টার নাই অবসান জারি করাইলা ইলেকশন
    শেখ মজিবুর বঙ্গবন্ধু হইয়া,
    আল্লাহ তোমার আছেন সহায় আমরা উঠলাম তোমার নৌকায়
    ভুলব না জীবন গেলে বলছি কসম খাইয়া।
    সাহেবও সাতই মার্চে দিলা ভাষণ, সয় না পাঞ্জাবীদের শোষন
    রুখে দাড়াও নৌকার বৈইটা লইয়া,
    পাঞ্জাবীরা করে সন্ধি তোমাকে করিয়া বন্ধি
    পাকিস্তানে লইয়া গেল এরেষ্ট করিয়া।
    সাহেবও নয় মাস ছিলা কারাগারে আজরাইল ছিল তোমার দুয়ারে
    যাখান দানি কখন যায় করিয়া।
    সারা বিশ্বে দিল চাপ তাতেই তোমার মুক্তি লাভ
    বাংলার বুকে পাও রাখিলা কাঁদিয়া কাঁদিয়া।
    সাহেবও যখন সোনার বাংলা গড়তে চাইলা
    বিপদগামী কত দস্যুগুলো নির্মমভাবে
    তোমায় হত্যা যায় করিয়া।
    শিশু রাসেলের বুকে গুলি দুঃখের কথা আর কার কাছে বলি
    এই দুঃখ আর যাবে না মুছিয়া।

    #

    সাহেবও তোমার উত্তরসরি দুটি কন্যা
    একজনের নাম শেখ হাসিনা, সন্ত্রাস দমন গিয়াছে করিয়া
    শেখ হাসিনা গরীবের বন্ধু হৃদয় ভরা তার দয়ার সিন্ধু
    মাহতাব বলে, এক বিন্ধু যাব না বুলিয়া।
    ভাইরে ভাই দস্যুর দলে যুক্তি করে মারতে হবে শেখ হাসিনারে
    ২১ই আগষ্ট গ্রেনেট হামলা দিয়া,
    ইউনুস নবী মাছের পেটের ভিতর
    আল্লাহর তোমার কাছে কতই কুদরত,
    হাসিনারে বাঁচাইয়া রাখ তোমার কুদরত দিয়া।

    গান-১২

    ময়মনসিংহ শহরে ব্রহ্মপুত্রের পারে আজব লীলা
    বোরহানের মাজারে ওগো দরদী..
    সেতো ছিল বাদশার ছেলে ফকিরী হালে দেশ বিদেশে
    আল্লাহর নামে জিকির করে,
    অবসানে পাইয়া চিহ্ন চলে আসল ময়মনসিংহ, ডুব দিয়াছেন ব্রহ্মপুত্রের পারে।
    তেরশ একাত্তর সনে ডিসি সাহেব পাইয়া স্বপনে,
    পাগল হল দেখিয়া বোরা বাবারে,
    স্বপ্নে গেল বলি আমার খাদেম শওকত আলী ঢাকা শহর থাকে মিরপুরে।
    শওকত আলীকে স্বপনে ফয়েজ দিল গোপনে,
    আস বাবা ময়মনসিংহে আমার দরবারে।
    শওকত আলীর ভক্তি ডোরে পড়ল টান
    উদার শওকত আলীর প্রাণ চলে
    আসল ঢাকার শহর ছেড়ে।
    ডিসি সাহেব করিল ভক্তি পাবে বলে,
    মুক্তি, বোরহান বাবার ফুল বাগানের খেদমত করে,
    নারী পুরুষের মেলা বৃহস্পতিবার বিকাল বেলা জমিতেছে প্রত্যেক বৃহস্পতিবারে।
    নারী পুরুষের আশা মিটায় মনের পিপাসা বোরহান বাবা নিজ গুণে দয়া করে,
    কেঁদে মাহতাব উদ্দিন কয় যদি তোমার মনে লয় পুত্রহারা দয়া কর মোরে।

    গান-১৩

    আজব লীলা দেখে এলাম শাহজালালের মাজারে
    হে বাবা শাহজালাল দয়া কর আমারে।
    ৩৬০ আউলিয়ার মাজার সবার মাঝে তুমি সরদার
    দূর করে শয়তান ইসলাম প্রচার করেছ দয়া করে।
    গরগোবিন্দ রাজার বাড়ি ভেঙ্গেছ আযানে ফু করি
    কত সাগর দিলা পারি জায়নামাজে আগণ করে।
    হাজার হাজার গজার মাছে তোমার নামে জিকির করিতেছে,
    ডাক দিলে এমনি আসে যে যাহা মান্নত করে।
    ভক্ত যারা কবুতর বেসে শূন্য ভরে উড়িতেছে
    দরগায় এসে আদর খেয়ে পায়খানা করে দূরে।
    সোনাবরণ মাগুর মাছ কই, কোয়ার ভিতর খেলায় থই থই
    বাবা কয়ে ডাক মারিলে অমনি ভাসে উপরে।
    খেয়ে তোমার ঝর্নার পানি কত বেটা হইল ধনী
    পাগল ছাগল জ্ঞানী গুণী সকলেই আশা করে।
    তোমার পরশে সিলেট ভূমি পবিত্র করেছ তুমি
    মাহতাব বলে, পাপী আমি ভিক্ষা চাই তোমার দরবারে।

    গান-১৪

    কন্যা লো তোমার অভিমান সহে না পরানে
    দেখাইয়া ফুলের মধু আমাকে করিয়া জাদু
    এখন ফিরে চাও না কেনে।
    কন্যা লো হাঁটিয়া যাইতে কও না কথা চাও আর নয়নে
    অঙ্গে পরিয়া জর্জেট শাড়ি দেখাও রূপের বাহাদুরী
    আমি পুড়ি প্রেম আগুনে
    কন্যা লো ফিরে চাইয়া কথা বল আর মারিও না প্রাণে
    বুকে তোমার কোমল কলি,
    পাগল কত ভ্রমর অলি আরও ৪৮টি গুণে।
    কন্যা লো রূপ দেখাইয়া পুরুষ জাতকে ঘোরাও বনে বনে
    মাহতাব মিয়া করে মানা নারী প্রেমে কেও মজিও না
    তারা কত জাদু জানে।
    নারীর প্রেমে কেও মইজ না ওরে পুরুষ জাতি
    ফাঁকি দিয়া কাছে নিয়া করে যায় ডাকতি,
    নারী জাতি বিষম জাতি কত জাদু জানে
    ফাঁকি দিয়া কাছে নিয়া লুটে ধনে মানে।

    গান-১৫

    লাকের পুরুষ কড়ার নারী রাইফেল ছাড়া বেটাগিরি
    বছর বছর গুলি খাইয়া মরে ভয়না করে
    বাহাদুরী থাকিয়া পুরুষের ঘরে।
    দুইটা হলে পুলাপুরি যায় যৌবনের বাহাদুরী
    কুড়িতে বুড়ি সাজতে হয় সংসারে,
    ইহার মাঝে হইলে কালা বাজারে তোলে যেমন আটিয়া কলা
    বিক্রি করা যায় না পাঁচ পয়সা ধরে।
    স্বামী দুইটা তিনটা করলে বিয়া খাইতে হবে তোর সতীন লইয়া
    কোনো কিছু বলতে নাহি পারে,
    তোমার আইনে আছে একজন স্বামী দুইজন হইলেই কলংকীনী
    যেতে হবে সমাজের বাহিরে।
    বিশ হাজার দিলে বরের পণ তবেই মিলে পুরুষ রতন,
    কর যতন থাকিয়া চরণ ধারে,
    পুরুষেরই পদতলে নারীদের বেহেস্ত মিলে
    মাহতাব বলে, থাক ধৈর্য্য ধরে।

    গান-১৬

    প্রেম করিয়া ছেড়ে গেল ফিরে তো আর আইল না
    আমার মন মানে না
    দারুণ প্রেমের সে কী যন্ত্রণা।

    বানাইবে চিরসাথী তাইতো দিলাম কুলমান জাতি
    ফাঁকি দিয়া কাছে নিয়া কী করল ডাকাতি,
    আমি জেগে থাকি সারা রাত্রি সাজাইয়া ফুলবিছানা।
    বানাইবে চিরসাথী তাইতো তাকে ভালোবাসি
    সকল দোষের আমি দোষী সেতো বৈদেশি,
    এখন মন্দ বলে, প্রতিবেশি কলংঙ্ক নাম ঘোষণা।
    আরেকবার পাইলে বন্ধুরে জিগাইতাম তারে
    আমি একা একা দোষী কেন এখন এ সংসারে,
    বলছিলা মোর হাতে ধরে জীবনে প্রেম ছাড়বে না।
    প্রেম করিও করিয়া ওজন দুই মনে হইলে একমন
    কিছুদিন গেলে বুঝবে এইলাই মহাজন,
    মাহতাব বলে, ওজন ছাড়া প্রেম করিলে গাছতলা হয় ঠিকানা।

    গান-১৭

    পিড়িতি শিখাইয়া গিয়াছে ছাড়িয়া
    এলো না এলো না এলো না আমার সামচান কালিয়া
    মাছেরও বসন্তকালে খেলে উজান ভাটি
    নদীর ও বসন্ত কালে ভাঙ্গিয়া নামায় মাটি
    নারীর ও বসন্তকালে মুখে মুচকি হাসিরে।
    গোয়াল ঘরে গরু শোভে সন্ধায় শুভে বাতি
    অভাগিণীর ঘর অন্ধকার ঘরে নাই মোর পতি,
    সাথী ছাড়া পোহায় রাত্রি কাঁন্দিয়া কাঁন্দিয়া।
    আমার সামনেন কত নারী স্বামীর বড়াই করে
    আমার কী আর মনে চাই না রূপ দেখাইতাম তারে,
    মাহতাব মিয়ার পোড়া কপাল জনমের লাগিয়া।

    গান-১৮

    দিন দুই চারি বাহাদুরি থাকতেছ পাকা ঘরে
    মালিক সেদিন সমন পাঠাবে যেতে হবে হেডকোয়াটারে।
    দুতলা তেতালা দালান দেখতে সুন্দর কী বাড়ি
    কত জাতের গোলাম রেখেয়েছ বান্দী রেখেয়েছ সুন্দরী,
    হইয়া কোটিপতি সাজলা উচ্চ জাতি
    হাজার হাজার মানুষে তোমায় সালাম করে।
    গদি করা বিছানা তোমার কিনেছ টেলিভিশন
    ইলেক্ট্রনিক পাখা ঘরে ভাবে বুঝি এয়ারকন্ডিশন,
    গোস্ত কোরমা পোলাও মন আনন্দে কতই খাও
    সুন্দরী রমণী তোমার খেদমত করে।
    তুমি বল তোমার তোমার তুমি যে কার বুঝলা না
    এখন সময় আছে চিন্ মালিক রাব্বানা,
    মাহতাব মিয়া বলে, কান্দরে সময় গেলে
    একা একা সেদিন যাবে কবরে।

    গান-১৯

    দেশ বলে, ছাড় তরী ও ভাই বেপারী,
    আকাশ পানে চেয়ে দেখ বেলা মাত্র দুই ঘড়ি।
    মহাজনের পুঞ্জি নিয়া আইচ্ছ বিদেশ বাড়ি
    পুঞ্জি পাটা সব খেয়েছ ময়না নাই চাকুরী।
    দালানকোটা কতই করছ সুন্দর সুন্দর বাড়ি
    অট্টালিকা পরে থাকবে, তুমি হবে দেশান্তরী।
    বন্ধু বান্ধব ছেলে মেয়ে কিংবা ঘরের স্ত্রী
    লোকের নিন্দার কান্দরে শুধুমাত্র দিন দুই চারি।
    হালাল হারাম না চাহিয়া টাকা কড়ি
    মাহতাব বলে, শুন্য হাতে তুমি হবে নায়রী।

    গান-২০

    সর্বশক্তি দিয়া মানুষ আল্লাহর হাতে তৈয়ার করা
    যে কারণে মাখলুকাতে মানুষ হল সকল সেরা
    নবী অলি ভবে যত মানুষের মাঝেই শতশত,
    ফেরেস্তারা হইয়া নত শিখছে মানুষকে সেজদা করা।
    কুরআন হাদিস নীতি ধর্ম মানুষেই করে সকল কর্ম
    বুঝিতে আল্লাহর গরিব মর্ম কত মানুষ বাড়ি ছাড়া।
    তৈয়ার করে নারী পুরুষ এই বিশ্ব বাগানে ফুটাইয়াছে ফুল
    একদিন পারের মাঝি হবে মানুষ পাড়ি দিব শেষ গোদারা।
    হাইর মানুষ কত জাতি বিজ্ঞান পড়ে হও জ্ঞানী
    মানুষে তো ভ্রমণ করেছে চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা।
    মানুষের ভিতর থেকে আল্লাহ সারাবিশ্বে খেলছে খেলা
    মাহতাব মিয়ার কথা খোলা মানুষের জন্যই তো এই বসুন্ধরা।

    গান-২১

    আমার খবর বন্ধুর কাছে কইয়ো ব্রহ্মপুত্রের পানি
    বন্ধুর লাগিয়া এই গাংগের পাড়ে বসিয়া
    কেঁন্দে ভিজাই শাড়ি আমি দিন দুঃখিনী।
    ঐনা গাংগের পারে পিড়িতি করে
    গিয়াছে ছেড়ে আমার শ্যাম গুনমনি,
    আমায় করে দোসী সে হয়েছে বৈদেশি
    প্রতিবেশী বলে, আমি কলংকিনী।
    বন্ধু হইলে কুলবালা বুঝিত প্রেমের জ্বালা
    নিশিবেলা ফলের মালা কারে দেই আমি,
    আমার যৌবন ভরা অঙ্গে বন্ধুয়া নাই সঙ্গে
    কার গাংগেতে বন্ধু খেলায় নাও দৌড়ানি।
    বন্ধু আসবে বলে, সকাল কিংবা বিকালে
    কলসি নিয়া জলে করি আনি গুণি,
    মাহতাব মিয়া বলে, বন্ধে না আসিলে
    ঝাঁপ দিব জলে আমি দিন দুঃখিনী।

    গান-২২

    মায়ের কথা স্মরণ হইলে কেঁদে কেঁদে বুক বাসাই
    মায়ের মত দরদী কেউ নাই।
    পুত্র যদি রয় বিদেশে মা থাকে তার আশার আশেগো
    কোনদিন যেন আমার পুত্র আসে মায়ের চোখে নিদ্ৰানাই।
    বিদেশ গিয়া আগাত পাইলে ধাক্কা লাগে দুঃখী মায়ের দিলে,
    মা শব্দটি মুখে বলে, বিনা তাড়ে খবর পাঠাই।
    হইলে মানুষ পথষ্ট মায়ের মনে থাকে কষ্টরে
    লোক সমাজে বলে, দুষ্ট তবু মায়ে বলে, আমার প্রাণ কানাই।
    মাহতাব মিয়া কপাল পোড়া অল্প বয়সেই আমি মাতা হারা
    চোখের পানি জনম ভরা মায়ের অভাবেই বন্ধ নাই।

    গান-২৩

    বিশ্ববাসী তোরা দেখনা আসিয়া
    শুক্রর হাতে শহীদ হল প্রেসিডেন্ট জিয়া,
    ভাইরে ভাই হযরত উমরের কথা অনুস্বরণ করি
    গরীব দুঃখিত প্রজা দেখতে ঘুরিয়া বাড়ি বাড়ি
    ঐরূপ নারী পুরুষ শিক্ষা দিতেন ওনি নিজে কাজ করিয়া।
    ভাইরে ভাই জন্ম কমাও ফসল বাড়াও এই ছিল তার বাণী
    আঁধারে ঢাকিয়া নিল বাংলার নয়ন মনি,
    গণতন্ত্র রাখিয়া গেলেন তিনি আমাদের লাগিয়া।
    ভাইরে ভাই বাংলাদেশের নদী নালা খনন করতে খাল
    রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে ধরে ছিল কোদাল,
    ভাইরে ভাই সৃষ্টি হতে এই পর্যন্ত শুনছি না জগতে
    রাষ্ট্রের রাজা মাটি কাটে কোদাল লইয়া হাতে,
    মাহতাব বলে, এমন নেতা আর পাব না খুঁজিয়া।

    গান-২৪

    বিদেশি বন্ধুরে সুখে না থাকিতে দিলা ঘরে
    করলে মোরে বাড়ি ছাড়া থেকে দেশান্তরে বন্ধু,
    কহিতে পিঞ্জরও ফাঁটে মুখে নাহি রাও
    ডাকলাম কত নিরবধি ফিরিয়া নাহি চাও,
    একদিন তোরে এজীবনে না দেখিলাম নয়ন ভরে রে বন্ধু।
    আগে যদি জানতাম রে বন্ধু কঠিন তোমার হিয়া
    নগরে না হইতাম দোষি সকল তোরে দিয়া
    বসন্তরই ফুটন্ত ফল ফুইটা ফুইটা ঝড়েরে বন্ধু।
    আগে যদি জানতামরে বন্ধু যাইবে ছাড়িয়া
    দুই চরণ বান্দিয়া রাখতাম মাতার কেশ দিয়া
    মাহতাব বলে, জীবন গেলে পাবে না খুঁজিয়া বন্ধুরে।

    গান-২৫

    ওকি কোকিলা কেন ডাক আজি উঁচু ডালে বইয়া
    উঁচু ডালে বইছরে কোকিল নজর বহুদূর
    বলিতেনী পারবে কোকিল আমার বন্ধু কত দূরে রে।
    উঁচু ডালে বইছ রে কোকিল দূরে তোমার গতি,
    বলিতেনি পারবে কোকিল আসবেনি মোর সাথি।
    ঘরের পাঁচে কড়ই গাছে বসিয়া আছ ডালে
    দিবানীশি ডাকছরে পাখি কোকিল আসবে বলিয়া।
    কুটম আসবে কুটম আসবে কারে দিছ আশা,
    কোনদিন আসিয়া মিটাবে বাউল মাহতাবের পিপাশা।

    গান-২৬

    শুনে কালার বাঁশুরী কাঁন্দিয়া ভিজাই শাড়ী
    ঘরের বাইরে যাইতে পারি না বাদী ননদী আর শাশুড়ী
    নদীর ঘাটে পাগল করল বাজাইয়া বাঁশুড়ী,
    হাতে ধইরা প্রেম করিল আমি এক অবলা নারী।
    ফুলবেলা ছিলাম ঘরে বাহির করল মোর হাতে ধরি
    যৌবনকালে পিড়িত মিটা এখন বিষের বড়ি।
    পুরুষ ও ভ্রমরা জাতি ফিরে বাড়ি বাড়ি
    আমি হইলাম নারী জাতি জ্বলে পুড়ে মরি।
    ঘরের কোনে বইসা কাঁদি চাই না বন্ধে ফিরি
    মাহতাব বলে, দেখা না দিলে গলায় দিব দড়ি।

    গান-২৭

    আগে করছিলাম মানা পিড়িত ভালো না
    না শুনিলা মুখের কথা না শুনিলা মানা,
    রায় কিশোরীর মনের বেদন রাখালে বুঝে না,
    যার লাগিয়া তুমি কাঁন্দ সেতো আর কাঁন্দে না।
    নানান ফুলের মধু খায় করিয়া আনাগোনা
    ফুলের মধু কমতি হলে ফিরে আর দেখে না,
    পুরুষ ভ্রমরা জাতি তুমি কী জান না।
    প্রেমের ছোঁয়া একবার দিলে আরতো আসে না
    ঘরে চল ফিরে যাই তুমি আর কেঁদ না
    মাহতাব বলে, মিথ্যার ছলে পিড়িত ভালো না।

    গান-২৮

    ময়মনসিংহের বাউল যত গুরুর নামে হইয়া ফানা
    প্রেমের সুরে বাউল বাজাইছে বিনা।
    উমেত ফকির ভোলার চরে জীবন ভরা
    গান গাইল সে প্রেমের সাগরে,
    ইদ্রিস বাউল তাহার পরে বেশ করছে জানাশোনা।
    জাইট্রা বরের আলকাছ বাউল গান বাজনা শিক্ষা করল ছাড়িয়া স্কুল,
    বাদড়া কান্দার সাদীর বাউল তথ্য শিখছে মন্দ না।
    বারেক বাউল ভালো তথ্য জ্ঞানী,
    কিতাব আলী গান গায় ভালো তার সুরের ধ্বনি
    গংগাচরণ নবী হোসেই গুরু করেছে বজনা।
    কাটপুয়ার আজাদ মিয়া স্বামী স্ত্রী গান গায় তারা গণতারা লইয়া,
    যাহার নামটি চাঁন মিয়া বেশ করেছে রচনা।
    নেত্রকোনার আনোয়ারা গানের প্রেমে মত্ত হইয়া গৃহ হারা,
    কেন্দুয়া থানার শামছুন্নাহার কামে প্রেমে দেওয়ানা।
    আব্দুল জলিল তাড়াইল বাড়ি ভালোই শিখেছে বাউলের আড়ি
    মকবুল মিয়ার বিরহের শাড়ি, মানুষের মন করেছে দিওয়ানা।
    কিশোরগঞ্জের গিয়াস উদ্দিন পোলা,
    গান গাইতে গাইতে হইল পিরের ছেলা
    জুযুদলের ওমর শিলে সুর করেছে সাধনা।
    আবেদ আলীর দুলাল মিয়া বাপ বেটার নাম করিল বিরহ বিচ্ছেদ গাইয়া
    শালিহরের সামছু মিয়া কেউরে খাতির করে না
    সুনীল বাবুর বেহালার টানে কত মানুষ পাগল হইল উদাসী প্রাণে মাহতাব মিয়ার বিচ্ছেদ গানে নিজেই হইলাম দিওয়ানা।

    গান-২৯

    হইলাম কলংকিনী ওগো আমি হইলাম
    উদাসীনী বৈদেশিরে যৌবন গো দিয়া,
    ঠেকলাম হইয়া নারী গণতে না পারি
    জ্বালিয়া পুড়িয়া মরি সোনা বন্ধুর লাগিয়া,
    আগে বুঝিয়া নাও বুঝিলাম শুনিয়াও না শুনিলাম
    পাগলীনি হইলাম বাশির সুর শুনিয়া।
    বন্ধে কেড়ে নিয়া আমার মন হয়েছে গোপন
    কোন দেশে আছে এখন আমায় ভুলিয়া,
    পিড়িতের প্রতিফলা সার হইল নয়নের জল
    কাঁন্দি নদীর পারে বসিয়া।
    বন্ধে পানশে নাও বাইয়া, আমার ঘাটে লাগাইয়া
    পান সুপারি খাইয়া বন্ধে গিয়াছিল বলিয়া,
    বলেছিল গোপনে ছাড়বে না প্রেম জীবনে
    তখন কার মুখ দেখিয়া
    ঐনা নদীর পারে পিড়িতি করে গিয়াছে ছেড়ে আমার শ্যাম কালিয়া,
    এই নতুন যৌবন কালে প্রাণের বন্ধু না আসিলে
    ঝাপ দিয়া মরবে জলে মাহতাব মিয়া।

    গান-৩০

    দোষী তুমি আল্লাহ আমার কোন দোষ দেখি না
    তোমার হুকুম ছাড়া আল্লাহ গাছের একটি পাতাও লড়ে না,
    তুমি আমার করাও চুরি তাইতো আমি চুরি করি
    আবার পুলিশ দিয়া লাগাইয়া বেরি হাকিম হইয়া পাঠাও জেলখানা।
    তুমি নাচাও আমি নাচি সারা জীবন নাচানাচি,
    তুমি খাওয়ালে আমি বাঁচি তোমার পোষা ময়না।
    তোমার ইচ্ছায় তো ঝড় তুফান উঁচু নিচু কর সমান,
    সকলেই যে তোমার বিধান আমার কথায় কিছুই হয় না।
    জমাইয়া হাশর মাজার করবে তুমি মানুষের বিচার,
    আগে কর নিজের বিচার তোমার হুকুম ছাড়া মার্ডার হয় না।
    মাহতাব মিয়া এই জবানে ডাকছে কতই দমে দমে,
    সাড়া দাও না এই জীবনে নিজের ত্রুটি দেখতে চাও না।
    তুই আমারে খাবে খোদা নয়তো খোদা তোরে
    খাবু দুইটার একটার একটা করে যাব।
    হয়তো আমায় নরগে দিবে নয়তো আমায় সরগে নিবে,
    তুমি আমায় সঙ্গে যাবে তোমায় আমি না ছাড়িব।
    তুমি কী আমারও ছাড়া আমি কী তোমারও ছাড়া
    আমি সরলে তোমার ও মরা ঐ কথানি মান ভাব।
    জীবন ভরা আমার ঘরে রাখলাম কত যত্ন করে
    মাহতাব বলে, গেলে ছেড়ে ভাড়ার পয়সা চাব।

    গান-৩১

    আমার দয়াল ওমেদ আলী ঠিকানা ভোলার চরে
    গান গাইলো সে প্রেমের সাগরে।
    তিনি একতারায় গাইতো গান ছিল স্বজ্ঞান
    রঙ্গরসের গান গায়িয়া মানুষের কেড়েনিত প্রাণ,
    দেশ বিদেশে কত সুনাম ওমেদ আলী কামাই করে।
    ওনি ছিলেন সিংহ পুরুষ ছিলেন সৎ মানুষ
    কাম সাগরে গান করিতেন না হইয়া বেহুশ,
    ভক্ত বিন্দুরে করিতেন হুশ যাইও না কাম বিকারে।
    ওনি মানিক ও রতন ভাবের মহাজন এম.এ ক্লাসের
    কথা কইয়া মানুষের ভরে দিত মন,
    ওনি ভোলার চরের অমূল্য রতন বেশি সময় দিতেন শহরে।
    ওনি কাম সাগরে ডুব দিতেই পাইতেন মানিক ও রতন,
    সে কারণে দুজন স্ত্রী, সন্তানাদি নাই সংসারে।
    মাহতাব মিয়া ছেড়ে বাড়িঘর থাকিত ভোলার চর
    লাউয়া টুবলার বোঝা বইলাম তেরটি বছর,
    কিনচিৎ মাত্র দিয়া গেল অভাব নাই আর সংসারে।

    গান-৩২

    মুহাম্মদ মোস্তফা নবী বিশ্ব তৈয়ার যার নূরে,
    নূরনবীর চরণখানা করিলাম বন্ধন
    হযরত আলী আর মা ফাতেমা হাছেন আর হোছেন
    চার তরীকার চার পীর বন্ধনা করি অতিশয় আশা করে।

    এক লাক চব্বিশ হাজার বন্ধনা করিলাম আমি যত পয়গামবার,
    তিনশ ষাট আউলিয়া বন্ধনা করি বন্ধনা করলাম তাদের রে।
    শিক্ষা গুরুর চরণখানি করিলাম বন্ধন,
    যার উচিলায় ভূ-মন্ডলে করিলাম বাউল উপার্জন,
    নামটি তাহার ওমেদ রতন ঠিকানা ভোলার চরে।
    পিতা মাতার চরণখানি বন্ধনা করিলাম
    এ দশ জনার চরণও বান্ধ মাহতাবও গোলাম,
    বিপক্ষের গায়কও বন্ধনা করি দুআ করবেন আমারে।

    গান-৩৩

    আমার মুর্শিদ আমার কাছে অমৃত সুধা,
    দেখলে দয়ালের নূরের ছবি দূর হয়ে যায় ভব খোদা।
    মুর্শিদ নামে এত মধু ঐ নাম আমার কাছে মধু,
    ভবে যত ফকির সাধু দয়াল নামে প্রেমে বাধা।
    মুর্শিদ যারে দয়া করে পার হইয়া যায় ভবপারে,
    ভয় নাই তার অকুল সাগরে গুছিয়া গেছে মনের ভাদা।
    দয়াল নাম যার হৃদয়ে ভরা তার ভরা কী যাবে মারে রে,
    আমি মুর্শিদ নামে বাড়ি ছাড়া আমি হইতে সেতো নয় যোদ্ধা।
    আর কিছু আমার নাই ভরসা শুধু দয়ালের চরণের আশা
    মাহতাব মিয়ার শেষ মিমাংসা দয়াল রূপেই আছে খোদা।

    গান-৩৪

    আমার কপালে শান্তি লিখতে তোমার কলমে নাই কালি
    ত্যাক্ত হইতে পার খোদা উচিত কথা যদি বলি।
    কেউরে রাখছ টিনের ঘরে কেউরে দিছ দুতলা
    আমায় রেখেছো ভাঙ্গা ঘরে কপালে ছনের চালা,
    কতভাবে দিচ্ছ জ্বালা তবু তোমার মতেই চলি।
    কেউরে দিলা রাজ সিংহাগণ কেউরে বানাউ জমিদার
    আমার হাতে ভিক্ষার ঝোলা এই কী তোমার সুবিচার,
    উচিৎ বিচার নাইকা যাহার মানব না আইনের প্রণালী।
    কেউরে খাওয়াও গোস্ত পোলাও, কেউরে দিছ বালাখানা,
    আমার কপালে বেগুন পুড়া পরনে ছিড়া তেনা।
    মাহতাব বলে, বেশি ভালো না গরীব ধনীর দলাদলি।

    গান-৩৫

    কাম নদীতে জোয়ার আইছে অস্ত্র ছাড়া কেউ যাইও না
    কাল নাগিণী ঘাটে বসা কাছে গেলে ধরে ফনা।
    কাম বিকারে দিয়া চাবি ঐ নদীতে ডুব দিবি,
    ডুব দিয়া ভাসিয়া দেখবে মাটির দেহ হইছে সোনা।
    কাম নদীতে গভীর জলে কম্বীর ভাসে পালে পালে,
    গুরুর নামের হলুদ গায় মাখিলে কম্বীর দল কাছে যায় না।
    কেউ গেলে পুরুষ বেসে মরবে তুমি সাপের বিষে
    জলের নিচে কালনাগিণী জেতা খায় মরা খায় না।
    মাসে তিনদিন পসরনে এসে প্রভু খেলা করে
    সেইদিন থাকলে নদীর পারে পোরা হবে তোর কামনা।
    ভবে কত ফকির সাধু বাধ্য করে ঘরের বধু,
    খাইছে তারা ফুলের মধু মাহতাব মিয়ার ভাগ্য হল না।

    গান-৩৬

    যাচ্ছ তুমি আমার ঘরে শত ডাকি কথা কও না
    ভাবে বুঝি আমার চারপাশে করিতেছ আনাগোনা।
    থাকিয়া তুমি আমার বাড়ি করিতেছ লুকোছরি,
    তোমায় না পাইয়া কেঁদে মরি এত জ্বালা প্রাণে সয় না।
    তোমার কারণ গাছ তলাতে মিশে থাকি তোমার নামের সাথে
    লজ্জা কী হয় দেখা দিতে ভালোমন্দ কিছুই বুঝি না।
    তোমায় পাব আশা করি পাগল বেসে ঘরে ফিরি,
    আমি তোমার চাকরি করি দেখা দাও পয়সা চাই না।
    কত ফকির সংসার ছেড়ে তোমায় দেখবে আশা করে,
    মাহতাব উদ্দিন প্রকাশ করে দেখছে যারা কথা কয় না।

    গান-৩৭

    ঐ শোনা যায় ভোরেরই আযান
    ওযু কর নামাজ পড় শুনরে পাগল কথা মান।
    ফযরে মসজিদের ঘরে সুন্নত ফরজ আদায় করে গো,
    জায়নামাজের আগণ করে তেলাওয়াত করে কুরআন।
    করিলে নামাজ বন্ধিগী সর্বাঙ্গ হবে নেকী,
    খুলিয়া যাবে দিলের আখি দেখতে পাবে সারাজাহান
    করিলে নামাজ রোজা সেরাতুল মুস্তাকীম রাস্তা সোজা,
    পরকালে যত সাজা দূর হবে ঝড়তুফান।
    আসসালাতু কাইরো মিনান নাও ঘুম হতে ইবাদত ভালো গো,
    লা হাওলা কোয়াতা বল দূর হবে যাবে শয়তান।
    পাঞ্জখানা যারা পড়ে নবী বড় দয়া করে গো
    মাহতাব বলছে, আশা করে পরকালে পাবে আছান।

    গান-৩৮

    হিন্দু কী মুসলমান বৌদ্ধ কী খ্ৰীষ্টান
    প্রতিষ্ঠাতা একজনা সৃষ্টির মালিক একজনা।
    গড বলে, ফিরিঙ্গি যারা বদর কয় নায়ের মাঝি
    যে যেভাবে ডাকে তোমায় সেই ভাবে তুমি হও রাজি,
    সকলে নায়ের একই মাঝি এক ঘাটে করে আনাগোনা।
    হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রীষ্টান সকলেই গায় তোমার গান
    সকলেই এক বারের তোলা তোমার কাছে সৰ্বসমান,
    মানে যারা তোমার বিধান জাত কুলের ধার ধারে না।
    সকলে তোমার হাতে গড়া একই বিশ্বে করিবাস,
    একইভাবে জন্ম মৃত্যু একইভাবে সহবাস
    সকলেই তোমার হুকুমের দাস ঘূলাবাণী বোঝেনা।
    একের ঘরে যারা গেছে হয়ে গেছে একাকার
    মানবসেবা করতে পারলে প্রভু খুশি হয় তাহার
    হিংসা বিদ্বেষ তোমার আমার মাহতাব মিয়া মানেনা।

    গান-৩৯

    বন্ধুর বাড়ির আশেপাশে কতই করি আনিগুলি
    দেখি বন্ধের দয়া লাগে না।
    বন্ধে জিজ্ঞাস করলে কয় না কথা নোয়াইয়া যাইগো মাতা,
    আমার প্রাণে যে কত ব্যাথা সে জানে আর আমিগো জানি,
    হায়রে প্রেমের যে কত জ্বালা ভুলি ভুলি তো যায় না ভোলা
    হাতে লইয়া প্রেমের মালা খুঁজে বেড়াই ঐ তরণী।
    নিরাশ হইয়া সন্ধাবেলা সাথী হারা ঘরে যাই একলা,
    আমি নয়ন জলে গাথিয়া মালা কাঁন্দিয়া পোহাই রজনী
    আমি কেঁদে কেঁদে হইলাম অনা তাতে বন্ধুর হয় আনন্দ,
    বুঝলাম মাহতাব মিয়ার কপাল মন্ধ বারন হয় না চোখের পানি।

    গান-৪০

    হতভাগা সন্তান যারা তারা মাতা পিতার খবর লয় না
    পুত্রবধুর পরনে জর্ঝের শাড়ি, মায়ের পরনে ছিরা তেনা।
    ছেলে করে কন্টেকটারি শহরে তার পাকা বাড়ি,
    মাতা-পিতা দিন ভিখারী, ছেলের বাসায় যাইতে মানা।
    গর্ভে ছিল সেই সন্তান প্রসব কালে মায়ের চক্রাতের সমান,
    প্রসব হইল গেল নিধান সন্তানের মুখ দেখিয়া মা দিওয়ানা।
    মায়ের দুগ্ধ খায় সে উদর ভরে মায়ের কোলেই পায়খানা করে,
    মায়ে নিজ হাতেই পরিস্কার করে মায়ের মনে ঘৃনা হয় না।
    শুকনো বিছানায় সন্তান রাখে বিজা বিছানায় জননী থাকে,
    দুঃখ দিলে সেই মাকে আল্লাহর গায়ে সহ্য হয় না।
    মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান জীবন যাপন তান পশুর সমান
    মাহতাব বলে, নবীর বিধান হাশর মাঠে সাফায়াত পাবে না।

    গান-৪১

    মুর্শিদের কথামত চল ও মন পাগল ওরে
    গুরু পদে করলে ভক্তি জেগে ওঠবে তোমার সাধন শক্তি
    পাবে মুক্তি বারিবে সম্বল ও।
    যেদিন হতে বুজবে গুরু সেদিন হতে কর্ম শুরু,
    কল্প তরু দয়ালের নাম বল,
    আগে কত গুরু বজন পরে তোমার কর্মসাধন
    দয়াল গুরু সহায় ও সম্বল ও।
    করবে যখন সাধন সিদ্ধি দূর হইবে তোমার
    হইব ব্যাধি দেখতে পাবে সকলই উজ্জলও,
    একুল সেকুল দুকুল পাবে ভব যন্ত্রণা দূরে যাবে
    বুঝতে পারবে আসল কিংবা নকল ও।
    মাহতাব মিয়ার কথা ধর সময় থাকতে সাধন কর
    সময় গেলে সব যাবে বিফল ও,
    সময় গেলে সাধন হয় না শুকনা গাঙ্গে নাও চলে না,
    সময় গেলে ডাকে না কোকিলও।

    গান-৪২

    বৈশাখ তোরে কর জোরে স্বাগত জানাই,
    আমাদের কিছু ক্ষতি করিও না, দিলাম আল্লাহর দোহাই।
    বৈশাখ তোমার দাপট বেশি মনে লাগে ঢর,
    কোনোদিন যেন উড়াইয়া নেও চাপড়া ঘর,
    এক মিনিটেই নিতে পার জনমের কামাই।
    মাঠ ভরা ধান মোদের মনে কত আশা
    সোনালী ধান ঘরে তুলে বাঁধব সুখের বাসা,
    কাল বৈশাখী ঝড়ের ছোবলে ক্ষেত খামারে কিছুই নাই।
    পুরান বাড়ির ভিটায় হইত হাডু-ডু খেলা
    বটগাছের তলায় বইত বৈশাখী মেলা
    মাহতাব বলে, ওলামেলা কুস্তি খেলা সীমা নাই।

    গান-৪৩

    দয়াল দাতা দয়া কর তোমার দয়ার করি কামনা,
    একুল সেকুল দু-কুল মাঝে তুমি ছাড়া নাই আপনজনা।
    তোমার হুকুমে আসলাম ধরাতলে আসিয়া পরলাম এক মায়াজালে
    পরিয়া এক রংমহলে তোমার কথা স্মরণ ছিল না।
    ভুলভ্রান্তি করছি কত গণনা নাই শতশত,
    আর কেহ নাই তোমার মত কারে করব আরাধনা।
    রহিম রহমান নাম কুরআনে রহম কর শেষ নিধানে,
    তুমি প্রশ্ন করলে এ জবানে উত্তর কী তা নাই জানা।
    দয়াল যদি করে দয়া যেতে পারব পারি দিয়া,
    বলছে বাউল মাহতাব মিয়া জীবন মরণ আলেকশাই।

    গান-৪৪

    হায়রে আরব দেশে আখের জামানা
    সবার শেষে মানুষ বেশে আইল একজনা ও ভাই মুমিনা।
    নবী আসিয়া দরা তলে আমেনার কোলে জন্ম নিয়া নবী
    দুগ্ধ খাইলেন না একলক্ষ চব্বিশ হাজার পয়গাম্বার
    দিতে হবে মায়ের দুধের দাম, দ্বিনের নবীর দিতে হবে না।
    নবী মেরাজে চলিয়া গেলেন আল্লায় জিজ্ঞাস করিলেন
    আমার জন্য আনছ কী দুস্ত খুলে বল না,
    আমার নবী বলেন, পরুয়ার তোমার জন্য আনছি উপহার
    আমার যত পাপী উম্মতের গুন্য।
    কঠিন হাশরের দিনে এহাবলি উম্মতি জবানে কাঁদবেন আমার রাসূল
    দেওনা বলছে বাউল মাহতাব উদ্দিন রোজে মিসাক হাশরের দিন
    নবী বিনে কেউ নাই আপনা।

    গান-৪৫

    বাসরও সাজাইলামরে তুই বন্ধুর লাগিয়া
    রজনী পোহাইলামরে কাঁন্দিয়া কাঁন্দিয়া।
    নিসিতে আসবার কথা ছিল কেন না আসিলে
    প্রভাতে আসিয়ারে বন্ধু আগুন জ্বালাইলে,
    সম্মান যদি বাছাইতে চাও যাও কুঞ্জ ছাড়িয়া।
    নাজানি আজ কার কুঞ্জেতে পরেছিলে ধরা
    সর্বোঙ্গ দেখি কেন নোকের আচরা
    কোন রমণী করল সারা তোমার চুষিয়া চুষিয়া।
    যতই দূরে যাওরে বন্দু ততই দূরে দেখি
    তুমি আমার আছলের ধন যৌবনের সাথী,
    মাহতাব মিয়ার জ্বরে আঁখি তুই বন্ধুর লাগিয়া।

    গান-৪৬

    কেন কান্দ কান্দরে রাধে আর কাঁন্দিও না
    যার কারণে কান্দ তুমি তারে আর পাইতা না।
    অভিমানে হারাইলা তোমার প্রাণ পতি
    এই ভরা যৌবনে তোমার নাই কোন সাথী
    জ্বলে না আর প্রেমের বাতি অন্ধকার বেদনা।
    ঘুমের ঘরে রেখে তোমায় গেল যে চলিয়া
    প্রাণ বন্ধুরে দেখলানারে তুমি দুই নয়ন মেলিয়া
    কী সে বিষ পান করিলে বিষে মরণ হইল না।
    নারী হইয়া করিও না এত মাতাব্বরী
    কৃষ্ণ আশায় চেয়ে আছে হাজার হাজার নারী
    মাতাবে কয় চরণ ধরি কর তার সাধনা।

    গান-৪৭

    হাদিস কুরআনে লেখা যাহা কথা মিথ্যা না
    মহা প্রলয় হয়ে যাবে আর দেরি হবে না।
    সুরা হাশরে দেখিলাম পাঠ করে
    মহাপ্রলয় হবে একদিন লিখা ঘোষণা,
    দেখিলাম তর্জমা করে যুদ্ধ বিগ্রহ করে
    এ পৃথিবী করে দিবে ফানা।
    বর্তমানে পৃথিবীতে যুদ্ধ বিগ্রহ চলিতেছে
    ইরাক আর আফগানিস্তানে আছে নিশানা,
    লক্ষ লক্ষ মানুষ মরে স্থাপনা সব ধংস করে
    মুসলমান সাদ্দাম হোসেই ইরাকে টিকতে পারল না।
    তারপর আফগানিস্তান ভেঙ্গে করল খানখান,
    লাদেন ছিল এক মুসলমান তারেও রাখল না
    আমেরিকার বুশ প্রশাগণ মুসলমানদের
    উপর দূর শাগণ বন্ধ করল না।
    মধ্য-প্রাচ্যের ইসরাইল মানুষ মারার আজরাঈল
    মুসলমান ফিলিস্থিনিয়া স্বাধীন পাইল না,
    যে রাষ্ট্রেই আছে মুসলমান, সেখানেই ওঠে ঝর তুফান
    হাইরে জাতি মুসলমান এক হইল না।
    এইসব কেয়ামতের লক্ষন শোনেন বিশ্বের জনগণ
    জলবায়ু পরিবর্তন রোধ হইল না।
    কেঁদে মাহতাব উদ্দিন কয় বিজ্ঞানেই তো
    করিবে প্রলয়, এই বিশ্বের দয়াময়দায়ী থাকবে না।

    গান-৪৮

    প্রেমের বয়স হইলেই তো প্রেম করে তাতে দোষ কী সংসারে
    প্রেমিকেরা প্রেম করিয়া ভাসে প্রেম সাগরে।
    বুকে যখন ফুটে যৌবন কলি উড়িয়া আসে
    কত ভ্রমর অলি চুপি চুপি কথা বলে, কোকিলে বুলি,
    প্রেমিকেরা লইয়া চরণ দুলি প্রেম ভিক্ষা সমর্থন করে।
    প্রেম করিয়া ছেড়ে ঘর বাড়ি সাজে প্রেমের ভিখারী
    যার সাথে প্রেম করিবে তাহার কর মজুরী
    লাগাইয়া তাকে মায়া বেরী প্রেম ভিক্ষা আদায় করে।
    প্রেম করা তো মুখের কথা নয়, প্রেম করা তো কঠিনও বিষয়
    প্রেম করিলে লোক সমাজে কত কথা শুনতে হয়,
    মানইজ্জতের ভয় থাকে না প্রেমিকারই অন্তরে।
    প্ৰেমত জাতিকুল চায় না যার জন্য যে জন দেওয়ানা
    সে তার নয়নের মনি পিঞ্জিরার ময়না,
    মাহতাব বলে, প্রেম বুঝে না অনতক তর্ক করে।

    গান-৪৯

    দয়া করে লও হে প্রভু অধীনের সালাম
    তুমি আমার মালিক প্রভু আমি তোমার গোলাম।
    তুমি আমার আরাধনা তোমায় পেতে মন বাস না,
    আমি হইলাম জন্মকানা তবু দেখিতে চাইলাম।
    ভিক্ষুক তোমার দুয়ারে খাড়া তোমার প্রেমে জিন্দা মরা,
    কিঞ্চিত মাত্র দিলে সাড়া অনেক কিছু পেলাম।
    তুমি রাখ মার যাহাই কর তোমার ইচ্ছাই করিতে পার,
    তোমার হাতে যদি মার আমি স্বর্গ পাইলাম।
    আমি চাই না বাদশাহি জমিদারি তোমার প্রেমে দিন ভিখারী, হা
    তে লইয়া লাউ খুনজরি পাগল সাজিলাম
    মাহতাব তোমার নামের পাগল তোমার নামটি মাত্র সম্বল,
    সার করিলাম নয়নের জলে দেখা না পাইলাম।

    গান-৫০

    কত ভাবের পাগল মানুষ, আমি পাগল আমার গানে,
    গানে প্রাণে একি সাথে আলাপ করি আমরা দুজনে।
    আমার গানে আমি আল্লা আমার গানে আমি কমলিওয়ালা,
    বলুক লোকে ভন্ডশালা কথা বলব না জবানে।
    আমার গানে আমি রাজা আমি গানে পুজি আমার পূজা,
    গানেই খুঁজি আমার খুঁজা বসিয়া অতি নির্জনো।
    আমার গানে আমি ধনি আমার গানে আমি জ্ঞানী,
    মাহতাব বলে, নাহি চিনি আমি সাড়া এ জীবনে।

    গান-৫১

    ও সাই রাব্বানা দয়া করে মাফ কর গোনা,
    কত গোনা করছি ভবে জগত মাঝে আটে না।
    গোনার খাতা করতে করতে গোনার সাগরে পড়ে গেছি
    গোনার বুঝা মাথায় নিয়া ক্ষমা ভিক্ষা চাইতেছি,
    রহিম রহমান নাম কুরআন এই নামটি তর মিথ্যানা।
    গোনার খাতা যা করেছ তোমার জানার বাকি নাই
    দয়া করে ক্ষমা কর তুমি মোদের মালেকসাই।
    সগিরা কবিরা গোনা সকলি তোমার জানা
    মুসলামান না বানাইয়া নিয় না মোরে কবরে
    নবীর উম্মত হইয়া থাকতে মাহতাব মিয়া আসা করে
    তোমার দোস্তের দুহাই দিলাম যার রওজা হয় মদিনা।

    গান-৫২

    মানবজীবনের খেলা হতে গেল যাবার বেলা চিরা তেনা আর কিছুই নাই
    সম্বল হঠাৎ কী হল বেয়াদি কথা বলতে পারে না
    একিরে অসীম বেয়াদি অন্য কেহ বুঝে না,
    ডাক্তার ধর নারী বলে, তারাতাড়ি বুকে শব্দ গোর গরি তার নারি ডুবলি।

    মনে বড় আশা ছিল করতে টিনের বাড়ি
    পড়ে রইল টাকা পয়সা ঘরে সুন্দর নারী,
    মিছা ভবের বাহাদুরি আল্লাহ রাসূল বল।
    পড়ে থাকবে পচা দেহ গিন্না করে কেউ ছুবে না
    যারে লইয়া দিন কাটাইলা সেউত কাছে যাবে না,
    দালান কোঠা বালাখানা পড়ে রহিল।
    ছেলে কাঁদে মেয়ে কাঁদে কাঁদে কত বন্ধু গনে
    দুই চার দিন কাঁদে স্ত্রী লোকেরি নিন্দনে,
    বলে ছিলা আমার আমার এখন কিছু নাইকা তোমার
    অন্ধকার কবরে তোমার জায়গা হইল।
    পিতা গেছে মাতা গেছে চলে গেছে বন্ধু,
    গণ আমারও একদিন যেতে হবে আসিলে,
    দারুণ সমন বলে, মাহতাব মিয়া
    এই জগতে মাইনা ছাড়া চাকরি করে আমার সময় বহিল।

    গান-৫৩

    আমি মরলে কে গাইবে তোর গান গো এলাহী।
    মাবুধ গো তুমি সুষ্টি করলা যতন করে
    লুকাইয়া পর্দার ভিতরে মাতৃগর্ভে জীবন করলা দান,
    তুমি আমি এক সাথে চলে আসলাম জগতে বন্ধু হইয়া সাজিলা বেইমান।
    মাবুধ গো আমি যদি মরে যাই
    তুমি থাকবার জায়গা নাই
    আমি মরলে কে লইবে তোর নাম,
    থাকি আমার বাড়ি দেখাও কত বাহাদুরি
    কষ্ট দিয়া কেড়ে নিবে প্রাণ।
    মাবুধ গো ভাঙ্গা গড়া তোমার জাতের সভাব
    আমি মরলে তোমার কী লাভ
    আমি মরলে এত থাকবে না সম্মান,
    মাহতাব বলে, প্রকাশ করে
    যেদিন আমি যাব মরে
    আমি বিদায় তুমি অবসান।

    ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }