Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভিখারি – নগীব মাহফুজ : অনুবাদ – রাফিক হারিরি

    রাফিক হারিরি এক পাতা গল্প158 Mins Read0
    ⤷

    ভিখারি – ১

    এক

    নীল সামিয়ানার নিচে সাদা স্পষ্ট মেঘগুলো সাঁতরে বেড়াচ্ছে আর নিচে সবুজ প্রান্তরে তার বিশাল বিস্তৃত ছায়া পড়ছে। অনেকগুলো গাই গরু খুব মনোযোগ দিয়ে শান্তভাবে সবুজ কচি ঘাস চিবুচ্ছিল। এটা কোন জায়গা তা দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই। নিচে খোলা মাঠে এক কিশোর বেশ তাগড়া একটা ঘোড়ার পিঠে বসে আনমনে দিগন্তের দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখে মুখে খুব রহস্যময় দুর্বোধ্য এক টুকরো হাসি লেগে আছে।

    পুরো দৃশ্যটাই একটা বেশ বড় বোর্ডে লাগানো চিত্রকর্মের অংশ।

    চিত্রকর্মটির দিকে ওমর বেশ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়েছিল। কে এই অবাক করা চিত্রকর্মের শিল্পী। ওমর বসে বসে ভাবছিল। সে যে ঘরে বসে অপেক্ষা করছিল সেখানে সে ছাড়া আর কেউ নেই। গত দশ দিন আগে ডাক্তারের সাথে দেখা করার যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেই সময়টাও হয়ে এসেছে। ডাক্তারের অপেক্ষমাণ ঘরের মাঝে বেশ বড় একটা টেবিল বিছানো ছিল। টেবিলের উপর নানা ধরনের পত্রিকা, ম্যাগাজিন ছড়ানো ছিটানো। একটা পত্রিকার সামনের পাতায় একজন শিশু অপহরণকারী মহিলার ছবি দেওয়া।

    ওমর আবার চোখ ফিরিয়ে নিল চিত্রকর্মটির দিকে।

    সবুজ প্রান্তর, অনেকগুলো গরু, একজন কিশোর, বিস্তৃত দিগন্ত। চিত্রকর্মটি আসলে খুব সুন্দর তারপরেও কারুকাজময় সোনালী ফ্রেমে বাধানোর কারণে এর বাহ্যিক মূল্যটা আরো বেড়ে গেছে। ওমর খুটেখুটে কিশোর আর শান্ত সুখী গরুগুলিকে দেখছিল। এগুলোই তার কাছে ভালো লাগছিল। তাকিয়ে থাকতে থাকতে যদিও তার চোখের পাতা ভারী হয়ে যাচ্ছে আর সে বুকের ধুকপুকানি টের পাচ্ছে। ছবিতে বাচ্চাটা দিগন্তের অনেক দূরে তাকিয়ে আছে। সে এমনভাবে দাঁড়িয়েছিল যেন মনে হচ্ছে পুরো পৃথিবীটা তাকে বেষ্টন করে আছে। তুমি যেদিক থেকেই কিশোরটার দিকে তাকাও না কেন মনে হবে সে সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গাটায় দাঁড়িয়ে আছে। কি এক বিশাল খাঁচা তাকে ঘিরে আছে।

    ওমর ভাবছিল ছবিতে তেজী এই ঘোড়াটা আর শান্ত ও পরিতৃপ্ত চোখের গরুগুলির তাৎপর্য কী?

    ঘরের বাইরে সে মৃদু পায়ের শব্দ শুনতে পেল। দরজার সামনে ডাক্তারের একজন সহকারি এসে দাঁড়াল।

    ‘আপনি আমার সাথে আসুন।’

    ওমর উঠে দাঁড়াল। ভাবছিল পচিশ বছর পর তার বাল্যকালের স্কুল বন্ধু কি তাকে চিনতে পারবে?

    সে প্রভাবশালী ডাক্তারের অফিসরুমে ঢুকল।

    হ্যাঁ  ঐতো ডাক্তার হাসি-হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে। হাল্কা পাতলা মাঝারি গড়নের। বেশ দ্যুতিময় চোখ, মাথার চুলগুলো এলোমেলো। স্কুল মাঠে সে যে রকম ছিল সত্যিকার অর্থেই তার চেয়ে এখন অনেক পাল্টে গেছে। তার মুখের কিনারে ভাঁজের চিহ্নটা সুখ আর তীক্ষ্ণ বুদ্ধির কথাই বলে দিচ্ছে।

    ‘আরে কি খবর ওমর! তুমিতো অনেক পাল্টে গেছ। কিন্তু এটা ভালোই হয়েছে।’

    ‘আমি তো ভেবেছিলাম তুমি আমাকে চিনতে পারবে না।’

    তারা বেশ উষ্ণভাবে একে অপরের হাত ধরে ঝাকি দিল।

    ‘তুমি তো বিশাল দানবের মতো হয়ে গেছ। সব সময় তুমি বেশ লম্বা ছিলে। আর এখন ওজন বেড়ে হয়ে গেছ বিশাল আকৃতির।’ ডাক্তার ওমরের দিকে মাথাটা তুলে বলল।

    ওমর বেশ খুশি হয়ে বলল, ‘আসলেই আমি ভাবিনি যে তুমি আমাকে মনে রাখবে।’

    ‘কিন্তু আমি তো কাউকে ভুলে যাইনি। তাহলে তোমাকে কিভাবে ভুলে যাব বন্ধু।’

    ডাক্তারের পক্ষ থেকে অভিবাদনটা ছিল সত্যিকার অর্থেই মনে রাখার মতো। হাজার হোক সে এখন সামাজিকভাবে যে অবস্থানে আছে সেখান থেকে দূরের কাউকে মনে রাখার কথা না।

    ডাক্তার ওমরকে ভালো করে দেখতে দেখতে বলল, ‘তুমি সত্যিকার অর্থেই মুটিয়ে গেছ। তোমাকে এখন জাদরেল ব্যবসায়ী মনে হচ্ছে। সিগারেট ছাড়া আগের সব অভ্যাসই কি ছেড়ে দিয়েছ?’

    ডাক্তারের কথায় ওমর হাসল। বেশ লাজুক হাসি। তার চোখের ভ্রূ দুটি বেশ নড়ে চড়ে উঠল।

    ‘ডাক্তার তোমার সাথে আবার দেখা হওয়ায় আমি খুব খুশি হয়েছি।’

    ‘আমিও তোমাকে পেয়ে খুব খুশি। যদিও আমার দেখা পাওয়াটা খুব আনন্দের বিষয় না।’

    ডাক্তার তার নিজের ডেস্কের সামনে চলে গেল। সেখানটা নানা ধরনের বই পুস্তক, কাগজপত্রে ভরা। ডাক্তার ওমরকে বসতে ইশারা করল।

    ‘ঠিক আছে এখন আমরা পুরনো স্মৃতি না কপচিয়ে আগে তোমার স্বাস্থ্যগত অবস্থাটা নিশ্চিত হয়ে নেই।’

    ডাক্তার কেস হিস্ট্রির খাতাটা খুলে নিয়ে সেখানে লেখা শুরু করল।

    ‘নাম : ওমর আল হামযাবি, পেশা : ওকালতী, বয়স?’

    ডাক্তার ওমরের দিকে তাকিয়ে একটু হাসল। তারপর নিজেই উত্তর দিল।

    ‘ভয় নেই। আমরা দুজনেই একই অবস্থায় আছি।’

    ‘পয়তাল্লিশ।’

    ‘দেখ স্কুল জীবনে একটা মাস বড় ছোটকে আমরা কি গুরুত্বই না দিতাম। আর এখন কে এসব নিয়ে ভাবে। তোমার পরিবারে কোনো বিশেষ রোগের ইতিহাস আছে কি?’

    ‘নাহ। তবে ষাটের পরে তুমি ব্লাড প্রেসারের বিষয়টা ধরে নিতে পার।’

    ডাক্তার তার হাতটা ভাঁজ করতে করতে বলল, ‘এবার তোমার রোগের বিষয়ে আমি কি বলি শোনো।’

    ওমর মাথার ঘন কালো চুলে হাত বুলালো। খুব গভীরভাবে সেখানে তাকালে ফাঁকে-জোকে দু-একটা সাদা চুল দেখা যায়।

    সে বলল, ‘আমি বিশ্বাস করি না যে স্বাভাবিকভাবে আমার কোনো রোগ আছে।’ ডাক্তার খুব মনোযোগের সাথে ওমররের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমি সাধারণ কোনো উপসর্গের কথা বলছি না।’

    ‘তাহলে’

    ‘আমি একটু অন্য ধরনের কিছু একটা ধারণা করছি।’

    ‘সত্যিই এমন কিছু হয়েছে নাকি?’

    ‘সেরকম ধারণাই করছি।’

    ‘এটা মনে হয় অধিক পরিশ্রমের কারণে হতে পারে।’

    ‘কিন্তু আমারতো তা মনে হচ্ছে না।’

    ‘ঠিক আছে তুমি ভালো করে পরীক্ষা করে বলো কি অবস্থা। এ ছাড়া অন্য ভাবেতো তুমি আর আমাকে সম্মানিত করতে পারবে না।’

    ‘আসলে আমি নিজেও সব সময় কাজ করতে পছন্দ করি না।’

    ‘তারপর। চালিয়ে যাও।’

    ‘এটা কোনো অবসন্নতা বা ক্লান্তি থেকে নয়। আমি মনে করি প্রচুর কাজ আমি করতে পারি। কিন্তু মূলত আমার সব সময়ই কাজ করতে হবে এমন কোনো ইচ্ছা নেই। এখন আমার অফিসে একজন ল’ ইয়ারকে সাহায্য করার জন্য আমি কাজ থেকে বিশ্রাম নিচ্ছি। আমার জমে থাকা কাজগুলো যদিও কয়েক মাসের জন্য ঝুলে যাবে।’

    ‘তুমি কি কোনো বিশ্রামের কথা কখনো চিন্তা করো না?’ ওমর কথা বলে যেতে লাগল যেন সে কিছুই শুনতে পাচ্ছে না।

    ‘বেশ কিছু দিন আগে আমি আমার জীবন নিয়ে, পরিবার নিয়ে আশেপাশের লোকজন নিয়ে বেশ বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। পরিস্থিতি আমার কাছে এতই জটিল হয়ে পড়েছিল যে আমি এগুলো নিয়ে একদম চুপ ছিলাম।’

    ‘সমস্যাটি কি চলে গেছে না….?’

    ‘সমস্যাটি আসলেই খুব জটিল ছিল। আমি কোনো কিছু ভাবতে চাইতাম না, চিন্তা করতে পারতাম না, চলাফেরা করতে ইচ্ছা হতো না, কোনো কিছু অনুভব করতে ইচ্ছা করত না। সব কিছুই আমার কাছে কেমন ছাড়া-ছাড়া খণ্ড-খণ্ড আর অহেতুক মনে হত। আমি এখানে আসলাম যে আসলেই কোনো শারীরিক সমস্যা হয়েছে কিনা সেটা দেখতে।’

    তার কথা শুনে ডাক্তার হেসে বলল, ‘এটা কতই না ভালো হতো যদি আমরা খাওয়ার পরে কিংবা ঘুমানোর আগে দানার মতো একটা টেবলেট খেয়ে আমাদের সব সমস্যার সমাধান করতে পারতাম।’

    ডাক্তার আর ওমর একসাথে পরীক্ষানিরীক্ষার কক্ষে ঢুকল।

    ওমর জামাকাপড় খুলে পরীক্ষা করার ছোট্ট খাটিয়ার উপর শুয়ে পড়ল। ডাক্তার পরীক্ষা করার স্বাভাবিক কাজগুলো করছিল। ডাক্তার ওমরের প্রসারিত জিহ্বা দেখল। চোখের ভ্রূ হাত দিয়ে খুলে চোখের মণি পরীক্ষা করল, তার রক্তচাপ মাপ নিল, দক্ষ মার্জিত আঙ্গুল দিয়ে ডাক্তার ওমরের পিঠ, বুক, পেটে চাপ দিয়ে কিছু একটা পরীক্ষা করল। তারপর স্টেথিস্কোপ দিয়ে ওমরের শ্বাসপ্রশ্বাস পরীক্ষা করল। ওমর বেশ লম্বা করে শ্বাস নিয়ে ‘আহ!’ শব্দ করে শ্বাস ফেলল। এভাবে বেশ কয়েকবার শ্বাস নিল। সে ডাক্তারের চোখের দিকে খুব আড়চোখে তাকিয়ে ডাক্তারের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করল। কিন্তু সে কিছুই বুঝতে পারল না।

    পরীক্ষানিরীক্ষা শেষ হলে ডাক্তার তার অফিস রুমে ঢুকল। কিছুক্ষণ পর ওমর ডাক্তারের কক্ষে ঢুকল। ডাক্তার তখন বসে ওমরের প্রস্রাব পরীক্ষার রেজাল্ট কি হয়েছে সেটা দেখছিল। ওমরকে দেখে ডাক্তার তার হাত দুটো ঘষতে ঘষতে বেশ ছড়ানো একটা হাসি দিয়ে বলল, ‘আমার প্রিয় আইনজ্ঞ বন্ধু তোমার আসলে কিছুই হয়নি।

    ওমর তার নাকটা ফুলিয়ে শ্বাস নিয়ে প্রশস্ত চেহারায় বলল, ‘কিছুই হয়নি?’

    ‘কিছুই না।’ ডাক্তার নিশ্চয়তা দিল। কিন্তু আবার বেশ সতর্কতার সাথে বলল, ‘তবে আমি মনে করি সমস্যাটা আসলে আরো বেশি জটিল।’ তারপর সে গলা উঁচিয়ে হাসতে লাগল। ‘এটা যদিও এমন কোনো সমস্যা না যেটার কারণে তোমাকে দ্বিগুণ ফিস দিতে হবে।’

    ওমর বেশ আশাবাদী হয়ে ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে হাসল।

    ‘তো ঠিক আছে। যদিও এতে কোনো সমস্যা নেই কিন্তু…?’

    ওমর বেশ অস্থিরভাবে বলল, ‘তাহলে কি কোনো মনোচিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে যেতে হবে নাকি?’

    ‘না কোনো মনোচিকিৎসক কিংবা কারো কাছেই যাওয়ার প্রয়োজন নেই।’

    ‘সত্যি বলছ?’

    ‘হ্যাঁ। তবে তোমাকে বুর্জোয়া রোগে ধরেছে। ধনী মানুষের রোগ। আমাদের সংবাদ-পত্রগুলো এই নামটাই বেশি ব্যবহার করে। তুমি আসলে অসুস্থ নও।’ ডাক্তার আস্তে আস্তে বলতে লাগল। কিন্তু আমি তোমার মাঝে রোগের চেয়েও আরো বেশি কিছু প্রকট আকারে দেখেছি। এই ধরনের অবসন্নতা তুমি কতদিন ধরে অনুভব করছ?’

    ‘দুই মাস বা তার চেয়ে একটু বেশী হবে। তবে গত মাসটা নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণায় গেছে।’

    ‘ঠিক আছে তোমাকে আমি যেমন দেখলাম সে অনুযায়ী বলছি। তুমি একজন সুখী, সমৃদ্ধিশীল ধনী লোক। তুমি সত্যিকার অর্থেই ভুলে গেছ কিভাবে হাঁটতে হয়। তুমি সবচেয়ে ভালো খাবার খাও, দামি পানীয় পান করো, আর প্রচণ্ড কাজের চাপে নিজেকে ডুবিয়ে রাখো। তোমার মস্তিষ্ক সব সময় মানুষের সমস্যা সমাধানে ব্যস্ত থাকে। কারণ তুমি একজন আইনবিদ। তোমার কাজের ভবিষ্যৎ আর অর্থনীতির দুশ্চিন্তা দুটোই তোমাকে ব্যস্ত রাখছে।’

    ওমর হাল্কা মৃদু হেসে বলল, ‘হ্যাঁ  তুমি বাস্তব চিত্রটাই এঁকেছ। কিন্তু আমিতো এখন সব কিছু থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি।’

    ‘হ্যাঁ  সব ঠিক আছে। এখন কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু শত্রু তোমার আশেপাশে এখনো অপেক্ষা করছে।’

    ‘ইসরায়েলের মতো?’

    ‘তুমি যদি এখন থেকেই সতর্ক না হও তাহলে ভয়ংকর কোনো বিপদ ঘটে যেতে পারে।’

    তাহলে আমরা এখন ঠিক সময়টাতেই আছি কি বলো।’

    ‘পরিমিত খাও, নানা ধরনের পানীয় পান করা কমিয়ে দাও, বেশি বেশি হাঁটা- চলা করো। তাহলে বিপদ অনেক কেটে যাবে।’

    ওমর চুপ করে কথা শুনছিল, অপেক্ষা করছিল ডাক্তার আর কিছু বলে কি না। কিন্তু ডাক্তার কিছুই বলল না। তখন ওমর বলল, ‘তুমি কি আমার জন্য কোনো ঔষধপত্রর দিয়েছ?’

    ‘না। তুমি তো গেয়ো কোনো রোগী নও যে তোমাকে ঔষধ লিখে না দিলে তুমি আমার ডাক্তারিকে পাত্তাই দিবে না। এমন ঔষধ যেটা তোমার কোনো উপকারেও আসবে না, আবার ক্ষতিও করবে না। তুমি বরং আমার কথা শোনো। ঔষধ তোমার হাতেই আছে। তুমি নিজেই এর ঔষধ।’

    ‘আমি আবারো নিজেই নিজের পথ্য হতে যাচ্ছি?’

    ‘সেটাই ভালো।… …  দেখো আমার শত কাজ সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, হাসপাতাল, ক্লিনিক এই সব কিছু করেও আমি প্রতিদিন কমপক্ষে আধঘণ্টা হাঁটাচলা করি। আর আমার খাবারের দিকে সব সময় নজর রাখছি।’

    ‘আমিতো কখনো সামনের বছরগুলো নিয়ে ভাবিনি।’

    ‘বুড়ো কালটাই একটা রোগ। তুমি শত চেষ্টা করেও একে ঠেকাতে পারবে না। তুমি কি জানো ষাটের উর্ধ্বে অনেক যুবক আছে। তুমি আসল কথা হলো জীবনকে উপলব্ধি করা। জীবনটাকে বুঝতে চেষ্টা করা।

    ‘শুধুই জীবনকে বুঝতে চেষ্টা করা?’

    ‘আমি অবশ্যই কোনো দার্শনিকের মতো কথা বলছি না যেটা বুঝতে তোমার কষ্ট হবে।

    ‘কিন্তু তোমার চিকিৎসাটাতো একধরনের দার্শনিক চিকিৎসার মতোই হয়ে গেল। তোমাকে যদি কেউ জীবনের অর্থের কথা জিজ্ঞেস করে তাহলে তার উত্তর দেয়াটা তোমার জন্য কি কঠিন হবে না?’

    এই কথায় ডাক্তার বেশ শব্দ করেই হেসে উঠল।

    ‘আমার কি অত সময় আছে। প্রতি ঘণ্টায় যে সমস্ত সমস্যা নিয়ে লোকজন আমার কাছে আসে আমি তার সমাধান করতে করতেই শেষ। সেখানে এই প্রশ্নের কোনো প্রয়োজনই নেই।’ ডাক্তার তারপর বেশ আন্তরিকভাবে বন্ধুসুলভ পরামর্শ দিল। ‘তুমি একটু বিশ্রাম নাও।’

    ‘আমার বিশ্রাম আসলেই খুব দুরূহ। কেননা গ্রীষ্মের এই সপ্তাহগুলো খুব লম্বা কাজের ভেতর থাকবে।’

    ‘আমি সত্যিকার অর্থের কোনো বিশ্রামের কথা বলছিলাম। তোমার জীবনাভ্যাস পাল্টে ফেল। নতুন কিছু চর্চা করো। দেখবে তখন নতুন কিছু পেয়ে গেছ।

    ‘আসলেই কি এমন হবে।’

    ‘আল্লাহর উপর ভরসা রাখ। হতে পারে এটা তোমার জন্য অদৃশ্য থেকে কোনো নির্দেশনা। তোমার এই মুহূর্তে আরো চল্লিশ পাউন্ড ওজন কমানো দরকার। তবে তাড়াহুড়া করে নয়। আস্তে আস্তে।’

    ওমর হাঁটুতে ভর দিয়ে উঠে চলে যাওয়ার জন্য দাঁড়াতে চাইল। কিন্তু ডাক্তার তাকে তাড়াতাড়ি বাধা দিল।

    ‘দাঁড়াও। তুমি ছিলে আজকের সর্বশেষ রোগী। এখন আর কোনো কাজ নেই। চলো কিছুক্ষণের জন্য আড্ডা দেই।’

    ওমর হাসতে হাসতে আবার বসে পড়ল।

    ‘ডা: সাবরি তুমি কি চাচ্ছ আমি বুঝতে পারছি। তুমি চাচ্ছ ভাঁজ পড়ে যাওয়া পচিশ বছর আগের দিনগুলোকে আবার সাজাতে আর হৃদয় খুলে হাসতে।’

    ‘আহ! কি দিনগুলোই না ছিল তখন।’

    ‘ডাক্তার আসলে ‘এখন’ এই সময়টা ছাড়া অতীত হয়ে যাওয়া সবগুলো সময়েরই একটা বাড়তি আবেদন সব সময় থাকে। সেই সময়গুলোই আসলেই অনেক সুন্দর।’

    ‘তুমি ঠিকই বলেছ। স্মৃতি এক জিনিস আর অভিজ্ঞতা অন্য জিনিস।’

    ‘সুতরাং এই সব কিছুই অতীত হয়ে গেছে। আর অর্থহীনভাবে বিক্ষিপ্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।’

    ‘আমরা জীবনকে ভালবাসব। এটাই হলো আসল অর্থ।’

    ‘গত দিনগুলোতে জীবন আমার কাছে বড় বেশি অসহনীয় আর বিরক্তিকর মনে হয়েছে।’

    ‘আর এখন তুমি তোমার হারিয়ে যাওয়া ভালবাসাকে খুঁজে বেড়াচ্ছ। আচ্ছা বন্ধু তোমার কি ছাত্রজীবনের রাজনীতি, মিছিল সমাবেশ আর স্বপ্নরাষ্ট্র নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার দিনগুলোর কথা কি মনে পড়ে?’

    ‘অবশ্যই। কিন্তু সেই দিনগুলোতো অতীত হয়ে গেছে। আর এখন সেগুলো শুধু শোনাই যাবে।’

    ‘হ্যাঁ  সেই সময় কত বড় স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলাম। আমি বলতে চাচ্ছি একটা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা।’

    ‘হ্যা.. .. ..।’

    ডাক্তার হাসল।

    ‘ওমর তুমি আসলে অনেকগুলো চেহারার একজন মানুষ। একজন খাঁটি সমাজতান্ত্রিক, জাদরেল উকিল, তবে তোমার যে চেহারাটা আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে তা হলো ওমর একজন কবি।’

    এই কথা শুনে ওমর একটু হেসে নিজেকে যেন গোপন করতে চাইল। ‘ঐটা দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঘটেছিল।’

    ‘তুমি কি কবিতা ছেড়ে দিয়েছ?’

    ‘অবশ্যই।’

    ‘কিন্তু আমার যত দূর মনে পড়ছে তুমি একটা কবিতার বই বের করেছিলে।’

    ওমর তার চোখ দুটো নামিয়ে ফেলল। ফলে ডাক্তার তার মানসিক চাপ আর যন্ত্রণার কথা ধরতে পারল না।

    ‘ঐটা ছিল এক ধরনের ছেলেখেলা।’ ওমর বলল।

    ‘আমার কিছু ডাক্তার বন্ধু কবিতা রোগ থেকে দূরে থাকার জন্য ঔষধ দিয়ে থাকে।’

    বাজে পঁচা এক আবহাওয়ার মতো স্মৃতির এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করাটা ওমরকে বিরক্ত করছিল। সে মনে প্রাণে চাইছিল ডাক্তার যেন প্রসঙ্গটা পাল্টায়।

    ‘আমাদের এক বন্ধুর কথা মনে পড়ছে। তার নাম ছিল মোস্তফা মিনাবি। কিন্তু তোমার কি মনে আছে আমরা তাকে কি নামে ডাকতাম?’

    ‘ছোট টাক্কু। আমরা আসলেই খুব ভালো বন্ধু ছিলাম। সে এখন খুব নামকরা একজন সাংবাদিক। রেডিও টেলিভিশনের জন্য দুই হাতে লিখে যাচ্ছে।’

    ‘আমার স্ত্রী তার ভীষণ ভক্ত। সেও তোমার মতো সমাজতান্ত্রিক ছিল। কিন্তু আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিশ্রুতবদ্ধ কর্মী ছিল নিঃসন্দেহে ওসমান খলিল।’

    ওমরের চেহারাটা যেন বেদনাদায়ক স্মৃতির মেঘে মুহূর্তেই ঢেকে গেল। সে বিড়-বিড় করে বলল, ‘ওসমান এখন কারাগারে।’

    ‘হ্যাঁ  সে দীর্ঘ দিন কারাগারে ছিল। সে কি তোমার ল বিভাগের সহপাঠী ছিল না?’

    ‘আমরা এক সাথেই গ্রাজুয়েশন করেছিলাম। মোস্তফা, ওসমান আর আমি। অতীতকে আমার ভালো লাগে না।

    ডাক্তার তার কথার সমাপ্তিতে বলল, ‘সুতরাং আজ থেকে ভবিষ্যৎকে ভালবাসতে থাকো। এখন থেকে তুমিই তোমার চিকিৎসক।’

    বিশ্রাম ঘরে ওমর আবার ছবিটার দিকে চোখ তুলে তাকাল। কিশোরটা ঘোড়ার পিঠে বসে আছে। আর সে এক পলকে দিগন্তের দিকে তাকিয়ে আছে। এই বিস্তৃত দিগন্তই কি কিশোরটির দুর্বোধ্য রহস্যময় হাসির কারণ। দিগন্তটা অনেক দূরে পৃথিবীর সাথে মিশে গেছে। কেন লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তারকারশ্মিগুলো আকাশময় ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেক প্রশ্নই আছে কোনো ডাক্তারই তার উত্তর দিতে পারবে না।

    বিশাল অট্টালিকার বাইরে সোলায়মান বাদশা মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা তার কালো কেডিলাক গাড়িটিতে চড়ে বসল। আর গাড়িটা নীল নদের জাহাজ যেভাবে ভেসে চলে সেভাবে তাকে নিয়ে বের হয়ে গেল।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article দ্য লিটল প্রিন্স – আন্তোইন দি সেইন্ট জুঁপেরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Our Picks

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }