Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অন্ধকারের গল্প – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    তৌফির হাসান উর রাকিব এক পাতা গল্প294 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রোমশ – নাসির খান

    রোমশ

    ‘বাবু, আজ বাসায় কেউ নেই। আত্মহত্যা করবার জন্য আজকের থেকে ভাল কোন দিন পাব বলে মনে হয় না। কি বলিস? বাবু, তুই তো জানিস গলায় দড়ি দিতে আমি খুব ভয় পাই। তা ছাড়া এটা লজ্জারও। দেখা গেল কোন না কোনভাবে তোরা আমাকে বাঁচিয়ে তুলেছিস, তখন আমার গলায় গোলাকার একটা ঘায়ের মালা হয়ে থাকবে, যে ঘায়ের মালায় মৌমাছির বদলে মাছি ঘোরাঘুরি করবে। তা ছাড়া আমি চাই না কেউ দেখুক আমি মা কালীর মত জিভ বের করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছি। তাই তোর খাটের নিচে রাখা ইঁদুর মারা বিষ খেলাম আর হ্যাঁ, আমার লাশ তোর ঘরে খাটের নিচেই পাবি। আমার উপর রাগ রাখিস না। ইতি-তোর বড় ফুপু।’

    ঘরে ঢোকার আগেই জমেলা খালা চিঠিটা আমার হাতে গুঁজে দিয়ে বলল, ‘আফায় দিছে। কইল তুই ঘরে ঢুকার আগেই যেন তোর হাতে দেই। কাহিনী কী, মামা? ‘

    কাহিনী জমেলা খালাকে বলা প্রয়োজন মনে করলাম না। কারণ চিঠি পড়ে উদ্বিগ্ন হবার মত কিছু নেই। আমার বড় ফুপুর মাথায় সমস্যা। সমস্যা বলতে বিরাট সমস্যা। পাবনায় গিয়ে পাগলাগারদে ভর্তি করানোর মত সমস্যা। এমন ঘটনা এর আগে আরও দু’বার হয়েছে। আরও দু’বার বড় ফুপু সুইসাইড নোট লিখে রেখে দিয়েছিল বাবার জামার পকেটে। তার মধ্যে একবার ফুপু ছাদের চিলেকোঠায় লুকিয়ে ছিল। আরেকবার বাড়ির পিছন দিকের জঙ্গলের শেষের দিকটার ডোবায় একহাঁটু কাদা মাখামাখি হয়ে হাতিয়ে মাছ ধরছিল। সেদিন ভর দুপুর বেলায় খুঁজতে- খুঁজতে ডোবার পাশে গিয়ে দেখি শুধুমাত্র পেটিকোট আর ব্লাউজ পরে কাদার মধ্যে বড় ফুপু দাঁড়িয়ে আছে। হাতে ইয়াবড় একটি কালো কুচকুচে মাছ। আমি আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ফুপুকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘বড় ফুপু! আপনি মারা যাননি?’

    আমার প্রশ্নে খুব বিরক্ত হয়ে বড় ফুপু আমার দিকে বড় বড় চোখ করে চেয়ে বলল, ‘না, মরিনি। তোর কোন সমস্যা? মাছ খাবি? ওইখানে দেখ কাপড় ভরা মাছ।’

    আমি অবাক হয়ে দেখলাম ডোবার পাশে রাখা বড় ফুপুর কাপড় ভর্তি মাছ। এত মাছ বড় ফুপু হাত দিয়ে ধরেছে আমি বিশ্বাস করতে পারলাম না। আমি ফুপুকে জিজ্ঞেস করতে যাব, তার আগেই ডোবা থেকে উঠে এসে, আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই, দুনিয়া কাঁপানো একটি চড় দিয়ে আমাকে অজ্ঞান করে দিল ফুপু।

    তাই এমন ঘটনা ঘটানো বড় ফুপুর সুইসাইড নোটে আমাদের তেমন কোন বিকার নেই। হয়তো কোথাও লুকিয়ে

    আছে বড় ফুপু। আমরা যখন খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে যাব, তখন কোন এক জায়গা থেকে বেরিয়ে ফুপু বলবে, ‘দেখলি তো, বাবু, আমি কী সুন্দর অভিনয় করতে পারি!’

    মা-বাবা, দাদী, কণা আপা কেউ বাসায় নেই সকাল থেকে। ভবানীপুরে কোথায় নাকি নতুন মাজার শরীফের সন্ধান মিলেছে। তাই পুরো পরিবার গিয়েছে সওয়াব আদায় করতে। বাবা, মা আর দাদীর বুদ্ধি সম্পর্কে আমার জানা আছে। কিন্তু কণা আপা কী মনে করে মাজারে গেল কে জানে।

    বাড়ির সবার রুম বাইরে থেকে তালা দেয়া। কেবল আমার আর বড় ফুপুর রুম বাদে। বড় ফুপুর রুমে ঢুকে দেখি কেউ নেই। ফাঁকা রুম। ভর দুপুরে ফুপু কখনও নিজের রুম ছাড়া বাইরে থাকে না। জমেলা খালাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘খালা, ফুপু তো রুমে নাই। কোথায়, জানেন?’

    উত্তর নেতিবাচক।

    জমেলা খালা সকাল থেকেই নাকি কাপড় ধোয়া আর খড়ি কাটায় ব্যস্ত। বড় ফুপুর খোঁজ রাখার সময় তার নেই। অথচ এখন যদি টিভি ছেড়ে দিই, তার কোন কাজ থাকবে না। সোজা মেঝেতে গেড়ে বসে চলচ্চিত্র সম্পর্কে একান্ত ব্যক্তিগত মতামত দিতে শুরু করবে। ‘এই নায়িকার গায়ে গোশ্ত নাই। এমন চিংড়ি মাছ নায়িকা হয় ক্যামনে?’

    শুধু এই না। নায়িকার দুঃখের সিকোয়েন্সে এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি যে চোখের জল ঝরায় সে আমাদের জমেলা খালা।

    আমার রুমে এসে কী মনে হতে একবার খাটের নিচে উঁকি দিয়ে চমকে গেলাম। বড় ফুপু শুয়ে আছে। শুধু পেটিকোট আর ব্লাউজ পরা। মুখ দিয়ে ঘন সাদা ফেনা গড়াচ্ছে। দু’একটি মাছিও ওড়াউড়ি করছে। আমার বুক কেঁপে উঠল। বড় ফুপু সত্যি বিষ খেয়েছে। পাশেই ইঁদুর মারা বিষের প্যাকেট। ঘটনার অবিশ্বাস্যতা আর আকস্মিকতা এমন পর্যায়ে যে আমি কী করব বুঝে উঠতে পারলাম না। বাইরে থেকে খাটের নিচে হাত বাড়িয়ে দু’তিনবার ফুপুকে নাড়াচাড়া দিয়ে ডাকলাম। নিশ্চিত হলাম ফুপু সত্যি মারা গেছে।

    আমি ছেলেটা একটু আলাদা। যে কোন কিছুতে নির্বিকার থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা আমার কাছে কোন ব্যাপার না। শুধু মনে-মনে কয়েকবার বলি, ‘যা হবার সেটা হয়েই গেছে। এখন আর কিছু করার নেই। মাথা কুটে কোন লাভ নেই।’ এই লাভের হিসাব গুনতে গুনতে কলপাড়ে এসে জমেলা খালাকে বললাম, ‘জমেলা খালা, বড় ফুপু মারা গেছে। আমার খাটের নিচে লাশ পড়ে আছে।’

    জমেলা খালা কাঁদো-কাঁদো মুখ করে আমার দিকে তাকাল। নিমেষেই খালার মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেল। এবং আমার সাহস জোরাল করতেই বোধহয় ঠিক তখনই বাড়ির সবাই চলে এল। আমাকে কিছু বলতে হলো না। মাকে দেখেই জমেলা খালা এক চিৎকার দিয়ে সব খুলে বলল। সম্ভবত বড় ফুপু মারা গেছে কেউ বিশ্বাস করল না। বাবা এক দৌড়ে আমার রুমে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল। ছেলেমানুষের মত বাবা কাঁদছে দেখে কণা আপা আর মা-ও কাঁদতে শুরু করল। সম্ভবত এখন থেকে শুরু হলো মৃত বাড়ির মত পরিবেশ।

    পাশের বাসার আনোয়ার চাচা এসে অকারণে দৌড়াদৌড়ি করতে শুরু করলেন। অমুক করো, তমুক করো, পুলিসে খবর দাও আরও কত কী। বাবা, আমি আর আনোয়ার চাচা মিলে ফুপুর লাশ বের করার জন্য চেষ্টা করছি, তখন খাটের নিচ থেকে গড়াগড়ি দিয়ে বাইরে এসে ফুপু বলল, ‘বাবু, বিষটা মনে হয় দুই নম্বর ছিল। কতক্ষণ ধরে মরার জন্য শুয়ে আছি! ওয়াক থুহ্।’

    আমার বড় ফুপুর পাগলামির ধরন ঠিক এমনই। কিছুদিন পুরো সুস্থ মানুষ। হঠাৎ-হঠাৎ আবার পাগলামি। দাদী কতরকম কবিরাজের কাছ থেকে কতরকম তাবিজ এনে ফুপুর গলায় পরিয়ে দিল, কিছুতেই বড় ফুপু সুস্থ হয় না। তাবিজের সংখ্যা যখন বারো-তেরোটা, তখন একদিন সবগুলো তাবিজ গলা থেকে খুলে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে চ্যাপ্টা করে কোথায় যেন ফেলে দিল বড় ফুপু।

    বিষ খাওয়ার পর থেকে বড় ফুপুর সমস্যা দিন-দিন বাড়তে লাগল। প্রায় রাতেই বড় ফুপু সবাইকে চেঁচিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে দেয়। গত শুক্রবারের কথা। রাত প্রায় দেড়টার দিকে পাড়া কাঁপানো শব্দে ফুপু চেঁচাতে লাগল। আমি বিছানায় শুয়ে কান পেতে শুনলাম ফুপু ব্যাকুল হয়ে কাঁদছে আর বলছে, ‘ও, মা, আমারে বাঁচাও। এই শুয়োরের বাচ্চারে এইখান থেকে যাইতে কও। ও, মা, ও, মা, ও, বাবু, আমারে বাঁচা।’

    আমি গিয়ে দেখলাম ফুপুর রুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। বাবা দরজা ধাক্কাতে ধাক্কাতে ঘেমে গেছে। দাদী বারান্দার মেঝেতে বসে কাঁদছে আর মা কণা আপার পাশে ভয়ার্ত চোখে দাঁড়িয়ে আছে। বাবার শত অনুরোধেও ফুপু দরজা খুলল না। আমি এগিয়ে গিয়ে আস্তে করে বললাম, ‘বড় ফুপু, আমি বাবু। প্লিজ, দরজা খোলেন।

    বড় ফুপু রাজি হলো। কিন্তু শর্ত হচ্ছে আমি আর কণা আপা ছাড়া রুমে কেউ ঢুকতে পারবে না। আর এখন থেকে আমি আর কণা আপা ছাড়া এই বাড়ির আর কারও সঙ্গে ফুপু দেখা করবে না। সবাইকে রুমে পাঠিয়ে দিয়ে আমি আর আপা ফুপুর ঘরে ঢুকলাম। সব কিছু লণ্ডভণ্ড। বিছানার চাদরের নিচে তাকিয়ে আঁতকে উঠলাম। সারা চাদর ভরা রক্ত। অথচ ফুপুর শরীরের কোথাও আঘাত লেগে কেটে- ছড়ে যায়নি। কণা আপা ফুপুকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘আপনার রুমে কে এসেছিল, বড় ফুপু?’

    বড় ফুপু আবার কাঁদতে শুরু করল। বলল, ‘বিরাট একটা জানোয়ার। সারা গায়ে বড়-বড় ঘন কালো লোম। আমারে শেষ করে দিল। ওই শুয়োরটা আমারে বাঁচতে দিবে না।

    আমি আর কণা আপা সে রাতে ফুপুর সঙ্গে ঘুমালাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ফুপু উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। আর ফুপুর পিঠ ঘন কালো বড়-বড় লোমে ছেয়ে গেছে। আমার অবাক হওয়ার সীমা থাকল না। হায়, খোদা, এসব কী দেখছি আমরা!

    বড় ফুপুর শত নিষেধ সত্ত্বেও ব্যাপারটা বাড়ির সবাইকে জানিয়ে দিলাম। কিন্তু বাবার কথামত বাড়ির কয়েকজন ছাড়া যেন বাইরের কেউ এসব জানতে না পারে এ ব্যাপারে সবাই সচেষ্ট থাকলাম। কারণ এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা জানাজানি হলে প্রতিদিন বাড়িতে লোক আসতে থাকবে। মিডিয়ার লোক এসে বাড়িটাকে চিড়িয়াখানা বানিয়ে দেবে এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই।

    দিন পার হয় আর বড় ফুপুর ঘরে আত্মগোপনের মাত্রা ততই বাড়তে থাকে। এতদিন আমি ফুপুর ঘরে যেতে পারতাম। কিন্তু ইদানীং ফুপু আমাকে তার ঘরে ঢুকতে দিচ্ছে না। জানালা দিয়ে খাবার রেখে আসা হয়। বড় ফুপু কোন উচ্চবাচ্য করে না। লক্ষ্মীর মত খাবার খায়। তারপর চুপ করে ঘুমিয়ে যায়। আর দাদীর জোগাড় করা বিভিন্ন সাইজের তাবিজ গলায় ঝুলিয়ে রাখে।

    বাবার বোনদের মধ্যে বড় বলে আমরা এই ফুপুকে বড় ফুপু বলে ডাকি। বড় ফুপুর বয়স চল্লিশের একটু বেশি হবে। সবার মুখেই শুনেছি, ফুপুর এমন অবস্থা আগে ছিল না। ফুপুর বয়স যখন আঠারো-উনিশ, তখন ফুপুর বিয়ে দেয়া হয়। দাদী আর বড় ফুপুর কাছে যেমনটা শুনেছি, তাতে গল্পটা ছোট্ট করে এভাবে বলা যায়-

    ভারতে বসবাসরত সুলতান নামে এক ফরেস্ট অফিসারের সঙ্গে ফুপুর বিয়ে হয়। সুলতান নামের লোকটি আমার এই অপরূপা ফুপুকে নিয়ে যান ভারতে। সেখানে ফুপুর অনিচ্ছাসত্ত্বেও বসবাস করতে নিয়ে যান মাত্র দুটি ফ্যামিলি থাকে বনবিভাগের এমন এক কোয়ার্টারে।। চারপাশে জঙ্গল আর মাঝখানে মাত্র সাতজনের বসতি। ফুপু নাকি জঙ্গলের মাঝখানে থাকতে একদম পছন্দ করত না। সারাদিন-সারারাত ঘরের মধ্যে থাকা ফুপু একদিন সন্ধ্যায় একাই ঘুরতে বেরোয় জঙ্গলে। ঠিক কী কারণে ফুপুর যেন সাহস, অনেক বেড়ে যায় সেদিন। চারপাশে সারি-সারি গাছের ঘন বন আর বুনোফুলের গন্ধভরা সরু একটি রাস্তা দিয়ে হাঁটতে-হাঁটতে বড় ফুপু গহীন বনে চলে যায়। আকাশে তখন হালকা চাঁদের আলো।

    অন্যান্য দিন ফুপা সন্ধ্যার পরপর অফিস থেকে বাসায় ফিরে ফুপুকে রুমে পান। কিন্তু সেদিন ফুপুকে তিনি না পেয়ে দক্ষিণের রুমে থাকা আরেক কর্মকর্তার রুমে গিয়ে খোঁজ নিয়েও কিছু জানতে পারেন না। বড় ফুপা সত্যি-সত্যি অবাক হন, সঙ্গে কিছুটা আতঙ্কিতও। যে জঙ্গলের ভয়ে সারাদিন রুমে থাকে, সে এতরাত অবধি কোথায় থাকবে? রাত বাড়তে থাকে, তবু ফুপু ফিরে আসে না। দাদীর মুখে শুনেছি, ফুপু ফিরে আসছে না এই দুশ্চিন্তায় আর ভয়ে ফুপা নাকি সেদিন কেঁদে ফেলেছিলেন।

    রাত এগারোটার দিকে লোকজন খবর দিয়ে এনে ফুপুকে খোঁজা শুরু হয়। সারা জঙ্গল জুড়ে জ্বলতে থাকে মশালের আলো। একটানা ঝিঁঝি পোকার ডাক আর একেকজনের হাতে বনবিভাগের সংরক্ষিত মশালের জ্বলন্ত আগুন। এক অন্যরকম পরিবেশ।

    রাত প্রায় সাড়ে বারোটার দিকে জঙ্গলের পশ্চিম দিকের ডোবার পাশে বড় ফুপুকে পাওয়া যায় অচেতন অবস্থায়। অক্ষত শরীরের অর্ধেক ডোবার পানিতে আর অর্ধেক ডাঙায়। পরনে শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট। আশপাশে কোথাও খুঁজে ফুপুর শাড়ি পাওয়া গেল না।

    সেদিনের পর থেকে আমার বড় ফুপুর মাথায় সমস্যা দেখা দেয়। প্রায় রাতেই নাকি ফুপু দেখত তার শরীরের উপর বিশাল এক জানোয়ার বসে আছে। জানোয়ারটির সারা শরীর লোমে ঢাকা। কত রাত ভয়ে দরজা খুলে ফুপু জ্ঞানশূন্য হয়ে কোথায় চলে গেছে! আবার সবাই মিলে জঙ্গল থেকে ফুপুকে খুঁজে এনেছে। সমস্যা চলতে থাকল বড় ফুপুর। কিন্তু এর দায় মেটাতে হলো ফুপাকে। একদিন রাতে জঙ্গলে ফুপুকে খুঁজতে গিয়ে ফুপাও ফিরে এলেন না। বনবিভাগের কিছু কর্মকর্তা ভোরের দিকে ফুপুকে পেলেন সেই ডোবার ধারে। আর ফুপাকে পেলেন ডোবা থেকে একটু দূরে মৃত অবস্থায়। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা এর আগে কোনদিন সেখানে ঘটেনি। ফুপার সারা গায়ে ছিল নখের আঁচড় আর কামড়ানোর দাগ। বনবিভাগের কর্মকর্তারা এখানে এ যাবৎকালে এমন কোন প্রাণী দেখেননি যেটা এভাবে কোন ঘটনা ঘটাতে পারে। আবার এ ঘটনাকে পুরোপুরি ভৌতিকও বলা যায় না। প্রথমত অনেকের ভূতে বিশ্বাস নেই। তার ওপর কোন ভূত এমন ঘটনা ঘটায়, এমন কিছু কেউ দেখেনি। বড় ফুপুর বিবাহিত জীবনে ভারতের জঙ্গলে বসবাসের গল্প এখানেই শেষ। এমনটিই শুনেছি।

    তারপর থেকে বড় ফুপু চলে আসে আমাদের বাড়িতে। শত চেষ্টা করেও বড় ফুপুকে আবার বিয়ে করতে রাজি করাতে পারেনি কেউ। কিছুদিন পরপর রাতের সেই সমস্যা আর আত্মহত্যা করার সমস্যা ছাড়া তেমন কিছু উল্লেখ করার মত ঘটেনি। মাঝে-মাঝে যদিও উন্মাদের মত আচরণ করে ফুপু, সেটা খুব কম।

    তিন মাস হয়ে গেল আমরা কেউ বড় ফুপুকে এক নজর দেখিনি। রুমের সব ছোটখাট ফাঁকফোকর ফুপু বন্ধ করে দিয়েছে। সবাই কর্তবার গিয়ে বড় ফুপুকে অনুরোধ করে। ফুপু শুধু খসখসে গলায় বলে, ‘তোমরা যাও। আমি আর এখন তোমাদের কেউ না।’

    জমেলা খালা একদিন জানালায় ভাত রেখে আসতে গিয়ে খুব বড় রকম ভয় পেয়ে গেল। ঘটনা কী জানতে চাইলে জমেলা খালা হেঁচকি টানতে-টানতে বলে, সে নাকি জানালার ফাঁক দিয়ে একটুখানি উঁকি দিয়ে দেখেছে ঘরের মধ্যে তিনটে জানোয়ার। একটা ছোট আর দুটো বড়। আজীবন জমেলা খালার বাড়িয়ে বলার অভ্যাস। আমি ধমক দিয়ে বললাম, ‘জানোয়ার-জানোয়ার করছেন কেন? জানোয়ার মানে কী?’

    জমেলা খালা তারপরও কাঁদতে-কাঁদতে বলে, ‘কুত্তার মত দেখতে। তিনটা কুত্তা। ও, আল্লা, এইডা তুমার কীয়ের গজব!’

    এতদিনে ফুপুর সমস্যা অনেক আত্মীয়-স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী জেনে গেছে। প্রায় দিনই কেউ না কেউ বাড়িতে আসছেই। কোন লাভ নেই। কারও সঙ্গেই ফুপু দেখা করে না। একদিন আমি টানা এক ঘণ্টা ফুপুর জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকলাম, যদি ফুপু আমার সঙ্গে একটু দেখা করে। কোন লাভ হলো না। শুধু জানালার ওপাশ থেকে ফুপু ফিসফিস করে ঠিক আগের মত বলল, ‘বাবু, আমি আর বেশিদিন বাঁচব না রে। জোড় হাত করে বলি আমার উপর রাগ রাখিস না।’

    আমিও ফুপুর মত ফিসফিস করে বললাম, ‘প্লিজ, ফুপু, আমার খুব কষ্ট লাগছে। দরজা খোলেন। খুব ইচ্ছা হচ্ছে আপনাকে একবার দেখি।’

    ‘আমাকে দেখলে তুই খুব ভয় পাবি, বাবু। আমি আর আগের মত নাই।’

    আমার এত খারাপ লাগল! আমি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকলাম। কণা আপা এগিয়ে এসে খুব অবাক হয়ে বলল, ‘কাঁদিস না, বাবু। কাল দাদী বড় হুজুরের দেয়া তাবিজ ফুপুকে পরাবে। বড় হুজুর বলেছে তাবিজ নেয়ার সাত ঘণ্টার মধ্যে ফুপু ভাল হওয়া শুরু করবে। দেখিস বড় ফুপু ভাল হয়ে যাবে। চিন্তা করিস না, ভাই।’

    শুক্রবার সকাল বেলা ফুপুকে আমি নিজ হাতে জানালায় তাবিজটা দিয়ে এলাম। ফুপু কথা দিল তাবিজটা ডান কোমরে ঝুলিয়ে পরে নেবে। আমি বিকেল থেকেই বুক ভরা আশা নিয়ে ফুপুর দরজার সামনে ঘুরঘুর করতে লাগলাম।

    রাত দশটা মত হবে। এখনও ফুপুর দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। আমি দরজা ধাক্কাতে যাব, ঠিক তখনই জমেলা খালার আর্তচিৎকার। তার ভয়ার্ত চিৎকারে বাড়ির সবাই গিয়ে দেখি কলপাড়ের পাশে ঝোপমত জায়গায় জমেলা খালা রক্তশূন্য মুখে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। বাবা আশপাশে টর্চ মারতেই আমার শরীর হিম হয়ে গেল। দেখলাম মানুষের মত মুখ, আর গরিলার মত শরীর নিয়ে তিনটা প্রাণী নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছে। একটি বড়, একটি মাঝারি, একটি ছোট। যেন একটি মৃত পরিবার। সারা গায়ে লোম। ঘন কালো বড়-বড় লোম। আমি বাবার হাত থেকে টর্চ লাইট নিয়ে আলো ফেলে দেখলাম পশুগুলোকে। মাঝারি আকারের পশুটার মুখে আলো ফেলে চমকে গেলাম। দেখলাম ওটা আমার বড় ফুপু।

    নাসির খান

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্যাবু – তৌফির হাসান উর রাকিব
    Next Article হাতকাটা তান্ত্রিক – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    Related Articles

    তৌফির হাসান উর রাকিব

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    তৌফির হাসান উর রাকিব

    হাতকাটা তান্ত্রিক – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    August 25, 2025
    তৌফির হাসান উর রাকিব

    ট্যাবু – তৌফির হাসান উর রাকিব

    August 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }