Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অন্ধকারের গল্প – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    তৌফির হাসান উর রাকিব এক পাতা গল্প294 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পোর্ট্রেট – ধ্রুব নীল

    পোর্ট্রেট

    এক

    রাত সাড়ে দশটা।

    বছর দশেক হবে মেয়েটার বয়স। মায়াবি চোখ। কোঁকড়া চুল। চোখে ঘুম ঘুম ভাব। ঘুণে ধরা টেবিলের সামনে নড়বড়ে এক চেয়ারে বসে অপেক্ষা করছে কারও জন্য। ছোট্ট ঘরটায় অল্প পাওয়ারের বাতির মিটমিট আলো তার ঘুমটা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে যেন। যে করেই হোক জেগে থাকতে হবে।

    অপেক্ষার পালা শেষ হলো আধঘণ্টা পর। দরজা খোলার শব্দ শুনেই বুঝল, চুপিসারে ঢুকেছে কেউ একজন। মেয়েটা সচকিত। ড্রয়ার খুলে পেনসিল আর খাতা নিয়ে টেবিলে রাখল ঝটপট। পেনসিলের ডগাটা পরখ করে নিল। একদম তৈরি ওটা। শার্পনার আর ইরেজারও হাতের নাগালে। মেয়েটার পেছনে এসে দাঁড়াল লুঙ্গি আর পুরনো সোয়েটার পরা মধ্যবয়সী লোকটা। যে কিনা একটু আগেই ঘরে ঢুকেছে। কোনও কথা না বলে হাতের মোবাইল ফোনটা রাখল মেয়েটার সামনে। স্ক্রিনে এক যুবকের ছবি। ঘাড় বাঁকিয়ে ছবির দিকে তাকাল মেয়েটা। তাকিয়েই রইল। চোখ আর ফেরাল না। খাতার ওপর চলতে শুরু করল পেনসিল। কখনও খসখস শব্দ, কখনও আলতো করে ঘষছে পেনসিল আর ইরেজার। আলো-ছায়ায় ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে অবয়ব। মিনিট দশেকের মধ্যেই শেষ হলো আঁকা। দুটো ছবি মিলিয়ে দেখল পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা লোকটা। মুখের হাসিই বলে দিল, একদম নিখুঁত হয়েছে পোর্ট্রেটটা। মেয়েটার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, ‘এইবার হারামি বুঝব কব্বরের আযাব কারে কয়।’

    মেয়েটা হাসল না। তার চোখে ঘুম।

    ‘আমি ঘুমাই, চাচাজি?’

    ‘ঘুমা রে, মা, ঘুমা। কাইল তোরে এক প্যাকেট চকলেট কিনা দিমু। এখন আরাম কইরা ঘুম দে।’

    দুই

    ‘তুই রহস্য গল্প লিখিস বলে ঘটনা তোরে কইলাম। খুব বেশি লোকে কিন্তু জানে না। জানলে বিশাল ঘটনা বেধে যাবে।’

    ‘গুড। ভাল করেছিস আমাকে বলে। এখন এটা নিয়ে একটা গল্প লিখি আর বলে বেড়াই, সত্য ঘটনা অবলম্বনে। তখন গোটা দেশ জেনে যাবে। হা-হা-হা।’

    রহস্য গল্প লেখক তুষার ইশতিয়াক এসেছে তার বন্ধু মিলনের গ্রামের বাড়ি নিশিন্দাপুরে। মাথায় ঘুরছিল একটা থ্রিলারের প্লট। কিন্তু মিলন নাছোড়বান্দা। সে তার গল্পটা নিয়েই আছে। নিশিন্দাপুরে তিনকোনার মাথা বলে একটা জায়গা আছে। সেখানে আসমা নামের বছর দশেকের এক মেয়ের কী এক গোপন রহস্য জেনে ফেলেছে ও। এসেই বলে বসল অদ্ভুত কথাটা: ‘মেয়েটার ভয়ানক ক্ষমতা আছে। ছবি এঁকে মানুষ মেরে ফেলতে পারে।’

    ‘শুধু মানুষ? গরু-ছাগল এসব মারতে পারে না?’

    ‘তোদের মত অতি শিক্ষিতদের নিয়ে এই এক সমস্যা। আমিও দু’চার কলম বিজ্ঞান পড়েছি। স্কুলে বাংলা পড়াই বলে যে ফিজিক্স কিস্তু বুঝব না এমন ভাবার কারণ নাই। তুই দেখতে যাবি কি না বল! আর হ্যাঁ, যার ছবি আঁকে, সে-ই মারা যায়। এটা ওপেন সিক্রেট। সবাই জানে, কেউ ভয়ে কিছু বলে না। যদি আবার তার ছবি এঁকে ফেলে?’

    ‘কী দেখব? মেয়েটা ছবি আঁকছে আর মানুষ মরে যাচ্ছে?’

    ‘দেখ, ঘটনা কিছু আছে এর মধ্যে। মেয়েটা স্কুলে যায় না। কেউ তার সঙ্গে মেশেও না। ওর হাতে কাগজ-কলম দেখলে লোকে এক শ’ হাত দূর দিয়ে হাঁটে।’

    ‘কী ভয়ানক!’

    ‘অবশ্যই ভয়ানক!’

    ‘আমি মেয়েটার কথা বলছি না! সবাই ওর প্রতি যে আচরণ করছে, সেটা ভয়ানক।’

    ‘তোর মাথা! আগে দেইখা আয় নিজের চোখে।’

    মিলনের চেহারা দেখে আর কথা বাড়াল না তুষার। মনের খচ-খচানিও আছে বৈকি। ভুতুড়ে রহস্য ছাড়া গ্রামে ঘোরাঘুরিটা ঠিক জমে না।

    দুপুরে খেয়ে বের হলো দুই বন্ধু। মাইলখানেকের হাঁটাপথ। পথে যেতে কানে এল কান্নার রোল। আশপাশে মারা গেছে কেউ।

    ‘মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্ট। লোকাল এক নেতার ছেলে,’ বলল মিলন। ‘চৌধুরী সাবের পোলা। নাম বকুল। বদের হাড্ডি ছিল। যদিও মারা গেছে, তারপরও না বইলা উপায় নাই। ওর যন্ত্রণায় গ্রামের কয়েকটা মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আরও অনেক কেস। চল, একটু দেখে আসি।’

    ‘নাহ, আমার ইচ্ছা নাই।’

    ‘আরে, ভয়ের কারণ নাই। ধাক্কা লেগে শুধু মাথার খুলি খানিকটা ফেটেছে। ভয়ানক কিছু না।’

    তুষার জানে, বাধা দিয়ে লাভ নেই। মিলনের সব কিছুতেই অতি আগ্রহ।

    লাশের চেহারা স্বাভাবিক। বয়স ত্রিশের ঘরে। লাশ দেখা শেষে দু’জনে চলে গেল তিনকোনার মাথার একপ্রান্তে পড়ে থাকা ছোট টিনের চালার বাড়িটায়। উঠোন ভর্তি গাছগাছালি। কলতলার আশপাশে ঝোপঝাড়। ভুতুড়ে আবহ তৈরির জন্য যথেষ্ট।

    ‘রইসু ভাই আছেন?’

    অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর এক নারীকণ্ঠ শুনতে পেল দু’জন। ‘উনি বাড়ি নাই। পরে আসেন।’

    ‘আমার সঙ্গে ঢাকা থেকে সাংবাদিক এসেছেন। তিনি আসমার আঁকা ছবি দেখতে চান। শহরের পত্রিকায় ছাপবেন। আমরা উঠোনে বসলাম।’

    মিলনের অবলীলায় মিথ্যে বলার ক্ষমতা দেখে অবাক হলো না তুষার। এসব না বললে সম্ভবত দেখাই হবে না।

    ‘আপনারা পরে আসেন। আসমার শরীর ভাল না।’

    ‘আমরা হাজিপাড়া থেকে আসছি। দুই মাইলের হাঁটাপথ। এখন কেমনে কী করি?’

    কিছুক্ষণ নীরবতা। এরপর উঠোনে দুটো চেয়ার পেতে দিল ওই নারী।

    ‘রইসু ভাই আমার পরিচিত। আপনার লগে আমার খুব একটা দেখা-সাক্ষাৎ হয় নাই।’

    ‘আমি আসমার চাচী।’

    তুষার চুপচাপ চেয়ারে বসে পড়লেও মিলন বারবার উঁকি দিচ্ছে ভেতরে। আসমার মুখটা এক ঝলক দেখেওছে।

    ‘আমি জানি আপনারা কেন আসছেন।‘

    আসমার চাচীর গলার ক্ষোভটা কান এড়াল না তুষারের।

    তবে উনি আর কথা বললেন না।

    রইসু নামের মধ্যবয়সী লোকটা এল একটু পর। মিলন ও তার বন্ধুকে দেখে চমকে উঠল। নিজেকে স্বাভাবিক করে নিতে সময় নিল না।

    ‘কী চান আপনেরা?’

    ‘আসমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।’

    ‘কী কাম তার লগে?’

    এবার মুখ খুলল তুষার। ‘তার ছবি আঁকার বিষয়টা নিয়ে গ্রামে একটা গুজব রটেছে। এটা ভেঙে দেয়া জরুরি। তা না হলে…’

    রইসু স্থির। ঢিলটা জায়গামত লেগেছে দেখে খুশি তুষার। মিলনও আমতা আমতা করে বলল, ‘হুম। আসলে এটা যে একটা গুজব, সেটা না জানলে পরে আসমা গ্রামেই থাকতে পারবে না। ওর ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এ নিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি দরকার।’

    রইসু কিছু বলতে যাবে, তার আগেই স্ত্রীর ইশারায় ভেতরে গেল। সম্ভবত আসমার চাচী তাকে বুঝিয়ে দিল যে তুষারদের কথাই ঠিক।

    ‘আইচ্ছা, ঠিকাছে। এখন কী চান?’

    তুষার বলল, ‘আমি শুনলাম, আসমা যার ছবি আঁকে, সে নাকি মারা যায়। হে-হে, তো, আমার একটা ছবি আঁকুক না?’

    ‘ফাইজলামি করেন?’

    স্ত্রীর চোখে চেয়ে আবার শান্ত হয়ে গেল রইসু। ওদিকে দরজার আড়ালে দাঁড়ানো আসমাকে ইশারায় ডাক দিল মিলন। আসমার হাতে পেনসিল ও খাতা।

    তিন

    গ্রামে খবর ছড়াতে সময় লাগে না। এর জন্য অবশ্য মিলনের দোষ নেই। চালাকিটা তুষারেরই। রইসুর সঙ্গে তাদের কথাবার্তা শুনছিল পাশের কয়েকজন ছেলে আর বয়স্ক মহিলা। তুষার তাদের শুনিয়ে শুনিয়েই বলেছে, আসমা তার ছবি আঁকবে ভরা মজলিসে। গ্রামের অনেকেই থাকবে। এবং সে দেখিয়ে দেবে আসমাকে নিয়ে ঘটনাটা গুজব ছাড়া কিছুই নয়।

    আসমাকে নিয়ে এরমধ্যে বেশ ক’টি গল্প শোনা হয়ে গেছে তুষারের। গ্রামের লোকজনই বলেছে।

    ‘আসমার বয়স যখন পাঁচ। তখন থেকে আচমকা ছবি আঁকা শুরু। যা দেখে হুবহু আঁইকা ফালায়। আমরা তো খুশি। এমুন এক গুণবতী আমাদের গেরামে! কিন্তুক, একবার সে আমার ছাগলটার ছবি আঁইকা ফেলল। ওই দিন রাতেই তড়পাইতে তড়পাইতে ছাগলটা আমার মইরে গেল।’

    আরেকজন বলল, ‘ক্যান! আসমার বাপের কথা কও!’

    নড়েচড়ে বসল তুষার। বেড়েছে মনের খচ খচানি। -’ওর বাপও আপনার মত বাজি ধরসিল। গেরামে সবাই কয় আসমার উপরে একটা কিছু ভর করসে। কিন্তুক, হের বাপে বিশ্বাস করত না। আসমারে ধমকাইয়া-টমকাইয়া কইল, বেটি, তুই এখন হগ্গলের সামনে আমার ছবি আঁকবি! হুবহু আঁকবি!’

    ‘তারপর?’

    ‘তারপর আর কী! রাইত না পার হইতেই বেডা কাইত!’

    ‘কীভাবে মারা গেলেন উনি?’

    ‘রাইতে মসজিদ থেইকা আসার পথেই সাপে কাটল। আহা রে, জোয়ান মানুষটা। মা তো আগেই গেছে। এরপর বাপ। তারপর থেইকা রইসুর কাছে থাকে আসমা। কেমুন জানি চাচা লাগে তার।’

    ‘আচ্ছা।’ হাঁফ ছাড়ল তুষার। কাকতালীয় শব্দটাকে বেশ ক্ষমতাধর মনে হচ্ছে।

    মিলনের আগ্রহের কমতি নেই। সে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আরও গল্প আদায় করে নিতে ব্যস্ত।

    .

    সময় ঠিক হলো বিকাল চারটা।

    গ্রামের অনেকেই এসেছে। সবার মাঝে উৎসবের আমেজ। এর মধ্যে চা-মুড়ি পর্বও হয়েছে। আসমা সেজেগুজে বসে আছে উঠোনে। তার হাতে পেনসিল আর ড্রয়িং বোর্ডে লাগানো সাধারণ একটা কাগজ। মুখোমুখি চেয়ারে সটান বসে আছে তুষার। এরমধ্যে নিজের ক্যামেরায় আসমার একটা ছবিও তুলে নিল।

    শুরু হলো ছবি আঁকা। বসে আছে তুষার। দশ মিনিটের মধ্যেই আঁকা শেষ। সবাই তাকাল তুষারের দিকে। পিনপতন নীরবতা। আচমকা বুকে হাত দিয়ে চোখ-মুখ কুঁচকে ফেলল তুষার।

    লাফিয়ে উঠল মিলন। ‘তুষার! তুষার!’

    হই-হই রব উঠল দর্শকদের মধ্যে।

    আসমা মাটির দিকে তাকিয়ে আছে চুপচাপ। কেমন যেন রাগে ফেটে পড়ছে তার চোখ। বোর্ড থেকে খুলে ছুঁড়ে ফেলে দিল কাগজটা।

    অভিনয়টা বেশিক্ষণ জারি রাখল না তুষার। বাচ্চা মেয়েটা কষ্ট পেয়েছে বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে তিরস্কার করল। সবার দিকে তাকিয়ে সলজ্জ হেসে বোঝানোর চেষ্টা করল, আসমার বিষয়টা কুসংস্কার ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু আসমার রাগী চেহারাটা কিছুতেই তাড়াতে পারছে না মন থেকে। কুড়িয়ে নিল ছবি আঁকা কাগজটা। অবাক হলো। মেয়েটা অসাধারণ আঁকে। একদম যাকে বলে ফটোরিয়েলিস্টিক। ছবিটা ভাঁজ করে বুকপকেটে রেখে দিল তুষার।

    সন্ধ্যা ঘনাতেই খালি হয়েছে রইসুর উঠোন। কাউকে তেমন অবাক বা হতাশ হতে দেখা গেল না। মিলন অস্থির চিত্তে পায়চারি করছে আর বারবার একই কথা আওড়াচ্ছে, ‘সঙ্গে সঙ্গে কেউ মারা যায়নি। চব্বিশ ঘণ্টার মামলা আছে। এখন মাত্র একঘণ্টা গেছে। তুই কাজটা ঠিক করিস নাই! আমি এখন তোরে কই নিয়া যাই রে, বন্ধু!‘

    ‘কোথায় নিয়ে যাবি?’

    ‘ঢাকা এখান থেকে দশ ঘণ্টার পথ। তোর এখন কিছু হলে হাসপাতালে নিতে হইব।’ আহত দৃষ্টি মিলনের। যেন চোখের সামনে জলজ্যান্ত বন্ধুটাকে মরতে দেখছে।

    হাসি খেলে গেল তুষারের চোখে। ‘তুই আমার অভিনয়টাকে সত্যি ভেবেছিলি! হা-হাহ্-হা! আর ছবি আঁকলে যদি মারাই যাব, তো হাসপাতাল আমাকে বাঁচাতে পারবে?’

    ‘শোনেন! এদিকে আসেন!’

    ধমকের সুরে কথাটা বলল আসমা। তার সঙ্গে মাথায় আঁচল ধরে দাঁড়িয়ে আছে রইসুর স্ত্রী।

    ‘আসমা, আমি সরি! মানে দুঃখিত। তুমি কষ্ট পেয়েছ। তবে আমি যে বেঁচে আছি, এটা মনে হয় ভালই হলো, নাকি!’

    তুষারের কণ্ঠে কৌতুকের ছাপ ধরতে পেরেছে কি না বোঝা গেল না। তবে আসমা তার সামনে আরেকটা কাগজ বাড়িয়ে ধরল। ছবিটা দেখল তুষার ও মিলন। চেনা চেনা মনে হলো।

    চলে গেল আসমা ও তার চাচী।

    সুনসান নীরবতা।

    একে অন্যের দিকে তাকাল তুষার আর মিলন। চিনতে পেরেছে ওরা ছবির মানুষটাকে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া বকুল!

    চার

    ‘ছবিটা পুড়িয়ে ফেলা দরকার।’ মিলনের গলা কাঁপছে।

    ‘অবশ্যই না। সুন্দর পোর্ট্রেট।’ নির্বিকার তুষার।

    ‘তুই এখনও বিশ্বাস করছিস না?’

    ‘কাকতাল বলে একটা ব্যাপার আছে। না হয় অ্যাক্সিডেন্টের পরেই এঁকেছে ও। অবশ্য, এটার কথা জানানো ঠিক হবে না কাউকে। মেয়েটা বিপদে পড়বে। গ্রামের মানুষ তো।’

    ‘গ্রামের মানুষ তো কী? আমিও তো গ্রামের মানুষ। তো?’

    ‘না কিছু না। তুই একটু বাড়াবাড়ি করছিস, মিলন। ছেলেটা ওই ছাগলের মত ছটফট করে মরেনি। মদ খেয়ে নিশ্চয়ই বাইক চালাচ্ছিল।’

    ‘কিন্তু আসমা সেটা আগেই জানে, এবং সে ছবিও এঁকে ফেলেছে।’

    ‘হুম। সেটাই কাকতাল। কে জানে, হয়তো গ্রামের সবার পোর্ট্রেট সে আগেই এঁকে রেখেছে। যখন মারা যাবে, তারটা বের করে দেখাবে।’ তুষারের কঠিন যুক্তি।

    পাল্টা জবাব দিতে পারল না মিলন। তুষারের লেখক মগজের যুক্তি মেনে নিয়ে আপাতত চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিল। তবে বারবার বন্ধুকে পরখ করে নিতে ভুল করছে না। সেটা দেখে বিরক্ত হলেও কিছু বলল না তুষার। তার আচমকা মরে যাওয়া নিয়ে মিলন যে টেনশনে আছে, এটা ভাবতে বরং ভালই লাগছে তার।

    বাড়ির পথ ধরল দু’জন। ছবিটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে তুষার। গ্রামের সবার পোর্ট্রেট আগেই করে রেখেছে মেয়েটা, নিজের কানেই কথাটা অবিশ্বাস্য লেগেছে তার। ছবিটা দেখেই মনে হয় সামনাসামনি নয়, কোনও একটা ছবি দেখেই এটা এঁকেছে আসমা।

    অর্ধেকটা পথ এগিয়েছে সবে, এমন সময় দুই বন্ধুর পথ আগলে দাঁড়াল রইসু।

    ‘ভাইজানেরা, একটু দাঁড়ান।’

    খানিকটা ভড়কে গেলেও সামলে নিল দু’জন।

    ‘আসমা মাইয়াডা একটু অইন্যরকম। একটু আলাভোলা। লোকে নানান কথাবার্তা কয়। আমগো শত্রুও অনেক। অনেকেই ডরায়। তয়, বাবাজি, আপনে শহর থেইকা আসছেন। মিলনের বন্ধু। আপনের কাছে অনুরোধ, আপনে এইডা নিয়া কিসু লিখতে যাইয়েন না।’

    ‘না-না, প্রশ্নই আসে না! গুজবে ঘি ঢালব কোন্ দুঃখে?’

    কথাটা শুনে কেমন যেন আহত দেখাল রইসুকে।

    ‘তয়, বাবাজি, ছবিটা আমারে দিয়া দেন। আসমা যেটা দিসে।’

    ‘এই নিন।’

    আবারও সেই খচ-খচে অনুভূতি। তুষার স্পষ্ট বুঝতে পারল, ছবিটা নিতেই হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসেছিল রইসু। তার সঙ্গে নিহত ওই যুবকের কোনও সম্পর্ক নেই তো?

    বাসায় ফিরেই আবার বেরিয়ে গেল মিলন। তার চলাফেরা এখন অনেকটা দুদে গোয়েন্দাদের মত। তুষারকে একটা কিছু বিশ্বাস করিয়ে ছাড়া পর্যন্ত থামবে না ও। গ্রামের মানুষের কাছ থেকে কথা বের করতে সময় লাগল না তার। রাতের মধ্যেই জেনে নিল ঘটনা। নিহত যুবকের নাম বকুল। বেশ ক’দিন ধরেই নাকি রইসুর স্ত্রীকে বিরক্ত করে আসছিল সে।

    পাঁচ

    হাই তুলতে গিয়ে মাঝপথে আটকে গেল তুষার। বিছানার পাশে বড় বড় চোখে তার দিকে তাকিয়ে আছে মিলন। বন্ধুকে হাই তুলতে দেখে হাঁফ ছাড়ল।

    ‘সারারাত ঘুমাসনি?’ ভ্রূ কুঁচকে জানতে চাইল তুষার।

    ‘না, অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে বসে ছিলাম,’ খুশি হলেও বিরক্তির ভান করল মিলন।

    ‘তুই কি হতাশ? আমি মরিনি দেখে?’

    মিলন কিছু বলল না। নাস্তার টেবিলেও কথা হলো না খুব একটা। ঘুরতে বের হলো দু’জন। কথাবার্তা বিশেষ হচ্ছে না। তুষারের মনে হলো আসমাকে দিয়ে নিজের ছবি আঁকানোটাই ভুল হয়েছে।

    ‘চব্বিশ ঘণ্টা এখনও পার হয় নাই,’ বিড়বিড় করে বলল মিলন। একটা শাখা নদীর কাছে চলে এসেছে। তুষার কিছু বলতে যাবে, এমন সময় হই-চই কানে এল। আসমাদের বাড়ির দিক থেকে। ছুট লাগাল দু’জন।

    তুষারের আশঙ্কাই সত্যি হলো। রইসুর বাড়ির সামনের রাস্তা ও পাশের খালি জমিতে গ্রামবাসীর ভিড়। মুখে কাপড় পেঁচানো লাঠি হাতে একদল লোকও আছে। ঘটনা পরিষ্কার হলো মুখে কাপড় পরা একজনের কথায়।

    ‘ওই পিশাচিনীরে আমি মাইরা ফালামু। তুই আমারে চিনস নাই। ঘরে দুধকলা দিয়া তুই পিশাচ পালতেছিস, রইসু! সাবধান! এই গেরামের কাউরে সে বাঁচতে দিব না। তুই মাইয়াডারে বাইর, কর, আইজকাই শেষ কইরা দিমু! আমার পোলারে মারছস তুই! আমার পোলারে!’

    ‘বকুলের বাপ! খবর ফাঁস হয়ে গেছে রে।’ ফিসফিস করে বলল মিলন।

    ‘ওরা মুখোশ পরে আছে কেন?’ জানতে চাইল তুষার। ‘বুঝলি না! ওদের ছবি যদি আবার আসমা এঁকে ফেলে!’

    ‘উফ্। কী থেকে কী! পুলিশ ডাক দে। মেয়েটার তো ভালই বিপদ!’

    এদিকে নিহত যুবক বকুলের বাবা চেঁচিয়েই যাচ্ছে। ‘তোকে মোবাইল হাতে ঘুর-ঘুর করতে দেখসে আমার লোক। তুই আমার পোলার ছবি তুলছস। তোর ঘর তল্লাশি করুম আমরা।’

    রইসুও কম যায় না, ‘আপনে কিন্তু বাড়াবাড়ি করতাসেন। আমি মামলা করুম কইলাম! পোলা মরসে দেইখা কিছু কইলাম না। কিন্তু গেরামের দশজনরে জিগান, আপনের পোলা কেমুন আছিল। সে যাউকগা। অ্যাক্সিডেন্টে মরসে, এটা সবাই জানে। ক্যান শুধু শুধু আমার মাইয়ারে দোষ দেন!’

    ও তোর মাইয়া কেডা কইসে! তুই ওর পাতাইন্না চাচা। ওই মাইয়া তার বাপরে মারসে! এখন তুই কালসাপ পুষতেছিস! খবরদার! আমি ওরে দেইখা লমু!’

    এরপর হুট করে ঘটল কতগুলো ঘটনা। বাড়ির ভেতর থেকে সামনের রাস্তায় হুড়মুড় করে বের হলো আসমা। হাতে পেনসিল আর কাগজ। তাকে এভাবে ছুটে আসতে দেখে হম্বিতম্বি করতে থাকা লোকগুলো আচমকা পিছিয়ে গেল। ভয় জিনিসটা দারুণ ছোঁয়াচে। সঙ্গে সঙ্গে ভিড় জমানো লোকগুলোও চলে গেল। বকুলের বাবা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা কাপড় দিয়ে মুখ-চোখ ঢাকতে ব্যস্ত। পড়ে গেছে কারও কারও হাতের লাঠি। শাসাতে শাসাতে একপর্যায়ে চলে গেল প্রত্যেকে। আসমাও হনহন করে আবার ঢুকে পড়ল ঘরে। সবাই চলে যাওয়ায় এগিয়ে গেল তুষার। অনিচ্ছাসত্ত্বেও পিছু নিল মিলন।

    ‘রইসু ভাই। একটু আসমার সঙ্গে কথা বলব।’

    ‘না, কোনও কথা নাই। আপনে যান! বাইর হন!’

    মিলন ইশারায় কী যেন বোঝাতে চাইল রইসুকে। সাংবাদিক শব্দটা শুনে ঘাবড়ে গেল।

    ‘দেখেন, মেয়েটা বহুত পেরেশানিতে আছে,’ বলল রইসু।

    ‘হুম। কিন্তু মোবাইলে ছবি তোলার বিষয়টা তো সত্য। পেরেশানি তো আপনিই তৈরি করেছেন!’ এবার উল্টো রইসুকে শাসাল তুষার।

    মুহূর্তে মিইয়ে গেল লোকটা। মিনমিন করে কী যেন বলতে চাইল। কিন্তু অনেকটা জোর করেই ঘরে ঢুকে গেল তুষার। পিছু নিল মিলন। সোজা চলে গেল আসমার ঘরে। রাগ নয়, মেয়েটার চোখে কেমন যেন হতাশার ছাপ।

    ‘আসমা, শোনো।’

    ‘আমি জানি আপনি কী কইবেন।’

    ‘কী বলব?’

    ‘আমি ঠিক আছি। পিশাচিনী না। তয় আমি কারও ছবি আঁকতে চাই না।’

    ‘তুমি অবশ্যই আঁকবে। সবার ছবি আঁকবে।’

    ‘আমি কাউরে মারতে চাই না। চাচায় আমারে বলসে লোকটা বদ। চাচী আর আমারে মাইরা ফেলবে কইসে। এইজন্য আঁকসিলাম।’

    ‘আমি সেটা বলিনি। তুমি আঁকলে মানুষ মারা যাবে, এটা ডাহা মিথ্যে কথা। তুমি এসব বিশ্বাস করবে না। তুমি চমৎকার ছবি আঁকো। তোমার উচিত বেশি বেশি আঁকা।’

    আসমাকে এবার আহত দেখাল। মনে হচ্ছে যেন তুষারের কথা সত্য হলেই সে খুশি হত।

    তুষার বলল, ‘তা হলে আমাকে বলো, তুমি আমার ছবি এঁকেছ, আমি মারা যাচ্ছি না কেন? আমাকে তুমি পছন্দ করো, তাই?’

    আসমা নীরব।

    ‘আচ্ছা, তোমার চাচা কি তোমাকে মাঝে মাঝেই ছবি আঁকায় নাকি?’ প্রশ্নটা নিজের কানে বেখাপ্পা শোনালেও না জিজ্ঞেস করে পারল না তুষার।

    পেছনে ততক্ষণে রইসু এসে দাঁড়িয়েছে।

    ‘ভাইজান, আপনেরা যান। বহুত পেরেশানিতে আছি। আর না। আমরা ভিটা ছাইড়া ভাগব।’

    ‘কেন! আপনার হাতে তো ব্যাপক ক্ষমতা। কেউ কিছু বললে তার ছবি আঁকিয়ে নেবেন আসমাকে দিয়ে, হা-হা-হা! পালাবেন কেন?’

    মিলন অনেকটা জোর করেই তুষারকে টেনে বের করল আসমার রুম থেকে। এরপর একটা ভ্যানে করে দু’জনে চলে এল বাড়িতে।

    শীতের রাত। কুয়াশাও বেশ। এর মধ্যে কোথা থেকে যেন খই জোগাড় করেছে মিলন। গুড় দিয়ে ওটা চিবিয়ে চলেছে দু’জনে। তুষারের পোর্ট্রেট আঁকার চব্বিশ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে। মিলনকে বেশ নিশ্চিন্ত দেখাচ্ছে। বলা যায় নিজের আগের রূপে ফিরে গেছে ও।

    ‘চল, দোস্ত, খেজুরের রস চুরি করি। এই অ্যাডভেঞ্চার তুই আর কখনও পাবি না।’

    ‘হুম। চুরি করব ভাবছি। তবে রস নয়। আরেকটা জিনিস।’

    মিলন সতর্ক।

    ‘আসমার টেবিলের নিচে রাখা একটা বাক্সে একটা স্কেচ খাতা দেখেছি। আমরা যাব ওটা চুরি করতে।’

    ছয়

    শীতের রাতে গ্রামে আটটা বাজতেই লেপমুড়ি দেয় সবাই। তবে রিস্ক নিল না দুই বন্ধু। দশটা বাজতেই রাতের গ্রাম দেখার নাম করে চাদর মুড়ি দিয়ে বেরিয়ে পড়ল। উত্তেজনার কারণে গায়ে লাগছে না হাড়কাঁপানো শীত। রইসুর বাড়িতে ঘুটঘুটে অন্ধকার। সবাই ঘুমিয়ে। মিলনের চালচলনে জেমস বণ্ডের ভাব। চিকন তার দিয়ে দরজার খিল খুলতে গিয়ে দু’বার শব্দও করেছে। তবে তাতে ভাঙেনি কারও ঘুম। ধরা পড়লে কী করবে, সেটাও ঠিক করে আসেনি তুষার। একটাই ভরসা: রইসুর টাকা-পয়সা বিশেষ নেই। তাই তুষার আর মিলনকে ছিঁচকে চোরও দাবি করতে পারবে না। এতসব আপাতত ভাবছে না দু’জন। খিল খুলতেই আলতো করে দরজায় ধাক্কা দিল। নিজেরা সেঁধিয়ে গিয়ে টেনে দিল দরজা। খিল লাগাল না। পাছে আবার যদি জলদি পালাতে হয়।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথমেই বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে দিল রইসুর ঘরের। আসমা সামনের দিকে একটা ঘরে চৌকিতে একা ঘুমায়। রইসুর নাক ডাকার হালকা শব্দ পাচ্ছে ওরা। সেলফোনের টর্চের আলো ফেলল আসমার পড়ার টেবিলের নিচে। স্কেচের খাতাটা দেখতে পেল না। মিলন দাঁড়িয়ে আছে অ্যাটেনশনের ভঙ্গিতে। কেউ জেগে গেলে যেন তাকে ধাক্কা দিয়ে পালানো যায়। কিন্তু আপাতত সেই আশঙ্কা নেই মনে হচ্ছে।

    তুষার খুঁজেই চলেছে।

    মিলন তাকিয়ে আছে সদর দরজার দিকে। খসখস শব্দ শুনে কান খাড়া। তুষারের খেয়াল নেই। মিলন ইশারা করল। পাত্তা দিল না তুষার। ক্যাচ-ক্যাঁচ করে খুলে গেল সদর দরজা। সাহস উবে গেল মিলনের। তুষারকে ইশারা করায় সে-ও চুপ। টর্চ নিভিয়ে দু’জন আসমার চৌকি ঘেঁষা দেয়ালে একেবারে সিঁটিয়ে রইল। কেউ একজন ঢুকেছে। এবং সে-ও যে চুরি করতেই ঢুকেছে, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু রইসুর ঘরে চুরি! মুহূর্তে মাথা খেলে গেল তুষারের। বুঝে ফেলল ঘটনা। মুখে কাপড় পেঁচানো লোকটা সতর্ক চোখে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছে। চাঁদের আলোর প্রতিফলনে হাতের রামদাটা ক্ষণিকের জন্য চকচক করে উঠল।

    ভয় প্রথমে কাবু করে। পরে মগজ তার নিজের মত করে বানিয়ে নেয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। দুই বন্ধুর মগজেই চালু হয়ে গেছে ডিফেন্স মেকানিজম।

    ঘুমিয়ে থাকা আসমার দিকে এগিয়ে আসছে রামদা ধরা লোকটা।

    স্ট্যাচু হয়ে আছে তুষার আর মিলন। সামান্য ভুলচুক হলে নিজেদেরও কোপ খাওয়ার আশঙ্কা। এদিকে কোনও শব্দ না হলেও নড়েচড়ে উঠল আসমা।

    ঘুমের ঘোরে বিপদও টের পায় না তো মেয়েটা?

    শুকিয়ে গেছে মিলনের মুখ। একটা কিছুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    তুষার তাকিয়ে আছে আসমার পায়ের কাছে থাকা লেপটার দিকে।

    দ্রুতই ঘটে গেল ঘটনাগুলো। লোকটা রামদা উঁচু করেছে কোপ দেয়ার জন্য। এমনসময় চোখ মেলে তাকাল আসমা। চিৎকার দিল না মেয়েটা।

    তুষার এক ঝটকায় লেপটা তুলে ঝাঁপ দিল রামদা ধরা লোকটার ওপর। লেপ থাকায় ধারাল দা নিয়ে ভাবতে হলো না তাকে। তবে আলগোছে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল ভ্যাবাচেকা খাওয়া লোকটা। পরের কাজটা করল মিলন। লাইটটা অন করে দিয়েই পেছন থেকে গলা আঁকড়ে ধরল লোকটার। আসমা চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। তুষার নিজেকে সামলে নিয়ে লোকটার মুখে আনাড়ি হাতে ঘুষি বসাল। বিশেষ সুবিধা হয়নি। তাগড়া লোকটা নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে দুদ্দাড় করে। একপর্যায়ে হ্যাঁচকা টানে সরিয়ে দিল মিলনকে। আসমা ততক্ষণে উঠে চৌকির অন্যপাশে চলে গেছে। মেঝে থেকে কুড়িয়ে নিল একটা স্কুলব্যাগ। তুষার ক্ষণিকের জন্য আসমার দিকে তাকাতেই অঘটনটা ঘটল। তুষারের কপালের ডানপাশে দড়াম করে ঘুষি বাগাল লোকটা। মাথা দুলে উঠল তুষারের। কাজ করছে না মাথা। কপালে হাত রেখে চৌকিতে বসে পড়ল ও। লোকটা এদিক-ওদিক তাকিয়ে রামদাটা খুঁজছে। মিলন তার সর্বশক্তি দিয়ে আবারও পেছন থেকে ঝাপটে ধরল। তুষার চিৎকার দিয়ে রইসুর ঘুম ভাঙানোর চেষ্টা করল। কিন্তু গলা দিয়ে বেরোচ্ছে না শব্দ। আর ঘুম ভাঙলেও লাভ নেই। বাইরে থেকে সে নিজেই ছিটকিনি লাগিয়ে দিয়েছে। আসমার ওপর রাগ হলো খুব। সে-ও শব্দ করছে না। এরকম ভয়াবহ সময়ে হাতে খাতা আর পেনসিল নিয়ে করছেটা কী মেয়েটা!

    ’তুষার, ওঠ! শালারে মার!’

    ‘রইসুকে ডাক দে!’

    ‘আগে শালারে সাইজ কর্। পরে! নইলে পুলিশি ঝামেলা!’

    আততায়ীকে বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারবে না মিলন। তুষার উঠে গিয়ে আরেকটা ঘুষি পাকানোর চেষ্টা করল। তবে পারল না।

    কানে আসছে আসমার পেনসিলের খসখস শব্দটা। হঠাৎ পুরো শরীর দুলে উঠল তার। বসে পড়ল মেঝেতে। শরীরে রাজ্যের ক্লান্তি যেন। লোকটার মুখে ক্রূর হাসি। মিলন তার শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে। রামদাটা দেখতে পেয়েছে ওরা দু’জন। টেবিলের পায়ার সঙ্গে লেগে আছে। ছাড়া পেলে নিশ্চিত কাউকে আস্ত রাখবে না আততায়ী। পেরে উঠল না মিলন। এক ঝটকায় তাকে ছুঁড়ে ফেলল লোকটা। চোখের কোনায় তুষার সব দেখছে। সামনে এগোতে যাবে, অমনি মেঝেতে পিছলে দড়াম করে পড়ল লোকটা। থরথর করে কিছুক্ষণ কাঁপল বিশাল দেহটা। এরপর কোনও নড়চড় নেই। কসরত করে ফের উঠে দাঁড়াল দুই বন্ধু। নিচে ভেজা ভেজা কী যেন। রক্ত!

    রামদাটার চোখা মাথা লোকটার চোখ এ-ফোঁড় ও- ফোঁড় করে ঢুকে গেছে!

    চৌকির ওপাশে ভয়ার্ত চোখে চেয়ে থাকা আসমা। ওর হাতের কাগজে চোখ পড়ল দু’জনের। আততায়ীর পোর্ট্রেট!

    সাত

    অনেকগুলো ফোনকল, বানানো গল্প আর শেষমেশ আসমার জবানবন্দি; এসবের কারণে এ যাত্রা বেঁচেই গেল তুষার ও মিলন। তাদের গল্পটাও বিশ্বাসযোগ্য। রইসুর কাছেই এসেছিল আসমার গল্প শুনতে। এসে দেখে দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে দেখে রামদা হাতে এক লোক আসমাকে মারতে যাচ্ছে। কিন্তু নিজেই চিৎপটাং হয়ে পড়ে যায় রামদার ওপর। ওরাই গিয়ে পরে রইসুর দরজা খুলে দেয় আর পুলিশকে খবর দেয়। এদিকে নিহত লোকটা ছিল তিন-চারটা খুনের মামলার পলাতক আসামী। পুলিশের খাতায় দুইয়ে-দুইয়ে চার। তবে ছাড় দেয়ার পাত্র নয় বকুলের বাবা। ক্ষমতার পুরো দাপট কাজে লাগানোর চেষ্টায় আছে। যথারীতি ঘটনাস্থলে এসেছে মাংকি টুপি পরে। তুষার আর মিলনকেও একহাত দেখে নেয়ার কথা বলেছে এক ফাঁকে।

    আসলে ঝামেলা পাকিয়ে দিয়েছে আসমার আঁকা ছবিটা। এত কিছুর মধ্যে আততায়ীর পোর্ট্রেট আঁকল কখন? রইসুর উত্তর, ‘ছবি মরার পরেই এঁকেছে ও। চোখের সামনে যাকে দেখে, তাকে আঁকে। মাইয়াডার একটু মাথায় সমস্যা আছে, স্যর।’

    পুলিশের ওসি আমুদে লোক। কুখ্যাত আসামীকে এভাবে ঘায়েল হতে দেখে ভেতরে ভেতরে তিনিও খুশি। আসমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘তা, মামণি, আমার একখান ছবি আঁইকা দাও তো দেখি।’

    তুষারের একবার ইচ্ছা হলো বলে, না থাক দরকার নেই। কিন্তু চুপ মেরে রইল। আততায়ীর মৃত্যুটা দুর্ঘটনাই। বাধা দিল বকুলের বাবাও। ‘খবরদার, আঁকবি না। আঁকলে তোরে…না মানে… ওসি সাব, ও যার ছবি আঁকে, সে মারা যায়। আপনে ভুলেও আঁকাইয়েন না। আর নাটের গুরু হইল ওই রইসু। সে এই মাইয়াডারে ব্যবহার করে। সে এই মাইয়ারে দিয়া অনেকরে মারসে। সে একটা খুনি।’

    ‘তাই নাকি! হো-হো-হো! আচ্ছা, আচ্ছা। কিন্তু গতরাতের খুনের চেষ্টার মোটিভ তো পাচ্ছি না। তা, চৌধুরী সাহেব, আপনার ছেলে না ক’দিন আগে মারা গেল? আপনি এখানে কেন? আপনার তো বাড়িতে থাকার কথা। যান, যান, রেস্ট নেন।’

    ‘শোন, আসমা! তুই বহুত মানুষরে মারছস! তুই আমার পোলার খুনি! আমি তোর এই চাচা-চাচীরে খতম কইরা দিমু!’

    লোকটার কথাগুলোকে পাত্তা দিল না পুলিশ। ওসি ইশারা করতেই কয়েকজন কনস্টেবল বকুলের বাবাকে নিয়ে গাড়িতে উঠিয়ে দিল।

    আপাতত বাড়ি যাওয়ার অনুমতি পেল তুষার আর মিলন। রাতেই থানায় খবর দিয়েছিল তারা। এ কারণে পুলিশের সুনজরে আছে দু’জন। তবে থানা আর আদালতে ডাক পড়তে পারে, এমনটাও জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

    যাওয়ার সময় আসমার সঙ্গে দেখা করতে চাইল তুষার। মিলনের বাধা ডিঙিয়ে সোজা চলে গেল ঘটনাস্থলে। রক্তের দাগ তখনও শুকায়নি। স্কেচ খাতা বুকে জড়িয়ে একপাশে মূর্তির মত দাঁড়িয়ে আসমা। তুষারকে দেখে মুখ তুলে তাকাল। এরপর তাকে অবাক করে স্কেচ খাতা বাড়িয়ে ধরে বলল, ‘আফনে এটা লইয়া যান। আফনেরে দিলাম এটা। ছাপাইয়া দিয়েন পত্রিকায়।’

    আসমার কথাগুলো বুকের মধ্যে খচ করে বিধলেও স্বাভাবিক থাকল তুষার। ‘আচ্ছা, আপাতত নিয়ে গেলাম। পরে আবার ফেরত দেব তোমাকে।’

    মিলন হ্যাঁচকা টানে তুষারকে নিয়ে রীতিমত হনহন করে হাঁটা দিল।

    রইসুও স্ত্রীকে ইশারা করল।

    পুলিশের কাজ শেষ হলেই তারা চলে যাবে কোনও এক আত্মীয়ের বাড়ি।

    .

    বিকেল।

    জমেছে বেশ কুয়াশা।

    আসমার স্কেচ খাতার একটা করে পাতা ওল্টাচ্ছে তুষার, আর হড়বড় করে বর্ণনা করছে মিলন।

    ‘আসমার সঙ্গে পড়ত। অনেক আগের ঘটনা। মাইয়াটা পানিতে ডুইবা মরসে।’

    তুষার পাতা ওল্টাচ্ছে। কোনওটা সামনা-সামনি আঁকা পোর্ট্রেট। কোনওটা আবার গ্রামের পরিবেশে।

    ‘এটা খুড়ুম মিয়া। আসল নাম জানি না। লোকটাও বদের হাড্ডি। ডাকাত দলে যোগ দিসিল। মরসে ডাকাতি করতে গিয়া। আর এইটা নিতুনের মা। ওর একটা রোগ হইসিল। সারা গায়ে পচন ধরছিল। আমি শুনছিলাম ও-ই নাকি আসমার কাছে গিয়া বলছিল, তার যেন একটা ছবি আঁইকা দেয়।’

    ‘উনি মারা গেলেন কী করে? পচন ধরেই?’

    ‘আরে, নাহ্। ছবি আঁকছে কি সাধে! মহিলা রাস্তা পার হইতেছিল, সোজা বাসের চাকার তলে। এক সেকেণ্ডে শেষ।’

    ‘হুম। ব্যতিক্রম তা হলে আমি। হা-হা-হা। ভাল কথা, সবাই কি চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেছে? নাকি আমার হাতে এখনও মরার মত সময় আছে?’

    মিলনের কঠিন চেহারা দেখে হাসি থামাল তুষার।

    ‘আমি আরেকটা পরীক্ষা নিতে চাই। ব্যবস্থা করে দে।’

    ‘কোনও কাম নাই। বহুত বড় বিপদ থেকে বাঁচছি। এখন তুই ভালয় ভালয় ঢাকা যা।’

    ‘উঁহুঁ। এর একটা বিহিত করতে হবে।’

    ‘কীসের বিহিত করবি! তুই বাঁইচা গেছস, এটাই বড় কথা। এখন এসব বাদ দে।’

    ‘ওর খাতাটা ফেরত দেব। এত সুন্দর সব পোর্ট্রেট। আমি এমনি এমনি নিয়ে যেতে পারি না।’

    ‘ফেরত দিয়া দে। আমারও তাই মনে হয়। এসব অলক্ষুণে জিনিসপত্র….

    ‘একমিনিট!’

    তুষারের গলায় ভয় আর বিভ্রান্তির মিশেল।

    উবু হয়ে দেখল মিলন। ঘাবড়ে গেল ভীষণ।

    শেষ পৃষ্ঠায় নিজের একটা ছবি এঁকেছে আসমা!

    আট

    আসমাদের বাড়ির সামনে ভিড়। কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেও গ্রামবাসীর ভিড়। সবাই কেমন যেন ভয়ে ভয়ে আছে। রইসুকে দেখা গেল না। এক কোনায় আঁচল দিয়ে চোখ মুছতে দেখা গেল আসমার চাচীকে। ভিড় ঠেলে এগিয়ে গেল মিলন। জানল, আসমাকে পাওয়া যাচ্ছে না। কাউকে না বলে বের হয়ে গেছে। গতরাতের ঘটনার পর গ্রামবাসীদের যারা বিশ্বাস করেনি এতদিন, তারাও বলাবলি করছে, ‘এইবার না জানি কার ছবি আঁইকা ফালায়, গো! আল্লাহ গো, কী পিশাচিনীর কবলে পড়ল নিশিন্দাপুর!

    তুষারের মাথা কাজ করছে না। স্কেচ খাতাটা নিয়ে কী করবে বুঝতে পারছে না। এটা দেখলেই একটা হই-চই কাণ্ড ঘটবে।

    হুট করে খাতাটা কেড়ে নিল মিলন। তারপর এগিয়ে গেল আসমার চাচীর দিকে।

    ‘এই যে দেহেন, ভাবী।’

    গ্রামবাসীও দেখল। রব উঠল, আসমা তা হলে মরে গেছে!

    এবার আফসোসের কমতি নেই কারও গলায়।

    ‘আহারে! ফালাইল।’

    মাইয়াটা। শেষতক নিজেরেই মাইরা

    এমনসময় ছুটে এল রইসু। পায়ে কাদার ছোপ। নদীর দিকে গিয়েছিল সম্ভবত। শীতেও গায়ে চাদর নেই। এসেই চিৎকার জুড়ে দিল। ‘চান্দুয়ে দেখসে ওরে। নদীর ধারে যাইতে! মাইয়া আমার নদীতে ডুইবে গেল না তো!’

    সবার সঙ্গে ছুট লাগাল তুষার ও মিলন। চান্দু নামের লোকটা নদীর যে প্রান্তে আসমাকে দেখেছে, সেখানেই শেল সবাই। কিন্তু খোঁজার সুযোগ নেই। দু’পাশে ধু-ধু চর। আর একদিকে পানি। অন্ধকারে পানিতে লাশ থাকলেও তা দেখার উপায় নেই। টর্চের আলোয় তুষারই খুঁজে পেল পায়ের ছাপ। গুটি গুটি গেছে পানির দিকে। বুক কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠল তুষারের। একসময় ইস্তফা দিল খোঁজাখুঁজিতে। দুই বন্ধু ফিরে এল নিজেদের ঘরে।

    নয়

    ঢাকার ফ্ল্যাটে নিজের রুমে বসে আসমার স্কেচবুকটা বুকে রেখে চোখ বুজে আছে তুষার। গল্পটা লিখবে কি লিখবে না, ভাবছে।

    শুরুটা করবে কী করে?

    মেয়েটার মায়াবি দু’চোখ আর কোঁকড়া চুল দিয়ে?

    ভাবতেই হুট করে কী যেন ধরা পড়ল মনের রেইডারে। কোথায় যেন একটা খটকা। সেই পুরনো খচ-খচে অনুভূতি। ড্রয়ার থেকে নিজের স্কেচটা বের করল তুষার। ভাল করে খুঁটিয়ে দেখল ওর পোর্ট্রেটটাকে। ডান চোখের নিচে কালো একটা তিল। বাম কানের লতিও নেই আসমার আঁকা ছবিতে। আয়নায় দেখল নিজেকে। কানের লতি ঠিকই আছে। ডান চোখের নিচে কোনও তিলও নেই তার। এবার দ্রুত আসমার স্কেচবুকটার শেষ পাতা ওল্টাল। নিজের ক্যামেরায় তোলা আসমার ছবিটা জুম করল কম্পিউটারের মনিটরে। খুঁটিয়ে দেখল স্কেচ আর ক্যামেরায় তোলা ছবি। ধীরে-ধীরে হাসি ফুটে উঠল ওর মুখে। বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের দোলাচলের মাঝে এক রহস্য ঘেরা আনন্দের অনুভূতিতে ছেয়ে গেল তুষারের মন।

    ক্যামেরায় তোলা ছবিতে আসমার ডান চোখের নিচে তিল দেখা যাচ্ছে।

    স্কেচে নেই!

    ধ্রুব নীল

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্যাবু – তৌফির হাসান উর রাকিব
    Next Article হাতকাটা তান্ত্রিক – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    Related Articles

    তৌফির হাসান উর রাকিব

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    তৌফির হাসান উর রাকিব

    হাতকাটা তান্ত্রিক – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    August 25, 2025
    তৌফির হাসান উর রাকিব

    ট্যাবু – তৌফির হাসান উর রাকিব

    August 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }