Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সুন্দাদ্বীপের সোনার ড্রাগন – ৫

    পরদিন ভোরের আলো ফুটতেই তাঁবু গুটিয়ে ধ্বংসাবশেষ খোঁজা শুরু হল। সেই মূর্তির আশপাশে আরও কয়েকটা স্তম্ভের চিহ্ন খুঁজে পেলেও ঘণ্টাখানেক ধরে সে অঞ্চলে সন্ধান চালিয়ে মন্দির জাতীয় কোনো কিছুর চিহ্ন পেল না তাঁরা।

    হেরম্যান বললেন, ‘চলো, আমরা যেমন এগোচ্ছিলাম, তেমনি এগোব। সম্ভবত রক্ষীমূর্তিটা এখানকার মন্দিরের বাইরের কোনো অংশ ছিল। আগে অনেক ক্ষেত্রে মন্দির বা নগরীর পাঁচ-দশ মাইল বেড় দিয়ে পাঁচিল তৈরি করা হত। এটা তেমনই কিছু হবে।’ সুদীপ্তরা আবার চলতে শুরু করল। এবারের যাত্রাপথে অনেক পাখি চোখে পড়তে লাগল। এক জায়গায় মোষের মতো কয়েকটা প্রাণীকে দূর থেকে দেখতে পেল সুদীপ্তরা। প্রাণীগুলো মনে হয় বেশ লাজুক। সুদীপ্তদের দেখামাত্রই বনের আড়ালে চলে গেল।

    সুদীপ্ত প্রশ্ন করল, ‘ওগুলো কি বুনো মহিষ

    হেরম্যান বললেন, ‘না। আমি এই প্রথম দেখলেও ওদের ছবি আগে দেখেছি। গোরু ও মোষের মাঝামাঝি প্রাণী। শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই দেখা মেলে। অদ্ভুত নাম ওদের, ‘হোয়াট টু সি’ অর্থাৎ ‘কী দেখব’?’

    এসব দেখতে পেলেও প্রাচীন মন্দিরের কোনো চিহ্ন ধরা দিল না তাঁদের চোখে। সূর্য যখন ঠিক মাথার উপর, তখন একটু জিরিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁরা বসলেন।

    হেরম্যান বললেন, ‘দেড়দিন তো কেটে গেল। কাল সন্ধের মধ্যে তো আবার তাঁবুর কাছে ফিরতে হবে। আমাদের আগে সেই মন্দিরটার কাছে পৌঁছনো দরকার। তেমন হলে আজ সারা রাত চলব আমরা।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘রিচার্ড যখন লিখেছেন, তখন মন্দির নিশ্চয়ই কোথায় আছে।’ হেরম্যান এগোবার জন্য উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আমার ধারণা, সোনার ড্রাগনও নিশ্চয়ই সেখানে আছে।’

    আবার চলা শুরু হল তাঁদের। কিছুক্ষণ পর তাঁরা হাজির হলেন জঙ্গলের মধ্যে একটা ফাঁকা জমিতে। তার ওপাশে জঙ্গল আরও ঘন। বলা যেতে পারে, ফাঁকা জমিটা দুটো জঙ্গলের সীমারেখা। সেই জমিতে দিনের আলোয় প্রথম একটা কোমোডো দেখলেন তাঁরা। বেশ বড় ড্রাগন। সাত-আট ফুট লম্বা হবে। বলা বাহুল্য, হেরম্যানের ড্রাগন সেটা নয়। কালচে লাল তার দেহ। কিছুটা ছাই-ছাই রং। প্রাণীটা ঘাড় তুলে ওপাশের জঙ্গলের দিকে কী দেখছে আর মাঝেমধ্যে নাক তুলে বাতাস থেকে সম্ভবত গন্ধ নেওয়ার চেষ্টা করছে।

    সুদীপ্ত ক্যামেরা বের করে বেশ কয়েকটা ফোটো তুলল প্রাণীটার। সে কিন্তু সুদীপ্তদের উপস্থিতি খেয়াল করল না। অতি ধীর পায়ে বাতাসে কিসের গন্ধ শুঁকতে-শুঁকতে ফাঁকা জমি ছেড়ে ওপাশে গিয়ে ঢুকল। সুদীপ্তরাও এর পর ফাঁকা জমি পেরিয়ে সেখানে ঢুকল। তবে সেই কোমোডোটা আর চোখে পড়ল না।

    কিছুটা এগিয়েই হঠাৎ একটা গাছের গুঁড়ির দিকে তাকিয়ে চমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন দুজনে। গাছের চারপাশ ঘিরে মাটির উপর জেগে আছে সার-সার নরকঙ্কাল! তারা যেন মাটি ফুঁড়ে উঠে দাঁড়াতে চাইছে। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে বিস্ময়ের ঘোর কাটার পর হেরম্যান বললেন, ‘সম্ভবত এটা আদিম অধিবাসীদের গোরস্থান। মানুষগুলোকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘কাদের গোরস্থান এটা? আপনি তো বলেছিলেন, এ দ্বীপে মানুষ থাকে না!’

    তিনি বললেন, ‘তাই তো জানি। এমন হয়তো হতে পারে, আশপাশের কোনো দ্বীপ থেকে মানুষ এখানে আসে।’

    হেরম্যান বললেন, ‘একটা অদ্ভুত ব্যাপার দেখছি। ভালো করে লক্ষ করো, অধিকাংশ কঙ্কালগুলোর কিন্তু হাত নেই। আমার ধারণা, এদের কারও স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি।’ কিছুদূর এগোতেই কোথা থেকে যেন অস্পষ্ট কথাবার্তার শব্দ কানে এসে লাগল তাঁদের, আর তারপরই গাছপালার ফাঁক দিয়ে কয়েকটা অস্পষ্ট অবয়ব দেখতে পেলেন তাঁরা। ওরা কারা? ভালো করে সেদিকে দেখার পর হেরম্যান বললেন, ‘আরে, মনে হচ্ছে মিস্টার সালুইনরা! তা হলে ওঁরাও এদিকে এসেছেন?’

    হেরম্যান তাঁদের দিকে এগোলেন। একসারি বিরাট গাছের ওপাশে তাঁরা দাঁড়িয়ে আছেন। সুদীপ্তরা সেই গাছের আড়ালে পৌঁছতেই কানে এল মিস্টার সালুইনের গলা, ‘তুমি ফালতু বিদেশি দুটোকে জাঙ্কে তুলতে গেলে কেন? ওদের মতলব ঠিক বুঝতে পারছি না। জার্মানটাকে বললাম, বরবুদুর মন্দিরে হাতি আর কোমোডোর লড়াইয়ের পাথরমূর্তি কী সুন্দর ! তা শুনে জার্মানটা সম্মতি জানাল। আসলে বরবুদুরে ওরকম কোনো মূর্তি নেই। লোকটা ওখানে যায়নি। যে ইতিহাসবিদ, সে ইন্দোনেশিয়ার বরবুদুর দেখবে না? ওরা নিজেদের উদ্দেশ্য গোপন করছে।’

    কথাগুলো কানে যেতেই সুদীপ্তরা আর না এগিয়ে গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে পড়ল। সালুইন জায়ার কাছাকাছি লু-সেনকেও এবার দেখতে পেলেন তাঁরা। তাঁর হাতে ধরা একটা রাইফেল! বুকে কার্তুজের বেল্ট ঝুলছে। জাঙ্ক থেকে নামার সময় তাঁকে সশস্ত্র অবস্থায় দেখেনি সুদীপ্তরা। ওঁরা আড়ালে দাঁড়িয়ে শুনতে লাগলেন তাঁদের কথাবার্তা।

    সালুইনের কথার উত্তরে লু-সেন জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হচ্ছে লোক দুটো অন্য কোনো ধান্দায় এসেছে। আসলে জার্মানটা আমার সামনে এমনভাবে ডলারের তাড়া নাচাল যে, লোভ সামলাতে পারলাম না। গতবার ছেলেটাকে ধরার সময় আমার যে লোক দুটো জংলিদের হাতে মারা গেল, তাদের পরিবারকে ওই টাকা দিতে হবে। না হলে আমাদের এ দ্বীপে আসার ব্যাপারটা ফাঁস হয়ে যেতে পারে। তবে লোক দুটোকে নিয়ে বেশি ভাবার দরকার নেই। তেমন হলে ওদের দ্বীপেই ছেড়ে রেখে যাব। আর খুব বেশি অসুবিধে হলে…।’ বলে হাতের রাইফেল তুলে দাঁত বের করে হাসল লু-সেন। গাছের আড়াল থেকে লু-সেনের ইঙ্গিতটা বুঝতে সুদীপ্তদের অসুবিধে হল না।

    সালুইন বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করে বললেন, ‘তা তো বুঝলাম। কিন্তু এত কষ্ট করে ছেলেটাকে ধরা হল, নিয়ে গিয়ে তিনমাস ধরে খাওয়ানো হল, আবার এখানে আনা হল, কিন্তু লাভ তো কিছু হল না। আমার মনে হয়, আস্কারি দ্বীপের অন্য জংলিদের মতো মন্দিরে কোথায় সোনা লুকোনো আছে, তা ওরও জানা। অত বড় মন্দিরের সব জায়গা তো আর খোঁড়া যাবে না! গতবার তিনদিন ধরে অনেক খুঁজেছি, কোথাও পাইনি। তবে আমার স্থির বিশ্বাস, সোনা ওখানেই আছে। না হলে গতবার মন্দির চত্বরে বাচ্চাটাকে ধরার সময় যে জংলিটাকে আমরা মারলাম, তার কাছে সোনার গুঁড়ো এল কীভাবে? ওই মন্দির চত্বরের কোমোডোদের জংলিরা নিছক পুজো করতে আসে না, মন্দিরে নজর রাখতেও আসে।’

    এরপর তিনি বললেন, ‘দ্যাখো, কোনোভাবে ছেলেটাকে ভয় দেখিয়ে আকারে-ইঙ্গিতে কথা বের করতে পারো কি না??

    লু-সেন বলল, ‘ভাষাটাই তো বড় সমস্যা। তিনমাস ধরে চেষ্টা করেও বিন্দুবিসর্গ কথা বুঝতে পারছি না। তবে কোমোডো ধরার টোপ হিসেবে ও কিন্তু দারুণ! সোনা না পাই, গোটা দশেক চামড়া পেলেই একটা জাঙ্ক কেনা যাবে।’ কথাগুলো বলেই বেশ উত্তেজিতস্বরে একটু চাপা গলায় লু-সেন সামনের দিকে সালুইন জায়াকে কী যেন দেখিয়ে বলল, ‘আরে, ওই দেখুন, বাঁদরের রক্তের গন্ধে ঠিক হাজির হয়েছে একটা।’

    লু-সেন সালুইনকে কী দেখাচ্ছে তা দেখার জন্য গাছের গুঁড়ির আড়াল থেকে আর-একটু মাথা বের করতেই একটা অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়ল। সালুইনরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন তার সামনে জঙ্গলঘেরা বেশ বড় একটা নেড়া মাঠ। পাথর আর মাটি ভরা জায়গা। ঘাসের চিহ্ন নেই। মাঠের প্রান্তে দুপুর রোদে উবু হয়ে পাথরের মূর্তির মতো হাঁটুতে মাথা গুঁজে বসে আছে সেই ছেলেটা। তার কোমরের দড়ির এক দিক একটা খোঁটায় বাঁধা। ছেলেটার গায়ে কালচে ধরনের কী যেন মাখানো। দূর থেকেই বোঝা যাচ্ছে তাকে ঘিরে মাছি জাতীয় পোকা ভনভন করছে। আর এর পরই অদ্ভুত ব্যাপারটা চোখে পড়ল। জঙ্গলের এক প্রান্ত থেকে বেরিয়ে ছেলেটার দিকে এগোচ্ছে একটা কোমোডো ড্রাগন! খুব ধীর গতিতে সতর্ক ভঙ্গিতে সে এগোচ্ছে। মাঝে-মাঝে থেমে নাক উঁচু করে বাতাসে কিসের গন্ধ নিচ্ছে! ছেলেটাই যে তার শিকার তা বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না। তবে সালুইন বা গাছের আড়ালে সুদীপ্তরা যেদিকে দাঁড়িয়ে আছেন, সেদিকে নজর নেই প্রাণীটার।

    সুদীপ্তরা লক্ষ করল লু-সেন ধীরে-ধীরে রাইফেল ওঠাচ্ছে। ড্রাগনটাও ক্রমশ এগোচ্ছে ছেলেটার দিকে। আর মাত্র ফুট দশেকের ব্যবধান।

    হেরম্যান বললেন, ‘আর দেরি করা ঠিক নয়। কোমোডো বা রাইফেলের গুলি যে-কারও হাতে ও মারা যেতে পারে!’

    হেরম্যান গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে মাথার উপর রিভলভার তুলে ব্লাঙ্ক ফায়ার করলেন। তার পরই লু-সেন রাইফেল চালাল। পরপর দুটো আগ্নেয়াস্ত্রের শব্দে খানখান হয়ে গেল বনভূমির নিস্তব্ধতা। রিভলভারের শব্দে মনে হয় হাত কেঁপে গিয়েছিল লু-সেনের। তার গুলি কোথায় লাগল বোঝা গেল না, শুধু ছেলেটার কাছাকাছি মাটিতে সামান্য ধুলো ছিটকে উঠল। আতঙ্কে চিৎকার করে উঠে দাঁড়াল ছেলেটা। ড্রাগনটাও যেন একটু লাফিয়ে মুহূর্তের মধ্যে শরীরটাকে মোচড় দিয়ে বাঁক নিয়ে বিদ্যুৎগতিতে জমি পেরিয়ে জঙ্গলে অদৃশ্য হয়ে গেল। এর পরেই লু-সেনের রাইফেলের নল ঘুরে গেল পিছন দিকে। সালুইনের হাতে উঠে এল রিভলভার। জাঙ্কের অন্য লোকগুলোও কোত্থেকে যেন ছুটে এল, তারাও প্রত্যেকেই সশস্ত্র। উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্রের ঘেরা টোপে বন্দি হলেন তাঁরা দুজন।

    সালুইনই এগিয়ে এসে বললেন, ‘আপনাদের সঙ্গে দেখা হয়ে ভালোই হল। আপনাদের এ দ্বীপে আসার আসল উদ্দেশ্য কী বলুন তো? আপনি যে আমাদের মিথ্যে পরিচয় দিয়েছেন তা আমি বুঝতে পেরেছি।’

    হেরম্যান বললেন, ‘মিথ্যে পরিচয় আপনিও দিয়েছেন। আপনিও গাছের ব্যাপারে জঙ্গলে আসেননি। কেন এসেছি তা আপনাকে বলতে বাধ্য নই।’

    লু-সেন বলল, ‘আলবাত বাধ্য, নইলে আর ফেরা হবে না।

    হেরম্যান বললেন, ‘ফেরা হবে না মানে? তোমাকে আমরা টাকা দিয়েছি।’ লু-সেন বলল, ‘দিয়েছেন বলে কি মাথা কিনে নিয়েছেন? আপনাকে জাঙ্কে তুলব কি না সেটা আমার মর্জির ব্যাপার!’

    সে আরও কী যেন বলতে যাচ্ছিল, হঠাৎ সালুইনদের একটা লোক চেঁচিয়ে বলল, ‘আরে, ছেলেটা পালাচ্ছে! দড়ি ছিঁড়ে গিয়েছে।’

    ছেলেটার অস্তিত্ব যেন ভুলেই গিয়েছিলেন সকলেই। মাঠের দিকে তাকালেন সকলে, ছেলেটা উলটো দিকের জঙ্গলে দিকে ছুটতে শুরু করেছে।

    সালুইন বললেন, ‘ওকে পালাতে দেওয়া যাবে না। পায়ে গুলি করো।’ লু-সেন ঘুরে দাঁড়িয়ে রাইফেল তাক করল। হেরম্যান বাধা দেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লেন লু-সেনের উপর। তাঁরা দুজনেই মাটিতে পড়ে গেলেন। একটা লোক দৌড়ল ছেলেটাকে ধরার জন্য। সুদীপ্ত হেরম্যানকে সাহায্য করার জন্য এগোতে যাচ্ছিল। কিন্তু পিছন থেকে একজন বন্দুকের কুঁদো দিয়ে তার মাথায় আঘাত করল। মাটিতে পড়ে যাওয়ার আগে সুদীপ্ত দেখতে পেল সেই ছেলেটা মিলিয়ে যাচ্ছে জঙ্গলের মধ্যে।

    সুদীপ্তর জ্ঞান ফিরতে দেখল, তাকে বেঁধে ফেলেছে লু-সেনের লোকজন। পাশেই আছেন হেরম্যান। তাঁর সাদা দাড়িতে লাল রক্তের ছোপ।

    কিছুটা তফাতে দাঁড়িয়ে আছেন সালুইন জায়া, লু-সেন। একজন লোক জঙ্গল থেকে বেরিয়ে তাঁদের কাছে এসে দাঁড়াল। হাতে একটা দড়ির টুকরো। সে বলল, ‘না, পাওয়া গেল না।’

    লু-সেন তার হাতের দড়িটা নিয়ে পরখ করে বলল, ‘কোমোডোটাকে মারতে গিয়ে যে গুলি চালিয়ে ছিলাম, তাতেই ছিঁড়েছে।’

    সালুইন বললেন, ‘সময় নষ্ট করা যাবে না। ছেলেটাকে খুঁজতে হবে। ও সাঁতরে আস্কারি দ্বীপে পৌঁছলেই সর্বনাশ! একটা কাজ করা যাক লু-সেন, তোমার লোকেরা ছেলেটার পিছু ধাওয়া করুক, আমি আর তুমি যাব যেদিকে যাওয়ার কথা সেদিকে। তবে তার আগে এদের ব্যবস্থা করা যাক।’

    তাঁদের কাছে এসে সালুইন কর্কশ গলায় বললেন, ‘দুজনকেই শেষবারের মতো জিজ্ঞেস করছি, আপনাদের এখানে আসার উদ্দেশ্য কী?’

    সুদীপ্ত বলল, ‘আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনো শত্রুতা নেই। আপনাদের কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টিও আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আর যাই হোক সোনাটোনার সন্ধানে আমরা আসিনি, পুলিশের লোকও নই। আমাদের দড়ি খুলে দিন।’

    সালুইন বললেন, ‘আমার প্রশ্নের জবাব এটা নয়। কেন এসেছেন এখানে?’ হেরম্যান বললেন, ‘আগেই তো বলেছি, তার উত্তর দেব না।’

    সালুইন হেরম্যানকে বললেন, ‘এর ফল ভুগতে হবে আপনাদের।’

    হেরম্যান বললেন, ‘আমরা যে তোমাদের জাঙ্কে চেপেছি তা অনেকেই দেখেছে, আমাদের কিছু হলে পুলিশ তোমাদের ছাড়বে না।’

    সালুইন বললেন, ‘ও নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। আপনার রিভলভার তো আমার কাছে রইলই। এটা পুলিশকে জমা দিয়ে বলব, আপনি রিভলভার দেখিয়ে আস্কারি দ্বীপে জাঙ্ক ভেড়াতে বাধ্য করেছিলেন। দ্বীপে নেমে আপনারা জংলিদের হাতে ধরা পড়েছেন।’

    সালুইনের কথা শুনে সকলে হেসে উঠল ।

    সুদীপ্তদের হাজির করা হল সেই গাছটার তলায়, যেখানে তাদের দেখা নরকঙ্কালগুলো আছে। সুদীপ্ত আর হেরম্যানের পা দুটো বাঁধা হল, তারপর মোটা দড়ি দিয়ে দুজনকে গাছের গুঁড়ির সঙ্গে এমনভাবে বাঁধা হল, যাতে কেউ নড়তে না পারে।

    একাজ শেষ হওয়ার পর সালুইন হেরম্যানকে বললেন, ‘গোঁয়ার্তুমির ফল ভোগ করুন।

    আস্কারি দ্বীপের শাস্তিদানের জায়গা এটা। জংলিরা তাদের শত্রুদের এখানে এনে হাত-পা বেঁধে দাঁড়ানো অবস্থায় মাটিতে অর্ধেক পুঁতে রাখে। তারপর তাদের দুটো হাত কেটে দেয়। সামান্য রক্তের গন্ধও দূর থেকে টের পায় জীবন্ত ড্রাগন। গন্ধ অনুসরণ করে একে-একে হাজির হয় এখানে। প্রতীক্ষা করে কখন সেই মানুষটা ক্ষুধা-তৃষ্ণা- রক্তপাতে অবসন্ন হয়ে পড়ে। আর তারপর…। তবে পচা মাংসও ওরা খুব তৃপ্তি করে খায়!’ হেরম্যান চিৎকার করে বললেন, ‘শয়তান…!’

    সালুইন দলবল নিয়ে এগোলেন জঙ্গলের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }