Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আহুল – ১

    ১

    ‘আ-আ-হু-উ-উ-ল…!’ আধো ঘুমের মধ্যে শব্দটা যেন শুনতে পেলাম আমি। শঙ্খনাদের মতো গম্ভীর অথচ তীক্ষ্ণ একটা শব্দ। বার কয়েক যেন শব্দটা স্পষ্ট শুনলাম। শব্দটা সত্যি কিনা তা ভালো করে বোঝার আগেই ইরিয়ানের ধাক্কায় ধড়মড় করে উঠে বসলাম। একটা ছোট্ট পেট্রম্যাক্স জ্বলছে তাঁবুর এক কোণে। তাছাড়া বাইরে থেকে চাঁদের আলো তাঁবুর পাতলা কাপড় ভেদ করে ভিতরে ঢুকছে। আমরা দুজনেই মাটিতে শুয়েছিলাম। ধাক্কা খেয়ে উঠে বসে আমার মালয় কুলি ইরিয়ানের মুখের দিকে তাকাতেই দেখি তার মুখ যেন রক্তশূন্য হয়ে গেছে। আমি কিছু বলতে যাচ্ছিলাম কিন্তু তার আগেই আমাকে সে ইশারায় চুপ থাকতে বলে তর্জনী নির্দেশ করল তাঁবুর মাথার দিকে।

    প্রথমটা আমি সেদিকে তাকিয়ে কিছু বুঝতে পারলাম না। কয়েক মুহূর্ত লাগল চোখ সইয়ে নিতে। তারপর আমি দেখতে পেলাম একটা অদ্ভুত জিনিস। তাঁবুটা হালকা, পর্দাটা প্রায় স্বচ্ছ, সিল্কের তৈরি। সেই পর্দা দিয়ে আমি দেখতে পেলাম তাঁবুর ঠিক মাথার ওপর ভাসছে একটা বিরাট বাদুড়! কিন্তু বাবুড় কি এত বড় হয়? তার দুটো ভানার বিস্তার যেন আমাদের পুরো তাঁবুটাকেই ঢেকে দিতে পারে। তাঁবুর মাথার ওপর পনেরো থেকে কুড়ি ফুট ওপরে মৃদু মৃদু ভানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে প্রাণীটা ভাসছে। মাঝে মাঝে তার ডানার ছায়া ঢেকে দিচ্ছে পুরো তাঁবুটাকেই। ঢেকে দিচ্ছে বাইরে মাথার ওপর অত বড় চাঁদটাকেও। অন্ধকার নেমে আসছে তাঁবুর ভিতর! আমার কানের পাশে ইরিয়ানের .ভয়ার্ত গলা শুনতে পেলাম— সাহেব, আ-হুল!!

    সঙ্গে সঙ্গে আমার মনে পড়ে গেল ইরিয়ানের মুখে আজ বিকালে শোনা গল্পটা। কারণে এখানে তাঁবু ফেলার মতো এত সুন্দর জায়গা পেয়েও ইরিয়ান তাঁবু খাটাতে ইতস্তত করছিল। তাহলে ওটা কি সত্যিই ইরিয়ানদের গল্পকথার উড়ুক্কু দানব আহুল? ওই শঙ্খের মতো তীক্ষ্ণ ধ্বনি স্বপ্নে নয়, সত্যি শুনলাম আমি! হতভম্বের মতো আমি তাকিয়ে রইলাম তাঁবুর ছাদের দিকে। ভালো করে দেখার চেষ্টা করলাম প্রাণীটাকে। মাথাটা ভালো করে বোঝা যাচ্ছে না তার। ঘাড়ের ওপর ছুঁচলো কান দুটোই শুধু উঁকি মারছে। কারণ প্রাণীটা সম্ভবত তার মাথাটা নীচের দিকে ঝুঁকিয়ে উড়তে উড়তে তাঁবুটা লক্ষ করছে।

    আর কয়েক মুহূর্ত মাত্র। আর তারপরই প্রাণীটা যেন তাঁবুটাকে লক্ষ্য করেই নীচে নেমে আসতে লাগল। তার বিশাল ডানার ছায়াতে ঢেকে যেতে লাগল তাঁবুটা। ইরিয়ান আতঙ্কে একটা অস্পষ্ট আর্তনাদ করে উঠল। উড়ুক্কু প্রাণীটা তাঁবুর প্রায় মাথায় নেমে এসেছে! নিজের অজান্তেই পাশ থেকে কখন যে রিভলভারটা তুলে নিয়েছিলাম খেয়াল নেই। সে তাঁবুর ওপর নেমে আসতেই তাকে লক্ষ্য করে অটোমেটিক রিভলভার থেকে চালিয়ে দিলাম গুলি! রিভলভারের শব্দ আর প্রাণীটার ডানা ঝাপটানোর শব্দে খান্‌খান্ হয়ে গেল রাত্রির নিস্তব্ধতা। ভয় পেয়ে কোথা থেকে যেন একদল পাখি কর্কশ শব্দে ডেকে উঠল! আর সেই উড়ন্ত প্রাণীটা যেন তাঁবুর ওপর থেকে ছিটকে পড়ল কোথাও। বেশ কিছুক্ষণ ধরে বাইরের পাহাড়-জঙ্গলে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল গুলি আর অন্যান্য মিলিত শব্দ। তারপর বাইরের পৃথিবী আবার নিস্তব্ধ হয়ে গেল। বাইরে থেকে শুধু ভেসে আসতে লাগল ক্রেটারের গা বেয়ে নেমে আসা ঝরনার ঝরঝর শব্দ।

     

     

    ইরিয়ানের দিকে তাকিয়ে দেখলাম সে তখনও ঠকঠক করে কাঁপছে। আমি হতভম্ব কম হইনি। কিন্তু আমি আমার কর্তব্য ঠিক করে নিলাম। আমার সাহস বরাবরই বেশি, হয়তো বা তাকে দুঃসাহসই বলা যায়। নইলে আমার মতো কোনো ধাতুবিদ এই শ্বাপদসঙ্কুল, আগ্নেয়পর্বত অধ্যুষিত জাভার জঙ্গলে একজন কুলি আর একটা রিভলভার সম্বল করে ধাতু খুঁজতে আসে?

    আমি তাঁবুর বাইরে বেরুব। দেখতে হবে ব্যাপারটা কী। রিভলবারের ছ-টা গুলিই খালি করে দিয়েছিলাম । নতুন ম্যাগাজিন ভরে আমি উঠে তাঁবুর দরজার সামনে দাঁড়ালাম। সাবধানে পর্দা ফাঁক করে বাইরে তাকালাম। জ্যোৎস্না-বিধৌত পৃথিবী। কিছু দূরে ক্রেটারের গা বেয়ে নেমে আসা ঝরনাটা ঝলমল করছে চাঁদের আলোতে। তার আড়ালে সেই গুহামুখটাও যেন দেখা যাচ্ছে। এই ছোট্ট কালো আগ্নেয় পাহাড়টার ঠিক নীচেই আমাদের তাঁবু ছোট্ট একটা সমতল জায়গাতে। একদিকে পাহাড়, ঝরনা আর অন্য তিনদিকে বাঁশ, আর অন্যান্য গাছের ঘন জঙ্গল। ঝরনার জল একপাশের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে গিয়ে হারিয়ে গেছে অন্য কোথাও। চারপাশে যতটা দেখা যায় দেখার চেষ্টা করলাম ৷ মাথার ওপর চাঁদ হাসছে। শান্ত-সুন্দর পৃথিবী। কিছুক্ষণ আগের ঘটনাটা যেন নেহাতই স্বপ্ন।

    তবুও সাবধানে তাঁবুর বাইরে এসে দাঁড়ালাম। সব কিছু তো ঠিকঠাকই বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু এরপরই কিছুটা তফাতে একটা জিনিস নজরে পড়ল আমার। জ্বালামুখ বা ক্রেটারের বাইরের গা বেয়ে নেমে আসা ঝরনাটা নীচে নেমে প্রথমে একটা ছোট্ট ডোবা মতো সৃষ্টি করেছে। তার পাড়ে তাঁবু থেকে আনুমানিক ষাট-সত্তর ফুট তফাতে কী যেন একটা নড়ছে! তবে জিনিসটা বিরাট কোনো প্রাণী নয়, ছোটখাটো কিছু হবে। যাই হোক, সাহসে ভর করে রিভলভার তাক করে এগোলাম সেদিকে।

    তার কাছে গিয়ে ভালো করে তাকিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই হেসে ফেললাম আমি। না এটা ‘আহুল’ নয়, তবে একটা বাদুড়। তবে একটু বড় আকারের। আসলে চাঁদের আলোতে, সিনেমার পর্দার মতো তাঁবুর গায়ে তার ছায়াটা ছায়াবাজির মতো বড় আকারে ধরা দিয়ে আমাদের দৃষ্টিবিভ্রম ঘটিয়েছিল।

     

     

    প্রাণীটা তখনও নড়ছে।

    তাঁবুর দিকে তাকিয়ে দেখলাম ইরিয়ান বাইরে বেরিয়ে এসেছে। হাত নেড়ে তাকে ডাকতেই সে আমার কাছে এগিয়ে এল। তার হাতে ধরা আছে একটা ধারালো ‘দা’ বা ‘বোলো’। চাঁদের আলোতে ঝিলিক দিচ্ছে সেটা। তবে তখনও তার মুখে আতঙ্কের স্পষ্ট ছাপ।

    আমি প্রাণীটাকে দেখিয়ে তার উদ্দেশ্যে বললাম, এই যে তোমার ‘আহুল’ এখানে শুয়ে আছে।

    প্রাণীটার দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে হাসি ফুটে উঠল তার মুখে। ক্রমশই চওড়া হল তার হাসি। সে হাসি শুধু আতঙ্ক অবসানের জন্য নয়, অন্য একটা কারণও আছে তার পিছনে। ইরিয়ানরা বাদুড় খায়। আমাদের এই যাত্রা শুরুর দ্বিতীয় দিনে একটা বাদুড় মেরে পুড়িয়ে খেয়েছিল সে। ফল খায় বলে বাদুড়ের মাংস নাকি খুব সুস্বাদু হয়। যদিও বাদুড়ের মাংস খেতে আমার রুচি হয়নি, বরং ইরিয়ানের খাওয়া দেখে আমার গা গুলিয়ে উঠেছিল। বাদুড়টার দিকে তাকিয়ে ইরিয়ান একটু লজ্জিতভাবে হেসে বলল, আসলে ‘আ-হুলের’ গল্প ছোটবেলা থেকে এত শুনেছি যে মনের মধ্যে গেঁথে আছে ব্যাপারটা। তাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তবে তাঁবুর ভিতরে এটা নিয়ে ঢোকা চলবে না। যা দুর্গন্ধ বেরুচ্ছে প্রাণীটার গা থেকে। এটা নিয়ে গেলে বাকি রাতটা আর গন্ধে ঘুমানো যাবে না।

    ইরিয়ান বলল, ঠিক আছে, ভিতরে নেব না।

    এই বলে সে তার দা-টা বাগিয়ে বাদুড়টার আরও কাছে এগিয়ে গেল প্রাণীটার মৃত্যুযন্ত্রণা শেষ করার জন্য। কিন্তু প্রাণীটার দেহে তখনো মনে হয় কিছুটা জীবনীশক্তি অবশিষ্ট ছিল। ইরিয়ান তার ওপর ঝুঁকে পড়তেই সে হঠাৎ তার ভাঙা ডানা ঝাপটিয়ে মাটি ছেড়ে উঠে আমাদের মাথার ওপর দিয়ে শেষ একবার পালানোর চেষ্টা করল। আবার একটা গুলি চালালাম আমি। আবার নিস্তব্ধতা ভঙ্গ হল। রিভলবারের শব্দ পাহাড়-জঙ্গলে অনুরণিত হল বেশ কিছুক্ষণ ধরে। লক্ষ্য কিন্তু অব্যর্থ। তবে উড়ন্ত অবস্থায় গুলির অভিঘাতে প্রাণীটা ছিটকে গিয়ে পড়ল পঞ্চাশ ফুট দূরে পাথরের গা বেয়ে ঝরনাটা যেখান দিয়ে নামছে তার কাছে একটা পাথরের ওপর। তার আছড়ে পড়ার ধরন দেখেই বুঝলাম সে আর কোনোদিন উড়বে না। ডোবার পাড় বেয়ে পাথর বিছানো একটা রাস্তা আছে ঝরনার কাছে পৌঁছবার। চাঁদের আলোতে ঝরণর আড়ালের অন্ধকার গুহামুখটা এখন অনেকটাই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আমি ইরিয়ানকে বললাম—এবার তুমি তোমার কাজ করো। আমি শুতে চললাম। কাল ভোরেই রওনা হব। ক্রেটারের মাথায় উঠে দেখতে হবে রাস্তার কোনো চিহ্ন চোখে পড়ে কিনা?

     

     

    আমার কথা শুনে সম্মতিসূচক মাথা নেড়ে ভেজা পাথরের ওপর পা ফেলে ইরিয়ান এমনভাবে ঝরনার দিকে এগোল যে আমি বুঝতে পারলাম কাল ভোরে ওই হতভাগ্য বাদুড়টার চামড়া ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। ইরিয়ান এগোল সেদিকে আর আমি এগোলাম তাঁবুর দিকে। ঘুমিয়ে নিতে হবে।

    ৩াবুর মধ্যে পা রেখে হঠাৎই আমার একটা ব্যাপারে খটকা লাগল। আহুলরূপী উড়ন্ত প্রাণীটা নয় বাদুড়, কিন্তু সেই বিচিত্র শব্দটা! যে শব্দটা আমার কানে গিয়েছিল? সেটা কি তবে ঘুমন্ত অবস্থায় শোনা কল্পনা? ইরিয়ান কি শোনেনি সেই শব্দ?

    এ ব্যাপারটা ভাবতে না ভাবতেই হঠাৎই একটা তীব্র আর্তনাদ ভেসে এল বাইরে থেকে। আরে এ যে ইরিয়ানের আর্ত চিৎকার! মাটির ওপর পড়ে থাকা টর্চটা তুলে নিয়ে রিভলভার হাতে সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে এলাম। ইরিয়ানের যেখানে থাকার কথা সে সেখানে নেই! সে জায়গার দিকে ছুটলাম আমি। ডোবার পাড়ে পিছল পাথরে পা রেখে কোনোরকমে পৌঁছে গেলাম ঝরনার সামনে। সেই বাদুড়টা এখনো একই জায়গাতে পড়ে আছে, কিন্তু ইরিয়ান কোথাও নেই! চারপাশে তাকে দেখতে না পেয়ে আমি চিৎকার করে উঠলাম, ইরিয়ান? ইরিয়ান? আমার চিৎকার প্রতিধ্বনিত হতে লাগল পাহাড়ের গায়ে। আর এরপরই একটা অস্পষ্ট শব্দ পেলাম আমি। সে শব্দ সম্ভবত ঝরনার আড়ালে গুহামুখের ভিতর থেকে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি টর্চের আলো ফেললাম সে দিকে। ওপর থেকে নেমে আসা জলস্রোত ভেদ করে ওপাশে সামান্য কিছুটা আলো গিয়ে পৌঁছল গুহার ভিতরে। মুহূর্তের জন্য কেন জানি না মনে হল একজোড়া উজ্জ্বল লাল চোখ গুহার ভিতর থেকে চেয়ে আছে আমার দিকে। আর তারপরই সেই অন্ধকার গুহার ভিতর থেকে জলস্তর ভেদ করে কী একটা জিনিস যেন ছিটকে বেরিয়ে এসে ঠং করে আমার কিছুটা তফাতে পাথরের ওপর পড়ল। জিনিসটার দিকে তাকাতেই চমকে উঠলাম আমি। কনুই থেকে ছিন্ন হয়ে যাওয়া মানুষের একটা হাত! সে হাতে তখনো ধরা আছে একটা ‘বোলো’! ইরিয়ানের ‘দা’ ধরা হাতটা! টর্চটা আমার হাত থেকে খসে পড়ার আগে আমি স্পষ্ট দেখলাম গুহার ভেতর থেকে লাল রঙের একটা ধারা যেন বাইরে এসে মিশছে ঝরনার জলের সঙ্গে! টর্চটা খসে পড়ল হাত থেকে। একটু তফাতেই মাটির ওপর পড়ে আছে ইরিয়ানের কাটা হাতটা। হঠাৎই যেন আতঙ্ক পেয়ে বসল আমাকে। ঝরনার আড়ালে গুহামুখ লক্ষ্য করে পরপর বেশ কয়েকটা গুলি ছুড়লাম, তারপর ছুটতে শুরু করলাম তাঁবুর দিকে।

     

     

    তাহলে কি যে শব্দটা শুনে আমি উঠে বসেছিলাম সেটা সত্যি? ঝরনার আড়ালে গুহার ভিতর থেকে উঁকি দেওয়া চোখ দুটো কিসের?

    সে ঘটনার পর ঘণ্টা পাঁচেক সময় কেটে গেছে। বাইরে আর কোনো শব্দ পাইনি। ঘড়ির কাঁটা বলছে ভোর হয়ে এল। দু-একটা পাখির ডাকও মনে হয় শোনা যাচ্ছে। দিনের আলো ভালো করে ফুটলেই এ জায়গা ত্যাগ করব আমি। ইরিয়ান নিশ্চয়ই আর ফিরবে না। একলাই এগোতে হবে আমাকে। আমার অনুমান উত্তর দিকে আর কিছুটা এগোলেই সমুদ্রর দেখা মিলে যাবে। হয়তো বা সেটা আর মাত্র একটা দিনের পথ…।

    হাতে ধরা কাগজ থেকে উপরের অংশটা পাঠ করলেন হেরম্যান। লেখাগুলো একটা দিনলিপির শেষাংশ। মূল ডায়েরিটা অবশ্য নয়। সে ডায়েরি থেকে লেখাগুলো উঠিয়ে কাগজে টাইপ করা হয়েছে। একগোছা কাগজ হেরম্যানের হাতে। হেরম্যানের পড়া শেষ হতেই টেবিলের ওপাশে বসা মাঝবয়সি লোকটা সুদীপ্তদের উদ্দেশ্যে বলে উঠলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর অলিভিয়েরা নামক ওই ওলন্দাজ ধাতুবিদ সমুদ্রতীর পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি। একদল মালয় জেলে জঙ্গলে ঢুকেছিল কাঠ আনতে। সমুদ্রতীর থেকে বেশ গভীরে একটা ছোট আগ্নেয় পর্বতের পাদদেশে ওই ভদ্রলোকের ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ আবিষ্কার করে তারা। দেহের একটা বড় অংশ কোনো একটা প্রাণী খেয়ে গিয়েছিল। আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছিল তার কিছু জিনিসপত্র। ডায়েরিটাও ছিল তার মধ্যে। এই ডায়েরিটা দেখেই তাকে শনাক্ত করা হয়।

    হেরম্যান জানতে চাইলেন, আসল ডায়েরিটা এখন কোথায়?

    জাভা ক্রনিকালের বান্দুং দপ্তরের প্রধান মিস্টার আলি জবাব দিলেন, ওটা পুলিশের হেফাজতে আছে। তবে চিন্তা নেই, যে কাগজগুলো আপনাদের দিলাম তা হুবহু ওই ডায়েরি থেকে কপি করা। এরপর একটু থেমে তিনি বললেন, আমাদের সংবাদপত্রের জাকার্তার হেড অফিস থেকে আমাকে আপনাদের সবরকম সাহায্য করতে বলা হয়েছে। আপনাদের সাংবাদিকের পরিচয়পত্রও তৈরি। কিন্তু একটা কথা, আপনারা দুজন নাকি আসলে ক্রিপ্টোজ্যুলজিস্ট? এ শব্দটা আমার অজানা। এর মানেটা কী? আপনাদের অভিযানের বিবরণ যে আপনারা আমাদের হাতে তুলে দেবেন, সে মর্মে আমাদের কাগজের সঙ্গে চুক্তির কথাটাও আমার জানা। শুধু অভিযানের কারণ জানা নেই। হেড অফিস থেকে বলা হয়েছে, সেই গোপনীয় ব্যাপারটা আপনারাই আমাকে জানাবেন৷

     

     

    সুদীপ্ত এতক্ষণ চুপচাপ বসে মিস্টার আলি আর হেরম্যানের কথোপকথন শুনছিল। এবার সে হেরম্যানের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে মিস্টার আলির উদ্দেশ্যে বলল, হ্যাঁ, আমরা ক্রিপ্টোজ্যুলজিস্ট। আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর দিলেই দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। ব্যাপারটা আপনাকে সংক্ষেপে বুঝিয়ে বলি। বিভিন্ন দেশের রূপকথা, লোকগাথা, উপকথায় বিভিন্ন অদ্ভুত প্রাণীর সন্ধান পাওয়া যায়। বাস্তবের ওইসব প্রাণীর উপস্থিতি সাক্ষ্যপ্রমাণসহ না মিললেও দীর্ঘদিন ধরে ওইসব প্রাণীর কথা শুনে আসছি আমরা। এই যেমন হিমালয়ের তুষার মানব বা ‘ইয়েতি’, আমেরিকার ‘বিগফুট’, আফ্রিকার ‘সিংহ-মানুষ’, মাদাগাস্কারের ‘নরখাদক গাছ’, স্কটল্যান্ডের ‘লেকনেসির জলদানব’ বা ভারতের লোকগাথার কথা-বলা পাখি ‘ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমী’। এমনকি ‘টেরডাকটাইলের’ মতো প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর উপস্থিতি আজও বোর্নিওর জঙ্গলে আছে বলে অনেকের ধারণা। এইসব লোককথা-উপকথা বা প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীকে বলা হয় ‘ক্রিপটিড’। আর যাঁরা সেসব প্রাণী নিয়ে অনুসন্ধান করেন তাঁদের বলা হয় ‘ক্রিপ্টোজ্যুলজিস্ট’।

    সুদীপ্তর কথা শুনে মিস্টার আলি অবাক হয়ে বললেন, বুঝলাম, তার মানে আপনারা এসেছেন ‘আ-হুলের’ খোঁজে! কিন্তু এসব ব্যাপার তো ফ্যান্টাসি! তার জন্য আপনারা একজন ইন্ডিয়ান, অন্যজন জার্মানি থেকে এই জাভায় ছুটে এসেছেন।

    সুদীপ্ত হেসে বলল, ঠিক তাই। সত্যিই এক সময় ব্যাপারটাকে ফ্যান্টাসি ভাবত। অনেকে ক্রিপ্টোজ্যুলজিস্টদের ধাপ্পাবাজ বলতেও ছাড়েননি। কিন্তু আজকে অনেকেই
    আর এ ব্যাপারটাকে উড়িয়ে দিতে পারছেন না। ধরুন, এক সময় সমুদ্র অভিযানের গল্পে দানব অক্টোপাসের কথা শোনা যেত। যারা শুঁড়ে পেঁচিয়ে নৌকো ডুবিয়ে দিত। ব্যাপারটাকে অনেকে ভাবতেন অশিক্ষিত জেলেদের গল্প। ক্রিপ্টোজ্যুলজিস্টরা জাপান সরকারের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরে গিয়ে সেই ‘জায়েন্ট স্কুইডের’ চলমান ছবি তুলে পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। সিলিকাস্থ মাছের দেখা মিলেছিল ৪৯ কোটি বছরের প্রাচীন জীবাশ্মে। বিজ্ঞানীরা মানতেনই না তার উপস্থিতির কথা। ১৯৩৮ সালে ক্রিপ্টোজ্যুলজিস্টরা ‘কোমোরোম’ দ্বীপে গিয়ে প্রমাণ করলেন ‘সিলকান্থ’ এখনো বহাল তবিয়তে আছে। বিজ্ঞানীরা তখন ঢোঁক গিলে তার নাম দিলেন, ‘জীবন্ত জীবাশ্ম’। একইভাবে ক্রিপ্টোজ্যুলজিস্টরা প্রমাণ করেছেন, গল্পগাথার স্তন্যপায়ী ডিমপাড়া প্রাণী তাসমেনিয়ার ‘প্লাটিপাস’, সমুদ্রের দানব হাঙর ‘মেগামাউথ শার্ক’কে। এই আপনাদের ইন্দোনেশিয়ার ঘটনাই ধরুন না, সুন্দাদ্বীপের জেলেরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছিল ‘কোমোডো ড্রাগনের’ উপস্থিতির কথা—বিজ্ঞানীরা ব্যাপারটাকে বলতেন গাঁজাখুরি গল্প। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের দেখা মিলল। এমনকী মাত্র একশো বছর আগেও অস্ট্রেলিয়ার ক্যাঙারুকে ইউরোপের লোকেরা গল্পগাথার প্রাণী ভাবত। প্রত্যেক গল্প বা কল্পনার পিছনেই কিন্তু কিছুটা সত্যি আছে। এমন হতেই পারে যে একদিন ইয়েতির বা বিগফুটের অস্তিত্ব প্রমাণিত হতে পারে! প্রমাণ হতে পারে ‘আহুল’ বলে কিছু আছে!

     

     

    একটানা কথাগুলো বলে সুদীপ্ত তাকাল হেরম্যানের দিকে। তাঁর মুখ দেখে সুদীপ্ত বুঝল তিনি বেশ খুশি হয়েছেন। মিস্টার আলি বিস্মিতভাবে বললেন, এত অদ্ভুত ব্যাপার আমার জানা ছিল না। এবার আমি পিনাকপাণিকে ডাকছি। ওর মাতৃভাষা ‘বাহাম’ কিন্তু ভালো ইংরেজি জানে। জঙ্গলটাও ভালো চেনে। ও আপনাদের একাধারে গাইড, একাধারে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করবে। ভীষণ সাহসী ও বিশ্বস্ত।

    ‘পিনাকপাণি’ শব্দটা শুনে প্রথমে খুব আশ্চর্য হল সুদীপ্ত। পরক্ষণেই তার মনে পড়ে গেল হাজার বছর আগে এই যবদ্বীপ ছিল হিন্দু সাম্রাজ্যের অন্তর্গত। প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে সে ছিল এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। এখনো বহু হিন্দু বাস করে জাভা বা যবদ্বীপে। বহু প্রাচীন হিন্দু স্থাপত্যের নিদর্শন আজও দেখতে পাওয়া যায় এখানে। কাজেই পিনাকপাণি নামটা অস্বাভাবিক নয়।

    বেল টিপলেন মিস্টার আলি। দরজা খুলে একজন শক্তপোক্ত মাঝবয়সি লোক ঘরে ঢুকল। কিন্তু তাকে দেখে চমকে উঠল সুদীপ্তরা। লোকটার কপাল, গালের বাঁ পাশটা যেন কেউ রাঁদা মেরে উঠিয়ে নিয়েছে! সে দিকে চোখ-কান কিছু নেই!

    লোকটা এক চোখ দিয়ে সুদীপ্তদের কিছুক্ষণ দেখে একটু হেসে বলল, জঙ্গলে বাঘ ধরেছিল। অর্ধেক মুখ জরিমানা দিতে হল ঠিকই, কিন্তু তার মাথাটাও বাড়ি নিয়ে এলাম। সাহেবরা দেখতে চাইলে দেখাতে পারি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }