Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আহুল – ২

    ২

    বান্দুং জাভা তথা ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম প্রধান শহর। পশ্চিম জাভার প্রশাসনিক সদর দপ্তরও বটে। প্রচুর লোকজন, দোকানপাট, হাইরাইজ। তার মধ্যে আবার কোথাও কোথাও মাথা তুলে এখনো দাঁড়িয়ে আছে ডাচ গির্জা, ব্রিটিশ স্থাপত্য। এ শহরের মাঝখানে দাঁড়ালে বোঝাই যাবে না এ দ্বীপে কোথাও কোনো জঙ্গলের অস্তিত্ব আছে! পিনাক বলে লোকটা আসার পর জাভা ক্রনিকল-এর অফিসে বসেই অভিযানের প্রস্তুতির ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা সেরে সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ল তারা তিনজন। দুটো সরকারি অফিসে যেতে হল পারমিটের ব্যাপারে। রসদপত্রও বেশ কিছু কেনার ছিল। একটা হালকা অথচ বেশ মজবুত তাঁবুও কেনা হল। পিনাক লোকটা বেশ পরিশ্রমী ও চটপটে। সে সঙ্গে থাকায় কাজগুলো অনেক দ্রুত হল। তবে এসব করতে করতে বিকেল হয়ে গেল। লে হাতে কিছুটা সময় থাকায় তারা ঢু মারল বান্দুং মিউজিয়ামে। প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় মানুষের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব জাভায় ত্রিনিল গ্রাম থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫ লক্ষ বছরের প্রাচীন জাভা মানুষের ফসিল। খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীতে ভারতীয়রা জাভা ও সুমাত্রায় প্রতিষ্ঠা করেছিল শ্রীবিজয় রাজ্যের। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে আরবরা দখল নিতে শুরু করে এ জায়গার। তারপর একে একে আসে ওলন্দাজ ও ইংরেজরা। নানা জনগোষ্ঠীর বহু নিদর্শন রাখা আছে মিউজিয়ামে। সেখান থেকে সন্ধ্যাবেলা হোটেলে ফিরল সুদীপ্তরা। হেরম্যান বললেন, আজ ভালো করে ঘুমিয়ে নিতে হবে। পিনাক বলল, আগামীকাল হয়তো একটা লগ হাউস পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু তার পরদিন থেকে কার্যত খোলা আকাশের নীচেই কাটাতে হবে আমাদের।

    লম্বা অভিযানের আগে ঘুমটা খুবই জরুরি ব্যাপার। এটা নিজের অভিজ্ঞতাতেও প্রত্যক্ষ করেছে সুদীপ্ত। খাওয়া সেরে বেশ তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ল দুজন।

    পরদিন ভোরে তারা দুজন যখন হোটেলের পোর্টিকোয় এসে দাঁড়াল তখন সূর্যদেব সবে উদয় হচ্ছেন। পিনাক গাড়ি নিয়ে ইতিমধ্যেই হাজির হয়ে গেছে। সুদীপ্তদের দেখে সে এসে সেলাম ঠুকে দাঁড়াল। আগের দিন তার পরনে ছিল লুঙ্গি আর জামা। আজ সে একেবারে অন্য পোশাকে সজ্জিত। হাই হিল বুট, সামরিক লোকদের মতো জংলা ছাপ জামা প্যান্ট। কোমরে চওড়া বেল্ট থেকে একটা বোলো ঝুলছে। কাঁধে একটা দোনলা বন্দুক। সুদীপ্ত বন্দুকটার দিকে তাকাতেই পিনাক হেসে বলল, লাইসেন্সড আর্মস স্যার। মালয় জলদস্যুরা মাঝে মাঝে সমুদ্র থেকে উঠে এসে জঙ্গলে হানা দেয়। কাঠ ব্যবসায়ীদের ধরে নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে। আমি তো ওদের সঙ্গে জঙ্গলে যাই। তাই এক ব্যবসায়ী লাইসেন্সটা করিয়ে দিয়েছে। বন্দুকটাও তারই দেওয়া।

    বন্দুকটা দেখে পিনাকের ওপর সুদীপ্তদের ভরসা আর একটু বাড়ল। যদিও হেরম্যানের কাছেও রিভলভার আছে এবং তা নিয়ে জঙ্গলে ঢোকার পারমিট গতকালই সংগ্রহ করেছে তারা।

    একটা ল্যান্ডরোভার। মালপত্র নিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই রওনা হয়ে গেল তারা। শহর ছাড়িয়ে ন্যাশনাল হাইওয়ে ধরল গাড়ি। গাড়িটা ভাড়া নেওয়া হয়েছে। চালকের আসনে পিনাক। তাদের গন্তব্য হেলিমুন-সলক ন্যাশনাল পার্কের প্রবেশপথ। এর মধ্যেই অবস্থিত সলক ও হেলিমুন-এ দুটি আগ্নেয় পর্বত। তার পাদদেশে গভীর জঙ্গল। সুদীপ্ত গতকাল ম্যাপে দেখছিল ও-অঞ্চলে ৩৮টি আগ্নেয় পর্বত আছে। তার মধ্যে কয়েকটি পঞ্চাশ-ষাট বছর পর পর অগ্নিবমন করে। পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃত এই পর্বতগুলো সাড়ে দশ মাইল জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। সকল ন্যাশনাল পার্কের গায়েই মাউন্ট গেডে প্যাংগ্রাংগো ন্যাশনাল পার্ক। সলক ও প্যাংগ্রাংগো ন্যাশনাল পার্কের একটা বড় অংশ ভার্জিন ফরেস্ট। অর্থাৎ এখনো সেখানে মানুষের পা পড়েনি। কে বলতে পারে হয়তো সেখানে সত্যিই আছে সেই উড়ুক্কু দানব ‘আহুল’। হয়তো সে অনাবিষ্কৃত কোনো পক্ষী প্রজাতি! হয়তো বা টেরোডাকটাইলেরই কোনো বংশধর। হয়তো কোনো অপার বিস্ময় অপেক্ষা করে আছে সেই পর্বতকন্দরে গহীন জঙ্গলে! এসব ভাবতে ভাবতে এগিয়ে চলল সুদীপ্ত। যেতে যেতে হেরম্যান এক সময় বললেন, আমরা ঠিক যে জায়গাতে যেতে চাইছি সেখানে পৌঁছতে আনুমানিক চারদিন সময় লাগবে। আমরা যদি উল্টোদিক দিয়ে জলপথে সে জায়গায় পৌঁছবার চেষ্টা করতাম তাহলে হয়তো একটা দিন কম লাগত আমাদের। কিন্তু অলিভিয়েরার পথটাই অনুসরণ করতে চাই। ডায়েরিতে তার নিখুঁত বিবরণ আছে। তিনদিন চলার পর তিনি যে পথ হারিয়ে পৌঁছেছিলেন পর্বতগাত্রে সেই ঝরনার কাছে। যেখানে তিনি তাঁবু ফেলেছিলেন। সে জায়গাটা অবশ্য আমাদের খুঁজে বার করতে হবে।

    এ কথা বলার পর তিনি কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে স্বগতোক্তি করলেন, বহু বছরের ব্যবধানে হলেও কী আশ্চর্য মিল!

    সুদীপ্ত জানতে চাইল, আপনি কিসের মিলের কথা বলছেন?

    হেরম্যান বললেন, আহুলের ব্যাপারটা প্রথমে বাইরের পৃথিবীর কাছে পৌঁছয় প্রকৃতিবিদ ড. এমারেস্ট বার্টেলের মাধ্যমে। এমারেস্ট ছিলেন পৃথিবী বিখ্যাত অরিস্থলজিস্ট জি. বার্টলের ছেলে। এমারেস্ট ১৯২৫ সালে সলক মাউন্টেন এক্সপিডিশনে আসেন। তিনিও সলকের পাদদেশে চিজিংকল নদীর কাছাকাছি এক ঝরনার সামনে দেখতে পেয়েছিলেন ধূসর লোমে ঢাকা, তীক্ষ্ণ নখযুক্ত থাবাওয়ালা, উড়ন্ত প্রাণীর অবয়ব। আর ১৯২৭ সালের এক রাতে তাঁর কাঠের বাড়ির মাথায় ওপর থেকে ভেসে এসেছিল এক রক্ত জল-করা চিৎকার—আ-আ-হু-উ-উ-ল! এমারেস্ট তাঁর লেখায় বলেছেন, সেই ঝরনার আড়ালে একটা গুহা ছিল। আমার ধারণা যে প্রায় নব্বই বছর আগে এমারেস্টের দেখা করনাটা আর অলিভিয়েরার দেখা ঝরনাটা এক। একই জায়গাতে অদ্ভুত ঘটনার ক্ষী হন তাঁরা দুজন। আমি এই মিলের কথাই বলতে চাইছি। সত্যি কথা বলতে কী, হস তিনেক আগে অলিভিয়েরা সংক্রান্ত ব্যাপারটা যখন আমি সংবাদপত্রে পড়ি, তখন এই মিলের ব্যাপারটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছিল। এখনো করছে। তাহলে কি সত্যিই কিছু আছে সেখানে?

    সুদীপ্ত এরপর বলল, যেদিন আপনি এখানে অভিযান করার ইচ্ছা আমাকে জানালেন সেদিন থেকেই আ-হুল সম্পর্কে যতটুকু সম্ভব তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি। ইন্টারনেটে দেখলাম, কয়েকজন জীববিজ্ঞানীর অনুমান, ওই প্রাণী যদি সত্যি থেকে থাকে এবং তার বর্ণনা যেটুকু পাওয়া গেছে তাতে সে সাড়ে ছ-কোটি বছর আগে এক বিরাট উড়ুক্কু সরীসৃপের বংশধর হতে পারে। কালিমাস্তানের বোর্নিও ও অস্ট্রেলিয়াতে নাকি ও ধরনের উড়ন্ত সরীসৃপের বা ডাইনোসরের ফসিল মিলেছে। তাদেরও পাখা ও নখযুক্ত থাবা ছিল।

    হেরম্যান শুনে বললেন, হতে পারে। বিবর্তনবাদকে অস্বীকার করে লক্ষ-কোটি বছরের আগের চেহারা নিয়ে পৃথিবীতে এখনো বেশ কিছু প্রাণী টিকে আছে।

    টুকটাক নানা কথা আলোচনা করতে করতে চলল তারা। পিছনে পড়ে রইল জনাকীর্ণ ব্যস্ত বান্দুং। সোজা এগিয়ে চলেছে রাস্তা। তার দু-পাশে কখনো চা বা কফির বাগিচা, কখনো মাইলের পর মাইল জুড়ে রবারের বাগান। দু-একটা লোক মাঝে মাঝে চোখে পড়ছে সেসব বাগানে। তারা রবার গাছের গায়ে ‘ট্যাপ’ অর্থাৎ রস বার করছে। এক সময় রবার বাগান শেষ হয়ে রাস্তার দু-পাশে শুরু হল উন্মুক্ত প্রান্তর। মাথার ওপর সূর্যদেবও সুদীপ্তদের সঙ্গে এগিয়ে চলতে লাগলেন।

    ঘণ্টা চারেক এগোবার পর পিনাক হঠাৎ তাদের উদ্দেশ্যে বলল, ওই যে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখুন। তাকাল সুদীপ্তরা। নীল আকাশের গায়ে ছাই ছাই রঙের মেঘ ভাসছে, আর তার আড়াল থেকে উঁকি মারছে পর্বতমালা। মাউন্ট সলক!

    একঘেয়ে যাত্রাপথে সুদীপ্তদের একটু ঝিমুনি এসেছিল। এবার নড়েচড়ে বসল তারা। ক্রমশ স্পষ্ট হতে লাগল সেই পর্বতমালা। পূর্ব-পশ্চিমে দেখা যেতে লাগল আরও নানা পাহাড়। আর তাদের পাদদেশে একটা কালো রেখা ক্রমশ চওড়া হতে শুরু করল। অরণ্য ! এ দ্বীপের সবচেয়ে গভীরতম অরণ্য। যার পোশাকি নাম সলক-প্যাংগ্রাংগো ন্যাশনাল পার্ক। সুদীপ্তদের গন্তব্য।

    হেরম্যান পিনাকের কাছে জানতে চাইলেন, এখন জঙ্গলের অবস্থা কেমন? পিনাক জবাব দিল, আজ অবধি তো ভালোই, কিন্তু কাল কী হবে কে জানে! মানে?

    সুদীপ্তর প্রশ্নের জবাবে পিনাক বলল, ওই যে আকাশের গায়ে ছাই ছাই মেঘ দেখছেন ওটা বর্ষার মেঘ। বর্ষাকাল মনে হয় এবার একটু তাড়াতাড়ি আসবে। এমনিতেই এটা বর্ষাবন বা রেন ফরেস্ট। মাউন্ট সলকের পাদদেশে এ জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে চিজিংকল ও তার নানা শাখানদী। বর্ষা নামলেই তারা ফুঁসে ওঠে। তখন নদী পার হওয়া দুষ্কর হয়। নদীগুলো চওড়ায় খুব ছোট, কিন্তু এত স্রোত যে বর্ষায় তারা বড় বড় পাথর ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

    কাছে এগিয়ে আসতে লাগল মাউন্ট সলক ও তার পাদদেশের বনভূমি। সূর্যকিরণে রুপোর মতো দেখতে লাগছে মাউন্ট সলকের শিখরগুলো। কেউ যেন আকাশের গায়ে রুপালি বিদ্যুৎশিখা এঁকে রেখেছে। এ জন্যই মাউন্ট সলককে ‘সিলভার মাউন্টেন’ নামেও ডাকা হয়। আরও ঘণ্টাখানেক চলার পর গাড়ি এসে থামল সলক প্যাংগ্র্যাংগো ন্যাশনাল পার্কের প্রবেশ-তোরণে। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে দাঁড়াতে হল সুদীপ্তদের। তাদের কাগজপত্র পরীক্ষা হল। ফরেস্ট গার্ডরা স্থানীয় বাহামা ভাষায় বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা চালাল পিনাকের সঙ্গে। কাগজ-কলমে লেখা আছে যে সুদীপ্তরা জাভা ক্রনিকাল দৈনিক সংবাদপত্রের হয়ে কাগজে লেখার জন্য জঙ্গলের জীববৈচিত্র্য দেখতে যাচ্ছে। অবশেষে এক সময় খুলে গেল জঙ্গলের প্রবেশ তোরণ। ন্যাশনাল পার্কে প্রবেশ করল সুদীপ্তদের গাড়ি।

    পিনাক গাড়ি চালাতে চালাতে বলল, কাগজের লোক বলে ফরেস্ট গার্ডরা আমাদের বেশি বিরক্ত করল না। অনেক সময় ওরা চার-পাঁচ ঘণ্টাও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এখানে আটকে রাখে। ওদের কথাবার্তায় বুঝলাম যে গতকাল আর একটা দলও জঙ্গলে ঢুকেছে। হেরম্যান জিজ্ঞেস করলেন, তারা কি কাঠের কারবারী? পিনাক উত্তর দিল, কাঠের কারবারীদের পারমিট দেওয়া হয় অক্টোবর থেকে এপ্রিল মাস। এটা জুন মাস। তারা জঙ্গলে ঢুকবে না। শুনলাম পাঁচজনের একটা ছোট দল ঢুকেছে জঙ্গলে। একজন সাহেব, আর বেশ কিছু যন্ত্রপাতি আছে তাদের সঙ্গে। হয়তো তাদের সঙ্গে আমাদের দেখা হয়ে যেতে পারে।

    জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চলতে শুরু করল গাড়ি। প্রথমে পিচরাস্তা তারপর এবড়ো-খেবড়ো মেঠো পথ। মাঝে মাঝে দু-একটা ক্ষুদ্রকায় নদী, তার ওপর কাঠের সাঁকো। সেসব পেরোতে পেরোতে দু-পাশের জঙ্গল ক্রমশ ঘন হয়ে উঠতে লাগল। গভীর থেকে গভীরতর জঙ্গলে প্রবেশ করতে লাগল সুদীপ্তরা। মাঝে মাঝে রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে বিরাট বিরাট গাছের গুঁড়ি। তাদের গায়ে পুরু শ্যাওলার আস্তরণ। কাঠ ব্যবসায়ীরা নাকি এভাবে গুঁড়িগুলোকে ফেলে রেখে তাদের ‘সিজিনড’ করে। বেলা দুটো নাগাদ তারা এসে উপস্থিত হল বেশ চওড়া এক নদীর সামনে। পিনাক বলল, গাড়ি আর যাবে না। ইতিমধ্যে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে কুড়ি কিলোমিটার পথ পেরিয়ে এসেছি। নদী পার হয়ে কোর এলাকায় পৌঁছব আমরা। তারপর পায়ে চলা পথ। নদীতে কোনো সাঁকো নেই। জল খুব সামান্য নদীতে। অসংখ্য বিরাট বড় গাছের গুঁড়ি ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে আছে নদীতে। নদীর দু-পাশে দুটো বড় গাছ থেকে নদীর ওপর একটা মোটা কাছি টাঙানো আছে। সেটা ধরে নদী পেরোতে হবে। গাড়ি থেকে মালপত্র নামিয়ে তা ভাগ করে পিঠে নিয়ে পার হয়ে প্রবেশ করল ওপাশের অরণ্যে। হেরম্যান বললেন, অলিভিয়েরার ডায়েরিতে লেখা আছে তিনিও এ পথে জঙ্গলে ঢুকেছিলেন।

    পিনাক বলল, যে নদীটা আমরা পেরিয়ে এলাম তা সামান্য বর্ষা হলেই এত ফুঁসে ওঠে যে বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে এ অঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    হাঁটতে লাগল সুদীপ্তরা। তাদের সঙ্গে সঙ্গে মাথার ওপর সূর্যদেবও পশ্চিমে হাঁটতে শুরু করেছেন। বন ক্রমশ নিবিড় হয়ে আসছে। বিরাট বিরাট গাছ আকাশের দিকে উঠে গিয়ে যাত্রাপথের মাথায় তাদের ডালপালা দিয়ে চাঁদোয়া রচনা করেছে। গাছের গুঁড়িগুলোর ভেজা গায়ে নানা ধরনের ছত্রাক জন্মেছে। তাদের মধ্যে কিছুর আকার বিরাট বড় থালার মতো। মাঝে মাঝে ডালপালার ফাঁক দিয়ে উঁকি মারছে মাউন্ট সলকের রুপোলি চুড়ো। আলো-আঁধারি পায়ে চলা পথ দিয়ে চলতে চলতে হঠাৎ কাছেই একটা শব্দ শুনে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল পিনাক। মুহূর্তের মধ্যে তার হাত চলে গেল কোমরে ঝোলানো বোলোর দিকে। কাছেই ডানদিকে একটা বিরাট ঝোপ প্রচণ্ড দুলে উঠল। আর তারপরই সেই ঝোপের আড়াল থেকে আত্মপ্রকাশ করল একটা কুৎসিত মুখ। লাল চোখ দিয়ে সে দেখছে অনুপ্রবেশকারীদের। কয়েক মুহূর্ত সেই প্রাণীটার দিকে তাকিয়ে পিনাক স্বস্তির হাসি হেসে বলল, ‘গিবন’। এ জঙ্গলে প্রচুর দেখতে পাওয়া যায় এ প্রাণী। বানর জাতীয় প্রাণীটা সুদীপ্তদের দেখার পর ঝোপ ছেড়ে বেরিয়ে একটা লতা ধরে দোল খেয়ে কাছেই একটা গাছের মাথায় উঠে গেল।

    হেরম্যান জানতে চাইলেন, এ বনে হিংস্র প্রাণী কী কী আছে?

    এ বনে বাঘ নেই। আমাকে বাঘে ধরেছিল সুমাত্রার জঙ্গলে। তবে পাইথন আছে। বিভিন্ন ধরনের লিজার্ড আছে। সে অর্থে তেমন অন্য কোনো বড় হিংস্র প্রাণী এ বনে নেই। কারণ…। কথাটা আর শেষ করল না পিনাক। সুদীপ্ত বলল, কী কারণ?

    পিনাক জবাব দিল, জানেন তো শক্তিধর হিংস্র প্রাণীরা কখনো এক জঙ্গলে থাকে না। যেমন একসঙ্গে বাঘ-সিংহ কখনো থাকে না। লোকে বলে এ জঙ্গলে আহুল আছে, তাই অন্য কোনো হিংস্র প্রাণী এই বনে থাকে না। সে-ই এ বনের ভয়ংকরতম প্রাণী। হেরম্যান প্রশ্ন করলেন, তুমি ওই প্রাণীর অস্তিত্ব বিশ্বাস করো?

    চোখে না দেখলেও ছোটবেলা থেকে গল্প শুনেছি প্রাণীটার। তাই অবিশ্বাসও করি না। আমি যমের সঙ্গে পাঞ্জা কষে এসেছি। আপনারা যে উদ্দেশ্যে এ বনে এসেছেন, তা জানলে আমি ছাড়া দ্বিতীয় কেউ রাজি হত না আপনাদের সঙ্গে আসার। এ দেশের লোকেরা খুব ভয় করে ‘আ-হুল’ শব্দটাকে। আমি একবার বেশ কয়েক বছর আগে জঙ্গলের মধ্যে এক কাঠুরের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেছিলাম। কী বীভৎস সেই দেহ! যেন কেউ ছুরি দিয়ে ফালা ফালা করেছে তাকে। কে করল তার অমন অবস্থা? এ জঙ্গলে তো অন্য হিংস্র প্রাণী নেই! জবাব দিল পিনাক।

    এগিয়ে চলল তারা তিনজন। পশ্চিম আকাশের ঢলতে শুরু করেছেন সূর্যদেব। সন্ধ্যা নামার কিছু আগে জঙ্গলের মধ্যে একটা ফাঁকা জায়গাতে একটা কাঠের বাড়ি দেখতে পেল। পিনাক বলল, ওটাই আমাদের রাত্রিবাসের জায়গা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }