Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আহুল – ৯

    ৯

    তানাকা চলে যাবার পর অলিভিয়েরা কিছুক্ষণ গরাদে মাথা রেখে মুহ্যমান হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। সুদীপ্তরা হতভম্ব। হেরম্যান অলিভিয়েরার পিঠে হাত রেখে বললেন, ব্যাপারটা কী একটু বুঝিয়ে বলুন আমাদের। এখান থেকে আমাদের তো বেরোবার উপায় খুঁজতে হবে।

    মুখ তুললেন অলিভিয়েরা। তারপর সুদীপ্তদের উদ্দেশে বললেন, আমি একটা ব্যাপার আপনাদের কাছে গোপন করলেও আমার নাম, পরিচয়, এখানে কীভাবে এলাম, হার্জেলের ঘটনা, কোনো ব্যাপারেই এক বিন্দু মিথ্যা বলিনি।

    হেরম্যান বললেন, আপত্তি না থাকলে বলবেন সেই গোপনীয় ব্যাপারটা কী? অলিভিয়েরা কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে জবাব দিলেন, এখানে একটা দুর্মূল্য ধাতুর খনি আছে। যার খবর কেউ রাখে না।

    ধাতুর খনি! সোনার খনি নাকি? সুদীপ্ত উত্তেজিতভাবে প্রশ্ন করল।

    অলিভিয়েরা বললেন, না সোনা নয়। হয়তো বা আরও দুর্মূল্য ধাতু। তেজস্ক্রিয় ধাতুর খনি। যে ধাতু দিয়ে পরীক্ষা চালানো হত বন্দিদের ওপর।

    কী ধাতু? এ জন্যই যাত্রাপথে তানাকার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তার কাছে ‘রেডিয়ো অ্যাকটিভ ডিভাইস’ দেখেছিলাম,

    ‘মলিবডেনম’। ওই কালো পাহাড়টা আসলে আগ্নেয় পাহাড়। ওর নীচে মলিবডেনম আছে। কোনো কালে অগ্নি উদ্‌গীরণের সময় মাটির নীচ থেকে উঠে এসেছিল ওই ধাতু। এখান থেকে একটা রাস্তা সেই খনিতে চলে গেছে। আমি অবশ্য যাইনি সেখানে। এ ব্যাপারটা জানতামও না। ঘটনাচক্রে অসভ্যদের তাড়া খেয়ে এখানে চলে আসি হার্জেলই আমাকে ব্যাপারটা জানায়। হার্জেল একটা ম্যাপও আমাকে দিয়েছিল, যেটা তানাকা নিয়ে গেলেন।

    হেরম্যান এরপর তাকে প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা আহুল প্রসঙ্গে তানাকা যা বলে গেলেন তা কি সত্যি?

    অলিভিয়েরা বিমর্ষভাবে জবাব দিলেন, ইরিয়ান আর হার্জেলের মৃত্যু আমি দেখেছি, সেই ভয়ংকর চোখ দুটো দেখেছি। এখন সেটা যদি অন্য কোনো হিংস্র প্রাণীর চোখ হয় তবে…।

    হেরম্যান একটু চুপ করে থেকে মৃদু হতাশভাবে যেন বললেন, হয়তো বা তাই হবে। এখন আমাদের বেরোবার পথ খুঁজতে হবে।

    সুদীপ্ত হেরম্যানের কথা শুনে বুঝতে পারল যে তানাকার কথা আর অলিভিয়েরার অস্পষ্ট উত্তর হতাশার ছাপ ফেলেছে হেরম্যানের মনে। সুদীপ্ত বলল, এবার চেষ্টা করা যাক, কোনোভাবে দরজা খোলা যায় কিনা।

    কাজ শুরু হল। গরাদের বাইরে খোঁটাটা অনেক দূরে। সে পর্যন্ত হাত পৌঁছবে না। গরাদের ফাঁক গলিয়ে হাত বাড়িয়ে লোহার শেকলটা টেনে ঝাঁকিয়ে চেষ্টা করা হল সেটা খোলার। কিন্তু পিনাকের আসুরিক শক্তিও ব্যর্থ হল শেষ পর্যন্ত। প্রচণ্ড গরম লাগছে। ঘামে ভিজে যাচ্ছে সবার শরীর। অলিভিয়েরা আবার বললেন, এতদিন এই মাটির নীচে আছি, এত প্রচণ্ড গরম কিন্তু কোনোদিন দেখিনি।

    সবাই মাটিতে বসে ভাবতে লাগল কী করা যায়? মাটিটাও যেন তেতে উঠছে। কিছুক্ষণ ভাবার পর অলিভিয়েরা বললেন, শেষ একটা চেষ্টা করা যায়। গরাদগুলো লোহার প্যানেলের ওপর যেখানে বসানো সেখানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে একটা গরাদও যদি খোলা যায় তার ফাঁক গলে সুদীপ্ত বাইরে যেতে পারবে।

    কিন্তু কী দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটাবেন? জানতে চাইল সুদীপ্ত।

    অলিভিয়েরা বললেন, কার্তুজের বারুদ দিয়ে এভাবে ছোট বিস্ফোরণ ঘটাতে দেখেছি। বাইরে বেরিয়ে যদি জংলিদের মুখোমুখি হতে হয় তবে এই কার্তুজগুলোই শেষ ভরসা ছিল। কিন্তু এ ঘরের বাইরে যাবার এটাই শেষ চেষ্টা। অগত্যা অলিভিয়েরার রাইফেল আর হেরম্যানের কার্তুজের খোল থেকে বারুদ বার করে নেওয়া হল। রিভলভারের কার্তুজ শুধু শেষ সম্বল হিসাবে রাখল সুদীপ্ত। অলিভিয়েরা জামা ছিঁড়লেন। তা দিয়ে বারুদের পুঁটলি বানিয়ে সেটা গুঁজে দেওয়া হল দুর্বলতম গরাদটার গর্তে। ঘরের এক কোণে সরে এল সবাই। পিনাক পলতেতে আগুন দিয়ে সরে এল। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে একটা বিস্ফোরণ ঘটল প্রচণ্ড শব্দে। ধোঁয়ায় ভরে গেল সারা ঘর। বিস্ফোরণের শব্দ অনুরণতি হতে থাকল বাইরের অলিন্দে। ধোঁয়া কমলে কাশতে কাশতে গরাদের কাছে গিয়ে দাঁড়াল সবাই। হ্যাঁ, সেই গরাদের জোড়ের মুখটা একটু ফাঁক হয়ে গেছে, তবে সম্পূর্ণ খোলেনি। তবে কি বাইরে বেরোনো যাবে না! আবার একটা নিরাশা তৈরি হল। গা থেকে জামা খুলে ফেলল পিনাক। মশালের আলোতে তার পেশিগুলো দেখে মনে হচ্ছে যেন তা পাথর কুঁদে তৈরি। নীচু হয়ে বসে একটা ভয়ংকর শপথ উচ্চারণ করে পিনাক তার দেহের সব শক্তি দিয়ে গরাদ ধরে টান দিল। কড়াং করে ধাতব শব্দ তুলে গরাদটা নীচ থেকে খুলে গেল! উল্লাসে চিৎকার করে উঠল সবাই। অলিভিয়েরা পিনাকের ঘর্মাক্ত দেহ জড়িয়ে ধরে বললেন, যদি এখান থেকে সভ্য পৃথিবীতে ফিরতে পারি তবে এই শর্তে সরকারকে ওই খনির খবর দেব, যেন তাঁরা ওই পাহাড়ের নাম ‘পিনাক হিল’ রাখেন।

    পিনাক হাসল তার কথা শুনে। সে বলল, আমরা কি আর অতবড় মানুষ সাহেব! আপনাদের ভালোবাসাই যথেষ্ট। গরাদের ফাঁক গলে বাইরে এসে শিকলটা খোঁটা থেকে খুলে ফেলল সুদীপ্ত। ঝাঁপ উঠিয়ে বাইরে এল সবাই। তারপর ফিরে এল সে ঘরটাতে। যেখানে তাদের জিনিসপত্র রাখা আছে।

    ঘরটাতে ফিরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিল সবাই। খুব গরম লাগছে। যাত্রাপথের জন্য অতি প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস সঙ্গে নিল তারা। তারপর আর রাত বাড়ার অপেক্ষা না করে বাইরে যাবার জন্য আবার সুড়ঙ্গে পা বাড়ানো হল।

    যে ঘরে তারা কিছুক্ষণ আগে বন্দি ছিল তার পাশ দিয়ে সুদীপ্তরা সোজা এগোল। অলিভিয়েরা বললেন, এ পথটাই সোজা বাইরে নিয়ে যাবে। সুড়ঙ্গটার দু-পাশ থেকে অন্য নানা পথ বেরিয়েছে। আধঘণ্টা চলার পর হঠাৎই তাদের একটা বন্ধ দরজার সামনে থামতে হল। পুরু ইস্পাতের পাত লাগানো দরজা। ওপাশে কিছু দেখা যাচ্ছে না। অলিভিয়েরা বিস্মিতভাবে বললেন, দরজাটা তো খোলা ছিল, বন্ধ কেন?

    মশালটা তিনি নীচে নামালেন। মেঝের ধুলোতে জেগে আছে জুতো পরা পায়ের ছাপ! তানাকার পায়ের ছাপ! দরজাটা অনেক টানাটানি করেও শেষ পর্যন্ত খোলা গেল না। অলিভিয়েরা বললেন, ওপাশ থেকে তানাকা বন্ধ করে দিয়েছেন এ দরজা। ওপাশে কিছুদূর এগোবার পর ডানদিকে আর একটা সুড়ঙ্গ বেরিয়েছে। সেটা চলে গেছে সোজা সেই খনিতে। হার্জেল আমাদের বাইরে থেকে সুড়ঙ্গটা দেখিয়েছিল। ম্যাপ দেখে তানাকা ঠিক পথেই যাচ্ছেন। তবে শেষ পর্যন্ত তার ভাগ্যে—কী আছে জানি না!

    হেরম্যান বললেন, আমরা অলিভিয়েরা একটু ভেবে নিয়ে বললেন, আরও দুটো পথ আমার জানা আছে। একটা পথ নদীর দিকে সেই গাছের গুঁড়ির আড়াল থেকে বেরিয়েছে। যে পথে আপনারা এসেছিলেন এখানে। তবে সে পথে বেরোলে আমরা জংলিদের হাতের মধ্যেই থাকব। বিপদ হতে পারে। আর একটা পথে আমি যাইনি কোনোদিন। হার্জেল দেখিয়েছিল সে পথটা। সেটা নাকি একটু ঘুরপথে বহু দূরে গিয়ে শেষ হয়েছে।

    এখন কী করব? আমাদের ভাগ্য লিখন কি এখানেই থাকা?

    কিছুক্ষণ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, দ্বিতীয় পথটাই ধরা হবে। সেই মতো আবার কিছুটা পিছিয়ে এসে সুদীপ্তরা প্রবেশ করল নতুন এক সুড়ঙ্গপথে।

    এ যেন এক অন্তহীন চলা! সুদীপ্তরা মশাল জ্বেলে এগোতে লাগল। কখনো সোজা, কখনো এঁকেবেঁকে এগিয়েছে সুড়ঙ্গ। পাথুরে মেঝেতে পুরু ধুলোর আস্তরণ। বহু বছর কোনো পদচিহ্ন পড়েনি এ সুড়ঙ্গে। মাঝে মাঝে মাথার ওপর থেকে পাথরের চাঙড় খসে পড়েছে। সেগুলো সরিয়ে এগোতে হচ্ছে। ধুলোতে মাখামাখি সবাই। দেখে মনে হচ্ছে তারা নির্ঘাত কোনো প্রেতাত্মা। যুগ যুগ ধরে তারা পদচারণা করছে সলক উপত্যকার পাদদেশের এই সুড়ঙ্গে। শ্বাস নিতে মাঝে মাঝে কষ্ট হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে তারা যত এগোতে লাগল, গরম যেন তত বাড়তে লাগল। গায়ের জামা খুলে ফেলল সবাই। হেরম্যান বললেন, বাইরে পৌঁছে যাবার আগেই সিদ্ধ হয়ে যাব মনে হয়। তবু তারা মুক্তির সন্ধানে এগোতে থাকল।

    কতক্ষণ চলেছে খেয়াল ছিল না সুদীপ্তদের। হঠাৎ বাঁকের মুখে থমকে দাঁড়িয়ে অলিভিয়েরা ঘড়ি দেখে বললেন, রাত শেষ হতে চলল, আর কতটা পথ এগোতে হবে কে জানে! এবার একটু বিশ্রাম নিতে হবে। তার মানে সুড়ঙ্গপথে সুদীপ্তরা সারা রাত হেঁটেছে। এবার সত্যিই একটু বিশ্রামের প্রয়োজন। তারা ধুলোমাখা মাটিতে পা ছড়িয়ে বসে পড়ল। আধ ঘণ্টা মতো বসে থাকার পর জল খেয়ে সবাই উঠে দাঁড়াল। শুরু হল আবার চলা। আরো কিছুক্ষণ চলার পর হঠাৎ পিনাকের সতর্ক কান সবাইকে থামিয়ে দিল। কোথায় যেন একটা শব্দ শোনা যাচ্ছে? কয়েক মুহূর্তের মধ্যে শব্দের উৎস স্পষ্ট হয়ে গেল। বাঁকের ওপাশ থেকে কেউ যেন খচমচ শব্দ করে ছুটে আসছে! সে কে? সেই উড়ন্ত দানব নাকি? জংলিরা কেউ?

    সঙ্গে সঙ্গে দেওয়ালের গা ঘেষে সবাই দাঁড়িয়ে পড়ল। সুদীপ্ত রিভলভারের একটা মাত্র কার্তুজ সম্বল করে প্রস্তুত হল আগন্তুকের মোকাবিলা করার জন্য। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বাঁকের মুখে আবির্ভূত হল এক ছায়ামূর্তি। মেঝেতে একটা পাথরের খণ্ড পড়েছিল। টলমল পায়ে বাঁক ফিরতে গিয়ে পাথরে হোঁচট খেয়ে মাটিতে ছিটকে পড়ে সেই ছায়ামূর্তি আর্তনাদ করে উঠল, হায় ঈশ্বর!

    পিনাক মশালটা তুলে ধরল। আরে এ যে তানাকা!

    সবাই ঝুঁকে পড়ল তার ওপর। রক্তে ভেসে যাচ্ছে তার দেহ! ছিন্নভিন্ন পোশাক! কেউ যেন ছুরি দিয়ে ফালা ফালা করে চিরেছে তাকে। বীভৎস দৃশ্য। হাঁফাতে হাঁফাতে তানাকা বললেন, জল দাও, জল!

    সুদীপ্ত তাড়াতাড়ি বোতল থেকে জল ঢেলে দিল তার মুখে। অলিভিয়েরা তাঁকে প্রশ্ন করলেন, আপনার এ অবস্থা কীভাবে হল? আপনি কি সেখানে পৌঁছেছিলেন? প্রচণ্ড যন্ত্রণাতেও যেন আবছা হাসি ফুটে উঠল তানাকার ঠোঁটে। তিনি বললেন, হ্যাঁ পৌছেছিলাম। আমি আবিষ্কার করেছি সে গুহা।

    হেরম্যান বললেন, আপনি কী দেখলেন সেখানে?

    তানাকা দম নিয়ে বললেন, ম্যাপটা পৌঁছে দিয়েছিল সে গুহাতে। বিরাট বড় গুহা। মাথার অনেক উঁচুতে ছাদ। বাইরে দিনের আলো তখন ফুটেছে। দেওয়ালের গায়ে একটা ফোঁকর দিয়ে বাইরে একটা ঝরনা নামতে দেখা যাচ্ছে ঠিক সেই গর্তর গা বেয়েই। বাইরে আলো দেখা যাচ্ছিল। গুহাটার মেঝেতে অনেক গর্ত। ঝরনার জল কিছুটা চুঁইয়ে ভিতর ঢুকে সেই গর্তগুলোকে ছোট ছোট ডোবাতে পরিণত করেছে। দেখলাম সেই ডোবার জলগুলো টগবগ করে ফুটছে! অসহ্য গরম গুহার ভিতর। যেন চামড়া জ্বলে যাচ্ছে। আমি দেখতে লাগলাম খনিটা। প্রচণ্ড দুর্গন্ধ খনির ভিতর। মাংস-পঁচা গন্ধ! রুমাল বার করে আমি নাক চাপা দিতে যাচ্ছি, ঠিক তখনই…। তানাকা কথা বন্ধ করলেন, অলিভিয়েরা সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করলেন, তখন কী?

    বিস্ফারিত চোখে তানাকা বললেন, তখনই আমি গুহার আধো অন্ধকারে দেখতে পেলাম প্রাণীটাকে। যার কথা আমি বিশ্বাস করিনি। কী বীভৎস তাকে দেখতে! এ পৃথিবীর চেনা কোনো প্রাণীর সঙ্গে তার মিল নেই। দেওয়ালের গায়ে একটা থাকের গায়ে ডানা ছড়িয়ে বসে ভাঁটার মতো চোখে আমার দিকে চেয়ে আছে সে। ঠিক যেভাবে ইঁদুরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে পেঁচা তাকে দেখে। আবারও থেমে গেলেন তিনি। হাঁপ ধরছে। সুদীপ্ত কয়েক ফোঁটা জল দিল তার মুখে। তারপর তিনি বললেন, আমি সঙ্গে সঙ্গে রিভলভার বার করে মুহূর্তের মধ্যে ক’টা গুলি চালিয়ে দিলাম প্রাণীটার বুক লক্ষ্য করে। ‘আ-হু-উ-উ-ল’! তীক্ষ্ণ চিৎকার করে থাকের ওপর থেকে নীচে জলে পড়ে গেল গুলিবিদ্ধ প্রাণীটা। সে ছটফট করছে। আরও দুটো গুলি ছিল, সে দুটো দিয়ে প্রাণীটার যন্ত্রণা আমি শেষ করতে যাচ্ছি ঠিক তখনই আমার মাথার ওপর থেকে নেমে এল একটা ছায়া! কালো ছাদের সঙ্গে মিশে ছিল সে। আমি খেয়াল করতে পারিনি। কথা থামিয়ে আতঙ্কে চোখ বন্ধ করলেন তানাকা। তার শরীর থরথর করে কাঁপছে।

    অলিভিয়েরা উত্তেজনায় বলে উঠলেন, তারপর? তারপর?

    অতিকষ্টে আবার চোখ মেললেন তানাকা। কাঁপা কাঁপা হাতে হাতটা উঠিয়ে অলিভিয়েরার হাতটা ধরে বললেন, তারপর কী হল আমাকে দেখে বুঝতে পারছ না? পালিয়ে এলাম ঠিকই, তবে আমি বাঁচব না। একটা শেষ অনুরোধ। খনিটা আমি খুঁজে পেয়েছি। তুমি বেঁচে ফিরলে ও পাহাড়ের নাম রেখো ‘তানাকা হিল’। কথাটা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে তার হাতটা খসে পড়ল অলিভিয়েরার হাত থেকে। একটু কেঁপে উঠে চিরদিনের মতো স্থির হয়ে গেল তার দেহ।

    হেরম্যান আক্ষেপের স্বরে বললেন, লোভ মানুষকে শেষ করে। মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত নাম-যশের মিথ্যা আকাঙ্ক্ষা তার পিছু ধাওয়া করে। তানাকার শেষ অনুরোধ তার প্রমাণ ।

    অলিভিয়েরা বললেন, এ লোকটাই আমাদের মেরে ফেলতে চেয়েছিল। তবে মৃত্যুপথ-যাত্রীর শেষ অনুরোধ আমি রাখার চেষ্টা করব। —এই বলে তিনি তানাকার পকেট হাতড়ে রক্তমাখা ম্যাপটা বার করে নিলেন। হেরম্যান স্বগতোক্তি করলেন, তার মানে প্রাণীটা সত্যিই আছে! একটা নয়, দুটো! অথবা তার বেশি! তানাকার দেহটা যত্ন করে সুড়ঙ্গর একপাশে শোয়ানো হল। তারপর আবার সামনে এগোল সবাই। কিছুটা

    এগিয়ে দেখা গেল পাশ থেকে একটা সুড়ঙ্গ এসে মিলেছে সুদীপ্তদের পথের সঙ্গে। দেওয়ালের গায়ে টাটকা রক্তের ছাপ লেগে আছে। অলিভিয়েরা বললেন, তানাকা এ পথ দিয়েই আমাদের সুড়ঙ্গে এসেছিলেন। এই ছোট সুড়ঙ্গটা সম্ভবত কালো পাহাড়ের নীচে সেই খনি-গুহাতে গেছে। সেই সুড়ঙ্গের দিকে তাকিয়ে আবার সুদীপ্তরা নিজেদের পথ ধরে চলতে লাগল। পিছনে পড়ে রইলেন তানাকা।

    আরো ঘণ্টাখানেক সময় পেরিয়ে গেল। অসহ্য গরম যেন আর সহ্য হচ্ছে না। দেওয়ালে হাত ছোঁয়ালে যেন ছেঁকা লাগছে। সুড়ঙ্গর বদ্ধ বাতাস এত গরম হয়ে গেছে যে শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। অলিভিয়েরা আক্ষেপের সুরে একবার বলে উঠলেন, এখানেই না আমাদের শেষ পর্যন্ত সমাধি হয়ে যায়! বাইরে পৌঁছতে এত দেরি হবার তো কথা নয়!

    হেরম্যান বললেন, হার্জেলের ম্যাপটা একবার দেখুন না?

    অলিভিয়েরা ম্যাপটা বার করলেন। হেরম্যান ঝুঁকে পড়লেন তার ওপর। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাদের মুখ কেমন ফ্যাকাসে হয়ে গেল। সুদীপ্তর দিকে মুখ তুলে হেরম্যান বললেন, বাইরে যাবার রাস্তাটা আমরা আজ সকালে পিছনে ফেলে এসেছি। তানাকার সঙ্গে আমাদের শেষ সাক্ষাৎ যেখানে হয় সেখানে বাঁকের মুখে আর একটা সুড়ঙ্গ ছিল। ঘটনার আকস্মিকতায় পথ ভুল করে ফেলেছি আমরা! সারাদিন ধরে সুড়ঙ্গর মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছি।

    সুদীপ্ত বলল, এ সুড়ঙ্গ তবে কোথায় শেষ হয়েছে?

    অলিভিয়েরা জবাব দিলেন, কালো পাহাড়টার কাছে কোনো এক জায়গাতে। তবে এ পথ শেষ হয়ে এসেছে মনে হয়। পিছনে ফেরার আর কোনো প্রশ্ন নেই, তা সম্ভবও নয়। হেরম্যান বললেন, কপালে যা আছে হবে, সামনেই এগোব।

    সুদীপ্তরা আবার হাঁটতে শুরু করল। কিছুটা এগোতেই মশালের আলোতে এক অদ্ভুত দৃশ্য পেল তারা। সারা মাটি ঢেকে গেছে অজস্র পিঁপড়ে আর পোকায়। তাদের স্রোত এগিয়ে চলেছে সামনের দিকে। এমনকী দেওয়াল বেয়ে সেদিকে এগোচ্ছে মাকড়সারাও। প্রচণ্ড গরমে মাটির নীচ থেকে, দেওয়ালের ফাটল থেকে বেরিয়ে পড়েছে কীটপতঙ্গের ঝাঁক। পিনাক সে দিকে তাকিয়ে বলল, কিছু একটা ভয়ংকর কাণ্ড ঘটতে চলেছে। “

    এরপর একটা বাঁক ফিরতেই সুড়ঙ্গর উন্মুক্ত মুখ দেখা গেল!’ঝাঁকে ঝাঁকে পোকামাকড় সেখান দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। সুদীপ্তরা সাবধানে উঁকি দিল। বিকেল হতে চলেছে বাইরে। উল্টোদিকে চোখে পড়ছে সেই কালো পাহাড়টা। তার মাথার ওপর থেকে ঝরনা নেমে এসেছে। এত দূর থেকে ঠিক সেটার অবস্থান অনুমান করতে পারল না সুদীপ্তরা। অলিভিয়েরা বললেন, এই সেই জায়গা যেখানে আমি তাঁবু ফেলেছিলাম!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }