Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধারে গোপন খেলা – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤷

    আঁধারে গোপন খেলা – ১

    ১

    বাড়িটাতে আজ বিশেষ উত্তেজনার ভাব৷ কিছু পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে বাড়িটার বাইরে, অবাঞ্ছিত মানুষ ও সাংবাদিকদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশ রোধ করার জন্য৷ আসলে কদিন ধরে লন্ডন শহরের এই বাড়ির ভিতরে এক বিশেষ আদালত বসছে৷ মানুষের দৃষ্টি যাতে এ বিচারপ্রক্রিয়ার ওপর না পড়ে, তাই আদালত ভবনে এই বিচারপ্রক্রিয়া না করে ব্রিটিশ সরকার এই নির্দিষ্ট বিচারটাকে সরিয়ে এনেছিলেন লন্ডন শহরের এক প্রান্তের এই বাড়িতে৷ সরকারের এই গোপনীয়তার চেষ্টার কারণ, যে বিষয় নিয়ে বিচার চলছে এবং এই মামলাতে যিনি অভিযুক্ত—দুই-ই সরকারের কাছে বিশেষ স্পর্শকাতর বিষয়৷ এক সপ্তাহ ধরে বিচারপ্রক্রিয়া চলেছে৷ আজ মামলার রায়দান করবেন বিচারক৷ তবে সরকারি পক্ষের গোপনীয়তা রক্ষার চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে৷ সাংবাদিকরা কোথা থেকে সবকিছুর খবর পায় কে জানে! তারা শেষ পর্যন্ত জেনে গেছে ব্যাপারটা৷ সকাল থেকেই তারা ভিড় জমিয়েছে বাড়িটার প্রবেশ তোরণের সামনে৷ আর তাদের সঙ্গে স্থানীয় উৎসাহী কিছু জনতাও৷

    সরকারি আধিকারিক আর এই বিচার-প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ছাড়া কারও প্রবেশাধিকার নেই কম্পাউন্ডের ভিতর৷ মাঝে মাঝে সরকারি গাড়িগুলো এসে থামছে কম্পাউন্ডের প্রধান ফটকের সামনে৷ যেখানে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা গাড়ির ভিতর উঁকি দিয়ে আগে নিশ্চিত হচ্ছেন ভিতরে বসে থাকা ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের পরিচয় সম্পর্কে৷ তারপর খুলে দেওয়া হচ্ছে লোহার ফটক৷ গাড়ি কম্পাউন্ডে প্রবেশ করে সোজা চলে যাচ্ছে পোর্টিকোর নীচে৷ গাড়ির আরোহীরা সেখানে গাড়ি থেকে নেমে ভিতরে প্রবেশ করছেন৷ বেলা দশটা বাজতে আর আধঘণ্টা বাকি৷ ঠিক দশটাতে আদালত বসবে৷ বিচারকের গাড়িটা যে ইতিমধ্যে বাড়িতে প্রবেশ করেছে, তা একটা গাড়িকে ঘিরে পুলিশকর্মীদের ঘটা দেখে বুঝতে পেরেছে সাংবাদিকরা৷ কিন্তু ‘তিনি’, অর্থাৎ এই মামলায় যিনি অভিযুক্ত তিনি কি এসে গেছেন, নাকি আসবেন?—এ নিয়ে জল্পনা চলছে সাংবাদিকদের মধ্যে৷ আসলে যিনি অভিযুক্ত তিনি সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হলেও তাঁর মুখ সাংবাদিকদের কাছে বিশেষ পরিচিত নয়৷ একজন গণিতবিদের মুখ আর কজনের কাছে পরিচিত হতে পারে?

    বেলা ঠিক পৌনে দশটা৷ কাচ তোলা কালো রঙের একটা ব্রুহাম গাড়ি এসে দাঁড়াল ফটকের সামনে৷ কিছুটা তফাত থেকে সাংবাদিকদের মনে হল চালক ও একজন ব্যক্তিই বসে আছে গাড়ির ভিতর৷ আর এ গাড়ির ভিতর বসে থাকা ব্যক্তিকে দেখতে পেয়েই পুলিশকর্মীদের মধ্যে বিশেষ চঞ্চলতা দেখা দিল৷ আর সেটা খেয়াল করে কে যেন একজন বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, উনি হতে পারেন৷’

    সাংবাদিকরা সেটাই অনুমান করে গাড়িটার দিকে এগোতে যাচ্ছিল, কিন্তু তারা গাড়ির কাছে পৌঁছোবার আগেই পুলিশকর্মীরা অতি ক্ষিপ্রতার সঙ্গে গেট খুলে গাড়িটাকে ঘিরে ধরে কম্পাউন্ডের ভিতর প্রবেশ করিয়ে দিল৷ সাংবাদিকরা এ ব্যাপারটা দেখে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল, ‘হ্যাঁ, তিনিই এলেন৷’

    উপস্থিত সাংবাদিক আর জনতার মুখের ওপর এরপর লোহার দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল৷

    পুলিশকর্মীদের ঘেরাটোপের মধ্যে দিয়ে গাড়িটা গিয়ে থামল পোর্টিকোর ঠিক নীচে৷ দরজা খুলে চালকের পিছনের আসন থেকে নামলেন অভিযুক্ত৷ মাঝারি আকৃতির গড়ন৷ নিখুঁতভাবে কামানো মুখে কেমন যেন একটা মায়াবী ভাব আছে৷ একই সঙ্গে তাঁর চোখ দুটোতে কেমন যেন বিষণ্ণতা৷ সদ্য চল্লিশ অতিক্রম করেছেন, কিন্তু তাঁকে দেখে মনে হয় তাঁর বয়স আরও কম—আটাশ-তিরিশ হবে৷ হ্যাঁ, ইনিই অ্যালান টিউরিং৷ গণিতবিদ, বিজ্ঞানী, চিন্তাবিদ অ্যালান৷ এই বয়সেই যাঁর নাম জানেন আইনস্টাইনের মতো পৃথিবীবিখ্যাত বিজ্ঞানী, যাঁকে চেনেন এ দেশের প্রধানমন্ত্রী চার্চিল, এমনকি বিশ্বত্রাস হিটলারও নাকি এই ব্রিটিশ যুবকের নাম জেনেছিলেন৷ হ্যাঁ, এই অ্যালানই এই মামলার একমাত্র আসামি৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর৷ এবং তা প্রমাণিতও হয়ে গেছে৷ এখন তাঁকে বিচারক কী শাস্তিদান করেন সেটাই দেখার৷ অন্য কারও বিরুদ্ধে এ অভিযোগ থাকলে পুলিশ হয়তো তখনই তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পুরত৷ তবে লোকটার নাম অ্যালান টিউরিং বলেই পুলিশ বা প্রশাসন কাজটা করেনি৷ শুধু তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ নথিভুক্ত হবার পর সরকারি গবেষণাগার এবং অ্যালানের বর্তমান কর্মস্থল ম্যাঞ্চেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যালানের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷ আর অ্যালানের সরকারি পরিচিতিপত্র আর পাসপোর্ট নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে তারা৷ আসলে ব্রিটিশ সরকার চেয়েছেন যে আদালতে অ্যালানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবার পরই তাঁরা আদালতের নির্দেশমতো ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷ যাতে লন্ডনের অভিজাত মহল এবং পণ্ডিত মহলের কাছে এমন কোনো বার্তা না যায় যে, অ্যালান কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার৷

    গাড়ি থেকে নেমে অ্যালান প্রবেশ করলেন বাড়ির ভিতর৷ কয়েকজন পুলিশকর্মী তাঁকে পথ দেখিয়ে নিয়ে গেল বিচারকক্ষে৷ মাঝারি আকৃতির একটা হলঘর৷ সেটাকেই বিচারকক্ষের রূপ দান করা হয়েছে৷ ঘরটার একপাশে বেদির মতো একটা উঁচু জায়গাতে বিচারকের বসার আসন, টেবিল৷ তার গায়ে একটা পতাকা-দণ্ডে ইউনিয়ন জ্যাক৷ বিচারকের আসনের মাথার ওপর ফ্রেমে বাঁধানো রাজা ষষ্ঠ জর্জের ছবি৷ বিচারকের বেদির কিছুটা নীচে একপাশে জুরি আর অন্যপাশে আদালতকর্মীদের বসার টেবিল আর কাঠগড়া বা উইটনেস বক্স৷ আর তারপর বেদির সামনে কিছুটা জায়গা ছেড়ে দেওয়ালের শেষ মাথা পর্যন্ত সার সার বসার আসন৷ কোনো আদালত কক্ষ ঠিক যেমন হয় ঠিক তেমনই রূপদান করা হয়েছে এ কক্ষকে৷

    দর্শক আসনগুলো পরিপূর্ণ৷ তবে যাঁরা এ কক্ষে উপস্থিত আছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই সরকারের প্রশাসনিক বিভাগ—পুলিশ বিভাগ বা সামরিক বিভাগের লোকজন বা মামলার সাক্ষী৷ আর অ্যাডভোকেট বা কৌঁসুলিরা তো আছেনই৷

    চাপা স্বরে নানা আলোচনা চলছিল লোকগুলোর মধ্যে৷ একটা মৃদু গুনগুন শব্দ৷ ভারী দরজা ঠেলে এক পুলিশ অফিসার অ্যালানকে নিয়ে প্রবেশ করতেই সে শব্দ থেমে গেল৷ সবাই তাকাল অ্যালানের দিকে৷ অ্যালান কারও দিকে তাকালেন না৷ অফিসার তাঁকে নিয়ে গিয়ে বসালেন কাঠগড়ার কাছাকাছি অ্যালানের জন্য নির্দিষ্ট বসার জায়গাতে৷ গত কয়েক দিন মামলা চলার সময় এই আসনেই বসেছেন অ্যালান৷ তিনি চেয়ারে বসতেই উকিলদের জন্য নির্দিষ্ট বেঞ্চ ছেড়ে একজন উকিল এসে দাঁড়ালেন অ্যালানের সামনে৷ অ্যালান নিজে কোনো উকিল নিয়োগ করেননি৷ ইচ্ছা হলে অ্যালান হয়তো লন্ডন শহরের সেরা কৌঁসুলিদের নিয়োগ করতে পারতেন তাঁর হয়ে ওকালতি করার জন্য৷ কিন্তু তাঁর ওপর অভিযোগটা ওঠামাত্রই অ্যালান এত ব্যথিত ও হতাশ হয়ে পড়েছেন যে তিনি ও পথে হাঁটেননি৷ মানুষ অন্যের সফলতাতে এত ঈর্ষান্বিত হতে পারে, পরশ্রীকাতর হতে পারে, সর্বোপরি এত হিংস্র হয়ে উঠতে পারে, তা এ ঘটনা না ঘটলে কোনোদিন জানতে পারতেন না অ্যালান৷ হ্যাঁ, তাঁর সহকর্মীরাই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন সরকারের কাছে, এ মামলা চলাকালীন তাঁরা সাক্ষ্যও দিয়েছেন অ্যালানের বিরুদ্ধে৷ পরিচিত সব মুখ৷ আর সহকর্মীদের এ ব্যাপারটাই অ্যালানকে এত হতাশ করেছে, ব্যথিত করেছে যে অ্যালান মামলার ব্যাপারটাকে ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন৷ যেন, যা হবার তা হোক৷ এ কারণেই আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য কোনো উকিল নিয়োগ করেননি তিনি৷ তবে সভ্য বিচার-ব্যবস্থার পীঠস্থান বলা যায় ইংল্যান্ডকেই৷ যে কারণে পৃথিবীর বহুদেশ ব্রিটিশ বিচার-ব্যবস্থাকেই অনুসরণ করে থাকে৷ এই বিচারব্যবস্থাতে অভিযুক্তকেও আইনি সুযোগ গ্রহণ বা সুরক্ষার অধিকার দেওয়া হয়৷ যে কারণে অভিযুক্ত তার পক্ষে কোনো আইনজীবীকে নিয়োগ করতে না পারলে বা না করলেও সরকারি তরফে একজন সরকারি আইনজীবীকে নিয়োগ করা হয় অভিযুক্তের পক্ষ অবলম্বন করার জন্য৷ অ্যালান অবশ্য এ ব্যাপারে তাঁর আপত্তি জানাননি এই কারণে যে, সরকার তাঁর জন্য যে আইনজীবী নিয়োগ করেছেন, তিনি বয়সে নিতান্তই তরুণ৷ তাঁর অভিজ্ঞতা ও অর্থ উভয়েরই প্রয়োজন৷ অ্যালান তাঁর নিয়োগ সম্বন্ধে আপত্তি জানালে তিনি এ দুইয়ের থেকেই বঞ্চিত হতেন৷ এই সংকটময় পরিস্থিতিতেও অ্যালান মাথায় রেখেছিলেন কথাটা৷

    যে আইনজীবী অ্যালানের সামনে এসে দাঁড়ালেন, তিনি অ্যালানের পক্ষ নেওয়া সেই সরকারি আইনজীবী৷ অ্যালানের সামনে একটু ঝুঁকে সেই আইনজীবী তাঁকে সুপ্রভাত জানিয়ে চাপাস্বরে বললেন, ‘স্যার আপনার শরীর ঠিক আছে তো? তাহলে বলুন! এই অজুহাতে আমি মামলার রায়দান এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেবার জন্য আবেদন করতে পারি৷’

    অ্যালান নবাগত এই আইনজ্ঞের কথা শুনে বিষণ্ণ হেসে জবাব দিলেন, ‘শরীর ঠিকই আছে৷ মনটা শুধু ভালো নেই৷ আর রায়দান পিছিয়েই বা কী হবে? অযথা আরও কিছুদিন বাড়তি উৎকণ্ঠাতে কাটাতে হবে আমাকে৷ যা হবার তা আজকেই হোক৷ আমার আর এ জায়গাতে যাওয়া-আসা করতে ভালো লাগছে না৷’— কথাগুলো ধীরে ধীরে থেমে থেমে বললেন অ্যালান৷

    অ্যালানের বক্তব্য শুনে যুবক কৌঁসুলি মৃদু চুপ করে থেকে তাঁর তারুণ্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে বললেন, ‘তবে আপনার শাস্তির পরিমাণ যাতে কম করা যায় তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করব আমি৷ আমার ওপর ভরসা রাখুন, নিশ্চয়ই কিছু একটা করতে পারব আমি৷’

    আশ্বাসবাণী শুনে আবারও মৃদু হাসলেন অ্যালান৷ একেই হয়তো বলে আইনজীবীর পেশা৷ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা লড়ে যাবার চেষ্টা করে তার মক্কেলের জন্য৷ হয়তো বা ভবিষ্যতে এই যুবক একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী হবেন৷

    অ্যালানকে কথাগুলো বলে সেই তরুণ আইনজীবী আবার নিজের জায়গাতে ফিরে গিয়ে তাঁর আসন গ্রহণ করলেন৷ দশটা বাজতে আর মিনিট পাঁচেক বাকি৷ ঠিক দশটাতে আদালতের কাজ শুরু হবে৷

    মাথা নীচু করে বসলেন অ্যালান৷ যেমনভাবে রোজ তিনি বসে থাকেন৷ আদালত কক্ষে চাপাস্বরে আবার কথাবার্তা শুরু হয়েছে৷ কিন্তু সেই গুঞ্জনধ্বনি যেন অ্যালানের কানে প্রবেশ করছে না৷ গত কয়েকদিন ধরেই একজনের কথা মাঝে মাঝেই মনে পড়ছে তাঁর৷ যাঁর কথা অ্যালানের মনে পড়ছে, তিনি ‘সারা টিউরিং’৷—অ্যালানের মা৷ এই অবিশ্বাসের পৃথিবীতে আজ অ্যালানের একমাত্র বিশ্বাসের, ভালোবাসার মানুষ৷ যিনি নিজের সবকিছু উজাড় করে অ্যালানকে মানুষ করেছেন৷ অ্যালানের প্রতি তাঁর আত্মত্যাগ সীমাহীন৷ অ্যালানকে মানুষের মতো মানুষ করে তোলার জন্যই তিনি তাঁর সব সুখভোগ ত্যাগ করে ইন্ডিয়া ছেড়ে আবার এ দেশে ফিরে এসেছিলেন৷

    কাজের চাপে বেশ কয়েকমাস মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যেতে পারেননি অ্যালান৷ মা এখন কী করছেন! বাড়ির সেই একচিলতে বারান্দাতে একলা বসে, সকালের রোদ্দুর গায়ে মেখে কি অ্যালানের জন্য নতুন কোনো উলের সোয়েটার বুনছেন, নাকি ওভেনে কোনো নতুন ধরনের কেক বানিয়ে রাখছেন ছেলে বাড়ি ফিরলে তাকে খাওয়াবেন বলে? অ্যালানের যতটুকু ধারণা তাতে অ্যালানের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা, এই মামলার কথা এখনও তাঁর কানে পৌঁছোয়নি৷ কিন্তু কাল হয়তো খবরটা সংবাদপত্রে প্রকাশিত হবে৷ ব্যাপারটা তিনি জানতে পারবেন৷ তখন, কী প্রতিক্রিয়া হবে তাঁর? ছেলের প্রতি তীব্র ঘৃণা, নাকি গভীর সমবেদনা? অ্যালান ঠিক অনুমান করতে পারছেন না সেটা৷ মাথা নীচু করে মা সারার কথা ভাবতে লাগলেন অ্যালান৷

    কাঁটায় কাঁটায় ঠিক দশটা৷ ‘গড সেভ দ্য কিং’ সংগীতধ্বনির সঙ্গে এজলাসে প্রবেশ করলেন বিচারক৷ সবাই উঠে দাঁড়িয়ে মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করলেন বিচারককে৷ প্রৌঢ় বিচারপতি তাঁর আসন গ্রহণ করলেন৷ আজ আর তাঁর বিশেষ তেমন কোনো বাদানুবাদ শোনার ব্যাপার নেই৷ তাঁর কাজ অভিযুক্তের শাস্তি ঘোষণা করা এবং সেই শাস্তির ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযোগকারী, এক্ষেত্রে সরকার পক্ষের কোনো বক্তব্য থাকলে শোনা৷ বিচারপতি প্রথমে জুরিদের সঙ্গে মৃদুস্বরে কী যেন কথাবার্তা বললেন৷ তারপর এক আদালতকর্মী হাঁক দিল অ্যালান টিউরিং-এর নাম ধরে৷ অ্যালান তাঁর আসন ছেড়ে উঠে গিয়ে দাঁড়ালেন কাঠগড়াতে৷

    রায়দানের আগে বিচারক একবার তাকালেন অ্যালানের মুখের দিকে৷ হয়তো বা তিনি বোঝার চেষ্টা করলেন যে অ্যালানের মুখমণ্ডলে কোনো অনুশোচনার ছাপ ধরা দিচ্ছে কি না৷ কিন্তু দোষী ব্যক্তির মুখমণ্ডলে একটা অদ্ভুত নির্লিপ্তি ছাড়া তেমন কিছু অভিব্যক্তি ধরা দিল না বিচারকের চোখে৷ অতএব তাঁর রায় পাঠ করতে শুরু করলেন বিচারক—

    ‘অ্যালান ম্যাথিসন টিউরিং, পিতা জুলিয়ান ম্যাথিসন টিউরিং, ম্যাঞ্চেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে সরকারপক্ষের আনীত অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে৷ জুরি মহোদয়গণও সম্মিলিতভাবে এই ব্যক্তির অপরাধ সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়েছেন এই আদালতে উপস্থিত সাক্ষ্যপ্রমাণের দ্বারা৷ মিস্টার অ্যালান টিউরিং যে অপরাধ করেছেন, তা এ দেশের আইন, ধর্ম বা সমাজের চোখে এক ঘৃণ্য অপরাধ৷ তাই এই আদালত অ্যালান টিউরিংকে তাঁর…. অপরাধের জন্য প্রচলিত বিচারব্যবস্থার…. ধারা অনুসারে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের শাস্তি দান করছেন…

    এরপর সামান্য আরও কয়েকটি কথা বলে সংক্ষিপ্ত রায়দান পর্ব শেষ করলেন বিচারক৷

    আদালত কক্ষে এবার নিস্তব্ধতা নেমে এল৷ সবাই তাকাল অ্যালান টিউরিং-এর দিকে, বিচারকের রায় শোনার পর এই হাই প্রোফাইল অপরাধীর প্রতিক্রিয়া লক্ষ করার জন্য৷ হ্যাঁ, অ্যালান এখন দণ্ডাদেশ পাওয়া অপরাধী৷ আদালত এই মর্মেই রায় ঘোষণা করেছে৷

    বিচারক এরপর অ্যালানকে প্রশ্ন করলেন, ‘মিস্টার টিউরিং, এই আদালত যে রায় ঘোষণা করলেন, সে সম্পর্কে আপনার কিছু বলার আছে?’

    অ্যালান কোনো জবাব দিলেন না, মাথা নীচু করে নিশ্চুপ ভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন তিনি৷ তা দেখে বিচারপতি আবারও তাঁর উদ্দেশে বললেন, ‘অ্যালান, আপনাকে বলছি৷ আদালতের রায় নিয়ে আপনার কোনো বক্তব্য আছে?’

    অ্যালান এবারও নিশ্চুপ৷ তাঁর দৃষ্টি কাঠগড়ার সামনে মাটির ওপর বিছানো লাল কার্পেটের ওপর নিবদ্ধ৷

    বিচারকের প্রশ্নে অ্যালান কোনো সাড়া না দেওয়াতে একটা মৃদু গুঞ্জন শুরু হল৷

    এবার কিন্তু উঠে দাঁড়ালেন অ্যালানের পক্ষ নেওয়া সেই তরুণ আইনজীবী৷ বিচারকের উদ্দেশে তিনি বললেন, ‘মি লর্ড, মিস্টার অ্যালান টিউরিং এই মুহূর্তে মানসিকভাবে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত৷ কোনো কিছু বলার মতো পরিস্থিতিতে তিনি নেই৷ আপনি যদি অনুমতি দেন, তবে এই রায় নিয়ে তাঁর পক্ষ অবলম্বন করে আমি আদালতের সামনে কিছু বক্তব্য রাখতে চাই৷ দয়া করে আমাকে সে সুযোগ দেওয়া হোক৷’

    তরুণ আইনজীবীর আবেদনে সরকারি পক্ষের আইনজীবীরা আপত্তি না তোলায় বিচারপতি একটু ভেবে নিয়ে বললেন, ‘ঠিক আছে৷ ওঁর হয়ে আপনিই বলুন৷ আদালত অনুমতি দিচ্ছেন৷’

    তরুণ আইনজীবী এরপর বলতে শুরু করলেন, ‘মি লর্ড, প্রথমেই বলি, মিস্টার অ্যালান টিউরিং-এর বিরুদ্ধে প্রমাণিত অভিযোগ সম্বন্ধে আমার কোনো বক্তব্য নেই৷ মিস্টার টিউরিং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আদালতে দাঁড়িয়ে কখনও অস্বীকার করেননি বা তাঁর অপরাধ গোপন করার চেষ্টা করেননি, যা অন্য অপরাধীরা প্রায় সবসময় করে থাকে৷ আদালতে শুনানি চলার সময় তিনি সরকারি আইনজীবীদের এবং জুরি মহোদয়দের সর্বতোভাবে সহযোগিতা করে গেছেন, নচেৎ এই মামলার যে এত দ্রুত নিষ্পত্তি হত না, তা আমরা সবাই জানি৷ মিস্টার টিউরিং এ কাজটা করে গেছেন, তাঁর অপরাধ প্রমাণিত হলে তিনি কঠিন শাস্তি পাবেন, তাঁর কারাদণ্ড হবে, তা জেনেও৷ কারণ তিনি বিচার-ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল৷’

    এরপর একটু থেমে আবেগঘন কণ্ঠে সেই তরুণ আইনব্যবসায়ী বলতে লাগলেন, ‘ইয়োর অনার, এ কথা ঠিকই, এক ঘৃণ্য অপরাধ করেছেন মিস্টার টিউরিং৷ এ দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমি নিজেও ব্যাপারটাকে সমর্থন করি না৷ কিন্তু আসামির কাঠগড়াতে দণ্ডাদেশ পেয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটার অপরাধই শুধু নয়, আসুন, তাঁর অতীতটাকেও আমরা একবার স্মরণ করি৷ হ্যাঁ, আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটাই কিছুদিন আগে গণিত, বিজ্ঞান, আর তাঁর অসাধারণ বৌদ্ধিক ভাবনার জন্য দু-দুটি ঈর্ষণীয় সরকারি খেতাব লাভ করেন৷ যার একটি হল, ‘অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এমপায়ার’৷ আর অপরটি হল ‘ফেলো অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি’৷ এ ছাড়া গণিতশাস্ত্র ও কম্পিউটার শাস্ত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য দেশ-বিদেশের নানা পুরস্কার তিনি তো পেয়েইছেন…

    হ্যাঁ৷ ইনিই সেই অ্যালান টিউরিং, যিনি বলেছিলেন, যন্ত্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কথা, বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে ছুঁড়ে দিয়েছিলেন এক প্রশ্ন, ‘লেট আস কনসিডার দ্য কোশ্চেন, ক্যান মেশিন থিংক?’ যন্ত্র কি চিন্তা করতে পারে? হ্যাঁ, তিনি ব্যাপারটা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন৷ যা সারা পৃথিবীতে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, আর তার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান পৃথিবীতে বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে ব্রিটিশরাই যে সর্বশ্রেষ্ঠ তাও আর-একবার প্রমাণ করেছে৷

    শুধু কি তাই? আজ আদালতে কারাদণ্ডের হুকুম শোনা এই ব্যক্তির সম্বন্ধেই আমাদের দেশের মাননীয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মিস্টার চার্চিল একদিন মন্তব্য করেছিলেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে আটলান্টিক সাগরে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর সাফল্যের আসল কারিগর হলেন গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং৷ তিনি হিটলারের সেনানায়কদের সাংকেতিক রেডিয়ো বার্তার মর্ম উদ্ধার করে ব্রিটিশ বাহিনীর ও মিত্রশক্তির জয় নিশ্চিত করেন৷ যার ফলে অন্তত দু-বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেমে যায় এবং এক কোটি মানুষের জীবনহানি কম হয়৷’ হ্যাঁ, আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এই সেই মানুষ, যিনি অন্তত এক কোটি মানুষের প্রাণরক্ষা করেছিলেন…৷’

    বিচারক এবার আইনজীবীকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ‘শাস্তির ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী, তা এবার স্পষ্ট করুন৷’

    তরুণ আইনজীবী বললেন, ‘হ্যাঁ, সেটা এবার বলছি৷ বিচার চলাকালীন সরকারপক্ষের আইনজীবীরা একটা কথা বার বার বলেছেন৷ কোনো সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ এই জঘন্য অপরাধ কোনোদিন করতে পারেন না৷ হ্যাঁ, আমিও মনে করি মিস্টার টিউরিং মানসিকভাবে অসুস্থ৷ অত্যধিক মানসিক চাপ মিস্টার টিউরিং-এর মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটিয়েছে৷ তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজন৷ তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে দেশকে, সমাজকে আরও অনেক কিছু দিতে পারবেন৷ তাই সরকারি আইনজীবী ও আদালতের কাছে আমার আবেদন, অপরাধী সম্পর্কে কারাবাসের বিকল্প কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কি না তা নিয়ে ভাবা হোক৷ কারাদণ্ড ভোগ করলেই যে অ্যালান মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠবেন, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই, যেটা সম্ভব তাঁর চিকিৎসা করলে৷’—এই বলে বসে পড়লেন তিনি৷ বিচারক আইন মোতাবেক শাস্তি ঘোষণা করলেও তিনি শিক্ষিত মানুষ ও অ্যালানের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল৷ হয়তো বা তিনি তাঁর গাম্ভীর্যের আড়ালে অ্যালানকে রক্ষা করার কোনো সুযোগ খুঁজছিলেন৷ তাই তিনি সরকারপক্ষের আইনজীবীকে বললেন, ‘এ ক্ষেত্রে আপনাদের মতামত কী?’

    সরকারি আইনজীবী বললেন, ‘আমার মত প্রকাশের জন্য সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার জন্য সময় দেওয়া হোক৷’

    আইনজীবীর সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে বিচারপতি এক ঘণ্টার জন্য আদালত মুলতুবি করলেন৷

    এক ঘণ্টা পর যখন বিচারপতি নিজের চেয়ারে বসলেন, তখন সরকারপক্ষের আইনজীবী জানালেন, ‘সরকারের বক্তব্য সরকারি তত্ত্বাবধানে সরকার অপরাধীর চিকিৎসা করবে৷ অপরাধী যদি এ ব্যাপারে সরকারকে অসহযোগিতা করে, অথবা চিকিৎসা নিতে না চায়, তবে তাকে জেলে পাঠানো হবে৷’

    বিচারক এরপর অপরাধীর কাছে জানতে চাইলেন, ‘কী করবেন আপনি? চিকিৎসা করাবেন নাকি জেলে যাবেন?’

    অ্যালান মনে করেন না তিনি যা করেছেন তা অপরাধ, তিনি মানসিক ব্যাধির শিকার৷ কিন্তু তাঁর যে এখনও অনেক কাজ বাকি৷ জেলে গেলে সেসব কাজ আর কোনোদিন হবে না৷ অগত্যা অসহায় অ্যালান বললেন, ‘সরকারের প্রস্তাবে আমি রাজি৷’

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article অন্ধকার যখন নামল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }