Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধারে গোপন খেলা – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আঁধারে গোপন খেলা – ৭

    ৭

    ‘মরকম? মরকম? দেখো ছেলের দল আমাকে আবার মারতে আসছে! কোথায় তুমি?’ বিড়বিড় করে বলছিলেন তিনি৷

    ‘উঠে পড়ুন স্যার, উঠে পড়ুন৷ ডিনারের সময় হয়ে গেছে! খাবেন না?’ পরিচারকের মৃদু ঝাঁকুনিতে বিছানাতে উঠে বসলেন অ্যালান৷ তারপর পরিচারকের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ও স্টুয়ার্ট তুমি! আমি ভাবলাম বুঝি মরকম!’ অতি ধীরে ধীরে ক্লান্তভাবে কথাগুলো বললেন তিনি৷

    মরকম কে তা জানা নেই স্টুয়ার্টের৷ দু-দিন আগে সকালে বাইরে বেরিয়েছিলেন অ্যালান৷ তাঁকে দেখে স্টুয়ার্টের মনে হয়েছিল যে বেশ খুশি মনেই বাড়ি ফিরেছিলেন অ্যালান৷ দাবার বোর্ড নিয়ে খেলতেও বসেছিলেন৷ কিন্তু তারপর থেকেই প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অ্যালান৷ এ দু-দিন বলতে গেলে তিনি শুয়েই ছিলেন৷ প্রায় ঘোরের মধ্যেই কাটিয়েছেন৷ মাঝে মাঝে ঘোরের মধ্যে বিড়বিড় করে নানা কথা বলেছেন, আবার কখনও বা শরীরের যন্ত্রণাতে বা কোনো দুঃস্বপ্ন দেখে কঁকিয়ে উঠেছেন৷ অ্যালানের এ ব্যাপারটা অবশ্য স্টুয়ার্টের কাছে নতুন নয়৷ সরকারি চিকিৎসক এসে তাঁকে ইঞ্জেকশন দেবার পর এ ব্যাপারটা যে ঘটে তা জানে স্টুয়ার্ট৷ তবে এ-বারের অসুস্থতাটা যেন একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে পরিচারকের৷ অ্যালানকে সে বলল, ‘রাত দশটা বাজে৷ উঠে পড়ুন স্যার৷ ডিনারটা সেরে নিন৷ নইলে শরীর আরও দুর্বল লাগবে৷’

    বিছানা ছেড়ে নামলেন অ্যালান৷ মাথার যন্ত্রণা এই মুহূর্তে না থাকলেও গাঁটের যন্ত্রণা অত্যন্ত প্রবল৷ ‘চারদিন হতে চলল তবু যন্ত্রণা কমছে না কেন? ডাক্তার কি তবে হরমোন ইঞ্জেকশনের সঙ্গে অন্য কিছু মিশিয়ে শরীরে প্রবেশ করিয়েছেন?’—এ কথাটা মনে মনে একবার ভাবলেন অ্যালান৷ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে অ্যালান চললেন ওয়াশরুমের দিকে৷

    গরম জলে অত রাতেই স্নান সারলেন তিনি৷ সারাদিন আজ বিছানা ছেড়ে ওঠেননি তিনি৷ স্নান সারার পর তাঁর ক্লান্ত অবসন্ন ভাবটা অনেকখানি যেন কেটে গেল৷ একটু খিদেও যেন পেল৷ পোশাক পাল্টে তিনি যখন পাশের ডাইনিং রুমে উপস্থিত হলেন, ততক্ষণে টেবিলে ডিনার সাজিয়ে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল পরিচারক৷ ডিনার সারতে বসলেন অ্যালান৷ স্যুপের বাটি থেকে চামচ দিয়ে স্যুপ মুখে দিয়ে তিনি পরিচারককে প্রশ্ন করলেন, ‘আমার কোনো চিঠি এসেছে? নীল খামওলা সরকারি মোহরের ছাপওলা চিঠি?’

    স্টুয়ার্ট জবাব দিল, ‘না স্যার, আসেনি৷’

    অ্যালান বললেন, ‘আসার কথা৷ আসবে৷ চিঠিটা এলে, আমি যদি সেসময় ঘুমিয়েও থাকি, তাও আমাকে ডেকে তখনই চিঠিটা দেবে৷ খুবই জরুরি চিঠি৷’

    স্টুয়ার্ট জবাব দিল, ‘আচ্ছা স্যার৷’

    অ্যালান আর-কোনো কথা না বলে নিঃশব্দে ডিনার শেষ করে ফিরে এলেন ঘরে৷ শরীরে কিছুটা বলও যেন তাঁর ফিরে এল৷ একটা চেয়ার টেনে আনলেন তিনি জানলার কাছে৷ পর্দা সরিয়ে, জানলার কাচের পাল্লা খুলে তিনি চেয়ারে বসলেন৷

    বাইরে নিস্তব্ধ পৃথিবী৷ বিয়ার পাবগুলো এতক্ষণে নিশ্চয়ই বন্ধ হয়ে গেছে৷ হই-হুল্লোড় সেরে পরদিন আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন নিয়ে ঘরে ফিরে গেছে তরুণ-তরুণীর দল৷ কোথাও কোনো শব্দ নেই, অ্যালানের বাড়ির সামনের রাস্তাটা শূন্য৷ আকাশের দিকে তাকালেন অ্যালান৷ মেঘমুক্ত আকাশে উজ্জ্বল তারাভরা রাত৷ কেউ যেন একরাশ হীরককুচি ছড়িয়ে রেখেছে আকাশের বুকে৷ সেদিকে তাকিয়ে মনটা একটু ভালো হয়ে গেল অ্যালানের৷ সেদিকে তাকিয়ে অ্যালানের প্রথম মনে পড়ল মরকমের কথা৷ গ্রীষ্মের কত রাত অ্যালান আর মরকম পাশাপাশি ঘাসের ওপর শুয়ে এমনই তারাভরা রাতের দিকে তাকিয়ে কাটিয়েছেন! শেরবর্ন স্কুলে পড়ার দিনগুলোতে অ্যালানকে মরকম শুধু যে গণিতের উচ্চতর শাখা, সংখ্যাতত্ত্ব, জ্যোতির্বিজ্ঞানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল তাই নয়, গ্রহ-নক্ষত্র সম্বন্ধে অদ্ভুত ফলিত জ্ঞান ছিল তার৷ কোনটা ‘গ্রেট বিয়ার’ বা সপ্তর্ষিমণ্ডল, কোনটা মেনেসা তারামণ্ডল, এ সব কিছু অ্যালানকে চিনতে শিখিয়েছিল সে৷ সারাদিন পড়াশোনার ক্লান্তির শেষে কখনও কখনও অ্যালানকে নিয়ে বাড়ির ছাদে উঠত অ্যালানকে আকাশ চেনাবার জন্য৷ তখন অ্যালান আর মরকম পরস্পরের বাড়ি যাতায়াত আর রাত্রিবাসও শুরু করেছে৷ অ্যালান তার জ্ঞান দেখে অবাক হয়ে বলেছিল, ‘এসব তারা তুমি চিনলে কীভাবে? পাঠ্যবইতে এসব লেখা থাকলেও আমাদের ইস্কুলে তো তারা চেনাবার ক্লাস হয় না!’

    মরকম জবাব দিয়েছিল, ‘বলতে পারো নিজের আগ্রহতেই শিখেছি৷ রাতের পর রাত জেগে বইয়ের সঙ্গে মিলিয়ে মিলিয়ে আকাশের তারা চিনেছি৷ যখন পারতাম না তখন বাবার শরণাপন্ন হতাম৷ তিনি চিনিয়ে দিতেন৷ আসলে আকাশ আর তারা চেনার ব্যাপারটা অনেকটা হয়তো আমাদের রক্তের মধ্যেই মিশে আছে বংশানুক্রমে৷ তুমি তো জানোই, আমার পূর্বপুরুষরা একসময় নাবিক ছিলেন৷ সেসময় তো দিকনির্ণয়ের জন্য যন্ত্রপাতির তেমন প্রচলন ছিল না৷ দিকচিহ্নহীন উত্তাল সমুদ্রে রাতের আকাশে নক্ষত্র দেখেই দিক নির্ণয় করতেন নাবিকরা৷ তাঁরা অধিকাংশই কিন্তু নিরক্ষর ছিলেন, অথচ তাঁদের কী আশ্চর্য জ্ঞান ছিল আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র চেনার ব্যাপারে৷ হয়তো বা তাঁদেরই দক্ষতা কিঞ্চিৎ লাভ করেছি আমি৷’

    হ্যাঁ, ক্রিস্টোফার মরকমই শেরবর্ন স্কুলের আতঙ্কের দিনগুলোকে পরিণত করেছিল সোনালি দিনে৷ মরকম হয়ে উঠেছিল অ্যালানের রক্ষাকর্তা, অভিভাবক, শিক্ষক ও সর্বোপরি একান্ত বন্ধু—ভালোবাসার মানুষ৷ মা, সারা টিউরিং-এর পর অ্যালান যদি কাউকে ভালোবেসে থাকে, সে হল ক্রিস্টোফার মরকম৷ যে বয়সে মরকমের সঙ্গে অ্যালানের যোগাযোগ, সে বয়সটা অ্যালানের জীবনে কৈশোর আর যৌবনের সন্ধিক্ষণ৷ যৌনতা বিকশিত হতে শুরু করে, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি ভালোলাগা ভালোবাসা শুরু হয়৷ যা আসলে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি যৌন আকর্ষণই৷ অ্যালান কিন্তু মেয়েদের প্রতি সে আকর্ষণ বোধ করেননি কোনোদিন৷ অ্যালানের নিজের চেহারা বেশ নরম, কমনীয়৷ চলতি কথায় লোকে যাকে বলে ‘মেয়েলি ভাব’৷ সেসময় অ্যালানের শরীরে, কথা বলায়, হাঁটাচলাতে সে ভাবটা একটু বেশি পরিমাণেই ছিল৷ যে কারণে শেরবর্ন স্কুলে প্রাথমিক অবস্থায় মার্টিন আর তার অনুচরদের বিদ্রুপ আর অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছিল অ্যালানকে৷ আর অ্যালানের তথাকথিত মেয়েলি ভাবের জন্যই সম্ভবত সমবয়সি মেয়েরা অ্যালানের প্রতি তেমন কোনো আকর্ষণ, বলা ভালো যৌন আকর্ষণ অনুভব করেনি৷ অ্যালানকে তারা এড়িয়েই চলেছে৷ অ্যালানের জীবনে নারী বলতে শুধুই তার মা, সারা টিউরিং৷ মাতা-পুত্রের মধ্যে যেমন স্নেহ-ভালোবাসার স্বাভাবিক সম্পর্ক থাকে, ঠিক তেমনই সম্পর্ক ছিল তাদের দুজনের মধ্যে৷ তবে মরকম ছিল অ্যালানের সম্পূর্ণ বিপরীত ধরনের৷ ঈর্ষণীয় পুরুষালি চেহারা ছিল তার৷ একদিকে সে যেমন ছিল অসম্ভব মেধাবী আর স্নেহপরায়ণ, তেমনই তার মধ্যে একটা নায়কোচিত শক্তসমর্থ ব্যাপার ছিল৷ মরকমের সঙ্গে অ্যালানের যেদিন প্রথম আলাপ, মার্টিনের দলের হাত থেকে অ্যালানকে উদ্ধার করে তার হাত ধরে মরকম যেদিন তাকে মাটি থেকে টেনে তুলেছিল, সেদিন সেই হাতের স্পর্শে অ্যালান জীবনে প্রথম যেন অন্য ধরনের অনুভূতি লাভ করেছিল৷ সে অনুভূতি কি অতি সূক্ষ্ম যৌন অনুভূতির আরও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কোনো রূপ ছিল? মরকমই কি প্রথম পুরুষকে ভালোবাসতে শিখিয়েছিল? যৌনভাবে একজন পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হতে শিখিয়েছিল পুরুষ অ্যালানকে?—এ প্রশ্ন অ্যালানের মনে আজও উঁকি দেয়৷ উত্তরটা অ্যালানের নিজের কাছেও ধোঁয়াশার মতো৷ হয়তো ‘হ্যাঁ’, হয়তো ‘না’৷ তবে এ কথা সত্যি যে মরকমের প্রতিটা স্পর্শ যেন এক অদ্ভুত ভালোলাগার জন্ম দিত অ্যালানের শরীরে৷ যে কটা দিন মরকম আর অ্যালান একসঙ্গে এ পৃথিবীতে ছিল, সে ক’দিন মরকমের প্রতি এক অদ্ভুত ভালোলাগার আবেশে আবিষ্ট হয়েছিল কিশোর অ্যালান৷

    তবে অ্যালানের মা কি তাদের দুজনের ব্যাপারে কিছু সন্দেহ করেছিলেন? সতর্ক হবার চেষ্টা করেছিলেন ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে? অ্যালানকে তিনি মরকমের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে স্পষ্টভাবে মুখে কিছু না বললেও অ্যালান বুঝতে পারত শেষের দিকে তিনি যেন মরকমকে বিশেষ পছন্দ করতেন না৷ তিনি চাইতেন না যে মরকমের বাড়িতে অ্যালান রাত্রিবাস করুক৷ এর পিছনে তাঁর কি কোনো আশঙ্কা কাজ করত? মরকমের সান্নিধ্য, স্কুল, পড়াশোনার বাইরে কোনো ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহ ছিল না অ্যালানের৷ মা, সারাও ব্যাপারটা জানতেন৷ তবুও আঠেরো বছরে পদার্পণ করার আগেই সারা কেন অ্যালানকে জোর করে নিয়ে গেছিলেন সেই বিশেষ ধরনের নৈশভোজে? যে নৈশভোজে অভিভাবকরা সদ্য যৌবনে পদার্পণকারী ছেলে-মেয়েদের নিয়ে উপস্থিত হয় বিশেষ কারণে! উপস্থিত ছেলে-মেয়েদের মধ্যে যদি কারো কাউকে ভালো লাগে, তবে তাদের অভিভাবক-অভিভাবিকারা ভবিষ্যতে তাদের বিয়ের ব্যাপারে কথাবার্তা সেরে রাখেন৷ তবে অ্যালানকে সেখানে পছন্দ করেনি অ্যালানের সমবয়সি কোনো মেয়ে, আর অ্যালানও তাদের কারো প্রতি কোনো আকর্ষণ অনুভব করেনি৷ বলরুমে ঝাড়বাতির আলোর নীচে রংচঙে পোশাক পরা কিশোরী-তরুণীর দল যখন অ্যালানের সামনে একঝাঁক উজ্জ্বল প্রজাপতির মতো ঘুরে বেড়াচ্ছিল, অ্যালানের মন ছিল তখন তাদের থেকে অনেক দূরে৷ তখন সে ভাবছিল মরকমের কথা—মরকম এখানে থাকলে এতক্ষণে নিশ্চয়ই তাকে ছেঁকে ধরত নারীর দল৷ তার মতো সুঠাম শক্তপোক্ত পুরুষকেই তো নারীরা মনে মনে কামনা করে৷ শুধু নারীরা কেন, অ্যালানের মতো কিছু পুরুষও হয়তো মনে মনে কামনা করে মরকমকে৷ সে এখন কী করছে? নিজের ঘরে পাঠে নিমগ্ন? নাকি আকাশের দিকে তাকিয়ে তারা দেখছে, ভাবছে অ্যালানের কথা? বলরুমের একপাশে দাঁড়িয়ে অ্যালান সেদিন এ কথাগুলোই ভেবেছিল৷ নৈশভোজের আসর থেকে হতাশভাবে ছেলেকে নিয়ে বাড়িমুখো হয়েছিলেন সারা টিউরিং৷

    তবে এরপর অবশ্য সারাকে নিজেই দুশ্চিন্তামুক্ত করে দিয়েছিল ক্রিস্টোফার মরকম, তার নিজের ব্যাপারে৷ হঠাৎই একদিন প্রবল জ্বর এল মরকমের৷ একদিন, দু-দিন, তিনদিন৷ কিছুতেই জ্বর ছাড়ে না তার৷ পরীক্ষায় ধরা পড়ল মরকম ‘বোভাইন টিউবারকিউলোসিস’ আক্রান্ত৷ সেই শেষের ক-দিন অ্যালান আর মরকম দুজনের জীবনেই করুণতম দিন ছিল৷ ‘টিউবারকিউলোসিস’ রোগ মানেই মৃত্যুর পরোয়ানা, আর এ রোগ অত্যন্ত ছোঁয়াচে৷ এ রোগ সম্বন্ধে সেসময় এ ধারণাই পোষণ করত লন্ডনের মানুষ৷ কারো এ রোগ হলে তার ধারে-কাছে পরিবারের লোকও ঘেঁষত না মৃত্যুভয়ে৷ কিন্তু সেই প্রথম মায়ের নিষেধও অগ্রাহ্য করেছিল অ্যালান৷ রোজ সকাল হলেই অ্যালান সমস্ত বাধা-নিষেধ অগ্রাহ্য করে মরকমের বাড়ি ছুটে যেত৷ মরকমের সেই ছোট্ট ঘরটাতে তার খাটের পাশে চেয়ার ঠেলে নিয়ে বসে থাকত সে, যতক্ষণ না সন্ধ্যা নামে৷ মরকম বিছানাতে পড়লেও প্রথম দিকে কথা বলতে পারত সে৷ অ্যালানকে তার পাশে অমনভাবে ঠায় বসে থাকতে দেখে মরকম নিজেই কখনও বা অ্যালানকে বলত যে, ‘এবার তুমি বাড়ি ফিরে গিয়ে পড়তে বসো৷ আর কয়েক মাস বাদেই যে পরীক্ষা৷ ক্লাসে তোমাকে প্রথম হতেই হবে৷ আমার হয়তো এবার দেওয়া হবে না৷’ মরকমের কথা শুনে অ্যালান হেসে বলত, ‘সিলেবাস তো কবেই শেষ করেছি তা তুমি নিজেই জানো৷ আর আমার প্রথম হবার ব্যাপারে তোমার তো সন্দেহ থাকার কথা নয়৷ আর তুমিও সুস্থ হয়ে উঠবে৷ নিশ্চয়ই পরীক্ষা দেবে৷’

    অ্যালানের কথা শুনে বিষণ্ণ হাসি ফুটে উঠত মরকমের ঠোঁটে৷ আর তা দেখে অ্যালান তার মনে সাহস যোগাবার জন্য বলত, ‘আমার মনে হচ্ছে আর ক-দিনের মধ্যেই খাট ছেড়ে নামবে তুমি৷ তবে আমরা কিন্তু প্রথমে বই নিয়ে অঙ্ক করতে বসব না৷ রাতে মাঠে যাব৷ ওই যে তুমি আমাকে নতুন একটা তারা চেনাবে বলেছিলে, সেটা চেনাতে হবে৷’ এ কথাটা শুনে মুহূর্তের জন্য আশার আলোতে উজ্জ্বল হয়ে উঠত মরকমের চোখ৷ দুর্বল কণ্ঠে সে বলত, ‘হ্যাঁ, দেখাব৷ পশ্চিম আকাশে ওটা দেখা যায়৷’

    সেই নতুন তারা কিন্তু আর দেখা হয়নি, চেনা হয়নি অ্যালানের৷ এরপর বিছানা থেকে ওঠা তো দূরের কথা, মরকমের কথাও বন্ধ হয়ে গেছিল৷ অসহায় দৃষ্টি নিয়ে সে চেয়ে থাকত অ্যালানের দিকে৷ শেষ দু-তিনদিন কোনো হুঁশ ছিল না মরকমের৷ তারপর একদিন সকালে অ্যালান, মরকমের বাড়ি পৌঁছে দেখল মরকম নিশ্চলভাবে শুয়ে আছে৷ তার যে ডানহাতটা একদিন অ্যালানকে মাটি থেকে টেনে দাঁড় করিয়েছিল, সেই হাতটা আজ শীর্ণভাবে খাটের থেকে মাটির দিকে ঝুলছে৷ সে হাত আর কোনোদিন অ্যালানের হাত আঁকড়ে ধরবে না৷

    জানলার পাশে বসে তারাভরা আকাশের দিকে তাকিয়ে বেশ অনেকক্ষণ ধরে অ্যালান ভাবতে লাগল মরকমের কথা৷ শেরবর্ন স্কুলের সেই দিনগুলোর কথা৷ যে দিনগুলো আর কোনোদিন ফিরে আসবে না, যেমন আর কোনোদিন ফিরবে না ক্রিস্টোফার মরকম৷ তবে সেসব দিনের কথা কোনোদিন ভোলেনি অ্যালান৷ আজ সে নিঃসঙ্গ বলে মরকমের কথা তার মনে পড়ছে এমনটা নয়৷ ব্লেচলি পার্কের সাইফার স্কুলে এনিগমা রহস্য উন্মোচনের জন্য চূড়ান্ত পরিশ্রমের দিনগুলোতে অথবা টিউরিং মেশিনের সফলতা লাভের দিনেও সে ভোলেনি মরকমকে৷ অ্যালান ‘যন্ত্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তত্ত্ব’ প্রমাণ করার পর অ্যালানের সহকর্মীরা কেউ কেউ বলতেন যে অ্যালানের নোবেল প্রাইজ পাওয়াটা কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা৷ তাঁদের এ বক্তব্যের যে কিছুটা সারবত্তা আছে তা অ্যালান নিজেও মানেন৷ অ্যালান মনে মনে ভেবে রেখেছেন যে সত্যিই যদি তিনি কোনোদিন নোবেল প্রাইজ পান, তবে তিনি সে পুরস্কার উৎসর্গ করবেন তাঁর ভালোবাসা—ক্রিস্টোফার মরকমের স্মৃতির উদ্দেশে৷

    আকাশের দিকে চেয়ে মরকমের কথা ভাবতে ভাবতে পশ্চিম আকাশে এক উজ্জ্বল তারা হঠাৎ চোখে পড়ল অ্যালানের৷ ওটাই কি তবে সেই তারা, যা মরকমের চেনানো হল না অ্যালানকে? নাকি মরকম নিজেই ওই তারা? ছেলেবেলাতে অ্যালান তাঁর মার মুখে কোনো একটা রূপকথার গল্পে শুনেছিলেন মানুষ মরে গেলে নাকি আকাশের তারা হয়ে ফোটে৷ যদিও বিজ্ঞানের সঙ্গে তারা হওয়ার গল্পের কোনো সম্পর্ক নেই, তবে কথাটা মনে পড়ে কেন জানি ভালো লাগল অ্যালানের৷ তারাটার দিকে তাকিয়ে মরকমের উদ্দেশে মনে মনে তিনি বললেন, ‘হয়তো বা তুমি ওই তারাই হবে!’

    ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করল একসময়৷ গির্জার ঘড়িতে রাত বারোটার ঘণ্টা বাজল৷ জানলা বন্ধ করে বিছানায় শুয়ে পড়লেন অ্যালান৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article অন্ধকার যখন নামল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }