Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধারে গোপন খেলা – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আঁধারে গোপন খেলা – ৮

    ৮

    এদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে কিছুটা সুস্থবোধ করলেন অ্যালান৷ গাঁটের যন্ত্রণাটা একটু কম৷ ওষুধের প্রভাবটা সম্ভবত কাটতে চলেছে৷ তবে ধকলটা এবার যেন একটু বেশিই হল৷ তিনি ঠিক করলেন আজ একটু পড়াশোনা করবেন৷ অবসাদের কারণে বেশ কয়েকমাস পড়াশোনা তেমন হয়ে উঠছে না৷ গবেষণার অনুমতিপত্র নিশ্চয়ই এর মধ্যে চলে আসবে৷ নতুনভাবে আবার কাজ শুরু করার জন্য প্রস্তুত হওয়া প্রয়োজন৷ তিনি ঠিক করলেন সারাদিন তিনি পড়াশোনা নিয়েই থাকবেন৷

    সেইমতো তিনি বিছানা ছেড়ে উঠেই স্নান সেরে নিলেন৷ ব্রেকফাস্টের টেবিলে খেতে বসে পরিচারককে বললেন, তিনি লাইব্রেরি রুমে থাকবেন৷ অযথা লাঞ্চের জন্য তাঁকে যেন বিরক্ত না করা হয়, খিদে পেলে তিনি নিজেই খাবার দেবার জন্য বলবেন৷ তবে হ্যাঁ, সরকারি কোনো লোক যদি চিঠি নিয়ে আসে, তবে যেন তৎক্ষণাৎ তাঁকে খবর দেওয়া হয়৷ পরিচারককে এ কথা জানিয়ে প্রাতরাশ সাঙ্গ করে লাইব্রেরি রুমে গিয়ে ঢুকলেন অ্যালান৷ ছোটো একটা ঘর৷ বইপত্রে ঠাসা৷ ঘরের মাঝখানে একটা টেবিল আর চেয়ার৷

    অ্যালান যখন এ বাড়িতে আসেন তখন তাঁর নিজের বাড়ির লাইব্রেরির সামান্য অংশই এখানে আনতে পেরেছিলেন সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে৷ তাতেই এই ছোট ঘরটা এমনভাবে ভরে গেছে যে ঘরের একটা মাত্র জানলাও বইয়ের র‌্যাকের আড়ালে ঢাকা পড়েছে৷ র‌্যাক থেকে একটা মোটা বই নামিয়ে এনে চেয়ারে বসলেন অ্যালান৷ টেবিলে বইটা রেখে সেটা খুলতেই প্রথম পাতাতে একটা সরকারি সিলমোহর চোখে পড়ল৷ তাতে লেখা ‘পাশ’ এবং তার সঙ্গে সরকারি আধিকারিকের স্বাক্ষর৷ এই লাইব্রেরিতে যত বই আছে, তার সবকটাতেই এই সিলমোহর আছে৷ অর্থাৎ এই বইগুলো অ্যালানের পাঠের উপযুক্ত৷ সরকারি আধিকারিকরা আগে দেখে নিয়েছেন এই বইগুলোর মধ্যে কোথাও যৌনতা বিষয়ক কোনো লেখা, বলা ভালো সমকামিতা নিয়ে কোনো লেখা আছে কি না৷ তারপর বইগুলো এ বাড়িতে আনার ছাড়পত্র মিলেছে৷ সিলমোহরটার দিকে তাকিয়ে মনে মনে হাসলেন অ্যালান৷ বইগুলো এ বাড়িতে পৌঁছোবার আগে সরকারি দপ্তরে পাঠাতে হয়েছিল৷ এমন যদি হয়ে থাকে যে যিনি ছাড়পত্র দিয়েছেন, তিনি বা তাঁর কোনো কর্মচারী বইতে ছাপ মারার আগে এ বইটার প্রতিটা পাতা পড়েছেন, তবে সেই কাজ নিশ্চয়ই অত্যন্ত ভয়াবহ ব্যাপার হয়ে উঠেছিল তাঁর কাছে৷ উচ্চতর গণিতবিদ্যা সংক্রান্ত এই মোটা বইটার কোনো অর্থ না বুঝেই যদি পাতার পর পাতা সমকামিতার গন্ধ খোঁজার জন্য পড়তে হয়, তবে তার থেকে বিড়ম্বনার ঘটনা আর কী হতে পারে?—এ কথাটা ভেবেই মনে মনে হাসলেন অ্যালান৷ কিন্তু তারপরই তাঁর মনে সেই পুরোনো প্রশ্নের উদয় হল৷ সে প্রশ্ন—‘যন্ত্র ভাবতে পারে কি না?’—এ প্রশ্নের চেয়েও অ্যালানের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়, রাষ্ট্র কি মানুষের যৌন ভাবনা নির্ধারণ করার অধিকারী? কারো যৌন ভাবনা বা ধারণা, সমাজের প্রচলিত যৌন ভাবনার সঙ্গে না মিললেই কি সে অপরাধী? সে মানসিক বিকারগ্রস্ত? অসুস্থ? অ্যালানের মতো নিশ্চয়ই পৃথিবীতে এমন আরও পুরুষ আছেন, যাঁরা পুরুষের প্রতি যৌনভাবে আকৃষ্ট, এমন অনেক নারী আছেন যাঁরা নারীর প্রতি আকৃষ্ট, তবে তাঁরা সবাই কি মানসিকভাবে অসুস্থ, অপরাধী? ঠিক যেমন অ্যালান আজ অপরাধী! মানুষের ভালোলাগার ওপর তো নিজের কোনো হাত থাকে না৷ যেমন কৈশোর থেকেই অ্যালানকে বেশি আকৃষ্ট করত পুরুষেরা৷ মরকমের মতো সুঠাম চেহারার পুরুষেরা, পরবর্তীকালে ম্যাঞ্চেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনিশিয়ান আর্নল্ড মুরের মতো সুঠাম পুরুষেরা৷ কোনো নারী তাদের মতো কোনোদিন আকৃষ্ট করতে পারেনি অ্যালানকে৷ আগ্রহ জন্মাতে পারেনি তাঁর মনে৷ আর্নল্ড এখন কোথায়? সে কি এখনও বিশ্ববিদ্যালয়েই চাকরি করছে? অ্যালান তাকে শেষবারের জন্য দেখেছিলেন আদালতে৷ সরকারি কৌঁসুলি যখন বিচারকের সামনে আর্নল্ডকে দেখিয়ে বলছিল—‘এই সেই আর্নল্ড৷ যার ওপর প্রায়শই জঘন্য অত্যাচার চালাতেন কাঠগড়ায় দাঁড়ানো অভিযুক্ত৷’ তখন তা শুনে আর্নল্ড মাথা নীচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়েছিল৷ যদিও ব্যাপারটা সত্যি নয়৷ উভয়ের সম্মতিতে, ভালোবাসায় যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন তাঁরা৷ তবে আর্নল্ডের ওপর কোনো রাগ নেই অ্যালানের৷ আর্নল্ড সামান্য টেকনিশিয়ান, নিশ্চয়ই সে তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চাপের কাছে মাথা নোয়াতে বাধ্য হয়েছিল৷ আর সে যদি তার সম্মতির ব্যাপারটা স্বীকারও করত, তবে অ্যালানের কোনো লাভ হত না৷ সেক্ষেত্রেও অ্যালানকে শাস্তির মুখে পড়তে হত৷

    অ্যালান বুঝতে পারলেন, বইয়ের পাতায় সিলমোহরটার দিকে তাকিয়ে তাঁর মন আবার বিক্ষিপ্ত হতে শুরু করেছে৷ হয়তো বা আবার অবসাদ নেমে আসবে তাঁর মনে৷ তাই তিনি এরপর প্রথম পাতাটা উল্টে বইটা পড়তে শুরু করলেন৷

    তন্ময় হয়ে বইয়ের মধ্যে ডুবে ছিলেন অ্যালান৷ বেলা দশটা নাগাদ ঘরের দরজাতে টোকা পড়ল৷ অ্যালান একটু বিরক্তভাবে সেদিকে তাকিয়ে ‘ইয়েস’ বলতেই, পরিচারক দরজার ফাঁক দিয়ে গলা বাড়িয়ে বলল, ‘একজন সরকারি ভদ্রলোক আপনার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন৷’

    সরকারি ভদ্রলোক! তবে কি সেই চিঠির জবাব এসেছে? নাকি অন্য কিছু? বই বন্ধ করে অ্যালান বললেন, ‘নিয়ে এসো তাঁকে৷’

    কিছুক্ষণের মধ্যে যিনি অ্যালানের ঘরে ঢুকলেন, তাঁকে দেখে অবাক হয়ে গেলেন অ্যালান৷ আরে, এ যে তাঁর একসময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সহকারী, চ্যাম্পিয়ন দাবাড়ু, গোলেমবাক! তাঁকেই কি সরকারি তরফে পাঠানো হয়েছে? মনের উচ্ছ্বাস গোপন করে অ্যালান প্রথমে পরিচারককে নিজের কাজে চলে যেতে বললেন৷ আর তারপর সে চলে যাওয়া মাত্রই জড়িয়ে ধরলেন গোলেমবাককে৷

    বেশ অনেকটা সময় আলিঙ্গনাবদ্ধ অবস্থায় রইলেন দুই পুরোনো বন্ধু৷ দীর্ঘদিন পর তাঁদের সাক্ষাৎ হল৷ এরপর অ্যালান তাঁকে বললেন, ‘সরকার তোমাকে আমার কাছে পাঠাল?’

    গোলেমবাক কাঁধ নাচিয়ে বললেন, ‘ধুস, সরকার তোমার কাছে আমাকে পাঠাবে কেন? আমি তো আর সরকারি চাকরি করি না৷ দাবার ইনস্টিটিউট খুলেছি৷ ভালোই রোজগার৷’

    অ্যালান বললেন, ‘তার মানে! তোমার গায়ের কোটটাতে তো সরকারি মোনোগ্রাম আঁকা, আর পরিচারকও তো বলল যে…৷’

    অ্যালানকে থামিয়ে দিয়ে গোলেমবাক বললেন, ‘গায়ের কোটটা একটা সরকারি অনুষ্ঠানে উপহার পেয়েছি৷ আর যে গাড়িতে এসেছি সেটাও আমার এক বন্ধুর সরকারি গাড়ি৷ সেজন্যই তো গেটকিপার বিশ্বাস করল আমার কথা৷ তাকে মিথ্যা বলেছি৷ তবুও সে অনুমতিপত্র দেখতে চাইছিল৷ তখন তাকে আমি এমনভাবে বললাম যে, আমার অনুমতিপত্র নিয়ে ঘোরার প্রয়োজন হয় না, সে যে আমার মুখ দেখে কেন চিনতে পারছে না সেটাই আশ্চর্য, আমি যদি ফিরে যাই তবে তার চাকরি যাবে, তখন সে প্রচণ্ড ঘাবড়ে গেল৷ আমাকে বাড়ির ভিতর ঢুকতে দিল৷’ কথা শেষ করে হাসলেন গোলেমবাক৷ তারপর পকেট থেকে একটা চুরুট বার করে দেশলাই দিয়ে ধরালেন৷ গোলেমবাক বরাবর এরকমই মজাদার, সাহসী মানুষ৷ অ্যালানের সহকারী হিসাবে যখন তিনি কাজ করতেন, তখন অন্য সহকর্মীরা গোলেমবাকের সম্বন্ধে সতর্ক থাকতেন, পাছে গোলেমবাক কোনোভাবে মজা করে তাঁদের নাস্তানাবুদ না করেন সেজন্য৷ একবার তো তিনি স্টেথোস্কোপ নিয়ে ডাক্তার সেজে এক তরুণীর বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন তার বাবার হূদযন্ত্রের চিকিৎসার জন্য৷ রোগীকে পর্যবেক্ষণ করে প্রেসক্রিপশন হিসাবে তিনি কন্যার হাতে যেটা তুলে দিয়ে এসেছিলেন, সেটা সেই তরুণীর প্রেমিকের প্রেমপত্র৷ হতভাগ্য সেই তরুণ তার প্রেমিকার পিতার পিস্তলের ভয়ে কিছুতেই প্রেমিকার বাড়িমুখো হতে পারছিল না৷ অগত্যা সে শরণাপন্ন হয়েছিল গোলেমবাকের৷ আর তার কার্যোদ্ধার করে দিয়েছিলেন তিনি৷ এমন অনেক মজাদার কাহিনি আছে গোলেমবাককে নিয়ে৷ আবার এই গোলেমবাকই প্রচণ্ড পরিশ্রমী, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে দক্ষ, দাবার বোর্ডে নিমেষে মাত করে দিতে পারেন প্রতিপক্ষকে৷ অ্যালান আবারও বিস্মিতভাবে জানতে চাইলেন, ‘কিন্তু আমি যে এখানে আছি সে খোঁজ তুমি পেলে কীভাবে?’ গোলেমবাক বললেন, ‘আমার একটু ফুলের শখ আছে৷ বাড়িতে একটা বাগান করছি৷ বন্ধুর গাড়ি নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় এখানে এসেছিলাম ফুলের বীজ সংগ্রহ করতে৷ কাজ মিটতে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়াতে এক ফুলচাষির বাড়িতে রাতে রয়ে গেলাম৷ সেখানেই নানা কথার মধ্যে জানতে পারলাম ‘অ্যালান টিউরিং’ নামের এক শহুরে ইঞ্জিনিয়ার নাকি বাচ্চাদের ম্যারাথন রেসের উদ্বোধন করেছেন এবং অর্থমূল্য পুরস্কারও দিয়েছেন৷ তোমার চেহারার বিবরণও মিলে গেল তাদের কথায়৷ ব্যস, আমি বুঝে ফেললাম, এই অ্যালান টিউরিং তুমিই৷ আর আজ সকাল থেকে খোঁজ শুরু করলাম চারপাশে৷ তবে বাড়িটা খুঁজে পেতে অবশ্য বিশেষ কষ্ট হয়নি৷ ছোট জায়গা৷ আর তোমার বাড়ির গেটেই একমাত্র সরকারি উর্দি পরা দারোয়ান আছে৷ বুঝলাম এ বাড়িতে যিনি বাস করেন তিনি হয় সরকারি কর্তাব্যক্তি, নাহয় সরকারি অতিথি৷ দারোয়ানকে জিজ্ঞেস করতেই সে বলল, ‘হ্যাঁ, এ বাড়ির মালিকের নাম অ্যালান টিউরিং৷ ব্যস, তারপর দারোয়ানকে ভড়কে দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে কতক্ষণ? তুমি কেমন আছ জানতে এলাম আমি৷’ গোলেমবাকের কথা শুনে বিষণ্ণ হেসে অ্যালান বললেন, ‘হ্যাঁ, সরকারি অতিথিই বটে! খাচ্ছি-দাচ্ছি দিব্যি আছি৷’ গোলেমবাক জানতে চাইলেন, ‘এ বাড়িতে কে কে থাকো তোমরা?’

    অ্যালান জবাব দিলেন, ‘আমি, একজন পরিচারক, একজন রান্নার লোক আর গেটম্যান৷ শেষ তিনজন লোকের অবশ্য এক সপ্তাহ অন্তর পরিবর্তন ঘটে৷ নতুন লোক আসে৷ আর হ্যাঁ, আমি বাড়ির বাইরে বেরোলেই একজন পুলিশকর্মী আমাকে অনুসরণ করে৷ সেটা আমার নিরাপত্তার স্বার্থে, নাকি আমি যাতে কোথাও পালাতে না পারি, সে কারণটা ঠিক আমার জানা নেই৷’

    এ কথা বলার পর অ্যালান বললেন, ‘তোমার হাতে কিছুটা সময় আছে? তবে চলো আমার বেডরুমে গিয়ে বসি? এ ঘরে তো একটা চেয়ার ছাড়া বসার জায়গা নেই৷’

    গোলেমবাক বললেন, ‘আমার হাতে সময়ের অভাব নেই৷ কিন্তু বেশিক্ষণ এখানে থাকা উচিত হবে না৷ যদি কেউ এসে পড়ে? ঠিক আছে চলো যাই৷ একঘণ্টা কথা বলা যেতেই পারে৷’

    গোলেমবাককে নিয়ে নিজের ঘরের দিকে এগোতে এগোতে অ্যালান বললেন, ‘সাধারণত কেউ এ বাড়িতে আসে না, একমাত্র ডাক্তার ছাড়া৷ সে আজ আসবে না৷ আমার পরিচিতজনরা হয়তো আমাকে আজ ঘেন্না করেন, অথবা সরকারি কোপে পড়ার ভয়,বা সরকারি অনুমতি না পাবার কারণে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন না৷ এমনকি আমার মা-ও নন৷’—এ কথা বলে নিজের শয়নকক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলেন অ্যালান৷

    গোলেমবাক তাঁর আসন গ্রহণ করার আগে ঘরের চারপাশে তাকিয়ে দেখতে লাগলেন৷ হঠাৎ তাঁর চোখ পড়ল দেওয়ালের গায়ে রাখা দাবার বোর্ডটার ওপর৷ রাজহাঁস যেমন জল দেখলে উৎফুল্ল হয়, তেমনই দাবার বোর্ডটা দেখে গোলেমবাক বললেন, ‘তুমি এখনও দাবা খেলো? মনে আছে আমরা কেমন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাবা খেলতাম একসময়?’

    অ্যালান বললেন, ‘না, খেলার জন্য তো সঙ্গী লাগে৷ ক-দিন আগে একবার তোমার কথা মনে পড়েছিল৷ বোর্ডটা নামিয়ে খেলতে বসেছিলাম৷ কিন্তু পারলাম না অসুস্থতার কারণে৷’

    কথাটা শুনে গোলেমবাক একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে বললেন, ‘চলো তবে এক বোর্ড খেলা যাক৷’

    প্রস্তাবটা লুফে নিয়ে অ্যালান বললেন, ‘হ্যাঁ, চলো খেলতে খেলতে কথা বলি৷’

    দাবার বোর্ডটা খাটে নামিয়ে এনে ঘুঁটি সাজিয়ে খেলতে বসলেন দুই বন্ধু৷ প্রথমে চাল দিলেন অ্যালান-ই৷ তারপর তিনি বললেন, ‘মনে হচ্ছে আমি যেন ব্লেচলি পার্কে ফিরে গেছি! সেসব দিন আর কোনোদিন কি ফিরবে?’

    গোলেমবাক চাল দিয়ে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, সোনাঝরা দিন ছিল সেসব৷ কত কঠিন পরিশ্রমের দিন৷ কিন্তু তার মধ্যেও তোমার নেতৃত্বে কত উৎসাহ, আনন্দ নিয়ে কাজ করতাম আমরা৷ একটাই লক্ষ্য, যেভাবেই হোক ভাঙতে হবে এলিগমা কোড৷’

    খেলতে খেলতে নানা কথা শুরু হল দুই বন্ধুর মধ্যে৷ পুরোনো দিনের নানা গল্প৷ ঘড়ির কাঁটা এগোতে লাগল খেলার সঙ্গে সঙ্গে৷ একসময় অ্যালান হঠাৎ গোলেমবাককে প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা লন্ডনের মানুষ আমাকে ঠিক কী চোখে দ্যাখে বলো তো?’

    গোলেমবাক একটা মোক্ষম চাল দিয়ে বললেন, ‘‘যে যাই মনে করুক না কেন, আমি মনে রেখেছি সেই অ্যালান টিউরিংকে, যাঁকে ব্রিটিশ সরকার ‘অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এমপায়ার’ খেতাব দেবার পর নৈশভোজের অনুষ্ঠানে সমর নায়ক মার্শাল মন্টেগোমারি সকলের সামনে বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, এই সেই গণিতবিদ, ক্রিপ্টোবিশেষজ্ঞ অ্যালান টিউরিং, যাঁর জন্য আমরা হিটলারের জেনারেলদের প্রাতরাশের মেনু পর্যন্ত জেনে যেতাম৷’’

    কথাটা শুনে অ্যালান বিষণ্ণভাবে বললেন, ‘ওসব ঘটনা এখন অতীত৷ তবু আমি জানতে চাই লন্ডনের শিক্ষিত সমাজ আমার ঘটনাটা নিয়ে কী ভাবেন?’

    গোলামবেক বললেন, ‘লন্ডনের সমাজ বরাবরই রক্ষণশীল৷ প্রচলিত ভাবনার বাইরে তারা কথা বলে না৷ সমাজ বা বাইবেল যে ঘটনাকে সমর্থন করে না সেটাকে তারা অপরাধ বলেই ভাবে৷ তোমার সম্পর্কে আমি যতটুকু শুনেছি তাতে সেই অংশের মানুষ সরকারি সিদ্ধান্তের মধ্যে কোনো ভুল দেখছেন না৷ হ্যাঁ, একটা ক্ষুদ্র অংশের মানুষ আছেন, যাঁরা বলেন তুমি আসলে সরকারের এক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের শিকার৷ এমনকি আমি তাদের কয়েকজনকে গোপনে এও আলোচনা করতে শুনেছি যে….৷’

    —এ পর্যন্ত বলে কথাটা অ্যালানকে জানানো উচিত হবে কি না বুঝতে না পেরে থেমে গেলেন গোলেমবাক৷

    অ্যালান ব্যাপারটা খেয়াল করে বললেন, ‘থামলে কেন? বলো আমার সম্বন্ধে কী বলেন তাঁরা?’

    প্রশ্ন শুনে গোলেমবাক ইতস্তত করে বললেন, ‘দেখো পুরো ব্যাপারটাই শোনা কথা৷ সত্যি-মিথ্যা আমার জানা নেই৷ তাই ও কথাটা থাক৷ শুনলে তুমি কষ্ট পেতে পারো৷’

    গোলেমবাকের কথা শুনে অ্যালানের জানার আগ্রহ যেন আরও প্রবল হয়ে উঠল৷ তিনি বললেন, ‘গোপন কোরো না, বলে ফেলো৷ তোমার সঙ্গে আমার আর কখনও দেখা হবে কি না জানি না৷ হয়তো বা আমার কোনোদিন কথাটা জানাই হবে না৷ আমার সম্পর্কে সব কথা আমার জেনে রাখা দরকার৷ বিশেষ করে আমাকে যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদের কথা৷’

    অ্যালান কথাটা বলার জন্য চাপাচাপি করাতে গোলেমবাক যে কথাটা বললেন তা শুনে বিস্মিত হয়ে গেলেন অ্যালান৷

    গোলেমবাক বললেন, ‘তাঁরা মনে করেন ব্রিটিশ সরকার তোমার চিকিৎসার নামে তোমাকে মানসিক, শারীরিকভাবে পঙ্গু করে দিতে চান৷ হয়তো বা খুনও৷ যাকে বলে স্লো পয়জনিং৷ সেজন্যই সরকার তোমাকে সমকামিতার অপরাধে জেলে না পাঠিয়ে চিকিৎসা করানোর নামে নিজেদের হেফাজতে রেখেছেন, লোকচক্ষুর অন্তরালে রেখেছেন, যাতে তাঁদের কাজটা করতে সুবিধা হয়৷’

    কথাটা শুনে একটু চুপ করে থেকে প্রাথমিক বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে অ্যালান বললেন, ‘তাঁদের এ অনুমানের কারণ কী? এ ভাবনার তো কোনো ভিত্তি থাকতে হবে৷ আমি তো সরকারের কোনো বিরুদ্ধাচারণ করিনি?’

    গোলেমবাক বললেন, ‘তুমি আন্তর্জাতিক রাজনীতির কোনো খবর রাখো?’

    অ্যালান বললেন, ‘দ্যাখো, রাজনীতি নিয়ে আমি কোনোদিনই তেমন আগ্রহী ছিলাম না৷ ব্লেচলি পার্কে আমি যোগ দিয়েছিলাম ওখানকার কাজটা একজন গণিতবিদ, ক্রিপ্টো- বিশেষজ্ঞ হিসাবে আমার কাছে আকর্ষণীয় ছিল বলে৷ সে কাজ মেটার পর আমি রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কহীন গবেষণার কাজে আত্মনিয়োগ করি৷ খবরের কাগজে রাজনীতি সম্পর্কিত কোনো খবর প্রকাশ পেলে হয়তো আলগোছে কখনও-সখনও চোখ বোলাতাম তাতে৷ ব্যস এ পর্যন্তই৷ আর এখন তো খবরের কাগজ পড়তেই দেওয়া হয় না আমাকে৷ টেলিফোন তো নেই-ই৷’

    গোলেমবাক বললেন, ‘আমি যতটুকু খবর রাখি বলছি৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর থেকেই আমরা এবং আমাদের মিত্রদেশরা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধির কাজে নেমে পড়েছে৷ হয়তো এটাই স্বাভাবিক ছিল৷ হিটলার ও মুসোলিনির ভয়ে শুধু দেশগুলো জোট বেঁধেছিল, আন্তর্জাতিক রাজনীতির কারণে তো তারা জোট বাঁধেনি৷ বিশেষত এখন তীব্র রেষারেষি শুরু হয়েছে দুই বৃহৎ শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে৷ একদিকে স্তালিনের নেতৃত্বে সোভিয়েত ইউনিয়ন পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে রুশিকরণ বা কমিউনিস্ট শাসন প্রবর্তন করার কাজে নেমেছে, অন্যদিকে আমেরিকানরা অর্থনৈতিকভাবে শাসন করতে চাইছে আমেরিকা, ইউরোপ, এমনকি এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশকে৷ সামরিক ও প্রযুক্তিগত গবেষণার ক্ষেত্রেও পরস্পরকে টেক্কা দেবার লড়াইতে নেমেছে এই দুই দেশ৷ যা ভবিষ্যতে হয়তো কোনোদিন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধও ডেকে আনাতে পারে৷ ব্রিটেন এখনও এই দু-পক্ষের কাউকে সমর্থন না করলেও তাকেও হয়তো একদিন কোনো পক্ষ নিতে হবে৷’—এই বলে একটু থামলেন গোলেমবাক৷

    ‘কিন্তু এসবের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কী?’ জানতে চাইলেন অ্যালান৷

    গোলেমবাক বললেন, ‘এ কথা আমাদের মানতেই হবে যে আমরা বিজ্ঞান-প্রযুক্তির দিক থেকে বর্তমানে তাদের থেকে কিছুটা পিছিয়ে৷ আমাদের দেশের চেয়ে উন্নত গবেষণার সুযোগও আমেরিকা আর রাশিয়াতে প্রচুর৷ আর এ ব্যাপারটাকে কাজে লাগিয়ে ওই দুই দেশ সারা পৃথিবী থেকে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক নিজের দেশে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছে, তাদের সামরিক ও প্রযুক্তিগত শক্তিবৃদ্ধির জন্য৷ কে বলতে পারে হয়তো তুমি একদিন উন্নত গবেষণার সুযোগ লাভের আশাতে ওসব দেশে চলে গেলে, তারপর সেখানেই রয়ে গেলে? এনিগমা কোডের রহস্য উৎঘাটনের পর একদা মিত্রশক্তির সব দেশের সামরিক বিভাগ তোমার নাম জানে৷ ওই দুই দেশের যে-কোনো দেশ তোমাকে পেলে লুফে নেবে৷ তারপর সেই দেশ হয়তো একদিন তোমার আবিষ্কারকে ব্যবহার করবে ব্রিটেনের বিরুদ্ধেই৷ আমাদের দেশের অবশ্য বেশি ভয় কমিউনিস্ট রাশিয়াকে নিয়ে৷ তারা নাকি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিজ্ঞানী সংগ্রহের কাজে নেমে পড়েছে! তুমি যদি অসুস্থ হয়ে থাকো অথবা এ পৃথিবীতে না থাকো, তাহলে নিশ্চয়ই ব্রিটিশ সরকার একটা চিন্তা থেকে মুক্ত হয়৷ এবার নিশ্চয়ই তুমি বুঝতে পারছ যে কিছু মানুষ কেন তোমার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন?’

    গোলেমবাকের কথা শুনে বিস্মিত অ্যালানের হঠাৎ একটা কথা মনে পড়ল৷ তিনি সমকামিতার অভিযোগে অভিযুক্ত হবার মাসখানেক আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পেত্রোভিচ নামে এক বিজ্ঞানী ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যালানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন৷ তাঁর সঙ্গে অ্যালানের সৌজন্যমূলক আলোচনাও হয়েছিল৷ ওই পেত্রোভিচ নামের লোকটি অ্যালানকে তাঁর দেশের ক্রেমলিন বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান সম্পর্কে বক্তৃতা করতে যাবার জন্য আমন্ত্রণও জানিয়ে গেছিলেন৷ ব্যস, এ পর্যন্তই৷ অ্যালান তাঁকে কথা দেননি সেখানে যাবেন বলে৷ ওই রাশিয়ান বিজ্ঞানীর তাঁদের দেশে অ্যালানকে আমন্ত্রণ করার পিছনে অন্য কোনো মতলব ছিল কি না, তা অবশ্য অ্যালানের জানা নেই৷

    কেমন যেন এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা কিছুক্ষণের জন্য বিরাজ করতে লাগল সেই ঘরে৷ ব্যাপারটা কাটিয়ে ওঠার জন্য গোলেমবাক এরপর বললেন, ‘হয়তো এসব কথার কোনো ভিত্তিই নেই৷ ছাড়ো এসব, চাল দাও৷ আমাকে তো আবার ফিরতে হবে৷ অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে৷’

    তাঁর কথা শুনে অ্যালানও নিজের ভাবনাকে সংযত করে নিয়ে বললেন, ‘হ্যাঁ, দিই৷ হ্যাঁ, এখন এসব ভেবে সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না৷’—এ কথাগুলো বলে চাল দিলেন অ্যালান৷

    কিন্তু তারপরেই তিনি বুঝতে পারলেন তিনি ভুল চাল দিয়েছেন৷ একটা চালেই এবার কিস্তিমাত করে দেবেন অপর পক্ষ৷ গোলেমবাক দাবার বোর্ডটার দিকে তাকিয়ে একবার হাসলেন৷ তারপর বরাবর যেটা করে থাকেন সেটাই করলেন৷ দাবার বোর্ডটাকে উল্টোদিকে ঘুরিয়ে দিয়ে দক্ষ চালে সেই মুহূর্তের জন্য বিপদ থেকে নিজেকে এবং অ্যালানকে মুক্ত করলেন৷

    নিঃশব্দে খেলা চলতে থাকল৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা অভাবনীয় ঘটনা ঘটল৷ জীবনে এই প্রথমবার গোলেমবাককে কিস্তিমাত করলেন অ্যালান৷ ব্যাপারটাতে অ্যালান প্রচণ্ড বিস্মিত হয়ে বললেন, ‘তুমি কি ইচ্ছাকৃতভাবেই আমাকে জিতিয়ে দিলে গোলেমবাক? তুমি তো কোনোদিন হারো না!’

    গোলেমবাক বললেন, ‘আসলে জীবনে এই প্রথমবার দাবার বোর্ডে মনোসংযোগ হারালাম আমি৷ ভুল চাল দিয়ে ফেললাম, হেরে গেলাম৷ কিছু ভুল এমন আছে তা করে ফেললে তুমি যত বড় খেলোয়াড় হও না কেন তোমাকে হারতে হবে৷’

    গোলেমবাকের দিকে তাকিয়ে অ্যালান বললেন, ‘হ্যাঁ, কথাটা ঠিক৷ এক-একসময় মনে হয় আমার জীবনটা যদি দাবার বোর্ডের মতো হত৷ বিপদের সময় গোলেমবাকের মতো কেউ যদি বোর্ডটা ঘুরিয়ে দিত…’

    গোলেমবাক বললেন, ‘‘আমাদের প্রত্যেকের জীবনও এক-একটা দাবার বোর্ড৷ কিন্তু জীবনের দাবা খেলাতে আমাদের প্রতিপক্ষের নাম ‘সময়’৷ সে বড় নির্মম, নিষ্ঠুর৷ কাউকে সে জিততে দিতে চায় না, নিজে জিততে চায়৷’’

    এবার আর দেরি করা যাবে না৷ ফেরা দরকার গোলেমবাকের৷ খাট থেকে নেমে দাঁড়ালেন তিনি৷ অ্যালানও নেমে দাঁড়ালেন৷ অ্যালানের হাত ধরে গোলেমবাক ছোট দুটো শব্দ উচ্চারণ করলেন, ‘ভালো থেকো৷’

    দরজা খুলে নিঃশব্দে বাইরে বেরিয়ে গেলেন গোলেমবাক৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article অন্ধকার যখন নামল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }