Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধারে গোপন খেলা – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আঁধারে গোপন খেলা – ১০

    ১০

    প্রাতরাশের টেবিলে বসে অ্যালান অন্যদিনের মতোই পরিচারককে বললেন, ‘সরকারি চিঠি নিয়ে একজনের আসার কথা৷ আমি লাইব্রেরি রুমে থাকব৷ লোকটা এলেই আমাকে ডেকে দেবে৷’

    অ্যালানের কথা শুনে পরিচারক জানাল বেলার দিকে সাপ্তাহিক রেশন সংগ্রহের জন্য সে ঘণ্টাখানেকের জন্য বাজারে যাবে৷ তবে কথাটা সে গেটম্যানকে জানিয়ে যাবে৷

    প্রাতরাশ শেষ করে আগের দিনের মতোই লাইব্রেরি রুমে গিয়ে ঢুকলেন অ্যালান৷ দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকতেই তামাকের মৃদু গন্ধ নাকে এল তাঁর৷ দরজা বন্ধ ঘরের বাতাসে গোলেমবাকের চুরুটের গন্ধ যেন এখনও রয়ে গেছে! গতকাল গোলেমবাকের অমনভাবে সাক্ষাৎ করতে আসা, তাঁর বলা কথাবার্তা যেমন অ্যালানের মনে আনন্দের সৃষ্টি করেছিল, তেমনই কোনো একটা প্রশ্নেরও যেন জন্ম দিয়ে গেছে৷

    গতদিনের বইটা টেবিলেই ছিল৷ কিন্তু অ্যালান র‌্যাক থেকে অন্য একটা বই নামিয়ে টেবিলে বসলেন৷ অ্যালানের প্রিয় বিষয় অ্যালগরিদম সংক্রান্ত একটা বই৷ মনকে আনন্দ দেবার জন্যই৷ এ বইটার ভূমিকা অ্যালানই লিখে দিয়েছিলেন তাঁর সতীর্থ লেখককে৷ কারণ ‘অ্যালগো’-র ধারণা সর্বপ্রথম অ্যালানের মাথাতেই এসেছিল৷ কিংস কলেজে মাত্র বাইশ বছর বয়সে ‘ফেলো’ নির্বাচিত হন তিনি, আর সে বছরই এক কল্পিত মেশিনের প্রস্তাব দেন, যাকে তাঁর নাম অনুসারে বর্তমানে ‘টিউরিং মেশিন’ নামে ডাকা হয়৷ ‘কোনো যন্ত্রকে যদি অ্যালগরিদমের আওতাধীন করা হয়, তাহলে সেটার পক্ষে সকল গাণিতিক সমস্যার সমাধান সম্ভব৷’—এই ধারণা প্রথম উপস্থিত করেন অ্যালানই৷ যে কারণে সম্ভাব্যতা থিয়োরিতে অবদানের জন্য ১৯৩৬ সালে তাঁকে ‘স্মিথ পুরস্কার’ দেওয়া হয়৷

    এ বইয়ের প্রথম পাতাতেও যথারীতি সরকারি ‘পাশ’ বা অনুমোদিত সিলমোহর আঁকা আছে৷ বইটা খুলে তাতে তিনি মনোনিবেশ করলেন৷

    বেশ কয়েক পাতা পড়ার পরই বইয়ের পাতার ভিতর একটা ভাঁজ করা কাগজের টুকরো চোখে পড়ল অ্যালানের৷ কাগজটা খুললেন তিনি৷ বিবর্ণ হয়ে যাওয়া একটা লেটারপ্যাডের কাগজ৷ লেটারহেডে শেরবর্ন স্কুলের নাম-ঠিকানা লেখা৷ বিবর্ণ হয়ে গেলেও চিঠিটা এখনও পড়া যাচ্ছে৷ ছোট একটা চিঠি৷ তাতে লেখা—

     

     

    ‘‘মিসেস সারা টিউরিং,

    আমরা লক্ষ করছি যে আপনার পুত্র, আমাদের ছাত্র অ্যালান টিউরিং-এর যাবতীয় আগ্রহ গণিতবিদ্যা ও বিজ্ঞানশাস্ত্রে৷ অন্য বিষয়গুলিতে সে তেমন আগ্রহী নয়৷ কিন্তু আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উচ্চ শ্রেণিতে ক্লাসিক শিক্ষাব্যবস্থাকে অনুসরণ করে৷ অর্থাৎ, প্রাচীন রোমান ও গ্রিক ভাষা, সাহিত্যকে বিজ্ঞান অপেক্ষা বেশি গুরুত্বদান করা হয় এখানে৷ আমি আশা করি যেন সে দুটি শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে না পড়ে৷ সে যদি শেরবর্ন পাবলিক স্কুলে থাকতে চায়, তবে নতুন ক্লাসে তাকে অবশ্যই ভাষা-সাহিত্য, অর্থাৎ ‘শিক্ষিত’ হবার দিকে নজর দিতে হবে৷ সে যদি ‘বৈজ্ঞানিক বিশেষজ্ঞ’ হতে চায়, তবে পাবলিক স্কুলে অযথা সময় নষ্ট করছে৷’’

    শেরবর্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর সংবলিত উপদেশমূলক এই চিঠি আর মরকমের মৃত্যুই এরপর শেরবর্ন পাবলিক স্কুল ত্যাগ করতে বাধ্য করে অ্যালানকে৷ এ চিঠি এ বইতে কবে গুঁজে রেখেছিলেন, তা ঠিক মনে করতে পারলেন না অ্যালান৷ হয়তো বা তাঁর মা-ই কোনো সময় এই পুরোনো চিঠিটা খুঁজে পেয়ে অ্যালানের এই নতুন বইয়ের মধ্যে যত্ন করে রেখেছিলেন৷ চিঠিটা পাঠ করার পর কিছুক্ষণের জন্য একটা কথা ভাবলেন অ্যালান—শেরবর্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মত অনুসারে তিনি যদি ‘শিক্ষিত’ হতেন, অর্থাৎ যদি তিনি ভাষা ও সাহিত্য চর্চা করতেন, তবে হয়তো আজকের এই কষ্ট সহ্য করতে হত না তাঁকে৷ হয়তো প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে তাঁর নাম পৌঁছোত না ঠিকই, তবে সাধারণ মানুষের শান্তির জীবন তিনি হয়তো কাটাতে পারতেন৷ কিন্তু কী করবেন অ্যালান! তাঁর সব পছন্দই তো সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা, অন্যরকমের৷ সাধারণ ছাত্ররা যে বিষয়কে পছন্দ করে না, সেই গণিতবিদ্যাকেই ভালোবেসেছেন তিনি৷ ভাষা, সাহিত্য, কেতাবি লেখাপড়া তাঁকে তেমনভাবে কোনোদিন টানেনি৷ এই একই কারণে কেমব্রিজের বিখ্যাত ট্রিনিটি কলেজের বৃত্তি লাভ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছিল তাঁকে৷ তিনি ভর্তি হয়েছিলেন তাঁর দ্বিতীয় পছন্দের ‘কিংস কলেজে’, এবং সেখান থেকেই তিনি স্নাতক হন৷

    চিঠিটা এরপর যত্ন করে ভাঁজ করে বইয়ের মধ্যে রাখলেন অ্যালান৷ পুরোনো জিনিস, আছে যখন তা থাক৷

    চিঠিটা রেখে আবার বইটা পাঠ করতে লাগলেন অ্যালান৷ সময় এগিয়ে চলল৷

    ঘণ্টাখানেক বাদে দরজার পাল্লায় টোকা পড়ার শব্দ হল৷ অ্যালান বললেন, ‘কাম ইন৷’

     

     

    দরজার পাল্লা ঠেলে যে লাইব্রেরি রুমে প্রবেশ করল, তাকে দেখে বেশ অবাক হয়ে গেলেন অ্যালান৷ বছর পঁচিশের এক তরুণী৷ পরনে একটা শার্ট আর মিনিস্কার্ট৷ পায়ে হাইহিল জুতো৷ কাঁধ পর্যন্ত নামা সোনালি চুল আর ঠোঁটে লাল রঙের লিপস্টিক মাখা একটা মেয়ে৷ গায়ের জামাটা তার এত আঁটোসাঁটো যে বুকের গড়নটাও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে৷ অপরিচিত এই সুন্দরী মহিলাকে দেখে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে অ্যালান জানতে চাইলেন, ‘আপনি কে?’

    তরুণী হেসে বলল, ‘আমি কিন্তু আপনার নাম জানি৷ আপনি অ্যালান তো? অ্যালান টিউরিং?’

    অ্যালান আমতা আমতা করে বললেন, ‘হ্যাঁ, ঠিক তাই৷ কিন্তু আপনাকে তো ঠিক চিনতে পারলাম না! কোথা থেকে আসছেন?’

    মেয়েটি বলল, ‘আমার নাম লুসি৷ লুসি মরগ্যান৷ আমি কাছেই একটা বাড়িতে থাকি৷ আপনার প্রতিবেশী৷ বেশ কয়েকবার আমি আপনাকে দেখেছি৷ তাই আজ আলাপ করতে এলাম৷’

    মেয়েটার পরিচয় পেয়ে মৃদু বিস্মিত ভাবে অ্যালান বললেন, ‘গেটম্যান ঢুকতে দিল আপনাকে?’

    প্রশ্নটা শুনে লুসি তার কাঁধে নেমে আসা সোনালি চুলে একবার হাত বুলিয়ে নিয়ে বলল, ‘আমি জানি অনুমতি ছাড়া এ বাড়িতে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না৷ কিন্তু দিল৷ বলল, পরিচারক এখন নেই, এই ফাঁকে তুমি দেখা করে এসো৷ কেউ জানতে পারবে না৷’

    কথাটা শুনে অ্যালান বললেন, ‘কিন্তু সে আপনাকে ভিতরে প্রবেশ করতে দিল কেন?’

    লুসি নামের মেয়েটা এবার মৃদু কপট রাগ প্রকাশ করে বলল, ‘আপনি তো দেখছি প্রতিবেশিনীকে পুলিশের মতো প্রশ্ন করছেন৷ আসলে আপনার দ্বাররক্ষী আমার পরিচিত৷ বাড়ির সামনে দিয়ে রোজ যাওয়া-আসার সূত্রেই আমার ওর সঙ্গে আলাপ৷ ও একদিন আমার বাড়িতে চা পান করতেও গেছিল৷ কাজেই…৷’

    যুবতির কথা শুনে অ্যালান বললেন, ‘আমাকে মার্জনা করবেন৷ আসলে ওরা তো কাউকে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করতে দেয় না, তাই প্রশ্নটা করেছিলাম৷ কিছু মনে করবেন না৷’

    রমণী হেসে বলল, ‘তা আমি বুঝতে পেরেছি৷ কিছু মনে করিনি৷ তা আমি আপনার সঙ্গে বসে একটু গল্প করতে পারি?’

     

     

    ভদ্রমহিলা অপরিচিত হলেও অ্যালানের বর্তমান প্রতিবেশিনী৷ তাকে তো আর মুখের ওপর ‘না’ বলা যায় না৷ কাজেই অ্যালান বললেন, ‘নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই৷’

    কিন্তু অ্যালান এ ঘরে কোথায় বসতে দেবেন তাকে? এ ঘরে একটা মাত্র চেয়ার আর একটাই টেবিল৷ এই নারীকে তো আর বেডরুমে নিয়ে যাওয়া যাবে না৷ কাজেই অ্যালান তাঁর চেয়ারটাকে ঘরের মাঝখানে টেনে এনে বললেন, ‘নিন, বসুন৷’

    কিন্তু মেয়েটি বলে উঠল, ‘তবে আপনি বসবেন কোথায়?’

    অ্যালান জবাব দিলেন, ‘আমি অনেকক্ষণ ধরে বসে আছি৷ আপনি বসুন৷ আমার দাঁড়িয়ে থাকতে অসুবিধা হবে না৷’

    মেয়েটি সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, ‘না, তা হয় না৷ কত বড় মানুষ আপনি৷ আপনার চেয়ারে আমি বসব, তা হয় না৷ আপনি বরং আপনার চেয়ারেই বসুন, আমি ওই টেবিলের ওপর গিয়ে বসছি৷’—এই বলে সে অ্যালানকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে টেবিলের কাছে গিয়ে খোলা বইটা টেবিলের একপাশে সরিয়ে রেখে পা ঝুলিয়ে টেবিলের ওপর বসে পড়ল৷ অ্যালান অগত্যা বাধ্য হয়ে তার মুখোমুখি ঘরের মাঝখানে নিজের চেয়ারে বসলেন৷ কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতা৷ মেয়েটার সঙ্গে কী গল্প করবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না তিনি৷ মাথাটা তিনি কিছুটা ঝুঁকিয়েই বসলেন৷ তবে মুখ খুলল যুবতিই৷ চারপাশের বইয়ের র‌্যাকগুলোর দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে লুসি বলল, ‘কত বই আপনার! সব বই আপনি পড়েছেন?’

    অ্যালান প্রশ্ন শুনে মুখ তুলে লুসির দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘হ্যাঁ, পড়েছি৷ আমার নিজের বাড়িতে এর চেয়ে পঞ্চাশগুণ বেশি বই আছে, সেগুলোও পড়েছি৷’

    অ্যালানের কথা শুনে লুসি বলল, ‘ও মাই গড! ব্যাপারটা সত্যি নাকি? এসব মোটা মোটা বই কীসের?’

    অ্যালানের বইগুলো সব উচ্চতর গণিতবিদ্যার বই৷ আলাদা আলাদা নামও আছে তার৷ ক্যালকুলাস, লগারিদম, অ্যাস্ট্রো ম্যাথ ইত্যাদি ইত্যাদি৷ কিন্তু এই নারী হয়তো এত সব বুঝবে না৷ তাই অ্যালান হেসে জবাব দিলেন, ‘এসব অঙ্কের বই৷’

    কথাটা বলার পরই হঠাৎ কয়েক মুহূর্তের জন্য এক জায়গাতে চোখ আটকে গেল অ্যালানের৷ লুসি নামের মেয়েটা পা ঝুলিয়ে বসেছে উঁচু টেবিলটাতে৷ তার হাঁটুর ওপর পর্যন্ত মিনিস্কার্ট৷ সেই মিনিস্কার্টের মধ্যে তার দু-ঊরুর শেষ প্রান্তের মাঝখানে ত্রিভুজাকৃতির একফালি রুমালের মতো লুসির অন্তর্বাসটা দেখা যাচ্ছে! লুসি কি অ্যালানের মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল যে তার দেহের গোপনতম অংশ দেখতে পেয়েছেন অ্যালান? মেয়েটার ঠোঁটের কোণে যেন একটা কৌতুকপূর্ণ হাসি ফুটে উঠল৷ লুসি লজ্জাবোধ না করে বরং তার হাঁটু দুটোকে যেন দুপাশে আরও বেশি প্রসারিত করল, যাতে তার স্কার্টের ফাঁকটা আরও বেশি উন্মুক্ত হয়, আর তার শরীরের নির্দিষ্ট জায়গাটা যাতে অ্যালানের চোখে ধরা দেয় সেজন্য!

     

     

    অ্যালান অবশ্য এরপরই লজ্জাবোধ করে চোখ মাটির দিকে নামিয়ে নিলেন৷ লুসি অ্যালানের উদ্দেশে বলল, ‘তুমি কি লজ্জা পাচ্ছ আমার দিকে তাকাতে?’

    কী জবাব দেবেন তা বুঝে উঠতে না পেরে অ্যালান চুপ করে রইলেন৷

    লুসি এবার আদুরে গলায় অ্যালানকে বলল, ‘তুমি আমাকে অঙ্ক শেখাবে?’

    অ্যালান আবারও নিশ্চুপ৷ লুসি দ্বিতীয়বার অ্যালানকে প্রশ্ন করল, ‘বলো না, তুমি আমাকে অঙ্ক শেখাবে?’

    অ্যালান এবার বাধ্য হয়ে জবাব দিলেন, ‘এখানে তো আপনাকে অঙ্ক শেখাবার উপযুক্ত পরিবেশ নেই৷ থাকলে শেখাতাম৷’

    কথাটা শুনেই লুসি নামের সেই নারী বলে উঠল, ‘কে বলেছে পরিবেশ নেই? ফাঁকা বাড়িতে তুমি আর আমি ছাড়া কেউ কোথাও নেই৷ ভালোবাসার অঙ্ক শেখার এটাই তো উপযুক্ত পরিবেশ৷ এসো আমরা ভালোবাসার অঙ্ক খেলি৷’

    এই বলে অ্যালানকে চমকে দিয়ে একটা অদ্ভুত কাজ করল লুসি৷ টেবিল থেকে একলাফে নেমে এগিয়ে এসে দু-পা ফাঁক করে সটান বসে পড়ল চেয়ারে বসা অ্যালানের সামনে প্রসারিত করা হাঁটু দুটোর ওপর৷ অ্যালানকে জাপটে ধরল সে৷ অ্যালান কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না৷ লুসি বলে উঠল, ‘এসো অ্যালান, আমরা ভালোবাসার অঙ্ক খেলি৷’

    কিন্তু অ্যালান জবাব দিলেন না৷ ঘটনার আকস্মিকতায় তিনি আড়ষ্ট হয়ে গেছেন৷ ঠিক যেন কাঠের পুতুলে পরিণত হয়েছেন৷ অ্যালান সাড়া দিচ্ছেন না দেখে মেয়েটা এরপর আরও একটা কাজ করল৷ ইলাস্টিক দেওয়া জামাটা একটানে নিজের গলার কাছে উঠিয়ে ফেলল৷ সঙ্গে সঙ্গে দুটো মাংসের বল যেন মুক্ত হয়ে লাফিয়ে উঠল অ্যালানের মুখের সামনে! খয়েরি ঘের আর তার মাঝে লাল চেরিফলের মতো বৃন্তসম্পন্ন দুটো স্তন! মেয়েটা এক হাতে একটা স্তন ধরে তার বৃন্তটা অ্যালানের ঠোঁটের ভিতর গুঁজে দেবার চেষ্টা করতে লাগল৷ ঠোঁট চেপে বসে আছেন অ্যালান৷ আর মেয়েটা চেষ্টা করছে বোতামের মতো স্তনবৃন্তটা জোর করে তাঁর মুখের মধ্যে গুঁজে দিতে৷ বমি পাচ্ছে অ্যালানের, কিন্তু মুখ খুলতে পারছেন না তিনি৷ আর এরপর তিনি খেয়াল করলেন, লুসি নামের এই যুবতি তাঁর ট্রাউজারের চেন খুলে অন্য হাতটা তার ভিতরে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে৷ তার সরু সরু আঙুলগুলো যেন একটা মাকড়সার পায়ের মতো খিমচে ধরেছে অ্যালানের লিঙ্গ, অণ্ডকোষ! আর তার সঙ্গে চলছে কামার্ত নারীশরীরের ঘষটানি৷ তার আঠালো দেহরসে ভিজে যাচ্ছে অ্যালানের ঊরু৷

     

     

    না, এবার থামাতেই হবে এই কামোন্মত্ত নারীকে৷ মনের সব শক্তিকে সংহত করলেন অ্যালান৷ তারপর আচমকা এক ধাক্কা মারলেন তার হাঁটুর ওপর বসে থাকা নারীকে৷ কিছুটা তফাতে মেঝের ওপর চিত হয়ে পড়ল সে৷ তার মাথাটা মেঝেতে ঠুকে গেল৷ যন্ত্রণাতে মেয়েটা একটা আর্তনাদ করে উঠে বসল৷ চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন অ্যালান৷ উঠে দাঁড়াল মেয়েটাও৷ অ্যালানের দিকে ঘৃণামিশ্রিত বিস্ময়ের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সে৷ হয়তো বা কিছুটা আতঙ্কও সৃষ্টি হয়েছে তার মনে৷ এর আগে কোনো পুরুষকে শরীর নিবেদন করতে গিয়ে সে এ ধরনের আঘাত, প্রত্যাখ্যানের সম্মুখীন হয়নি৷ কয়েক মুহূর্ত সে অ্যালানের দিকে তাকিয়ে থেকে অ্যালানের উদ্দেশে তীব্র ঘৃণাভরে বলল—‘ম্যাড সোয়াইন!’ তারপর পোশাক ঠিক করতে করতে দ্রুত ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল৷

    মেয়েটা চলে যাবার পর নিজেকে স্বাভাবিক করে তুলতে বেশ কিছুটা সময় লাগল অ্যালানের৷ একবার তিনি ভাবলেন যে এখনই গেটম্যানকে ডেকে ব্যাপারটা জানান, তিরস্কার করেন তাকে৷ কিন্তু পরক্ষণেই তাঁর মনে হল, তাতে তাঁর লজ্জা আরও বাড়বে৷ সারা গা ঘিনঘিন করছে অ্যালানের৷ ডানপাশের ঊরুটা কেমন ভিজে গেছে৷ বমি পাচ্ছে তাঁর৷ অ্যালান তার থেকে মুক্তি পাবার জন্য লাইব্রেরি ছেড়ে সোজা ওয়াশরুমে চলে এলেন৷ পোশাক ছুঁড়ে ফেলে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে শাওয়ারের নীচে দাঁড়িয়ে সাবান ঘষে বেশ অনেকক্ষণ ধরে স্নান করলেন ক্লেদ থেকে মুক্ত হবার জন্য৷ স্নান শেষে পাটভাঙা পোশাক পরে যখন তিনি ঘরে এলেন, তখন তিনি অনেকটাই শান্ত৷ পরিচারক ফিরে এসেছে৷ লাঞ্চ সেরে নেবার জন্য সে ডাক দিল অ্যালানকে৷ লাঞ্চ খেতে খেতে অ্যালান ভাবতে লাগলেন, ওই লুসি নামের মহিলার তাঁর কাছে আসার পিছনে শুধু কামের তাড়না ছিল, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল? কিন্তু তাঁর কাছ থেকে কীই বা আজ পেতে পারে মেয়েটা? টাকাপয়সা? কিন্তু তার জন্য সে এসেছিল বলে অ্যালানের ঠিক মনে হয়নি৷ হয়তো বা সত্যি কামজ্বালাই হবে৷ কাকে দেখে কার মনে যে কামভাব জেগে ওঠে, তা বলা মুশকিল৷ এরপর মেয়েটার বলা শেষ কথাটা মনে এল অ্যালানের—‘ম্যাড সোয়াইন?’ অ্যালান কি তবে সত্যি পাগল? মানসিক রোগী?—এ প্রশ্নটা মনে হতেই অ্যালান নিজের মনেই তার জবাব দিলেন, ‘না, আমি পাগল নই৷ গবেষণার জন্য সরকারি অনুমতিপত্রটা শুধু হাতে পাই৷ তারপর আমি প্রমাণ করে দেব আমি পাগল কি না৷ আর তার জন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন৷ সময় নষ্ট করা যাবে না৷’ আর এই প্রস্তুতির জন্যই অ্যালান লাঞ্চ শেষ করে সোজা লাইব্রেরি রুমে গিয়ে ঢুকলেন৷ বই আর কাগজ-কলম নিয়ে অঙ্কের জটিল ধাঁধায় মনোনিবেশ করলেন৷

    পরিচারকের ডাকে অ্যালানের যখন হুঁশ ফিরল, তখন রাত দশটা বাজে৷ ডিনার সাজিয়ে অ্যালানের জন্য অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর সে তাঁকে ডাকতে এসেছে৷ তার সঙ্গে গিয়ে ডিনার সেরে নিলেন অ্যালান৷ ঘরে ফিরে বিছানাতে যাবার আগে জানলা বন্ধ করার জন্য জানলার কাছে গেলেন তিনি৷ বাইরে নিস্তব্ধ পৃথিবী৷ মাথার ওপর তারাঘেরা রাতের চাঁদোয়া৷ সেদিকে তাকিয়ে বেশ ভালো লাগল অ্যালানের৷ এই আকাশেরই নীচে কোথাও আছেন তাঁর মা, হয়তো বা আছে মরকমও৷ কবরের নীচে ঘুমিয়ে থাকলেও মরকম তো অ্যালানের সঙ্গে এক পৃথিবীতেই আছে, অ্যালানের মনের পৃথিবীতে তো অবশ্যই৷ অনেকদিন পর আজ অ্যালানের শরীরটা মোটামুটি ভালো ছিল৷ লুসি নামের সেই মেয়েটা এসে একটা গণ্ডগোলের সৃষ্টি করলেও অ্যালান সেটা কাটিয়ে উঠেছেন৷ পড়াশোনা অ্যালানের মনে ক্লান্তি আনে না, মনের রসদ জোগায়৷ অ্যালান আজ দীর্ঘক্ষণ তার স্বাদ গ্রহণ করেছেন৷ তারাভরা আকাশের দিকে তাকিয়ে অ্যালান মনে মনে বললেন, ‘আমাকে আবার আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে৷ সরকারি অনুমতিপত্রটা নিশ্চয়ই আসবে৷ না আসার কোনো কারণ নেই৷ আমি তাদের সব নির্দেশ মেনে চলেছি, তা ছাড়া এটা তাঁরা জানেন যে অ্যালানের গবেষণা মানেই দেশ-পৃথিবী নতুন কোনো যুগান্তকারী আবিষ্কার পেতে চলেছে৷ তাই তাঁরা অনুমতিপত্র অবশ্যই দেবেন৷ আর ওই অনুমতিপত্র-গবেষণা আমাকে আবার নতুন জীবন দেবে৷ অতীতের সব গ্লানি, সব অপমান মুছে আবার বেঁচে উঠবে অ্যালান টিউরিং৷ নবজন্ম হবে আমার৷’ বহুদিন বাদে এদিন শান্ত মনে বিছানাতে গেলেন অ্যালান৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article অন্ধকার যখন নামল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }