Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধারে গোপন খেলা – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আঁধারে গোপন খেলা – ১১

    ১১

    নানারকম বই, কাগজ আর ট্রফি সাজানো আছে আলমারিতে৷ তার মাঝখানে একটা টেবিল, কাচ ঢাকা৷ মাথার ওপর নানা রঙের কাচে ঢাকা মস্ত ঘুলঘুলি দিয়ে আলো এসে পড়েছে টেবিলের ওপর৷ রামধনু রং৷ টেবিলের একপ্রান্তে দেওয়াল ঘেঁষে বসে আছেন এক মোটাসোটা ভদ্রলোক৷ মাথা ভরতি টাক৷ এক চোখে পরকলা৷ ফিতে ঝুলছে তার থেকে৷ ভদ্রলোকের হাতে একটা কাগজ৷ ষান্মাসিক পরীক্ষার রিপোর্ট কার্ড৷ গম্ভীরভাবে তিনি চেয়ে আছেন সেই রিপোর্ট কার্ডের দিকে৷ তিনি শেরবর্ন পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক৷ আর টেবিলের উলটোদিকে জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক কিশোর—অ্যালান টিউরিং৷ ষান্মাসিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ৷ প্রধান শিক্ষকের ঘরে ডাক পড়েছে অ্যালানের৷ রিপোর্ট কার্ডের দিকে চোখ রেখে ভদ্রলোক গম্ভীর কণ্ঠে সেটা পাঠ করতে লাগলেন—‘জিওমেট্রিতে একশোতে একশো, অ্যালজেব্রাতে একশোতে একশো, জেনারেল সায়েন্সে একশোতে নিরানব্বই নম্বর, কিন্তু…৷’ এই বলে মুহূর্তের জন্য অ্যালানের দিকে তাকালেন তিনি৷ অ্যালানের মুখ খুশিতে উদ্ভাসিত৷ হ্যাঁ, এ বিষয়গুলোতে ফুল মার্কস আশা করেছিল সে৷ রিপোর্ট কার্ডে চোখ রেখে আবার পড়তে শুরু করলেন ভদ্রলোক—‘লিটারেচারে একশোতে একচল্লিশ, গ্রামারে একশোতে উনত্রিশ, রোমান হিস্ট্রিতে একশোতে বিয়াল্লিশ…৷’

    রিপোর্ট কার্ডটা আর পড়লেন না তিনি৷ সেটা টেবিলে নামিয়ে রেখে অ্যালানের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন৷ এবার চোখ নামিয়ে নিল অ্যালান৷ ঘড়ির পেন্ডুলামের টিক টিক শব্দ ছাড়া আর-কোনো শব্দ নেই ঘরে৷ নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করে মুখ খুললেন প্রধান শিক্ষক৷ তিনি অ্যালানের উদ্দেশে বললেন, ‘এ কথা ঠিকই যে তুমি গণিত বিষয়ক পরীক্ষাগুলোতে সর্বোচ্চ নম্বর লাভ করেছ৷ পরীক্ষকরা আমাকে এ কথাও জানিয়েছেন যে অঙ্কের কোশ্চেন পেপারের বিকল্প অঙ্কগুলোও প্রত্যেকটা নির্ভুলভাবে কষেছ তুমি৷ কিন্তু আসল বিষয়গুলোতে? গ্রামারে তো ফেল করেছ তুমি! কেন এমন হল?’

    অ্যালান মাথা নীচু করে আমতা আমতা করে জবাব দিল, ‘আমার গণিত আর বিজ্ঞান ছাড়া অন্য কিছু ভালো লাগে না৷ বিশেষত গণিত৷’

    জবাব শুনে প্রধান শিক্ষক বললেন, ‘আমরা কিন্তু আসল শিক্ষা বলতে বুঝি সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শনকে৷ মানুষকে যা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলে, মানুষ গড়ে তোলে৷ গণিতের প্রয়োজন মানুষের জীবনে ঠিক ততটুকুই, যা তার দৈনন্দিন প্রয়োজনে লাগে৷ অর্থাৎ পরিমাপ বা টাকাপয়সা লেনদেনের জন্য যতটুকু জানা প্রয়োজন, ঠিক ততটুকু জানাই যথেষ্ট৷’—এই বলে থামলেন তিনি৷

    অ্যালান কী জবাব দেবে বুঝতে না পেরে চুপ করে রইল৷ প্রধান শিক্ষক এরপর বললেন, ‘আমাদের এই বিদ্যালয়ের শিক্ষাদানের মূল লক্ষ্য হল ছাত্রদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা৷ আগামী বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে তুমি যে ক্লাসে উঠবে, সেখানে আটশো নম্বরের মধ্যে অঙ্কের জন্য বরাদ্দ মাত্র একশো নম্বর৷ তাতে যদি তুমি ফুল মার্কসও পাও, কিন্তু আসল বিষয়গুলোতে কী করবে তুমি? সাহিত্য, ব্যাকরণ, ইতিহাস, দর্শন? তোমাকে তো সেসব বিষয়ে ভালো ফল করতে হবে? অন্তত পাশ মার্ক পেতে হবে৷ আসল বিষয়গুলোতে তো ভালো লাগে না বললে চলবে না৷’

    এরপর তিনি একটু চুপ করে থেকে বললেন, ‘আমার কথাগুলো তুমি মাথায় রেখো৷ দেখি বার্ষিক পরীক্ষায় তুমি কী করো৷ এবার তুমি যাও৷’—এই বলে অ্যালানের হাতে রিপোর্ট কার্ডটা ধরিয়ে দিলেন তিনি৷

    হেডমাস্টারের রুম থেকে বেরোল অ্যালান৷ আজ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে বলে স্কুল ছুটি হয়ে গেছে৷ প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে স্কুল৷ কিন্তু সেই পুরোনো বাড়িটার গাছের নীচে তার জন্য অপেক্ষা করে আছে মরকম৷ অ্যালান ছুটল সেদিকে৷ গাছের নীচেই বসে ছিল মরকম৷ অ্যালান তার পাশে গিয়ে বসতেই মরকম প্রশ্ন করল—‘অ্যালজেব্রাতে কত?’

    ‘ফুল মার্কস৷’—জবাব দিল অ্যালান৷

    ‘আর জিওমেট্রি?’

    ‘ফুল মার্কস৷’—আবারও জবাব দিল অ্যালান৷

    জবাব শুনে মরকম ‘ব্র্যাভো’ বলে অ্যালানের পিঠে চাপড় মেরে বলল, ‘কিন্তু তোমাকে এত গম্ভীর দেখাচ্ছে কেন?’

    মরকমের প্রশ্নের জবাবে অ্যালান হেডমাস্টারের রুমের ঘটনাটা বলার পর তাকে প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা, গণিত কি ‘আসল বিষয়’ নয়? তিনি তো তাই বললেন৷ আরও অনেককেই তাই বলতে শুনেছি!’

    মরকম প্রশ্ন শুনে বেশ দৃঢ়তার সঙ্গে বলল, ‘যাঁরা এ কথা বলেন তাঁরা ভুল বলেন৷ এই এত বড় পৃথিবী, এ তো গাণিতিক নিয়মেই ঘুরে চলেছে৷ এই যে সূর্য-চন্দ্র-গ্রহ-তারা, সবই তো গাণিতিক নিয়মেই চলছে৷ এমনকি মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু, এ সবই নির্দিষ্ট গাণিতিক নিয়ম মেনেই চলে৷ আমাদের দেহকোশ বিভাজিত হয় গাণিতিক নিয়ম মেনেই, কোথাও একচুল এদিক-ওদিক হবার জো নেই৷ সর্বত্রই তো শুধু অঙ্ক আর অঙ্ক৷ আসলে এসব ব্যাপার অনেকের মাথায় ঢোকে না৷ অঙ্ক বলতে তারা শুধু বোঝে পাউন্ড, গজ আর সুদের হিসাব৷ বিষয় হিসাবে সাহিত্য, দর্শন, ইতিহাসের নিশ্চয়ই গুরুত্ব আছে৷ কিন্তু খুব ভালো করে লক্ষ করলে দেখবে যে, সাহিত্য, দর্শন, ইতিহাসেরও একটা নির্দিষ্ট বিজ্ঞান আছে, যা উচ্চতর গণিত শাখা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত৷’—একটানা কথাগুলো বলে থামল মরকম৷

    মরকমের কথা শুনে বেশ খুশি হল অ্যালান৷ তার মুখে এবার হাসি ফুটে উঠল৷

    মরকম একটা চুরুট বার করে ধরাল৷ তারপর একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে সেই ধোঁয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এই যে ধোঁয়া, এর আণবিক গঠনও কিন্তু গাণিতিক৷’

    এ কথা বলার পর সে হঠাৎ বলল, ‘এই রে! কারা যেন এদিকে আসছে! চলো ওই সামনের ঘরটাতে গিয়ে ঢুকি৷ মনে হচ্ছে হেডমাস্টার!’

    অ্যালানেরও মনে হল কারা যেন আসছে! গাছতলা থেকে উঠে একছুটে পরিত্যক্ত বাড়ির একটা ঘরে ঢুকে দরজা দিল তারা৷ কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই দরজাতে টোকা পড়তে শুরু করল৷ প্রথমে আস্তে, তারপর বেশ জোরে!

    ঘুম ভেঙে গেল অ্যালানের৷ ভোর হয়ে গেছে৷ স্বপ্ন দেখছিলেন অ্যালান৷ গতকাল বইয়ের ভাঁজে শেরবর্ন স্কুলের সেই চিঠিটা পেয়েছিলেন বলেই হয়তো এ স্বপ্নটা দেখলেন তিনি৷ আড়মোড়া ভেঙে খাটে উঠে বসে অ্যালান কথাটা ভাবলেন৷ খাট থেকে নেমে জানলাটা খুললেন অ্যালান৷ ভোরের প্রথম আলো ছড়িয়ে পড়ল ঘরে৷ বাইরে সকাল শুরু হয়েছে৷ গাড়ি বোঝাই ফুল নিয়ে শহরের দিকে যাত্রা শুরু করেছে ঘোড়ার গাড়িগুলো৷ সেদিকে তাকিয়ে অ্যালান ভাবলেন, সেই ম্যারাথন রেসের দিনের পর তাঁর আর বাইরে যাওয়া হয়নি৷ সকালবেলা একটু হেঁটে আসবেন তিনি৷ তারপর লাইব্রেরি রুমে কাজে বসবেন৷ গতকাল তিনি একটা জটিল অঙ্ক কষতে বসেছিলেন, সেটা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে৷ সেটার সমাধান করতে হবে৷

    ঘণ্টা বাজিয়ে পরিচারককে ডাকলেন তিনি৷ পরিচারককে দ্রুত প্রাতরাশের ব্যবস্থা করতে বলে তিনি ওয়াশরুমে গিয়ে ঢুকলেন৷ এরপর আধঘণ্টার মধ্যেই তৈরি হয়ে প্রাতরাশ সাঙ্গ করে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়লেন অ্যালান৷

    নির্মল বাতাস, নতুন সূর্যের আলো, রাস্তার পাশের গাছগুলোতে পাখি ডাকছে৷ মাঝে মাঝে ছন্দোবদ্ধভাবে পা ফেলে ঘোড়াগুলো পাশ দিয়ে ছুটে যাচ্ছে ফুলের গাড়ি নিয়ে৷ বাতাসে ফুলের সৌরভ৷ ফুলের মতো শিশুরা গুটি গুটি পায়ে বাবা- মা-র হাত ধরে মর্নিং স্কুলে যাচ্ছে৷ সব মিলিয়ে এক সুন্দর পরিবেশ৷ ধীর পায়ে হাঁটতে থাকলেন অ্যালান৷

    ‘মিস্টার অ্যালান?’ হঠাৎ কে যেন ডাকল তাঁর নাম ধরে!

    থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে অ্যালান দেখলেন রাস্তার বিপরীত পাশে দাঁড়িয়ে আছে একটা ঘোড়ায় টানা গাড়ি৷ চালকের আসনে বসে আছে এক প্রৌঢ়, আর তার পিছনে কিছু ব্যাগ নিয়ে বসে আছে একটা বাচ্চা ছেলে৷ চালকের আসনে বসা লোকটাকে চিনতে পারলেন অ্যালান৷ এ সেই ফুলচাষি হেপবার্ন৷ যে তাকে ডেকে নিয়ে গেছিল ম্যারাথন রেসের অনুষ্ঠানে৷ অ্যালানকে দেখতে পেয়ে গাড়ি থামিয়ে তাকে ডাক দিয়েছে লোকটা৷

    গাড়ি থেকে নেমে পড়ল লোকটা৷ আর তার সঙ্গে বাচ্চা ছেলেটাও৷ অ্যালান রাস্তা পেরিয়ে তাদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন৷ করমর্দন করে সুপ্রভাত বিনিময়ের পর হেপবার্ন বলল, ‘এই আমার নাতি হেনরি৷ বারো বছর বয়স৷’

    অ্যালান এবার বাচ্চা ছেলেটার উদ্দেশে বললেন, ‘হ্যালো৷’ সেও প্রত্যুত্তরে বলল, ‘হ্যালো৷’

    হেপবার্ন এরপর বলল, ‘এর মধ্যে একদিন বিকেলে আপনার বাড়ি খুঁজে ওকে নিয়ে গেছিলাম আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য৷ কিন্তু গেটম্যান কিছুতেই বাড়িতে ঢুকতে দিল না, আপনাকে ডেকেও দিল না৷ বলল সরকারি অনুমতি ছাড়া আপনার সঙ্গে দেখা করা নাকি নিষেধ! তাই ফিরে চলে এলাম৷’

    কথাটা শুনে অ্যালান মৃদু বিস্মিতভাবে বললেন, ‘তাই নাকি! কী দরকারে গেছিলেন?’

    হেপবার্ন বলল, ‘সেদিন ম্যারাথন রেসে এই হেনরি ছিল কনিষ্ঠতম প্রতিযোগী৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত ও-ই প্রথম হয়৷ আপনার কথা শুনে ও একবার দেখতে চেয়েছিল আপনাকে৷ তা ছাড়া আরও একটা ব্যাপার জানার ছিল আপনার থেকে৷ ও একটা স্কুলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে৷ আমাদের এক আত্মীয়ই ব্যবস্থাটা করেছেন৷ আপনি শহুরে, শিক্ষিত মানুষ, আপনার থেকে জানার ছিল স্কুলটা কেমন৷ যদিও এখন সে স্কুলে যাব বলেই গাড়ি ধরতে রওনা হয়েছি আমরা৷ ওখানে রেখে আসব হেনরিকে৷’

    অ্যালান প্রশ্ন করলেন, ‘কোন স্কুল?’

    জবাবে হেপবার্ন যা বলল তাতে চমকে উঠলেন অ্যালান৷ হেপবার্ন বলল, ‘জায়গাটা বেশ দূর এখান থেকে৷ ডরমেটের শেরবর্ন স্কুল৷ আপনি চেনেন?’

    মুহূর্তখানেক চুপ করে থেকে অ্যালান বললেন, ‘হ্যাঁ, চিনি৷ ভালো স্কুল৷ আমি নিজেও একসময় ওই স্কুলের ছাত্র ছিলাম৷’

    কথাটা শুনে হেপবার্ন বিস্ময় প্রকাশ করে বলল, ‘ছাত্র ছিলেন! ব্যস, এবার তবে নিশ্চিন্ত হলাম৷ আমরা অশিক্ষিত ফুলচাষি৷ এসব ব্যাপারে কিছুই জানি না৷ ভরসা পেলাম আপনার কথা শুনে৷ খেলার পাশাপাশি হেনরির পড়াশোনাতেও খুব উৎসাহ৷’

    কথাটা শুনেই অ্যালান বাচ্চাটার মুখের দিকে তাকালেন৷ অ্যালান সে ইস্কুলে পড়েছেন শুনে আনন্দে উদ্ভাসিত বাচ্চা ছেলেটার মুখ৷ তার দাদু হয়তো তাকে বলেছে যে অ্যালান একজন বড় মানুষ৷ অ্যালান তাকে প্রশ্ন করলেন, ‘তোমার কী বিষয় ভালো লাগে?’

    ছেলেটা জবাব দিল, ‘অঙ্ক, বিজ্ঞান৷’

    একটা শিহরন খেলে গেল অ্যালানের মধ্যে৷ ব্যাপারটা কাকতালীয় হলেও এই বাচ্চা ছেলেটা যেন অ্যালানেরই শৈশবের প্রতিচ্ছবি! ম্যারাথন, অঙ্ক, শেরবর্ন স্কুল!

    অ্যালান মনে মনে ছেলেটার উদ্দেশে বললেন, ‘কিন্তু আমার মতো অঙ্কশাস্ত্র যেন তোমার জীবনে অভিশাপ না হয়৷’

    মনে মনে এ কথাগুলো বলে অ্যালান ছেলেটার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদের ভঙ্গিতে বললেন, ‘নতুন স্কুলে আর ভবিষ্যৎ জীবনে সফল হও তুমি৷ মানুষের মতো মানুষ হও৷ তোমার জন্য যেন তোমার পিতা-মাতা, দাদু, প্রতিবেশী—সারা দেশের মানুষ গর্ববোধ করতে পারে৷’

    ছেলেটা মুখে কিছু বলল না৷ শুধু তার পোশাকের ভিতর থেকে একটা আপেল বের করে তা বাড়িয়ে দিল অ্যালানের দিকে৷ অ্যালানের প্রতি তার ভালোবাসার শ্রদ্ধার্ঘ্য৷

    অ্যালান প্রথমে একটু ইতস্তত করলেন সেটা নিতে৷ দীর্ঘ পথ পাড়ি দেবে বাচ্চা ছেলেটা৷ নিশ্চয়ই খিদে পাবে তার৷ ফলটা থাকলে তার সুবিধা হবে৷

    হেপবার্ন সম্ভবত অ্যালানের মনের ভাব পাঠ করে বলল, ‘ও যখন দিতে চাইছে তখন নিন৷ নইলে ও কষ্ট পাবে, আমিও পাব৷ আপনার মতো বড় মানুষকে তো আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের কিছুই দেবার নেই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ছাড়া৷ দয়া করে নিন৷’

    তার কথা শোনার পর আপেলটা নিলেন অ্যালান৷ খুশিতে, নিষ্পাপ ভালোবাসাতে ঝিলিক দিয়ে উঠল বাচ্চা ছেলেটার মুখ৷ অ্যালানের থেকে বিদায় নিয়ে এরপর গাড়িতে উঠে পড়ল তারা দুজন৷ অনেকটা পথ তাদের পাড়ি দিতে হবে শেরবর্ন স্কুলে পৌঁছোবার জন্য৷ গাড়িটা চলতে শুরু করার পর বাচ্চা ছেলেটা অনেক দূর পর্যন্ত পিছন ফিরে হাত নাড়তে লাগল অ্যালানের উদ্দেশে৷ হাত নাড়তে লাগলেন অ্যালানও৷ একসময় পথের বাঁকে অ্যালানের শৈশবকে নিয়ে হারিয়ে গেল সেই ঘোড়ার গাড়িটা৷ বাচ্চা ছেলেটার প্রতি একরাশ ভালোলাগা নিয়ে তার দেওয়া উপহার আপেলটা মুঠোয় ধরে হাঁটতে লাগলেন অ্যালান৷

    কিন্তু কিছুটা এগোবার পরই পিছন থেকে আবারও একটা পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনতে পেলেন তিনি—‘স্যর, দাঁড়ান৷’ হাঁটা থামিয়ে পিছনে ফিরে অ্যালান দেখলেন তাঁর পরিচারক এগিয়ে আসছে৷ সে তাঁর কাছে এসে দাঁড়াতেই অ্যালান তাকে মৃদু বিস্মিতভাবে প্রশ্ন করলেন, ‘কী ব্যাপার?’

    পরিচারক বললেন, ‘ডাক্তার এসেছেন৷ তিনি এখনই ফিরতে বলছেন আপনাকে৷’

    কথাটা শুনে মৃদু বিস্মিত হলেন অ্যালান৷ ডাক্তারের তো আজ আসার কথা নয়! কী ব্যাপার? অ্যালান বললেন, ‘ঠিক আছে চলো৷’ পরিচারকের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথ ধরলেন অ্যালান৷ ফেরার সময় একটা লোককে চোখে পড়ল অ্যালানের৷ গোবেচারার ভঙ্গিতে যে একটা ল্যাম্পপোস্ট ধরে দাঁড়িয়ে আছে৷ অ্যালানের দৃঢ় ধারণা হল লোকটা পুলিশের লোক৷ হয়তো এই সাতসকালেই অ্যালানকে অনুসরণ করছিল সে৷ অ্যালান বাড়ি থেকে বেরোলেই এরা কোথা থেকে তাঁর ওপর নজরদারি করার জন্য উদয় হয় কে জানে! পরিচারক বা গেটম্যান কি জানে এদের কথা? সেদিন গোলেমবাক বা গতকাল লুসি নামের সেই নারীকে কি তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখেছে এরা? কথাগুলো ভাবতে ভাবতে বাড়ির দিকে এগোলেন অ্যালান৷

    বাড়িতে ঢুকে ড্রয়িংরুমেই সরকারি চিকিৎসককে বসে থাকতে দেখলেন অ্যালান৷ তিনি তাঁকে প্রশ্ন করলেন, ‘কী ব্যাপার? পনেরো দিন তো হয়নি! আপনি এসেছেন?’

    চিকিৎসক উঠে দাঁড়িয়ে গম্ভীর মুখে বললেন, ‘হ্যাঁ, আসতে হল৷ বেডরুমে চলুন৷’

    অ্যালান চিকিৎসককে নিয়ে চললেন বেডরুমের দিকে৷ সে ঘরে ঢুকে অ্যালান খাটে বসে চিকিৎসকের উদ্দেশে বললেন, ‘ব্যাপারটা কী?’

    সরকারি চিকিৎসক তাঁর ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র বার করতে করতে গম্ভীরভাবে বললেন, ‘ইনজেকশন দিতে এসেছি৷ আজ অন্য একটা ইনজেকশন৷ পনেরো দিন নয়, এবার থেকে আমি সাত দিন অন্তর অন্তর আসব৷ যতদিন না আপনি সুস্থতার দিকে এগোন৷’

    কথাগুলো বলে একটা অ্যাম্পুল ভেঙে তার মধ্যেই ওষুধটা সিরিঞ্জে টেনে ডাক্তার বললেন, ‘কোট খুলুন৷ জামার হাতটা ওপরে তুলুন৷’

    আজ যেন একটু বেশি গম্ভীর দেখাচ্ছে ডাক্তারকে৷ অ্যালান তাঁর কোটের পকেট থেকে প্রথমে আপেলটা বার করে কোটটা খুলে ফেললেন৷ তারপর জামার হাতাটা গুটিয়ে বাহু বাড়িয়ে দিলেন৷ ডাক্তার এসে দাঁড়ালেন তাঁর সামনে৷ তুলোতে স্পিরিট মাখিয়ে বাহুর নির্দিষ্ট অংশটা মুছে অনেকটা যন্ত্রের মতো ইনজেকশনটা প্রবেশ করালেন তাঁর শরীরে৷

    কাজ শেষ৷ ব্যাগ গোছাতে শুরু করলেন সরকারি চিকিৎসক৷ অ্যালান জানতে চাইলেন, ‘এই নতুন ইনজেকশন দিলে আমি কি আরও তাড়াতাড়ি সুস্থ হব?’

    তিনি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘দেখা যাক৷ আপনি তো চিকিৎসাতে কোনো সাড়াই দিচ্ছেন না! সুস্থ হয়ে ওঠার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না৷’

    অ্যালান কথাটা শুনে বললেন, ‘কোনো পরীক্ষা ছাড়াই কীভাবে বুঝলেন আমি সুস্থ হয়ে উঠছি না? বলেছিলেন তো ব্যাপারটা পরীক্ষা করবেন?’

    ডাক্তার জবাব দিলেন, ‘সে পরীক্ষা করা হয়ে গেছে৷’

    অ্যালান বিস্মিতভাবে প্রশ্ন করলেন, ‘কখন? কীভাবে?’

    দরজার বাইরে বেরোবার আগে মুহূর্তের জন্য থামলেন ডাক্তার৷ তারপর অ্যালানের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে আপনি সাড়া দিচ্ছেন না৷ আপনার আসক্তি এখনও পুরুষের প্রতি রয়ে গেছে৷ নারীর প্রতি আসক্তিহীনতাই প্রমাণ করছে মানসিক সুস্থতার দিকে এগোননি আপনি৷’—এ কথাগুলো বলে দ্রুত ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন সরকারি চিকিৎসক৷

    তাঁর কথা শুনে মুহূর্তের মধ্যে গতদিনের ঘটনাটা স্পষ্ট হয়ে গেল অ্যালানের কাছে৷ লুসি নামের মেয়েটা সম্ভবত দেহপসারিণী গোত্রের কেউ হবে৷ কৌশলে তাকে তাঁর কাছে পাঠানো হয়েছিল নারীর প্রতি অ্যালানের যৌন আকর্ষণ তৈরি হয়েছে নাকি তা পরীক্ষা করার জন্য৷ সমকামিতার ভাবনা অ্যালানের মন থেকে মুছে গিয়ে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি তাঁর আকর্ষণ সৃষ্টি হয়েছে কি না তা দেখার জন্য৷ গতকাল মেয়েটার আসার ব্যাপারটা সম্পূর্ণ একটা সাজানো ঘটনা! গেটম্যান, পরিচারক, সবাই সরকারি নির্দেশে যুক্ত হয়েছিল এ ঘৃণ্য ঘটনার সঙ্গে! ব্যাপারটা বুঝতে পেরেই লজ্জা, ঘৃণা, অপমানে কাঁপতে শুরু করলেন অ্যালান৷ প্রচণ্ড উত্তেজনার বশে, অথবা ইনজেকশনের প্রভাবে মাথার ভিতরটা কেমন যেন করতে লাগল তাঁর৷ সব যেন ছিঁড়েখুঁড়ে একাকার হয়ে যাচ্ছে মাথার ভিতর! কোনোরকমে উঠে গিয়ে তিনি দরজাটা বন্ধ করলেন৷ তারপর বিছানাতে এলিয়ে পড়লেন৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article অন্ধকার যখন নামল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }