Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আঁধারে গোপন খেলা – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আঁধারে গোপন খেলা – ৬

    ৬

    তাঁদের ছোট বাড়িটার জানলার ঠিক কয়েক হাত তফাতেই সেই উইলো গাছটা৷ নিস্তব্ধ রাতে মোম জ্যোৎস্না যেন চুঁইয়ে পড়ছে তার গা বেয়ে৷ কাচের জানলার ফাঁক দিয়ে বাইরেটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷ ঘরের ভিতর ফায়ারপ্লেসের আগুনটা কেমন যেন একটা নীলচে আলো ছড়াচ্ছে৷ ডিনার অনেকক্ষণ হয়ে গেছে৷ মা সারার গায়ে মাথা রেখে শুয়ে আছে অ্যালান৷ ঘুম আসছে না তার৷ জানলার কাচ ভেদ করে আলো এসে পড়েছে অ্যালানের মুখে৷ বড় মায়াবী সেই মুখ৷ অ্যালানের মুখমণ্ডলে, চেহারাতেও একটা মেয়েলি ছাঁদ আছে৷ এ জন্য তার সমবয়সি ছেলেরা অনেকসময় তাকে বিদ্রুপ করে৷ অ্যালান কারও সঙ্গে ঠিকভাবে মিশতে পারে না কেবল মা ছাড়া৷ সবসময় কী যেন ভেবে চলে অ্যালান! যত অ্যালানের বয়স বাড়ছে তত তার এই অন্তর্মুখী প্রবণতা যেন বেড়ে চলেছে৷ ব্যাপারটা খেয়াল করেছেন সারা৷ গির্জার ঘড়িতে মধ্যরাতের ঘণ্টা বাজল৷ ছেলেকে তখনও তাকিয়ে থাকতে দেখে মা বললেন, ‘কি রে, ঘুমোবি না? কাল সকালে উঠে তো আবার স্কুলে যেতে হবে৷’

    ‘ঘুম আসছে না৷’ সংক্ষিপ্ত জবাব দিল অ্যালান৷

    ‘কেন ঘুম আসছে না? স্কুলে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না তো?’—জানতে চাইলেন সারা৷ বেশ কয়েকমাস হয়ে গেল ছেলেকে ডরমেটের শেরবর্ন স্কুলে ভরতি করেছেন সারা৷ বাড়ির থেকে বেশ অনেকটা দূর হলেও এই স্কুলটা লন্ডনে অন্যতম সেরা স্কুল বলে বিবেচিত হয়৷

    দুটো প্রশ্নের জবাবই এড়িয়ে গিয়ে অ্যালান বলল, ‘তুমি বরং আমাকে ইন্ডিয়ার গল্প বলো, রাজা-রানির গল্প বলো৷ সেই মন্দিরের গল্প বলো, যেখানে দেবতাদের হাত নেই৷ রথে করে ঘোরে যারা….৷’

    সারা তাঁর জীবনের বেশ অনেকটা সময় কাটিয়েছেন ওড়িশা রাজ্যের গঞ্জামের ছত্তরপুরে৷ অ্যালান সেখানেই গর্ভে এসেছিল সারার৷ তারপর তিনি সন্তানের জন্ম দেবার জন্য ইংল্যান্ডে চলে আসেন৷ স্বামী জুলিয়াসের অবশ্য এখনও যাওয়া-আসা আছে ইন্ডিয়াতে৷ ছোটবেলা থেকেই ইন্ডিয়ার নানা গল্প শুনিয়ে অ্যালানকে ঘুম পাড়াতেন সারা৷ তার মধ্যে একটা হল পুরীর মন্দিরের গল্প৷ সেই গল্পই শুনতে চাইল অ্যালান৷

    ছেলের কথা শুনে মা হেসে বললেন, ‘পনেরো বছর বয়স হয়ে গেল তোমার৷ এখনও ওসব গল্প শোনার নেশা গেল না!’

    কিশোর অ্যালান পাশ ফিরে তার মাকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘বলো তুমি৷ আমার এখনও ওসব গল্প শুনতে ভালো লাগে৷’ অ্যালান যেন আজও বড় হয়নি, আট বছরের অ্যালানই আছে৷ অ্যালানের অনুভূতি স্পর্শ করল সারাকে৷ ছেলের চুলে আঙুল দিয়ে বিলি কাটতে কাটতে সারা ছেলেকে বলতে শুরু করলেন ছোট অ্যালানকে ঘুম পাড়াবার জন্য ইতিপূর্বে বহুবার বলা সেই গল্প—‘সমুদ্রের তীরে রয়েছে সেই অদ্ভুত নগরী—পুরী৷ আমাদের লন্ডনের থেকেও অনেক প্রাচীন সেই নগর৷ আর তার চেয়েও প্রাচীন নাকি সেখানকার মন্দির! হিন্দু গড শ্রীজগন্নাথের মন্দির৷ সে নগরীতে একজন রাজা আছেন বটে, কিন্তু আসল রাজা হলেন সেই জগন্নাথ৷ রাজার মতোই, বলা যেতে পারে তাঁর থেকেও বেশি দাস-দাসী-পরিচারকেরা সেবা করে তাঁকে৷ লোকে বলে যে মন্দিরে যত ধনরত্ন সোনা আছে, তার কণামাত্র সম্পদ আমাদের বাকিংহাম প্যালেসেও নেই৷ পুরীর মন্দিরে হিন্দু ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের লোকের প্রবেশাধিকার নেই৷ তবে আমি যখন সে নগরীতে গেছিলাম তখন সৌভাগ্যক্রমে উৎসবের দিন ছিল৷ ইন্ডিয়ার নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ হিন্দু সমবেত হয় সে উৎসবে৷ বিরাট প্রাসাদের মতো রথে মন্দিরের বাইরে বার করা হয় দেবতাকে৷ তাঁর সঙ্গে থাকেন দেবতার ভাই ও বোন৷ তাঁরাও দেবতা৷ কাঠের তৈরি দেবমূর্তিগুলোর প্রত্যেকের পরনেই সোনার সুতোয় বোনা পোশাক আর অলংকার! মুকুটে যে কত ধরনের হিরা-জহরত আছে, তার হিসাব নেই৷ তার এক-একটা দিয়ে হয়তো লন্ডন শহরের সব প্রাসাদ কিনে নেওয়া যাবে৷ তবে তিনটে মূর্তিই বড় অদ্ভুত৷ কনুই থেকে তাদের হাত নেই৷ জাহাজের কাছির থেকেও মোটা কাছি টেনে হাজারে হাজারে মানুষ বিগ্রহের প্রাসাদের মতো রথকে টেনে নিয়ে যায়৷ রথ যে পথে যায়, সে পথে রথের আগে আগে সোনার ঝাঁটা দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেন স্বয়ং পুরী নগরীর রাজা৷ লক্ষ লক্ষ মানুষের চিৎকার, জয়ধ্বনি আর বাজনার শব্দ নগরী অতিক্রম করে বহু দূর থেকে শোনা যায়! কত মানুষ! কত ধরনের তাদের পোশাক, অলংকার, ভাষা…৷’

    গল্প বলে চলেন সারা৷ আর তার সঙ্গে সঙ্গে সেই অজানা দেশের সেই ছবি যেন ধরা দিত তার চোখে৷ মাকে অ্যালান বলতে পারছে না, নতুন ইস্কুলে তার প্রতি তার সহপাঠীদের আচরণ ক্রমশই যেন অসহনীয় হয়ে উঠছে৷ যা কিশোর অ্যালানের মনকে ভারাক্রান্ত করে তুলছে৷ অনেক রাত পর্যন্ত অ্যালানের ঘুম না-আসার এটাও একটা কারণ৷ কিন্তু মায়ের মুখে গল্প শুনতে শুনতে আর মাথায় স্নেহ স্পর্শ অনুভব করতে করতে একসময় অ্যালানের মন থেকে তিক্ত চিন্তাগুলো দূর হয়ে যেতে লাগল৷ গল্প শুনতে শুনতে একসময় অ্যালান ঘুমিয়ে পড়ল৷

    পরদিন সকালে উঠে অ্যালান ভাবল সে আজ স্কুলে যাবে না৷ যে অ্যালান প্রথম দিন স্কুলে যাবার জন্য তিরিশ মাইল পথ ছুটে গেছিল, সেই অ্যালানেরই স্কুলে যেতে ইচ্ছা করছে না৷ ভয় লাগছে তার৷ না, পড়া না-পারার ভয় নয়৷ ইতিমধ্যে যতগুলো ক্লাস টেস্ট হয়েছে, তার সবেতেই প্রথম হয়েছে অ্যালান৷ বছর শেষ হতে এখনও বেশ কয়েকমাস দেরি৷ কিন্তু তার মধ্যেই আস্ত বইগুলো বেশ কয়েকবার পড়া হয়ে গেছে তার৷ উঁচু ক্লাসের গণিত বই লাইব্রেরি থেকে নিয়ে অঙ্ক কষতে শুরু করেছে অ্যালান৷ এবং তা শিক্ষক মহাশয়দের সাহায্য ছাড়াই৷ পড়া না-পারার ব্যাপারে অ্যালানের ভয় নেই৷ তার ভয়ের জায়গা অন্য৷ অ্যালান শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিল, ‘আজকের দিনটা অন্তত দেখা যাক৷’ তেমন হলে বাড়ি ফিরে এসে মাকে সে বলবে নতুন বছরে তাকে অন্য স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা করতে৷

    নির্দিষ্ট সময়েই প্রতিদিনের মতো স্কুল গেটে পৌঁছে গেল অ্যালান৷ তবে প্রথমে সে ভিতরে প্রবেশ করল না৷ প্রবেশতোরণের একটা থামের আড়ালে ঘাপটি মেরে দাঁড়িয়ে রইল, যতক্ষণ না প্রার্থনা সংগীতের ঘণ্টা বাজে৷ আর সেই শব্দ হতেই সে ছুটে গিয়ে দাঁড়াল প্রেয়ার লাইনের একদম শেষ মাথাতে৷ তারপর প্রার্থনা সংগীত শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই একছুটে ক্লাসরুমের ভিতর৷ ক্লাসরুমের ভিতর অবশ্য বেশি আতঙ্কের অবকাশ নেই৷ টিফিনের আগে পর পর চারটে ক্লাস৷ একটা ক্লাস শেষ হতেই পরের শিক্ষক ক্লাস নেবার জন্য ঢুকে পড়েন৷ তবুও তারই মধ্যে দুটো ঘটনা ঘটল৷ পদার্থবিদ্যার শিক্ষকের প্রশ্নের জবাবে পড়া বলছিল অ্যালান৷ না, ভুল উত্তর নয়, তবে তার স্বভাবসুলভ ভাবে একটু তুতলিয়ে, থেমে থেমে৷ ঠিক সেই সময় ছাত্রদের মধ্যে থেকে কে যেন একবার অ্যালানের উদ্দেশে ‘ব্যা ব্যা’ করে ডেকে উঠল৷ সঙ্গে সঙ্গে চাপা হাসির রোল উঠল ক্লাসে৷ শিক্ষকমশাই তা দেখে হাতের বেতটা দিয়ে টেবিলের ওপর চড়াম করে বাড়ি দিতেই থেমে গেছিল সেই শব্দ৷ আর দ্বিতীয় ঘটনাটা হল তৃতীয় পিরিয়ডে৷ অ্যালান যখন খাতায় একমনে নোট নিচ্ছিল, তখন একটা চকের টুকরো কোথা থেকে যেন উড়ে এসে মট করে ভাঙল অ্যালানের মাথায়৷ যদিও তাতে অ্যালানের তেমন লাগেনি, তবে এ দুটো ঘটনাই অ্যালানকে বুঝিয়ে দিল, এ দিনটাও তার ভালো কাটবে না৷ সে যেমন আশঙ্কা করেছিল তেমনই ঘটতে চলেছে৷ তাই বাঁচার একটা উপায় মনে মনে ভেবে রাখল অ্যালান৷ টিফিন পিরিয়ডের ঘণ্টা বাজতেই শিক্ষক যখন ক্লাস থেকে বেরোচ্ছেন, তখন তাঁর গায়ের সঙ্গে একদম লেপটে ক্লাস থেকে বেরোল অ্যালান৷ অন্য ক্লাসের ছাত্ররাও তখন ক্লাস থেকে বেরোচ্ছে৷ তাদের ভিড়ে মিশে লম্বা অলিন্দটা আগে অতিক্রম করল অ্যালান৷ তারপর মাঠে নেমে সোজা স্কুলবাড়িটার পিছন দিকে ছুট দিল৷ সেদিকে সচরাচর কেউ যায় না৷ বড় বড় গাছ আর আগাছা ঘেরা সে জায়গা৷ আর তার শেষ প্রান্তে পুরোনো একটা বাড়ি আছে৷ পরিত্যক্ত বাড়িটা৷ একসময় সেটা আবাসিক শিক্ষকদের বাসস্থান ছিল৷

    ঝোপজঙ্গল ভেঙে একছুটে বাড়িটার কাছে পৌঁছে গেল অ্যালান৷ ব্যস, এবার সে অনেকটা নিশ্চিন্ত৷ টিফিন শেষ হবার ঘণ্টা বাজলেই সে একছুটে ক্লাসে গিয়ে ঢুকবে৷ একটা ওক গাছের গুঁড়িতে হেলান দিয়ে বসল অ্যালান৷ চারপাশ কেমন নিস্তব্ধ, শান্ত৷ শুধু ইস্কুলবাড়ির উলটোদিক থেকে ভ্রমরের গুঞ্জনের মতো ছাত্রদের মৃদু কোলাহল ভেসে আসছে৷ অ্যালান অবশ্য কোনোদিনই ছাত্রদের খেলায় যোগ দেয় না৷ এসময়টা ক্লাসে বা বারান্দার থামের ছায়ায় দাঁড়িয়ে নিজের মনোজগতেই বিচরণ করত সে৷ কিন্তু কিছুদিন ধরে সেই একলা থাকাটা তার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না৷ ‘তবে আপাতত এখন আধঘণ্টার জন্য একটু শান্তি৷’—গাছের ছায়ায় বসে মনে মনে ভাবল অ্যালান৷

    কিন্তু অ্যালানের শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না৷ নেকড়ে যেমন নিরীহ খরগোশের সন্ধান পেয়ে যায়, ঠিক তেমনই যেন কীভাবে অ্যালানের সন্ধান পেয়ে গেল তারা৷ অ্যালানেরই সহপাঠী একদল ছেলে—হ্যারি, গুচ, পিটার, জন্টি আর তাদের পান্ডা মার্টিন৷ মাটি ফুঁড়ে যেন অ্যালানের চারপাশে তারা সব উদয় হল৷ যারা তাকে উত্ত্যক্ত করবে বলে অ্যালান এখানে এসে লুকিয়ে ছিল৷ অ্যালানকে দেখে এক জান্তব আনন্দ যেন ফুটে উঠল তাদের চোখে-মুখে৷ প্রথমে তারা একযোগে তালি দিয়ে বলতে শুরু করল, ‘ব্যা, ব্যা, ব্ল্যাকশিপ, হ্যাভ ইউ এনি উল?’

    ‘ব্যা, ব্যা’ শব্দ দুটোর ওপর বেশ জোর দিয়েই পরিচিত ছড়ার এই লাইনটা বলতে শুরু করল তারা৷ এর পিছনে একটা কারণ আছে৷ মাঝে মাঝেই কথা আটকে যায় অ্যালানের৷ আর এই ত্রুটির কারণে একদিন ক্লাসে সে ‘ব্ল্যাকবোর্ড’ শব্দটা উচ্চারণ করতে গিয়ে কয়েকবার ‘ব্যা, ব্যা’ শব্দ করেছিল৷ আর তারপর থেকেই ছেলের দল এভাবেই তাকে উত্ত্যক্ত করে৷ কখনও ‘ব্যা’ ‘ব্যা’ করে ছাগলের ডাক ডেকে, বা এই ছড়া কেটে৷

    গাছের গুঁড়ির গায়ে হেলান দিয়ে বসে আছে ভীত অ্যালান৷ সে কী করবে তা ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না৷ এতগুলো ছেলের ফাঁক গলে ছুটে পালানো অসম্ভব৷ আবার চিৎকার করলেও তার গলার শব্দ স্কুলের ভিতর পৌঁছোবে না৷ একসময় তালি থামাল ছেলেগুলো৷ তারাও এবার বুঝতে পারল, তাদের শিকার ফাঁদে পড়েছে৷ তাকে নিয়ে তারা এবার যা খুশি করতে পারে৷ কেউ বাধা দেবার নেই, কারও চোখে পড়ার ব্যাপার নেই৷ তাই দলনেতা মার্টিন দাঁত বের করে হেসে বলল, ‘আজ দেখব এটা সত্যি ছেলে নাকি মেয়ে? এই কেউ হাত দিয়ে দেখ তো শার্টের ভিতর, ওর বুকটা মেয়েদের মতো নাকি? নইলে ও এমন মেয়েদের মতো চলে কেন?’

    মার্টিনের কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই গুচ আর জন্টি, অ্যালানের কাছে এসে দাঁড়াল৷ আর অ্যালান কিছু বুঝে ওঠার আগেই জন্টি ঝুঁকে পড়ে অ্যালানের শার্টের ভিতর দিয়ে সোজা তার বুকের ভিতর হাত চালিয়ে খিমচোতে শুরু করল৷ লাগছে অ্যালানের৷ যন্ত্রণায়, আতঙ্কে কাঁপছে সে৷ মুখ দিয়ে কথা বেরোচ্ছে না তার৷ এতদিন এই ছেলেগুলো যাই করুক, তার গায়ে হাত দেয়নি৷ আজ তাকে বাগে পেয়ে অসভ্যতার সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে—যাচ্ছে এরা!

    অ্যালানের অবস্থা দেখে অশ্লীলভাবে হাসছে মার্টিন আর তার সঙ্গীরা৷ বেশ কিছুক্ষণ ধরে অ্যালানের বুক খামচাবার পর জন্টি তার সর্দারের উদ্দেশে বলল, ‘না, ওর বুকটা এখনও ছেলেদের মতোই আছে৷’

    তা শুনে মার্টিন খিকখিক করে হেসে বলল, ‘হয়তো বুক পরে বড় হবে৷ অনেক মেয়েদের অমন দেরিতে বড় হয়৷ আসলে দেখতে হবে ওর ট্রাউজারের ভিতর আমাদের ছেলেদের মতো লম্বা জিনিসটা আছে কি না? খুলে ফেল ওটা৷’

    কথাটা শোনামাত্রই উঠে দাঁড়াল অ্যালান, ছেলেগুলোকে বাধা দেবার একটা শেষ চেষ্টা করার জন্য৷ অন্য তিনজন ছেলেও এবার এগিয়ে এল অ্যালানের কাছে৷ অ্যালান এমনিতেই কোমল প্রকৃতির ছেলে৷ জীবনে মারপিট দাঙ্গাহাঙ্গামা সে কোনোদিন করেনি৷ কাজেই মৃদু একটু ধস্তাধস্তি হল মাত্র৷ তারপর অ্যালানকে চ্যাংদোলা করে ছেলের দল নিয়ে চলল গাছের ছায়া থেকে বেশ কয়েক হাত তফাতে, যাতে অ্যালানের ট্রাউজারের নীচে কী জিনিস আছে তা সূর্যালোকে ভালোভাবে দেখা যায় সেজন্য৷

    উন্মুক্ত স্থানে ঘাসের ওপর চিত করে শোয়ানো হল অ্যালানকে৷ গুচ শক্ত করে চেপে আছে অ্যালানের হাত, আর জন্টি, পিটার এ দুজন চেপে ধরল তার পা দুটো৷ মার্টিন এসে দাঁড়াল তাদের সামনে৷ তারপর হ্যারিকে নির্দেশ দিল, অ্যালানের ট্রাউজার আর অন্তর্বাস কোমর থেকে নীচে নামিয়ে ফেলার জন্য৷ কাজটা করার জন্য হ্যারি অ্যালানের শরীরের ওপর ঝুঁকে পড়তে গেল…

    আর এরপরই একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল৷ হ্যারি, অ্যালানের শরীর স্পর্শ করার আগেই পিছনে একটা প্রচণ্ড লাথি খেয়ে অ্যালানের শরীরের ওপর দিয়ে যেন উড়ে গিয়ে পড়ল গাছের গুঁড়ির নীচে৷ আর এর পরক্ষণেই মার্টিনের মুখের ওপর পড়ল প্রচণ্ড একটা ঘুসি৷ মার্টিন গড়াগড়ি দিতে লাগল মাটিতে৷ আর শেষ লাথিটা পড়ল জন্টির ঘাড়ে৷ মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ল সে!

    মুহূর্তের মধ্যে অবস্থার পরিবর্তন ঘটল৷ সেখানে আবির্ভাব হয়েছে অন্য একজনের৷ কাণ্ডটা ঘটিয়েছে সেই৷ আর প্রাথমিক বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে তাকে দেখামাত্রই ছেলেগুলো মাটি ছেড়ে উঠে পালাবার জন্য যে যেদিকে পারে ছুটতে শুরু করল৷ পালের গোদা মার্টিনও উঠে পড়ে পালাতে যাচ্ছিল৷ কিন্তু সে উঠে দাঁড়াবার সঙ্গে সঙ্গেই সেই আগন্তুক খপ করে ধরে ফেলল তার চুলের ঝুঁটি৷ তারপর মার্টিনের গালে একটা চড় কষিয়ে বলল, ‘বল, আর কোনোদিন ওর পিছনে লাগবি?’

    মার্টিনের সব তেজ তখন উধাও৷ চিঁ চিঁ করে সে বলে উঠল, ‘না, লাগব না৷’

    মার্টিনের কথা শুনে আগন্তুক তার চুলের মুঠিটা জোরে ঝাঁকিয়ে বলল, ‘আরও জোরে বল! আর লাগবি ওর পিছনে?’

    আতঙ্কে কঁকিয়ে উঠে মার্টিন জোরে বলে উঠল, ‘না, আর কোনোদিন লাগব না ওর পিছনে৷ কোনোদিন আর লাগব না৷ এবার আমাকে ছেড়ে দাও৷’

    আগন্তুক শেষবারের মতো তার ঝুঁটিটা একবার নেড়ে দিয়ে এক ধাক্কাতে সরিয়ে দিয়ে বলল, ‘এবারের মতো ছেড়ে দিলাম৷ ফের যদি ওর পিছনে তোরা কেউ লাগিস, তবে ঘণ্টাঘরের দড়ি থেকে তাকে ঝুলিয়ে দেব৷ যা পালা!’

    অ্যালানের রক্ষাকর্তা মার্টিনকে ছেড়ে দেওয়া মাত্র মার্টিন ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে ছুটল সে জায়গা ছেড়ে পালাবার জন্য৷

    নবাগত ছেলেটা এরপর এগিয়ে এল অ্যালানের দিকে৷ অ্যালান তখন হতভম্বের মতো উঠে বসেছে৷ যে ছেলেটা মার্টিনের দলবলকে বেদম মার মারল তার পরনেও স্কুলেরই ইউনিফর্ম৷ তবে সে অ্যালান আর মার্টিনদের দলবলের থেকে বয়সে একটু বড়ই হবে৷ আর তার চেহারাটাও বেশ শক্তপোক্ত পুরুষালি৷ অ্যালানের মতো নরম নয়৷ অ্যালানের উদ্দেশে সে তার শক্ত হাত বাড়িয়ে বলল, ‘ওঠো৷ ওই গাছের নীচে গিয়ে বসি৷ ভয় নেই, ওরা আর আসবে না৷ আর কোনোদিন তোমাকে কিছু বলা বা করার সাহস দেখাবে না৷’

    নতুন ছেলেটার হাত ধরে মাটি থেকে উঠে দাঁড়াল অ্যালান৷ তারপর গায়ের ধুলো ঝেড়ে তার সঙ্গে গিয়ে গাছের গুঁড়ির গায়ে হেলান দিয়ে বসল৷

    প্রাথমিক বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে ওঠার পর অ্যালান তাকে প্রশ্ন করল, ‘তুমি কে? ভাগ্যিস তুমি এলে! নইলে যে কী বিপদে পড়েছিলাম!’

    ছেলেটা বলল, আমার নাম, ক্রিস্টোফার মরকম৷ তোমার চেয়ে ওপরের ক্লাসে পড়ি৷ এখানে সিগার খেতে এসেছিলাম৷ তারপর তোমাদের ব্যাপারটা চোখে পড়ল৷’—এই বলে পকেট থেকে একটা আধপোড়া সিগার আর দেশলাইয়ের বাক্স বার করল মরকম৷

    ‘তুমি স্কুলে সিগার খাও!’ বিস্মিতভাবে বলে উঠল অ্যালান৷

    মরকম হেসে বলল, ‘হ্যাঁ, খাই৷ স্কুলে স্যারেরা জানতে পারলে তাড়িয়ে দেবে৷ তাই এখানে লুকিয়ে খেতে আসি৷ আমি রাত জেগে পড়াশোনা করি৷ একজন আমাকে বলেছিল যে সিগার টানলে ঘুম চলে যায়৷ সেটা করতে গিয়ে এখন নেশা ধরে গেছে৷’

    অ্যালান এবার বলল, ‘আমার নাম অ্যালান টিউরিং৷ নয় মাস হল এই নতুন স্কুলে ভরতি হয়েছি৷’

    সিগার জ্বালিয়ে একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে মরকম বলল, ‘ও, তুমিই সেই টিউরিং৷ যে দৌড়ে স্কুলে এসেছিল! খবরের কাগজে পড়েছি৷’

    অ্যালান মৃদু লজ্জিতভাবে বলল, ‘হ্যাঁ, আমিই সেই৷’

    মরকম জানতে চাইল, ‘কী পড়তে ভালো লাগে তোমার?’

    অ্যালান জবাব দিল, ‘অঙ্ক৷ তোমার কী ভালো লাগে?’

    মরকম বলল, ‘আমারও প্রিয় বিষয় অঙ্ক৷ তবে তার মধ্যে জ্যোতির্বিদ্যা, সংখ্যাতত্ত্ব, এসব বেশি প্রিয়৷ এ ব্যাপারে তোমার জানা আছে? আমি কিছু কিছু জানি৷’

    অ্যালান বলল, ‘না, জানি না৷ তুমি জানালে তোমার কাছে শিখব৷’

    মরকম বলল, ‘নিশ্চয়ই জানাব৷’

    কথা চলতে লাগল৷ তারপর একসময় ঘণ্টা পড়ার সময় হল৷ ফেরার পথ ধরল তারা দুজন৷ অ্যালানের মনের কোণে তখনও কিছুটা ভয় লুকিয়ে আছে৷ সে বলল, ‘মার্টিনের দলবল সত্যি আর কিছু বলবে না তো?’

    মরকম তার পিঠ চাপড়ে বলল, ‘না বলবে না৷ ওরা চেনে আমাকে৷ আমার পূর্বপুরুষরা একসময় জলদস্যু ছিলেন৷ এ কথাটা ইস্কুলের অনেকেই জানে৷ তা ছাড়া পড়াশোনার পাশাপাশি আমি মারপিটও করতে পারি, সেটাও ওরা জানে৷ পিটিয়েওছি অনেককে৷ দেখলে না, ওরা অতজন, তবু কেমন লড়লাম৷ তুমি নিশ্চিন্তে থাকো৷ কাল টিফিনের সময় আবার এখানে এসো৷ জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কে তোমাকে কিছু বলব৷’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article অন্ধকার যখন নামল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }