Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    লেখক এক পাতা গল্প2514 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ম্যান ইন দ্য ব্রাউন স্যুট – ২০

    ।। কুড়ি।।

    সোজা সুজানের ঘরে ঢুকলাম হোটেলে ফিরে, আমাকে দেখে উদ্বিগ্নভাবে বলল, প্রিয় অ্যানি, তুমি কোথায় ছিলে? কি করছিলে এতক্ষণ?

    —রোমাঞ্চকর এক অভিযানে বেরিয়েছিলাম, এই বলে সবিস্তারে সব বললাম।

    সুজান দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বলে, বারবার তোমার জীবনে এমন ঘটনা ঘটে কেন? কেন, কেউ আমাকে বন্দী করে পাত-পা বেঁধে ফেলে রাখে না?

    হেসে বললাম, কারণ সেটা তোমার পছন্দ হত না। ঘটনাচক্রে এমন অদ্ভুত ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলাম তাই। তা না হলে—

    —কিন্তু এখন কি করবো ঠিক করলে?

    —আমি ঠিক জানি না, আমার পরিকল্পনা মতো রোডেসিয়ায় অবশ্যই তোমাকে যেতে হবে প্যাগটের ওপর নজর রাখার জন্য।

    —আর তুমি?

    —ঠিক এই মুহূর্তে বলা মুশকিল। ভাবলাম, কিলমার্ডেন জাহাজের যাত্রী কি চিকেস্টার হয়েছে নাকি সে তার মত বদলেছে? এই জেনবার্গের ভিলায় তার পরিকল্পনা যদি অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে আমাকে ট্রেন পথে ডার্বানে যেতে হবে। জাহাজ পৌঁছনোর আগেই আমাকে পৌঁছতে হবে। আর আমার পালানোর খবর যদি সে পেয়ে থাকে তাহলে মাঝপথে এলিজাবেথ কিংবা ইস্ট লন্ডন বন্দরে নেমে পড়বে। তাহলে একটা বিভ্রান্তিকর সমস্যা হবে।

    রেলওয়ে অফিসে গিয়ে জানা গেল সেদিন রাত আটটা পনেরোয় ডার্বান যাওয়ার ট্রেন আছে। সুজান চায়ের টেবিলে হাসতে হাসতে বলে, তুমি কি আর চিকেনস্টারকে চিনতে পারবে? বড় অভিনেতা সে। কখন কি ছদ্মবেশ নেয় কে জানে? এবার হয়তো সে কোনো নাবিকের ছদ্মবেশে তোমার পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাবে তুমি তাকে চিনতেও পারবে না সেই অবস্থায়।

    —তুমি দেখছি খুব মজায় আছ।

    কর্নেল রেস তখন ঘরে ঢুকে আমাদের সঙ্গে যোগ দিলেন।

    সুজান বলল, স্যার ইউস্টেস এখন কি করছেন জানেন? আজ সারাদিন ওর দেখা পাইনি।

    —উনি ওর নিজের চিন্তায় বিভোর হয়ে আছেন।

    —ও ব্যাপারে কিছু যদি বলেন-

    —মানে আপনি সেই ‘বাদামী রঙের পোষাকের লোকটার’ কথা জানতে চাইছেন, এই তো?

    —কি বললেন?

    —হ্যাঁ, এটাই সত্য। প্রতিটি বন্দরে তার ওপরে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। আর তাকে নিয়েই যত মাথা ব্যথা স্যার ইউস্টেস পেডলারের, কারণ সে তার সেক্রেটারিকে ছিনিয়ে নিয়েছে।

    —মিঃ প্যাগটকে?

    —না, না, মিঃ প্যাগটকে নয়। অন্য আর একজন। নিজেকে যে রেবার্ন বলে পরিচয় দিয়েছিল।

    —আচ্ছা তারা কি তাকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে? প্রশ্নটা করে সুজান টেবিলের তলা দিয়ে আমার হাতে চাপ দিল। তা এই ব্যাপারটা স্যার ইউস্টেস কিভাবে নিলেন?

    —তাঁর কাছে এটা একটা ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস, ব্যক্তিগত অপমানও বলতে পারেন। পরে স্যার ইউস্টেসের মুখ থেকেই শোনার সুযোগ এসে গেল। হোটেল-বয় এর মারফত তার ঘরে আমাকে ডেকে পাঠালেন। বেচারা, সত্যি খুব মুষড়ে পড়েছিলেন, সুজান তাকে সান্ত্বনা দেয়।

    দুঃখ করে আমাদের কাছে অভিযোগ করে স্যার ইউস্টেস বলতে থাকেন, প্রথমেই ধরো-না এক অজানা মেয়ে বলা নেই কওয়া নেই আমার বাড়িতে খুন হল—আমাকে বেকায়দায় ফেলার জন্য এ কথা ঠিক নয়। গ্রেট ব্রিটেনে অত বাড়ি থাকতে আমার মিল হাউসে কেনই বা এমন বিশ্রী ঘটনা ঘটতে যাবে বলুন? কী ক্ষতি করেছি আমি মেয়েটির?

    সুজান আবার তাঁকে সান্ত্বনা দেয়। ফলে তিনি ততোধিক উত্তেজিত হয়ে বলতে শুরু করলেন?

    —কী আশ্চর্য! কী ঔদ্ধত্য সেই মেয়েটির খুনীর! তা না হলে সেই খুনী লোকটাই আবার আমার সেক্রেটারি হিসেবে কাজে যোগ দিতে আসে। ঘেন্না ধরে গেল আমার সেক্রেটারিদের ওপরে। আপনারা সম্প্রতি প্যাগটের কালো চোখের ভয়ঙ্কর চাহনি লক্ষ্য করেছেন? এরপরও কি ওকে আপনার সেক্রেটারি হিসাবে রাখা উচিত, আপনারা বলুন। নিশ্চিন্তে কাজ করার জন্য আমি এখন একটি মেয়ে সেক্রেটারি চাই। সুন্দরী মেয়ে, শান্ত, নম্র, যে আমার দুঃখের সময়ে সান্ত্বনা দিতে পারবে। তা মিস অ্যানি, তোমার কি খবর? এই কাজের ভারটা নেবে তুমি?

    —তা এতক্ষণ আপনাকে সান্ত্বনা দেবার জন্য হাত ধরে বসে থাকতে হবে? হাসতে হাসতে বললাম।

    —ধরো সারাদিন। প্যাগটকে আমি কেপটাউনের পিছনে ফেলে রেখে যেতে চাই। আর এ জায়গাটা ও চুটিয়ে উপভোগ করবে রেবার্নের ওপরে সন্ধানী দৃষ্টি রাখার জন্য। এ কাজটা ওর খুব পছন্দ। তুমি আমার সঙ্গে রোডেসিয়ায় যাবে অ্যানি? সেখানকার জঙ্গলে সিংহ আছে। সব মেয়েরাই সিংহ পছন্দ করে।

    হেসে বললাম, তারা কি ছোট ছোট লাফ দেওয়ার অভ্যেস করবে? না, আপনার সাথে যাওয়া আমার ভাগ্যে নেই। আমাকে ডার্বানেই যেতে হবে। অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলে স্যার ইউস্টেস দরজা খুলে প্যাগটকে ডেকে নির্দেশ দিলেন ট্রেড কমিশনারের অফিস কিংবা চেম্বার অব মাইনস-এর অফিসে গিয়ে রোডেসিয়ায় তার সঙ্গে যাওয়ার জন্য একটি মেয়েকে আনার জন্য। আর শোনো, মেয়েটি যেন স্বপ্নালু হয়। আর তার হাত ধরলে সে যেন আপত্তি না করে বুঝলে?

    —হ্যাঁ স্যার, আমি একজন অভিজ্ঞ শর্ট-হ্যান্ড-টাইপিস্টের কথাই বলব।

    আমি একরকম জোর করেই সুজানের হাত ধরে ফিরে এলাম তার ঘরে।

    —দেখ সুজান, এই মুহূর্তে আমাদের পরিকল্পনা ছকে ফেলতে হবে। শুনলে তো প্যাগট এখানেই থাকছে।

    —তার মানে রোডেসিয়ায় আমার যাওয়া হচ্ছে না? অথচ তুমি তো জান, অ্যানি, রোডেসিয়ায় সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার জন্য আমি কেমন উদগ্রীব হয়ে আছি। লন্ডন থেকে এখানে আসার উদ্দেশ্য আমার তাই ছিল–

    —চমৎকার! আমি তাকে হাসতে হাসতে বললাম, অত চিন্তা কিসের? রোডেসিয়ায় তুমি যাচ্ছ। জানি না তাদের দৃষ্টি এড়িয়ে কি করে ফিরে আসবে। আমার অনুমান, ইউস্টেস হয়তো প্যাগটকে সেখানে পাঠাতে পারেন। কি ভাবে প্যাগটকে সামলাবে, সেটাও চিন্তার বিষয়।

    —চিন্তা নেই। বরং আমার পক্ষে অত্যন্ত সম্মানজনক ব্যাপার, সুজান বলে, সে রকম কিছু হলে আমি প্রেমের অভিনয় করে সব পরিকল্পনা ওলট-পালট করে দিতে পারব, আশা করি।

    —তাছাড়া আর দু’জনকেও চোখে রাখা যাবে।

    —ওঃ অ্যানি, কর্নেল রেস কিংবা স্যার ইউস্টেসকে তুমি কখনোই সন্দেহ করতে পার না।

    —সবাইকে আমি সন্দেহ করি, আমি বললাম, সুজান, তুমি যদি গোয়েন্দা কাহিনী পড়তে পেতে, আসামী এমন একজন লোক যাকে বিন্দুমাত্র সন্দেহ করা যায় না। বহু অপরাধীকে স্যার ইউস্টেসের মতো সদা হাস্যময় দেখায়।

    সেই সঙ্গে আমি তাকে এও বললাম, তাই নয় যে, খুব গভীরভাবে আমি ওঁদের কাউকে সন্দেহ করি। তবে মনে রাখতে হবে, মেয়েটি স্যার ইউস্টেসের বাড়িতে খুন হয়েছিল।

    —ঠিক আছে, ও নিয়ে আলোচনা করতে চাই না। তোমার জন্য তাঁর ওপরে নজর রাখব। ওঁকে যদি উৎফুল্ল দেখায় সঙ্গে সঙ্গে আমি তোমাকে টেলিগ্রাম করে জানাব, স্যার ইউস্টেসকে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। এখুনি চলে এসো।

    —সত্যি সুজান, একটু উত্তেজিত হয়ে বললাম, সবই তুমি খেলা বলে ধরে নাও।

    আমি জানি অ্যানি। তুমিই দায়ী। তোমার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে আমি হাল্কা অভিযান মনে করেই তোমার কাজে আমি সায় দিয়েছিলাম, এর বেশি গুরুত্ব আমি দিতে চাইনি। জান অ্যানি, আমার স্বামী ক্লারেন্স যদি জানতে পারে, দক্ষিণ আফ্রিকায় এসে অপরাধীর সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছি, তাহলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে।

    —তাহলে তাঁকে টেলিগ্রাম করে অভিযানের কথা জানিয়ে দিলেই তো পার।

    সুজানের মুখের উচ্ছ্বাস মিলিয়ে গেল। কেন জানি না। ক্লারেন্সকে টেলিগ্রাম করার কথা উঠলেই সুজানের মুখটা যেন বিবর্ণ হয়ে যায়, যেন গম্ভীর হয়ে পড়ে সে। এবারেও তাই হল। সে বলল, না, দরকার নেই। তুমি জান না অ্যানি, সব স্বামীরাই তাদের স্ত্রীদের আমোদ-প্রমোদের ব্যাপারে নাক গলিয়ে থাকে।

    প্রসঙ্গটা চাপা দিতে বললাম, তাহলে তোমার কাজ হবে স্যার ইউস্টেস এবং কর্নেল রেসের ওপর নজর রাখা—

    —স্যার ইউস্টেসের ওপর সন্দেহ হতে পারে, কিন্তু কর্নেল রেস কী দোষ করলেন? আমার মনে হয় এ ব্যাপারে ওঁর সঙ্গে পরামর্শ করে দেখলে কেমন হয়। হয়তো আমাদের সাহায্যও করতে পারেন, কি বলো?

    —না, না, কক্ষনো তুমি ভুলেও করতে যেও না সুজান, সঙ্গে সঙ্গে আমি তাকে বাধা দিয়ে ভাবলাম, সুজান বিবাহিতা বলেই কি নিঃসংকোচে অপর এক পুরুষের কাছে নিজেকে সঁপে দিতে চাইছে বিদেশে এসে, আর এই মেয়েদের মাধ্যমেই দুনিয়ায় এক গুপ্তচরবৃত্তি খুন জখম- রাহাজানির কাজ নির্বিঘ্নে সমাধা হয়ে থাকে।

    এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে, এখানে থাকতে হবে প্যাগটের ওপর নজর রাখার জন্য, তবে ডাবানে যাওয়ার ভান করে একবার স্টেশনে যেতেই হবে। এসেই ছোটোখাটো একটা হোটেলে আশ্রয় নেব। সেই সঙ্গে চেহারা ও পোষাকের পরিবর্তন ঘটাতে হবে, যাতে সে চিনতে না পারে। ভাবছি মুখে ভেল চাপিয়ে নেব, পরিচিত কেউ মুখ দেখতে পাবে না, অথচ আমি অনায়াসে দেখতে পাব।

    আমার পরিকল্পনা সুজান সর্বান্তঃকরণে সমর্থন করল। নৈশভোজ সেরে আসছি, স্যার ইউস্টেস অনেকবার অনুরোধ করলেন, প্যাগটের গাড়িতে স্টেশনে যাওয়ার জন্য। কারণ সে নাকি ঐ দিকেই যাচ্ছে। তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে, বললাম, আমরা ইতিমধ্যে ট্যাক্সির ব্যবস্থা করে রেখেছি।

    স্যার ইউস্টেস দুঃখ করে বললেন, ঐ গাধাকে কেউ পছন্দ করে না। আমার জন্য এমন এক নতুন সেক্রেটারি এনেছে, বয়স চল্লিশের বেশি। মুখের ছিরি দেখলে তো আর তাকাতেই ইচ্ছে করে না। আর চোখ? যেন আগুনের ভাঁটার মতো জ্বলছে, তাকালেই হয়তো আমাকে ভস্ম করে দেবে।

    হাসতে হাসতে বললাম, তা আপনার হাত সে ধরেনি? তিনি বিষণ্ণ গলায় বললেন, আমার সেই ইচ্ছেটা মরে গেছে। তুমি যাচ্ছ, বিদায়, তবে রোডেসিয়ায় গিয়ে সিংহ শিকার করলে তার চামড়া আমি তোমাকে দিচ্ছি না। কারণ, তুমি আমাকে একবুক শূন্য মরুভূমিতে ফেলে রেখে গেলে। তোমার ঐ স্বপ্নালু চোখ অনেকদিন দেখতে পাব না বলে কিন্তু কম দুঃখ নয়।

    তিনি আবেগে আমার হাত দুটো তাঁর হাতের মুঠোর মধ্যে শক্ত করে ধরলেন। কোনোরকমে তাঁর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিচে হলঘরে সুজানের কাছে চলে এলাম।

    এসে সুজানকে বললাম, চলো, এখুনি রওনা হওয়া যাক। আর দেরি নয়।

    —ট্যাক্সি ডাকতে যাব। পেছনে থেকে ডাক শুনে ফিরে চমকে তাকালাম।

    মাফ করবেন মিস বেডিংফিল্ড, স্টেশনের দিকেই আমি যাচ্ছি। আপনাকে এবং মিসেস ব্লেয়ারকে স্টেশনে ছেড়ে দেব। আপনার মালপত্র পোর্টারকে বলুন আমার গাড়িতে তুলতে।

    —ধন্যবাদ, আপনাকে কষ্ট করতে হবে, না, আমি—

    —না, না। কোনো কষ্ট হবে না। আপনার মালপত্র তুলুন তো।

    অসহায়ভাবে সুজানের দিকে তাকাতেই, সুজান আমার গা টিপে ভরসা দিয়ে ইঙ্গিত করল, প্যাগটের গাড়িতে আরোহী হবার জন্য।

    —ধন্যবাদ মিঃ প্যাগট, বলে গাড়িতে উঠে বললাম।

    আমি বুঝতে পারছি, প্যাগট আমাকে সন্দেহ করছে। আমি সত্যিই ডার্বানে যাচ্ছি কিনা, শেষ পর্যন্ত আমি ট্রেনে উঠি কিনা নিজে দেখতে চায়। ট্রেন ছাড়া পর্যন্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে নড়ল না।

    ট্রেন ছাড়তে মাত্র তিন মিনিট বাকি আমরা ট্রেনের কামরায় উঠে বসেছি। নকল অভিনয়। কিন্তু ট্রেন ছেড়ে দিলে তখন আমি কী করব? অসহায় দৃষ্টিতে সুজানের দিকে তাকালাম। সে তখন কামরা থেকে নিচে নামতে উদ্যত কিন্তু বেশ চিন্তিত বলে মনে হল।

    অ্যানি, তোমার ট্রেন জার্নিটা খুবই কষ্টের হবে দেখছি। তারপর আজ আবার প্রচণ্ড গরম, তোমার তো আবার একটুতে মাথা ধরে, সঙ্গে তোমার ওডিকোলন বা ল্যাভেন্ডার আছে তো? নেই?

    না তো। হোটেলের ড্রেসিং টেবিলের ওপর ফেলে এসেছি। এখন উপায়?

    তা উপায় একটা বার করতেই হবে। সুজান প্যাগটকে অনুনয় করে বলে, মিঃ প্যাগট, যদি কিছু মনে না করেন তো। স্টেশনের সামনের সেই ওষুধের দোকান থেকে এক ফাইল ওডিকোলন এনে দেবেন?

    প্রথমে প্যাগট একটু ইতস্তত করেও সুজানের মতো সুন্দরী মেয়ের কথা ফেরাতে পারল না। ছুটল ওডিকোলন আনার জন্য।

    সে চোখের আড়াল হওয়ামাত্র প্ল্যাটফর্ম থেকে কামরার দিকে ঝুঁকে নিচু গলায় সুজান আমাকে ব্যস্ত হয়ে বলল, গাড়ি চলতে শুরু করা মাত্র প্ল্যাটফর্মের উল্টোদিকের কামরার দরজা খুলে নেমে পড়ো। প্যাগটের মতো গর্দভের ওপর নজর রাখার ভার আমি নিলাম, কেমন! বিদায়! বিদায়!

    —বিদায় বন্ধু, বিদায়!

    ।। একুশ।।

    পরবর্তী পরিকল্পনার রূপরেখা টানতে খুব একটা অসুবিধে হল না। একটা ছোট হোটেলে উঠেছি। অনেকদিন পর একটু আরাম করে পা ছড়িয়ে একা ঘুমিয়েছি। পরদিন সকালে মফঃস্বল টাউন দেখতে বেরিয়েছিলাম। পথে জুতোর লেস ছিঁড়ে যাওয়ায় একটা মুচির দোকানে জুতো পরেছি, হঠাৎ একটা লোক হুমড়ি খেয়ে আমার সামনে এসে পড়ল। তার মাথার টুপি ঈষৎ সামনে ঝোলানো। ভালো করে দেখতেই মনে হল লোকটা আমার পরিচিত। আগে কোথায় যেন দেখেছি। কিন্তু তখন এর বেশি কিছু ভাবিনি। ঘড়ির দিকে তাকালাম। এগারোটার রোডেসিয়াগামী ট্রেন ছেড়ে দিলে আমি নিশ্চিন্ত হই। সবাই ঐ ট্রেনে রোডেসিয়ায় যাচ্ছে। কেবল এখানে থাকছে প্যাগট, তাকে নিয়েই এখন যত চিন্তা-ভাবনা। একটু পরে কেপটাউনের দিকে ফিরে চললাম। ট্রামে উঠতে যাব, পিছনে পরিচিত পায়ের শব্দ শুনে ফিরে তাকাই। সঙ্গে সঙ্গে একটা পরিচিত মুখ ভেসে উঠলো, একটু আগে এই লোকটাই রাস্তায় আমার ঘারের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে যাচ্ছিল। আচ্ছা এই লোকটাই কি আগের দিন রাত্রে আমার পাশ দিয়ে ছুটে যাচ্ছিল? বেঁটে-খাটো লোক, লম্বা নাক

    আচ্ছা লোকটা কি আমাকে অনুসরণ করছে? পরীক্ষা করার জন্য পরের স্টপেজে নেমে একটা দোকানের সামনে দাঁড়ালাম। লোকটা সেই স্টপেজে না নেমে পরের স্টপেজে নেমে আমার দিকে এগিয়ে আসতে দেখেই বুঝলাম নিঃসন্দেহে সে আমাকে অনুসরণ করছে। গাই প্যাগটের কাছে আমার জয়টা একটা ভয়ঙ্কর রূপ নিতে যাচ্ছে।

    সামনে একটা ট্রাম পেতেই তাতে উঠে বসলাম। আমি নিশ্চিত আমার অনুসরণকারী আমার পেছন পেছন ট্রামে উঠেছিল। কিন্তু আমার চিন্তা দ্বিগুণ বেড়ে গেল। মনে হল মার্লোয় স্যার ইউস্টেসের বাড়িতে সেই মেয়েটির খুন হওয়া কোনো বিক্ষিপ্ত ঘটনা নয়। এর পিছনে বিরাট এক চক্র আছে। আমি সেই চক্রের সূত্র খুঁজে পেয়েছি। সুজানের কাছে কর্নেল রেসের রহস্যোদ্ঘাটনের জন্য তাকে মনে মনে ধন্যবাদ জানালাম। তারপর মুই জেনবার্গের সেই ভিলায় চিকেস্টারের কথাবার্তা শুনে আমার ধারণা হয়েছে, হীরে উদ্ধারের ব্যাপারটা কোনো একক ঘটনা নয়। এই চক্রের অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে আর এই চক্রের নায়ক ‘কর্নেল’। তার নির্দেশেই সবাই কাজ করছে। যেমন এই মুহূর্তে ঐ লোকটা আমাকে অনুসরণ করছে। আমার সামনে এখন ভীষণ বিপদ। তারা পথের কাঁটা ভেবে আমাকে সরাতে চায়। তারা ভাবছে, তাদের অনেক গোপন খবর আমি জেনে গেছি। তাই আমাকে সরানোর জন্য তারা এমন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, এখন যে আমাকে একদিন প্রাণে বাঁচিয়েছিল, সেই এই ব্যাপারে আলোকপাত করতে পারে, তার নাম হ্যারি রেবার্ন ‘বাদামী’ পোষাকের সেই লোকটি। এ ঘটনার অর্ধেক কাহিনী সে আমাকে বলেছে, বাকি অর্ধেক কাহিনী তার অবশ্যই জানা আছে। কিন্তু তাকে এখন পাই কোথায়? উধাও হয়ে গেছে সে।

    এখন আমার কি করা উচিত? এই আমি প্রথম ভয় পেলাম। আমার চার পাশে আমার শত্রুরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। বস্তুত, আমি এখন নজরবন্দিনী। এই অবস্থায় এক একা। পরক্ষণেই ভাবলাম, ভাবলাম কী? আমার চারপাশে যেমন শত্রুপক্ষ ছড়িয়ে আছে, তেমনি তো রাস্তায় দু’হাত অন্তর পুলিসও রয়েছে। মুই জেনবার্গের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে না। এখন আমি অনেক বেশি সতর্ক।

    ভাবতে ভাবতে এ্যাডেনি স্ট্রিট দিয়ে হেঁটে একটা রেস্তোরাঁয় ঢুকে আইসক্রীম-সোডার ফরমাস করলাম। তৃষ্ণায় গলা ফেটে যাচ্ছিল। একটু পরেই সেই নাক উঁচু লোকটা প্রবেশ পথের পাশে একটা টেবিল দখল করে বসল। আমি দ্বিতীয়বার আইসক্রীম সোডার ফরমাস দিলাম।

    হঠাৎ দেখি লোকটা হন্তদন্ত হয়ে রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে গেল। দরজা পথে মুখ বাড়িয়ে দেখলাম লোকটা অদূরে প্যাগটের সঙ্গে কী যেন বলছে। একটু পরেই সেই লোকটা রাস্তা পেরিয়ে একজন পুলিসম্যানের সঙ্গে কথা বলল। তাহলে? ওরা কি আমাকে পুলিস দিয়ে গ্রেপ্তার করতে চায়? ভয়ে বুক কেঁপে উঠল। তাড়াতাড়ি রেস্তোরাঁর বিল মিটিয়ে বাইরে বেরিয়ে এলাম। বিলের টাকা দিতে গিয়ে আমি চমকে উঠলাম। আমার ব্যাগে পুরুষদের একটা পার্স, পার্সের মধ্যে অনেকগুলো টাকা। কী আশ্চর্য, অন্য লোকের পার্স আমার ব্যাগে এল কি করে? তাহলে নিশ্চয়ই ঐ নাক উঁচু লোকটা ট্রাম থেকে নামবার সময় তার পার্সটা আমার ব্যাগে চালান করে থাকবে।

    লোকটা তখন পুলিসের সঙ্গে কথা বলছিল আমার দিকে আঙুল দেখিয়ে। আমি তাড়াতাড়ি একটা চলন্ত গাড়ি থামিয়ে উঠে বসলাম।

    স্টেশনে পা দিতেই লক্ষ্য করলাম, সেই লোকটা আমাকে অনুসরণ করতে গিয়ে রাস্তায় এক পুলিসম্যানের সঙ্গে কথা বলছে। আমি তখন পাগলের মতো ছুটছি। তখন ঠিক এগারোটা, সেইমাত্র ট্রেনটা রোডেসিয়ার উদ্দেশ্যে চলতে শুরু করেছে। ট্রেনটা আমাকে ধরতেই হবে। স্টেশনের পোর্টার আমাকে বাধা দিল, আমি তাকে একরকম ধাক্কা দিয়েই ট্রেনের কামরায় প্রবেশ করলাম। প্ল্যাটফর্মে প্যাগটকে দেখে হাত নেড়ে বললাম, বিদায় প্যাগট। সে আমাকে দেখে ভূত দেখার মতো চমকে উঠল।

    আমাকে দেখে কর্নেল বেশ বিস্মিত হয়ে, হ্যালো অ্যানি, ডার্বান থেকে কখন ফিরলে?

    সুজান তার পাশে চুপচাপ দাঁড়িয়েছিল।

    আমি বললাম, আমাকে এক্ষনি চীফের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তিনি কোথায়?

    তিনি তার অফিস ঘরে সেক্রেটারিকে নোট দিচ্ছেন। মাঝের কম্পার্টমেন্টে।

    স্যার ইউস্টেস অসময়ে আমাকে দেখে বিস্মিত ও খুশী হলেন।

    স্যার ইউস্টেস বললেন, ঈশ্বর আমার আত্মাকে আশীর্বাদ করুন। ডার্বানে সেই যুবকটির কি খবর?

    নরম গলায় বললাম, আমি আপনাকেই পছন্দ করি।

    —প্রিয়তমা, তুমি এখুনি আমার হাত ধরো। তারপর তিনি তার নতুন সেক্রেটারি মিস পেটিগ্রিউকে বললেন, পড়ো, কতদূর বললাম দেখি—

    —হ্যাঁ পড়ছি, মেয়েটি তার শর্টহ্যান্ডের চিহ্নগুলো দেখে বলতে শুরু করে, টাইলম্যান রুজ তাঁর ভাষণে—

    স্যার ইউস্টেস খিঁচিয়ে উঠলেন, কি ব্যাপার? পুরো নোট নাওনি তুমি?

    —আমার ধারণা, কর্নেল রেস কখন যেন কম্পার্টমেন্টে ঢুকে বলে ওঠেন, মিস পেটিগ্রিউ তার পেন্সিল ভেঙে ফেলেছে।

    বিস্ময়ভরা চোখে স্যার ইউস্টেস কর্নেল রেসের দিকে তাকালেন এবং আমিও কর্নেলের কণ্ঠস্বরে এমন কিছু ছিল যা আমি বুঝতে পারলাম না।

    ।। বাইশ।।

    (স্যার ইউস্টেস পেডলারের দিনলিপি থেকে

    বৃহস্পতিবারের রাত :

    সবেমাত্র আমরা কিমবার্লি ছেড়ে এসেছি। সারাটা পথ হীরে চুরির আনুপূর্বিক বর্ণনা দিয়েছেন কর্নেল রেস। মেয়েরা হীরের ব্যাপারে কেন যে এত আগ্রহী বুঝতে পারি না।

    তড়িঘড়ি করে মিস অ্যানির ট্রেনে ওঠাটা এখনো আমার কাছে একটা বিরাট রহস্য বলে মনে হয়। এই সময়ে ওর তো ডার্বানে থাকার কথা। এত তাড়াতাড়ি ফিরে আসে কি করে ও?

    ওর রহস্য আমি কিছুটা উদঘাটন করতে পেরেছি। মনে হয় কোনো সংবাদপত্রের বিশেষ সংবাদদাতা ও। আজ সকালে ‘দে আর’ থেকে একটা জুরুরি টেলিগ্রাম পাঠিয়েছে। মিসেস ব্লেয়ারের কেবিন থেকে সারারাত ধরে একটা বিশেষ রচনা পড়ার শব্দ শোনা যাচ্ছে। সব দেখে শুনে মনে হয় ‘বাদামী পোষাকের লোকটির’ সন্ধানে ও রয়েছে। আপতত কিলমাৰ্ডেন ক্যাসেলে তাকে সনাক্ত করতে না পারলেও এখন সে বাড়িতে টেলিগ্রাম পাঠাতে খুব ব্যস্ত হয়ে উঠেছে, ‘কিভাবে একজন খুনীর সঙ্গে ভ্রমণ করেছি’ এবং ‘যে আমাকে বলেছে’—সত্য-মিথ্যা মেশানো এইসব কাহিনী আর কি! প্যাগট যখন আমাকে জানাবে, আমিও তখন এসবের স্মৃতিচারণ করব। অবশ্যই তখন ন্যাসবির অভিজ্ঞ কর্মচারী এ ব্যাপারে বিস্তারিত বিবরণ দিতে পারবে এবং ‘ডেইলি বাজেট’ পত্রিকায় খবরটা বেরোলে রেবার্ন নিশ্চয়ই নিজেকে চিনতে পারবে না।

    মেয়েটি অত্যন্ত চতুর। তবে আমার বাড়িতে খুন হওয়া মেয়েটিকে চেনা মুশকিল। রুশী মেয়ে, নাম নাদিনা। অ্যানি বেডিংফিল্ডকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এ ব্যাপারে ও নিশ্চিত কিনা? ও বলেছিল সেটা কেবল একটা বিয়োগের ব্যাপার। আমার কাছে খবর আছে। ও ওর বাড়িতে ন্যাসবির কাছে টেলিগ্রাম করে সব জানিয়ে দিয়েছে। তার অনুমান সম্পূর্ণ সত্য, কিন্তু এক্ষেত্রে ওর শার্লক হোমসের কায়দা করাটা সম্পূর্ণ অবান্তর বলেই আমার ধারণা।

    আমি আবার বলছি, মেয়েটি মহা ধুরন্ধর, তা না হলে কায়দা করে আমার ব্যক্তিগত কম্পার্টমেন্টে উঠে বসতে পারে?

    কর্নেল রেস রেবার্নের ওপর পুলিসের সন্দেহের কথা বলছিল। সম্ভবত সোমবারের ট্রেনেই রোডেসিয়ায় সে চলে গিয়ে থাকবে। আফ্রিকা তার পরিচিত। মনে হয় সে কাফ্রি মেয়ের ছদ্মবেশ ধারণ করে থাকবে। ওদিকে একজন সুপুরুষ যুবককে পুলিস খোঁজ করে থাকবে,

    যার কপালে ক্ষত চিহ্ন আছে। পরনে ইউরোপীয় পোষাক। এইভাবেই অনায়াসে সে পুলিসের চোখে ফাঁকি দিতে পারবে।

    অ্যানি বেডিংফিল্ড তার খোঁজে আছে। তাকে খুঁজে বার করার কৃতিত্ব নিতে চায় ও ‘ডেইলি বাজেট’ পত্রিকার মাধ্যমে। আমি ওকে বলেছি, এ কাজ মেয়েদের নয়। হেসে ও বলেছে, পুরুষদের গোঁড়ামি ও ভেঙে দিতে চায়। রেবার্নকে ধরিয়ে দিয়ে ও ওর ভাগ্য ফেরাতে চায়। রেসের কিন্তু এসব পছন্দ নয়। রেবার্ন যদি এই ট্রেনেই থাকে। তাহলে আমরা যে যার বিছানায় খুন হতে যাচ্ছি। মিসেস ব্লেয়ারকে কথাটা বলতেই হেসে বলেছে, সেই মৃত্যুকে সে সর্বান্তঃকরণে হাসিমুখে আহ্বান জানাবে, আর সে নিজে খুন হলে অ্যানির পক্ষে এক অভূতপূর্ব চাঞ্চল্যকর সংবাদ পরিবেশন করতে সুবিধে হবে।

    আমরা আগামীকাল সকালে বেচয়ানাল্যান্ডের মধ্যে দিয়ে যাব। প্রতিটি স্টেশনে কাফ্রিছেলেরা কাঠের খেলনা বিক্রি করতে আসবে। মিসেস ব্লেয়ার এইসব খেলনার লোভ নিশ্চয়ই সামলাতে পারবে না।

    শুক্রবার সন্ধ্যা :

    শেষ পর্যন্ত আমার আশঙ্কা সত্য হল। দেখা গেল, মিসেস ব্লেয়ার এবং অ্যানি ঊনপঞ্চাশটা কাঠের খেলনা কিনেছে।

    (অ্যানির কাহিনী)

    ।। তেইশ।।

    আমি রোডেসিয়ায় যাওয়ার পথে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করলাম। এতদিন আফ্রিকা আমার স্বপ্নের দেশ ছিল। এখন আমি নিজের চোখে এই মনোরম দৃশ্য যতই দেখছি ততই বিস্মিত হচ্ছি। হেক্র নদীর উপত্যকা সব থেকে বেশি আমার মন জয় করেছে।

    স্যার ইউস্টেসের সঙ্গে ভ্রমণ করতে গিয়ে আমার একটা কথাই মনে হয়েছে, তাঁর দলের সঙ্গে ভ্রমণে আমার নিরাপত্তার দিকটা অনেক সুদৃঢ়। স্যার ইউস্টেসের পাশে পাশে থাকলে আমার বিপদের সম্ভাবনা নেই। তিনি এবং কর্নেল রেস আমার সদা সতর্ক প্রহরীর ভূমিকা নিয়েছেন। তাছাড়া এখানে থাকলে গাই প্যাগটকে খুব কাছ থেকে নজর দিতে পারব। মনে হয় এই প্যাগট লোকটাই সব রহস্যের মূল কারণ। সুজানের মনে কি আছে জানি না। মনে হয়, এই প্যাগট লোকটাই হয়তো তথাকথিত কর্নেল। সেক্রেটারি হিসেবে স্যার ইউস্টেসের মাধ্যমে সে রাতারাতি পাদপ্রদীপের আলোর সামনে এসে দাঁড়াতে চায়।

    যাই হোক, সুজানের মতামত ভিন্ন। তার ধারণা, সত্যিকারের ‘কর্নেল’ আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়ছে। হয়তো সে ইতিমধ্যেই আফ্রিকায় পৌঁছে গিয়ে থাকবে। সুজানের অনুমান আমি একেবারে উড়িয়ে দিতে চাই না। সেইসঙ্গে আমার ধারণাটাও অস্বীকার করা যায় না। বিশেষ করে প্যাগটের গতিবিধি কখনোই সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়।

    আমি সুজানকে বললাম, আমার জানতে ইচ্ছে হয়, স্যার ইউস্টেস কি করে এত টাকা করলেন?

    —আবার ওঁকে সন্দেহ করছ?

    আমি এখন এমন এক জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে সবাইকে সন্দেহ করতে হয়। ওকে ঠিক সন্দেহ করি না, কিন্তু উনি যে প্যাগটের নিয়োগ কর্তা সে কথা ভুলি কি করে? তাছাড়া উনি বিরাট মিল হাউসের মালিক।

    —স্যার ইউস্টেস কিভাবে এই অর্থ উপার্জন করেছেন। তার কৈফিয়ত দিতে তিনি চিন্তিত নন, তবে তার মানে এই নয় যে, তাঁর রোজগার কোন অসৎ পথ দিয়ে হয়েছে।

    —একথা আমি বিশ্বাস করি না।

    সুজান বলল, কিন্তু তিনি তো সবকিছুই ব্যাখ্যা করেছেন।

    — হ্যাঁ, কিন্তু সে সব আমার কাছে ঠিক বিশ্বাসযোগ্য নয়। যেমন সেদিন কিলমার্ডেন জাহাজ থেকে প্যাগট আমাকে ফেলে দিতে গিয়েছিল। এই ঘটনায় প্যাগটের সমর্থনে স্যার ইউস্টেসের ব্যাখ্যা হল—প্যাগট না কি রেবার্নকে অনুসরণ করছিল। রেবানই নাকি তাকে জাহাজ থেকে ফেলে দিতে চেয়েছিল। আমরা জেনেছি, এসব কথা সত্য নয়।

    —কিন্তু আমার ধারণা প্যাগটের মুখ থেকে শুনলে হয়তো অন্য কাহিনী শুনতে পেতাম। কারণ মুখে মুখে অনেক কথা ছড়ায়, প্রকৃত ঘটনা ঠিক জানা যায় না।

    —না, আমি তা মনে করি না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস। প্যাগট নিঃসন্দেহে অপরাধী।

    নিরালায় দুজনে পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করলাম। এখন সব রহস্যের সমাধান আমার হাতের মুঠোয়। আর ‘ডেইলি বাজেট’ পত্রিকায় তো আমরা প্রচার মাধ্যমে কাজ করতে পারি। তবে এখুনি এগোতে চাই না। সে যে ‘বাদামী পোষাকের সেই লোকটি’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে তার জন্য আমি দায়ী। আড়াল থেকে তাকে সাহায্য করলেও বাইরে থেকে আমি যে তার ঘোরতর বিরোধী এই ভাবটা ‘কর্নেল’ এবং তার লোকজন জানবে, রেবার্ন এবং আমার মধ্যে কোনো বন্ধুত্ব সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক নেই সেই মার্লোর নিহত মেয়েটির খুনীর সঙ্গে।

    নিহত মেয়েটির পরিচয় এখনও অজ্ঞাত। লর্ড ন্যাসবিকে টেলিগ্রাম করে জানিয়ে দেব, নিহত মেয়েটি রুশী নর্তকী নাদিনা। সেই মেয়েটি প্যারিসে নাচ দেখিয়ে প্রচুর সুনাম অর্জন করেছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডে দর্শনার্থীদের কাছে সে অপরিচিতা। নিহত মেয়েটির বিকৃত মুখের যে ছবি কাগজে প্রকাশিত হয়, তা দেখে তাকে সনাক্ত করা যায় না। তাছাড়া নাদিনা তার ইংলন্ডে যাওয়ার খবরটা গোপন রেখেছিল। খুন হওয়ার পরদিন তার ম্যানেজার তার কাছে থেকে একটা চিঠি পায়। তাতে লেখা, ব্যক্তিগত কারণে সে রাশিয়ায় ফিরে যাচ্ছে। সে যেন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার চুক্তি খেলাপের ব্যাপারে বোঝাপড়া করে।

    অনেক পরে আমি এসব খবর পেয়ে সুজানের সঙ্গে পরামর্শ করে ‘দে আর’ থেকে টেলিগ্রাম পাঠাই লর্ড ন্যাসবির কাছে। এই চাঞ্চল্যকর খবরের সংস্পর্শে আসে ‘ডেইলি বাজেট’। এই পত্রিকায় এই প্রথম এমন চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করে লেখে, মিল হাউসের খুনের শিকারকে আমাদের বিশেষ সংবাদদাতা চিনতে পেরেছে। আমাদের সংবাদদাতা খুনীর সঙ্গে একই জাহাজে ভ্রমণ করেছে। বাদামী পোষাকের সেই লোকটি, তার সত্যিকারের রূপ কী? কে সে?

    আসল ঘটনাটা দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদপত্রগুলোতে টেলিগ্রাম করে জানানো হয়। বুলাওয়েতে টেলিগ্রাম মারফত আমি আমার কাজের সম্মতি এবং নির্দেশ পাই। আমি এখন ‘ডেইলি বাজেটের’ একজন বিশেষ সংবাদদাতা। লর্ড ন্যাসবি আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন। আমাকে অবশ্য প্রকৃত খুনীর পিছনে অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে হবে। আমি, কেবল আমিই জানি যে, হ্যারি রেবার্ন খুনী নয়। পৃথিবী জানুক সে-ই খুনী—বর্তমান অবস্থায় সেটাই হবে সব থেকে ভালো ব্যবস্থা।

    ।। চব্বিশ।।

    আমরা শনিবার সকালে বুলাওয়ে পৌঁছলাম, জায়গাটা আমাকে নিরাশ করল। স্যার ইউস্টেসও বিরক্তবোধ করলেন। তারপর থেকে স্যার ইউস্টেস ক্ষ্যাপা কুকুরের মতো সবার ওপর রাগে ফেটে পড়লেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে মায় তার নতুন সেক্রেটারি মিস পেটিগ্রিউ-এর ওপরেও।

    আমরা সবাই ম্যাটা পোজ-এ যাব রোডেসের সমাধিক্ষেত্র দেখতে কিন্তু যাত্রার সময় স্যার ইউস্টেস বেঁকে বসলেন তিনি যাবেন না। অতএব তার সেক্রেটারিও জানাল, সে-ও যাচ্ছে না। কারণ স্যার ইউস্টেস কখন তাকে নোট দিতে ডাকে কে জানে। সুজান মাথা ধরেছে বলল। শেষ পর্যন্ত আমি এবং কর্নেল রেস রওনা হলাম।

    কর্নেল রেস অদ্ভুত লোক, লোকের ভিড়ে তাকে ঠিক চেনা যায় না, তাকে একা পেয়ে চিনতে পারলাম। এখন তার মুখে কোনো কথা নেই। লোকটাকে আমার আদৌ পছন্দ হয় না। ম্যাটাপোজের মতো নির্জন জায়গায় তার সান্নিধ্য আমাকে ভাবিয়ে তুলল, হঠাৎ কোনো বিপদ এলে কে আমাকে রক্ষা করবে। পথে একটা পাথরের টিলা পার হতে পারছিলাম না, সে আমাকে খেলার পুতুলের মতো তুলে হাল্কা চালে সেই টিলাটা পার করতেই আমি চমকে উঠলাম, কে এত শক্তির অধিকারী লোকটা? তার পরবর্তী প্রকাশ ভঙ্গিমার অপেক্ষায় থাকলাম।

    —হঠাৎ সে থমকে দাঁড়িয়ে আমাকে প্রশ্ন করল, মিস বেডিংফিল্ড, সত্যি করে বলুন তো এখানে আপনি ঠিক কী করতে এসেছেন?

    —কেন, আমি তো আগেই বলেছি, আমি জিপসী মেয়ে, পৃথিবী দেখতে এসেছি।

    —হ্যাঁ, সেটা যথেষ্ট সত্য বটে। খবরের কাগজের সংবাদদাতার ভূমিকাটা একটা মিথ্যে ওজর মাত্র। সাংবাদিকতা আপনার পেশা নয়। আপনার নিজের খেয়ালে, পৃথিবীতে জানতে এখানে এসেছেন, কিন্তু আমি বলব সেটাই সবকিছু নয়।

    দারুণ ভয় পেয়ে ভালো করে তার মুখের দিকে তাকালাম। তার মতো আমার চোখ কোনো কিছু গোপন রাখতে পারে না। তবে শত্রুর দেশে এসে যুদ্ধের মোকাবিলা করতে পারে।

    —আর কর্নেল রেস, আপনি এখানে কী করতে এসেছেন?

    প্রথমটা হকচকিয়ে গেলেও পরে সামলে নিয়ে সে বলল, আকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করার জন্য, কেবল তার জন্য।

    —কিন্তু ওরা যে বলে, আপনি সরকারের সঙ্গে যুক্ত, আপনি সিক্রেট সার্ভিসে আছেন, এ কথা কি সত্য?

    —মিস বেডিংফিল্ড, আমি এখানে এসেছি আমার ব্যক্তিগত আনন্দ উপভোগ করতে। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।

    তারপর ফেরার পথে চুপচাপ জানালা পথে আফ্রিকার আদিম যুগের মানুষের দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে থাকি, আর ভাবি কী আশ্চর্য। আজও এখানে সভ্যতার আলোকপাত ঘটেনি। হঠাৎ রেস আমার কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বলল, মিস বেডিংফিল্ড, আপনি কি কখনো কারোর প্রেমে হতাশ হয়েছেন?

    —না, ঠিক তা নয়, তবে আপনি সেরকম ভেবে নিতে পারেন।

    না, আমার তা মনে হয় না, আপনি কারো প্রেমে পড়েছেন?

    আমাকে নিরুত্তর দেখে একসময় সে আমার একটা হাত তার কোলের মধ্যে টেনে নিয়ে আবেগরুদ্ধ কণ্ঠে বলল, অ্যানি, আমি তোমাকে চাই। তুমি আমাকে বিয়ে করবে?

    আমি তার হাত ছাড়িয়ে একটু দূরে সরে বসলাম। তোতলাতে তোতলাতে বললাম। না, না, আমি পারব না। আমি আপনাকে ঠিক ওভাবে চিন্তা করতে পারি না। আমি

    আপনি কি অন্য কারোর অনুরক্ত—

    হ্যাঁ, আমি অন্য একজনকে ভালোবাসি। ক্ষমা করবেন।

    —তাই বুঝি? আর সেই ভালোবাসার সূত্রপাত কিলমার্ডেন জাহাজ থেকে। এই তো?

    —সেই রকমই ধরে নিতে পারেন।

    —তাই নাকি? কেমন যেন ব্যাঙ্গের সুরে বলল।

    —তার মানে আপনি কি বলতে চান?

    দুর্ভেদ্য চাহনিতে এমনভাবে তাকাল যেন সেই দৃষ্টি দিয়ে আমাকে গিলতে চাইছে।

    —ভাবছি। এখন আমার কী করা দরকার?

    দারুণ ভয় পেয়ে গেলাম। এক অজানা আশঙ্কায় আমার শরীরটা থর থর করে কেঁপে উঠল। বাকি পথ আর কোনো কথা হল না। হোটেলে ফিরে সুজানের কাছে এসে আমি আর চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না। আমার দু’চোখ বেয়ে অশ্রুর বন্যা নামল।

    —কী ব্যাপার, অ্যানি সোনামণি, তোমার চোখে জল কেন?

    —ও কিছু নয়, রোডেসের সমাধির কথা মনে হতে চোখের জল আর ধরে রাখতে পারলাম না। মনে হয় আমার জীবনেও সেইরকম অন্তিম সময় ঘনিয়ে আসছে।

    ছিঃ ছিঃ! ওরকম ছেলেমানুষী কোরো না। তার চেয়ে এসো, হীরেগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক। আমি তোমার বন্ধু, তাই সবাই আমাকেও সন্দেহের চোখ দেখছে। হীরেগুলো কোথায় রাখা যায় ভাবতে হবে।

    —নতুন করে ভাববার কোনো প্রয়োজন নেই। ফিল্ম রোলের মধ্যেই ওগুলো যথেষ্ট নিরাপদে আছে। প্রসঙ্গটা চাপা দিতে চাইলাম।

    আমার কেবলই মনে হচ্ছিল, আমার জীবনে একটা অশুভ কিছু ঘটতে যাচ্ছে, বেশি দেরি নেই। ঘুম আসছিল না।

    হঠাৎ দরজায় ‘নক্’ করার শব্দে চমকে উঠে দরজা খুলতেই দেখি, একজন কাফ্রি যুবক দাঁড়িয়ে, হাতে একটা চিরকুট। আমাকে উদ্দেশ্য করে লেখা কিন্তু সেই লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় নেই। সেটা নিয়ে দরজা বন্ধ করে নিজের বিছানায় ফিরে ছোট্ট চিঠিটা পড়তে শুরু করলাম :

    “তোমার সঙ্গে আমার দেখা হওয়া একান্ত প্রয়োজন। তোমার হোটেলে গিয়ে দেখা করার ভরসা পেলাম না। ১৭ নম্বর কেবিনের ঘটনার কথা স্মরণ করে এসো। হ্যারি রেবার্নকে মনে আছে তো? আমি সেই লোক….”

    তখন আমার দম বন্ধ হবার জোগাড়, তাহলেও এখানেই আছে? ও হ্যাঁ, সে তো অনেক আগে থেকেই জানতাম। তাহলে আমি ওর কাছাকাছি এসে গেছি। স্বৰ্গীয় এক আনন্দে আমার মনটা নেচে উঠল। হ্যাঁ, আমি যাব প্রিয়তম। রেবার্ন আমাকে সামনে তালগাছের বনে যেতে লিখেছে। জায়গাটা নির্জন তা হোক, আমি অবশ্যই যাব।

    নিঃশব্দে পাশের ঘরে উঁকি দিয়ে দেখলাম। সুজান গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। স্যার ইউস্টেস তখন তার অফিস ঘরে মিস পেটিগ্রিউকে নোট দিচ্ছেন। নিঃশব্দে সেখান থেকে রেসের ঘরে উঁকি দিয়ে দেখি ঘর ফাঁকা। লাউঞ্জেও তার দেখা পেলাম না। লোকটাকে আমার ভীষণ ভয় হয়। তবু দ্রুতপায়ে হোটেল থেকে বেরিয়ে চারিদিকে একবার তাকিয়ে দেখলাম, কেউ আমাকে অনুসরণ করছে কিনা।

    কিন্তু কয়েক পা এগোতেই মনে হল আমাকে কেউ অনুসরণ করছে। মনে হয় সে এখানেই আগে থেকে অপেক্ষা করছিল। তখনি কিলমার্ডেনে সেই ভয়ঙ্কর রাতের কথা আমার মনে পড়ে গেল। বিপদের গন্ধ পেয়েও আমি আমার গন্তব্যস্থলের দিকে এগিয়ে গেলাম।

    অন্ধকার অমাবস্যার রাত, কিছুই চোখে পড়ে না। মাঝে মাঝে পিছনে পায়ের শব্দ পেয়ে ফিরে তাকাই, অন্ধকারে কাউকে দেখতে পাই না। এক সময়ে খুব কাছাকাছি একটা অস্পষ্ট ছায়ামূর্তি দেখে শিউরে উঠলাম। লম্বাটে চেহারা ইউরোপীয় সে, আমি তখন লোকটার ওপর দৃষ্টি রেখে ছুটতে লাগলাম।

    হঠাৎ আমার পা দুটো আর যেন নড়তে চাইল না। আমার পিছনের লোকটা তখন শব্দ করে হেসে উঠল, বিকট সেই হাসির শব্দ। কানে তালা লেগে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। আর ঠিক তখনি আমার মাথার পিছনে প্রবল একটা আঘাত পেলাম। আর কিছু মনে নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }