Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤷

    গল্প এল কোথা থেকে

    ইঁদুর সব জাযগায় ঘুরে বেড়ায়। সর্দারের শক্ত বাড়ির আনাচে-কানাচে থেকে গরিব মানুষের রান্নাঘর, সব জায়গায় ইঁদুর ঘুরে বেড়ায়। রাতের অন্ধকার, চারিদিকে নিঝুম, শুধু দূরে শেয়ালের ডাক আর বাতাসের শনশন আওয়াজ। কেউ জেগে নেই। শুধু গোলগোল জ্বলজ্বলে চোখ নিয়ে ইঁদুর ঘুরে বেড়ায়। এমন কোন গোপন জায়গা নেই যেখানে ইঁদুর যায় না, এমন কোন দুর্গম দুর্ভেদ্য জায়গা নেই যেখানে তার নরম ছোট্ট শরীর নিয়ে ঘোরাফেরা করতে পারে না। সব গোপন খবর সে শোনে। অনেক লুকোনো জিনিস সে দেখে।

    এ তো সেই অনেক কাল আগের কথা। সেই পুরনো কালে ইঁদুর একটা গল্পের সন্তান তৈরি করল। বরং বলা ভালো, গল্পের সন্তান বুনল, যেমন করে তাঁতে পরনের কাপড় বোনা হয়। সে তো অনেক কিছু দেখেছে। তাই গল্পের সন্তান বুনে তুলতে তার বেশি কষ্ট হল না। এইসব দেখা-শোনা-জানা গল্পকে সে এক এক রকম পোশাক পরিয়ে দিল। তাদের পোশাকের বিচিত্র সব রং। কোনটার লাল, কোনটার নীল, আবার কোনটার কালো। এই গল্পগুলোই হল ইঁদুরের ছেলেমেয়ে। সবসময় তারা অন্ধকার ঘরেই থাকত, ইঁদুরের সব কাজকর্ম করত। ইঁদুরের নিজের তো কোন ছেলেপিলে ছিল না, তাই এই গল্প ছেলেমেয়েরাই তার নিজের হয়ে উঠল।

    সেই পুরনো কালে দূরের এক গায়ে থাকত এক ভেড়া আর এক চিতা। অনেক দিন পরে ভেড়ার হল একটা মেয়ে আর চিতার হল একটা ছেলে।

    এমন সময় সেই এলাকায় দেখা দিল প্রচণ্ড খরা। এক ফোটা বৃষ্টি নেই, জমিজিরেত পুড়ে খাক হয়ে গেল। দেখা দিল ভীষণ দুর্ভিক্ষ। কোথাও খাবার মতো কিছুই নেই।

    একদিন চিতা ভেড়ার কাছে গিয়ে বলল, বন্ধু, আর তো পারা যায় না! এসো, আমাদের ছেলেমেয়ে দুটোকে মেরে ফেলি, আমাদের খিদে মেটাই।

    ভেড়া মনে মনে ভাবল, এখন যদি চিতার কথায় সায় না দি, তাহলে হয়তো জোর করেই সে আমার মেয়েকে মেরে ফেলবে। আমিও কি বাদ যাব?

    একটু ভেবে ভেড়া বলল, বেশ তাই হবে।

    চিতা চলে যেতেই ভেড়া তাড়াতাড়ি তার বাড়িতে ঢুকল। খুব নির্জন গোপন জায়গায় তার মেয়েকে লুকিয়ে রাখল। তারপরে, তার ঘরে যা কিছু জিনিসপত্র ছিল, সব কিছু নিয়ে এক প্রতিবেশীর কাছে বিক্রি করে দিল। এসবের বিনিময়ে প্রতিবেশী তাকে কিছুটা শুকনো মাংস দিল। সেই শুকনো মাংস খুব ভালোভাবে রান্না করল।

    শেষকালে গেল চিতার গুহায়। দুজনে এক সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করল। এধারে চিতা তো তার ছেলেকে মেরে তার মাংস রান্না করেই রেখেছিল। তারা সব খেল।

    এক বছর পরে আবার ভেড়া আর চিতার একটা করে বাচ্চা হল। এবারেও তেমনি খরা, তেমনি দুর্ভিক্ষ। সবাই খিদের জ্বালায় ছটফট করছে। কোন পথ নেই বাঁচবার।

    একদিন চিতা এল ভেড়ার কাছে। বলল, বন্ধু, আর তো পারি না। এবারেও ছেলেগুলোকে মেরে খিদে মেটাই। ভেড়া ভয়ে রাজি হল।

    কিন্তু এবারও সে আগের বারের মতো পরের বাচ্চাটাকেও নির্জন গোপন জায়গায় লুকিয়ে রাখল। দুই বাচ্চা একসঙ্গে রইল। বাচ্চাকে তো বাঁচাল, কিন্তু এখন করে কি? ঘরে যে বিক্রি করার মতো আর কিছুই বাকি নেই। ভেড়া ভিক্ষে করতে বেরুল। ঘুরছে ঘুরছে—কিন্তু কে দেবে ভিক্ষে। মাথার ওপরে প্রখর তাপ, মাটি আগুন ছড়াচ্ছে, কাছে দূরে রোদ্দুর জ্বলছে। তবু ভেড়া বিশ্রাম নিচ্ছে না। শেষকালে একজন তাকে কিছু শুকনো মাংস ভিক্ষে দিল। দৌড়ে এসে রান্না করল সেই মাংস। আগের বারের মতো চলল চিতার গুহায়। দেহ আর চলে না, তবু যেতেই হবে।

    এমনি করে সুখে-দুঃখে কয়েক বছর কেটে গেল। একদিন চিতা এল ভেড়ার কাছে। তাকে দেখেই ভেড়ার মুখ শুকিয়ে গেল, পা-চারটে কাঁপতে লাগল। চিতা হাসিমুখে বলল, ‘বন্ধু, আমার গুহায় আজ তোমার নেমস্তন্ন। সাঁঝের বেলায় আসবে কিন্তু।

    ভেড়া গুহায় গেল। দেখল, কাঠের টেবিলের ওপরে বিরাট শুকনো লাউয়ের এক পাত্র। ঢাকনা খুলতেই চোখে পড়ল, পাত্র-ভরা সুগন্ধি খাবার। আর পাশে রয়েছে তিনটে চামচ।

    ধারালো দাঁত বের করে হাসতে হাসতে চিতা ভেতরের কপাট খুলে ফেলল। ডাকল, ছোট্ট মেয়ে আমার, বেরিয়ে এসো। এসো, একসঙ্গে খাই।

    চিতার মেয়ে বেরিয়ে এল। সবাই একসঙ্গে খেতে বসল। খেতে খেতে মা চিতা বলল, ‘সেবার তো ভীষণ দুর্ভিক্ষ। খিদের জ্বালায় আমার প্রথম বাচ্চাটাকে মেরে ফেললাম। কতই না কষ্ট! কতই না কষ্ট! কিন্তু একদিন জানতে পারলাম, তুমি তোমার মেয়েকে মেরে ফেলনি, বাঁচিয়ে রেখেছ, লুকিয়ে রেখেছ। আমিও ভাবলাম, পরের বারে আমিও চালাকি করব। তাই, আমার এই মেয়েকে বাঁচাতে পারলাম! আর ভুল করি নি। চিতা হাসতে লাগল।

    এমনি করে দিন যায়। সুখেই কাটে দিন। ভেড়ার মেয়েদুটো বেশ বড় হয়ে উঠেছে। বেশ মোটাসোটা তারা।

    একদিন চিতা এল ভেড়ার কাছে। চিতা বলল, আমার মেয়ে বড় একা একা থাকে, তোমার একটা মেয়েকে পাঠিয়ে দাও আমার গুহায়। দুজনে মিলেমিশে আমোদে থাকবে।

    ভেড়া রাজি হল। রাজি না হয়ে উপায় কি? চিতা যে সাংঘাতিক হিংস্ৰ! এখন হয়েছে কি, ভেড়ার দুটো মেয়েই ছিল মিশমিশে কালো, মায়ের মতোই তাদের গায়ের রঙ। ঘরের কাজকর্ম দেখাশোনার জন্য ভেড়ার কয়েকটা ছাগল ছিল। তারা ছিল ভেড়ার ক্রীতদাস। এই ছাগলগুলো ছিল ভেড়ার অনুগত। এই ছাগলগুলো ছিল একবারে ধবধবে সাদা। মেয়েকে চিতার গুহায় পাঠাবার আগে ভেড়া নিজের মেয়ের সারা গায়ে ভালো করে সাদা রং করে দিল। দেহের কোথাও এতটুকু কালো আর রইল না। আর ক্রীতদাস এক ছাগলকে কালো রঙ করে দিল। তার সারা দেহে আর কোথাও সাদা রং রইল না। তারপরে তাদের দুজনকে একসঙ্গে চিতার গুহায় পাঠিয়ে দিল।

    তিনজনে খেলাধূলা করতে লাগল। রাত হল। অন্ধকারে চুপিচুপি এল চিতা। থাবার এক আঘাতেই হত্যা করল ছাগলকে। সেই মাংস রান্না করে নিজের মেয়েকে খেতে দিল। চিতা ভাবল,—’খুব হয়েছে, ভেড়ার মেয়েকে কেমন করে মেরে ফেললাম। আমার সঙ্গে চালাকি।

    পরের দিন চিতা আবার গেল ভেড়ার বাড়ি। হাসি হাসি মুখে বলল, তোমার অন্য মেয়েটাকেও আমার সঙ্গে যেতে দাও। তাহলে আমাদের তিন মেয়েই বেশ আনন্দে থাকবে, খেলাধুলো করবে।

    ভেড়া রাজি হল। কিন্তু যাবার আগে সে মেয়েকে শিখিয়ে দিল গুহায় গিয়ে তাকে কি কি করতে হবে। খুব সাবধানে সব বলল।

    ভেড়ার সেই মেয়ে চিতার গুহায় পৌছল। তিনজনকে একসঙ্গে দেখে চিতা বাইরে কোথায় চলে গেল। চিতা চলে যাওয়ার পরে ভেড়ার দ্বিতীয় মেয়ে চিতার মেয়েকে সরবতের মতো মিষ্টি পানীয় খেতে দিল। বলল, আমার মা তোমাকে এই উপহার পাঠিয়েছে। সরবত ছিল খুব মিষ্টি, খেতে অপূর্ব। ঢকটক করে চিতার মেয়ে তা খেয়ে নিল। আসলে সেটা ছিল গাছের রস থেকে তৈরি একরকমের মিষ্টি পানীয়। এটা খেলে ভীষণ ঘুম পায়, চোখ ভারী হয়ে বন্ধ হয়ে আসে। কথা বলতে বলতেই চিতার মেয়ে ঘুমিয়ে কাদা হয়ে গেল। ভেড়ার মেয়েদুটো জেগে রইল।

    তারপর, যখন চিতার মেয়ে ঘুমে একেবারে কাতর তখন দুজনে তাকে ধরে তাদের জন্য তৈরি বিছানায় শুইয়ে দিল। আর চিতার জন্য যে বিছানা তাতে ঘাপটি মেরে পড়ে রইল।

    রাতের অন্ধকার। গুহার ভেতর আরও অন্ধকার। চোখে কিছুই ঠাহর করা যায় না। চিতা চুপিসারে গুহায় ঢুকল। ভুল করে সে তার মেয়েকে এক আঘাতে মেরে ফেলল। সে তো আর জানে না, ভেড়ার মেয়ের বিছানায় শুয়ে রয়েছে তারই মেয়ে। মনে মনে ভাবল, ভেড়া চালাকি করে তার মেয়ে দুটোকে বাঁচিয়েছিল, এবার দুটোকেই শেষ করতে পারলাম। আহ কি আনন্দ।

    পরের দিন কাকভোরে চিতা বনে গেল। কাঠকুটো নিয়ে আসতে। ভেড়ার মেয়ের মাংস বেশ জুত করে রান্না করতে হবে। যেই না চিতা বনের পথে এগিয়ে গেল, অমনি ভেড়ার দুই মেয়ে দৌড় দিল বনের অন্য পথে। একজন চলে গেল তার মায়ের বাড়ি, আর আরেকজন একটু ঘুরপথে চিতার পেছন পেছন গেল। চিতা তখন কাঠকুটাে কুড়োচ্ছে, দূর থেকে চিতাকে শুনিয়ে শুনিয়ে ভেড়ার মেয়ে চিৎকার করে বলল, ‘কেমন চিতা, বেশ হয়েছে। কাল রাতে তুমি আমাকে মারতে চেয়েছিলে। তার বদলে মেরেছ নিজের মেয়েকে। তারও আগে মারতে চেয়েছিলে আমার বোনকে, মেরেছ আমাদের ছাগলকে। কেমন মজা!

    যেই না এ কথা শোনা চিতা লাফ মেরে ভেড়ার মেয়ের পিছু ধাওয়া করল। ভেড়ার মেয়েও তৈরি ছিল, সেও দিল দৌড়। বনের এক জায়গায় এসে ভেড়ার মেয়ে দেখল অনেকগুলো সরু মেঠো পথ এদিক ওদিক চলে গিয়েছে। কয়েকবার ঘুরপাক খেয়ে একটা পথ বেয়ে ভেড়ার মেয়ে তিরিং বিরিং করে লাফিয়ে লাফিয়ে দূরে চলে গেল। সেখানে এসে চিতা ভাবল, কোনদিকে যাব। তারপরে ভুল পথে উলটাে দিকে দৌড় দিল চিতা। ভাবল, ঠিক পথেই চলেছি।

    অনেক দূর গিয়ে পথে ভেড়ার সঙ্গে দেখা হল এক বুড়ির। বুড়ির কোমরে ঝুলছে জুজু দেবতার মূর্তি। বুড়ি খুব ক্লান্ত, বহু দূর থেকে সে হেঁটে হেঁটে আসছে। দেহ সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে বুড়ি হাঁটছে।

    ভেড়ার মেয়ে মিষ্টি গলায় বলল, ‘বুড়ি মা, তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে। দাও, জুজুকে আমি বয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

    বুড়ি তক্ষুনি রাজি। শেষকালে তারা বুড়ির বাড়ি এল। বুড়ি এসেই উঠোনে বসে পড়ল। সে হাঁপাচ্ছে।

    ভেড়ার মেয়ে বলল, বুড়ি মা, তুমি বরং জিরিয়ে নাও, ততক্ষণে আমি ডোবা থেকে জল আর বাগান থেকে আগুন ধরাবার কাঠকুটো নিয়ে আসি।

    বুড়ি তো খুব খুশি। মাথা নেড়ে সায় দিয়ে বুড়ি ঘরে ঢুকে বিছানায় শুয়ে পড়ল। পরের দিন অনেক বেলায় ঘুম ভাঙল বুড়ির। সারা গায়ে তখন তার ব্যথা। ভেড়ার মেয়েকে বলল, বাছা, থানের ওপরে যে গাছ-গাছড়ার ওষুধ আছে, আমাকে একটু এনে দেবে?

    ভেড়ার মেয়ে বলল, ‘হায় কপাল, তুমি কি ভুলেই গেলে? ওই ওষুধ থেকেই তো কাল রাতে আমার জন্ম হল। আর ওষুধ থাকবে কি করে?

    বুড়ি গেল বেজায় রেগে। মুখ ঝামটা দিয়ে সে লাফিয়ে উঠল। তাড়া করল ভেড়ার মেয়েকে। বেগতিক দেখে ভেড়ার মেয়েও দৌড় দিল। এলো-মেলো ছুটে চলেছে ভেড়ার মেয়ে। তার ওপরে সে পথ চেনে না। ছুটতে ছুটতে একটা গাছের গুড়িতে এসে সে ধাক্কা খেল। ধাক্কা লেগে গাছের বাকল খসে গেল। আসলে সেটা ছিল সেই ইঁদুরের বাড়ি। বাকলটা ছিল দরজার মতো আটা। অনেক পুরনো হয়েছে দরজা। ভেড়ার মেয়ের ধাক্কা সে সহ্য করবে কেমন করে? আলো এসে ঢুকল সেই গাছের ফোকরে। গল্পের ছেলেমেয়ে বেরিয়ে এল। ছড়িয়ে পড়ল চারিদিকে।

    বাইরে সূর্যের অপরূপ আলো, বনভূমির সবুজ বিস্তার, মাঠের সবুজ ঘাস, গাছের পাতার শনশন। গল্পের ছেলেমেয়ে আলোয় এল, তারা আর কখনও ইঁদুরের গাছের ফোকরে ফিরে গেল না।

    সেদিন থেকে সব গল্প, সব ইতিহাস দিক থেকে দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ল। যা ছিল ইঁদুরের একান্ত, তা সবার মাঝে ছড়িয়ে গেল। সেইসব গল্প আর ইতিহাস সেদিন থেকে দুনিয়ার এক দিক থেকে অন্যদিকে মুখে মুখে সবার জানা হয়ে গেল।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    Related Articles

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }