Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আজও শুয়োর মাটি খোঁড়ে

    সে অনেককাল আগের কথা। এক বনে দুই বন্ধু ছিল। তাদের একজন শুয়োর আর অন্যজন ছিল কচ্ছপ। দুজনের খুব মনের মিল। কেউ কারও কাছে কোন কথা লুকিয়ে রাখতে পারে না। সব কথাই দুজনে দুজনের কাছে মন খুলে বলত।

    এমনি করে দিন যায়। একদিন কচ্ছপ মন ভারি করে শুয়োরের কাছে গেল। তার মুখখানা শুখনো দেখে শুয়োর কেমন মুষড়ে গেল। আমতা আমতা করে সে জিজ্ঞেস করল, কি ব্যাপার ভাই কচ্ছপ? তোমার শরীর-মন ভালো নেই বুঝি?

    কচ্ছপ দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে আধবোজা চোখে বলল, আমি একেবারে ভেঙে পড়েছি ভাই। ছেলে-বউকে খাওয়ানোর মতো সামান্য পয়সাও হাতে নেই। কি যে করি?

    ‘এই ব্যাপার? বলেই শুয়োর ঠোঁটের ফাঁকে একটু হেসে নিয়ে আবার বলল, কিছু ভেবো না। কয়েকদিন আগে আমি কিছু টাকা পেয়েছি। এখন খরচ করার মতো কিছু নেই। তাই তুমি সেটা নিয়ে নাও ভাই, তোমার উপকার হবে।

    কচ্ছপ কিন্তু আরও দীর্ঘনিশ্বাঃস ছেড়ে দুঃখের সঙ্গে বলল, তোমার হয়ত ওই টাকাটার দরকার নেই এখন। কিন্তু কালই হতে পারে।

    কি যে তুমি বল ভাই। বিপদের সময় বন্ধুকে যদি সাহায্য করতে না পারলাম, তবে আর বন্ধুত্ব কিসের? তুমি আমার বিপদেও এইভাবেই সাহায্য করবে। কি, করবে না? শুয়োর বলল।

    এ অবশ্য তুমি ঠিকই বলেছ বন্ধু। কচ্ছপ মাথা ঝাঁকাল।

    `আমি আর তোমায় দেরি করে দেব না,’বলেই শুয়ের তার শোবার ঘরে চলে গেল। ঘরের কোণায় এক গোপন গর্ত থেকে সে কিছু টাকা বের করে গুনল। অর্ধেকটা নিয়ে বাকি অর্ধেকটা গর্তে রেখে গর্তের মুখ বন্ধ করে ফিরে এল কচ্ছপের কাছে।

    এই নাও ভাই কচ্ছপ। টাকাগুলো সে তুলে দিল কচ্ছপের হাতে। কয়েক ফোঁটা চোখের জল ফেলে কচ্ছপ বলল, তোমায় ধন্যবাদ! তুমি যে আমার কি উপকার করলে।

    ভুলে যাও ওসব কথা। আমি তোমায় সাহায্য করতে পেরেই আনন্দিত।

    এ টাকা আমি তোমায় পনেরো দিনের মধ্যেই ফেরত দেব। আর যদি খুব দেরি হয় তবে একুশ দিন। তুমি কিন্তু কিছু মনে করো না ভাই।

    তাড়াতাড়ির কোন দরকার নেই। যখন তোমার সুবিধে হবে তখন দিও। তোমায় আমি বিশ্বাস করি, তুমি যে আমার বন্ধু।

    শুয়োরভাই, তোমার নজর খুব উঁচু। তুমি বড়ই দয়ালু। তোমার মতন এত ভালো মন আমি আর কোথাও দেখিনি। ধরা গলায় একথা বলে কচ্ছপ বিদায় নিল।

    এদিকে টাকা নিয়ে যাওয়ার পর কচ্ছপের আর দেখা নেই। সে এ পথে আর হাঁটেই না। একমাস যায়, দুমাস যায়। কিন্তু কচ্ছপের কাছ থেকে কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায় না। সে এখন শুয়োরকে পারতপক্ষে এড়িয়ে চলতে চায়।

    একদিন একটা কাজে শুয়োর গিয়েছে দূরে। ফিরতে বেশ দেরি হয়ে গেল। ক্লান্ত পায়ে সে যখন বাড়িতে ঢুকছে, তখন বউ তাকে দেখে প্রায় কেঁদেই ফেলল। তাকে দেখে শুয়োরের যেন কেমন মনে হল।

    হস্তদন্ত হয়ে সে জিজ্ঞেস করল, কি হয়েছে?

    ‘ওগো আমাদের সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে। এবার সে ঝরঝর করে কেঁদেই ফেলল। কোন কথা না বলে শুয়োরের বউ সোজা তাকে ঘরের কোণে সেই গর্তের কাছে নিয়ে গেল যেখানে শুয়োর টাকাগুলো রেখেছিল।

    আমাদের টাকাগুলো সব চুরি হয়ে গিয়েছে। ফোঁপাতে ফোঁপাতে সে বলল।

    ‘চুরি গেছে। অবাক হয়ে গেল শুয়োর। আর কোন কথা বেরুল না তার মুখ থেকে। কেননা, সে ভেবেছিল সে ছাড়া আর কেউ ও গর্তের খবর জানে না।

    আমাদের সব টাকা চুরি হয়ে গেল।’

    ‘আমাদের টাকা মানে।’

    ‘হ্যাঁ, গো, আমাদের দুজনের টাকা। আমি মাঝে মাঝেই এর মধ্যে সামান্য করে টাকা রাখতাম। তোমার আসার আগে আমি গুনতে গেলাম কেমন জমছে আমাদের টাকা। গিয়ে দেখি অর্ধেকটা চুরি হয়ে গিয়েছে। তুমি নিশ্চয়ই চোরকে ধরতে পারবে।

    ‘ও, অর্ধেকটা, তাই বল! আমার তো হয়ে এসেছিল তোমার কথা শুনে। ওটা চুরি হয়নি বউ ; শুয়োর নিঃশ্বাস ফেলে বলল।

    ‘তাহলে, টাকাগুলো কি হল? শুয়োরের বউ চিৎকার করে উঠল।

    রেগে গিয়ে শুয়োর বলল, শোন, টাকা আমার, আর তাই আমার যা ইচ্ছে তাই করব। তোমার নাক গলাতে হবে না।

    আমার টাকার অংশও তুমি নিয়েছ। তাই আমার জানার অধিকার আছে। কাকে তুমি টাকা দিয়েছ?

    ‘আমি কাউকেই টাকা দিই নি। শুধু এক বন্ধুকে তার বিপদে সাহায্য করেছি। সে খুব সৎ লোক, শিগগিরই টাকা ফেরৎ দেবে। শুয়োর বেশ জোরের সঙ্গে বলে উঠল।

    তুমি ও টাকা আর ফেরৎ পাবে না। ঝাঁঝের সঙ্গে বলল বউ।

    ‘আমি টাকা ফেরৎ পাবই। বন্ধু কচ্ছপ কখনও আমাকে ফাঁকি দেবে না।

    ‘হুঃ, তোমার হাতে যখন ফেরৎ-দেওয়া টাকা আমি দেখব, তখনই শুধু বিশ্বাস করব। তার আগে নয়।

    বেশ। শিগগির তুমি তা দেখতে পাবে। সেই শিগগির-ই তোমার কবে হবে শুনি? শুয়োরের চোখের দিকে সোজা তাকিয়ে বউ জিজ্ঞেস করল।

    ‘এরই মধ্যে একদিন।’

    ‘ও একটা কথা।’ হঠাৎ কিছু মনে পড়েছে এইভাবে শুয়োরের বউ বলল, আচ্ছা, তুমি কতদিন আগে তোমার বন্ধুকে টাকা ধার দিয়েছ বলতো।

    মানে, এই– তো কযেকদিন আগে। শুয়োর সত্যি কথাটা ভয়ে বলতে পারল না।

    কিন্তু অত সহজে ভুলবার পাত্রী শুয়োরের বউ নয়। সে বলে বসল, ‘তোমার বন্ধু কচ্ছপকে তো আমি দুমাস আগে একবার এধারে দেখেছিলাম। তারপরে আর তো সে এমুখো হয়নি।

    ‘বাইরে তার সঙ্গে আমার প্রায়ই দেখা হয়। তার এখন সময়টা খুব ভালো যাচ্ছে না। নইলে – থেমে গেল শুয়োর তার বউয়ের চোখের দিকে তাকিয়ে।

    ‘তাই বুঝি? বউ চোখ ঘুরিয়ে বলল।

    শুয়োর গেল ক্ষেপে, আচ্ছা মুশকিল, ব্যাপারখানা কি বলতো?

    ‘আমি কালকে বাজারে গিয়ে কচ্ছপের বউকে দেখতে পেয়েছি। সে জলের মতো টাকা খরচ করছে। এটা কিনছে, ওটা কিনছে, সেটা কিনছে?

    এবার সত্যি সত্যি শুয়োরের অবাক হওয়ার পালা।

    ‘তাই বুঝি? কচ্ছপ তাহলে টাকা পেয়েছে। সে যদি টাকা পেয়ে থাকে, নিশ্চয়ই আমাকে টাকা দিয়ে যাবে। তার কাছে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। সেই ঠিকসময়ে আমার কাছে আসবে টাকা ফেরৎ দিতে।

    কিন্তু অবাক হল শুয়োর। সেইদিন কিংবা তার পরের দিনও কচ্ছপ এল না। তৃতীয় দিনে শুয়োর বেশ ঘাবড়ে গেল। সে ঠিক করল আজই সে কচ্ছপের সঙ্গে দেখা করবে। এই ভেবে সে রওনা দিল কচ্ছপের বাড়িমুখো।

    এদিকে দূর থেকেই গাছের ফাঁক দিয়ে কচ্ছপ দেখতে পেল, দ্রুতপায়ে শুয়োর আসছে তারই বাড়ির দিকে। সবই বুঝল সে। বউকে ডেকে তাই বলল, শুয়োরবেটা এই ধারেই আসছে। আমি ওর সঙ্গে মোটেই দেখা করতে চাই না।

    ‘ওটা তুমি আমার ওপরেই ছেড়ে দাও। দেখ না, কি করি।’ কচ্ছপের বউ বলে উঠল।

    অল্পক্ষণের মধ্যেই কচ্ছপের বউ ফিরিয়ে দিল শুয়োরকে। শুয়োর বাড়ি ফিরে এসে তার বউকে কোন কথাই বলল না।

    দুদিন পরে আবার এল শুয়োর। এবারও সে শুনল কচ্ছপ বাড়িতে নেই, বাইরে গিয়েছে জরুরি কাজে। তার কেমন সন্দেহ হল, কচ্ছপের বউ বোধহয় সত্যি কথা বলছে না।

    আচ্ছা, কখন এলে কচ্ছপের দেখা মিলবে? মনের সন্দেহ চেপে রেখে শুয়োর জিজ্ঞেস করল।

    ‘সেটা বলা খুবই মুশকিল। সে ইচ্ছেমতো যাওয়া-আসা করে আজকাল।

    ‘আপনি কি তাকে বলেছিলেন যে, আমি সেদিন তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম?

    ‘হ্যা, তাকে আমি বলেছিলাম আপনার আসবার কথা। আপনার সঙ্গে দেখা না হওয়াতে তিনি খুব দুঃখ করলেন। আপনি যদি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন, তবে তার দেখা পেতে পারেন। এরই মধ্যে তিনি এসে পড়বেন মনে হচ্ছে,’ কচ্ছপের বউ গাছের ফাঁক দিয়ে দূরে চেয়ে চেয়ে দেখতে লাগল যেন এখনি কচ্ছপ এসে পড়বে।

    এটাও কিন্তু তার মিথ্যে কথা। আশায় ভর করে শুয়োর জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, আমি কখন তাকে পেতে পারি?

    ‘আমি ঠিক বলতে পারি না। তিনি আজকাল যখন-তখন আসেন আর বাইরে বেরিয়ে যান যে সঠিক করে কিছু বলা কঠিন।

    শুয়োর সেখান থেকে ধীরে ধীরে চলে এল। পথে হাঁটতে হাঁটতে সে ভাবতে লাগল, কচ্ছপ ঠিক যেন বন্ধুর মতো ব্যবহার করছে না। সে বাড়িতে গিয়ে এবার বউকে বলল, দেখ, আমার কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে, আমার টাকাটা হয়তো আমি আর ফেরৎ পাব না।

    ‘কিন্তু ওটা যে আমাদের টাকা?

    ‘কচ্ছপের এই ব্যবহার আমি ভাবতেই পারিনি। সে আমার এত বন্ধু।’

    ‘যে আদৌ বন্ধু নয়, তাকে যদি হারাতে চাও তাহলে সমান্য টাকা ধার দিলেই যথেষ্ট। সে আর তোমার ঘরমুখো হবে না।’

    তুমি ঠিকই বলেছ বউ। তোমার কথাই ফলল। তুমি প্রথমেই আমাকে একথা বলেছিলে। আমি তখন বিশ্বাস করিনি। কিন্তু আমি টাকা ফেরৎ আনবই, নইলে আমার নাম শুয়োর-ই না।

    ‘আমি তোমার কথা শুনে খুবই খুশি হলাম। তুমি যত তাড়াতাড়ি একাজ করবে, ততই মঙ্গল। শুয়োরের বউ ঘরের কাজে মন দিল।

    সেদিন ভাগ্য ভালো। হঠাৎ দেখা হয়ে গেল কচ্ছপের সঙ্গে।

    ‘তুমি কেমন আছ ভাই কচ্ছপ?’ শুয়োর মনের রাগ চেপে রেখে বাইরে হাসিমুখে জিজ্ঞেস করল।

    ‘খুব ভালো ভাই, খুব ভালো। কিন্তু আজকাল বড্ড ব্যস্ত আমি। বাড়িতে একেবারে থাকতে পারি না ভাই। বউ বলেছিল, তুমি কয়েকবার গিয়েছ আমার সঙ্গে দেখা করতে।

    ‘কয়েকবার নয়, মাত্র দুবার। শুয়োর উত্তর দিল।

    কচ্ছপ বলল, আমি তোমার সঙ্গে দেখা করতে যাব ভেবেছিলাম। কিন্তু এত ভীষণ ব্যস্ত ছিলাম যে আর যেতেই পারি নি। হ্যাঁ, একটা কথা। সেই সামান্য ব্যাপারটা আমি একেবারেই ভুলে গিয়েছিলাম।

    শুয়োর মাথা নাড়ল, হাসল। তারপর বলল, আমি বড় ঝামেলায় পড়েছি। আমার বউও ব্যাপারটা জেনে ফেলেছে। আর তুমি তো জানই মেয়েরা কি ধরনের হয়।

    যাকগে ঘাবড়িয়ো না ভাই। আমি সব ব্যবস্থা করছি। আচ্ছা, তুমি কাল সন্ধের সময় আসতে পারবে? কোন অসুবিধা হবে না তো?

    ‘না না অসুবিধার কি আছে? আমি নিশ্চয়ই আসব।’

    ‘খুব ভালো হল। আমি সব ব্যবস্থা করে রাখব।’ মিষ্টি সুরে কচ্ছপ বলে ওঠে।

    শুয়োর আনন্দে অন্য সবকিছু ভুলে গেল। বাড়ি গিয়ে সে বউকে সব জানাল।

    ‘আমি যদি তুমি হতাম, তাহলে আরও আগে তার কাছে যেতাম টাকা আদায় করতে। সমস্ত কিছু শুনে শুয়োরের বউ উত্তর দিল।

    যাইহোক, সন্ধে লাগার আগেই শুয়োর বাড়ি থেকে রওনা দিল। তাকে আসতে দেখে কচ্ছপের বউ দৌড়ে গিয়ে স্বামীকে খবর দিল। অল্পক্ষণের জন্য কচ্ছপ কি যেন ভাবল, ঘরের চারিদিকে চেয়ে দেখল, তারপর তাদের শোবার ঘরের মধ্যে যে ঝুড়িটা ছিল তার দিকে আঙুল দেখিয়ে সে বলল, আমি ওর মধ্যে লুকোচ্ছি।

    ‘কেন?’

    ‘এখন খুলে বলার সময় নেই। শুধু সে চলে যাওয়া পর্যন্ত তুমি তার সঙ্গে কথা বলতে থাকো। কিন্তু কখনও যেন সে বুঝতে না পারে, তুমি তাকে তাড়াতে চাইছ। মনে থাকবে তো?’

    ‘আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করব। খুব খুশি না হয়েই বউ জবাব দিল।’

    ‘তোমাকে করতেই হবে।’ এই আদেশ দিয়ে কচ্ছপ ঝুড়ির মধ্যে ঢুকে বলল, ‘আমাকে ঠিক করে কাপড়-চোপড় দিয়ে ঢেকে দাও।

    কচ্ছপের বউ তাকে এমনভাবে ঢেকে দিল যাতে সে নিঃশ্বাসটুকু শুধু নিতে পারে। একটু পরেই শুয়োরের দরজা নাড়ার আওয়াজ পাওয়া গেল।

    আদর করে বউ তাকে ঘরে ডেকে আনল। ‘আপনি ভালো আছেন তো?’ সে শুয়োরকে জিজ্ঞেস করল।

    ‘ভালোই। কচ্ছপ বাড়ি আছে তো?’ শুয়োর জিজ্ঞেস করল। কিছু মনে করবেন না, আমি একটু আগেই চলে এসেছি।

    ‘আপনি কি কিছুক্ষণ বসবেন না?’ খুব বিনীতভাবে জিজ্ঞেস করল কচ্ছপের বউ।

    ‘হ্যা, বসব।’

    তারা দুজন এবার বসল। শুয়োর চেষ্টা করতে লাগল যাতে কচ্ছপের বউ কথাবার্তা বলে, কিন্তু কচ্ছপের বউ কোন কথাই বলছে না। আরও কিছুক্ষণ পরে শুয়োর অস্থির হয়ে পড়ল।

    ‘কালকে আপনার স্বামীর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সে আমাকে আজ সন্ধেবেলা আসতে বলেছিল।’

    আমাকে সে এসব কোন কথাই বলে নি। পরিষ্কারভাবে বৃঢ় গলায় কচ্ছপের বউ একথা জানাল।

    এই ধরনের উত্তর কিন্তু শুয়োরের মোটেই ভালো লাগল না।

    ‘ওঃ! শুয়োর বলে উঠল, ‘কচ্ছপ কি এই গায়ের বাইরে কোন কাজে গিয়েছে?’

    ‘তা আমি কি করে জানব?

    ‘শ্রীমতী কচ্ছপ আপনি ঠিক কথা বলছেন না। আমার তাই মনে হচ্ছে।

    ‘আমি। আঁৎকে উঠল কচ্ছপ-গৃহিণী।’

    ‘আপনার স্বামী কি ভেতরেই আছেন?’ শুয়োরের জিজ্ঞাসায় কচ্ছপের বউ মুখে কেমন শব্দ করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল।

    ‘আপনি আমাকে কোন কথা বলবেন না জানি, তাহলে, আমিই নিজে দেখি কোথায় কচ্ছপ। রেগে ঘোঁৎ ঘোৎ করে উঠল শুয়োর।

    সে উঠে শোবার ঘরের দিকে যাওয়ার জন্য এগিয়ে গেল। কিন্তু দরজার কাছে তার পথ আটকে দাঁড়াল শ্রীমতী কচ্ছপ।

    ‘আপনি ভেতরে যেতে পারবেন না।’

    ‘সে কোথাও লুকিয়ে নেই। সে বাইরে গিয়েছে কাজে।

    ‘আপনি কি আমায় কচি ছেলে পেয়েছেন যে, যা বলবেন তাই বিশ্বাস করব? যদি আপনি সত্যি কথাই বলছেন তাহলে আমাকে ভেতরে যেতে দিতে আপনার এত আপত্তি কেন?

    ‘আমাকে না মেরে আপনি ঘরে যেতে পারবেন না। তীক্ষস্বরে কচ্ছপের বউ জানাল’।

    শুয়োরের তখন ধৈর্যের সীমা পার হয়ে গিয়েছে। রাগে কাপতে কাঁপতে সে বলল, ‘আমি এক-দুই-তিন গুনব, এর মধ্যে আপনি যদি পথ থেকে সরে না যান তবে যা ঘটবে তার জন্য আপনাকেই পস্তাতে হবে।

    ঠিক আছে, আপনার যা ইচ্ছে আপনি করতে পারেন। শান্তভাবে জবাব দিল কচ্ছপের বউ।

    ‘এক-দুই-তিন। আপনি আমার পথ ছাড়বেন?’

    কচ্ছপের বউ সেইভাবেই দাড়িয়ে রইল, শুয়োর ছুটে এসে মারল প্রচণ্ড এক গুতো। কিন্তু ঠিক সময়ে হঠাৎ ফট করে সরে গেল কচ্ছপের বউ আর সোজা ঘরের মধ্যে ঢুকে গেল শুয়োর। হাওয়ার বেগে। ঢুকেই সে গুতো খেল সেই ঝুড়িটার সঙ্গে। রাগে সে ঝুড়িটাকে তুলে ঘরের বাইরে এনে টেনে ফেলে দিল দূরে। তারপর আবার ঢুকল শোবার ঘরে। সে পই পই করে সবদিক খুঁজল, কিন্তু কাউকে দেখতে পেল না।

    যখন সে বাইরে বেরিয়ে এল, তখন যা-নয়-তাই বলে কচ্ছপের বউ তাকে বকতে লাগল। সেও ক্ষেপে ছিল, গলা চড়িয়ে সেও দিল গালাগালি। দুজনের মধ্যে রীতিমত ঝগড়া বেধে গেল।

    এদিকে দুজনের মধ্যে যখন প্রচণ্ড বচসা হচ্ছে, তখন কচ্ছপ ঝুড়ি থেকে গুটি গুটি বের হয়ে বাড়ির দিকে এল।

    এখানে সব হচ্ছেটা কি? গোলমালকে ছাড়িয়ে সে চিৎকার করে উঠল। হঠাৎ তাদের ঝগড়া গেল থেমে। তারপর কচ্ছপের বউ সব ঘটনা কচ্ছপকে খুলে বলল। আর সমস্ত দোষ চাপাল নিরীহ শুয়োরের ওপর।

    ‘তোমার কিছু বলার আছে শুয়োর?’ কচ্ছপ জিজ্ঞেস করল।

    ‘আমি খুব দুঃখিত, আমি আমার ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছিলাম। খুব বিনীতভাবে শুয়োর জানাল ‘

    আশ্চর্য! আমি ভাবতে পারিনি বন্ধু, তুমি এই ব্যবহার করবে। আমি ভাবতাম তুমি আমার প্রাণের বন্ধু। বাঃ! ওঃ ভাই, আজকে আমি জীবনের সবচেয়ে বড় আঘাতটি পেলাম। দুঃখের ভান করল কচ্ছপ।

    ‘আমায় ভাই তুমি ক্ষমা করো। উপহাস করে রেগে কচ্ছপের বউ বলল, ‘জানেন, আপনি আমার ঝুড়ি ভেঙে ফেলেছেন?’ তারপর স্বামীর দিকে চেয়ে বলল, সেই যে আমার শিল-পাটা, তুমি তো জান, তাতে আমি পেয়াজ টমাটো আর লঙ্কা বাটতাম। ভেঙে ফেলেছে। তোমার বন্ধু শুয়োর ঝুড়ির সঙ্গে ওটাও বাইরে ফেলে দিয়েছে।

    ‘তাই নাকি শুয়োর ভাই?’

    ‘আমি একই সঙ্গে বোধহয় ও দুটোকে ফেলে দিয়েছি। এই বলে শুয়োর বাইরে গিয়ে ঝুড়িটা নিয়ে এল কিন্তু শিল-পাটা কোথাও দেখতে পেল না।

    ‘আমার বউ-এর শিল-পাটা কোথায়? ওটা তো আমি দেখতে পেলাম না। আচ্ছা, আমি আবার খুঁজে আসছি। এবারও খালি হাতে ফিরে এল শুয়োর। যতক্ষণ না তুমি ওই শিল-পাটা খুঁজে পাচ্ছ, ততক্ষণ তোমার টাকা কিছুতেই শোধ করব না আমি, তা বলে রাখছি কিন্তু। এতক্ষণে কচ্ছপ তার রূপ প্রকাশ করল।

    ‘বেশ আমি ওটা খুঁজছি। দেখো শুয়োর, আমার সঙ্গে চালাকি করতে এসো না। আমি আমার বউ-এর সেই শিল-পাটা চাই, অন্য কোনটা আনলে চলবে না। এ আমি তোমায় স্পষ্টই বলে দিচ্ছি।’

    ওপরে-নীচে আশে-পাশে সব জায়গায় বন্ধু শুয়োর সেই হারিয়ে-যাওয়া শিলপাটাটি খুঁজল, কিন্তু কোথাও সেটা সে পেল না। কেননা, শিল-পাটাটি ছিল ঝুড়ির মধ্যে লুকিয়ে থাকা কচ্ছপ নিজেই।

    তাই আজও শুয়োরকে নাক দিয়ে মাটি খুঁড়তে দেখা যায়। সেইদিন থেকে মাটি খুঁড়ে সে শ্রীমতী কচ্ছপের শিল-পাটা খুঁজছে। আজও সে খুঁজেই চলেছে, এখনও পায়নি। যেমন ফেরৎ পায়নি সেই টাকা অকৃতজ্ঞ কচ্ছপের কাছ থেকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)
    Next Article প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }