Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছিঃ কি লজ্জা

    গ্রামের মানুষ খুব বিপদে পড়েছে। বিপদ বলে বিপদ, এক মহাবিপদ। তালের গাছ থেকে ফলের সব শাস কে যেন চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এত তালগাছ গায়ে, কিন্তু সব শাস চুরি যাচ্ছে। গ্রামের মানুষের কষ্টের সীমা নেই। এই শাঁস থেকে তারা তেল তৈরি করে। সেই তেল দিয়ে রান্না করে, তরিতরকারি বানায়, মাংস রাঁধে। তেল নেই, রান্না করা যচ্ছে না, যাও বা রান্না হয়, মুখে রোচে না। বড় কষ্ট তাদের। এমনিতে কত কষ্ট, কত বিপদ-আপদ, তার ওপরে আর এক নতুন বিপদ।

    তারা অনেক চষ্টা করল, বাবার চেষ্টা করল, অনেক কায়দা করল, বহু ধরনের বুদ্ধি খাটাল— কিন্তু চোর আর ধরা পড়ে না। যতরকম কৌশল করে, বৃথা যায়। চোর অনেক চালাক, বারবার সে তাদের বোকা বানাতে লাগল। তাদের মাথায় হাত। চোর ধরা পড়ল না।

    শেষকালে তারা সবাই মিলে সন্ধেবেলা সর্দারের বাড়ির উঠোনে পরামর্শ করতে বসল। নানা রকমের কথা উঠল, নানা ধরনের বুদ্ধি এল, কথা কাটাকাটি চলল। শেষে একজন বুড়োমতন লোক বলল, আমি অনেক দেখেছি, অনেক শুনেছি। আসলে বাপু, দেবতা রাগ করেছেন। তিনি রাগ করলে ওসব চোর-টোর ধরা যায় না। অন্য ব্যবস্থা দেখ। সবাই মেনে নিল বুড়োর কথা, সায় দিল তার পরামর্শে।

    তারা দেবতার থানে ভক্তিভরে ছাগল বলি দিল, ভেড়া বলি দিল, মুরগির ছানা বলি দিল। যার যেরকম সামর্থ্য তাই দিয়ে দেবতার পুজো করল। সবাই দিনে-রাতে দেবতার থানে আর্জি জানাল,–হে দয়াল দেবতা, আমাদের সাহায্য করুন, আমাদের বাঁচান, আমরা বড় গরিব।

    দিন যায়, রাত যায়। আবার ফিরে আসে দিন, ফিরে আসে রাত। চোর কিন্তু ধরা পড়ে না। কে যে চুরি করে পালিয়ে যাচ্ছে কেউ তা বুঝতে পারল না। সবার মনে ভয়, সবার মনে চিন্তা।

    চোর আর কেউ নয়, একটা কচ্ছপ। গভীর রাত, কালো কুকুরের গায়ের মতো কালো আঁধার চারিদিকে, কোন সাড়াশব্দ নেই কোথাও, বাইরে ঘুরছে কেবল বুনো জানোয়ার। সেই সময় কচ্ছপ হামাগুড়ি দিয়ে তার বাড়ি থেকে নিঃশব্দে বেরিয়ে পড়ে, চলার সময় পায়ে কোন শব্দ হয় না। হাতে থাকে একটা ধারালো ছুরি আর একটা বস্তা, বস্তার মধ্যে এক টুকরো শক্ত দড়ি। দড়ি পায়ে জড়িয়ে কচ্ছপ তরতর করে তাল গাছে উঠে পড়ে, ছুরি দিয়ে তালের শাস কাটে— তারপরে সেগুলো বস্তায় ভরে। নেমে আসে গাছ থেকে। আবার ওঠে অন্য গাছে। রাতের অনেকক্ষণ ধরে তার এই কাজ চলে। তারপরে পুব দিকে লাল থালাটা উঠবার অনেক আগেই নিঃশব্দ পায়ে গুটি-গুটি ফিরে চলে নিজের বাড়িতে। সব রাতেই একভাবে কাজ করে চলে কচ্ছপ।

    সকালের দিকে ঘুমটা তার ভালোই জমে। কেনই বা জমবে না।

    এমনি করে চলে রাতের পর রাত। এক রাতে কচ্ছপ ছুরি বস্তা দড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বেরুতে যাবে,– এমন সময় বউ বলল, ‘আজ ঘরে থাকো, আজ আর যেও না। সত্যি যেও না।

    ‘কেন?—লম্বা গলা আরও লম্বা করে কচ্ছপ তাকাল। বিরক্ত হয়ে কথা বলল। কচ্ছপ-বউ ভয়ে ভয়ে বলল, দেখো, বাইরে কী ভীষণ অন্ধকার। কালো চুলের মতো। যদি তোমার কিছু হয়। বড্ড ভয় করছে।

    কচ্ছপ ফিক করে হেসে ফেলল। বলল, বউ, অাঁধার রাতই তো ভালো। বড় পছন্দ করি আঁধার রাত। কিছু ভয় নেই। আমি ঠিকাঠক ফিরে আসব।

    বউ জলভরা চোখে বলল, ‘না, তুমি যেও না। অন্তত আজকের রাতটুকু ঘরে থাকো। কেন যেন বড় ভয় করছে।

    কিন্তু কাজ হল না। কচ্ছপের লোভ খুব বেড়ে গিয়েছে। অনেক দিন ধরে চুরি করছে, একদিনও ধরা পড়েনি। সাহসও তাই সীমা ছাড়িয়েছে। লোভ ও সাহস তাকে রাতে ঘরে থাকতে দেয় না। আরও তালের শাঁস চাই, আরও আরও। ঘরের দোরের কাছে গিয়ে কচ্ছপ বলল, বউ, আজ বড় কালো আঁধার রাত। আজকে আমায় যেতেই হবে। ঠিক আছে, তুমি যখন বলছ কালকে আমি ঘরে থাকব, কালকে বাইরে যাব না। আজকে আমায় যেতেই হবে?

    ‘হায় কপাল। বউ কাঁদতে কাঁদতে ঘরের বাইরে এল। কচ্ছপ অন্ধকার বনে মিলিয়ে গেল। কিন্তু আজকে যেন খুব বেশি অন্ধকার। অন্ধকারে চলতে-ফিরতে কচ্ছপ খুব পারে, অনেক দিন ধরে তার এই অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। কোনই অসুবিধা হয় না। কিন্তু তারও আজ কষ্ট হতে লাগল। দু-একবার হোঁচট খেল, মাথাটা গিয়ে লাগল গাছের গুড়িতে। এত অসুবিধে তো আগে কখনও হয়নি। ভাবল নাঃ, আজকে নাহয় বাড়ি ফিরেই যাই। আর বউ যখন অমন করে বারবার বলল। বউ পেছন থেকে একবার ডাকলেই সে ফিরে যেত। কিন্তু বউ তখন কাঁদছে। কচ্ছপ ফিরল না। এগিয়ে চলল গুটি গুটি।

    কিন্তু এগোনো আজ বড় কঠিন। বেশ ব্যথা পেল কয়েকবার। একবার উলটে এক গর্তে গেল পড়ে। পায়ে কাটার খোঁচা লাগল, না, আজ বেরিয়ে ভালো কাজ করিনি। ঘরে থাকলেই হত। আজ কাজে যাওয়া ঠিক হয়নি। বেশ বেগতিকে পড়লাম।

    ভাবতে ভাবতেই এক মস্ত শক্ত গাছের গুড়িতে তার মাথা প্রায় থেতলে গেল। ঝিম ঝিম্ করে উঠল মাথাটা। চোখ অন্ধকার হয়ে এল। হঠাৎ চোখ মেলে কচ্ছপ দেখল— গাছটা এদিক ওদিক দুলছে আর হাসছে, দুলছে আর হাসছে। কচ্ছপ এক মুহূর্ত ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেল। কি অবাক কাণ্ড। তারপরে ঘুরেই দৌড় লাগাল বাড়ির দিকে। ভয়ে পা সেঁদিয়ে যাচ্ছে, তবু সে ছুটছে। মাথার ব্যথার কথা একেবারেই ভুলে গেল। শেষকালে থামল তার বাড়ির দরজায়। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, আমি এসেছি বউ, দরজা খোল। বউ খুব খুশি হল। তার কথায় কচ্ছপ শেষকালে ফিরে এসেছে। আবার অবাকও হল। তাকিয়ে রইল তার দিকে। কিন্তু কচ্ছপ কোন কথাই বলল না। যা ঘটেছে তার কথাও কিছু বলল না।

    দিন হল। দিন শেষ হল। আবার রাত এল। আবার অন্ধকারে গুটিগুটি এগিয়ে চলল কচ্ছপ। আজ সে বেশ আস্তে আস্তে হাঁটছে। কচ্ছপ তালগাছে উঠল, শাস কেটে বস্তায় ভরল, নেমে এল। সে জানে না। সেই গাছ সব কিছু দেখল। যে গাছ আগের রাতে দুলছিল হাসছিল,— সে সব দেখল। কচ্ছপ ফিরে চলল বাড়িতে। না আজ কিছু অঘটন ঘটে নি। সে খুশি।

    যে গাছটি হেসেছিল, সে হল আলুমো—সে হল হাসির রাজা। আলুমো ভীষণ ভয় পেয়ে গেল। সে পাশের গাছগুলোকে কচ্ছপ চোরের কথা বলল। তারাও ভয় পেয়ে গেল।

    চোর!’ নারকেল গাছ অবাক হল।

    ‘তাহলে সে তো খুব শয়তান!’ আমগাছ বলল।

    ‘কিন্তু কিছু তো করা দরকার।’ পেয়ারা গাছ বলল।

    ‘তাহলে? তাহলে আমরা কি করতে পারি?’ শিরীষ গাছ জিজ্ঞেস করল।

    ‘ওকে শাস্তি পেতেই হবে। ওসব ছাড়াছাড়ি নেই।’ পিপুল গাছ বলে উঠল।

    ‘কি শাস্তি তাকে দেওয়া হবে?’ লেবু গাছ মাথা নেড়ে বলল।

    অন্য গাছগুলো একসঙ্গে গলা মিলিয়ে চিংকার করে উঠল, ‘গায়ের লোকজন কি মরে যাবে? ওদের সাহায্য করতেই হবে।

    সবাই সায় দিল। তারপরে তাকাল আলুমোর দিকে। আলুমো বলল, ‘ওকে এমন ভয় পাইয়ে দিতে হবে যে জীবনে না ভোলে। তাহলেই ও জব্দ হবে?

    সব গাছ বলে উঠল, ‘খুব ভালো কথা, ভালো কথা। ঠিক বলেছে আলুমো! আলুমে একটু চুপ করে রইল। তারপরে আস্তে আস্তে বলল, কি করতে হবে পরে আমি তোমাদের বলে দেব। চোর যখন আসবে তখন বুঝিয়ে বলব।

    পরের রাতে কচ্ছপ আবার রাতের অাঁধারে বের হল। আজ তার ভয় একটু কম। গত রাতে তো কিছুই অঘটন ঘটেনি। সে হেলেদুলে গুটিগুটি এগিয়ে চলল। তাকে দেখতে পেয়েই আলুমো হাসতে লাগল। সে হাসছেই, হাসছেই।

    অশেপাশের গাছগুলো হাসি শুনে জিজ্ঞেস করল, ও আলুমো, আলুমো— তুমি এমনভাবে হাসছ কেন? কি হয়েছে বলই না, তুমি তো হাসির রাজা, আলুমো, এমন করে হাসছ কেন?’

    আলুমো তখন হাসি থামিয়ে একটা গান গেয়ে উঠল। তার সঙ্গে গলা মিলিয়ে সব গাছ গেয়ে উঠল:

    চলে কচ্ছপ গুটিগুটি,
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো,
    রাতের আঁধার পড়ে লুটি,
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো,
    ডান হাতে তার ছুরি,
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো,
    বাম হাতে তার দড়ি,
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো,
    পেছনেতে বস্তা ধরি।
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো।

    হঠাৎ তারা গান থামিয়ে দিল। চারিদিকে নিস্তব্ধ। গানের পরে আরও আরও নিস্তদ্ধ মনে হল। পাতার শব্দও যেন নেই, সব চুপচাপ।

    গাছগুলোর তলা দিয়ে কচ্ছপ এগোচ্ছে। হঠাৎ গাছগুলো তাকে টিটকিরি দিতে শুরু করল, নানাধরনের মজার মজার নামে কচ্ছপকে ডাকতে লাগল। এবার কচ্ছপ সত্যি সত্যি খুব ভয় পেয়ে গেল, চুপ করে দাঁড়িয়ে চারিদিকে দেখতে লাগল। তবু গাছেরা থামে না। কচ্ছপ আর সহ্য করতে পারল না। ভয়ে পেছন ফিরে দৌড় দিল। পথে কোথাও থামল না।

    কচ্ছপ শেষকালে বাড়ি পৌছল। এবার সে ভীষণ রেগে গিয়েছে। তার সবকিছু ভেস্তে গেল। আজ রাতে শাঁস চুরি করা হল না। তার ওপরে এমন টিটকিরি। এমন আজেবাজে নামে ডাকা। বাড়িতে এসে বউয়ের সঙ্গে সে একটিও কথা বলল না। কিছু খেল না। সোজা বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। কিন্তু ঘুম কি আসে।

    এখন হয়েছে কি, সেই রাতে যখন এসব কাণ্ড চলছে তখন সেই পথে গাঁয়ে ফিরছিল এক কিষান। সে সব কিছু শুনল, সব কিছু দেখল। একটু ভয় পেল, খুব অবাক হল। আবার নতুন কিছু জেনে ফেলার আনন্দও আছে। সে সোজা ছুটে এল গাঁয়ে। গায়ে এসেই গোষ্ঠীপতির ঘরে গেল। গোষ্ঠীর সর্দারকে সব কিছু খুলে বলল।

    সর্দার বলল, ‘খুব ভালো। আজ তো অনেক রাত হল। তুমিও ছেলে ক্লান্ত হয়ে পড়েছ। বাড়িতে গিয়ে ঘুমোও। কাল সকালে আমার কাছে চলে আসবে।

    কিষানের কি আর রাতে ঘুম হয়। বারবার মনে পড়তে লাগল কিছুক্ষণ আগে দেখা সেই অদ্ভুত কাণ্ডকারখানা। সকাল হতেই সে ছুটে গেল সর্দারের বাড়িতে। গিয়ে দেখে এর মধ্যে আরও কয়েকজন গাঁও-বুড়ো সেখানে হাজির। সবাই মিলে পরামর্শ করতে বসল।

    একজন গাঁও-বুড়ো বলল, এতদিন পরে দেবতা তাহলে মুখ তুলে তাকালেন। আমাদের প্রার্থনা জানানো ঠিক হয়েছে। বলিতে দেবতা সন্তুষ্ট হয়েছেন। যাইহোক, আমরা এই কজনা ছাড়া ব্যাপারটা যেন আর কেউ না জানে। খুব সাবধান। আগে চোর ধরি, তারপরে সব বলা যাবে।

    অল্পবয়সি কিষান বলল, কখনই না, আমি আর কাউকে কিছুই বলব না। অনেক আলোচনার পর ঠিক হল, রাতের বেলা কিষান ছেলের সঙ্গে দুজন গাঁওবুড়ো সেই গাছের কাছে যাবে। যেই কচ্ছপ তালের শাস চুরি করতে আসবে, অমনি

    তারা চেপে ধরবে তাকে। সব ঠিকঠাক হয়ে গেল।

    পরপর তিন রাত তারা সেই গাছের কাছে গিয়ে লুকিয়ে থাকল। কিন্তু কিছুই ঘটল না—না হাসি, না গান, না কচ্ছপের দেখা। দুজন গাঁও-বুড়ো ভীষণ রেগে গেল। তাদের ধৈর্য আর কত রাত থাকবে? আসলে, কচ্ছপ সেই যে ভয় পেয়ে বাড়ি ফিরেছিল এই তিন রাত আর বেরোয় নি। তাই ঘটেও নি কিছু।

    একজন বুড়ো বলল, কাল রাতে যদি কিছু না ঘটে আমি আর এমুখে হচ্ছি না আর ভালো লাগে না।

    ‘আমিও আসব না’। অন্যজন বলল।

    কিষান আস্তে আস্তে মুখ নিচু করে বলল, ‘একটু ধৈর্য তো ধরতেই হবে। চোর ধরা তো সহজ কাজ নয়! চোরেরও বুদ্ধি কম নয়। তাছাড়া, একটা কথা তো বুঝতেই হবে। সেদিনের ব্যাপারে কচ্ছপ নিশ্চয়ই খুব ভয় পেয়েছে। তাই কয়েকটা দিন তো সে আর বাইরে বেরুবেই না, ঘরেই থাকবে। যা ভয় পেয়েছে। তারপরে একটু সাহস ফিরে এলে তবেই না আবার চুরি করতে আসবে! একটু অপেক্ষা করতেই হবে। তবে আমি বলছি, সে আসবেই আজ হোক কাল হোক, তাকে আসতেই হবে। আমরা তাকে ধরবই।

    একজন বুড়ো বলে উঠল, সবই তো বুঝলাম। কিন্তু আর যে পারি না। তুমি নাহয় এখন অল্পবয়সি, সে কাল আমাদের অনেকদিন আগে চলে গিয়েছে। আমরা তো বুড়ো হয়েছি। রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে থাকি কি করে বল? পারি না। চোখ বন্ধ হয়ে আসে। চোখ কট্‌ কট্‌ করে। কি করি বল।

    ‘আমিও পারি না। অন্য বুড়ো বলল। অনেক কষ্টে সে চোখ খুলে রেখেছে।

    পরের রাত। চারিদিকে আঁধার। আবার তারা তিনজনে গাছের নীচে এল। অনেকক্ষণ কেটে গেল। কিছু শোনা যাচ্ছে না। হঠাৎ তারা শুনতে পেল, মনে হল হাসির শব্দ। কান খাড়া করে তারা শুনতে চেষ্টা করল।

    একজন বুড়ো বলল, ‘মনে হচ্ছে হাসির শব্দ আসছে?

    কিষান বলল, ‘হ্যাঁ, হাসির শব্দ। উত্তেজনায় তার বুক কাঁপছে, চোখ বড় বড় হয়ে গিয়েছে।

    হঠাৎ আলুমোর হাসির শব্দ শোনা গেল, হাসি ছড়িয়ে পড়েছে নির্জন রাতে : হাঃ হাঃ হিঃ হিঃ হোঃ হোঃ।

    অন্য সব গাছ এক সুরে বলে উঠল। আলুমো ও আলুমো, তুমি অমন করে দুলছ কেন? অমনভাবে হাসছ কেন? হলটা কি?

    আলুমো গান গেয়ে উঠল, সব গাছ গলা মেলাল। রাতের বনভূমি সরব হয়ে উঠল। তারাও শুনল সে গান:

    চলে কচ্ছপ গুটিগুটি,
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো,
    রাতের আঁধার পড়ে লুটি,
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো,
    ডান হাতে তার ছুরি,
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো,
    বাম হাতে তার দড়ি,
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো,
    পেছনেতে বস্তা ধরি।
    আলুমো, হাসির রাজা, আলুমো।

    গান থেমে গেল। চারিদিক আবার নিস্তদ্ধ। কচ্ছপ সাহসে ভর করে এগিয়ে চলেছে। লোক তিনজন তার পেছনে পেছনে চুপচাপ এগোচ্ছে। তারা হাঁটছে যেন কচ্ছপ মোটেই টের না পায়। চোরকে আজ ধরতেই হবে।

    একটা তালগাছের নীচে এসে কচ্ছপ থামল। উপরে তাকিয়ে দেখল গাছভর্তি তাল। বস্তাটাকে গাছের তলায় রেখে দিল। পায়ে জড়িয়ে নিল দড়িটা, ডানহাতে ছুরিটাকে বাগিয়ে ধরে সাবধানে গাছে উঠতে শুরু করল। উঠতে উঠতে দু-একবার নীচে ও আশেপাশে তাকাল। হঠাৎ দুমদাম তাল শাস পড়ার শব্দ হল। পড়ছেই, পড়ছেই। এখন আর চারিদিকে চুপচাপ নেই।

    হঠাৎ সেই তিনজন গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল। তাড়াতাড়ি তিনজনে মিলে বস্তাটাকে তুলে নিল। ছয় হাতে সেটাকে বিছিয়ে ধরল। তারপরে চিৎকার করে উঠল, এইবার কচ্ছপ কোথায় যাবে? কচ্ছপ মানুষের গলা শুনে ভয় পেয়ে নীচে তাকাল, লোকদের দেখে তার হাত-পা আলগা হয়ে গেল। ঝুপ করে পাকা তালের মতো বস্তায় এসে পড়ল। মাটিতে পড়লে তো সে চৌচির হয়ে যেত।

    তাকে ধরে নিয়ে তারা গাঁয়ে ফিরল। আঃ কি আনন্দ। চোর ধরা পড়েছে। আর অনেককাল পরে।

    সর্দারের বাড়ির উঠোনে বিচার-সভা বসল। তার বিচার হল। তাকে কয়কমাস গাঁয়ের খোয়াড়ে রাখার ব্যবস্থা হল। কচ্ছপ কিছু বলল না। সে যে হাতেনাতে ধরা পড়েছে।

    খোয়াড়ের মেয়াদ শেষ হল। কচ্ছপ ছাড়া পেল। মাথা নিচু করে সে গা থেকে বেরিয়ে এল। ছিঃ ছিঃ কি লজ্জা। তারপর থেকে কাউকে দেখতে পেলে সে দেহের খোলের মধ্যে তার মুখ লুকিয়ে ফেলে। সে যে চোর, ধরা পড়েছিল। মুখ দেখাবে কেমন করে? তাই আজও কাউকে সামনে দেখলেই সব কচ্ছপ অমন করে খোলের মধ্যে মুখ লুকিয়ে নেয়। মনে মনে বলে, ছিঃ কি লজ্জা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)
    Next Article প্রিয় পঁচিশ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }