Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘণ্টাকর্ণের কান গেল – মনোজ বসু

    ঘণ্টাকর্ণের কান গেল – মনোজ বসু

    ডাকাত-সর্দার ঘণ্টাকর্ণ। ডাকিনীসিদ্ধও বটে, গুণজ্ঞান অনেক কিছু জানা। আসল নাম কেউ জানে না—কান দুটো অতি-বিশাল ও বেঢপ রকমের মোটা, সেজন্য ঘণ্টাকর্ণ বলে। কালাচিনি পাহাড়ের জঙ্গলে থাকে। হঠাৎ বেরিয়ে পড়ে দলবল নিয়ে, গাঁ-গ্রাম জ্বালায়, ঘরবাড়ি লুঠ করে, মানুষ মারে। মেলা চর পর্বত জুড়ে ছড়ানো— তাদের এড়িয়ে দলের হদিশ পাওয়া দায়। আজ অবধি যে গেছে, সে আর ফেরেনি।

    আমিই বা ফিরব কি না কে জানে? পুঁটলি বগলদাবায় তুলে নিয়ে অর্জুন রওনা হয়ে গেল। গাড়িতে যত দূর যাবার গিয়ে, তার পরে পায়ে হাঁটা। হাঁটছে, হাঁটছে—

    খাদ বুঝি পাতাল অবধি চলে গেছে, ঝোরা নামছে। চারিদিকে ঝরঝর আওয়াজ তুলে। পথের ধারে গাছের সঙ্গে বাঁধা মড়া একটা—হাতে পায়ে গলায় আষ্টেপিষ্টে বেঁধেছে। শকুনে চোখ খুঁড়ে নিয়েছে, নেকড়েয় লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেয়েছে— বীভৎস চেহারা। তবু রেখে দিয়েছে এমনি ভাবে। পথচারী তাকিয়ে দেখে ভয়ে পালাবে—মতলব বুঝতে দেরি হয় না।

    হাতে গাদা-বন্দুক, গায়ে জবড়জং মোটা কম্বল, লোকটা সুনিশ্চিত পাহারাদার— অর্জুন তার সঙ্গে ভাব জমাচ্ছে, “ঘণ্টাকর্ণের এলাকায় এসে গেছি, তাই না সাহেব? খিদে পেয়ে গেল— জলের ধারে বসে কিছু খেয়ে নেওয়া যাক। তোমার পেটেও হরিমটর, মুখ দেখে বুঝেছি। পাহারা ক’মিনিট মূলতুবি রাখো, মড়া উড়ে পালাবে না। পুঁটলিতে যা আছে, দু’জনের হয়ে যাবে। চলো।”

    বয়সে কত ছোট, তবু অর্জুন সমবয়সি বন্ধুর মতো হাতে হাত জুড়িয়ে টেনে নিয়ে চলল। বলে, “রাতদিন পচা মড়ার কাছে থেকে গা-ঘিনঘিন করে না?”

    “করে না আবার। কিছুই মুখে দিতে পারিনে—বমি এসে যায়।”

    অর্জুন চুক-চুক করে, “আপদ তাড়াতাড়ি চুকিয়ে দাও দাদা, নইলে তোমাকেও অমনি মড়া হতে হবে। বেশি দেরি হবে না তার।”

    প্রস্তাব বুঝে পাহারাদার আঁতকে ওঠে, “ঘণ্টাকর্ণ রক্ষে রাখবে না তা হলে।”

    “টের পেলে তবে তো। এমনিই তো অর্ধেকের বেশি খতম। যেটুকু আছে, রিপোর্ট করে দিয়ো, নেকড়ের দল রাত দুপুরে ঝাঁপিয়ে পড়ে জঙ্গলে টেনে নিয়ে গেছে।”

    একমুঠো টাকা হাতে গুঁজে দিয়ে অর্জুন বলে, “অনেকদিন তোমার তো এই ল্যাঠায় গেল। গঞ্জে নেমে গিয়ে মনের সুখে খানাপিনা ফুর্তিফার্তি করোগে এখন। এদিকে যা করবার আমি করছি, তোমায় আর কিছু দেখতে হবে না।”

    এদিকে-সেদিক চেয়ে দেখে পাহারাদার নিচু গলায় বলল, “ফাঁকা আছে—এই বেলা তবে সরিয়ে ফেলো। লোক এসে পড়লে হবে না।”

    দ্রুত হাতে অর্জুন মড়ার দড়ি খুলছে। পাহারাদার এক পা নড়েনি। বলল, “পায়ের দড়ি খোলো কেন হে? টানতে টানতে বেশ নিয়ে যাবে।”

    অর্জুন বলে, “পাথরে ঠোক্কর খাবেন যে!”

    পাহারাদার হেসেই খুন। কথা শোন ছেলেমানুযের। মরে গিয়ে নিজেই তো এক পাথর। পাথরে ঠোক্কর খেয়ে ব্যথা পাবে নাকি?

    অর্জুন বলে, “মড়ার ব্যথা লাগবে কি না জানিনে, ব্যথা আমার মনে লাগবে। আজকের মড়া—সেদিন অবধি ইনি মানুষই ছিলেন, সে কথা ভোলা যায় না।”

    আড়কোলা করে নিয়ে পরম যত্নে মড়া সে ঝোরার স্রোত নামিয়ে দিল। লহমায় অদৃশ্য।

    যাচ্ছে অর্জুন। গাট্টাগোট্টা একজন জঙ্গল ফুড়ে হঠাৎ এসে পড়ল। “ও ছেলে, যাচ্ছ কোথা তুমি?”

    “ঘণ্টাকর্ণ যেখানে থাকে।”

    “কী দরকার?”।

    “খুনে শয়তানকে খতম করব।”

    “ভাল, ভাল!”— শতমুখে লোকটা তারিফ করল। বলে, “যেমন মন-ভরা দরদ তেমনি বুক-ভরা সাহস। কিন্তু ছেলেমানুষ যে তুমি।”

    “ছেলেমানুষ বলে বুঝি অত্যাচার চুপচাপ দেখব? আমি হারিনে কখনও? ঘণ্টাকর্ণ চারিদিক মেরেধরে বেড়ায়, এবারে শুনতে পাবে মরেছে সে নিজেই।”

    লোকটা না-না করে উঠল, “না হে মারার দরকার নেই। বেঁচে থাকবে সে, কান দুটো শুধু কাটা যাবে। তাতেই চরম শাস্তি। এত যে দাপট; মূলাধার হল কান। রূপকথায় শুনে থাকো সাতশো রাক্ষসীর প্রাণ কৌটোর ভোমরার মধ্যে। ভোমরা উড়ল তো রাক্ষসীদেরও শেষ। এ-ও তাই—কান গেলে ঘণ্টাকর্ণের সমস্ত যাবে।”

    ঘণ্টাকর্ণের কর্ণছেদন! মজা লাগে ছেলেমানুষ অর্জুনের, হাততালি দিয়ে উঠল সে। ঘণ্টাকর্ণের কর্ণ গিয়ে শুধু ঘণ্টা হয়ে থাকবে সে।

    লোকটা বলে, “সহজ হবে না—তা জেনো। গাছে যাঁকে লটকেছিল, তিনি হলেন কড়ুই পালোয়ান। নাম শুনেছ?”

    “শুনেছি বইকী। কড়ুই বড্ড কড়কড়ে নাম—একবার শুনেই মনে গেঁথে যায়।”

    লোকটা বলল, বুকে থাবা মেরে ‘কড়ুই মশায় এগিয়েছিলেন, পরিণামে তাঁরও ওই দশা। ছ’ মাস গাছের গায়ে ঝুলছিলেন, শেষটা তুমি এসে গতি করলে। এত কোমল মন, মড়ার পায়ের দড়ি ধরে টানতেও মায়া লাগল তোমার।”

    চমক খেয়ে অর্জুন বলে, “জানলে কী করে তুমি?”

    “ওখানেই ছিলাম তো। কেউ তোমরা দেখতে পাওনি—কী মজা! হি-হি-হি—’’।

    আগে আগে চলল লোকটা।

    অর্জুন প্রশ্ন করে, “যাচ্ছ কোথা?”

    “ঘণ্টার ডেরা চেনো না তুমি?”

    “চিনতে কতক্ষণ? কারও ভরসায় ঘর থেকে বেরুইনি— তুমি ফিরে যাও।”

    ফেরার লক্ষণ নেই তার। বলে, “ঘণ্টাকে জব্দ করা চাট্টিখানি কথা নয়। তোড়জোড় অনেক করবার আছে।”

    অর্জুন সদম্ভে বলে, “যা করবার একাই সব করব। না পারি, মরব। দয়া দেখিয়ে তুমি কেন মাথা বাড়িয়ে দিচ্ছ?” হেসে ফেলল লোকটা, “সুবিধা আছে হে। মাথা বাড়ালে কাটা যাবে না আমার মাথা। সে তাগত কারও নেই। খাপ্পা হচ্ছ কেন? যা করবার, এই তুমি করবে। হাত ছোঁয়াব না আমি, তোমার বাহাদুরির ভাগ নেব না। নিজের পায়ে যাচ্ছি, বলি পথ কি কারও একলার?”

    নির্বিকার সে চলল, বেজার মুখে অর্জুন পিছু পিচু যাচ্ছে। একসময় সে বলে উঠল, “উঃ, কী নাছোড়বান্দা! নামটা কী তোমার—কী বলে ডাকব?”

    “ভূতানন্দ। ভুতো বলেও ডাকতে পারো।”

    পাহাড়-জঙ্গল চড়াই-উতরাই—এক-আধখানা কাঠের ঘর কদাচিৎ। তেমনি এক ঘরের সামনে ভূতানন্দ ঘোরতর চেঁচামেচি জুড়ে দিল, “কে আছ, দরজা খোলো শিগগির।”

    খুলল দরজা এক সুন্দরী মেয়ে। নাক ঈষৎ চেপটা, তা ছাড়া নিখুঁত চেহারা। ভূতানন্দ বলে, “তাড়াতাড়ি দু’কাপ চা দাও ম্যাডাম। ঠান্ডায় জমে যাচ্ছি।”

    সুন্দরী হাতের দুটো আঙুল দেখিয়ে বলল, “দু’ টাকা—নগদ।”

    চোখের ইশারা করল ভূতানন্দ, অর্জুন মুহূর্তের মধ্যে টাকা বের করে দিল। এই রকমই শিখিয়ে এনেছে— ভূতানন্দ মুখে তেমন নয়, ইশারায় প্রায় সব বলবে। এবং ইশারা পাওয়া মাত্র অর্জুন সেই কাজ করবে— তিলার্ধ গড়িমসি নয়, তা হলে র্সবনাশ।

    মেয়েটা মিষ্টি হেসে বলল, “জল চাপানো আছে, এক্ষুনি হয়ে যাবে। ঘরে আসুন আপনারা—ঘরের মধ্যে ঠান্ডা কম। আরাম করে বসুন।”

    বলে কোণের দিককার মস্ত বড় পাথরখানা দেখিয়ে দিল।

    অর্জুন করল একেবারে উলটোটি—নিজেরা না বসে মেয়েটার হাত ধরে দিল প্রচণ্ড ধাক্কা। আচমকা আক্রমণ সামলাতে পারল না সে, হুমড়ি খেয়ে পাথরের উপর পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে পরমাশ্চর্য ব্যাপার— সুন্দরী মেয়ে হয়ে গেল কুৎসিত কালো থুথুড়ে এক বুড়ি, সেঁটে গেছে সে একেবারে পাথরের সঙ্গে—উঠে দাঁড়ানোর উপায় নেই। মাথা-ভরা জটা— জটা দুলছে লকলক করে অগুনতি হেলেসাপের মতন। আগুনের ভাঁটার মতো বড় বড় চোখ ঘোরাচ্ছে বুড়ি একবার অর্জুনের দিকে, একবার বা ভূতানন্দের দিকে। বলে, “কারা তোরা, কী চাস?”

    ভূতানন্দ ব্যঙ্গের সুরে বলে, “মতলব বানচাল হয়ে গেল— আহা রে?”

    জটাবুড়ি গজরাচ্ছে, “ছাড় করিয়ে দে এখনি। ভালর তরে বলছি, নয়তো রক্ষে রাখব না।”

    ভূতানন্দ ঠান্ডা গলায় বলল, “ধমকধামাকে কাজ হবে না। নতুন যে খাণ্ডা এসেছে— কোথায় সেটা বলে দে। তবে ঘাড় পাবি।”

    জটাবুড়ি উড়িয়ে দেয়। “কোন খাণ্ডা কবে এল আমি কিছু জানিনে।”

    ভূতানন্দের ঠিক সমান সমান জবাব, “কোন কায়দায় পাথর খসাতে হয়, আমরাও জানিনে কিছু। চলো হে অর্জুন, দুয়োর বন্ধ করে এসো, শয়তান বুড়ি পাথরের সঙ্গে আঁটা হয়ে থাকুক।”

    সত্যিই যায় চলে। জটাবুড়ি তাড়াতাড়ি তখন ডাক দেয়। “শোননা হে শোনো। পাশাপাশি দুটো ঘর ছেড়ে তারপরে চৌকো ঘর— ঘরের উত্তর-পশ্চিম কোণে এক হাত মাটির নীচে সেইখাণ্ডা। তুলে নাও গে, তার আগে আমায় ছাড়া করিয়ে দিয়ে যাও।”

    ভূতানন্দ বলে, “জিনিসটা পাই আগে হাতে, সত্যি বলছিস না মিথ্যে বলছিস পরখ হোক। ছাড়ের বিবেচনা তার পরে।”

    দুজনে গেল সেই ঘরে ঘরে— উত্তর-পশ্চিম কোণে। হাতে-নাতে কিছু করবে না, ভূতানন্দ কথা দিয়েছে— সে শুধু নির্দেশ দিচ্ছে, মরছে একা অর্জুনই। না, মিথ্যে বলেনি বুড়ি—মাটির নীচে পাওয়া গেল একটা বাক্স, বাক্সের ভিতর খাণ্ডা। খাঁড়ারই রকমফের। আয়তনে অতি ছোট, ছেলেভুলানো জিনিস মনে হবে, ফলাখানা ইঞ্চি আষ্টেকের বেশি নয়। কিন্তু সাংঘাতিক ধারালো।

    প্রাচীন এক ফারগাছের গুঁড়িতে অর্জুন আলগোছে ঠেকাল, খাণ্ডা যেন মাখনের দলা কেটে বেরিয়ে গেল। মহীরূহ হুড়মুড় করে পড়ল। তারপর যত্রতত্র ঠেকাচ্ছে, গুড়ি খণ্ড খণ্ড হচ্ছে।

    ভূতানন্দ তাড়া দেয়, “খেলা রাখো অর্জুন, বেরিয়ে পড়ো এইবার।”

    অর্জুন শুধায়, “বুড়ির ছাড় হবে না?”

    “রক্ষে রাখবে তা হলে? জটা হল ঘণ্টার পয়লা নম্বর ডাকিনী। হাতিয়ারপত্তরসমস্ত ওর হেপাজতে— বেরুনোর মুখে নিয়ে নেয় ঘণ্টারা, কাজ-অন্তে ফেরত দিয়ে যায়। মুখ-পাতে থেকে ঘাঁটি আগলাবে। জটাকে আটকানোই আসল, খাণ্ডা তোমার উপরি লাভ।”

    যেতে যেতে অর্জুন বলে, “উঃ, এত সব খবর আছে তোমার ভুতোদা। তুমি না থাকলে সত্যিই অসুবিধা হত।”

    ভূতানন্দ বলে, “জটাবুড়ি আটক না হলে ঘণ্টাকর্ণ জেনেই যেত এতক্ষণে। কড়ুই পালোয়ান কম লোক ছিলেন না, সুলুক সন্ধান অনেক ছিল তাঁর। তবু ধরা পড়ে গেলেন, ধরে ফেলে গাছে লটকে দিল।”

    আরও একবেলার পথ গিয়ে আবার এক বাড়ির সামনে তারা। পাঁচিল-ঘেরা বাড়ি, পাথরের পর পাথর সাজিয়ে পাঁচিল বানিয়েছে। ইশারা করেছে ভূতানন্দ, পাঁচিলের দরজায় অর্জুন জোরে জোরে ঘা দিচ্ছে। ভূতানন্দ বলছে, “দুয়োর খোলো। খদ্দের আমরা— খোঁজে খোঁজে বিস্তর দূর থেকে আসছি।”

    ২

    খুলে গেল দরজা। এখানেও মেয়ে—মাঝবয়সি একজন, হাসি-হাসি মুখ। পাখি ধরার ব্যবসা এদের, উঠোনে পা দিয়েই মালুম হয়। মেলা খাঁচা ঝুলছে এদিক-সেদিকে, খাঁচার ভিতর রং-বেরঙের পাখি। গুলতি তিরধনু সাতনলা— পাখি ধরার নানান সরঞ্জাম। সূক্ষ্ম সুতোর জাল বিছানো উঠোনে উপর— এত সূক্ষ্ম যে পাখির নজরেই পড়ে না, আধার খেতে বসে জালের সঙ্গে জড়িয়ে যায়।

    অর্জুনকে ভূতানন্দ বিড়বিড় করে বলে, “অত সরু সুতো, কিন্তু বিশ মন পাথর ঝুলিয়ে দিলেও ছিঁড়ে পড়বে না।”

    মেয়েটা একগাল হেসে শুধায়, “বলুন কী আদেশ।”

    ভূতানন্দ বলে, “হীরামন তোতা চাই। মনিব আমাদের ভারী শৌখিন—তাঁর ফরমাস। আছে তোমাদের কাছে?”

    “আছে বইকী। এখানে না থাকলে দুনিয়ার কোথাও থাকবে না।”

    মেয়ে ঘাড় তুলে তীক্ষ্ণ চোখে ভূতানন্দের আপাদ-মস্তক দেখে নিল একবার। বলে, “হীরামন কি বাইরে রাখার জিনিস? কুঠুরির ভিতর আছে, ঢুকে গিয়ে দেখো। ঘাঁটিয়ে ঘাঁটিয়ে পাখির কথা শোনো গে। হীরামনের নাচ দেখিয়ে দেব এর পর, গানও শোনাব। দাম কিন্তু অনেক পড়বে।”

    ভূতানন্দ বলল, “মনিব-মশায় মস্ত বড় ধনী। আসল হীরামন হলে দামের জন্য আটকাবে না।”

    কথা বলতে বলতে ছোট্ট এক কুটিরের সামনে এসে গেছে তারা। মেয়েটা দেখায় “পাখি ওই ভিতরে।”

    বলার শুধু অপেক্ষা—ভূতানন্দের ইশারা পেয়ে অর্জুন প্রচণ্ড ধাক্কা দিল পিঠে, চৌকাঠ গলে হুমড়ি খেয়ে মেয়ে ভিতরে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে রূপান্তর— খুনখুনে বুড়ি, সর্বাঙ্গে দগদগে ঘা, মাছি ভনভন করছে ঘায়ের উপর। বীভৎস মুখ, তাকিয়ে দেখা যায় না। চোখের মণি একটা গলে বেরিয়ে এসেছে। বাঁ-হাতেরও আধাআধি পচে গলে খসে পড়ছে।

    ভূতানন্দ হি-হি করে হাসে, “চুম্বক-কুঠুরিতে আমাদের ঢোকাচ্ছিলি—যেমন কর্ম তেমনি ফল, নিজেই এবার আটক হয়ে গেলি।”

    বুড়ির কান্নাকাটি এখন। ‘‘আপনাদের চিনতে পারিনি হুজুর। বাঁ-হাত ধরে কষে একটা হ্যাঁচকা টান দিন, কুঠুরি থেকে বের হয়ে পড়ব।”

    “যা বলবি, সমস্ত করব। সুতোর সেতুর বুনন শেষ করে ফেলেছিস—আমরা সকল খবর রাখি। সেতু কোথায় রেখেছিস, বলে দে আগে। কুঠুরি থেকে বেরুনো তার পরে।”

    “সেতু বোনা— সে আবার কেমন?” কুটে বুড়ি আকাশ থেকে পড়ে; ‘পাখি ধরা জাল বুনেছি—সে ওই উঠোনের উপর বিছানো। জাল ছাড়া আর আমি কিছু বুনিনে।”

    ভূতানন্দ খিঁচিয়ে উঠল, “চালাকি করবি নে কুটেবুড়ি। বুননের তুই বড় ওস্তাদ, ধড়িবাজিতে আরও বড়। প্রাণের পরোয়া না করে সমস্ত খবর আমি জুটিয়ে ফেলেছি। খাল পারাপারের অসুবিধা বলে ঘণ্টাকর্ণ তোকে সুতোর সেতু বুনতে হুকুম দেয়। সেই সেতু শেষ করেছিস ক’দিন আগে। মিহি সুতোয় এমন খাসা বুননি— লম্বায় একশো হাত, তবুনাকি গুটিয়ে থলির মধ্যে ভরা যায়।”

    তবু বুড়ি প্রতিবাদ করে, “মিথ্যে কথা। আপনাদের ঝুটো খবর দিয়েছে।”

    রাগ দেখিয়ে ভূতানন্দ বেরিয়ে যাচ্ছে, অর্জুন পিছনে। বলে, “দিসনে সেতু—বয়ে গেল। পার হওয়া আটকে থাকবে নাকি—গাছে চড়ে পার হয়ে যাব। তোর জীবন অন্ধকারেই কাবার হবে, পাকা ব্যবস্থা করে যাচ্ছি। কুলুপ এঁটে দিয়েছ তো অৰ্জুন, চাবি নিয়েছ?”

    এগিয়েছে কয়েক পা, পিছনের ব্যাকুল ডাক আসে— “ফিরে আসুন, রাগ করে যাবেন না। দেয়ালের গায়ে থলিতেই ঝোলানো আছে, নিয়ে নিন গে। ধর্ম রাখবেন কিন্তু, কুঠুরির ধার করে দিয়ে যাবেন।”

    সেতুর থলি অর্জুন বগলদাবায় নিয়ে নিল। ভূতানন্দ তাড়াতাড়ি বেরুচ্ছে— হেঁটে নয়, উড়ে চলেছে সে যেন। অর্জুন প্রশ্ন করে— ‘‘কুটেবুড়িও আটক থাকবে?”

    “ওকে আটকানোর জন্যেই তো এবাড়িতে ঢোকা। ঘণ্টাকর্ণের দু’নম্বুরি ডাকিনী— জটাবুড়ির নজর ফসকে কেউ যদি অ্যাদ্দূর এসে গেল, কুটেবুড়ি তাকে ধরে ফেলবে। সুতোর সেতু আমাদের উপরি লাভ—সেতু খাটিয়ে চট করে খাল পার হয়ে যাব। নয়তো ঝঞ্জাট ছিল অনেক, বিপদের ভয়ও ছিল।”

    আবার কিছুদুর গিয়ে টুপির দোকান। দরজার পাশে বসে ওস্তাগর টুপি সেলাই করে, খদ্দের এলে ঘুরে ঘুরে টুপি দেখায়। ভূতানন্দ ও অর্জুন ঢুকে পড়ল। নানা রঙের নানা সাইজের রকমারি টুপি—ভূতানন্দের একটাও তবু পছন্দ হয় না। বলে, “ধুলোয় আর রোদ্দুরে মাল সব লাট হয়ে গেছে। গেল বছর নিয়েছিলাম, তেমনধারা জিনিস দেখছি নে। সে টুপি তুমি পিছনের ঘর থেকে বেছে-গুছে এনে দিয়েছিলে।”

    ওস্তাগর বলল, ‘‘পিছনের ঘর থেকে এবারও নিয়ে আসছি। খদ্দের ফিরতে দেব না।”

    পিছনের ঘরে গেল। যে-ই না গিয়েছে—আগে থেকে অর্জুনকে তালিম দেওয়া আছে দস্তুর-মতো— চৌকির নীচে থেকে পুরনো ময়লা শতচ্ছিন্ন এক টুপি তুলে নিয়ে দে ছুট। ভূতানন্দও পিছনে রয়েছে। আশ্চর্য টুপি—মাথায় পরলে সঙ্গে সঙ্গে অদৃশ্য, জলজ্যান্ত একটা মানুষ ঘুরছে ঘুণাক্ষরে কেউ বুঝবে না।

    অর্জুন বলল, “এক টুপিতে তোমার আমার দুজনের কী করে হবে?”

    ভূতানন্দ বলে, “তোমার হলেই হবে। আমার মাথায় টুপি লাগে না, মন্তোরে বাতাস হয়ে যাই। কড়ুই পালোয়ানের মড়া ঝুলছিল, আমি তো সেখানেই। দেখতে পেয়েছিলে আমায়? বলো।”

    অনতিদূরে খাল। চওড়া সামান্য, কিন্তু স্রোত করাল। কুটোগাছটি পড়লে দু’খণ্ড হয়ে যায়। পারাপারে বিপদের শঙ্কা। ডালপালা-মেলানো গাছ আছে খালের এপারে, এবং ওপারেও। গাছে চড়ে লোকে খালের উপর ডালের শেষ প্রান্ত অবধি চলে যায়, সেখান থেকে ঝাঁপ দিয়ে পড়ে ওপারের গাছে। পা ফসকালেই প্রাণ যাবে, গিয়েছেও অনেক প্রাণ এতাবৎ। ভূতানন্দের বন্দোবস্তের গুণে এরা একেবারে নির্বিঘ্নে ঘণ্টাকর্ণের ফরমায়েসি সেতু অর্জুনের বগলদাবায়।

    সেতুর এক মাথা গাছের সঙ্গে বাঁধল, ও-মাথায় একটা পাথর বেঁধে ছুঁড়ে দিল অর্জুন ওপারে। তাক অব্যর্থ, ঠিক লক্ষ্যস্থানে গিয়ে পড়েছে— এদিকে-ওদিকে সামান্য টানতেই ফটাস করে পাহাড়ের খাঁজে পড়ে গেল। হাতখানেক মাত্র চওড়া সেতু ভূতানন্দ তার উপর দিয়ে অবলীলাক্রমে পার হয়ে গেল। একটুও টলল না— কলকাতার কোনও মসৃণ পিচের রাস্তায় চলে গেল যেন৷ অৰ্জন কিন্তু টালমাটাল খাচ্ছে খুব। তার মধ্যে হঠাৎ ভূতানন্দ ব্যস্তসমস্ত হয়ে চেঁচিয়ে ওঠে, “চলে এসো শিগগির খুব শিগগির লাফ দিয়ে পড়ো ডাঙায়।”

    অর্জুন লাফিয়ে পড়ল। তাকিয়ে দেখে, ওস্তাগর দল জুটিয়ে পিছনে ধাওয়া করেছে। তাগড়া তাগড়া জওয়ান, হাতে চকচকে খোলা তলোয়ার সেতুর মাঝামাঝি তারা এসে গেছে। ভূতানন্দ চেঁচাচ্ছে, “সেতু কেটে দাও।” খাণ্ডা ছোয়াতেই সেতু দুই খণ্ড ওস্তাগর দলসুদ্ধ ঝপাঝপ খালে পড়ে ভেসে গেল। আপদের শান্তি।

    সামনে দেখা যায় ঘণ্টাকর্ণের ডেরা। আসল কাজ— এইবার— ঘণ্টাকর্ণের কান কাটা। ভূতানন্দ বলে দেয়, “মাথায় টুপি এঁটে চলে যাও এইবার, কানজোড়া টুক করে কেটে নিয়ে ফিরে এসো। এই লতাপাতার উপর ততক্ষণ একটু গড়িয়ে নিই। আমাকে এখানেই পাবে।”

    বলতে বলতে ভুতানন্দ আর নেই। বাতাস হয়ে গেছে নাকি? টুপির গুণে অর্জুনও অদৃশ্য। গোড়ায় সেটা মালুম হয়নি তার। কিন্তু ঘণ্টাকর্ণের সাঙ্গোপাঙ্গরা কাজেকর্মে ঘোরাফেরা করছে- অর্জুন সামনের উপর, তার দিকে কেউ তাকিয়েও দেখে না— অবস্থা বোধগম্য হল তখন।।

    তবে আর ভাবনাটা কী? ঘণ্টাকর্ণ খেতে বসেছে, অর্জুন কাছে গিয়ে কানে তাক করছে। গণ্ডারের চামড়ার চেয়েও শক্ত চামড়ার কান, হাতির কানের চেয়েও আয়তনে বড়। এহেন বস্তু খাণ্ডার স্পর্শমাত্রেই টুকটুক করে খসে পড়ল। হুঙ্কার তুলেছিল ঘণ্টাকর্ণ, কণ্ঠ সঙ্গে সঙ্গে মিইয়ে গেল। মুহূর্তে রূপান্তরকর্ণহীন ঘণ্টা হাত-পা গুটিয়ে পিণ্ডাকার হয়ে পড়ল। কানদুটোর পাতাতেই ঘণ্টার যাবতীয় দাপট সে কান গেল তো সর্বস্ব গেল। এখন থেকে মেনি বিড়ালের মতো মিউ মিউ করে বেড়াবে সে।

    কাটা কান দুটো কাঁধে তুলে নিয়ে বিজয়ী অর্জুন গটমট করে যাচ্ছে। খালের ধারে এসে টুপি খুলে আবার আপন মূর্তিতে ফিরল। “ভুতো-দা”— ডাকতে-না-ডাকতেই দেখা যায় ভূতানন্দ পাশটিতে দাড়িয়ে হাসছে। বলে, “বাহাদুর বটে অর্জুন! মুখে মুখে যা বলে দিয়েছি— ভুল করোনি, ভয় পেয়ে যাওনি নিখুঁতভাবে হাসিল করে এলে। যেমনটা তুমি চেয়েছিলে— একলা হাতেই সব করেছ, আমি হাত ঠেকাইনি।”

    পরক্ষণে বলে, “হাত ঠেকানোর উপায়ও নেই। আমার ভাই।”

    “কেন? কেন?”

    “হাত-ই নেই যে। থাকলে বাহবা বাহবা বলে নিশ্চয় তোমার পিঠ চাপড়ে দিতাম। ইচ্ছে হচ্ছে খুব, কিন্তু নিরুপায়।”

    কণ্ঠস্বর কেমন ভারী হয়ে এল। বলে, “পা-ও নেই। এত যে হাঁটা-চলা করি— পায়ের হাঁটা নয়, মাটির গা ঘেঁষে ভেসে ভেসে বেড়ানো। গায়ে হাত দাও আমার, বুঝতে পারবে।”

    অবাক কাণ্ড। চামড়া-হাড়-মাংস নেই, কঠিন বস্তু কিছুই নেই নরমূর্তিতে খানিকটা ধোঁয়া। ধোঁয়া মূর্তি ধরে বেড়াচ্ছে, কথা বলছে

    স্তম্ভিত অৰ্জুন বলে, “কে তুমি ভুতো-দা? সত্যি কথা বলো।”

    ভূতানন্দ— “বলেছি তো আগে।”

    “মানুষ নও?”

    “ছিলাম সেদিন অবধি।—পালোয়ান আনন্দ কড়ুই। মরে ভূত হয়ে গিয়ে আনন্দ কড়ুই আজ ভূতানন্দ।”

    ৫-১৯ ডিসেম্বর ১৯৭১

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }