Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একদম রূপকথা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    একদম রূপকথা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাবলুর ছোটমামার একটু ডান দিকে বেঁকে যাওয়ার দোষ আছে। তার শরীরটা ডান দিকে বেঁকে যায় না, শরীর ঠিকই থাকে, কিন্তু একটু অন্যমনস্ক হলেই ডান দিক ছাড়া অন্য কোনও দিকের কথা তার মনেই পড়ে না। বেলগাছিয়া থেকে ট্যাক্সি করে হয়তো যাচ্ছেন কলেজ স্ট্রিটে, শ্যামবাজারে এসে ড্রাইভার যেই জিজ্ঞেস করল, “আভি কিধার সাব?” ছোটমামা অমনি বললেন, “ডাইনা!” ব্যাস। চলে গেলেন টালার দিকে। খানিক বাদে রাস্তার পাশে একটা বিরাট গম্বুজ দেখে তার খেয়াল হল, এটা তো কলেজ স্ট্রিটের দিকের রাস্তা নয়। ড্রাইভারকে তিনি বললেন, “ইধার কহে লে আয়া? আঁ?” ড্রাইভারকে বকাবকি করে গাড়ি ঘুরিয়ে নিতে বললেন তক্ষুনি। খানিক বাদেই ছোটমামা আবার অন্যমনস্ক। শ্যামবাজারে এসে ট্যাক্সি ড্রাইভার ফের জিজ্ঞেস করল, “বলিয়ে, আভি কিধার?” ছোটমামা গম্ভীরভাবে বললেন, “ডাইনা!” ব্যাস, কলেজ স্ট্রিটের বদলে ট্যাক্সি চলে গেল অন্য দিকে।

    এ রকম যে কতবার হয়েছে তার ঠিক নেই!

    কারও ঠিকানা খুঁজে বার করতে হলেই ছোটমামার পক্ষে দারুণ বিপদ। উনি রাস্তার বাঁ দিকের বাড়িগুলো একদম দেখবেন না। দু’দিকে দুটো গলি থাকলে ঠিক ডান দিকে বেঁকবেন।

    সবচেয়ে মজা হল ওঁর নিজের কলেজে।

    বাবলুর এই ছোটমামার নাম হারানচন্দ্র রক্ষিত। বেশ নামকরা লোক। অঙ্ক আর জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে তিনখানা বই লিখেছেন। সেই বই এখনও অনেকে পড়ে। সেই বইগুলো যে-প্রকাশক ছাপিয়েছেন, তার বেশ সুবিধে। ছোটমামাকে পয়সা দিতে হয় না। দোকানটা কলেজ স্ট্রিটের বা ফুটপাথে কিনা। ছোটমামা ডান দিকটা খুঁজে খুঁজে সেই দোকানের সন্ধান না পেয়ে ফিরে আসেন।

    ছোটমামা যে অঙ্কে এত ভাল, তার কারণ, সব অঙ্কই ডান দিক থেকে শুরু করতে হয়। যদি অঙ্ক জিনিসটা বাঁ দিক থেকে শুরু হত, তা হলে ছোটমামার বোধহয় লেখাপড়া শেখাই হত না।

    ছোটমামা একটা কলেজে অঙ্কের অধ্যাপক। ওঁর প্রথম ক্লাসটা থাকে তিনতলায়, সিড়ি দিয়ে উঠেই বা দিকের ঘরে। প্রায় প্রত্যেক দিনই ছোটমামা খুব ব্যস্তসমস্ত হয়ে সিড়ি দিয়ে উঠে ডান দিকের ঘরটায় ঢুকে পড়বেন। সেখানে তখন সেকেন্ড ইয়ারে ইংরিজির ক্লাস হবার কথা। ছেলেরা ছোটমামাকে দেখেই চেঁচিয়ে ওঠে। “হারান-স্যার আজ আবার ঘর হারিয়ে ফেলেছেন।”

    অনেক দিন এ রকম হবার পর কলেজের প্রিন্সিপাল ঘর দুটো বদলে দিলেন। ছোটমামার প্রথম অঙ্কের ক্লাসটা ডান দিকের ঘরেই হবে। তাতেও খুব সুবিধে হল না। কারণ, ছোটমামার দ্বিতীয় ক্লাসটা দোতলায়। প্রথম ক্লাসটা শেষ করে ঘর থেকে বেরিয়েই ছোটমামা ডান দিকে হাঁটতে শুরু করেন। সিড়ি পড়ে রইল বাঁ দিকে। ডান দিকের লম্বা বারান্দাটায় একেবারে শেষ কিনারায় গিয়ে ছোটমামা আপন মনে বলে ওঠেন, “দুর ছাই, সিড়িটা গেল কোথায়?”

    ছোটমামার এই ডান দিকে বাঁকার রোগ নাকি সেই একেবারে ছেলেবেলা থেকে। বাবলুর দিদিমা বলেন, “নিশ্চয়ই বাচ্চা বয়সে ওর দিকে কোনও ডাইনি নজর দিয়েছিল, তাই ডান দিকে ছাড়া আর কিছু চেনে না।”

    বাবলুর মা তাই শুনে বলেছিলেন, “তোমাকেও মা বলিহারি। তুমি কেন ছোড়দার নাম হারান রেখেছিলে? তাই তো ছোড়দা সব সময় হারিয়ে যায়?”

    বাবলু বলেছিল, “ভাগ্যিস পদবিটা রক্ষিত। তাই ছোটমামা শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেয়ে যান।”

    এই ছোটমামাকে কখনও কলকাতার বাইরে যেতে হলে আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে কেউ-না-কেউ সঙ্গে যায়। নইলে ছোটমামা বারবার দিক ভুল করে সব কাজ পণ্ড করে ফেলবেন।

    একবার ছোটমামাকে যেতে হল মুর্শিদাবাদে। ওখানে ছোটমামাদের খানিকটা জমি আছে। মুর্শিদাবাদে আর যাওয়া হয় না, জমিটাতে চাষবাসও করা হয় না, এমনি-এমনি পড়ে আছে বলে ছোটমামা ঠিক করেছেন, এ জমি গভর্নমেন্টকে দান করে দেবেন। চিঠিপত্র লিখে সব ঠিকঠাক হয়ে গেছে, শুধু। মুর্শিদাবাদে গিয়ে সেটলমেন্ট অফিসে ছোটমামাকে সই করে আসতে হবে। সঙ্গে যাবার আর কেউ নেই। তাই ঠিক হল বাবলু যাবে। বাবলুর পরীক্ষা সবে শেষ হয়েছে, স্কুল ছুটি।

    বাবলুর বয়স চোদ্দো বছর, সে একা-একা রাস্তাঘাট চিনে যেতে পারে, সে ঠিক ছোটমামাকে সামলাতে পারবে।

    প্রথমেই তো গোলমাল হল শিয়ালদায় গিয়ে।

    প্ল্যাটফর্মের দু’পাশে দুটো ট্রেন দাড়িয়ে। ছোটমামা গেট দিয়ে ঢুকেই গটমট করে উঠে পড়লেন ডান দিকের ট্রেনটায়। বাবলু ছোটমামার হাত ধরে টেনে নামিয়ে এনে বলল, “এ কী করছ ছোটমামা? এটা তো যাবে দার্জিলিং! আমাদের মুর্শিদাবাদ লোকাল ওই বাঁ দিকেরটা।”

    ছোটমামার একটা গুণ এই যে, ভুল ধরিয়ে দিলে তিনি তক্ষুনি তা মেনে নেন। একগাল হেসে বললেন, “তাই তো, খুব ভুল হয়ে গিয়েছিল তো! গরম কোট সোয়েটার আনিনি, এই অবস্থায় কি দার্জিলিং যাওয়া যায়? তোর খুব কষ্ট হত!”

    বাবলু ছোটমামাকে নিয়ে উঠে বসল বাঁ দিকের ট্রেনটায়। বলাই বাহুল্য, ছোটমামা বসলেন ডান দিকের জানলার পাশে।

    তিন-চারটে স্টেশন পেরুবার পর সেই কামরায় উঠলেন টিকিট চেকার। টিকিট ছোটমামার কাছে। ছোটমামা পরে আছেন ধুতি-পাঞ্জাবির ওপর একটা পাতলা জহর-কোট। মুখে চুরুট। ছোটমামা চুরুটটা নামিয়ে রেখে বললেন, “দিচ্ছি!”

    তারপর ছোটমামা জহর-কোটের পকেট, পাঞ্জাবির পকেট সব খুঁজলেন। তারপর বললেন, “এই রে, টিকিট বোধহয় তা হলে ভুল করে বাড়িতে ফেলে রেখে এসেছি।”

    বাবলু সব নজর রাখছিল। বাঁ দিকের জানলার কাছ থেকে উঠে এসে সে খপ করে ছোটমামার পাঞ্জাবির বাঁ পকেটে হাত ঢুকিয়ে দিল। অমনি পাওয়া গেল টিকিট।

    ছোটমামা বললেন, “তাই তো! ইশ, মনেই পড়েনি।”

    টিকিট চেকারটি কেমন যেন অবাকভাবে তাকালেন ছোটমামার দিকে।

    একটু বাদে বাবলুকে কাছে ডেকে ছোটমামা কানে কানে ফিসফিস করে গোপন কথা বলার মতন ভঙ্গি করে বললেন, “শোন বাবলু, তোকে একটা কাজের কথা বলি। মুর্শিদাবাদ স্টেশনে নেমে কিন্তু বাঁ দিকে গেলে সেটলমেন্ট অফিস। ভুল করে ডান দিকে চলে গেলে কিন্তু অনেক ঘুরপাক খেতে হবে!”

    বাবলু অবাক। ছোটমামার তা হলে মাঝে-মাঝে বাঁ দিকের কথাও মনে থাকে দেখা যাচ্ছে।

    অবশ্য এর পর দু’বার ছোটমামা বাথরুমে যেতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এলেন। বাথরুমটা কামরার বা দিকে। দু’বারই বাবলু আবার ছোটমামার হাত ধরে বাথরুমের কাছে নিয়ে গেল।

    মুর্শিদাবাদ স্টেশনে নেমে একটা সাইকেল রিকশায় চেপেই ছোটমামা বললেন, “ডাহিনা চললা!”

    বাবলু বলল, “বাঃ, তুমি যে নিজেই বলেছিলে যে, সেটলমেন্ট অফিস বাঁ দিকে।”

    ছোটমামা বললেন, “তাই বলেছিলাম বুঝি? চল তা হলে। অবশ্য ডান দিক দিয়েও যাওয়া যায়। তোরা বুঝিস না, শুধু ডান দিকে ঘুরেও পৃথিবীর সব জায়গায় যাওয়া যায়। এটা হল সিম্পল ম্যাথমেটিক্স!”

    যাই হোক, সেটলমেন্ট অফিসের কাজকর্ম খুব সহজেই মিটে গেল। ফেরার ট্রেন আবার রাত্তিরে। কিন্তু ছোটমামা আগেই ঠিক করেছেন, এক-দু’দিন : এখানে হোটেলে থেকে বাবলুকে মুর্শিদাবাদের সব ভাল-ভাল ঐতিহাসিক জায়গা ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে দেখাবেন।

    সই-টই করে বেরিয়ে আসবার পর ছোটমামা বললেন, “আগে একবার আমাদের জায়গাটা দেখে এলে হয় না? দিয়েই তো দিলাম, একবার শেষ দেখা দেখে নিই! ছোটবেলায় ওখানে অনেকবার এসেছি। অনেকখানি জমির সঙ্গে একটা ছোট বাড়ি আছে, পুকুর আছে, পেয়ারা গাছ আছে…।”

    বাবলু বলল, “হ্যা চলো, সেই জায়গাটা দেখে আসি। পেয়ারা গাছে পেয়ারা হয়?”

    ছোটমামা বললেন, “হ্যা, হবে না কেন? আমি ছোটবেলায় গাছে চড়ে কত পেয়ারা পেড়েছি। ডান দিকের একটা ডালে এই অ্যাতো বড়-বড় পেয়ারা!”

    একটা সাইকেল-রিকশায় উঠে ছোটমামা ডান দিকে না বলে বললেন, “চলো কাটারা মসজিদের দিকে। ওখানে গেলেই আমি ঠিক চিনতে পারব।”

    কাটারা মসজিদের কাছে এসে রিকশাওয়ালা জিজ্ঞেস করল, “বাবু, এবার কোন্ দিকে?”

    ছোটমামা বললেন, “ওই তো ডান দিকে একেবারে সোজা রাস্তা।”

    ডান দিকে খানিকটা যাবার পর রাস্তাটা এক জায়গায় বাঁ দিকে বেঁকে গেছে। সেখানে পৌঁছেই। ছোটমামা বললেন, “ও দিকে নয়, ও দিকে নয়, আবার ডান দিকে।”

    বাবলু বলল, “ছোটমামা, ডান দিকে তো রাস্তা নেই, শুধু মাঠ। বাঁ দিকেই যেতে হবে নিশ্চয়ই।”

    ছোটমামা বললেন, “তুই থাম্ তো। আমি স্পষ্ট চিনতে পারছি। তুই খালি বাঁ দিকে যেতে চাস। আমার ডান দিকে ঘোরা রোগের মতন তোরও কি বাঁ দিকে ঘোরা রোগ হয়ে গেল নাকি? যখন সত্যিই ডান দিকে যাওয়া দরকার, তখনও বাঁ দিকে যেতে হবে?”

    বাবলু থতমত খেয়ে চুপ করে গেল।

    এবড়োখেবড়ো মাঠের ওপর দিয়ে সাইকেল রিকশাটা লাফাতে লাফাতে চলল। আরও খানিকটা যাবার পর রিকশাওয়ালা বলল, “বাবু, আর কোথায়? এ দিকে যে ধু-ধু মাঠ!”

    ছোটমামা প্রবল উৎসাহের সঙ্গে বললেন, “আরে, তুমি চলোই-না! যে তালগাছটা দেখছ, ওর। ডান দিকে গেলেই…”

    তালগাছের কাছে এসেও বাড়ি-ঘর কিছুই দেখা গেল না। তখন রিকশাওয়ালা জানাল যে, সে আর যেতে পারবে না।

    ছোটমামা নেমে পড়ে বললেন, “ঠিক আছে, এর পর আমরা হেঁটেই যাব।”

    বাবলু বলল, “ছোটমামা, এর পর আমরা ফিরব কী করে? রাস্তাই তো চিনতে পারব না!”

    ছোটমামা বললেন, “তুই আয়না! মুর্শিদাবাদের সব আমার চেনা।”

    রিকশাওয়ালার ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে ছোটমামা হনহন করে হাঁটতে লাগলেন। ডান দিকে দূরে কতকগুলো গাছপালা দেখা যাচ্ছে, ছোটমামার মুখ সেই দিকে। বাবলুও বাধ্য হয়েই পেছন পেছন চলল।

    মিনিট দশেক হাঁটার পর সেই গাছগুলোর মধ্যে একটা বাড়ি দেখা গেল।

    ছোটমামা বলল, “ওই যে দ্যাখ! দেখলি, আমি বলেছিলাম না যে, ঠিক চিনতে পেরেছি জায়গাটা। ওই তো আমাদের বাড়ি।”।

    কাছে গিয়ে বোঝা গেল, একসময় বেশ শৌখিন বাড়ি ছিল, সামনে পুকুর আর বাগান। এখন অনেক কিছুই ভেঙেচুরে গেছে, আগাছা গজিয়েছে চারদিকে। দেখলেই বোঝা যায়, এবাড়িতে অনেক দিন কোনও মানুষ থাকে না।

    ছোটমামা ভাঙা পাঁচিলের পাশ দিয়ে বাগানে ঢুকে বাড়িটার দিকে চেয়ে রইলেন কিছুক্ষণ। তারপর ঘাড় চুলকোতে-চুলকোতে বললেন, “হু-উ-উ, এই তো সেই বাড়িটা। অবশ্য তখন একতলা ছিল, এখন দোতলা হয়ে গেছে। তা তো হবেই, অনেক দিন অযত্নে পড়ে ছিল কিনা!”।

    বাবলু ফিক করে হেসে ফেলল। অযত্নে পড়ে থাকলে বুঝি একতলা বাড়ি দোতলা হয়ে যায়?

    ছোটমামা বললেন, “পুকুরটাও গোল ছিল, এখন চৌকো হয়ে গেছে…দেখাশোনা করার কেউ নেই

    বাবলু জিজ্ঞেস করল, “পেয়ারা গাছ কোথায়?”

    “কেন, পুকুরের ডান দিকে, দু-তিনটে পেয়ারা গাছ আছে।”

    বাবলু সে দিকে দৌড়ে চলে গেল। তারপর অনেক খুঁজল। সেখানে অনেক ঝোপঝাড়, দু’-একটা আম আর জামগাছ থাকলেও পেয়ারা গাছ একটাও নেই।

    বাবলু চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল, “ছোটমামা, কোন ডান দিকে?”

    “তার মানে?”

    “এখান থেকে আমার ডান দিকে, না ওখান। থেকে তোমার ডান দিকে?”

    “এবার তোর ডান দিকটায় খুঁজে দ্যাখ!”

    সমস্ত বাগান তন্নতন্ন করে খুঁজেও বাবলু কোনও ‘ পেয়ারা গাছ দেখতে পেল না।

    ছোটমামার কাছে ফিরে এসে বাবলু বলল, “দেখা তো হল, এবার ফিরে চললা!”

    ছোটমামা বললেন, “দেখলি, বলেছিলাম কি না, কী সুন্দর বাড়ি আর বাগান! যাক শেষ দেখাটা হয়ে গেল। ছোটবেলায় এখানে কত খেলা করেছি! আর একটা জিনিস দেখা বাকি আছে।”

    ‘কী?

    “যে-ঘরটায় আমি শুতাম, সেই ঘরটা সিঁড়ি দিয়ে উঠেই ডান দিকের ঘর, রং-পেনসিল দিয়ে দেয়ালে আমার নাম লেখা। চল, তোকে দেখাচ্ছি।”

    বাবলু আবার হেসে ফেলল, ছোটমামা যে সম্পূর্ণ কোনও ভুল বাড়িতে এসেছেন, তাতে তার কোনও সন্দেহই নেই।

    বাড়িটার সামনের দিকে কয়েক থাক চওড়া সিড়ি, তারপর মস্ত বড়’রক, তার ওপাশে একটা লম্বা হলঘর। দরজা-জানালা সবই ভাঙা।

    ছোটমামা সিড়ি দিয়ে ওপরে উঠে এসে বললেন, “হু-উ-উ, এই বারান্দাটা আগে ছিল না বটে, সে যাই হোক, ভেতরের ডান দিকের ঘরটা… নিশ্চয়ই দেখবি দেয়ালে আমার নাম লেখা আছে এখনও।”

    হলঘরটা পেরিয়ে ভেতরে গিয়ে ছোটমামা ডান দিকের ঘরের দেয়ালে মনোযোগ দিয়ে নিজের নাম খুঁজছেন, এমন সময় বাবলু একটা আওয়াজ পেয়ে চমকে উঠল। মানুষের গলার আওয়াজ। খু-খু-খুঁ শব্দে কে যেন কাঁদছে।

    বাবলু শিউরে উঠল একেবারে। প্রথম থেকেই তার সন্দেহ হয়েছিল, এ বাড়িতে ভূত আছে।

    সে ছোটমামার জামা চেপে ধরে বলল, “শুনতে পাচ্ছ?”

    ‘কী বল তো ওটা?”

    ‘আওয়াজটা কোথা থেকে আসছে?”

    “হাওয়া-টাওয়া হবে বোধহয়। চল তো দেখা যাক।”

    সে-ঘর থেকে বেরিয়ে এসে আওয়াজটা আরও জোরে শোনা গেল। এবার বোঝা গেল আওয়াজ হচ্ছে ভেতর দিকের বাঁ দিকের একটা ঘর থেকে। একমাত্র সেই ঘরটার দরজা অক্ষত আছে, সেই দরজার বাইরে তালা বন্ধ।

    ছোটমামা বললেন, “ব্যাপারটা ভাল করে দেখতে হয়। চল তো!”

    সেই ঘরের দরজায় কান পেতে ওরা শুনতে পেল একটা বাচ্চা ছেলের মতন গলা। অনেকটা যেন দমবন্ধ-মতন অবস্থায় কাদছে।

    দরজা ঠেলে একটু ফাঁক করে ভেতরে তাকিয়ে আরও চমকে উঠল বাবলু।

    ঘরের মেঝেতে শুয়ে আছে একটা বাচ্চা ছেলে, তার হাত-পা-মুখ বাঁধা। তার সামনে একটা ভাতের থালা, জলের গেলাস। ছেলেটা ওদের দিকেই

    ব্যাকুল চোখে তাকিয়ে আছে।

    বাবলু বলল, “ছোটমামা, কী ব্যাপার?”

    “তাই তো! ছেলেটাকে কে এখানে বেঁধে রেখে গেছে?

    “তালাটা ভাঙা যায় না?”

    “দরজাটাও পুরননা। আয় দুজনে মিলে ঠেলি।”

    দু’জনে মিলে একসঙ্গে খুব জোরে ধাক্কা দিতেই দরজাটার একটা পাল্লা খুলে গেল। বাবলু সঙ্গে সঙ্গে ভেতরে ঢুকে ছেলেটার মুখের বাঁধন খুলে দিয়ে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কে? তোমাকে এখানে এই অবস্থায়…”

    ছেলেটা বলল, “পরে বলব… পরে সব বলব। আমাকে ওরা মেরে ফেলবে। আপনাদেরও দেখতে পেলে মেরে ফেলবে। শিগগির আমাকে এখান থেকে নিয়ে চলুন।”

    ছোটমামা চটপট ছেলেটার হাত আর পায়ের বাঁধন খুলে দিতে-দিতে জিজ্ঞেস করলেন, “ওরা মানে কারা?”

    ছেলেটা বলল, “ডাকাত! আমাদের বাড়ি থেকে আমাকে চুরি করে এনেছে। আমাদের বাড়ি চন্দননগর। তিন দিন আমাকে এখানে.. শিগগির চলুন, এক্ষুনি ওদের কেউ এসে পড়বে।”

    ছেলেটা নিজেই তিরের মতন দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে এল। ছোটমামা আর বাবলুও ছুটতে লাগল ওর সঙ্গে সঙ্গে।

    মাঠের মধ্যে অনেকটা ছোটার পর পিছনে ধপ করে একটা শব্দ হতেই বাবলু মুখ ফিরিয়ে দেখল সেই বাড়িটার পাশ থেকে দুটো যণ্ডামার্কা লোক ওদের দিকে তেড়ে আসছে আর ইট ছুঁড়ছে।

    বাবলু বলল, “আরও জোরে ছোটো, ছোটমামা, ওরা আসছে!”

    ছেলেটা বলল, “ওদের কাছে বন্দুক আছে।”

    ছোটমামা বললেন, “এঁকে-বেঁকে ছোট, এঁকে-বেঁকে, তা হলে ওরা টিপ করতে পারবে না।”

    সেই তালগাছটার কাছে এসে ছোটমামা জিজ্ঞেস করলেন, “এবার কোন দিকে রে বাবলু? ডান দিকে তো?”

    বাবলু বলল, “না, এবার বাঁ দিকে গেলেই বড় রাস্তা।”

    “ঠিক বলেছিস।”

    ওরা বড় রাস্তায় পৌঁছে আবার পেছন দিকে তাকাল। তখন আর ডাকাতদের দেখতে পাওয়া গেল না।

    ৪ জানুয়ারি ১৯৮১

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }