Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আতাপুরের দৈত্য – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    আতাপুরের দৈত্য – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    বিকেলে বেড়াতে বেরিয়ে আতাপুরের হরি সামন্ত কুটিবাড়ির জঙ্গলে সেদিন যাকে দেখলেন তাকে দেখার কথাই নয়। কারণ, রাক্ষস-খোক্কস বা দৈত্য-দানব দুনিয়াতে আছে বলে কেউ বিশ্বাস করে না। হরি সামন্তর বয়স একাশি, ডান হাঁটুতে বাত, হার্টেরও একটু গোলমাল আছে। কুটিবাড়ির জঙ্গল ডানহাতে রেখে পালপাড়ার শিবপদ সরখেলের বাড়িমুখো যাচ্ছিলেন। সরখেল মস্ত হোমিওপ্যাথ, তার চেম্বারেই বিকেলে একটা আড্ডা বসে। দিব্যি ফুরফুরে শরতের বিকেল, চারদিকে নরম রোদ ঝলমল করছে।

    চোখের ভুল নয়, হরি সামন্ত ডান পাশে মুখ ঘোরাতেই দেখেন, একটা শিমুল গাছের ডালে হাত রেখে কে একজন দাঁড়িয়ে রয়েছে। লোকটার মাথা দোতলার সমান উঁচুতে। হাত, পা, বুক, পেট সমেত অন্তত দশটা দশাসই জোয়ানকে যোগ করলে যা হয় তার মাপ। পরনে একটা লেংটির মতো জিনিস, আদুর গা। হরি সামন্ত হাঁ করে চেয়ে দেখলেন। এদিকে কোথাও ভীম পুজো হয় বলে তিনি জানেন না, তা হলে জঙ্গলে এই ভীমের মূর্তি ফেলে রেখে গেল কে? ভাবতে ভাবতেই দেখলেন, মূর্তি নয়। প্রকাণ্ড লোকটা হঠাৎ ঘাড় ঘুরিয়ে তার দিকে কটমট করে তাকাল। তদ্দণ্ডেই হরি সামন্তর নাড়ি ছাড়বার কথা। বুকের মধ্যে হৃৎপিণ্ডটা একটা ডিগবাজি খেল, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে এল, শরীর কাঁপতে লাগল ঠকঠক করে। দৈত্যটা হঠাৎ মড়াত করে গাছের একটা মস্ত ডাল ভেঙে সেটা মুগুরের মতো বাগিয়ে ধরতেই হরি সামন্ত পাঁই পাঁই করে ছুটতে লাগলেন প্রাণের ভয়ে। এই বয়সে পায়ে বাত আর দুর্বল হৃৎপিণ্ড নিয়ে যে তিনি এরকম ছুটতে পারেন তা তার ধারণার বাইরে ছিল।

    যখন সরখেলের বাড়িতে এসে দমাস করে পড়লেন তখনই প্রাণবায়ু বেরিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু বেরোল না। একটু জিরিয়ে নিয়ে দেখলেন, এখনও মরেনি। তবে তাঁর কথা আর কেউই বিশ্বাস করল না। শিবপদ বলে ফেলল, সেই কবে থেকে তো আপনাকে চোখের ছানিটা কাটিয়ে আনতে বলছি, কথা কানেই তুলছেন না।

    হরি সামন্ত খ্যাঁক করে উঠলেন, “আমার বাঁ চোখে ছানি, কিন্তু ডান চোখ কী দোষ করল?”

    কেউ বিশ্বাস না করলেও ঘটনাটা নিয়ে আলোচনা হল। তবে সাব্যস্ত কিছুই হল না। কুটিবাড়ির জঙ্গল মোটেই ভাল জায়গা নয়। জঙ্গলের ও পাশে একটা খাল আছে। সুন্দরবনের বাঘ খাল পেরিয়ে ওই জঙ্গলে এসে ঘাপটি মেরে থাকে। সুযোগ বুঝে গাঁয়ে ঢুকে গোরু, ছাগল, মানুষ নিয়ে যায়। ফেরার সময়ে আজ আর কেউ জঙ্গলের পাশের রাস্তা ধরলেন না। দল বেঁধে বাজারের পথ ধরে ফিরলেন।

    দিনতিনেক বাদেই সকালবেলায় তিনজন কাঠকুড়ানি মেয়ে জঙ্গলে ঢুকেছিল। হঠাৎ আলুথালু হয়ে তারা চেঁচাতে চেঁচাতে গাঁয়ে এসে ঢুকল, “রাক্ষস! রাক্ষস! মেরে ফেলল গো…।”

    দু’দিনের মধ্যেই গাঁয়ের মোড়ল শ্যামকান্ত তার হারানো গোরু খুঁজতে জঙ্গলে ঢুকে পড়ে দাঁতকপাটি লেগে পড়ে রইল। জ্ঞান হওয়ার পর সেও কবুল করল, জঙ্গলে সে একটা বিকট চেহারার দানবকে দেখেছে।

    আতাপুরে হইহই পড়ে গেল।

    ঘনঘন মিটিং বসতে লাগল। শ্যামপুকুর থানা থেকে দারোগাবাবু গদাধর মল্লিক খবর পেয়ে নিজে এসে তদন্তে নামলেন। পুলিশ ফোর্স নিয়ে জঙ্গলে ঢুকে খানিকটা ঘুরেও দেখলেন। দানবের দেখা না পেলেও জঙ্গলের নরম মাটিতে কিছু অতিকায় পায়ের ছাপ দেখা গেল। মানুষের পায়ের ছাপের মতোই দেখতে, কিন্তু বিশাল আকৃতির।

    গদাধরবাবুর ভ্রূ কুঁচকে গেল, মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ। বললেন, “কোনও লোক যদি রসিকতা করে এ কাণ্ড না করে থাকে তবে বলতেই হবে যে, ব্যাপারটা খুবই রহস্যময়। আমি গ্রামের নিরাপত্তার জন্য দু’জন সেপাই মোতায়েন করে যাচ্ছি। ব্যাপারটা আরও খতিয়ে দেখতে হবে।”

    সেই রাত্তিরে দুই সেপাই যদু আর লক্ষ্মণ চণ্ডীমণ্ডপের দাওয়ায় বসে মশা তাড়াতে তাড়াতে গল্প করছিল। হঠাৎ যদু বলে উঠল, “আচ্ছা লক্ষ্মণদা, ওই গম্বুজটা হঠাৎ একটু নড়ে উঠল কেন বলো তো! ভূমিকম্প হচ্ছে নাকি?”

    “গম্বুজ! দূর ব্যাটা এখানে গম্বুজ কোথায়?”

    ‘তা হলে ওটা কী?”

    বলা বাহুল্য এর পর দু’জনেরই বাক্য হরে গেল। গম্বুজ নয়, তবে গম্বুজের মতোই বিশাল একটা ছায়ামূর্তি রায়দিঘির ধার দিয়ে নিঃশব্দে এগিয়ে এল। একটা কুঁড়েঘরের কাছে এসে মূর্তিটা হাঁটু গেড়ে বসে রইল খানিকক্ষণ।

    কাঁপা গলায় যদু বলল, “লক্ষ্মণদা, দেখতে পাচ্ছ?”

    “পাচ্ছি।”

    “ভুল দেখছি না তো?”

    “না রে।”

    “কী করবে এখন?”

    “কিচ্ছুটি নয়। চুপ মেরে বসে থাকো। ওই কুঁড়েঘরটায় একটা বুড়ি থাকে। বোধহয় বুড়িটাকে খাবে।”

    “ও বাবা!”

    দৈত্য কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইল, তারপর ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়িয়ে চারদিকে একটু চেয়ে দেখল। একটা থামের আড়াল থেকে ঘাপটি মেরে দৃশ্যটা দেখতে দেখতে ভয়ে হিম হয়ে যাচ্ছিল দুই সেপাই। দৈত্যটা অবশ্য দেখতে পেল না। যে পথে এসেছিল সেই পথেই আবার চলে গেল।

    বেশ কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে ছিল দু’জন। এবার লক্ষ্মণ বলল, “চল রে যদু, বুড়ির কী হল একবার দেখে আসি।”

    “চলো, যাই।”

    দরজায় বেশ কয়েক বার ধাক্কাধাকি আর ডাকাডাকির পর বুড়ি উঠে দরজা খুলে বলল, “কে বাবারা? ডাকাত হও চোর হও, আগেই বলছি, এবাড়িতে কিছু পাবে না। ইচ্ছে হলে ঢুকে তল্লাশি নিতে পারো। আর যদি আমাকে খুনটুন করতে চাও তো বাছা তাতেও কেউ বাধা দেবে না। আমি বড় দুঃখী মানুষ, মরতে পারলেই বাঁচি।”

    যদু বলল, “বুড়িমা, আমরা বদ লোক নই। আমরা সেপাই, ওই রাক্ষসটা তোমার ঘরের কাছেই ঘাপটি মেরে ছিল যে একটু আগে।”

    বুড়ি বিন্দুমাত্র ভয় না-পেয়ে বলল, “তা হবে বাছা। পোড়া কপাল আমার, নইলে আমাকে খেয়ে যেত। তা তোমরা কারা? এ গায়ে তো তোমাদের কখনও দেখিনি।”

    “আমরা পুলিশের লোক, রাত জেগে গাঁ পাহারা দিচ্ছি।”

    বুড়ি খুবই ভালমানুষ। যত্ন করে তাদের দাওয়ায় পিঁড়ি পেতে বসাল। কয়েকটা করে নাড়ু আর জল খেতে দিল। কথায় কথায় জানা গেল, বুড়ির তিন কুলে কেউ নেই। অন্ধের নড়ি একটা ছেলে ছিল, সেও বছর দুই হল নিরুদ্দেশ। লোকে বলে, তাকে বাঘে খেয়েছে। তাই হবে। সে-সময়ে এখানে খুব বাঘের উপদ্রব ছিল বটে!

    পরদিন সকালে সারা গায়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল, দৈত্যটা গাঁয়ে ঢুকেছিল শুনে। গাঁয়ের বিস্তর লোক পোঁটলা-পুঁটুলি বেঁধে কেউ মামার বাড়ি, কেউ শ্বশুরবাড়ি, কেউ পিসি বা মাসির বাড়ি, কেউবা তীর্থ করতে বেরিয়ে পড়ল। এই বিপদের মধ্যে থাকা ঠিক নয়। দুপুরের মধ্যেই গাঁ বেশ সুনসান হয়ে গেল। যারা রয়ে গেল তারা সব ঘরদোর মজবুত করার কাজে লেগে গেল। লাঠি, বল্লম, ছোরা, কুড়ুল, বন্দুক, যার যা ছিল সব বের করল। ঠিক হল রাতে দল বেঁধে গাঁয়ে টহল দেওয়া হবে। ঘণ্টা, শাঁখ, বাঁশি ইত্যাদিও তৈরি রাখা হল, দৈত্যটাকে যে দেখবে সে-ই বাজিয়ে অন্য সবাইকে জানান দেবে।

    এর পর দিনকয়েক আর দানবটার কোনও পাত্তা পাওয়া গেল না। লোকজনের আতঙ্কটাও একটু চাপা পড়তে লাগল। রাতের পাহারাতেও ঢিলেমি দেখা যেতে লাগল। শীত পড়তে লেগেছে, এখন কারই বা রাত জাগতে ভাল লাগে?

    বুড়ি এক রাত্তিরে তার ময়লা কাঁথাখানি জড়িয়ে ঘুমোচ্ছে। নিশুত রাতে বুড়ি একটা গলা শুনতে পেল, “ও মা, মা গো! ঘুমোচ্ছিস নাকি? আমার যে বড় খিদে পেয়েছে!”

    বুড়ি ধড়মড় করে উঠে বসল। এ যে তার নন্দর গলা। তার ছেলে নন্দ, যাকে কিনা বাঘে খেয়েছে। বুড়ি আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি উঠে দরজা খুলল। তারপর হাঁ হয়ে রইল। নন্দ নয়, এ সেই দানবটা, যার কথা সবাই বলাবলি করে।

    বুড়ি অবশ্য ভয় পেল না, এ দুনিয়ায় তার ভয় পাওয়ার আর কিছুই নেই। বুড়ি নরম গলায় বলল, “তুমিই বুঝি সেই রাক্ষস! তা ভাল। কী চাও বাছা?”

    দানব হাঁটু গেড়ে বসে আছে, তাতেও তার মাথা ঘরের চাল ছুঁয়েছে। দৈত্য বলল, “মা, আমাকে চিনতে পারছিস না তো! দোষ নেই তোর। আমি নন্দ।”

    “নন্দ!” বলে বুড়ি ফের হাঁ, “তুই যে রোগা প্যাকাটির মতো ছিলি বাবা।”

    “আর বলিসনে মা। রোগা থেকে মোটা হতে গিয়েই তো বিপদ হল। কিছু খেতে দিবি মা। সাত দিন ধরে জঙ্গলের ফলপাকুড় খেয়ে আছি, ভয়ে গাঁয়ে ঢুকতে পারি না।”

    “আয়, বাবা, আয়।” বলতে বলতে বুড়ি আনন্দে কেঁদেই ফেলল। দানব হোক, দৈত্য হোক, শত হলেও এই তো তার হারানো ছেলে। একটু সামলে নিয়ে বলল, “বাবা, লোকে দেখতে পেলে তোকে মারবে। তুই ভেতরের উঠোনে চলে যা। উঠোনের পেছন দিকে বড় কসাড় ঝোপ আছে। তার আড়ালে বসে থাক। আমি খেতে দিচ্ছি।”

    কসাড় ঝোপের আড়ালে নিশুত রাতে মায়েপোয়ে অনেক সুখ-দুঃখের কথা হল। নন্দ বলল, কুটিবাড়ির জঙ্গলে একজন অদ্ভুত লোক থানা গেড়েছিল। গাছপাতা দিয়ে নানারকম ওষুধ-বিষুধ তৈরি করত। তার কাছে মোটা হওয়ার ওষুধ চাইতে গিয়েছিল নন্দ। লোকটা তাকে কুটিবাড়ির আস্তানায় রেখে দিল আর রোজ ওষুধ খাওয়াতে লাগল। ফলে ধীরে ধীরে আড়ে দীর্ঘে বাড়তে লাগল নন্দ। বাড় যখন খুব বাড়াবাড়িতে দাঁড়িয়ে গেল, তখনই লোকটা একদিন দুপুরে জঙ্গলে শেকড় খুঁজতে গিয়ে বাঘের খপ্পরে পড়ল। দুদিন বাদে তার আধখাওয়া শরীরটা খালধারে দেখেছিল নন্দ। যত দিন লোকটা বেঁচে ছিল তত দিন একটা ভরসা ছিল তার। লোকটা কথা দিয়েছিল, চিকিৎসা করে তাকে আবার স্বাভাবিক গঠনে ফিরিয়ে আনবে। চেষ্টাও করছিল। আর হল না। মাসখানেক আগে লোকটা মারা যাওয়ার পর নন্দ আর জঙ্গলে থাকতে ভরসা পাচ্ছে না। আজকাল তার মায়ের কথাও খুব মনে হয়।

    বুড়ি ঘরে যা ছিল—পান্তা ভাত, নাড়ু, মোয়া, এক হাঁড়ি গুড়, খানিকটা চাল ভাজা—এই সব নিয়ে ছেলেকে খেতে দিল। নন্দ বলল, “আমার শরীরটা বড় বলে যেন ভাবিসনে যে, আমি অনেক খাই। আমার পেটটা আগের মতোই আছে। তবে খোরাকটা একটু বেড়েছে।”

    বুড়ি ছেলের পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে অশ্রু বিসর্জন করতে লাগল। বলল, “গাঁয়ের লোকেরা তোকে দেখে ভয় পাবে ঠিকই প্রথমটায়, কিন্তু আমি ওদের বুঝিয়ে বলব’খন যে, এ-আমার নন্দ।”

    নন্দ মাথা নেড়ে বলল, “ও কাজ করিসনি। ওরা বিশ্বাস করবে না, তোকে ডাইনি বলে পুড়িয়ে মারবে।”

    “তা হলে?”

    “উপায় একটা করতে হবে। দাঁড়া, ভেবে দেখি। কী কুক্ষণে যে মোটা হওয়ার সাধ হয়েছিল!”

    এই সব কথা যখন হচ্ছে তখন হঠাৎ একটা টর্চের আলো এসে নন্দর মুখের ওপর পড়ল। আর সঙ্গে সঙ্গে আর্ত চিৎকার। তার পরই সারা গায়ে কাঁসর, ঘণ্টা, শাঁখ, ঢোল, খোল, সব বেজে উঠল। আর লোকজন সব তেড়ে এল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে।

    নন্দ পালাতে গিয়েও পালাল না। মার দিকে চেয়ে বলল, “আমার গায়ে খুব জোর। আমি এদের সবাইকে ছিঁড়ে ফেলতে পারি। জঙ্গলে আমি চার-পাঁচবার বাঘের মুখে পড়ি। আমার কিল খেয়েই বাঘ পালিয়ে গেছে। তিনবার সাপে কামড়েছে। এত বড় শরীর বলে বিষে কাজ হয়নি তেমন। আমার ক্ষমতা অনেক, কিন্তু এরা যদি তোর কোনও অনিষ্ট না করে, তা হলে আমিও এদের ক্ষতি করতে চাই না মা।”

    ও দিকে চারদিক থেকে মশাল, টর্চ নিয়ে মেলা লোক আসছে। বিরাট হইহই কাণ্ড। বুড়ির বাড়ির চারদিকে যখন সবাই জড়ো হল তখন বুড়ি বেরিয়ে এসে মোড়লমশাইয়ের দিকে চেয়ে বলল, “খুব তো তেজ দেখছি। দৈত্য যদি তাড়া করে, তা হলে পালাতে পথ পাবে?”

    মোড়লমশাই একটু পিছিয়ে দাঁড়িয়ে বললেন, “তা সে দৈত্যটা কোথায়! এখানেই নাকি দেখা গেছে!”

    বুড়ি বলল, “এখানেই আছে বাছা। তবে বেশি হইচই করলে সে কিন্তু তোমাদের চিবিয়ে খেয়ে ফেলবে।”

    মোড়লমশাই ভয় খেয়ে বলল, “ওরে বাবা, তা সে কোথায় ঘাপটি মেরে আছে? রেগেটেগে যাচ্ছে না তো।”

    বুড়ি মাথা নেড়ে বলে, “চিন্তা নেই গো। আমি মায়ের কাছে মন্ত্র শিখেছিলুম ছেলেবেলায়। সেই মন্ত্রে নাকি রাক্ষসও বশ থাকে। এত কাল বিশ্বাস করিনি। তা হঠাৎ এই দানবটা এসে হাজির হওয়ায় মন্ত্রটা জপ করতেই বশ মেনেছে। তবে আগেই বলে রাখছি বাছা, তোমরা যদি তার ক্ষতি করতে চাও তা হলে কিন্তু মন্ত্র তুলে নেব।”

    সবাই ভয় পেয়ে সমস্বরে বলে উঠল, “না না, আমরা কোনও ক্ষতি করব না।”

    মোড়ল গলাটা একটু খাটো করে বলল, “দূর থেকে এক ঝলক একটু দেখতে পাব কি?”

    বুড়ি বলল, “তা পাবে। তবে লাঠিসোটা অস্ত্রশস্ত্র সব ফেলে দিয়ে এসো।”

    মশাল আর টর্চের আলোয় কসাড় বনের মধ্যে একটু আবছায়ায় দানবকে দেখে গাঁ-সুদ্ধু লোক একেবারে স্তম্ভিত হয়ে গেল। ভয়ে সকলের হাত-পা ঠান্ডা। বুড়ি অভয় দিয়ে বলল, “গোলমাল কোরো না কেউ। ধীরে ধীরে ঘরে ফিরে যাও। ওটি এখন আমার কাছেই থাকবে।”

    সবাই ফিরে গেল। কিন্তু কয়েক দিন সাংঘাতিক উত্তেজনা রইল গ্রামে। চারদিকে খবর ছড়িয়ে পড়তে দেরি হল না। ফলে দৈত্য দেখতে ভিড়ও হতে লাগল খুব।

    নন্দ এক রাতে মাকে বলল, “মা, এ তো বড় মুশকিল হল। এত লোক আমাকে দেখতে আসে, আমার যে লজ্জা করে বড়।”

    বুড়ি বলল, “লোকে দেখে বলে লজ্জা কীসের? যারা বড়মানুষ হয় তাদের দিকে সকলের নজর থাকে।”

    নন্দ কাহিল গলায় বলল, “কিন্তু আমি তো বড়মানুষ নই রে মা। আমি হলাম অদ্ভুত মানুষ। মানুষ বলে লোকে মনেই করছে না।”

    বুড়ি বলে, “অত ভাবিসনে, সময় একটু বয়ে যাক। লোকে সয়ে নেবে।”

    সয়ে অবশ্য লোকে নিল না। তবে মহালক্ষ্মী সার্কাসে ভাল চাকরি পেয়ে গেল নন্দ। দু’হাতে পয়সা রোজগার করে দোতলা বাড়ি বানিয়ে ফেলল গাঁয়ে। মাকে বিছেহার গড়িয়ে দিল। খাট-পালঙ্ক কিনল। জমি-জিরেত কিনল, তার চেয়ে বড় কথা, নন্দর নামটাও খুব ছড়িয়ে পড়ল চারধারে।

    ২৬ ডিসেম্বর ১৯৯০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }