Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝুনুমাসির বিড়াল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঝুনুমাসি একদম বেড়াল পছন্দ করতেন না। বেড়ালরা নাকি বড় নোংরা হয়। তারা যখন-তখন ছাদে যায়, ছাইগাদার ওপর ঘোরে, আবার সুযোগ পেলেই টুক করে বিছানার ওপর লাফিয়ে ওঠে। বেড়ালরা এমনই আদুরে যে, বিছানায় না শুলে তাদের ঘুমই আসে না। একদিন তো ঝুনুমাসি তাঁর বিছানার ওপর কোথাকার একটা উটকো বেড়ালকে দেখে একেবারে কেঁদেই ফেলেছিলেন।

    সেই বেড়ালই একদিন ঝুনুমাসিকেই জব্দ করে দিল।

    বাড়ির কাজের লোকদের ঝুনুমাসি হুকুম দিয়ে রেখেছিলেন, বাড়ির ত্রিসীমানায় যেন বেড়াল না আসে! বেড়াল দেখলেই তাড়াতে হবে। একটা গোঁফওয়ালা হুঁড়িমুখো বেড়াল প্রায়ই জানলা দিয়ে উকি মারে, আমরা হইহই করে সেটাকে তাড়া করে যাই!

    এত পাহারা-টাহারা দিয়েও শেষ পর্যন্ত কিছু করা গেল না। এর মধ্যেই একদিন সকাল বেলা কী করে যেন একটা বাচ্চা-বেড়াল ঢুকে গেল। ফুটফুটে সাদা রং, টুলটুলে দুটি চোখ, ছোট্ট সেই বেড়ালটা প্রায় একটা উলের বলের মতন ঝুনুমাসিরই খাটের কাছে লাফালাফি করছে।

    ঝুনুমাসি একেবারে আঁতকে উঠলেন। চ্যাঁচামেচি করে ডাকলেন সবাইকে। বললেন, “এক্ষুনি তাড়াও, এক্ষুনি বিদেয় করো হতভাগাকে!”

    আমরা হ্যাট হ্যাট, হুশ হুশ করলাম। বেড়ালটা যাবার নামই করে না। আমাকে হাততালি দিতে দেখে সে ভাবল বুঝি সেটা একটা খেলা। অমনি হাততালির সঙ্গে সঙ্গে ডিগবাজি দিতে লাগল। তাই দেখে ঝুনুমাসির ছেলে পন্টু হেসে ফেলতেই ঝুনুমাসি তাঁর দিকে কটমট করে তাকালেন। তাঁরপর বললেন, “হাসছিস কী! তোর হাসি দেখলে ও লাই পেয়ে যাবে না? সুখন, বিলু, জটার মা, তোমরা বেড়ালটাকে তাড়াতে পারছ না?”

    বেড়ালকে তো ভয় দেখালেই পালায়। কিন্তু এই বেড়ালছানাটা যে একটুও ভয় পাচ্ছে না। আমরা যতই তাড়া করি, ততই সে মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে খেলা দেখায়। ও বোধহয় এখনও ভয় পেতেই শেখেনি। সুখনের হাতে মস্ত বড় একটা ডান্ডা, কিন্তু ওইটুকু বেড়ালকে তো আর মারা যায় না! সুখন লাঠিটা নিয়ে ওর পাশে ঠুকতে লাগল। তাতেও ভয় পায় না। ফুড়ুত ফুড়ুত করে তালে তালে লাফায়।

    ছোটমাসি বললেন, “উসকো কান পাকাড়কে বাইরে ফেলে দাও।”

    বেড়ালটাকে হাতে করে তুলে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। কে তুলবে। সবাই তাই ভাবছে। এমন সময় বেড়ালটা ধপাস করে পাশ ফিরে শুয়ে চোখ বুজে একেবারে স্থির হয়ে গেল।

    ঝুনুমাসি ভয় পেয়ে গেলেন। চেঁচিয়ে বললেন, “ওমা, বেড়ালটা মরে গেল নাকি? বাড়িতে বেড়াল মরলে যে ভীষণ পাপ হয়! এই সুখন, তুই ওইটুকু প্রাণীটাকে লাঠি দিয়ে মারলি?”

    সুখন জিভ কেটে বলল, “না মাইজি, মা কালীর দিব্যি, আমি একবারও ওকে মারিনি! শুধু ভয় দেখিয়েছি!”।

    “তা হলে মরে গেল কী করে? অত বেশি ভয় দেখালি কেন, নিশ্চয়ই হার্ট ফেল করেছে।”

    পন্টু বলল, “মরেনি মা, চোখ পিটপিট করছে।”

    ঝুনুমাসি ধমক দিয়ে বললেন, “মরেনি, কিন্তু মরতে কতক্ষণ! কী অলুক্ষুনে কাণ্ড! বাড়িতে বেড়াল মরে যাবে? কত পাপ হবে!”

    আমি বললাম, “মরবে কেন? এতক্ষণ খেলা করে হাঁপিয়ে গেছে, তাই জিরিয়ে নিচ্ছে।”

    ছোটমাসি তক্ষুনি হুকুম দিলেন, “জটার মা, শিগগির এক বাটি দুধ নিয়ে এসো। দুধ খেয়ে সুস্থ হয়ে নিক, তাঁরপর ওকে ভালয়-ভালয় বাড়ির বাইরে রেখে আসবে।”

    জটার মা একটা এনামেলের বাটিতে খানিকটা দুধ নিয়ে এল। ঝুনুমাসি সেটা দেখেই আবার বকুনি দিয়ে উঠলেন, “ওইটুকু দুধে বেড়ালের পেট ভরে? বেড়াল কি তোমার-আমার মতন ভাত খায়? তোমাকে কিপ্টেমি করতে কে বলেছে?”

    আবার বাটি ভরে আনা হল। দুধের গন্ধ পেয়েই বেড়ালছানাটা গা ঝাড়া দিয়ে উঠল। তারপর দুধ খেতে লাগল চুকচুক চুকচুক শব্দ করে। আমরা গোল হয়ে ঘিরে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম।

    সবটা দুধ শেষ করে সে খুব আরাম করে জিভ চাটল খানিকক্ষণ। পন্টু বলল, “মা, এবার আমি ওকে রাস্তায় ফেলে আসব?”

    ঝুনুমাসি বললেন, “রাস্তায় নয়, ফুটপাথে। দেখিস খুব সাবধানে, যেন গাড়ি-টাড়ি চাপা না পড়ে।”

    কিন্তু তার আগেই বেড়ালটা এক কাণ্ড করল। সে এক দৌড়ে গিয়ে ঝুনুমাসির পায়ে মাথা ঘষতে লাগল। এবং এই প্রথম সে খুব মিষ্টি করে আস্তে ডাকল, মিউ-উ!

    তখনই আমরা বুঝে গেলাম। ওটা মোটেই বেড়ালছানা নয়। ছদ্মবেশী কোনও মহামানব। ও নিশ্চয়ই মানুষের ভাষা জানে। না হলে কী করে বুঝল যে, ঝুনুমাসিই ওকে তাড়াতে চাইছে।

    ততক্ষণে ঝুনুমাসি একেবারে গলে জল হয়ে গেছেন। পা সরিয়ে নিলেন না। নরমভাবে বললেন, “আহা রে, মা ষষ্ঠীর জীব, বড় মায়া লাগে! রাস্তাঘাটে কোথায় গিয়ে মরবে! থাক, এখন থাক।”

    সেই থেকে বেড়ালছানাটা থেকেই গেল। ঝুনুমাসির সব ঘেন্না চলে গেছে। এখন তিনি উল বুনতে বসলেই বেড়ালটা লাফিয়ে এসে তাঁর কোলে বসবে। পন্টুর চেয়েও তাঁর আদর অনেক বেশি।

    প্রথম ক’দিন তাঁর অনেকগুলো নাম রাখা হয়েছিল। মিনি, পুষি, বিধুমুখী, পুঁচকি, গুলগুলি, ভুলভুল, দুষ্টু, মিষ্টি—এইসব। শেষ পর্যন্ত তার নাম হল ফ্লসি। ইংরিজি নামটা ঝুনুমাসিরই বেশি পছন্দ। লোকে কুকুর পুষলেই ইংরিজি নাম দেয়, বেড়ালেরই বা কেন ইংরেজি নাম হবে না? বেড়াল কি কুকুরের চেয়ে কম?

    ফ্লসি সারা বাড়ি তুরতুর করে ঘুরে বেড়ায়। সে খুব শৌখিন, কক্ষনও ননাংরা থাকে না। সব সময় সেজে-গুজে ফুটফুটে। ঝুনুমাসি তাকে মাছের কাঁটা খাওয়াবার অভ্যেস করাননি। মাছের কাঁটা ওরা মুখে করে এখানে-সেখানে নিয়ে গিয়ে নোংরা করে। তাই ফ্লসিকে শুধু দুধ খাওয়া অভ্যেস করানো হল। কখনও-সখনও এক-আধ টুকরো মাছ তাকে দেওয়া হয় বটে, তাও কাঁটা বেছে, যাতে সেটা খাওয়ার টেবিলের নীচেই শেষ করে।

    ফ্লসি সত্যিই মানুষের কথা বোঝে। বাড়িতে লোকজন এলে ঝুনুমাসি যেই বলেন, “ফ্লসি, একটু নাচ দেখাও তো!” অমনি সে দু হাত তুলে দাঁড়ায়। তাঁরপর টেবিলের একেবারে পাশে একটা বিস্কুট রেখে দিলে সে লাফিয়ে উঠে সেটাকে মুখে করে নেয়। সকলেই অবাক হয়ে যায়। ঝুনুমাসি গর্বের সঙ্গে বলেন, ‘এত সুন্দর বেড়াল থাকতে কেন যে লোকে কুকুর পোষে, তাও তো বুঝি না!”

    প্রথম-প্রথম সে যেখানে-সেখানে, এমনকী দরজার সামনে হিসি করে দিত। ঝুনুমাসি একদিন তার কান ধরে ছাদে নিয়ে গিয়ে একটা কোণ দেখিয়ে বলেছিলেন, “এইটা তোর বাথরুম, বুঝলি পোড়ারমুখী! ফের যদি অন্য জায়গা নোংরা করবি…”

    কী আশ্চর্য, তাঁরপর থেকে ফ্লসি ঠিক ছাদেই বাথরুম করতে যায়!

    এক বছরের মধ্যে ফ্লসি বেশ বড় হয়ে উঠল। দারুণ সুন্দর হয়েছে চেহারা। রাজকুমারীর মতন সে সগর্বে বারান্দার রেলিংয়ের ফুটোয় মুখ বাড়িয়ে রাস্তা দেখে। কক্ষনও সে রাস্তার বাজে বেড়ালদের সঙ্গে মেশে না। সবচেয়ে মজার হচ্ছে তার চোখ দুটো। তার দুটো চোখ দু’রকম—একটা নীল, আর একটা হলদে। তোমরা বিশ্বাস করছ না? সত্যি এরকম হয়। আমার নিজের চোখে দেখা।

    সেবার পুজোর ছুটিতে বাইরে বেড়াতে যাবার সময়েও ঝুনুমাসি ফ্লসিকে সঙ্গে নিয়ে গেলেন। বাড়িতে একা-একা সে কার কাছে থাকবে? ঝি-চাকররা যদি যত্ন না করে? প্রথমে কথা ছিল দার্জিলিং যাবার। কিন্তু বেড়াল কি অত ঠান্ডা সহ্য করতে পারবে? বেশি শীতে যদি ফ্লসির লোম উঠে যায়? তাই মত বদলে ঝুনুমাসি দার্জিলিং না গিয়ে ঘুরে এলেন পুরী থেকে।

    ঝুনুমাসিরও এক মাসি আছেন। তাঁর নাম টুনুমাসি। ইনিও কিন্তু খুব বড় নন। ঝুনুমাসিরই প্রায় সমান বয়েসি। এই টুনুমাসি অনেক দিন ধরে থাকেন দিল্লিতে, কয়েক দিনের জন্য এসেছেন কলকাতায়। একদিন বেড়াতে এলেন ঝুনুমাসির বাড়িতে। অনেক দিন পরে এসেছেন তো, তাই সকলেরই খুব আনন্দ। কথা বলতে বলতে তিনি বসবার ঘরের সোফার ওপর বসে পড়েই ভয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন, “ওরে বাবারে, একী?”

    কেউ লক্ষ করেনি, ফ্লসি শুয়ে ছিল সোফার এক কোণে। এ বাড়ির সব জায়গায় তাঁর অবাধ অধিকার। টুনুমাসি না দেখে বসে পড়েছেন ফ্লসির গায়ের ওপর। ফ্লসিও ভয় পেয়ে ডেকে উঠছে মা-অ্যা-ও!

    টুনুমাসি তাড়াতাড়ি উঠে পড়ে বললেন, “এ ম্যাগো! একটা বেড়াল এলো কোখেকে! অ্যাঁঃ? দেখলেই ঘেন্না লাগে। এই যা, যাঃ!”

    ফ্লসি যাবে কেন? তাঁর জ্ঞান হবার পর কেউ তো কখনও তাকে তাড়িয়ে দেয়নি। সে গ্যাঁট হয়ে বসে রইল। টুনুমাসি তখন ফ্লসির ঘাড় ধরে তুলে বেশ জোরে ছুঁড়ে দিলেন মাটিতে। বললেন, “যা, বেরোঃ! দূর হ!”।

    আমরা সবাই আড়ষ্ট হয়ে রইলাম। ফ্লসির এরকম অপমান! কেউ কোনও দিন তাকে ছুঁড়ে ফেলেনি। ঝুনুমাসির মুখখানা থমথমে।

    টুনুমাসি বললেন, “কলকাতাতে বড্ড বেশি বেড়াল। আমাদের দিল্লিতে এ-উৎপাত নেই! বেড়াল দেখলেই আমার এমন ঘেন্না করে।”

    ঝুনুমাসি বললেন, “তুমি অত জোরে ছুঁড়ে দিলে? যদি পা-টা ভেঙে যায়!”

    “ওদের আবার পা ভাঙবে! ছাদ থেকে ফেলে দিলেও মরে না! সারা বাড়ি নোংরা করে, অসুখ- বিসুখ ছড়ায়।”

    এক বছর আগে ঝুনুমাসিরও ঠিক এই মতই ছিল। সেটা যে এর মধ্যে বদলে গেছে সেটা আর টুনুমাসি জানবেন কী করে! সুতরাং তিনি আরও কিছুক্ষণ বেড়ালের নিন্দে করে গেলেন। ঝুনুমাসি শুধু একবার বললেন, “সব বেড়াল এক রকম হয় না!”

    যাই হোক, একটু বাদেই টুনুমাসি দিল্লির গল্প শুরু করতেই বেড়ালের কথা চাপা পড়ে গেল। আমরা সবাই রাত দশটা পর্যন্ত গল্পে মশগুল হয়ে রইলাম।

    সে-রাত্রে আর ফ্লসিকে খুঁজে পাওয়া গেল না। টুনুমাসি তাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবার পর সে দৌড়ে ঘর থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। আর তাকে দেখা যায়নি। অনেক রাত পর্যন্ত আমরা ফ্লসিকে খোজাখুঁজি করলাম। ঝুনুমাসি কান্নাকাটি শুরু করে দিলেন।

    পরের দিনও ক্লসি ফিরে এল না। তার পরের দিনও না। একেবারে উধাও হয়ে গেছে।

    বেড়ালেরও কি অভিমান হয়? আমাদের সকলের সামনে, এমনকী ঝুনুমাসির সামনেই একজন তাকে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিল। তক্ষুনি তো আমরা কেউ তাকে কোলে তুলে নিয়ে আদর করিনি।! সেই অভিমানে ফ্লসি চিরদিনের মতন বাড়ি ছেড়ে চলে গেল?

    আমরা পাগলের মতন খোঁজাখুঁজি করলাম কয়েক দিন। ঝুনুমাসি সব সময় কান্নাকাটি করছেন। আমাদের মধ্যে একমাত্র পল্টুই তেমন ভালবাসত না ফ্লসিকে। এখন তার মায়ের অবস্থা দেখে দেখে সে নিজেও ফ্লসিকে ফিরিয়ে আনার সব রকম চেষ্টা করল। কিন্তু কোথাও তাকে দেখতেই পাওয়া গেল না।

    দিন সাতেক বাদে ঝুনুমাসি আমাদের কারুকে না জানিয়ে কাগজে একটা বিজ্ঞাপন দিলেন।

    ফ্লসি, ফিরে এসো!

    তোমায় আর কেউ কোনও দিন মারবে না।

    তুমি যা চাও তাই পাবে

    তোমার জন্য আমি শয্যাশায়ী!

    ইতি তোমার মা

    ঝুনু

    সেই বিজ্ঞাপন পড়ে সবচেয়ে বেশি হাসলেন ঝুনুমাসির বর। আমাদের ছোটমেসসা। তিনি ঝুনুমাসিকে বললেন, “তুমি তো তোমার বেড়ালকে অনেক কিছুই শিখিয়েছিলে জানি! তাকে কি খবরের কাগজ পড়তেও শিখিয়েছিলে নাকি? তার চেয়ে বলো, পুলিশের মধ্যে আমার অনেক বন্ধুবান্ধব আছে, তাদের খবর দেব?”

    এই সময় ঠাট্টা-ইয়ার্কি ঝুনুমাসির একদম ভাল লাগে না। তিনি কান্নায় ফোঁস ফোঁস করতে করতে বললেন, “জানি, তুমি তো ফ্লসি মরে গেলেই খুশি হও! সে কি রাস্তায়-ঘাটে হাঁটতে শিখেছে কখনও। না জানি এত দিনে তাঁর কী হয়েছে!”

    শেষ পর্যন্ত ছোটমেসোই লিখে দিলেন খবরের কাগজে আর একটা বিজ্ঞাপন:

    হারাইয়াছে! হারাইয়াছে!

    একটি ফুটফুটে সাদা রঙের বিড়াল

    কপালে শুধু টিপের মতন একটি কালো দাগ

    ল্যাজ ঠিক আড়াই ইঞ্চি মোটা

    বয়েস এক বছর এক মাস

    খুব শান্ত স্বভাব, মাছের কাঁটা খায় না

    কেহ সন্ধান দিলে একশো টাকা পুরস্কার!

    সেই বিজ্ঞাপন পড়ে দলে দলে লোক আসতে লাগল। প্রত্যেকেরই কোলে একটি বা দুটি বেড়াল, কেউ কেউ থলেতে ভরে অনেকগুলো বেড়ালছানাও আনে। গেটের কাছে আমি, পন্টু আর সুখন মিলে একটি কমিটি বসালাম। সব বেড়াল পরীক্ষা করে দেখি। ফ্লসির মতন সুন্দর একটাও নয়।

    ঝুনুমাসিকে নিয়েই হল মুশকিল। উনিও আমাদের কমিটিতে থাকতে চান। তার ফল হল সাংঘাতিক।

    দুপুরের দিকে তিনটে ছেলে এল, সঙ্গে একটা জাঁদরেল খয়েরি রঙের বেড়াল। মুখখানা দারুণ রাগী-রাগী। তাকে জোর করে ধরে রাখা হয়েছে।

    একটি ছেলে ঝুনুমাসিকে দেখেই বলল, “মাসিমা, আপনার বেড়াল হারিয়েছে? এই নিন!”

    ঝুনুমাসি তিন পা পিছিয়ে গিয়ে বললেন, “এটা তো আমার বেড়াল নয়।”

    “তাতে কী হয়েছে। বেড়াল তো সবই এক!”

    “না, না, আমি আমার সেই বেড়ালটাই শুধু চাই!”

    “নিন না, সস্তা করে দিচ্ছি! আপনি একশো টাকা পুরস্কার দেবেন বলেছিলেন তো? পঞ্চাশ টাকা দিন, তা হলেই এটা ছেড়ে দেব!”

    “না, অন্য বেড়াল আমার চাই না!”

    “তা হলে পঁচিশ টাকা দিন। আচ্ছা, দশ টাকা?”

    “বলছি তো, অন্য বেড়াল নেব না আমি!”

    ছেলেটি এবার নিরাশ ভাবে বলল, “নেবেন না? ঠিক আছে, তা হলে এটাকে লেকের জলে ডুবিয়ে মারব!”

    ঝুনুমাসি ভয় পেয়ে বললেন, “কী করবে?”

    “জলে ডুবিয়ে মারব।”

    “কেন, মেরে ফেলবে কেন?”

    “এটা সাংঘাতিক বদমাস! যেখানেই ছেড়ে দিই, ঠিক বাড়ি ফিরে যাবে! একবার হাওড়ায় ছেড়ে দিয়ে এসেছিলাম। একবার ব্যারাকপুরে। তাও রাস্তা চিনে ফিরে এসেছে! উঃ! এ পর্যন্ত সাতাশখানা মাছ ভাজা চুরি করেছে। একে মারব না?”

    ঝুনুমাসি ধমক দিয়ে বললেন, “না, মারবে না ভগবানের জীবকে কেউ কখনও এমনি-এমনি মারে?”

    দশ টাকা দিয়ে সেই বিশ্রী বিড়ালটা রাখতে হল আমাদের।

    এর পরে এল একজন বুড়ো-মতন লোক। সঙ্গে দুটো বেড়াল। তার মধ্যে একটাকে দেখতে প্রায় ফ্লসিরই মতন। আমরা খুব উৎসাহী হয়ে উঠলাম। কপালে সেই কালো রঙের দাগটা পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু পন্টু সেই জায়গাটায় আঙুল দিয়ে ঘষতেই দেখা গেল রং উঠে আসছে। ওটা এঁকে আনা হয়েছে। তা ছাড়া ফ্লসি কখনও আমাদের দেখে ফ্যাঁচফ্যাঁচ করে?

    ধরা পড়ে যাওয়ায় বুড়ো লোকটি একটু দুঃখিত ভাবে বললেন, “যাঃ, তাও মিলল না। সারা শহর খুঁজে খুঁজে সাদা বেড়াল ধরে আনলাম!”

    তারপর তিনি বেড়াল দুটোকে মাটিতে ছেড়ে দিয়ে বললেন, “যাঃ, যা!”

    আমরা বললাম, “এ কী! এখানে বেড়াল ছেড়ে দিচ্ছেন কেন? এখানে ছাড়া চলবে না!”

    লোকটি এবার রেগেমেগে বললেন, “তা হলে কি আমি ফেরত নিয়ে যাব নাকি? বেড়াল কি কেউ কখনও ফেরত নেয়? কোনও দিন শুনেছেন?”

    সে বেড়াল দুটোও রয়ে গেল এ বাড়িতে। সন্ধের মধ্যে দশ-বারোটি বেড়াল জমে গেল। অনেকেই বেড়াল নিয়ে এসে আর ফেরত নিয়ে যায় না। একশো টাকার পুরস্কারের লোভে রাস্তার ছেলেরা এক-একটা বেড়াল ধরে আনছে রাস্তা থেকে। পুরস্কার না পেয়ে রাগের চোটে সে-বেড়াল ছেড়ে যাচ্ছে এ-বাড়িতেই। দু’-একটা অবশ্য এদিক-ওদিক পালিয়ে গেল। কিন্তু ঝুনুমাসি সব কটার জন্য দুধ বরাদ্দ করে দিলেন। তিনি নিজে থেকে কোনও বেড়ালই তাড়াবেন না!

    সন্ধেবেলা দু’জন প্যান্ট-পরা লোক একটা টেম্পো ভর্তি করে নিয়ে এল একশো পঁচিশটা বেড়াল। শাড়ির দোকানে যেমন একটা শাড়ি পছন্দ না হলেই সঙ্গে সঙ্গে আর-একটা শাড়ি বার করে দেখায়, ওরাও তেমনি এক-একটা বেড়ালের ঘাড় ধরে তুলে জিজ্ঞেস করে, “এটা আপনাদের? এটা নয়? তা হলে এটা?”

    এক-এক করে একশো পঁচিশটা বেড়ালই দেখা হল। কোনওটাই ফ্লসি নয়! লোক দুটো কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, “তা হলে আর কী হবে! চলো হে গঙ্গাচরণ!”

    ঝুনুমাসি জিজ্ঞেস করলেন, “আপনারা এত বেড়াল পেলেন কোথা থেকে? এগুলো নিয়ে কী করবেন?”

    একটা লোক বলল, “আমরা লেবরেটরিতে সাপ্লাই দিই!”

    “লেবরেটরিতে? সেখানে কী হয়?”

    “সেখানে বেড়ালের ওপর নানা রকম ওষুধ দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এদের কেটেকুটে দেখা হয়। আমরা পার পিস তিন টাকা করে বিক্রি করি।”

    “পার পিস মানে?”

    “এক-একটা তিন টাকা। ভাবলুম, আপনারটা যদি মিলে যায়, তা হলে একশো টাকা পাওয়া যাবে!”

    “তাঁর মানে এতগুলো বেড়ালকে আপনারা মারতে পাঠাচ্ছেন! নামান! গাড়ি থেকে নামান সবগুলোকে!”

    সে এক-প্রায় পাগলের কাণ্ড! সারা বাড়িতে প্রায় দেড়শো বেড়াল। কুনুমাসির ধারণা, তাঁর ফ্লসিকেও নিশ্চয়ই কেউ লেবরেটরিতে চালান দিয়েছে। তিনি আমাদের বলতে লাগলেন, “যা, সব লেবরেটরি দেখে আয়। যেখানে যত বিড়াল দেখবি কিনে নিয়ে আয়।”

    ছোটমেসো বাত্তিরে বাড়ি ফিরে প্রায় নাচতে লাগলেন। কোথাও পা ফেলার উপায় নেই। সব জায়গায় বিড়াল। তিনি ঝুনুমাসিকে বললেন, “তুমি পাগল হয়েছ, না আমি চোখের ভুল দেখছি? এ কখনও হয়? এটা বাড়ি, না চিড়িয়াখানা? হাটাও, সব কটাকে হাটাও!”

    ঝুনুমাসি বললেন, ‘আমি যদি থাকি, তা হলে বেড়ালও থাকবে!”

    সারা বাড়িতে ম্যাও মিঁয়াও ক্যাঁও কিঁও চিঁউ ওয়াঁও এই রকম নানারকম ডাক। কত রকম সাইজের কত রকম রঙের বেড়াল। এর মধ্যে মানুষের থাকা সত্যি অসম্ভব। আমরা ভাবলুম, ঝুনুমাসির জন্য ডাক্তার ডাকব কি না!

    রাত্তিরে খেতে বসারও উপায় নেই। খাবার টেবিলের চার পাশে দেড়শো বেড়াল। অনেকগুলোই লাফিয়ে টেবিলে উঠে আসছে। সুখন একটা লাঠি নিয়ে সেগুলো তাড়াতে গেলেও যায় না!

    হঠাৎ ঝুনুমাসি চেঁচিয়ে উঠলেন, “ওই তো! চুপ, ওই তো, শোন।”

    সেই চিৎকারে সবাই চুপ করে গেল। এমনকী বেড়ালগুলো পর্যন্ত। আমরা শুনতে পেলাম, বন্ধ সদর দরজার বাইরে কে যেন মিষ্টি গলায় ডাকছে, মিঁউ!

    ঝুনুমাসি ছুট্টে গিয়ে দরজা খুলে দিলেন। অমনি ফ্লসি ভেতরে এসে ঝুনুমাসির পায়ে মাথা ঘষতে লাগল! ঝুনুমাসি তাকে কোলে তুলে নিয়ে একেবারে কেঁদে ফেললেন। তাকে আদর করে বলতে লাগলেন, “ওরে সোনা, তুই কোথায় গিয়েছিলি, তুই মায়ের ওপর রাগ করেছিলি? আহা তোর বুঝি খুব লেগেছিল সেদিন?”

    ঠিক মনে হচ্ছে মা মেয়ের অভিমান ভাঙাচ্ছে।

    অন্য বেড়ালগুলো ফ্লসির এই আদর মোটেই ভাল চোখে দেখল না। কয়েকটা বিচ্ছিরি চেহারার হুলো বেড়াল রীতিমতন রাগী চোখে তাকিয়ে রইল।

    ছোটমেসো বললেন, “যাক, পেয়েছ তো! তোমার আদরের বেড়ালকে পেয়েছ তো? এবার বাকিগুলো সব তাড়াও!”

    কিন্তু বেড়াল তাড়ানো কি সহজ? যে-বাড়িতে বেড়ালকে একবার আদর করে খাবার দেওয়া হয়েছে, সে-বাড়ি ছেড়ে তারা কিছুতেই যাবে না। ঝুনুমাসির কোলে চেপে ক্লসি খুব ভয়ে-ভয়ে তাকিয়ে আছে। এত বেড়াল সেও সহ্য করতে পারবে না।

    আমি সুখন আর পন্টু তিনটে লাঠি নিয়ে বেড়ালগুলোকে তাড়িয়ে তাড়িয়ে বাড়ির বাইরে পাঠাই। একটু বাদেই তারা ঠিক ফিরে আসে। একসঙ্গে অত বেড়ালকে আটকানো অসম্ভব। জানলা দিয়ে, ছাদ দিয়ে ফিরে আসবেই!

    আরও দুটো দিন এরকম অবস্থায় কাটাবার পর বোঝা গেল, একটা-কিছু ব্যবস্থা না করলে এ-বাড়িতে থাকাই অসম্ভব। রাস্তায় ঘাটে একসঙ্গে এত বেড়াল ছেড়ে আসা যায় না। লোকেরা আপত্তি করবে। শেষ পর্যন্ত একটা বুদ্ধি মেসোমশাই-ই বার করলেন। রং তুলি নিয়ে অনেকগুলো কাগজে পোস্টার লেখা হল:

    প্রদর্শনী, বিরাট প্রদর্শনী

    অভূতপূর্ব বিড়াল প্রদর্শনী

    ধর্মতলা কার্জন পার্কে আজ সন্ধে ছটায়

    আপনার গৃহপালিত বিড়াল আনুন

    প্রথম পুরস্কার এক হাজার টাকা

    আরও অন্যান্য অনেক পুরস্কার!

    এই পোস্টারগুলো মেরে দেওয়া হল কার্জন পার্কের কাছাকাছি সব রাস্তায়। তাঁরপর এ-বাড়ির সবকটা বেড়ালকে ধরে তোলা হল একটা লরিতে। ভোরবেলা সেই লরিভর্তি বেড়াল এনে ছেড়ে দিলাম কার্জন পার্কে। আমরা আর কেউ লরি থেকে নামলাম না পর্যন্ত। যদি কোনও বেড়াল পায়ে এসে আবার লুটিয়ে পড়ে!

    লরিটা ছাড়বার পর ছোটমেসো বললেন, “কার্জন পার্কে অনেক ইঁদুর আছে, বেড়ালগুলো ভাল থাকবে। তা ছাড়া প্রদর্শনীতে পুরস্কার পাওয়ার লোভে কেউ কেউ ওদের কটাকে পুষ্যিও নিতে পারে। মোট কথা, ব্যবস্থাটি বেশ ভালই হয়েছে, কী বলো?”

    বাড়ি ফিরে ঝুনুমাসিকে সব শোনাতে হল। ফ্লসি তাঁর কোলের কাছে শুয়ে। অন্য বেড়ালগুলো তাড়াবার জন্য ঝুনুমাসি খুব খুশি নন। সব শুনে-টুনে তিনি ফ্লসির গায়ে হাত বুলোতে বুলোতে বললেন, “সত্যি-সত্যি একটা বেড়ালের প্রদর্শনী যদি হত, তাহলে আমার ফ্লসিই নিশ্চয়ই ফার্স্ট হত! তাই না?”

    আমরা কেউ কোনও প্রতিবাদ করলাম না।

    ডিসেম্বর ১৯৭৫

    অলংকরণ: সুনীল শীল

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }