Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কপালের নাম গোপাল – আশাপূর্ণা দেবী

    কপালের নাম গোপাল – আশাপূর্ণা দেবী

    দুপুরবেলা রনিদার অফিস আওয়ারের সময় চুপিচুপি তার সাইকেলখানা না বলে চেয়ে নিয়ে মেলার মাঠের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ল দু’জনে। ভুচুং আর টনি।

    সাইকেল হাতানো ছাড়াও চুপিচুপির আরও একটা কারণ, প্রবল বাধার মুখে পড়ে যাওয়ার ভয়। এই ভরদুপুরে শেষ চৈত্রের চড়া রোদে মাইল চার-পাঁচ রাস্তা ভেঙে মেলার মাঠে যাওয়ার ফন্দি করছে ওরা, সেটি জানতে পারলে রক্ষে রাখবেন মেজোপিসিমা? …অর্থাৎ কিনা ভুচুংয়ের পিসিমা এবং রনি-টুনির মা সুধাময়ী!

    হইহই করে ওঠবার সময় তিনি তাঁর নামের মহিমার ধার ধারেন না। রোদে বেরোলেই যেন ওরা মোমের পুতুল হয়ে গিয়ে গলে যাবে! আশ্চর্য।

    অথচ ভদ্রেশ্বরের এই জমজমাটি চড়কের মেলাটি ঠিক শেষ চৈত্রের চড়া রোদের সময়ই হবে। তাই হয়ে আসছে বরাবর! আহা। মেলা বসাবার সময় নির্বাচনের ব্যাপারে মেলা কর্তৃপক্ষ যদি একবার সুধাময়ীর সঙ্গে বৈঠকে বসত!

    তা হলে আর এমনটি হত না।

    তা সে যা হওয়ার, যখন হয়েই আছে। এইসব চুপিচুপি লুকোচুরি ছাড়া গতি কী?

    ওঃ, নিজস্ব একটা সাইকেল থাকলে, ওরা রোদ পড়লে বিকেলেও বেরোতে পারত। মেলা তো রাত বারোটা পর্যন্ত চলে। বেশি রাতে আরও রমরমা।

    কিন্তু বিকেলটি হলেই সাইকেলের মালিক এসে হাজির হবে না?

    হেনস্থার কিছু বাকি থাকবে তখন?

    এমনিতেই ওই সাইকেল চড়াটি শিখতেই যা একটু-আধটু চোরাই কারবার করতে হয়েছে, তাতেই কম হেনস্থা হয়নি।

    কী করে যে টের পেয়ে যেত রনিদা! প্রমাণ লোপ করবার সবরকম ব্যবস্থা করেও ধরা পড়ে গেছে। তবু শেখাটা হয়ে গেছে।

    তবে টনি যতটা চৌখস, ভুচুং ততটা নয়!

    তাই সাবধানে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে সাইকেলকে হাঁটিয়ে-হাঁটিয়ে আমতলা পর্যন্ত এনে, টনি বলল, “এখন আমি চালাই, বুঝলি! ফেরার সময় তোর টার্ন!”

    বলেই লাফিয়ে চড়ে বসে বলল, “তুই আমার পেছনে আচ্ছা করে সেঁটে বোস। দেখবি যা একখানা দৌড় মারব! দশ মিনিটে মেলার মাঠে!”

    সত্যিই এই রোদের হলকা-লাগা গরম হাওয়ার দাপট ভেদ করে যা সাঁই-সাঁই করে কেটে বেরিয়ে যেতে লাগল টনি, দেখলে তাজ্জব! আহা, ভুচুং কবে এমনটা পারবে?

    তবে হ্যাঁ, যদি নিজের এক্তিয়ারে একখানা সাইকেল পাওয়া যায়, তা হলে প্রাণভরে প্র্যাকটিস করতে হবেই নিশ্চয়!

    তো সে সুদিন কি আসবে কখনও? এলে কবে? সে আর হয়েছে! ভুচুংয়ের যা ভাগ্য।

    ওমা! ভাবতে-ভাবতে দেখে, এসে পড়েছে মেলার মাঠে। এতক্ষণ যে কানে মেলার সেই বিখ্যাত ডুডুং ডুডুং গিজাং গিজাং বাদ্যিটি কানে আসছিল, তা খেয়ালেই আসেনি। সত্যিই টনি একেবারে সাইকেলখানাকে উড়িয়েই নিয়ে এসেছে।

    এ বারের মেলার প্রধান তাজ্জব হচ্ছে রোবট মানুষ।

    তাঁবুর মধ্যে ঢোকানো আছে। টিকিট কেটে দেখতে হবে। লাইন পড়েছে লম্বা। দু’ টাকা করে টিকিট!

    টনি বলে উঠল, “টু মাচ! তাই না ভুচুং? কী সাপ-ব্যাঙ দেখাবে, কে জানে। প্রতিবারই তো দেখা যায় ওই তাঁবুর আড়ালেই যত ফাঁকির কারবার। পাঁচপেয়ে গোরু, তিনঠেঙো মানুষ, ভূত-ভবিষ্যৎ বলে দেওয়া কাকাতুয়া, জীবনে শুকোবে না এমন স্বর্গীয় পারিজাত ফুল। আরও কত কী সব। বেশির ভাগই শেষপর্যন্ত ধরা পড়ে, স্রেফ ভাঁওতা ফক্কিকারি। হ্যাঁ, এই খোলা মাঠে যদি কিছু…”

    কথা বলতে-বলতে ভিড়ের ঠেলায় বিশাল মাঠটার একেবারে অন্য প্রান্তে এসে পড়ে ওরা। আর সেখানেই দেখে খোলা মাঠেই একটা কিছু হচ্ছে।

    একটা লোক ড্রাম পিটিয়ে-পিটিয়ে কী যেন বলে চলেছে, তাকে ঘিরে লোকারণ্য। ভিড়ের পেছন থেকে কিছুই দেখা যাচ্ছে না, তবে কান পেতে মন দিয়ে শুনে ঘোষণাটা বোঝা গেল।

    গলা ফাটিয়ে হেঁড়ে গলা চিরে যা বলে চলেছে লোকটা, তা হচ্ছে “পঞ্চাশ পয়সা। পঞ্চাশ পয়সা! মাত্র পঞ্চাশটি পয়সার বদলে একটি—দু’ চাকা পক্ষিরাজ ঘরে নিয়ে যান দাদা! মাত্র পঞ্চাশ পয়সা! এই পঞ্চাশ পয়সাতেই আপনার ভাগ্যটিও জেনে ফেলবেন। আসুন… এই যে এখানে!”

    “কী ব্যাপার রে টনি? জ্যোতিষী-ট্যোতিষি না কি?” বলল ভুচুং।

    টনি বলল, “তাই কি? দেখি তো সামনের লোকদের জিজ্ঞেস করে।”

    তা জানা গেল। একে-ওকে জিজ্ঞেস করে।

    মজা দেখে দাঁত বের করে ফিরে আসছেও অনেকে। তাদের কাছ থেকেই ব্যাপার উদ্ধার।

    জ্যোতিষী নয়, লটারি।

    একখানা সেকেন্ড হ্যান্ড সাইকেল বেচতে নামিয়েছে লটারি করে। পঞ্চাশ পয়সায় কুপন।

    এরাও হিহি করে হেসে বলে, “পঞ্চাশ পয়সায় একখানা সাইকেল! ‘ভাঙা লোহা বিককিরি-ই’ বলে চেঁচালেই হত!”

    খেয়াল করল না, তাতে আর ক’ পয়সা হত?

    ক্রমেই যেন ওই ড্যালাপাকানো ভিড়ের সঙ্গে ভিড় জমছে! অনেকেই যেন একটা কিছু করছে!

    হঠাৎ ড্রাম বাজিয়ে লোকটা ভিড় ঠেলে মাঠের এদিকে এসে চেঁচিয়ে ওঠে, “সেকেন্ড হ্যান্ড বলে— হেলা করবেন না স্যার। আমাদের পক্ষিরাজের এখনও যা কন্ডিশন দেখবেন ফার্স্ট হ্যান্ডের ঠাকুরদা! রংটাই যা একটু চটে গেছে, মেজাজটি চটেনি। ঠিক আছে!”

    অনেক লোক অনেক কথা বলছে। তার মাঝখান দিয়ে ওই লটারি কোম্পানির একটা লোক দু’ হাতে দুটো বেশ বড়সড় টিনের কৌটো নাচাতে-নাচাতে লোকের সামনে ধরছে। তাদের ঢাকনির খানিকটা কাটা।

    “এই যে দাদু, এই কৌটোয় পঞ্চাশটি পয়সা ফেলুন, আর এইটা থেকে দু’ আঙুলে টিপে ধরে কুপনটি তুলে নিন! … দেখুন! ভাগ্য আপনাকে কী দেয়—জিরো, না স্টার!”

    টনি একটু উত্তেজিত হয়ে বলে, “আয় ভুচুং, কিনেই নেওয়া যাক দু’জনে দুটো কুপন। পঞ্চাশটা পয়সা বই তো নয়!”

    আসলে ওইটাই ওই লটারি কোম্পানির চৌকস বুদ্ধির কৌশল!

    ভাঙা পুরনো জিনিস! তার জন্য নগদ একটা টাকা? লোকে চট করে পকেট থেকে বের করবে না। কিন্তু মাত্র পঞ্চাশটা পয়সা? মজা দেখতেও ভাববে, দেখা যাক!

    কিন্তু ওদের তো—তিল কুড়িয়ে তাল।

    এই মেলার মাঠে হাজার-দু’ হাজার খানেক লোক হয়েছে। দূর-দূর পাড়া থেকে। অন্য-অন্য গ্রাম থেকেও তো সবাই ভদ্রকালীর চড়কের মেলা দেখতে আসে।

    এত ড্রাম পেটা, এত গলাফাটানো, এত বাকচাতুরি কি বিফলে যাবে?

    সিকির সিকি লোকও যদি মজা দেখতে এগিয়ে আসে, তাও তো অনেক!

    লোকটা কাছাকাছি আসতেই কে একজন হেসে-হেসে বলে উঠল, “ও দাদা, যদি পক্ষিরাজই হয়, আর একদম নতুনের ঠাকুরদা, তা হলে পঞ্চাশ পয়সায় বিকোতে বসা হয়েছে কেন?”

    সঙ্গে-সঙ্গে চটপট জবাব, “আর কেন। মালিকের খেয়াল। সাইকেল বাতিল করে হোন্ডা কিনবেন। তাই লটারিতে চড়ানো। যথা লাভ!”

    “ভুচুং! আয় কিনেই ফেলি দু’জনে দুটো কুপন।”

    “কিন্তু জিনিসটা পাওয়া হবে কখন?”

    “তাই তো? পাওয়া যাবে কখন? কী ভাবে?”

    তো সেটাও জানা গেল। বিকেল পাঁচটা বাজলেই খেলা শেষ। সঙ্গে-সঙ্গে প্রাপ্তি!

    “এই এত-এত কুপনের নম্বর গোনাটা হবে কখন?”।

    “আরে, নম্বর গোনাগুনি আবার কী? নম্বর-ফম্বর বলে কিছু নেই। মেলার মাঠে কি রাজ্য লটারি-র নিয়মকানুন? সব কুপনই স্রেফ ফাঁকা সাদা এক টুকরো কাগজমাত্র।…তো সেরকম হাজার-দু’হাজার টুকরোর মধ্যে নাকি একটি টুকরোর ওপর লাল রঙে একটি স্টার আঁকা। সেইটিই যার ভাগ্যে উঠবে, তার লাক খুলে যাবে।”

    গ্রাম অঞ্চলের লোকজন সাইকেল খুব ভজে। ছেলের বিয়ে দিতে কনের বাবার কাছ থেকে একখানা সাইকেল চায়! তাই উৎসুক হচ্ছে অনেকেই। তা ছাড়া ওই লোকটার বাক্যবিন্যাস।

    “বুঝলেন সার, তারকা চিহ্ন। ওইটিই আপনাকে এনে দেবে পথ চলার একটি পরম সঙ্গী! সাইকেলই হচ্ছে গেরস্ত লোকের মারুতি, অ্যাম্বাসাডর, কনটেসা।”

    একটি লোক খ্যা-খ্যা করে হেসে বলে উঠল, “মন বুঝছে কোনও টুকরোর মধ্যেই ওই স্টার-চিহ্ন নাই হে। সবই শূন্য, সাদা!”

    কৌটো-নাচানো লোকটা হঠাৎ ভারী গম্ভীর হয়ে বলে ওঠে, “সে সন্দ হয় তো আপনার পয়সা ফেরত নে যান। পঞ্চাশ পয়সা ঠকিয়ে কেউ বড়লোক হবে না !”

    হঠাৎ জায়গাটা একটু থমথমে হয়ে গেল। একজনের কথায় অনেকজন লজ্জিত হল। তবে খেয়াল করল না ওর কৌটোয় মাত্র ওই পঞ্চাশটা পয়সাই পড়েছে কি না!

    টনি বলল, “ভুচুং, অনেস্ট বলেই মনে হচ্ছে! ওই একগাদার মধ্যে আছেই নিশ্চয় একখানা লালরঙা স্টার মার্কা। কেউ-না-কেউ পেয়েই যাবে। হয়তো তুই-ই পেয়ে যেতে পারিস। যা সাইকেল-সাইকেল করিস!”

    টনির মধ্যে বেশ বিশ্বাস-বিশ্বাস ভাব!

    যদিও ইতিমধ্যে মাঠ ভরে গেছে ছেঁড়া সাদা কাগজের কুচিতে। এক-একটা জোর হাওয়ায় সেগুলো এককোণে এসে জড়ো হচ্ছে, আবার আর-একটু ঝাপট এসে সেগুলো ওড়াউড়ি করে বেরিয়ে মাঠ ঢেকে ফেলছে।

    কারণ সব্বাই ওই ‘কুপন’ নামক ভাঁজ করা একটু সাদা কাগজের টুকরো তুলছে, দেখছে, ছিঁড়ে ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে। … কেউ-কেউ বলে যাচ্ছে, “আক্কেল সেলামি, পঞ্চাশটা পয়সা দিয়েই গেল!”

    ভুচুং সেই দৃশ্যটা তাকিয়ে দেখছিল, এখন টনির কথায় হেসে উঠে বলে, “আমি? তা আর নয়! আমি না হলে আর কে পাবে? যা না একখানি ভাগ্য আমার! আমার জন্ম-তারিখটা ভুলে যাচ্ছিস? মার্চের তেরো তারিখ না! অর্থাৎ আনলাকি থার্টিন!…দেখিস না, আমার ব্যাপারে যা কিছু হতে যায়, সবই গুবলেট-মার্কা হয়ে যায়! জুতো, জামা, ঘড়ি, পেন, কোনটায় নয়? এমনকী, পড়ার জন্য একটা টেবিল-ল্যাম্প-এর আবদার করে ফেলে কী কাণ্ডই হল সেবার, ভাব? অথচ তোর? কোনও ব্যাপারে কিছু গোলমাল হয় না। সব-কিছু এককথায় একদম ঠিকঠাক! যার জন্য তোকে আমি এত হিংসে করি!”

    “তুই আমায় হিংসে করিস? হা হা হা।”

    “হাসছিস কী? করিই তো! আমার বেলায় সব ‘হত গজ’, আর তোর বেলায়? সব যেন পিচ-ঢালা রাস্তায় রবারের চাকা গড়িয়ে যাওয়া! মাঝে-মাঝে ইচ্ছে হয় কপালটা তোর সঙ্গে বদলে নিই।”

    কথাটা ভুচুং একটু কায়দা করে বললেও, ব্যাপারটা কিন্তু সত্যিই ‘সত্যি’। ভুচুংয়ের ভাগ্যটা ওইরকমই গোলমেলে। সারাজীবন (মানে তার এই সাড়ে চোদ্দো বছরের জীবনে) দেখে আসছে, তার জন্য যা কিছু জিনিস কেনা হবে, একবারে হবে না। ‘ঘোরা ফেরা বদল করা’-র ধাক্কায় পড়তেই হবে। জুতো কিনতে যাও? তা যে এবাড়ি থেকে বাবা, মেজকা বা রনিদা, কি ও-বাড়ি থেকে বড়মামা, ছোটমামা, পুঁচকে দাদু, যার সঙ্গেই হোক, আর যে পাড়া থেকে যে দোকান আর যত-যত দোকান ঘুরেই হোক, ঠিক মনের মতনটি জুটবে না। কিছুতেই না!

    রঙে পছন্দ তো ফ্যাশনের স্টাইলে নয়। রঙে, গড়নে, ফ্যাশনে সব পছন্দ হল তো—পায়ের মাপে খাপ খেল না। ধস্তাধস্তি করেও না।

    শেষপর্যন্ত যেটা নিয়ে যাওয়া হল, সেটা হয়তো শুধু মাপেই মিলল, আর কিছুতে নয়।

    শুধু কি জুতোই?

    শার্ট, প্যান্ট, পায়জামা, পাঞ্জাবি ইত্যাদি কীসে নয়?

    সেটাই দারুণ। পছন্দ হয়ে গেল, মাপে ঠিকও, সেটায় হয়তো পাট খুলতেই কোথাও কিছু-না-কিছু খুঁত বেরোতে দেখা গেল। হয় দাগি, নয় ফুটোফাটা, নয় পোকা-লাগা!

    পিস কিনে দর্জি দিয়ে বানাতে গেলেও, নির্ঘাত দর্জির ভুলে জামা স্রেফ অচল। হয়ই এরকম।

    এ ছাড়াও সবচেয়ে প্রিয় পোশাকটিই হয়তো কাচতে দিয়ে হারিয়ে গেল লন্ড্রিতে, বেশি গরম ইস্ত্রির চাপের ভাপের দাগ ধরিয়ে দিল।

    নতুন গেঞ্জি-পায়জামাদের কাপড়কাচুনি কাজের মেয়েটি সাবানে ভিজিয়ে তার সঙ্গে হয়তো এমন একখানি ছোট্ট খুদে শিশুর কাঁচা রঙের রঙিন জামাটি ঢুকিয়ে দিল যে, সাদা জিনিসটি লাল, কালো, নীল, হলুদ রঙের ছাপে বহুরূপী!

    সেই কাঁচা রঙের ছাপটি কিন্তু পাকাপোক্ত হয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে রয়ে গেল।

    সব বলতে গেলে ফুরোবে না।

    আরও আছে।

    ভুচুংয়ের পকেট থেকেই পেন, রুমাল, মানিব্যাগ পড়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। ভুচুংয়ের বিছানাতেই কালি পড়ে যায়। মানে যত কিছু অঘটন ভুচুংয়ের ব্যাপারেই। …ওই যে টেবিল ল্যাম্প-এর ব্যাপারে? তার একটা সুইচ করাতে গিয়ে বাড়িসুদ্ধু ইলেকট্রিক লাইন জ্বলে গেল। প্রায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে যাওয়ার অবস্থা!

    অথচ বাড়িতে এত লোক, আর কারও ব্যাপারেই এত সব ঘটে না। ঘটলে তো দেখাই যেত!

    এই তো হাতের কাছেই টনি! যে নাকি ভুচুংয়ের সঙ্গে কাঁটায়-কাঁটায় এক-বয়সি। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ে আসছে চিরকাল। একই বাড়িতে থাকে। একই হাঁড়ির ভাত খায়, একই ঘরে শোয়, একই চিরুনিতে চুল আঁচড়ায়। একই শিশি থেকে তেল মাখে। একই লন্ড্রিতে দু’জনেরই জামাকাপড় যায়। এবং অসুখটসুখ হলে দু’জনে একই ডাক্তারবাবুর ওষুধ খায়।

    অথচ?

    ওই তো আগেই বলে ফেলেছে ভুচুং, যার জন্য সে টনিকে হিংসে করে। “তুই বাবা দারুণ লাকি” বলে। ওর কল্পনা হচ্ছে যদি তেমন একখানা জোরালো সাধুসন্ত পেয়ে যাওয়া যেত, যিনি কোনও এক ফু-মন্তরে দু’জনের ভাগ্যটা বদলাবদলি করে দিতে পারবেন। হুঁ ! সে আশা বৃথা।

    তার প্রমাণ দ্যাখো ওই একই সাইকেলটি চুরি করে দু’জনে চালাতে শিখল। টনি সাইকেলকে ওড়ায়, আর ভুচুং সাইকেল নিয়ে খোঁড়ায়! তাই না তার এত সাইকেল-সাইকেল বাসনা! যাতে প্রাণভরে প্র্যাকটিস করতে পায়।

    কিন্তু বাসনা থাকলেই কি পূর্ণ হয়?

    ভুচুংয়ের বিশ্বাস নেই। তাই বলে, “আমি আর পেয়েছি! …ওই আনন্দে থাক। পেলে তুই-ই পাবি।”

    “কেউই পাব না রে ভুচুং! এখন ভালয় ভালয় বাড়ি ফিরতে পারলে হয়! কী যে ঘটছে সেখানে! মা কি আর এতক্ষণে টের না পেয়েছেন?”

    “যা বলেছিস! হয়তো দুর্ভাগ্যক্রমে আজই রনিদা তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরবে।”

    এই কথাবার্তার সময় ওদিকে ঘণ্টাধ্বনি। …পাঁচটা বাজল। “এবার আমাদের খেলা শেষ। যদি কারও কুপন নেওয়া বাকি থাকে, এক্ষুনি নিয়ে নিন। এই শেষ চান্স।”

    কৌটো-নাচানো লোকটা সামনে এসে দাঁড়াল। বলে উঠল, “ঝটপট। ঝটপট। খেলা গুটিয়ে এল।”

    তা ওরা খুবই ঝড়ের বেগে পয়সার কৌটোয় পয়সা ফেলে। কুপনের কৌটো থেকে কুপন তুলেই দৌড় দেয় সেই খেলোয়াড়ের দিকে।

    ব্যস্তবাগীশ টনি দৌড় মারতেই হাত থেকে ফস করে পড়ে গেল কুপনটা।

    ভুচুং পেছন থেকে চেঁচিয়ে উঠল, “এই, তোর টিকিট পড়ে গেল।”

    চেঁচিয়েই অবশ্য সেটা কুড়িয়ে নিয়ে ছুটল ওর পিছু-পিছু।

    আর ঠিক সেই মুহুর্তে!

    হ্যাঁ, ঠিক সেই মুহূর্তে ভুচুংয়ের চেতনা-চৈতন্য সব কিছুর মধ্যে দিয়ে যেন একটা বিদ্যুৎ খেলে গেল।

    এই তো! এই থেকেই তো ভাগ্য বদলের পরীক্ষা হয়ে যেতে পারে। মানে, ‘ইন কেস’ সত্যিই এই লাস্ট চান্সে সেই ‘লালরঙা স্টার মার্কা’টা কারও হাতে ওঠে? উঠে থাকে তো, সেই ওই লাকি ম্যান টনির হাতেই উঠেছে। শেষ তলানিতেই হয়তো টিনের তলায় পড়ে ছিল সেটা।

    তো—এই তো মহা মুহূর্ত!

    পরম সুযোগ!

    কুড়নো কুপনখানার সঙ্গে নিজের হাতেরটার একটু বদলাবদলি।

    তারপর?

    তারপর, গল্প হলেও সত্যি!

    টনি নিজের হাতের কুপনখানার ভাঁজ খুলেই চোখ ড্যাবা করে চেঁচিয়ে উঠল, “ও মশাই, দেখুন তো, এই আপনাদের সেই স্টার মার্কা কি না?”

    তারপর?

    হ্যা-হ্যা করে হেসে-হেসে বলল, “তো আপনাদের দু’ পেয়ে পক্ষিরাজের পা দু’খানা নড়ে তো? না স্ট্রেচারে চাপিয়ে নিয়ে যেতে হবে? পরীক্ষা করে দেখতে বলছেন? আচ্ছা।”

    আর বলতে-না-বলতেই লাফিয়ে চড়ে বসে আচ্ছা একখানা ছুট। অনেকটা ফাঁকা হয়ে আসা মাঠটায় চক্করের পর চক্কর।

    রনির সাইকেলখানা একটা চেনা চায়ের দোকানে জমা রাখা ছিল। সেটাকে ছাড়িয়ে নিয়ে টনি বলে, “ফেরার সময় তোরই তো দান ছিল। তাই না ভুচুং। তুই-ই ওটায় চেপে বোস। আমি না-হয় তোর সঙ্গে একটু আস্তে-আস্তেই চলি! এখন গিয়ে দেখা যাক বাড়িতে কী মার মার রব উঠছে।”

    তা সত্যি উঠেছিল।

    রনি এসে সাইকেল হাপিস দেখে আর ওই মানিকজোড়কে কখন থেকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না জেনে থাপ্পড় বাগিয়েই বসে ছিল।

    কিন্তু তারপর?

    তারপর দু’খানা সাইকেল আরোহীকে বাড়ি ঢুকতে দেখেই উঁচোনো থাপ্পড় নেমে এল। …আর তারপর? টনির ‘লাক’ নিয়ে পাড়া তোলপাড়। ধন্যি, ধন্যি!

    আর তারপর?

    তারপর আবার কী?

    টনি সেই পঞ্চাশ পয়সার সাইকেলেই পাড়া টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে। নির্ভয়ে দাদার নাকের সামনে দিয়ে বোঁ করে বেরিয়ে যাচ্ছে।

    তো ভুচুংকে কি মাঝে-মাঝে অফার করছে না? করছে বইকী! খুবই করছে। কিন্তু ভুচুং সে অফার না নিলে?

    তা নেবে কোন মুখে?

    বুদ্ধুর মতো, আসল জায়গা থেকে আসা অফারই না বুঝেসুঝে হেলায় ঠেলে ফেলে, সব গুবলেট করে বসল!

    ৯ জুন ১৯৯৩

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }