Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আবুল হাসান গল্প সংগ্রহ

    লেখক এক পাতা গল্প85 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সমুদ্রের ফেনা

    আমিনার অবয়ব এ্যাখোন বিশ্বাসহীন আঁধারে গলে গলে একেবারে আঁধার হয়ে গেল, সীমাহীন ভয়াবহ আঁধার!

    কবরের খোলের মতো হাল্কা, বিপদগ্রস্ত আমিনা। তার ঘনবয়ব গোপনে, তার পরিপূর্ণ মুখে ঝুর ঝুর কোরে অভিশাপ ঝরছে আর সাথে সাথে ঘূর্ণির মতো পাক খাচ্ছে তার ললিত বয়স, ব্যঞ্জনাময় স্বপ্ন। অনায়ত্ত আমিনা তার আঁধারের গলায় মুখ লুকিয়ে কাঁদলো–বালিশের আগুনে একটা একটা করে চুল, চুলের সুগন্ধ পুড়ে যেতেই তার শুয়ে থাকা প্রোফাইল, গ্রীবার মৃণাল, ঠোঁট গলে যেতে জানালা গলিয়ে অকস্মাৎ মেঝেতে ছটফট কোরলো বুনো হাঁসের দুটি রজত পাখা।

    তরল শাদায়, পাল ঘেঁড়া, ভাঙ্গা, নাবিকহীন নিজজ্জিত নৌকার মতো অথৈ বিনাশে যেন ডুবে যাচ্ছে সে, এমন মনে হলো আমিনার। ও পাশে, জ্যোৎস্নার ঠাণ্ডায় দেহ ভিজিয়ে তার ভাই তার ছোটবোন; তারা জানছেনা আমিনা এখোন দু’ভাগ হয়ে যাচ্ছে তাদের আমিনা আঁধার হয়ে যাচ্ছে, একটা ভবিষ্যৎ, বালিশের অবিশ্বাস্য আগুনের মতো হলুদ দাঁতে তার আপাদমস্তক চিবিয়ে অন্তসারহীন করে রেখে যাচ্ছে। তার ভাইয়া ওপাশে তখোন শাহনেওয়ারেজ পরোক্ষ গলায় হাত ডুবিয়ে দিচ্ছে, ঠাণ্ডা আঙ্গুলে তার হাতদুটো একত্র কোরে শাহনেওয়াজের সিমসাম পাপড়ি খুলছে। কাল ভাইয়া অধিক রাতে এক নিষিদ্ধ মেয়েমানুষের দুষিত শক্তিতে ইন্দ্রিয় রেখে আজ আবার শাহনেওয়াজকে নিয়ে তৎপর। আমিনা দেখেছে, তার ভাইয়া তার কাছে কিছুই লুকোয়না। আমিনার কাছে ওর ভাইয়া সব বলে। নিষিদ্ধ শক্তির গন্ধ, প্রেমানুগ শাহনেওয়াজ, কবিতা চাকরি ভাল্লাগেনা’র সব কথা বলে আমিনার কাছে। কিন্তু আমিনা কিছু বোলতে পারে না বলেই ওর এ্যামোনি ডুবে যাওয়া। পুড়ে যাওয়া। খুলে খুলে নিঃশেষিত হয়ে যাওয়া। কিন্তু না, বোলবে, একদিন সব ও ভাইয়ার কাছে। তার আর একটা জন্মের দরকার। না বোললে, নিঃশেষ করে না দিতে পারলে, পুনর্জন্ম হবে না ওর।

    ২

    ভোরে ঘুম কামড়ে থাকায় সারা দেহ থেকে শাড়ীটা গুছিয়ে নিতেই ব্লাউজের তলাটা তার সুড় সুড় কোরে উঠলো। একটা অবতমান রোষ তাকে কামড়াচ্ছে বলে, তার মনে হলো, সে যদি বর্ষার দোলা ঢেউয়ের ওপর একজনের হাতে বাওয়া নৌকায় শুয়ে শুয়ে সারাটা রাত কাটাতে পারতো। ভোরবেলায় ঘুম জড়িয়ে থাকলে তার মনে হয়–এ বাড়ী থেকে পালিয়ে একটা পাহাড়ের ওপর, যেখানে শাল পাতার গান, নুড়ির চুমো খাওয়া সন্নিধান আর বুনো ঝরণার অনচ্ছ নাচ–আর পারিপার্শ্বিক একটা বাংলো শান্তিময়, দুটো পাশাপাশি পাখীর মতো জানালা-কাটা ছায়া যার ওপর এসে বসে; ঠিক অমোন একটা বাংলোয় সারা বিকেল ধরে, সারা দুপুর ধরে সে যদি ঘুমোতে পারতো!… কিন্তু সে পারেনা বলেই তার যন্ত্রণা, সে ভাইয়ের মতো সবকিছু খুলে বলতে পারেনা বলেই তার ডুবে যাওয়া, পুড়ে যাওয়া।

    ঘুমের মধ্যে তাই তার শয্যা, তার সিথি, তার বুক, তার যৌবন-কোমল জায়গা, তার নিজেরও-ইচ্ছে-করেনা দেখতে’র’ টলটলে লজ্জা কেমন ঘাস, প্রাজপতি, নদীর ঢেউ আর নদীতে বাঁধা ছোট ছোট নৌকা হয়ে যায়। আর এই বিভিন্ন সম্পদ নিয়ে সে অবিকল একটা সরোবর–যার ওপর দিয়ে তার আনন্দের বাতাস, তার নিরানন্দের ঘূর্ণি চাঁদের দেহকে টুকরো টুকরো করে গলিয়ে দেয়।

    .

    একদিন জ্যোৎস্নারাতে তাই-ই হয়েছিল, কিন্তু সেদিন বুঝতে পারেনি আমিনা। ভাই বাড়ীতে ছিলনা সেদিন ছোট বোন পড়ার টেবিলে মাথাটা সোপর্দ কোরে দিয়ে ঘুমে মগ্ন যখোন, তখোন সে বাইরের রান্নাঘরের ওদিকে, যেখানে একটা নীলমণি লতা আর কামিনীর ঝোঁপ পরস্পর নেশা, তার পাশে একটা বড় ধরনের দেবদারু গাছ-সেখানে পঁড়িয়ে অবিকল সে যখোন অতীতে নিমজ্জিত, তখোন কেন যেন মনে হলো তার–তার সামনে, তার পশ্চাতে একটা রূপালী সরোবর ঢল ঢল জল নিয়ে থৈ থৈ কোরছে। আর নীলমণি লতা, কামিনী ঝোঁপ আর দেবদারু গাছের পাতা শ্বেত হংসের মতো পাখা ঝাঁপটাচ্ছে স্বপ্ন ভিতরের দোকান ঘরের সুগন্ধ মাখবে বলে। আমিনার দেহ থেকে ক্যামোন একটা হাল্কা ব্যর্থতা ঐ রূপালী সরোবরে চারিয়ে যাওয়ায় তার মনে হলো, এ্যাখোন, ঘরে ফিরে যাওয়া দরকার। ঘরে ফিরে এসেই দ্যাখে, ভাই; ভাইয়ের বন্ধু। তাদের চোখের আঁধার কামোন চিতা বাঘের মতো জ্বলছে।

    সেদিন ভাই আর তার বন্ধু খুব বেশী মদ খেয়েছিল–খুব বেশী। ভাইয়ের ঘর বন্ধ কোরে, দু’বন্ধু পরস্পর গ্লাসের পর গ্লাস টেনে টেনে নিজেরা যখোন অভ্যন্তরগামী, হৃদয়গ্রস্থ, তখোন তারা শাহেদের শিল্প, ভাইয়ের কবিতা নিয়ে সমালোচনা করছিল পরস্পর।

    : শাহেদের খুব প্যাশোনেট হাত ছিল। ওয়াটার কালালের যে আঁচড়-আমার মনে হয় ও কনস্টেবলের আঙ্গিক নিয়ে আঁকে। কিন্তু ও আর ছবি আঁকবেনা, ও ছেড়ে দেবে। ওর কবিতা ও পুড়িয়ে দিয়েছে। কবিতা-ছবি-শিল্প, এতে নাকি কিচ্ছু হবে না। ও ফিরে যাবে বলেছে। গাঁয়ে ফিরে মাকে নিয়ে থাকবে। পুকুরের মাছ, জমির ধান চাষ কোরে তার নাকি বেশ কেটে যাবে। ও সব সময় বলে আজকাল, আমি শান্তি চাই, বুঝলে, আমার আর কিছুর প্রয়োজন নেই। না অর্থ, না যশ; ও গুলো জবাই করা পশুর রক্ত! ও রক্তে আমার পিপাসা মিটবেনা।

    : ও একটা মেয়েকে ভালোবাসতো।

    : কিন্তু ওকে কোনোদিন ন্যুড কোরে একটি ছবি আঁকতে পারেনি বলে ওর দুঃখ।

    মারিয়া ন্যুড হোতে জানতো। মারিয়ার বাবা তাকে দিয়ে টাকা কামাতো। মেয়েটা শাহেদকে অনেক দিতে চেয়েছিল। কিন্তু শাহেদ মারিয়াকে ভালোবাসতে পারেনি। শাহেদ মারিয়াকে ছুঁয়েও দ্যাখেনি। শাহেদ ওর একটা ছবি এঁকেছিল। ন্যুড। ক্যামোন শ্যাওলা দিয়ে ঢাকা একটা ন্যুড। আর পাশে দুটো খরগোশ। মারিয়ার ন্যুড ব্রেস্ট, ন্যুড থাই আঁকতে গিয়ে শাহেদ একটু উষ্ণ হয়নি, বুঝলে! কিন্তু মারিয়া, ওকে খুব ভালোবাসতো। ওর জন্যে করাচী থেকে এক সেট সুন্দর পোশাকও নিয়ে এসেছিল মারিয়া। বোলতে শুনেছি তাকে, শাহেদ খুব বড়দরের শিল্পী বুঝলেন। ওর জন্যে আমার খুব কষ্ট হয়। ও মদ খেয়ে ওর প্রতিভা নষ্ট কোরে দিচ্ছে। ও প্রেরণাহীন হয়ে যাচ্ছে।

    : মারিয়া জানতো ও একটা মেয়েকে ভালোবাসে।

    : আমি বলিনি মারিয়াকে, ও একটা ভার্সিটি-মেয়েকে ভালোবাস।

    : একটা মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়েকে ভালোবাসে শাহেদ। আমি ওকে বলেছি; শাহেদ চলে যাবে। শাহেদ বাড়ীতে গিয়ে ওর মাকে নিয়ে থাকবে। একটা পায়ে মাড়ানো ঘাস যেন, এ্যামোন মাথা নুয়ে এসেছিল মারিয়ার। মেয়েটা! একটা প্রতিভার বিকাশের জন্যে যে আপাদমস্তক, আহৃদয়বুদ্ধি ছিন্ন কোরে খুলে দেখাতে পারে তাকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যেতে হলো। মারিয়ার জন্যে আমার মায়া হয়। ও এ্যাখোন কোথায় আছে জানিস?

    : লাহোরে?

    : হ্যাঁ। ওর বাবা একটা ব্রুট। ওর বাবা ওকে দিয়ে টাকা কামায়। ওর বাবা একটা প।

    : শাহেদের কাছে যাওয়া দরকার। শাহেদ একটা ‘লোরকা’। শাহেদ একটা বিষণ্ণ আত্মা। ও আর কবিতা লিখবেনা।

    : ও আর ছবি আঁকবেনা।

    : ওর একটা ছবির জন্য আমি সারারাত ঘুমুইনি জানিস। সেই যেখানে সমুদ্রে জাহাজগুলো ছেড়ে যাচ্ছে আর একজন বৃদ্ধ লোক, হাতে যার দুটো শ্বেতকপোত, কুঁকে পড়েছে, যেন মনে হচ্ছে জাহাজের ঠিক সময়ে বৃদ্ধটা আসতে পারেনি বলে ওর এ্যামোন কুঁকে পড়া, সারা পোমাকে নে একটা সিনসিয়ারিটি অব এ্যাঙ্গুইস। বৃদ্ধের চারপাশে আকাশের ওপর মেঘ-সামনে সমুদ্রের ভীষণ ঢেউ আর জাহাজটা তার ওপর দিয়ে দুলে দুলে চলে যাচ্ছে। বন্দরে কোনো লোক নেই, সেই বৃদ্ধ শুধু একা, শুধু একা।

    ৩

    শাহনেওয়াজের গান দিয়ে লেখা ভাইয়ের কবিতাটি আমিনাকে কতো দিন শুনিয়েছে। তার ভাইয়া নাকি আর কবিতা লিখবেনা। ভাইয়া আর কোনোদিন ওর বন্ধুকে নিয়ে। আসবে না। ভাইয়া আর কোনোদিন কোনো কথা তাকে খুলে বলবে না। মারিয়া একটা সুইট মেয়ে। শজীর গন্ধ-ভরা মেয়ে মারিয়া। কি প্যাশোনেট ছিল মেয়েটা–শিল্পের ওপর, হৃদয়ের ওপর। কিন্তু মারিয়া এ্যাখোন খুব কষ্ট কোরছে লাহোরে। ওর বাবা একটা সুইট। মারিয়া তুমি ভালো থাকো! তোমার কল্যাণ হোক। মারিয়া কি কোনোদিন সন্ধ্যায় একা একা শাহেদের জন্যে কাঁদবে? বাবাকে মারিয়া কোনোদিন কিছু বলেনি। তার বাবা। ধীরে ধীরে বয়েসের ভারে নুয়ে পড়া তার বাবা। মরে যাবে একদিন। বাবার জন্যে মারিয়ার খুব কষ্ট। শাহেদের জন্যে কষ্ট।–মারিয়ার মতো মেয়ে জীবনভর কষ্ট বয়ে বেড়ায়। ওর মতো প্যাশোনেট মেয়ে যা খোঁজে তা পায় না। এইসব ভাবতেই আমিনার মনে হলো, তার আবার পুনর্জন্ম হোচ্ছে। তার আঁধার ফিরে যাচ্ছে। তার সরোবর তাকে ডুবিয়ে দিচ্ছে না। তার যন্ত্রণা তাকে খুলে খুলে অনায় কাটায় গাঁথছে না আর।

    স্মরণশক্তি আর পশ্চাদজীবনের তন্ময়তা যখোন প্রখর হোয়ে ওঠে, আমিনার তখোন ভীষণ ইচ্ছে হয়, মারিয়ার মতো যদি সে কাউকে ভালোবাসতে পারতো-ভালোবেসে ভীষণ যন্ত্রণা পেতো, আর জীবনকে উপলব্ধি কোরতে পারতো।

    ভাইয়া সে রাতে বেলেছিল, আমাদের এখানে ওসবের কদর নেই। শুধু কবিতায় জীবন চলে না শুধ শিল্প নিয়ে জীবনের অর্থ হোচ্ছে তলাফুটো-নৌকো। সুতরাং অন্য কাজ করা চাই অর্থরোচক, স্বার্থসিদ্ধ কাজ।

    সুজিতকে বোলেছিল ভাইয়া, এ্যাখোন তোর কাজে নামা উচিত। ঠকানোর কৌশল আয়ত্ত করা উচিত। দেখিস না সব অপচুনিস্টরা ক্যামোন আঙ্গুল নাচিয়ে একের পর এক উঠে যাচ্ছে। দেখিস না সব হার্টলেস ব্রুটদের এ্যখোন কত কদর।

    আমি কালো ঘোড়ার পেছনে ছোটাটাকে আরো হার্টলেস মনে করি। আমি ছেড়ে দিয়েছি।

    : কি?

    : কবিতা লেখা।

    : কেন?

    : আমার আরো অনেক কিছু করার আছে। আমি আরো অনেক কিছু কোরতে পারি। গায়ে ফিরে চমৎকার একটা মাস্টারী তো জুটবে। ওখানে গিয়ে ছেলেদের ভেতর কবিতা চারিয়ে দেবো। বলবো, ভালোবাসতে না শিখলে ভালোবাসা পাওয়া যায় না। শেখাবো, ফুলের চাষ না কোরলে ফলও বেশী কোরে ফলে না।

    : একে একে তোরা সবাই চলে যাবি। শাহেদ, তুই। বেশ। বেশ। যা। চলে যা। তারপর ভাইয়া ক্যামোন ঠাণ্ডা বাতাসের মতো কমনীয় নিঃশ্বাস টেনে কিছুক্ষণ নৈশব্দের পর আবার বোলেছিল, আমাদের দেশে শেষকালে তাই-ই হয়। হোতে হয়। আমরা বড় কিছু আশা কোরতে পারি না। আমরা প্রথমে সমুদ্রের মতো বিশাল, তারপর নদী, তারপর খাল, তারপর পুকুর, তারপর শেষাবধি কুয়োয় জীবনকে বিছিয়ে দিই শামুকের মতো। আমাদের তাই কিছু হয় না। কিছু কোরতে পারিনা আমরা।

    ৪

    শাহেদের গ্রামে ফিরে যাওয়া হলো না আর। অরণ্যময় একটা তাড়না তাকে যেতে দিল না। শাহেদ আজকাল ছবি আঁকে না। কবিতা লেখে না। শাহেদ একেবারে ইনএ্যাকটিভ, ইনআর্ট হয়ে গেছে প্রেরণার ব্যাপারে। হাসানের সাথে একদিন লঞ্চ-ঘাটে দেখা। খুব মনে হোয়েছিল। সদরঘাটের দোকানগুলো ছোট বউদের মতো নমনীয়।

    নিষ্প্রভ আলোছায়ায় নদীর ওপর আইডব্লটির জাহাজ, মালভর্তি বড় বড় নৌকো, পাল খাটানো নাও দেখেছিল শাহেদ টারমিনালের সিঁড়ির ওপর দাঁড়িয়ে। ওর বাড়ী থেকে সাড়ে এগারোটার লঞ্চে আত্মীয় আসবে। ওর বাড়ী থেকে ওর আত্মীয় মায়ের মুখের কথা নিয়ে আসবে। লঞ্চ এলেও আত্মীয়ের দেখা না পাওয়ায় শাহেদের হাতের মুঠোয় তখন টারমিনাল আইডটির জাহাজ, পাল খাটানো নাও অনায়ত্ত মেঘ হোয়ে গেল–শাহেদ দেখছিল, টারমিনালের পাশ-ফেরা জলে তারাগুলো পাতি হাঁসের মতো ক্যামোন ডুবে ডুবে সাঁতার কাটছে আর মেঘগুলো জল ছিটানো বালকের মতো ব্যাকস্ট্রোকের ভঙ্গিতে ভেসে যাচ্ছে জলের ওপর দিয়ে।

    সে রাতে ওরা সুজিতের বাড়ীতে গিয়েছিল। যেতে যেতে মায়ের কথা মনে পড়ায় শাহেদের গলা থেকে সূর্যাস্তের মতো অভিভূতি পাকস্থলীতে ডুবে যেতেই মনে পড়ে গ্যালো, শিমু ফুফু একটা লোকের জন্য কোরআন শরীফ পড়ে কাদতো। সেই লোকটা শিমু ফুফুকে বিয়ে কোরে আর একটা বিয়ে কোরেছিল। লোকটা শিমু ফুফুকে আর কোনোদিন নিতে আসেনি।

    সেভেন ক্লাসে পড়ে তারপর ফুফু বাড়ী বসে শুধু চিলে-বাচ্চা-নেওয়া ডোমস্টিক মুরগীর মতো অস্থিরভাবে এ-ঘর ও-ঘর কোরতো। আর মাঝে মধ্যে মায়ের রান্না-বান্নায় একটু আধটু সাহায্য।

    গোয়ালঘরের পাশে আমতলায় শুয়ে তখোন সে খুব ছোট, দেখতো, হাই স্কুলের ছেলেরা পুকুরে আশ্যাওড়া মাড়াতে মাড়াতে চলে যেতেই উত্তরোত্তর ত্রস্ত হয়ে ফুফু বোলতো, ‘যা না, পুকুরের হাঁসগুলো তাড়িয়ে দিয়ে আয়। দুপুর হলে ওদের জন্যে আর গোসল হোয়ে ওটে না জলগুলো একেবারে ঘোলা করে দিয়ে যায়।’

    .

    দরিদ্রাভ তরলতায় গাছপালাগুলো সোনালী আঁশ ঝাঁকে ঝাঁকে ছড়িয়ে দিয়েছে তখোন তাদের পুকুরে। কিন্তু ও আর হাঁসগুলো তাড়াতে পারতো না। মনে হতো, ওরা ফুফুর মতো কষ্ট পাচ্ছে। তাড়িয়ে দিলে ওরা অন্য কোথাও যেতে পারবে না। দেখতো শাহেদ চোখ মেলে, মাঠের ওধারে কোনোকিছু দেখা যাচ্ছে না। সড়ক বেয়ে দু’একটা গরুর মন্থর গতি ছাড়া। চাদ্দিকটায় সপ্রতিভ রোদ। আর ওর রূপালী পোষাকে মাথা গলিয়ে দিয়ে কালো গোড়ার মতো মেঘগুলো খুর দিয়ে য্যনো আকাশকে ভেঙে ফেলেছে, বুঝি এই-ই ভেঙে পড়বে, এ্যামোন ভাবতে ভাবতে ও তারপর চলে যেতো ডাঙ্গার দিকে। ধানের ওপর লম্বা হাত পা মেলে দিয়ে যেখানে হাল্কা গাঢ়ো বাতাস ঘুমিয়ে পড়েছে। আর এই সুযোগ বেল গাছতলায় কয়েকটা ছেলে গরুর ভাঙ্গা চোয়াল, ঝিনুক, কড়ি, তেঁতুলের বিচি দিয়ে হাট বসিয়েছে। এসব মনে পড়তেই হাসানকে বললো শাহেদ, আমি যদি সাত বছর বয়সে মরে যেতে পারতাম।

    : সাত বছরতো অনেক সময়।

    পরস্পর কথা বোলতে বোলতে পশারিনী অতীত সরিয়ে সরিয়ে তারা যখোন সুজিতের ঘরে পৌঁছলো, দ্যাখে ঘরে তালা ঝুলছে। সুজিত চলে গেছে। সুজিত খুব ভালো কবিত লিখতে পারতো। ওর একটা গল্পের সেই দৃশ্যটা মনে পড়ে গ্যালো হাসানের। যেখানে সেই সমুদ্র ঝড় আর একটা যুবতী। দেখছে ঝড় এগিয়ে আসছে; কিন্তু তার কোনো খেয়াল নেই, অবিকল ঊর্বশীর মতো দেহ নিয়ে নির্বিকার সে, কিন্তু ঢেউয়ের ছোবল আসতে আসতে তার কাছে এসেই কি অদ্ভুতভাবে মিলিয়ে গ্যালো। ঢেউ থেকে যাওয়ার বর্ণনাটা তার মনে পড়লেই চোখের সামনে, কানের ভেতর অবিকল য্যানো ত্যামোন কিছু অনুভব করে হাসান।

    সুজিতকে না পেয়ে অগত্য ওরা গুলিস্তানের মোড় দিয়ে রেলওয়ে হাসপাতাল বায়ে ফেলে এলে শাহেদ তার ডেরায় ফিরে গ্যালো। হাসান গায়ের কবরগাহ দিয়ে হাঁটছে, এমোন অভিভূত পদে হাঁটতে হাঁটতে যখোন বাড়ী ফিরলো, দেখলো, আমিনা–যার দেহ থেকে পা পর্যন্ত আল্পা, জানালার ‘খোলা’ দিয়ে দেখা যাচ্ছে তাকে। একটা আমিষ বিচ্ছুরণ বেরুচ্ছে তার গা থেকে। ঘরে বাতি জ্বালানো বলে বুকের দুভাগের মধ্যখানটায় পাহাড়ের পাদদেশের আঙ্গুর বাগানের মতো একটা কালো তিল দেখা যাচ্ছে।

    .

    আমিনা অনেক বড় হয়ে গ্যাছে। আমিনার বুকের মধ্যে অপর্যাপ্ত শ্যাওলা ও মাছ। জানালাটা ভেজিয়ে দিয়ে ‘ও বড় নিঃসঙ্গ’ ধরনের স্বগোতোক্তি করে ঘরে ঢুকতেই দ্যাখে, সামনের চৌকাঠে একটা বিড়াল ঘুমানো, খাটো খাটো ছায়া ঝুলছে খিমকীর পাশের জায়গাটায়। আর একটা অবিভক্ত মেঘ খুলে ফেলে চাঁদ আপেল-চুরি-করা বালকের মতো দৌড় চ্ছে ভীষণ।

    .

    হাসানের ঘুম হবে না আজ। হাসান অনেকদিন ঘুমায় না। কবিতা লেখে না। চাকরি ‘ভাল্লাগে না’ বলে সংবাদ পত্রে কাজ নিয়েছে। চাকরিতে তার মতো লোক শান্তি পায় না। বাংলাদেশের চাকরি মানে ইচ্ছের বিরুদ্ধে দৌড়ানো। শাহনেওয়াজের গানের ওপর লেখা সেই কবিতাটা, যা ভেবেছিল শাহনেওয়াজকে পাঠাবে, কিন্তু না, তার কোনোকিছু হবে না। সে ভুলে গ্যাছে শাহনেওয়াজের গান, নিজের লেখা কবিতা। হাসপাতালের মোড়ে এসে যেদিন সে কাফন দিয়ে ঢাকা একজন যুবতাঁকে দেখতে পেয়েছিল, সেদিনই বিস্মৃতি এসে তাকে এই কবিতা, গান, ভালোবাসা থেকে অপহরণ কোরে নিয়ে গ্যাছে। সে বুঝেছে কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। ঠিকই করেছে সুজিত, মানুষের জন্য করার হলে, এই ‘এখানে-থাকা-ভালো-নয়’ গোছের শহরে ক্যানো? গায়ে ফিরে যেতে পারে না সে? সুজিত নাকি জীবনের শাদা অংশের ভূ-ভাগকে সবুজ ঘাস দিয়ে ঢাকার কৌশল শেখাচ্ছে ছেলেদের! সেই আমাদের কবি, গল্পকার সুজিত; এ্যাখোন মাস্টার!

    ৫

    কাল চিঠি এসেছে মারিয়ার। তার বাবা মারা গ্যাছে। বাবার ক্যানসার হয়েছিল। ব্রেন। ক্যানসার।

    এক বান্ধবীর আশ্রয়ে আছে আপাতত। তারপর চলে যাবে করাচী। ওখানে এক ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে চাকরি হয়ে গ্যাছে ওর।

    লিখেছে, ‘জানেন, বাবা মারা যাবার পর আমি একেবারে নিঃসঙ্গ হোয়ে গেছি। শাহেদের কথা মনে পড়লে খুব কষ্ট হয় আমার বান্ধবী না থাকলে পাগোল হোয়ে যেতাম। বাবা শেষদিন পর্যন্তও আমাকে তো নিষিদ্ধ চোয়ালে চুবিয়ে দিয়েছেন। আমার দুঃখ হয়নি তবুও বাবা বুড়ো মানুষ! বাবাকে আমি ভালোবাসতুম। বাবা চলে গ্যাছেন বলে এ্যাকোন বাবাকে আর নিষ্ঠুর মনে কোরতে পারছি না। শাহেদ য্যানো ছবি আঁকে।’

    .

    চিঠিঠা পড়ে আমিনার মনে হয়েছিল, মারিয়া একটা অসম্ভব ব্রনের মেয়ে। অসাধারণ মেয়ে। ওর মতো সবাই হয় না।

    শাহনেওয়াজের গান বাজছে ওদিকে রেডিওতে। ভাইয়াকে বললো আমিনা, শাহনেওয়াজের গান, ভাইয়া!’ হাসানকে তখোন কে য্যানো একটা নদীর তীরে নিয়ে গ্যালো। যেখানে সদ্যবিবাহিতা বউরা কাপড় ভাসিয়ে হাঁসের মতো হাতকে মেলে দিতেই অদ্ভূত গুঞ্জন উঠছে জলের, জল থেকে তাদের ভিজে বসনের।

    হাসান চুপ থাকায় আবার বললো আমিনা, ‘শাহনেওয়াজের গান, শুনলে?’

    : হ্যাঁ।

    : খুব ভালো গান, না?

    : খুব সুন্দর গান, না?

    : নদীর মতো।

    : শেষ রাত্রের ঢেউয়ের মতো।

    : হ্যাঁ, ঠিক ঢেউয়ের মতো।

    : তুমি ওকে বোলতে পারো না কিছু। আমি হোলে বোলতাম।

    এইসব বোলেই আমিনা মসাধারে রাখা মৎসের মতো পিচ্ছিলভাবে ছড়িয়ে গ্যালো লজ্জান্তবর্তী শ্যাওলায়। হাসানের চোখ এড়ালো না কিছু! বোললো সে, অনেক কিছু বলা হয় না; য্যামোন তুই। তুই য্যামোন কিছুই বোলতে পারিস না, ঠিক ত্যামোন। মানুষ অনেক কিছু খুলে দিলেও, বোলতে পারে না। তারপর মনে মনে বোললো হাসান, ‘আমার ঘুমের দরকার। আমি ভালোবাসতে চাই না। কিছু হবে না আমাকে দিয়ে। কন্ট্রাক্টরি কোরছি শুধু তাদের জন্য। তুই কতো বড় হয়েছিস। মিনু এ্যাখখানো কত ছোট। সব আমাকে ভাবতে হয়।’

    মারিয়ার জীবনই ভালো। মারিয়া জীবনকে ক্যামোন নিঃশব্দে ক্ষয় কোরে দিচ্ছে। ও করাচীতে একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে চাকরি নেবে। ওর জীবনে অনেক কষ্ট। সবাই কষ্ট পাচ্ছে। জীবনে কেউ সুখ পায় না। সেদিন একটা লোক দালানের উঁচু থেকে পড়ে মরে গ্যাছে। ওর মৃত্যু, ওর স্ত্রী, ছেলেমেয়ের মৃত্যু! কী হবে জীবনে? কী হ? কী হোলো ওর? মারিয়া একা। মারিয়ার কেউ নেই ওদেরও কেউ নেই। আমার টাকাগুলো সেদিন ওদের দিয়ে দিয়েছি। আমি মেয়েমানুষ, মদ, রেস্তোরাঁ সব ছেড়ে দিয়েছি। আমি কবিতা লিখতে পারি না আর।

    ‘তুই, মিনু–তোদের নিয়ে আমার দায়িত্ব অনেক। আমার ভালোবাসায় তাদের ক্ষতি হবে। তোর-মিনুর জন্যে আমার অনেক কিছু করা দরকার।

    ভাইয়ের নীরবতায় আমিনার মনে হোলো, যেন, তার গা থেকে পরাগ ঝরার মতো সব অতীত খসে যাচ্ছে। জানে আমিনা, তার ভাই, তাদের নিয়ে খুব কষ্ট কোরছে। জানে সে, ভাই না থাকলে তারা অন্য কোথাও ঠাই পেতো না। বাড়ীতে তাদের কেউ নেই। একমাত্র বাবার হাতের চিহ্ন সেই চৌকো দেয়াল করা ঘর আর বর্গা। দেওয়া কবিঘে জমি ছাড়া। তার ছোট বেলায় সে যখোন ছোট, অনেক স্বপ্ন দেখতো। কিন্তু স্বপ্ন কখোনো সত্যি হয় না। হোতে পারে না। মারিয়ার মতো মেয়ে শিল্পীদের মডেল হবার স্বপ্ন দেখতো। আনন্দের চাইতে ভারী সুন্দর-নড হোয়ে শাহেদের তুলির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সেই মেয়ে এখোন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর্সের সেলসম্যান!

    ৬

    রাত্রে আঁধারকে জখম করা জ্যোৎস্নার সাদা বল্লম যখোন চাঁদের হাতে তীর্যক ভাবে ধরা, তখোন হাসান ঘরে এলো। ভাবলো, সে আজ রাতে একটা কবিতা লিখবে, যেখানে উপমা হবে একটা অরণ্য আর যার ভেতর দিয়ে একদল শিকারী, শিকারের সন্ধানে ঢুকতেই যারা বাঘের থাবায় প্রাণ হারালো। ঠিক এ্যামোন ধরনের বক্তব্য থাকবে তার কবিতায়।

    ঘরে ঢুকেই দ্যাখে সে, টেবিলে ঝি-এর রাখা টিফিন ক্যারিয়ারে ভাত। শীতের আঙ্গুলের দাগ তাতে। মিনু যেহেতু হাসানের কাছে শোয়, দেখলো সে, মিনুর গতর থেকে লেপটা বাতাসে উল্টে গিয়ে তার মুখে কেউ ঠাণ্ডা চাবুক মারছে। আস্তে লেপটা ছুঁড়ে দিল সে মিনুর ওপর। ভাবলো, একজন গানের মাস্টার রেখে দেবে মিনুর জন্যে।

    আমিনার ঘরে ঢুকে অবশেষে তার কবিতা ভুলে গিয়ে সে দেখলো; লম্বা তনুর অবশিষ্ট বাহুতে একটা শ্বেত হংস পাখা ঝাঁপটাচ্ছে। আর মাথা থেকে ঢেউ খেলানো বুকের হৃদয়-রোচক হরণ কোরে আমিনার উরু অবদি একটা তরল লণ্ঠন ওপাশের আমগাছ থেকে নেমে, ক্যামোন নমনীয় একটা অনাদৃত ভঙ্গীতে ‘ওর একজন সঙ্গী দরকার’ লিখে টেবিলের খোলা ড্রয়ারে নিঃসঙ্গ শ্বেত পেন্সিলটা রেখে তারপর আমিনার চুল বিছানো চেয়ারে বসে পড়ছে। যেন কিছুটা নির্বিকার!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর – আবুল মনসুর আহমদ
    Next Article গল্পসম্ভার – আব্দুর রউফ চৌধুরী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }