Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট – আহমেদ রিয়াজ

    আহমেদ রিয়াজ লেখক এক পাতা গল্প114 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টায়ার অবরোধ

    পারস্যের সম্রাট পালিয়ে যাওয়ায় স্বস্তি পেলেন না আলেকজান্ডার। এবার তিনি চললেন দক্ষিণে। দক্ষিণে গিয়ে প্রথমেই জয় করে নিলেন ফনেসিয়া নগর। তারপর চললেন টায়ার জয় করতে। টায়ার হচ্ছে আধুনিক লেবাননের উপকূলের একটি দ্বীপনগর। মূল ভূখণ্ড থেকে বেশ দূরেই দ্বীপটি। মূল ভূখণ্ড থেকে দ্বীপ নগরী টায়ারে যেতে সাগরের পানির গভীরতা মাত্র আঠারো ফুট।

    দারুণ সুরক্ষিত নগরী টায়ার । চারপাশে উঁচু উঁচু দেয়াল। নিরাপদ পোতাশ্রয়। উঁচু যে দেয়াল দিয়ে ঘেরাও করে রাখা ছিল টায়ার, সেই দেয়ালের বাইরে দ্বীপের কোনো স্থলভাগ ছিল না। একেবারে সাগর ঘেঁষে দেয়াল দিয়ে ঘেরা এই নগর। এই নগরের বাসিন্দারা অনেকটা দুর্ভেদ্য করেই সাজিয়েছে দ্বীপটাকে। সহজে এই দ্বীপ দখল করা সম্ভব নয়।

    আলেকজান্ডারের সাথে হেফাস্টিয়ন ছায়ার মতো থাকেন। হেফাস্টিয়ন তো এমন সুরক্ষিত দূর্গ দেখে দমে গেলেন। এটাকে জয় করা কেমন করে সম্ভব হবে, তার মাথায় কোনো বুদ্ধিই এলো না।

    আলোচনায় বসলেন আলেকজান্ডার। একজন সেনাপতি বললেন, টায়ার জয় করা অনেক কষ্ট হবে। তারচেয়ে আমরা মিসরের দিকে যাই।

    আলেকজান্ডার সেনাপতির কথা শুনে হাসলেন। তার মনের গোপন ইচ্ছে কিন্তু ভিন্ন। হেফাস্টিয়নও মত দিলেন, এখানে থেকে সময় নষ্ট না করাই ভালো। কারণ টায়ার খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনো নগরী নয়।

    আলেকজান্ডার বললেন, কিন্তু টায়ার নগরী দখলে থাকলে অনেক সুবিধা।

    আসলেই দ্বীপনগরী টায়ার দখলে থাকলে পরবর্তী অভিযান আরো সহজ হবে। পূর্বভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের আধিপত্য বজায় রাখতে হলে টায়ার জয় করতেই হবে। এই টায়ার দিয়েই তার বাহিনীর খাবারসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা যাবে। কারণ সমুদ্র শাসন করতে হলে টায়ারকে গুরুত্ব দিতেই হবে।

    আলেকজান্ডারের যুক্তি শুনে সবাই একবাক্যে মেনে নিলেন টায়ারের গুরুত্ব। আলেকজান্ডার তারপর যোগ করলেন, এখানেই হবে আমার সৈন্যদের অন্য রকম লড়াই। এ লড়াইয়ের সাফল্যের ওপর আমাদের পরবর্তী যে কোনো লড়াইয়ের সাফল্য নির্ভর করবে। এবং এ লড়াইয়ে হারা যাবে না । কোনোভাবেই না।

    টায়ারে ঢোকার সবগুলো পথ বন্ধ। নগর আক্রমণ করবেন কী ভাবে? এ তো আর ডাঙা নয় যে, নগরফটক ভেঙে ভিতরে ঢুকবেন। আঠারো ফুট পানির উপর সঁতরে যুদ্ধ করা যায় না। কাজেই নগর আক্রমণের যত রকম পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি ছিল তার কোনোটাই কাজে এলো না।

    এবার নগরের রসদ সরবরাহ বন্ধ করে দিলেন আলেকজান্ডার। নগরফটকে পাহারা বসালেন যাতে এক দানা খাবার বা এক ফোটা খাবার পানিও টায়ার নগরীতে ঢুকতে না পারে।

    কিন্তু টায়ারবাসীরা আগেই জানতো যে তারা আক্রান্ত হবে। তারা জানত টায়ার নগরীর গুরুত্বের কথা। জানত বলেই এতটা সুরক্ষিত করে রেখেছিল নগরী। জানত বলেই আগে থেকেই প্রচুর খাবার আর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুদ করে রেখেছিল। তবে খাবার পানির জন্য তাদের চিন্তা করতে হতো। আলেকজান্ডার ভেবেছিলেন যেহেতু দ্বীপ নগরী, তাই খাবার পানিও বুঝি মূল ভূখণ্ড থেকে আনতে হয়। টায়ার নগরীর নিজেরই খাবার পানির ব্যবস্থা ছিল।

    আলেকজান্ডার হামলার কৌশল বদলে ফেললেন। জাহাজের ডেক থেকে টায়ারের দেয়ালে আঘাতের পর আঘাত চালাতে লাগলেন। তার আবিষ্কৃত গুলতি দিয়েও আক্রমণ চালালেন। কিন্তু মোটেই সুবিধা করতে পারলেন না। বেশ শক্ত—পোক্ত দেয়াল। তার ওপর জাহাজ ডুবিয়ে দিচ্ছিল টায়ারযোদ্ধারা। দেয়ালের ওপাশ থেকে বিশাল বিশাল পাথর ছুড়ে মারতে লাগল জাহাজের ওপর। এতেই একটার পর একটা আলেকজান্ডারের জাহাজ ডুবতে শুরু করল।

    নাহ্! বড় বিপদ হলো দেখছি। আবারও আলোচনায় বসলেন আলেকজান্ডার। আলেকজান্ডার জানতে চাইলেন, ওদের দেয়াল ভাঙার মতো শক্তি কি আমাদের নেই?

    একজন প্রকৌশলী জানালেন, অবশ্যই আছে। আমাদের একশ ফুট লম্বা র‍্যামগুলো দিয়ে অনায়াসে ওদের দেয়াল ভাঙা যাবে। কিন্তু এত লম্বা র‍্যাম তো পানির উপর দিয়ে আনা সম্ভব নয়। জাহাজে করে তো নয়ই।

    আলেকজান্ডার বললেন, তাহলে উপায়?

    উপায় খুঁজে পাওয়া গেল না। রাতের খাবার শেষে নিজের জাহাজে বসে ভাবতে লাগলেন আলেকজান্ডার। জাহাজের ডেকে বসে আছেন তিনি। তার সামনে সুরার পাত্র। একটু পর পর পাত্র ভরা হচ্ছে আর খালি হচ্ছে। আর আলেকজান্ডার ভাবছেন। একসময় হঠাৎ পাত্রটা ছুড়ে ফেললেন ভূমধ্যসাগরে। কান পেতে রইলেন ঝপাৎ শব্দটা শোনার জন্য। কিছুক্ষণ পর শব্দটা হলো। আর তখনই এলেন হেফাস্টিয়ন। হেফাস্টিয়নকে দেখে হেসে ফেললেন আলেকজান্ডার। হাসতে হাসতে জানতে চাইলেন, আমাকে একা থাকতে দিতে চাও না, তাই না হেফাস্টিয়ন?

    বন্ধুর কথা শুনে হেসে দিলেন হেফাস্টিয়নও। বললেন, আমাদের একটা উপায় বের করতেই হবে।

    আলেকজান্ডার বললেন, বড় জ্ঞানী টায়ারবাসী। কত আগে থেকেই সবকিছু গুছিয়ে রেখে দিয়েছে। আহা, এক সময় না একসময় তো ওরা পরাজিত হবেই। মাঝখানে খামোখা আমার সময় নষ্ট করছে। কিন্তু কেমন করে ওদের হারানো যায়, বল তো হেফাস্টিয়ন?

    হেফাস্টিয়ন বললেন, যদি কোনোভাবে ওদের নগরফটকের কাছে। আমাদের র‍্যামগুলো নেয়া যায় এবং ঠিক মতো আঘাত করা যায় ।

    আলেকজান্ডার বললেন, ঠিক বলেছ হেফাস্টিয়ন। কিন্তু সেটা কেমন করে? জাহাজে করে এনে আঘাত করা যাবে না। আমি আর জাহাজ হারাতে চাই না। তাহলে উপায়? সাঁতার কেটে কেটে কি এতটা আঘাত দেয়া যাবে? যাবে না। কারণ নগরফটক পানি থেকে অনেক উপরে। আবার দেয়ালের এপাশে কোনো ডাঙাও নেই যে মোক্ষম আঘাত করতে পারবো।

    হঠাৎ কী যেন মনে হলো আলেকজান্ডারের। চিকার করে বললেন, আচ্ছা হেফাস্টিয়ন, যদি আমি ডাঙাটাকেই টেনে নিয়ে যাই নগরফটকের কাছে, তাহলে হবে তো!

    হেফাস্টিয়ন অবাক হয়ে গেলেন আলেকজান্ডারের কথা শুনে। এটা কী করে সম্ভব! কেউ কি কখনো শুনেছে, ডাঙা টেনে নেয়া যায় কোনো দ্বীপের কাছে। কিংবা দ্বীপ কি কখনো ডাঙার কাছে আসে?

    হেঁয়ালি করার সুযোগটা ছাড়লেন না হেফাস্টিয়ন। বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন রাজা। আরেকটা উপায় অবশ্য আছে।

    আলেকজান্ডার অবাক হয়ে বললেন, কী উপায়?

    হেফাস্টিয়ন বললেন, দ্বীপটাকে যদি ডাঙার কাছে টেনে নেয়া যায়, তাহলেও তো আমরা ওদের নগরফটক ভাঙতে পারবো।

    আলেকজান্ডার হাসলেন হেফাস্টিয়নের কথা শুনে। বললেন, আমার কথাটাই তো হলো । দ্বীপটাকে টেনে ডাঙার কাছে নেয়া কিংবা ডাঙাটাকেই টেনে দ্বীপের কাছে নেয়া— একই কথা। তাহলে কাজ শুরু করা যাক।

    হেফাস্টিয়ন অবাক। আলেকজান্ডার সত্যি সত্যি ডাঙাকে টেনে আনবেন দ্বীপের কাছে? কিন্তু কেমন করে? ভাবতে শুরু করলেন হেফাস্টিয়ন। বেশিক্ষণ অবশ্য ভাবতে হয়নি তাকে। আর ভেবেও কোনো উপায় বের করতে পারতেন কি না সন্দেহ আছে। তবু তাকে যে বেশিক্ষণ ভাবতে হয়নি, এ—ই ঢের। আলেকজান্ডার চিৎকার করে ওঠলেন, আমার প্রকৌশলীদের খবর দাও। এক্ষুনি।

    খবর দেয়া হলো আলেকজান্ডারের প্রকৌশলীদের। তাদের সাথে আলাপ শুরু করলেন আলেকজান্ডার। বললেন, দ্বীপটাকে টেনে ডাঙায় আনতে কতদিন লাগবে?

    আলেকজান্ডারের কথায় অবাক হলেন তারা। জানতে চাইলেন, মানে।

    আলেকজান্ডার বললেন, মানে ডাঙা টেনে দ্বীপের কাছে নিতে কতদিন লাগবে?

    একজন বললেন, আমরা আপনার কথা বুঝতে পারছি না রাজা।

    আলেকজান্ডার বললেন, মাটি দিয়ে ভরাট করতে হবে এই দ্বীপে যাওয়ার রাস্তাটা। এবার বুঝেছেন?

    একজন প্রকৌশলী বললেন, রাস্তাটা কতখানি চওড়া হবে?

    আলেকজান্ডার বললেন, আমার পুরো শক্তিই যাতে লড়াই করতে পারে ওই নগরফটকের সাথে। সেরকম চওড়া হওয়া চাই। খুব তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। আপনার আস্তে ধীরে কাজ শুরু করে দিন।

    পরদিন থেকে শুরু হলো মূল ভূখণ্ড থেকে টায়ার পর্যন্ত মাটির সেতু তৈরির কাজ। মাটির সেতু মানে মূল ভূখণ্ড থেকে টায়ার পর্যন্ত সাগরের পানি ভরাট করে রাস্তা তৈরি করা। অনেক দিনের কাজ। ততদিন কী করবেন আলেকজান্ডার?

    আলেকজান্ডার জানতেন একসময় না একসময় টায়ারবাসীদের সঞ্চয় শেষ হয়ে আসবে। কতদিনের খাবার ওরা মজুদ করেছিল কে জানে? সাধারনত ছয়মাসের বেশি খাবার কেউ মজুদ করে রাখে না। সে হিসেবে তাকে এখানে থাকতে হবে ছয়মাসের বেশি। আর ওদের সঞ্চয় শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই করার নেই। কিছুই করার নেই বললে ভুল বলা হবে, কেবল একটা জিনিসই করার আছে। আর তা হলো অবরোধ  করে রাখা। কাজেই একদিকে মাটির সেতু তৈরির কাজ হতে থাকল, আর অন্যদিকে আলেকজান্ডার অবরোধ  করে রাখলেন টায়ার নগরী। তবে বেশিরভাগ সৈন্যকেই সেতু তৈরির কাজে লাগিয়ে দিলেন। অবরোধ  করে রাখা বেশ ধৈর্যের কাজ। এখানেও আলেকজান্ডার তার সৈন্যদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিলেন। কেউ অবরোধ  দিতে অধৈর্য হলেই তাকে

    লাগিয়ে দিলেন সেতু তৈরির কায়িক পরিশ্রমের কাজে। ফলে এক টায়ার নগরী জয় করতে গিয়ে আলেকজান্ডার দু ধরনের মানসিক শক্তি আদায় করে নিলেন তার সৈনিকদের কাছ থেকে এক হচ্ছে ধৈর্য মানে মানসিক শক্তি এবং অন্যটি হচ্ছে কঠোর কায়িক শ্রম।

    মূল ভূখণ্ডের সাথে টায়ারের সংযোগ ঘটাতে কয়েকমাস লেগে গেল। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন প্রায় ছয়মাস সময় লেগেছিল। খৃষ্টপূর্ব ৩৩৩ অব্দে তৈরি হলো মাটির সেতু। ২০০ ফুট চওড়া এই সেতু দিয়ে এবার আঘাত হানা যাবে টায়ারনগরীর ফটকে। আর ততদিনে কিন্তু টায়ারবাসীদের সঞ্চয়ও শেষ হয়ে গেছে। তারাও অধৈর্য হয়ে পড়ল। তারা এবার লড়াই করতে চাইল। কিন্তু আলেকজান্ডারের বাহিনী তাদের সাথে কোনো লড়াই করল না। টায়ারযোদ্ধারা লড়াই করতে এলেই, আলেকজান্ডারের যোদ্ধারা পিছিয়ে যায়। একসময় তারা লড়াই করার হালও ছেড়ে দিল। না খেয়ে দিন কাটাতে লাগল টায়ারবাসীরা। কিন্তু না খেয়ে কতদিন থাকা যায়। শেষ পর্যন্ত আলেকজান্ডারের কাছে আত্মসমর্পন করল টায়ার। তারা নগীরর ফটক খুলে দিল আলেকজান্ডারের সৈন্যদের জন্য। দীর্ঘ সাতমাস এর অপেক্ষাতেই ছিল সৈন্যরা। টায়ারের ফটক খোলামাত্র আর দেরি করল না কেউ। ঢুকে পড়ল টায়ারে। যে যা পারল লুট করতে শুরু করল।

    ভূমধ্য সাগরের গুরুত্বপূর্ণ একটা নগরী বলতে গেলে বিনা যুদ্ধে জয় করলেন আলেকজান্ডার। সত্যিই কি এটা বিনাযুদ্ধে জয়লাভ ছিল? না। আলেকজান্ডার এখানে অন্য রকম এক যুদ্ধ করলেন। এবং এই যুদ্ধে তিনি জয়ী হয়েছেন। টায়ার জয় তার জন্য ভৌগলিক দিক থেকে যতখানি সুবিধার হয়েছে, তারচেয়ে বেশি তার সেনাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে। মানসিক শক্তি দেখিয়ে তারা জয় করেছে টায়ার। মানসিক শক্তির চেয়ে বড় কোনো যুদ্ধ কি আর আছে? নেই।

    সেই থেকে টায়ার নগরী মূল ভূখণ্ডের সাথে এভাবে সংযুক্ত হয়ে আছে। এখনও আছে।

    যেদিন আলেকজান্ডারের সৈন্যরা টায়ারে প্রবেশ করল, সেদিন তার চোখের তারা দুটো জ্বলছিল। ঠিক রাতের আকাশের তারার মতো। হেফাস্টিয়ন এই তারা জ্বলার অর্থ বোঝেন। অনেকদিন হয়ে গেল একটা নগর জয় করতে। বলতে গেলে অনেকটা শুয়ে বসেই জয় করা হলো। যদিও সাত মাসেরও বেশি সময় লাগল। আর কোনো নগর জয় করতে এতটা সময় নেননি আলেকজান্ডার । হেফাস্টিয়নও জানেন, এরপর কী হবে। এরপর নতুন কোনো নগর জয় করতে এতটা সময় নেবেন না আলেকজান্ডার। এরপর তিনি ছুটবেন পাগলা ঘোড়ার মতো। যাবেন আর জয় করবেন। টায়ারের বেলায় কেবল ব্যতিক্রম হলো। এমন ব্যতিক্রম জয় আর হয়নি।

    আবার কোনো কোনো ইতিহাসবিদ বলেন, কেবল অবরোধ  করেই টায়ার জয় করতে পারেননি আলেকজান্ডার। তাকে লড়াই করতে হয়েছিল সাহসী টায়ারযোদ্ধাদের সাথে। টায়ারের নৌসেনা ও পদাতিক সেনারা আলেকজান্ডারের বাহিনীর সাথে তুমুল লড়াই চালিয়ে যায়। যদিও শেষ পর্যন্ত আলেকজান্ডারের দুর্ধর্ষ বাহিনীর কাছে হারতে হয়েছিল। এই যুদ্ধে মারা যায় প্রায় ৮ হাজার টায়ার যোদ্ধা। আর আলেকজান্ডার টায়ার থেকে পেয়ে যান ৩০ হাজার মানুষ। এদের পরে দাস হিসেবে বিক্রি করেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিচিত চিন্তা – আহমদ শরীফ
    Next Article কমিউনিকেশন হ্যাকস – আয়মান সাদিক ও সাদমান সাদিক

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }