Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট – আহমেদ রিয়াজ

    আহমেদ রিয়াজ লেখক এক পাতা গল্প114 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একিলিসের জন্য কান্না

    আলেকজান্ডার বুনো স্ট্যালিয়ন নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন। আর এদিকে রাজা ফিলিপ খুশি করে দিলেন ঘোড়া বিক্রি করতে আনা থেসিলিয়ানকে। থেসিলিয়ান তো মহাখুশি। ও ভাবেনি এমন একটা বুনো ঘোড়া বিক্রি করতে পারবে। বিশেষ করে রাজার কোনো সহিসই যখন এটাকে বশ মানাতে পারেনি, তখন তো এটা কেনার কথাই নয়। কিন্তু তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে রাজপুত্র আলেকজান্ডার। কত কষ্ট করে ঘোড়াটা ধরে এনেছে সে। আরেকটু হলে তার কষ্ট বৃথা যেত।

    মনের মতো ঘোড়া পেয়ে বেশ কিছুক্ষণ ছুটে বেড়িয়েছেন আলেকজান্ডার। ফিরে এসে দেখলেন রাজা ফিলিপ আর সভাসদরা তাকিয়ে আছেন তার দিকে। ঘোড়া থেকে নামতে না নামতেই রাজা ফিলিপ এগিয়ে গেলেন রাজপুত্রের দিকে। তারপর বুকে জড়িয়ে ধরলেন আলেকজান্ডারকে। অজানা এক গর্ব আজ তার হৃদয় জুড়ে। তার দুচোখ ছল ছল করে উঠল খুশিতে। দশ বছরের কিশোরের এমন সাহস আর বুদ্ধিমত্তায় কোনো বাবা খুশি না হয়ে পারেন না। রাজা ফিলিপ ছেলেকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলেন তার কপালে। তারপর বললেন, মাই সান। আমি তোমার জন্য গর্ব করি। কিন্তু তোমার স্থান কেবল এই মেসিডোনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তুমি নিজেকে ছড়িয়ে দাও। বিস্তৃত করো মেসিডোনোর সীমানা। বেরিয়ে পড়ো রাজ্য জয়ে।

    এটা বলার পরপরই হঠাৎ কেমন এক বিষণ্ণতা গ্রাস করল রাজা ফিলিপকে। তিনি মন খারাপ করে রইলেন। কী যেন ভাবলেন। স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলেন। কিন্তু সেই বিষন্নতা তার পিছু ছাড়ল না। রাজপুত্রকে যতই দেখেন, ততই খুশি হন। আবার ততই দুঃখ পান রাজা। বাবা ফিলিপের বিষন্নতা বালক আলেকজান্ডারকেও ছুঁয়ে যায়। অবাক হয়ে আলেকজান্ডার জানতে চাইলেন, বাবা তুমি কি কিছু ভাবছ?

    রাজা বললেন, কেন?

    আলেকজান্ডার বললেন, তোমার মনটা হঠাৎ খারাপ হয়ে গেল মনে হচ্ছে।

    রাজা ফিলিপ বললেন, একদিন তুমি সব বুঝতে পারবে। কেন আমি তোমাকে দেখি আর মুগ্ধ হই, কিন্তু পরক্ষণেই আবার কেন মন খারাপ হয় আমার— একদিন সবই জানতে পারবে তুমি।

    জন্মের পর থেকেই নার্স লেনিকার কোলে পিঠে মানুষ হয়েছেন আলেকজান্ডার। একটু যখন বড় হলেন তখন তাকে লেখাপড়া শেখানোর দায়িত্ব পেলেন লিয়নিডাস।

    আলেকজান্ডার ছোটবেলা থেকেই ছিলেন বেশ একরোখা আর উদ্ধত স্বভাবের। এমন হওয়াটাই কিন্তু স্বাভাবিক। আলেকজান্ডারের মা অলিম্পিয়াস হচ্ছেন এপিরাসের রাজা নিউটলেমাসের মেয়ে। বদমেজাজি রানী হিসেবে তার কুখ্যাতিও ছিল। যখন তখন মাথা গরম করতেন অলিম্পিয়াস। রাজ দরবারের সবাই তার মেজাজের সাথে পরিচিত ছিলেন। তাকে খুব একটা ঘাটাতেন না কেউ। এমনকি রাজা ফিলিপও সমঝে চলতেন তাকে। রানী অলিম্পিয়াসের সাথে আলোচনা করেই আলেকজান্ডারের জন্য নিয়োগ করলেন লিয়নিডাসকে। এই লিয়নিডাস আবার রানীর দূর সম্পর্কের আত্মীয়া। আলেকজান্ডারের জন্মের পরের বছরই এক বোনের জন্ম হলো। বোনের নাম রাখা হলো ক্লিওপেট্রা। রাজা ফিলিপের সন্তান এই দুজনই। রাজধানী পেল্লার জৌলুসের মধ্যে বড় হতে থাকলেন আলেকজান্ডার। শিখতে শুরু করলেন পাটীগণিত, ঘোড়ায় চড়া আর তরবারি বিদ্যা। এছাড়া মা অলিম্পয়াসও আলেকজান্ডারকে শেখাতে লাগলেন নিজে যা জানেন— সব। মা সবসময় গল্প করতেন গ্রিক বীর একিলিসের। সুযোগ পেলেই মা কাছে ডেকে নেন আলেকজান্ডারকে। তারপর মাথায় হাত বুলিয়ে বলতে শুরু করেন, আয়োলকাসের রাজা পেলেউস ছিলেন তার বাবা। কার বাবা জানো তো?

    আলেকজান্ডারের কিন্তু ততদিনে মুখস্ত হয়ে গিয়েছে একিলিসের জীবন কাহিনী। তবু যতবার শশানেন, আরো শুনতে চান। একিলিসের কাহিনী শুনতে একটুও খারাপ লাগে না তার। মায়ের কথার জবাব দেন আলেকজান্ডার, একিলিসের বাবা।

    মা অলিম্পিয়াস খুশি হন ছেলের কথা শুনে। তারপর বলেন, একিলিসের মা কে ছিলেন জানো তো?

    আলেকজান্ডার জবাব দেন, সাগরপরী থেটিস। মা তুমিও তো পরীদের মতো সুন্দর। কিন্তু তুমি পরী নও কেন?

    মা অলিম্পিয়াস ভীষণ খুশি হন। বলেন, কে বলেছে আমি পরী নই। আমিও তো পরী।

    আলেকজান্ডার জানতে চান, তাহলে তোমার ডানা নেই কেন?

    মা অলিম্পিয়াস যেন এই প্রশ্নের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সাথে সাথে উত্তর দিলেন, তুমি যেদিন একিলিসের মতো বীর যোদ্ধা হয়ে উঠবে, সেদিনই দেখবে আমার ডানা গজিয়ে গেছে। আমি সেদিন পরী হয়ে যাবো।

    আলেকজান্ডার একিলিসের মতো বীর যোদ্ধা হওয়ার স্বপ্ন দ্যাখেন দিন রাত। অলিম্পিয়াসই তার মধ্যে এই স্বপ্নের বীজ বুনে দিয়েছেন।

    কত রাত মায়ের কাছে শুয়ে শুয়ে আলেকজান্ডার একিলিসের গল্প শুনেছেন। মা বলতে থাকেন, রাজা পেলেউস আর সাগরপরী থেটিসের বিয়ে। উৎসবের আমেজ। সব দেবতা আর দেবী নিমন্ত্রিত। কেবল নিমন্ত্রণ দেয়া হয়নি কলহদেবী এরিসকে। এরিস এতে ভীষণ রেগে গেলেন। তিনি উপায় খুঁজতে লাগলেন কীভাবে দেবীদের মধ্যে কলহ তৈরি করিয়ে দেয়া যায়। হঠাৎ একটা বুদ্ধি এল তার মাথায়। তিনি সাগর থেকে তাকালেন অলিম্পাস পর্বতে। ওই পর্বতে দেব—দেবীরা এতক্ষণে ভোজ উৎসবে মেতে উঠেছেন। সবাই আছেন নেই শুধু কলহদেবী। তাকে এই উৎসবের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করার মজা এবার টের পাবে সবাই। বলেই একটা সোনার তৈরি আপেল ছুঁড়ে মারলেন খাবার টেবিলে। তারপর মুচকি হেসে সাগরে ডুব দিলেন সাগরদেবী। এই সোনার আপেলটাই হচ্ছে যত গণ্ডগোলের কারণ।

    আলেকজান্ডার অবাক হয়ে জানতে চান, একটা সামান্য সোনার তৈরি আপেল আবার কেমন করে গণ্ডগোল পাকাল মা?

    অলিম্পিয়াস বললেন, সেটাই তো মজার ঘটনা। ওই আপেলে খোদাই করে লেখা ছিল এই আসরের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর জন্য। মানে এই আপেলটা পাবে ওই বিয়ের আসরে যিনি সবচেয়ে সুন্দরী দেবী—তিনি। আপেলের লোভেই হোক, কিংবা নিজেকে শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর আসনে বসানোর জন্যই হোক— দেবীদের মধ্যে আপেল নিয়ে শুরু হলো কাড়াকাড়ি। নিজেকে অসুন্দর ভাবতে কে চায়? কাজেই শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর লড়াইয়ে নামলেন তিন দেবী। একজন হলেন ক্রনাস ও রিয়ার কন্যা স্বর্গরানী দেবী হেরা। আরেকজন হলেন দেবরাজ জিউসের প্রথম স্ত্রী মেটিস কন্যা দেবী আথিনা। দেবী আথিনা ছিলেন জ্ঞান—বিজ্ঞান, যুদ্ধবিগ্রহ ও চারুশিল্পের দেবী। আর তৃতীয়জন হচ্ছেন প্রেমের দেবী আফ্রোদিতি। দেবরাজ জিউস ও ডাইওন কন্যা আফ্রোদিতি। শুরু হয় তাদের মধ্যে ঝগড়া । এই ঝগড়ার মীমাংসা করেন ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস। কিন্তু গ্রিক ও ট্রয়ের যুদ্ধ আগেই বিধিলিপিতে ছিল । আর যুদ্ধ যেহেতু লেখা ছিল, কাজেই যুদ্ধের জন্য কিছু বীরের জন্ম নেয়ারও দরকার হলো। গ্রিকবীরদের মধ্যে সেরা ছিলেন একিলিস। একিলিসের জন্মের পর ভাগ্যদেবীরা মা থেটিসকে সাবধান করে দেন এই বলে যে, একিলিস যদি কোনো ঝামেলাবিহীন সাধারন জীবন যাপন করে, তবে কোনো ভয় নেই। কিন্তু যদি যুদ্ধ বিবাদে জড়িয়ে পড়ে তবে ট্রয়ের যুদ্ধেই তার মৃত্যু হবে।

    মা হয়ে সন্তানের মৃত্যু কে চায়? দেবী থেটিসও চাইলেন না। আর যেহেতু একিলিস হবেন একজন সেরা বীর যোদ্ধা, কাজেই যুদ্ধ বিগ্রহ থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখা যাবে না কোনোভাবেই। তাহলে উপায়? উপায় একটা আছে। যদি একিলিসকে স্টিক্স নদীতে চুবিয়ে আনা যায়, তাহলে আর ভয় নেই। তাহলেই একিলিস হবেন চিরঅমর এক বীর। কাজেই আর দেরি করলেন না মা থেটিস। শিশু একিলিসকে নিয়ে গেলেন স্টিক্স নদীতে। আর এই শিশু একিলিসকে ডুবাতে গিয়ে একটা ভুল করে বসলেন থেটিস। তিনি পায়ের গোড়ালি ধরে একিলিসের নদীতে ডোবালেন। একিলিসের পুরো শরীর নদীর পানিতে ভিজলেও, ভেজেনি পায়ের গোড়ালি। আর এই পায়ের গোড়ালিই তার সারা শরীরের একমাত্র স্থান হিসেবে রয়ে যায়, যেখানে আঘাত করলে একিলিসের মৃত্যু হবে।

    আলেকজান্ডার একিলিসের গল্প শোনেন তন্ময় হয়ে। মা অলিম্পিয়াসের তো হোমারের অডিসি বলতে গেলে মুখস্ত । সেখান থেকেই তিনি কখনো আবৃতি করেন, কখনো গল্প বলেন। আজ যেমন তাকেও গল্প বলার নেশায় পেয়ে বসেছে। হঠাৎ গল্পের মাঝখানে জানতে চান আলেকজান্ডার, একিলিস কি পায়ের আঘাতেই মরেছেন মা?

    অলিম্পিয়া বিরক্ত বোধ করেন খানিকটা। গল্পের মাঝখানে কথা বললে বা প্রশ্ন করলে যে কেউ বিরক্ত বোধ করবেন। আর অলিম্পিয়াস তো হলেন রাগী রানী। কাজেই তার রাগ হওয়াটাই স্বাভাবিক। তিনি একটু রেগে বললেন, আগে শুনেই নে। তারপর কথা বলিস।

    তারপর আবার বলতে শুরু করেন অলিম্পিয়াস—

    একিলিস যুদ্ধবিদ্যা শেখেন বিখ্যাত কিরনের কাছ থেকে। ছোটবেলা থেকেই একিলিস ছিলেন অহঙ্কারী আর দাম্ভিক। তার সাহসও ছিল আর সবার চেয়ে বেশি। আর তিনি ছিলেন ভীষণ রাগী।

    এদিকে যখন ট্রয়ের সাথে গ্রিকদের যুদ্ধ শুরু হবো হবো করছিল। বেশ চিন্তায় পড়েন মা থেটিস। যদিও ছেলেকে স্টিক্স নদী থেকে চুবিয়ে এনেছেন, তবু মায়ের মন। সন্তানের জন্য দুঃশ্চিন্তা তার হয়। তিনি একটা বুদ্ধি বের করেন। ছেলে একিলিসকে মেয়ের মতো পোশাক পরিয়ে সাজগোজ করিয়ে পাঠিয়ে দেন স্কাইরসে। এবার কিছুটা নিশ্চিন্ত হন থেটিস। যাক, তার ছেলেকে আর কেউ খুঁজে পাবে না । কিন্তু একিলিসের কপালে যুদ্ধ লেখা ছিল। অডিসিউস আর প্যালামিডিস ঠিকই একিলিসকে খুঁজে বের করেন। একিলিসকে খুঁজে বের করতে অবশ্য তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। নানান ছলচাতুরিও করতে হয়েছে তাদের। তবু তো খুঁজে পেলেন গ্রিকদের শ্রেষ্ঠ বীরকে। সেটাই তাদের সান্ত্বনা। যাই হোক। মা থেটিস একরকম বাধ্য হয়েই ছেলেকে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি দেন। দেবতা আর দেবীর সন্তান একিলিস, সাধারন অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করবেন তা কি হয়? স্বর্গের কামারদেবতা হেফাস্টাসকে দিয়ে বানিয়ে আনেন অস্ত্রশস্ত্র, ঢাল, বর্ম। সবই একিলিসের জন্য। স্বর্গীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একিলিস চলে যান ট্রয়ের যুদ্ধে।

    এ পর্যন্ত বলেই হঠাৎ খেয়াল হয় মায়ের, রাত অনেক হয়েছে। প্রাসাদের জানালা দিয়ে উঁকি দেন বাইরে। আকাশে তারাদের রাজত্ব চলছে। আর খেয়াল হতেই চুপ হয়ে যান অলিম্পিয়াস।

    কিন্তু আলেকজান্ডারের চোখে তখন ঘুম নেই। প্রয়োজনে সারা রাত গল্প শুনবেন। একিলিসের গল্প শুনতে তার দারুণ লাগে। এর মধ্যেই নিজেকে একিলিস ভাবতে শুরু করেছেন তিনি। মা চুপ হয়ে যেতেই জানতে চাইলেন, তারপর?

    অলিম্পিয়াস আলেকজান্ডারের কপালে চুমু দিয়ে বললেন, বাকিটা কাল রাতে শুনিস। এখন রাত অনেক হয়েছে, ঘুমিয়ে পড়।

    এতে আলেকজান্ডারের কৌতূহল আরো বেড়ে যায়। মায়ের কাছে অনেক অনুনয় করে। মা বলেন, কাল সকালে তোকে ঘোড়দৌড়ে অংশ নিতে হবে। খুব ভোরে উঠতে হবে। এখনই না ঘুমােলে ভোরে উঠতে পারবি না।

    বলেই মা চলে গেলেন নিজের শোবার ঘরে।

    পরের রাতে আবার গল্প শোনার নেশায় পেয়ে বসে আলেকজান্ডারকে। মায়ের মুখে গল্প শোনার মজাই যে অন্যরকম। কাজেই মা অলিম্পিয়াসকে শোনাতে হয় একিলিসের বাকি কাহিনী। আবার একিলিসের কাহিনী শুরু করেন অলিম্পিয়াস—

    কিন্তু ট্রয়ের যুদ্ধে গিয়ে একিলিসের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন আগামেনন। এমনিতেই একিলিস বড় একরোখা স্বভাবের। এবং এজন্য একিলিস প্রতিজ্ঞা করেন আগামেনন তার কাছে ক্ষমা না চাইলে তিনি লড়াইয়ে নামবেন না। কিন্তু যুদ্ধে একিলিসের সহচর প্যাট্রোক্লাস নিহত হন। প্রিয় সহচরের অকাল মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না একিলিস। ক্রোধে, উম্মাদনায়, প্রতিশোধ স্পৃহায় তিনি ভুলে যান তার প্রতিজ্ঞার কথা। যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন একিলিস। নিজে হত্যা করেন আমাজনীয় রানী পেন্থিসিলীকে। শুধু তাই নয়, ট্রয়ানদের সেরা বীর হেক্টরকেও হত্যা করেন একিলিস। যুদ্ধে একিলিস হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। তাকে রোখে এমন কোনো বীর নেই ট্রয় নগরীতে। গ্রিক ও ট্রয়ের এই যুদ্ধে দেব—দেবীরা দুভাগে বিভক্ত হয়ে যান। এক দল সমর্থন ও শক্তি যোগান দেন গ্রিকদের এবং আরেকদল ট্রয়ানদের। প্রিয় সহচরের মৃত্যুতে এতটাই উম্মাদ হয়ে গিয়েছিলেন একিলিস যে, ট্রয়ানদের শ্রেষ্ঠ বীর হেক্টরকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হলেন না, হেক্টরের মৃতদেহ তার রথের পিছনে বেঁধে ট্রয় নগরী প্রদক্ষিণও করলেন। কিন্তু মা থেটিস এটাকে ভালো চোখে দেখলেন না। তিনি একিলিসকে অনুরোধ করলেন হেক্টরের মৃতদেহ যেন তার বাবা ট্রয়রাজ প্রায়ামের কাছে সমর্পন করেন। মায়ের অনুরোধ ফেলতে পারেননি একিলিস। হেক্টরের মৃত্যুর পর আরো অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে গ্রিকরা। তারওপর তাদের শ্রেষ্ঠবীর একিলিস লড়াই করছেন। কাজেই তারা বীরবিক্রমে লড়াই চালিয়ে যেতে লাগল। গ্রিকদের আক্রমণে একরকম কোনঠাসা হয়ে পড়ে ট্রয়ানরা। তারা বুঝতে পারে একিলিসকে না থামানো পর্যন্ত কিছুই করা যাবে না গ্রিকদের বিরুদ্ধে। কিন্তু একিলিস যে স্ট্রিক্স নদীতে ডুব দিয়ে এসেছেন। তিনি যে চিরঞ্জীব। তাহলে উপায়? উপায় একটা ঠিকই বের করে ফেলল ট্রয়ানরা। ঠিকই তারা জানতে পারল একিলিসের পুরো শরীর স্টিক্স নদীতে ডুবলেও পায়ের গোড়ালি ডোবেনি। কাজেই একিলিসকে মারতে হলে ওখানেই আঘাত করতে হবে। কিন্তু কে করবে আঘাত? একিলিসকে আঘাত করার মতো বীর তো ট্রয়ানদের নেই। একিলিসকে আঘাত করার একমাত্র যোগ্যতা ও ক্ষমতা ছিল হেক্টরের। হেক্টর বধ হয়েছেন একিলিসের কাছে। তাহলে? তখনই এগিয়ে এলেন জিউস ও লেটোর পুত্র দেবতা অ্যাপোলো। অ্যাপোলো হচ্ছেন নিরাময়, ভবিষ্যদ্বাণী, সংগীত, ধনুবিদ্যা, যৌবন ও আলোক দেবতা। এই যুদ্ধে দেবতা অ্যাপোলো ছিলেন ট্রয়ানদের পক্ষে। প্যারিসের বেশ ধরে তিনি লড়াই করতে এলেন বীর একিলিসের সাথে। একিলিসও লড়াই চালিয়ে গেলেন। কিন্তু একজন দেবতার সাথে লড়াইয়ে বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না একিলিস। সুযোগবুঝে প্যারিসবেশী অ্যাপোলো একিলিসের পায়ের ঠিক সেখানটাতেই তীর ছুঁড়ে মারলেন, যেখানে স্টিক্স নদীর পানির ছোঁয়া লাগেনি। অ্যাপোলোর তীরে বিদ্ধ হয়েই মৃত্যুবরণ করলেন একিলিস।

    একিলিসের করুণ কাহিনী শুনে চোখ ভিজে আসে কিশোর আলেকজান্ডারের। চুপ করে থাকেন অনেকক্ষণ। মা অলিম্পিয়াস কখন তাকে রেখে চলে গেছেন নিজের ঘরে, বলতেও পারবেন না। সেই রাত, সারারাত ঘুমুতে পারেননি আলেকজান্ডার। কেবলই একিলিসের কথা ভেবেছেন। এই একিলিসকেই তিনি আদর্শ হিসেবে নিয়েছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিচিত চিন্তা – আহমদ শরীফ
    Next Article কমিউনিকেশন হ্যাকস – আয়মান সাদিক ও সাদমান সাদিক

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }