Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    সাগরময় ঘোষ এক পাতা গল্প85 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একটি পেরেকের কাহিনী – ৫

    ॥ পাঁচ ॥

    ডাঃ রায়ের চিঠি নিয়ে সুপারিন্টেণ্ডেন্ট-এর সঙ্গে দেখা করতেই সঙ্গে সঙ্গে বৈদ্যনাথের চাকরি হয়ে গেল। ওয়ার্ড অ্যাসিস্টেন্ট, কুড়ি টাকা মাইনে। হাসপাতালেই থাকার জায়গা পেয়ে গেল, খাওয়াটা ফ্রি। ডাঃ রায় হাসপাতালে ভিজিট করতে এলে দূর থেকে বৈদ্যনাথ দুই হাত তুলে নমস্কার জানায়। কোনোদিন নজরে পড়ে, কোনোদিন পড়েও না। অ্যাসিস্টেন্ট পরিবৃত হয়ে রুগী দেখায় এত ব্যস্ত থাকেন যে এগিয়ে গিয়ে কথা বলার সুযোগ বড় একটা হয় না। কথা বলবার আর আছেই বা কী। যা চেয়েছিল তাকে তো তা দিয়েছেন। শুধু কৃতজ্ঞতা জানানো? সে তো মনে মনে দিবারাত্রই সে জানাচ্ছে।

    দিন সাতেক কাজ করার পর সুপারিন্টেণ্ডেন্ট বৈদ্যনাথকে ডেকে বললেন—‘ট্রেনিং-এর জন্যে তোমাকে তো একটা কোর্স নিতে হবে। কাল থেকেই তা শুরু হচ্ছে, তুমি ভতি হয়ে যাও। তিন মাসের এই ট্রেনিং কোর্সটা না নেওয়া থাকলে তোমার কাজের যোগ্যতাই প্রমাণিত হবে না, উন্নতিও করতে পারবে না।’

    বৈদ্যনাথের হাতে একটা ফর্ম দিয়ে আবার বললেন—‘এইটে ভর্তি করে আনো আর সেই সঙ্গে দু’জন ডাক্তারের রেকমেণ্ডেশন দরকার। তবে তুমি যদি ডাঃ রায়ের একটা সই এই ফর্মে সই করিয়ে আনতে পার তাহলে আর কারো স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে না।’

    পরদিন সকালে ফর্ম টা হাতে করে আবার সে গেল ডাঃ রায়ের বাড়ি। আবার সেই এক কথা—‘ছিলিপ লাগাও।’ বৈদ্যনাথ জানে স্লিপ দিলেও তার ডাক আসবে না। সুতরাং সে ফুটপাথেই পায়চারি শুরু করে দিল।

    ন’টা বাজতেই ডাঃ রায় বেরিয়ে এসে গাড়িতে উঠতে যাবেন, এমন সময় বৈদ্যনাথ সামনে এসে হাজির। ওকে দেখেই ডাঃ রায় বললেন—‘তুমি এখানে কেন? আবার কী হল।’

    তাড়াতাড়ি ফর্মটা এগিয়ে দিয়ে বললে—’একটা সই করে দিন স্যার।’

    সেদিকে লক্ষ না করে এবং বৈদ্যনাথের কথায় কান না দিয়ে গাড়িতে উঠে বসলেন। ড্রাইভারকে একটু অপেক্ষা করতে বলেই বৈদ্যনাথকে বললেন—‘তোমার চেহারাটা এত খারাপ দেখছি কেন?’

    বৈদ্যনাথ বললেন—‘এমন কিছু না। নাইট ডিউটি চলছে কিনা তাই। এই ফর্মটায় একটা সই করে দেবেন স্যার?’

    ডাঃ রায় বললেন—‘ও-সব এখন থাক। আমি পরশু সকালে কলকাতার বাইরে যাচ্ছি। ঘুরে আসি, তখন দেখা কোরো।’

    হাত-ঘড়িটার দিকে তাকিয়েই ড্রাইভারকে গাড়ি ছাড়বার আদেশ দিলেন। গাড়ি চলে গেল, রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইল বৈদ্যনাথ।

    বৈদ্যনাথের কাছে সব বৃত্তান্ত শুনে সুপারিন্টেণ্ডেট বললেন—‘তাই তো, ডাঃ রায় সই করলেন না! তবে তো তোমার একটা বছর নষ্ট হল।’

    বৈদ্যনাথ মুষড়ে পড়ল। ডাঃ রায় ওকে যখন একটা চাকরিই দিলেন তখন সে-চাকরিতে উন্নতির সুযোগটুকুই বা করে দিলেন না কেন? ডাঃ রায়ের এই বিমুখতা বৈদ্যনাথের কাছে একটা রহস্য হয়ে রইল। তবু সে সুপারিন্টেণ্ডেন্টকে জিজ্ঞাসা করল—‘অন্য কোন ডাক্তারকে দিয়ে সই করিয়ে নিলে ভর্তি হওয়া যাবে কি?’

    সুপারিন্টেণ্ডেন্ট বললেন—‘তা যাবে না কেন। কিন্তু ডাঃ রায় যখন জেনেশুনেই সই করলেন না এবং শিলং থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললেন, তখন নিশ্চয় কোনো একটা কারণ আছে। তোমাকে আর ওয়ার্ড অ্যাসিস্টেন্ট-এর কাজে রাখা যাবে না—ওটা বে-আইনি হবে। তিন মাসের কোর্সটা শেষ করলে আর কোনো অসুবিধাই হত না।’

    বৈদ্যনাথ উদ্‌গ্রীব হয়ে জিজ্ঞাসা করল—‘উনি ক’দিনের জন্য শিলং যাচ্ছেন?’

    ‘কাল সকালেই যাচ্ছেন এবং তিন সপ্তাহের জন্য। সুতরাং তিন সপ্তাহ কোর্স অটেও না করলে এ-বছরে তো আর ও-কাজে তোমাকে নেওয়া চলবে না।’

    পরদিন সকালে বৈদ্যনাথ সোজা হাজির শিয়ালদা স্টেশনে। আসাম মেল দাঁড়িয়ে আছে, ফাস্ট ক্লাস কম্পার্টমেন্ট-এর দিকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে বৈদ্যনাথ দেখতে পেল একটা সাদা কার্ড বসানো। লেখা আছে— Dr. B. C. Roy.

    ট্রেন ছাড়তে তখনও মিনিট পাঁচ বাকি, ডাঃ রায়ের দেখা নেই। অধীর হয়ে বৈদ্যনাথ কম্পার্টমেন্ট-এর সামনের প্ল্যাটফর্মে পায়চারি করতে লাগল, হাতে ধরা আছে সেই ফর্ম। আরো দু-মিনিট পার হয়ে গেল, ডাঃ রায়ের তখনো দেখা নেই। ট্রেনের গার্ড আর স্টেশন মাস্টার উদ্গ্রীব আগ্রহে ডাঃ রায়ের কম্পার্টমেন্ট-এর সামনে দাঁড়িয়ে। ডাঃ রায় এখনো পৌঁছলেন না, তাই নিয়ে দুজনেই উদ্বিগ্ন।

    আর যখন দু-মিনিট বাকি তখন দূরে দেখা গেল ডাঃ রায়কে। কাঁটায় কাঁটায় প্ল্যাটফর্মে ঢুকছেন।

    পুরো সাহেবী পোশাক কিন্তু গলায় টাই নেই। স্টেশন মাস্টার ও গার্ড ওঁকে দেখে নিশ্চিন্ত হল, বৈদ্যনাথও। কম্পার্টমেন্টের কাছে আসামাত্র বৈদ্যনাথ হাতের ফর্মটা তাড়াতাড়ি ওঁর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললে—‘স্যার একটা সই করে দিন, না দিলে আমার চাকরি হবে না।’

    বৈদ্যনাথকে এখানেও দেখে ডাঃ রায় বিরক্তি প্রকাশ না করে চোখে- মুখে একটা বিস্ময় এনে বললেন—‘তুমি এখানেও ধাওয়া করেছ? আমি তো বলেইছি ফিরে এসে যা করবার করব।’

    এক নিশ্বাসে বৈদ্যনাথ সুপারিন্টেণ্ডেণ্টের কথাগুলি ডাঃ রায়ের সামনে বলে গেল। হঠাৎ ডাঃ রায় প্যান্টের পকেট ও কোটের পকেট হাতড়াতে লাগলেন। কী একটা যেন খুঁজলেন, পেলেন না। সামনেই প্ল্যাটফর্মের উপর একটা পরিত্যক্ত সিগারেটের প্যাকেটের উপর দৃষ্টি পড়ল। আশে-পাশে এত লোক থাকতে কাউকে কিছু বললেন না। নিজেই দু’পা এগিয়ে গেলেন। বিশাল বপু নুয়ে পড়ল প্ল্যাটফর্ম-এর উপর। সিগারেটের প্যাকেটটা কুড়িয়ে নিলেন। প্যাকেটের খোলটা ফেলে দিয়ে ভিতরের সাদা অংশটুকু বার করে তার উপর লিখে দিলেন—

    Give him some light work. —B. C. Roy.

    কাগজটা বৈদ্যনাথের হাতে দিয়ে শুধু বললেন—‘সুপারিন্টেণ্ডেকে কাগজটা দেখিও।’

    গাড়ি ছাড়তে এক মিনিট লেট্‌ হয়ে গিয়েছে। ডাঃ রায় তাড়াতাড়ি কম্পার্টমেন্ট-এ উঠে বসতেই গার্ড হুইসিল দিল, গাড়িও চলতে শুরু করেছে। বৈদ্যনাথ প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে চলে যাওয়া গাড়িটার দিকে স্তব্ধ হয়ে চেয়ে রইল।।

    ডাঃ রায়ের লেখা চিরকুট দেখে সুপারিন্টেণ্ডেন্ট হেসে ফেললেন। মনে মনে তারিফ করলেন বৈদ্যনাথের অদম্য উৎসাহের। খুশি হয়েই ওকে এবার হালকা কাজ দিলেন, রেকর্ড ক্লার্ক-এর কাজ। প্রত্যেক রুগীর জন্য ডাক্তাররা যে প্রেসক্রিপশন লিখে দেন তা অন্য একটা খাতায় নকল করে রাখাই হল বৈদ্যনাথের এখন একমাত্র কাজ।

    তিন সপ্তাহ বাদে শিলং থেকে ফিরে এসে ডাঃ রায় যথারীতি হাসপাতালে রুগী দেখতে যান কিন্তু বৈদ্যনাথের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। বৈদ্যনাথের মাইনে কুড়ি টাকায় শুরু হয়েছিল, ইতিমধ্যে আরো পাঁচ টাকা বেড়েছে। প্রতি মাসেই সে পাঁচ টাকা নিজের জন্য রেখে বাকি কুড়ি টাকা মা’র কাছে পাঠিয়ে দেয়। মাকে চিঠি লিখে জানিয়ে দিয়েছে সে পঁচাত্তর টাকা মাইনে হলেই সে কলকাতায় বাড়ি ভাড়া করবে এবং মাকে নিয়ে আসবে।

    জরুরী প্রয়োজনে ডাঃ রায়ের একদিন তাঁরই এক রুগী সম্পর্কে পুরোনো প্রেসক্রিপশনটা একবার দেখা দরকার হল। সুপারিন্টেণ্ডেন্ট আপিস থেকে খাতাটা এনে ডাঃ রায়কে দিলেন। খাতাটার পাতা উল্টে দেখতে দেখতে ডাঃ রায় বললেন—‘হাতের লেখাটা কার?’

    ‘রেকর্ড ক্লার্ক-এর স্যার।’

    ‘তা আমি জানি। লোকটি কে?’

    সুপারিন্টেণ্ডেন্ট বরাবরই বৈদ্যনাথের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন। ডাঃ রায়ের প্রশ্ন শুনে ভয় হল, খাতা লিখতে বৈদ্যনাথ কি কিছু গণ্ডগোল করে বসেছে? তবু ডাঃ রায় যখন জানতে চেয়েছেন নামটা লুকোনো অনুচিত বিবেচনা করেই বললেন—‘বৈদ্যনাথ স্যার। সে তো এই হাসপাতালে আপনারই রুগী ছিল, আপনিই তাকে কাজ দিতে বলেছিলেন।’

    বৈদ্যনাথের কথা মনে পড়ে গেল ডাঃ রায়ের। খুশি হয়ে বললেন— ‘বেশ বেশ। ছেলেটির হাতের লেখা সুন্দর এবং পরিচ্ছন্ন। ওকে বোলো কাল সকালে আমার বাড়িতে গিয়ে দেখা করতে।’

    পরদিন সকালে বেলা ন’টার একটু আগেই বৈদ্যনাথ ডাঃ রায়ের বাড়িতে হাজির। এবার আর ‘ছিলিপ লাগাও’-এর চেষ্টায় না গিয়ে গেটের সামনে অপেক্ষমান গাড়িটার পাশে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকল। ঠিক ন’টায় ডাক্তার রায় গাড়িতে উঠতে যাবেন, বৈদ্যনাথ দুই হাত তুলে নমস্কার করে বলল—‘আমাকে ডেকেছিলেন স্যার?’

    একটু বিরক্তির সঙ্গেই ডাক্তার রায় বললেন—‘হ্যা ডেকেছিলাম। কিন্তু এতক্ষণে তোমার দেখা করার সময় হল?’

    ‘আমি তো অনেক আগেই দেখা করতে পারতাম, কিন্তু—’

    ডাঃ রায় বৈদ্যনাথকে কথা শেষ করতে না দিয়েই হাঁক দিলেন— ‘দারোয়ান!’

    ডাক শুনেই হন্তদন্ত হয়ে এসে দারোয়ান বৈদ্যনাথের উপর চোটপাট শুরু করে বললে—‘বহুৎ খতরনাক আদমি। রোজ ইধর আ কে দিল্‌লগি করতে হৈ। নিকালে ইধার সে বেত্‌তমিজ্।’

    প্রচণ্ড ধমক দিয়ে ডাঃ রায় বললেন—‘খবরদার। কোনো লোকের সঙ্গে এভাবে কথা বলবে না।’

    ধমক খেয়েই দারোয়ান কাঁপতে-কাঁপতে সেলাম ঠুকে বললে—‘যো হুকুম সাব।’

    ডাঃ রায় বৈদ্যনাথকে দেখিয়ে বললেন, ‘এই ছেলেটি যখনই আমার সঙ্গে দেখা করতে আসবে, ওকে ঢুকতে দিও।’

    পরমুহূর্তেই বৈদ্যনাথের দিকে তাকিয়ে বললেন—‘কাল সকালে এসো। আজ আর কথা বলবার সময় নেই।’

    পরদিন সকালে বেলা আটটার সময় বৈদ্যনাথ ডাঃ রায়ের বাড়িতে উপস্থিত। আজ অবারিত দ্বার, দারোয়ান স্মিতহাস্যে অভ্যর্থনা জানাল। সকাল বেলায় বাড়িতে রুগী দেখা শেষ করে ডাঃ রায় তাঁর লাইব্রেরী ঘরের টেবিলে বসে কাগজপত্র দেখছিলেন। বৈদ্যনাথ সরাসরি সেখানে উপস্থিত হতেই ডাঃ রায় বললেন—‘এসেছো? দারোয়ান তাহলে ঢুকতে দিল তোমাকে।’

    বৈদ্যনাথ হেসে বললে—‘কাল যখন আপনি নিজে বলে দিয়েছেন তখন কার সাধ্যি আমাকে আটকায়!’

    বৈদ্যনাথের কথা শুনে ডাঃ রায় কৌতুক করে বললেন—‘আমি না বলে দিলেও তোমাকে কি কেউ আটকাতে পেরেছিল? যাক্, যে-জন্য তোমায় ডেকে পাঠিয়েছি। আমার কিছু ব্যক্তিগত কাজ আছে, তোমায় করে দিতে হবে। তোমার ইংরিজি হাতের লেখা আমার খুব পছন্দ। মেডিকেল জার্নালের জন্যে আমাকে মাঝে-মাঝে কিছু লিখতে হয়। আমার হাতের লেখা যেমন অস্পষ্ট তেমনি কাটাকুটিতে ভরা। টাইপিস্টরা ‘অনেক সময় বুঝতে পারে না। প্রচুর ভুল থেকে যায়। রোজ সকালে এক ঘণ্টা, এই ধরো আটটা থেকে ন’টা, তুমি আমার এখানে এসে লেখাগুলি নকল করে দেবে। তারপরে একবার চোখ বুলিয়ে দেখে টাইপিস্টকে দেব। পারবে তো?’

    বৈদ্যনাথ খুশি হয়ে বললে—‘হাসপাতালে আমার ডিউটি শুরু হয় দশটার পর। সুতরাং এক ঘণ্টা কেন, সকালে যতক্ষণ প্রয়োজন আপনার কাজ করে দেব।’

    ‘ঠিক আছে। তা হলে কাল থেকেই লেগে যাও। হাসপাতালে কত মাইনে তুমি পাও?’

    ‘আজ্ঞে পঁচিশ টাকা পাই।’

    ‘বেশ, আমিও তোমাকে পচিশ টাকাই দেব। তাতে কুলোবে তো?’

    বৈদ্যনাথ যেন হাতে চাঁদ পেল। বিস্মিত হয়ে বললে—‘কুলোবে! কি বলছেন স্যার! আমি তো ভাবছি কলকাতায় বাসা ভাড়া করে মাকে চাঁদপুর থেকে এনে আমার কাছেই রাখব।’

    ডাঃ রায় গম্ভীর হয়ে বললেন—‘অত উৎফুল্ল হয়ে উঠে না বৈদ্যনাথ। কলকাতা শহরকে তোমার চেয়ে বেশি চিনি আমি। ও-টাকায় কলকাতায় বাড়ি ভাড়া করে মাকে এনে রাখা চলে না। ওতে মা’রই কষ্ট হবে বেশি। আরো কিছুদিন অপেক্ষা করো।’

    পরদিন থেকে রোজ সকালে সাতটার মধ্যেই বৈদ্যনাথ ডাঃ রায়ের বাড়ি চলে আসে।

    লেখা কপি করার কাজ প্রথমেই অতি যত্নের সঙ্গে সেরে রাখে। পরে হাতে কিছু সময় থাকলে ডাঃ রায়ের লাইব্রেরীর ডাক্তারী বই ও বিদেশ থেকে আসা মেডিকেল জার্নালগুলি গুছিয়ে রাখে। কিছুদিনের মধ্যেই বৈদ্যনাথ ডাঃ রায়ের লাইব্রেরী ঘরের যাবতীয় বইপত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়ে গেল। লেখার পাণ্ডুলিপি রিভাইজ করবার সময় রেফারেন্সের জন্যে কোনো বই বা পুরোনো জার্নালের প্রয়োজন হলে তৎক্ষণাৎ বৈদ্যনাথ তা ডাঃ রায়ের হাতে হাজির করে দেয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }