Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    সাগরময় ঘোষ এক পাতা গল্প85 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একটি পেরেকের কাহিনী – ৮

    ॥ আট ॥

    এক মাস ছুটির পর বৈদ্যনাথ বিয়ে করে একাই কলকাতা ফিরে এসেছে। চেহারা দেখে চেনবার উপায় নেই। তসরের পাঞ্জাবি তাতে সোনার বোতাম, হাতে হাতঘড়ি, আঙ্গুলে সোনার আংটি। এ বৈদ্যনাথ আরেক মনুষ।

    ডাঃ রায়ের সঙ্গে দেখা করতেই বললেন—‘বুঝেছে। বৈদ্যনাথ, তোমার চেহারা আর সাজপোশাক দেখে এই বুড়ো বয়সে আমারো লোভ হচ্ছে। এই অপাত্রে কেউ পাত্রী দেবে না, এই যা দুঃখ। তা কেমন বউ হল বল। পছন্দ হয়েছে তো?’

    বৈদ্যনাথ মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে রইল, মুখে সলজ্জ হাসি।

    ডাঃ রায় হাসতে হাসতে বললেন—‘বুঝেছি, পছন্দ তা হলে হয়েছে। স্বাস্থ্য ভালো তো?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ।’

    ‘মা খুশি হয়েছেন?’

    ‘মা খুবই খুশি।’

    ডাঃ রায় মৃদু হেসে বললেন—‘এবার মাকে আর বউমাকে কলকাতায় নিজের কাছে এনে রাখো।’

    পুজোর সময় ক’দিনের ছুটিতে দেশে গিয়ে বৈদ্যনাথ মা ও স্ত্রীকে কলকাতায় এনে তুলল বেলেঘাটার বাড়িতে। এখন আর বৈদ্যনাথকে ডালহৌসির হেড অফিসে যেতে হয় না, শহরের বিভিন্ন অঞ্চলের দোকানে ঘুরে ঘুরে ওষুধের স্টক মিলিয়ে রিপোর্ট দেওয়াই একমাত্র কাজ। এই কাজ করতে করতেই ও টের পেয়েছিল যে করনক্ সাহেব বড়বাবুর সঙ্গে যোগ-সাজসে এক বিরাট চুরির জাল বিস্তার করে কোম্পানিকে ফোঁপরা করে এনেছে, কিন্তু হাতেনাতে ধরা পড়ার মতো কোনো নজির কোথাও রাখেনি। ইতিমধ্যে বৈদ্যনাথের মাইনে আরো কুড়ি টাকা বেড়ে আশী হয়েছে, এখন ওর বেশ স্বচ্ছল অবস্থা। অল সেকশন ট্রামের টিকিট, যখন খুশি যেখানে খুশি ঘুরে বেড়ায়, সময়ে অসময়ে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে স্টক চেক করে। চুরির আঁচ পেলেও বড় প্রমাণ পাচ্ছে না বলে করনক্ সাহেবকে ও ঘাঁটায় না, তক্কে তক্কে আছে।

    ডাঃ রায় তখন একজন সর্বশ্রেষ্ঠ ডাক্তারই শুধু নন, আজ তিনি সর্ব-ভারতীয় নেতা। প্রতিদিন সকালে বৈদ্যনাথ ডাঃ রায়ের বাড়ি যায়, কিন্তু কথা বলার ফুরসত বড় একটা হয় না। এদিকে বেলেঘাটায় যে পাড়ায় বৈদ্যনাথ থাকে সেখানে ওর খাতির সম্মান বেড়ে গেছে, যেহেতু সে ডাঃ রায়ের প্রিয়পাত্র। তাঁর বাড়িতে ওর নিত্য যাওয়া-আসা এ-খবরটা পাড়ার ছেলেছোকরা থেকে মাতব্বরদেরও জানা হয়ে গিয়েছে। পাড়ার পুরোনো বাসিন্দা অঘোরবাবু কঠিন অসুখে তিন মাস শয্যাশায়ী। অত্যন্ত গরিব। বড় ডাক্তার ডেকে দেখাবার সামর্থ্য নেই, ধরপাকড়ের মাতব্বরেরও অভাব। পাড়ার ডাক্তার হাল ছেড়ে দিয়ে বলে গেল, বৈদ্যনাথবাবুকে ধরে একবার ডাঃ রায়কে দেখান। অঘোরবাবুর স্ত্রী বৈদ্যনাথের মা’র কাছে কেঁদে পড়ল। বৈদ্যনাথ আজ পর্যন্ত এসব ব্যাপারে ডাঃ রায়কে কখনো কোনোদিন অনুরোধ করেনি, কিন্তু মায়ের পীড়াপীড়িতে ডাঃ রায়কে সে-কথা বলতে বাধ্য হল।

    ডাঃ রায় সব শুনে বললেন—‘তোমার মা যখন কথা দিয়েছেন, যতই কাজ থাক, আমাকে যেতেই হবে। আজই বিকেলে যাব, পাঁচটার সময় এসে আমাকে নিয়ে যেয়ো। যে-ডাক্তার এতদিন ওঁর চিকিৎসা করছিলেন তাঁকে থাকবার জন্যে একটা খবর পাঠিয়ে দাও।’

    বিকেল বেলা বৈদ্যনাথ এসে ডাক্তার রায়কে নিয়ে গেল বেলেঘাটায় রুগীর বাড়ি। ভাল করে পরীক্ষা করে ওষুধপত্রের ব্যবস্থা করে দিয়ে যে-ডাক্তার দেখছিলেন তাঁকে বললেন—‘বৈদ্যনাথকে দিয়ে খবর পাঠাবে রুগী কেমন থাকে না থাকে।’

    রুগীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠবার সময় বৈদ্যনাথ বলল— ‘স্যার, আমার বাড়ি তো এই পাড়ায়, বেশী দূর নয়। যদি একবার আসেন—’

    বৈদ্যনাথের পিঠে মৃদু চাপড় দিয়ে ডাঃ রায় বললেন—‘হবে হবে। এ-বাড়িতে নয়, তুমি যখন নিজে বাড়ি করবে তখন সেই বাড়িতে যাব।’

    কথাটা বৈদ্যনাথের মনের মধ্যে গেঁথে গেল। কঠিন সংকল্প সে করল, ডাঃ রায়কে ওর বাড়িতে একদিন আনতেই হবে। ইতিমধ্যে ভবানীপুরে একটা ফ্ল্যাট পেয়ে গেল বৈদ্যনাথ। দু’খানা ঘর, ভাড়া চল্লিশ টাকা।

    কয়েক বছরের মধ্যেই দেশের চেহারা গেল পালটে। ভারতবর্ষ স্বাধীনতা অর্জন করেছে, বাংলাদেশ দ্বিখণ্ডিত। ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় এখন পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সকাল বেলা আর বৈদ্যনাথের ডাঃ রায়ের বাড়ি যাবার প্রয়োজন হয় না, একমাত্ৰ ছুটির দিন ছাড়া। ভবানীপুরের ফ্ল্যাটের চেহারা বদলেছে। দুই ঘরে পাখা এসেছে, রেডিও-সেট এসেছে, নিয়ন বাতি জ্বলছে। স্ত্রীর গায়ে সোনার গয়নাও উঠেছে। বৈদ্যনাথ এখন দুটি সন্তানের পিতা। ইতিমধ্যে এক কাণ্ড ঘটে গেল।

    বালীগঞ্জ সার্কুলার রোডে সাহেব-পাড়ায় কোম্পানির যে ওষুধের দোকান আছে, সেখানে হিসেবের প্রচুর গলদ ধরা পড়েছে। বড় সাহেব বৈদ্যনাথকে ভার দিলেন সে-দোকানের সব স্টক আর পুরোনো ক্যাশ মেমো ভালো করে পরীক্ষা করে দেখতে। রাত আটটায় দোকান বন্ধ হয়ে গেলে বৈদ্যনাথের কাজ শুরু হয়, রাত দশটা এগারোটা পর্যন্ত পুরোনো কাগজপত্র ঘেঁটে পরীক্ষা করে, অবশেষে নির্জন রাস্তা দিয়ে হেঁটে সে বাড়ি ফেরে। পুরোনো কাগজপত্র দেখতে দেখতে বেরিয়ে পড়ল করনক্ সাহেবের চোরাকারবারের মোক্ষম প্রমাণ। হেড আপিসের নির্দেশে কারখানা থেকে যে-মাল দোকানে এসেছে তার কোনো নির্দেশ হেড আপিসের খাতায় নেই, দোকানের খাতায়ও তার এনট্রি নেই। অথচ কারখানার চালানে দেখা যাচ্ছে হেড আপিসের খাতায় যে-মাল এই দোকানে ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে বলে এনট্রি করা আছে তার চারগুণ মাল প্রতি মাসে এই দোকানে এসেছে, অথচ খাতাপত্রে দেখানো হয়েছে যে স্টকে যা মাল ছিল তা খালি হয়নি বলেই মাল পাঠানো হচ্ছে না। এক দোকানের এই গরমিল ধরা পড়তেই ভবানীপুর ও শ্যামবাজারের দোকানে খোঁজ নিয়েও বৈদ্যনাথ দেখল সেখানেও ঐ একই ব্যাপার।

    আর কালক্ষেপ না করে বৈদ্যনাথ নথিপত্রের প্রমাণসহ এক গোপন রিপোর্ট সরাসরি পাঠিয়ে দিল ম্যানেজিং ডিরেক্টরের কাছে। কিছুদিনের মধ্যেই তোলপাড় হয়ে গেল হেড আপিসে। করনক্ সাহেব ডি-গ্রেডেড হলেন—শুধু তাই নয়, অনুকম্পাবশত বড় সাহেব তাকে পুলিসে ধরিয়ে দেননি বটে, বহু টাকার খেসারৎ দাবী করলেন এবং করনক্ সাহেব আর বড়বাবুকে খেসারতের টাকা দিতেও হল। করনক্ সাহেব টের পেয়েছিলেন যে এ-কাজটা বৈদ্যনাথ ছাড়া আর কারুর নয়। রাগে গজরাতে লাগলেন তিনি, সুযোগ পেলে প্রতিশোধ না নিয়ে ছাড়বেন না।

    সুযোগ পেয়েও গেলেন। চাঁদপুর থেকে বৈদ্যনাথের মামা তার কাছে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, প্রাণ আর সম্মান নিয়ে ওদেশে এখন আর বাস করা অসম্ভব। আতঙ্কে দিনেরাত্রে ওদের চোখে ঘুম নেই। চিঠি পেয়েই মা কেঁদে পড়লেন বৈদ্যনাথের কাছে।

    ‘একবার যা বৈদ্যনাথ, দেখে আয় ওরা কী অবস্থায় আছে। হাজার হোক আপন মামা, এই বিপদে তুই ছাড়া ওদের আর দেখবার কে আছে!

    মায়ের অনুরোধ, এড়ানো কঠিন বড়। দশ দিনের ছুটি নিয়ে চলে গেল বৈদ্যনাথ প্রথমে ঢাকায়। ডা: রায়ের দৌলতে সুরাবর্দী সাহেব ও ফজলুল হকের সঙ্গে পরিচয় ছিল বৈদ্যনাথের। দুজনের কাছ থেকেই চিঠিপত্র নিয়ে চাঁদপুরে এসে এস ডি ও-র সঙ্গে দেখা করল। এস ডি ও প্রচুর খাতির সম্মান করলেন বৈদ্যনাথকে। এমন কি নিজে বৈদ্যনাথের মামার সঙ্গে দেখা করে অভয় দিয়ে বললেন যে, ওঁরা নিশ্চিন্ত হয়ে চাঁদপুরে থাকতে পারেন। গায়ে আঁচড়টি পর্যন্ত লাগতে দেবেন না। এই সব বন্দোবস্ত করে কলকাতায় ফিরতে দশ দিনের জায়গায় হয়ে গেল বাইশ দিন। ইত্যবসরে করনক্ নতুন সেলস্ ম্যানেজারকে হাত করে ফেলেছে, তাকে বুঝিয়েছে বৈদ্যনাথকে এ আপিস থেকে না তাড়াতে পারলে নেটিভের হাতে ওদের পদে পদে অপমান সহ্য করতে হবে।

    চাঁদপুর থেকে ফিরে এসে প্রথম সে গেল হেড আপিসে। সেখানে গিয়েই সে শুনতে পেল তার নামে নাকি চার্জ—শীট আনা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে—সে কাজে ফাঁকি দেয়, উপরন্তু উইদাউট নোটিশ সে বারো দিন আপিস কামাই করেছে। বৈদ্যনাথ সঙ্গে সঙ্গে বুঝে নিল যে এটা করনকের কীর্তি। খবরটা শুনে সে প্রথমে সেলস্ ম্যানেজারের ঘরে যেতেই তিনি বড় সাহেবের সই-করা চার্জশীট তার হাতে তুলে দিলেন। রাগে ক্ষোভে দুঃখে বৈদ্যনাথের হাত-পা ঠক ঠক করে কাঁপছে। বললে—‘চাঁদপুর থেকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম যে আমার ফিরতে দিন দশ-বারো দেরী হতে পারে।’

    ম্যানেজার বললেন—‘সরি, আমাদের দফতরে তোমার কোনো চিঠি এসে পৌঁছয়নি।’

    বৈদ্যনাথের আর বুঝতে দেরী হল না যে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে জোট পাকিয়ে, এই চার্জ-শীট আনা হয়েছে এবং করনক্ সাহেবই এর মূলে।

    বৈদ্যনাথের মাথায় তখন রক্ত চড়ে গেছে। একবার মনে করল সটান বড় সাহেবের কাছে গিয়ে সে কৈফিয়ৎ চাইবে। পরক্ষণেই তার অভিমানে ঘা লাগল। চার্জ শীট-এ বড় সাহেব যখন সই করেছেন তখন বিশ্বস্ততার কোনো মূল্যই এদের কাছে নেই। এ আপিসে আর একদিনও তার পক্ষে চাকরি করা সম্ভব নয়, তা সে আগেই বুঝে গিয়েছিল। তবু চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে যাবার আগে করনকের সঙ্গে একটা বোঝাপড়া করে নিতে হবে!

    ম্যানেজারের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে ঝড়ের বেগে সুইং ডোর খুলে করনকের ঘরে ঢুকেই বৈদ্যনাথ ফেটে পড়ল। বৈদ্যনাথের চোখে মুখে একটা হিংস্র মারমূর্তি ভাব। চাপা আক্রোশপূর্ণ কণ্ঠে বৈদ্যনাথ বললে—‘আমার নামে মিথ্যা চার্জ—শীট দিয়েছ কেন?’

    করনক্ নির্বিকার কণ্ঠে উত্তর দিল—‘আমি কি জানি। আস্ক দি ম্যানেজার।’

    ‘কিন্তু আমি জানি, তোমার ইন্ষ্টিগেশনেই এটা করা হয়েছে।’

    করনক্ আবার মোলায়েম কণ্ঠে বললে—‘বিকজ ইউ আর গিল্‌টি।’

    টেবিলের উপর প্রচণ্ড ঘুষি মেরে চীৎকার করে উঠল বৈদ্যনাথ— ‘হোয়াট? চুরি করবে তোমরা আর সেই চোর ধরিয়ে দেবার জন্যে গিলটি হলাম আমি?’

    করনক্ প্রথমে ঘাবড়ে গেল বৈদ্যনাথের মারমূর্তি দেখে। ওদিকে চীৎকার শুনে আপিসের বয়, বেয়ারা ও অন্যান্য কেরানীরা ছুটে এসেছে। করনক্ তখন বীরত্ব দেখাবার জন্য গর্জন করে উঠল—‘গেট আউট ফ্রম মাই রুম ইউ সোয়াইন। ডাঃ রায়ের লোক বলে তুমি যে আমাদের উপর চোখ রাঙাবে তা চলবে না।’

    বৈদ্যনাথ বললে—‘ডাঃ রায়ের নাম উচ্চারণ করেছো তো তোমার জিভ ছিঁড়ে ফেলে দেব।’

    করনক্ মুখটা যতদূর সম্ভব বিকৃত করে বললে—‘রেখে দাও তোমার ডাক্তার রায়।’ এই বলেই করনক্ এমন কতগুলি কথা বলল যে বৈদ্যনাথ দিগ্বিদিক্ জ্ঞানশূন্য হয়ে এক কাণ্ড করে বসল। পোর্টফোলিও ব্যাগ ছিল ওর হাতে। সেটা খুলেই খোপ থেকে একটা পিস্তল ক্ষিপ্রবেগে বের করেই করনকের কপাল লক্ষ করে একেবারে খাস চাঁদপুরী জবানীতে চীৎকার করে বলল—‘আইজ তরে শ্যাশ করুম কুত্তার বাচ্চা। তরে আইজ আমি মাইরাই ফালামু।’

    করনক্ এক লাফে ঘর থেকে বেরিয়েই হন্তদন্ত হয়ে ছুটতে ছুটতে চেঁচাচ্ছে, ‘হেল্‌প, হেল্‌প।’

    পিছনে পিস্তল নিয়ে তাড়া করেছে বৈদ্যনাথ, মুখে এক কথা—‘তরে আইজ মাইরাই ফালামু।’

    অফিসের যে বেয়ারাগুলি প্রথমে এ-দৃশ্য দেখে হক্চকিয়ে গিয়েছিল, পরমুহূর্তেই তারা একজোটে ঝাঁপিয়ে পড়ল বৈদ্যনাথের উপর। ওদিকে সঙ্গে সঙ্গে লালবাজারে ফোন করে দেওয়া হয়েছে, পুলিস এসে পিস্তলসহ বৈদ্যনাথকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }