Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    সায়ন্তনী পূততুন্ড এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হ্যালুসিনেশন

    —“ডক্টর… আমি কি বেঁচে আছি?”

    প্রশ্নটা শুনে ডাক্তারবাবুর ভুরুতে সামান্য ভাঁজ পড়ল।

    মাথার উপরে একটা টিমটিমে আলো জ্বলছে। তাতে সামনের মানুষটাকে স্পষ্ট দেখতে না পেলেও তার অস্পষ্ট ছায়া ছায়া অবয়ব বোঝা যাচ্ছিল। নাকের উপর ভারি চশমার কাচ ওই আধা আলো আধা অন্ধকারেই চকচক করে উঠছে। মুখের চাপদাড়ির জঙ্গল বুঝতেও অসুবিধা হচ্ছিল না।

    মনস্বত্ববিদের ঘর যেমন হয়, এ ঘরটাও তেমনই। আলোর চেয়ে অন্ধকারই বেশি। ডাক্তারবাবু টেবিলের ও প্রান্তে বসে আছেন, আর রোগি এ প্রান্তে। কাউকেই বিশেষ স্পষ্ট দেখার উপায় নেই। শুধু দেওয়ালে দুটো ক্ষীণ ছায়া মাঝে মাঝে নড়েচড়ে উঠছে।

    ডক্টর সিন্‌হা প্রশ্নটায় বেশ কৌতুকবোধ করলেন। আস্ত একটা জলজ্যান্ত লোক জিজ্ঞাসা করছে যে সে বেঁচে আছে কি না!

    —“এমন মনে হচ্ছে কেন আপনার?”

    লোকটা যেন একটু ইতস্তত করল। একটু উশখুশ করে উঠে বলল, “একটা সিগ্রেট খেতে পারি?”

    এখানে ধূমপান মানা হলেও লোকটার অবস্থা দেখে ডাক্তারবাবুর দয়া হয়। অসম্ভব ভয়ে সে জড়োসড়ো! গলার স্বর কাঁপছে! একটু যেন ফ্যাসফ্যাসেও!

    —“নিশ্চয়ই,”

    সে কাঁপা কাঁপা হাতে সিগ্রেট ধরাল। হাত দুটোও থরথর করে কাঁপছে লাইটার জ্বালাতেই ডাক্তারবাবু তার চোখ দুটো একঝলক দেখতে পেলেন। কালো কুচকুচে চোখ। যেন অন্ধকার জমে আছে চোখে! একবারের জন্য যেন মনে হল, লোকটার চোখের মণিটা নেই!

    মুহূর্তের জন্য হলেও চমকে উঠেছেন তিনি। পরমুহূর্তেই সামলে নিয়েছেন। নাঃ, হয়তো লাইটারের সামান্য আলোয় তার চোখের ভুল হয়েছে। একটা স্বাভাবিক মানুষের চোখ এমন হতেই পারে না।

    একেই বলে ইল্যুশন!

    লোকটা সিগ্রেটে উত্তেজিত কয়েকটা টান মেরে যেন একটু শান্ত হয়। বলে,

    —“ডক্টর, আপনি একটু দেওয়ালের দিকে তাকাবেন প্লিজ?”

    এমন উদ্ভট আবদারে তিনি অবাক ও বিরক্ত দুই-ই হলেন। কিন্তু মনস্ত্বত্ববিদের চটে যাওয়ার উপায় নেই।

    —“কেন?”

    সে ফিসফিস করে বলে, “দেখুন তো দেওয়ালে ক-টা ছায়া দেখা যাচ্ছে?”

    —“আপনি নিজেই তো দেখে নিতে পারেন…”

    —“আমার ভয় করছে,” অসম্ভব ভীত, সন্ত্রস্ত গলা তার, “বলুন না। ক-টা দেখা যাচ্ছে?”

    তিনি আরও অবাক, “সে কী! ক-টা আবার দেখা যাবে! দু’জন আছি, তা-ই দুটোই দেখা যাচ্ছে!”

    —“তিনটে নয় তো?”

    —“তিনটে! তিনটে কেন থাকবে?”

    লোকটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে, “থ্যাঙ্কস। তাহলে তিনটে নেই…”

    এবার বোধহয় ডক্টর সিন্‌হা ভদ্রলোকের বিষয়ে কৌতূহল বোধ করলেন। লোকটার হাবভাব কেমন যেন উদ্ভট! ত্রিশ বছরের কেরিয়ারে অনেক উদ্ভট রোগির দেখা তিনি পেয়েছেন। কিন্তু এমন রোগি দেখেননি। ওকে একটু গুছিয়ে নেওয়ার সময় দিলেন। তারপর আলতো গলা খাঁকারি দিয়ে বলেন,

    —“কী হয়েছে আপনার? কী সমস্যা?”

    — “বলব,” সে আস্তে আস্তে বলে, “বলব বলেই তো এসেছি। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়।”

    —“কোথায়?”

    লোকটা এবার অদ্ভুতভাবে তাকায় তার দিকে। ডাক্তারবাবুর মনে হল লোকটার চোখ যেন হঠাৎ জ্বলে উঠল,

    —“আপনি আমার কথা বিশ্বাস করবেন তো?”

    —“কেন করব না?”

    সে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে, “তবে শুনুন, আমার নাম তপন মিশ্র। আমিও একজন ডাক্তার! সার্জেন। হেলথ কেয়ার নার্সিংহোমটা আমারই…।”

    ড. তপন মিশ্রের কথা :

    —“সেদিন রাত্রে খুব ঝড়বৃষ্টি হচ্ছিল। বাইরে ঝড়ের দাপাদাপি! মাঝে মাঝেই প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ছে! এমন সময় হঠাৎ লোডশেডিং!

    আমি বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করছিলাম। ঘুম আসেনি। পাশেই আমার স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে ঘুমিয়ে কাদা। কিন্তু আমি ঘুমোতে পারছি না। কী যেন অস্বস্তি কাজ করছিল মনের মধ্যে। আমার বেডরুমের জানলার কাচে মাঝেমধ্যেই বিদ্যুতের নীল আলো ঝলসে ঝলসে উঠছে। বাইরে যেন একটা নীল কুয়াশা কখন আস্তে আস্তে এসে জমাট বাঁধছিল। বৃষ্টির জলটাকেও যেন নীল মনে হয়।

    ঘরে একটা মোমবাতি জ্বলছিল। তখন সেটার ও প্রায় ফুরিয়ে আসার সময় হয়েছে। নীল শিখাটা ক্রমাগত ছোট হয়ে আসছে। স্বাভাবিকভাবেই একটু একটু করে ক্ষীণ রশ্মিটুকুও মুছে যাচ্ছিল।

    মোমবাতিটা যখন প্রায় নিবতেই চলেছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই, একদম স্তিমিত আলোয় হঠাৎ মনে হল কেউ যেন আমার ঘরে এসে দাঁড়িয়েছে!

    অসম্ভব! কাউকেই তো দেখতে পাচ্ছি না! চোখের সামনে কেউ নেই! অথচ দেওয়ালে ওটা তবে কার ছায়া!”

    আখ্যানের শুরুতেই ড. তপন মিশ্র ঘেমে উঠলেন। সামনের গ্লাস থেকে একচুমুক জল খেলেন। ড. সিন্‌হা তাকে সময় দেওয়ার জন্যই হয়তো নিজেও একটা সিগ্রেট ধরালেন।

    একটু দম নিয়েই ফের বলতে শুরু করলেন ড. মিশ্র,

    —“সন্দেহ হল চোর-টোর ঢুকল কি না। ঘরে দামি জিনিস মানে, দামি ফার্নিচার তো আছেই। এছাড়াও গিন্নীর কিছু গয়না আর ক্যাশ কিছু টাকা ছিল।

    বিছানার পাশেই একটা বন্দুক থাকে। লাইসেন্সড। নিজের সেফটির জন্যই রেখেছি। পয়সাওয়ালা ডাক্তার মানেই তার শত্রুর শেষ নেই। চোর-ডাকাতরা প্রায় টার্গেট করেই বসে থাকে। দুষ্কৃতকারীরাও আজকাল খালি হাতে আসে না। তাই এই ব্যবস্থা।

    বন্দুক আর টর্চ হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়ালাম, ঠিক তখনই মোমবাতিটা দপ্ করে একবার জ্বলে উঠে নিবে গেল।

    জমাট অন্ধকারে দাঁড়িয়ে মাথাটা কেমন যেন গুলিয়ে যায়! হাতেই টর্চটা ছিল। জ্বালাতে পারতাম। কিন্তু তার আগেই মনে হল, আমার সামনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে! তার গরম নিশ্বাস আমার গায়ে এসে পড়ছে! মনে হল অন্ধকারের মধ্যেও একজোড়া চোখ আমার দিকে তাকিয়ে আছে!

    — ‘কে?’

    টের পেলাম নিজের গলাই কাঁপছে! টর্চ জ্বালানোর সাহসও পাচ্ছি না! কারণ আমি জানি সেই চোখ দুটো আমার দিকে নিষ্পলকে তাকিয়ে আছে! অন্ধকারেও তার অস্তিত্ব টের পাচ্ছিলাম। এমনকি তার ছায়া ছায়া অবয়বও দেখতে পাই! ঠিক আমারই দৈর্ঘ্যের, একই প্রস্থের, এমনকী আমার মতোই গাউন পরা একটা ছায়ামূর্তি! আর কী ঠান্ডা তার দৃষ্টি! কী শীতল তার উপস্থিতি! যেন একটা মৃতদেহ! রিগর মর্টিস হওয়া দু’হাতে ক্রমশই আমায় জড়িয়ে ধরছে!

    আমার কী হল জানি না। সে দৃষ্টি সহ্য করতে পারছিলাম না! চতুর্দিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার! তবু ঠিক আন্দাজ করতে পারছি তার চোখদুটো! কী করে, কীভাবে, কিছুই জানি না!

    দপ্ করে হাতের টর্চটা জ্বালিয়ে দিলাম! আশ্চর্য! সামনে, পিছনে, পাশে— কোথাও কেউ নেই! দেওয়ালে আমার নিজেরই ছায়া পড়ছে… আর ঠিক তার পাশেই অবিকল আমার ছায়ার মতো আরেকটা ছায়া! যেন দুটো ছায়াই আমার। প্রথমটার মালিক আমি। দ্বিতীয় ছায়ার মালিক নেই! কোত্থাও নেই… অথচ ছায়াটা ক্রমশই যেন দেওয়াল ছেড়ে আমার দিকে এগিয়ে আসছে, আমার বিস্মিত চোখের সামনেই ধরছে অস্পষ্ট অবয়ব…

    চিৎকার করে উঠেছিলাম। সপাটে টর্চের এক বাড়ি বসিয়ে দিলাম ওর মাথা লক্ষ্য করে… আমার কপালটাও সঙ্গে সঙ্গে ঝনঝন করে উঠল। তারপর আর কিছু মনে নেই…”

    ফের থামলেন ড. তপন মিশ্র। ড. সিন্‌হা তার কথা খুব মন দিয়ে শুনছিলেন। কৌতূহলী স্বরে বললেন, “তারপর?”

    —“পরদিন সকালে ঘুম ভাঙল। কপালে প্রচণ্ড যন্ত্রণা। মাথায় হাত দিতেই টের পেলাম, একটা ব্যান্ডেজের উপস্থিতি! আমার কপালে কেউ ব্যান্ডেজ করে রেখেছে!

    — ‘কী হয়েছিল কাল রাতে?’ আমার স্ত্রী অপর্ণা বেড টি দিতে এসে প্রশ্ন করলেন, ‘অমন চেঁচিয়ে উঠেছিলে কেন?

    কালকের ঘটনার কথা ভেবে নিজেরই অবিশ্বাস্য লাগছিল। একটা ছায়া কাল রাতে এসে দাঁড়িয়েছিল আমার সামনে, অথচ কোথাও কোনও মানুষ ছিল না! তখন ভয় পেয়েছিলাম। এখন ভাবতেই গোটা ঘটনাটা উষ্ণ মস্তিষ্কের হাবিজাবি মনে হল।

    কিন্তু মাথার চোটটা! এটা কীভাবে লাগল!

    যাই হোক, ব্যাপারটা চেপেই গেলাম। স্ত্রী’কে বললাম রাত্রে উঠতে গিয়ে, অন্ধকারে হোঁচট খেয়ে পড়ে এই বিপত্তি!

    স্ত্রী আমার দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়েছেন, ‘তোমার হাতে তো টর্চ ছিল। জ্বালাওনি কেন?’

    প্রশ্নটাকে কোনওমতে এড়িয়ে যাই। ভাবলাম, ওটা দুঃস্বপ্ন! ভুলে যাওয়াই ভালো।

    তখন কে জানত যে দুঃস্বপ্নটা এখনও শেষ হয়নি! সবে শুরু হল! সেদিন গোটা দিনটাই যেন একের পর এক দুঃসংবাদ নিয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করছিল। আগের দিন এক পেশেন্টের গল-স্টোন অপারেশন হয়েছিল। রাত্রেও দেখেছি সে ঠিক আছে। সামান্য ব্রিদিং প্রবলেম ছাড়া আর কিছু প্রবলেম ছিল না।

    অথচ নার্সিংহোমে ঢুকতে না ঢুকতে সেই রোগির আত্মীয়রা আমার উপর প্রায় চড়াও হল! লোকটা মারা গেছে!

    আমি তখনও বুঝে উঠতে পারিনি যে সে মারা গেল কী করে! কালও তো বেঁচে ছিল। অপারেশন সাকসেসফুল! তবে!

    মৃত মানুষটির আত্মীয় স্বজনেরা আমায় ঘিরে প্রায় তান্ডব করছিল। সিকিউরিটি গার্ডরা ছুটে এসে কোনওমতে উদ্ধার করল। মাথায় তখনও কিছুই স্পষ্টভাবে ঢুকছে না। তাড়াতাড়ি নিজের কেবিনে ঢুকে নাইট শিফটের ডাক্তারদের আর মেট্রনকে ডেকে পাঠাই। লোকটার মৃত্যুর কারণ জানা দরকার।

    — ‘অক্সিজেন ডেফিশিয়েনসি স্যার।’ নাইট শিফটের ডাক্তার মাথা নিচু করে জানায়, ‘অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার পরই লোকটা মারা যায়।

    — ‘কী আশ্চর্য! অক্সিজেন মাস্ক খোলা হল কেন?’, রাগে প্রায় কাণ্ডজ্ঞানহীনের মতোই চেঁচিয়ে উঠি, ‘যখন দেখা যাচ্ছিল যে ব্রিদিং ট্রাব্‌ল সামান্য হলেও হচ্ছে, তখন মাস্ক খুলতে তোমাদের কে বলেছিল?’

    —‘আপনিই বলেছিলেন স্যার,’ ও আমার দিকে তাকায়, ‘ওটা অপারেশন থিয়েটারের অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল। আপনিই বলেছিলেন রিপ্লেস করতে।’

    —’রিপ্লেস করতে বলেছিলাম। একেবারে খুলে দিতে তো বলিনি!’

    —’নতুন কোনও ভরা সিলিন্ডার ছিল না অ্যাট দ্যাট মোমেন্ট।’ ডাক্তারটি আরও নম্র, ‘আপনাকে আমিই জানিয়েছিলাম যে নতুন সিলিন্ডার এসে পৌঁছোতে মিনিট দশ লাগবে। সিলিন্ডার না এসে পৌঁছোনো অবধি পেশেন্টের অক্সিজেন রিপ্লেস করবো কি না। কিন্তু আপনার আরেকটা আর্জেন্ট অপারেশন ছিল। ও.টি’র সিলিন্ডারটা দরকার ছিল। তাই আপনিই অর্ডার দিয়েছিলেন ও.টি’র সিলিন্ডারটা ফেরত আনতে।’

    কী বলতে চায় ও? লোকটার মৃত্যুর জন্য আমিই দায়ী! অপারেশন থিয়েটারে অক্সিজেন সিলিন্ডারের উপস্থিতিটা বেশি জরুরি। দশ মিনিট পরেই তো নতুন অক্সিজেন চলে আসত। এমন তো নয়, যে আমি লোকটাকে মারার জন্যই ওকে অক্সিজেন দিতে বারণ করেছি! দশটা মিনিট যদি সে অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে না পারে, তবে আমার কী করার আছে!

    মাথাটা দপ করে গরম হয়ে গিয়েছিল। কোনওমতে ঠান্ডা করি। এখন সামনে অনেক লড়াই। নার্সিংহোমে চিকিৎসার ত্রুটিগত কারণে মৃত্যু হলে তার দায়ভার অনেক! যে কোনও মুহূর্তে প্রেস এসে পৌঁছোতে পারে। তাদের কী বলব? কীভাবে চাপা দেব এই ঘটনাটাকে!

    — ‘রিপোর্টে লিখে দাও যে লোকটির অবস্থা সিরিয়াস ছিল। গলব্লাডারে বেশিদিন ধরে স্টোন থাকার কারণে গ্যাংগ্রীন হয়ে গিয়েছিল। তাই অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি,’ আঙুল তুলে বলি, ‘কিন্তু অক্সিজেন ডেফিশিয়েন্সির কথা কোনওভাবেই যেন ফাঁস না হয়।’

    — ‘কিন্তু স্যার, পোস্টমর্টেম হলে…’

    — ‘আমি সামলে নেব, ‘

    টাকা আর ক্ষমতার জোরে যে পোস্টমর্টেম রিপোর্টকে পালটে দেওয়ার ক্ষমতা রাখি আমি, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। তাই সবাইকে বিদেয় দিয়ে একা কেবিনে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিলাম। যাক, কোনওভাবে সামলে নেওয়া যাবে। বিশেষ চিন্তার কিছু নেই!

    কিন্তু চিন্তার তখনও কিছু ছিল।

    কেবিনে বসে চা খেতে খেতেই আবার সেই অস্বস্তি! দুটো চোখ খুব তীব্র দৃষ্টিতে আমাকে দেখছে! অদ্ভুত সেই চাউনি! সামনাসামনি কেউ নেই, ঘরে আমি একা! অথচ সেই অশরীরী চোখ অনুভব করতে পারছি।

    হঠাৎ কী যেন সন্দেহ হল, রিভলভিং চেয়ারটাকে ঘুরিয়ে পিছনদিকে তাকাই। নাঃ, সেখানে কিছু নেই! কেউ নেই…! একদম ফাঁকা!

    একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে সামনের দিকে ঘুরতে যাব, চোখে পড়ল পেছনের দেওয়ালে আমার ছায়া পড়েছে। কিন্তু একটা নয়! দুটো ছায়া! পাশাপাশি, দেওয়ালের সমান্তরালে দুটো একইরকম ছায়া। একটা আমার! আরেকটা আমার নয়! হতেই পারে না!

    আমার বোধহয় মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। বিদ্যুৎগতিতে সামনের আয়নায় তাকালাম!”

    ড. তপন মিশ্র সাইকিয়াট্রিস্টের হাত চেপে ধরলেন, “যা দেখলাম তা বিশ্বাস করবেন না। কেউ বিশ্বাস করে না।”

    —“কী দেখলেন?”

    —“দেখলাম আয়নায় আমার প্রতিচ্ছবি পড়ছে। আর আমার ঠিক পিছনেই আরেকটা লোক! তার পোষাক পরিচ্ছদ একদম আমার মতো! এমনকী তাকে দেখতেও হুবহু আমার মতোই! শুধু চোখদুটোয় কোনও মণি নেই! একদম ফাঁকা! অন্ধকার কোটরের মতো শূন্য চোখে তাকিয়ে সে হাসছে! অথবা আমিই হাসছি আমার দিকে তাকিয়ে!

    একি অদ্ভুত রহস্য! কী অদ্ভুত যন্ত্রণা! কাউকে বলার উপায় নেই! অথচ সহ্য করাও যায় না! ওই হাসির মধ্যে যত না ব্যঙ্গ, তার থেকেও বেশি ঘৃণা! ইচ্ছে হল ওর গলা টিপে ধরি! আমি ডাক্তার… কাউকে খুন করা আমার পেশা নয়… কিন্তু, ওই মুহূর্তে… আমি… আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম…

    ছায়াটার গলা টিপে ধরতেই মনে হল, লোহার মতো মজবুত দুটো হাত আমারও গলা সাপটে ধরেছে! শ্বাসবন্ধ হয়ে আসছে… চোখে অন্ধকার দেখছি… অক্সিজেন… একটু অক্সিজেন…!

    — ‘এ কী! এ কী স্যার! কী করছেন… কী করছেন!’

    কানে এল চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ! বেশ কিছুক্ষণ চেতনা ছিল না। জলের ঝাপটায় হুঁশ ফিরল। চোখ মেলতেই প্রথম নজরে আসে মেট্রনের মুখ। সে উদ্বিগ্ন। জানতে চায়, ‘স্যার, আপনি নিজেই নিজের গলা অমন ভয়ানকভাবে টিপে ধরেছিলেন কেন?”

    আবার একটু থামলেন ড. মিশ্র। কী যেন একটু ভেবে নিয়ে ফের বলতে শুরু করেছেন, “আমি বুঝতে পারছিলাম না যে কী করব। তবে এইটুকু বুঝেছিলাম যে ওকে আক্রমণ করতে গেলে সে আঘাত আমার উপরই পড়ছে। ওর মাথায় বাড়ি মারলে, আমার মাথায় চোট পড়ে, ওর গলা টিপে ধরলে আমার শ্বাস বন্ধ হয়। যাই হোক না কেন, নিজেকে বাঁচাতে গেলে ওকে মারা চলবে না।

    সেই হিসেব মতোই চলতে শুরু করলাম। অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করলাম প্রাণপণে। কিন্তু যখনই চোখ পড়ে তখনই দেখি আমার সঙ্গে সঙ্গে দুটো ছায়া তাল মিলিয়ে চলেছে। একটা আমার, অন্যটা আমার নয়। রোগি দেখি, অপারেশন করি, সবই চলছে নিয়ম মতো। অথচ একমাত্র আমি জানি যে, কিছুই ঠিক নেই। সবসময় সেই ছায়া আমার পেছনে ওঁত পেতে বসে থাকে। তার সদাসতর্ক নজর আমার ওপর। ও আমায় পায়ে পায়ে ফলো করছে। ওকে ছেড়ে যাবার উপায় আমার নেই! অথচ সহ্য করার ক্ষমতাও নেই। সবসময় ভয়ে শিঁটিয়ে থাকি, যদি কেউ ওকে দেখে ফেলে। যদি জানতে চায়,

    — ‘ডঃ মিশ্র, আপনার দুটো ছায়া পড়ছে কেন?’

    এর মধ্যেই আরেক ঝামেলা এসে ঘাড়ে পড়ল। একটি বছর দশের বাচ্চা ছেলে হার্টের সমস্যা নিয়ে নার্সিংহোমে এসে ভরতি হয়েছিল। হার্ট রিপ্লেসমেন্ট করাতে হবে। ছেলেটির ভারি মিষ্টি চেহারা। ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ডবয়, সকলেই তাকে পছন্দ করে। কিন্তু শুধু পছন্দ করলে তো চলবে না! তার বাবার অপারেশন করানোর পয়সা নেই। সে খালি কাঁদে আর আমার পায়ে ধরে,

    — ‘ডাক্তারবাবু, আমার ছেলেটা যে দিনদিন নেতিয়ে পড়ছে! ওর অপারেশনটা করে দিন। আমি আপনার কেনা গোলাম হয়ে থাকব।’

    আচ্ছা মুশকিল! লোকটাকে বোঝানোই যায় না যে, আমার পায়ে ধরলে ওর ছেলে সুস্থ হবে না। ইমিডিয়েটলি সার্জারি করতে হবে। প্রয়োজন মতো হার্টও পাওয়া গেছে। কিন্তু সার্জারির ফি জমা না দিলে অপারেশন হবে কী করে?

    সে কথা বলতেই সে ফের কেঁদে ফেলেছে, ‘আমি গরিব মানুষ। অত টাকা একসঙ্গে কোথায় পাবো? আপনি অপারেশনটা করে দিন। আমি একটু একটু করে সব টাকা শোধ করে দেব।’

    আমার মাথা ফের গরম হয়ে যায়। মামাবাড়ির আবদার পেয়েছে! চিকিৎসা করানোর সময়ে নামকরা ঝাঁ চকচকে নার্সিংহোম! আর টাকা দেওয়ার বেলায় দাতব্য হাসপাতাল! কীভাবে এরা! এত আধুনিক যন্ত্রপাতি, এত নামিদামী ডাক্তার, এত মেইনটেনেন্স, উন্নত পরিষেবা— এসব কী হাওয়া থেকে আসে!

    ভাবছিলাম কেবিন থেকে লোকটাকে ঘাড় ধরে বের করে দিই। কিন্তু পারলাম না। সামনের আয়নায় চোখ পড়তেই দেখি, অন্য আমিটা ঠিক আমার পিছনেই এসে দাঁড়িয়েছে! ওর চোখের অন্ধকার কোটর থেকে যেন আগুন ঝরে পড়ছিল! আমি কী ভাবছি, তা ও জানতে পেরেছে, বুঝতে পেরেছে! ভয় করছিল… ভীষণ ভয় করছিল! আমি পালাতে চাইছিলাম। ওর কাছ থেকে নিষ্কৃতি চাইছিলাম। একটা মানুষ, যে আমার মতোই দেখতে… যে আমার ভিতরের সমস্ত কথা, সমস্ত অভিসন্ধি জেনে ফেলছে, তাকে সহ্য করা বড্ড কঠিন!

    — ‘স্যার…’

    যখন ভাবছি ছেলেটার বাবাকে কী বলে বিদেয় দেব, ঠিক তখনই এক জুনিয়র ডাক্তার হুড়মুড় করে এসে ঢুকল আমার ঘরে। তার হাবেভাবে আশঙ্কা।

    — ‘স্যার, তিনশো চারের পেশেন্ট কোলাপ্স করছে। প্লিজ ইমিডিয়েটলি আসুন।’

    তিনশো চার মানে সেই বাচ্চা ছেলেটা। ওর বাবাও দেখলাম কথাটা শুনেই বিদ্যুৎগতিতে উঠে দাঁড়াল। কথাটার অর্থ সেও বুঝেছে।

    মাত্র পনেরো মিনিট সময় দিয়েছিল বাচ্চাটা! ওর জীবনীশক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল আগেই। খাবি খেতে খেতে একসময় সে নিথর হয়ে গেল। আমি শুধু দেখলাম ওর নীল হয়ে যাওয়া ঠোঁট! শেষমুহূর্তে বোধহয় কিছু বলতে চেয়েছিল।

    ওর বাবা তখন পাথর! প্রয়োজনীয় টাকা জমা না দিলে যে সন্তানের লাশটা পাওয়া যাবে না সেটা বারবার বুঝিয়ে দেওয়া হল। কিন্তু লোকটা যেন কিছুই বোঝে না! হাবা কালার মতো কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল! তারপর হঠাৎই চোখ তুলে তাকাল আমার দিকে!

    আমি দেখলাম, ওর চোখ দুটো নেই! তার জায়গায় দুটো বীভৎস শূন্য কোটর আমার দিকে তাকিয়ে বীভৎস অট্টহাসি হাসছে। আশপাশের ওয়ার্ডবয়, সিস্টার, ডাক্তাররাও আমার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়েছিল। কিন্তু বিশ্বাস করুন… বিশ্বাস করুন… তাদের কারুর চোখের মণি ছিল না! সবার চোখে শুধু জমাট অন্ধকার, যেন ওদের চোখ কেউ খুবলে তুলে নিয়েছে! অবিকল অন্য আমিটার মতো!

    আমি পালিয়ে আসি। ওই শূন্য চোখ আমার কাছে বিভীষিকা! সেদিনও খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। আমার গাড়ি কোথায় ছিল কে জানে! চাবিটাও দৌড়োতে গিয়ে পড়ে গেল। গাড়ি ছাড়াই আমি পাগলের মতো রাস্তার উপর দিয়ে দৌড়োচ্ছি। পালাতেই হবে… পালাতেই হবে ওই বীভৎস চোখের কাছ থেকে।

    রাস্তায় তখন অনেক মানুষের ভিড়! আমার চতুর্দিকে ওয়াটারপ্রুফে ঢাকা অনেকগুলো মুখ ঘুরে বেড়াচ্ছে! ছাতা মাথায় দিয়ে বাচ্চা ছেলে মেয়েরা হেঁটে যাচ্ছে। তার মধ্যে দিয়ে, জনস্রোত ভেঙে কোন ঠিকানায় দৌড়োচ্ছিলাম কে জানে! অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ে যাচ্ছে। ভিজে যাচ্ছিলাম, তবু থামিনি। থামব কেন? আমি অবধারিতভাবেই জানতাম ওই ওয়াটারপ্রুফগুলোর অন্ধকারে বা ছাতার তলায় যে মুখগুলো লুকিয়ে আছে, তার একটারও চোখ নেই! আমি জানতাম… একদম নিশ্চিতভাবে জানতাম!

    দৌড়োতে দৌড়োতে যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন রাত হয়ে গেছে। নিজের বাড়িটাকে দূর থেকে দেখে বড় কান্না পেয়ে গেল। ওই তো আমার শান্তির আশ্রয়! ওইখানে আমার স্ত্রী আছে, আমার সন্তান আছে। আমার বেঁচে থাকার অন্যতম কারণ, আমার পরিবার এখানে থাকে! আজ থেকে আর নার্সিংহোম নয়, অন্য কোথাও নয়, পার্টি নয়, পেশেন্ট নয়। আমি শুধু আমার পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাব। পিকনিক করব, বেড়াতে যাব, শপিং মলে শপিং করব। বাবাইকে কিনে দেবো তার মনমতো খেলনা। অপর্ণাকে পছন্দমতো শাড়ি…

    দরজায় সজোরে নক করি। এই মুহূর্তে ভালোবাসার মানুষদের উষ্ণতা খুব প্রয়োজন। ভালবাসার কাছে আসতে পারে না অন্ধকার চোখেরা। প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্যে তাড়া করে না দুঃস্বপ্নরা। আমি নিরাপদ বোধ করছিলাম…. ভীষণ ভীষণ নিরাপদ! আর কেউ আমাকে ভয় দেখাতে পারবে না! আর দৌড় করাতে পারবে না!

    অনেকক্ষণ ধরে নক করার পর দরজা খুলল বাবাই। আমার একমাত্র সন্তান। সঙ্গে সঙ্গে জাপটে ধরে ওর ছোট্ট বুকে মুখ গুঁজে দিয়েছি। আঃ! কী শান্তি! কী উষ্ণতা!

    — ‘বাবা, এত তাড়াতাড়ি ফিরলে যে!’ বাবাই প্রশ্ন করল, ‘তোমার গাড়ি কোথায়?’

    আমি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য মুখ তুলে ওর দিকে তাকাই। ঠিক তখনই কাছেই প্রচন্ড শব্দে একটা বাজ পড়ল! তার নীল আলোয় স্পষ্ট দেখলাম, বাবাইয়ের চোখদুটো নেই! একদম ফাঁকা! অন্ধকার জানলার মতো…”

    ড. তপন মিশ্র বলতে বলতেই বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। ড. সিন্‌হার হাত ধরে বললেন, “বিশ্বাস করুন ডক্টর, আমি আর পারছিলাম না, আমার জীবনে এমন একটা রহস্য এসে পড়েছে যার হাত থেকে নিষ্কৃতি নেই যাকে প্রত্যেকমুহূর্তে সঙ্গে নিয়ে হাঁটছি আমি। কখনও সে আমার নিজের ছায়ায় দেখা দেয়, কখনও অন্যের মধ্যে। কখনও আয়নায় দাঁড়িয়ে হাসে, কখনও নানা রূপ ধরে ঘুরে বেড়ায়। আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম, নিজেকে ঘরবন্দী করে ফেলেছিলাম। একটা অস্বাভাবিক জীবনে কোনওমতে বেঁচে আছি। টের পাচ্ছিলাম একটু একটু করে মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছি। হসপিটালে যেতেও ভয় করছিল… ওরা আমার দিকে আবার ওইভাবে তাকাবে। তা-ই আজ বিকেলে…”

    ড. সিন্‌হা মন দিয়ে শুনছিলেন, “আজ বিকেলে কী?”

    —“আজ বিকেলে ঠিক করলাম যে এভাবে বেঁচে থাকার কোনও মানে হয় না। অন্য আমিটাকে মারার একমাত্র উপায়, যদি আমি নিজেই মরে যাই।” ড. মিশ্র মুখ মুছলেন, “তা-ই আজ আমি…”

    তার কথায় বাধা দিলেন ড. সিন্‌হা, “বুঝেছি। আপনার সমস্যা খুব গুরুতর নয়। আসলে এটা হ্যালুসিনেশনের প্রবলেম। চিন্তা করবেন না, সেরে যাবে। শুধু কিছুদিন ট্রিটমেন্ট দরকার।”

    টিমটিমে বাতিটার পাশেই একটা বড় আলো থাকে। রোগিরা সবসময় অন্ধকার পছন্দ করে বলেই বড় আলোটা জ্বালান না তিনি। এবার প্রেসক্রিপশন লেখার জন্য বড় আলোটার দরকার পড়ল!

    কিন্তু আলোটা জ্বালিয়েই… চিৎকার করে উঠলেন ডক্টর সিন্‌হা!

    সব যেখানে থাকার, আছে। দেওয়ালে দুটো ছায়া তখনও মুখোমুখি বসে আছে! তপন মিশ্রের ধরানো সিগ্রেটটা তখনও জ্বলছে!

    কিন্তু… শূন্যে!

    আর কেউ নেই!

    ড. সিনহা অজ্ঞান হয়ে যাবার ঠিক আগের মুহূর্তে শুনতে পেলেন, কে

    যেন ফ্যাসফ্যাসে স্বরে বলল,

    —“ডক্টর… আমি কি বেঁচে আছি?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চতন্ত্র – বিষ্ণু শর্মা
    Next Article মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }