Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    সায়ন্তনী পূততুন্ড এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিড়াল

    ১

    কালো বিড়ালটাকে আমি দু’চক্ষে দেখতে পারি না। হুলো হলে তবু কথা ছিল। কিন্তু ও মেনি!

    এমনিতে ওর সঙ্গে আমার কোন দুশমনি নেই। ও কখনও কাঁচাগোল্লা হয়ে, আবার কখনও বা সরলরেখা হয়ে কার্নিশে রোদ পোয়ায়। আর আমি বারান্দায় বসে পেপার পড়ি। ও থাবা চাটতেই ব্যস্ত থাকে, আর আমি চোখ দিয়ে মেয়ে চাটি।

    যখন উলটোদিকের বাড়ির সীমাবৌদি নাইটি পরে জানলার সামনে এসে ঝুল ঝাড়েন, আর তার স্লিভলেস নাইটির ফাঁক দিয়ে ওয়াক্স করা বগল, বুক— এইসব মালপত্তর দেখা যায়, তখন আর পেপারের দিকে চোখ থাকে না! সেদিকেই হাঁ করে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ চোখে পড়ে কালো বিড়ালটা আমার দিকেই নিষ্পলকে তাকিয়ে আছে!

    ভয় পাওয়া উচিত নয়, তবু…

    ওর চোখে চোখ পড়লেই বুকের ভিতরটা খস খস করে ওঠে। মনে হয় ধূসর রঙের চোখদুটো অদ্ভুত রাগ নিয়ে আমার দিকে একদৃষ্টে দেখছে, যেন অন্তর্যামী… যেন একেবারে ভিতর অবধি দেখে ফেলছে ওর ওই অসহ্য ধূসর চোখ!

    আমার এক দাদা কাম বন্ধু, শান্তনুদা বারবার বলত, “বুঝলি কৌশিক, মেয়েরা হল বিড়ালের জাত। বিড়ালের মতোই নরমসরম। আদর পেলেই মাথায় চড়ে। কথায় কথায় রোঁয়া ফুলিয়ে ফ্যাসফ্যাস করে ঝগড়া করে। কিন্তু … “

    —“কিন্তু…?”

    শান্তনুদা রহস্যময় হাসি হাসে, “নরম-সরম হলেও কখনও পাঙ্গা নিতে যাবি না। বিড়াল আর মেয়েদের সিক্সথ সেন্স খুব প্রবল। দু’জনেই থাবার মধ্যে নখ লুকিয়ে রাখতে ওস্তাদ! একবার থাবা মেরেছে কি ফুলটু কেলো!”

    প্রথমে কথাটা ইয়ারকি হিসাবেই নিয়েছিলাম। পরে যখন মালিনীর সঙ্গে মাখামাখি হল তখন লক্ষ্য করে দেখলাম যে শান্তনুদা নেহাত মিথ্যে কথা বলেনি। মালিনীর গায়ের রঙ কুচকুচে কালো ছিল। চোখদুটো উজ্জ্বল ধূসর রঙের, মনে হত কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে বসে আছে। বিড়ালের মতোই পাছা দুলিয়ে হাঁটতো। বেশ আদুরেও বটে। চিলেকোঠায় বা সিঁড়ির তলায় সামান্য আদর পেলেই আহ্লাদে পুরো আইসক্রিম!

    কিন্তু থাবার মধ্যে লুকিয়ে রাখা নখের আঁচড় খেতেও বেশি সময় লাগল না।

    এক সুন্দর সন্ধ্যায়, গঙ্গার ঘাটে বসে বলল, “তুমি আর কখনও আমায় ফোন কর না।”

    অবাক হয়ে বলি, “যাঃ শালা! কেন?”

    নির্মম উত্তর, “পরের মাসেই আমার বিয়ে।”

    এর চেয়ে মাথায় একটা হাতুড়ির বাড়ি বসিয়ে দিলেও বোধহয় এত যন্ত্ৰণা হত না। অনুভব করছিলাম একটা পিন মাথার মধ্যে ক্রমাগতই বিঁধছে। তিরতির করে হয়ে চলেছে রক্তক্ষরণ।

    মুখ থেকে বেরোল শুধু একটাই শব্দ, “কেন?”

    মালিনী ধূসর চোখদুটো তুলে নিষ্পলকে তাকাল। অদ্ভুত এক্স রে দৃষ্টি। যেন ভিতরের অস্থিমজ্জা মায় গোটা ‘আমি টাকে দেখে নিচ্ছে!

    অসহ্য লেগেছিল ওই চাউনি! ভীষণ ইচ্ছে করছিল ওকে খুন করে ফেলি। ও আস্তে আস্তে জবাব দেয়, “পাড়ার বউদি আর কাজের মাসির এঁটো খেতে চাই না আমি। এতদিন জানতাম না। জানলে আগেই সম্পর্কটা শেষ হত। বাট, বেটার লেট দ্যান নেভার।”

    মালিনী আমায় চড় মারেনি। কিন্তু গালটা চিড়বিড় করে উঠেছিল। যেন কেউ আঁচড়ে দিয়েছে নখ দিয়ে! ফোঁটায় ফোঁটায় গড়িয়ে পড়ছে অদৃশ্য রক্ত!

    সেই নখের আঁচড়ের জ্বালা কোনওদিন ভুলিনি। অসহ্য ক্ষোভে ছটফট করতে করতে ভেবেছি, মালিনী মরে গেলে ভালো হত! ওর লাশ দেখতে পেলে খুশি হতাম আমি। একটা অন্ধরাগ ভেতরে ভেতরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। মালিনী মরে গেলে খুব ভালো হয়, মরে যাক… ও মরে যাক…!

    ভগবান আজকাল বোধহয় কানে বিশেষ শোনেন না। কিন্তু মালিনী মরে গিয়েছিল। বিয়ের আগের রাতেই ট্রেনে কাটা পড়ে দু’টুকরো হয়ে গিয়েছিল। কী করতে ও ট্রেন লাইনের কাছে গিয়েছিল তা কেউ জানে না। ধূসর মার্বেলের মতো চোখ দুটো বিস্ফারিত দৃষ্টিতে কী যেন নিষ্পলকে দেখেছিল। শেষ সময়েও সেই অন্তর্ভেদী চোখ দুটো বোজেনি।

    ২

    বলাই বাহুল্য, মনে বড় শান্তি পেয়েছিলাম।

    সেদিন আস্ত একটা মালের বোতল শেষ করি। কাজের মেয়ে পরীকে নিয়ে একটা নৃশংস রাত কাটিয়ে মনে হয়েছিল, আমিই শালা এই পৃথিবীর রাজা! আমায় আঘাত দেওয়ার শাস্তি মৃত্যু!

    তারপর থেকে বেশ ফূর্তিতেই ছিলাম। কখনও শিল্পাবউদি, আবার কখনও পরীর অনুদানে সুন্দর রাতগুলো কেটে যাচ্ছিল।

    সেদিন দুপুরবেলা সিনটা ভালোই জমেছিল। বেশ ম্যারাথন চুমু খেয়ে বউদিকে গরম করছি। আস্তে আস্তে পারফিউমের গন্ধ সরে গিয়ে নাকে কাঁচা মাংসের খুশবু। জন্মদিনের পোষাক পরে সবে ‘গাদি’ খেলতে শুরু করেছি…

    ঠিক তখনই চোখ পড়ল জানলায়!

    সেই কালো বিড়াল! আপাদমস্তক কালো! ধূসর মারবেলের মতো জ্বলজ্বলে চোখ মেলে এদিকেই তাকিয়ে আছে! মূর্তির মতো স্থির হয়ে উঁকি মারছে জানলায়। ওর ডান হাতের থাবা থেকে আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসছে ধারালো নখ… হিংস্র, তীক্ষ্ণ ফলা!

    সেইদিনই প্রথম জানলাম ভয় কাকে বলে। গিরগিটির মতো একটা ফ্যাকাশে ভয় আমার পিঠ বেয়ে নেমে গেল নীচের দিকে। মনে হল, বিড়ালটা সব জানে! সব কিছু…

    আমি ওর চোখ থেকে চোখ সরিয়ে নিতে পারি না… চুম্বকের মতো ও টেনে রাখে আমার দৃষ্টি! টের পেলাম আস্তে আস্তে শিথিল হয়ে যাচ্ছি আমি… মড়া মাছের মতো ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছি… চোখের সামনে আর কিছু নেই, শুধু দুটো ধূসর চোখ জ্বলজ্বল করছে…

    সেদিন থেকেই দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করতে শুরু করেছে সেই চোখ, আর আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসা উদ্যত থাবার গুপ্ত নখ!

    বিড়ালটা কি আমায় পাহারা দেয়? কী আছে ওর মার্বেলের মতো চোখে? ঘেন্না? রাগ? প্রতিহিংসা?…কী?

    হুলো হলে চিন্তার কিছু ছিল না, কিন্তু শালি মেনি! মেনি বলেই চিন্তা! মেনি বলেই সহ্য করতে পারি না ওকে! সহ্য করতে পারি না ও কালো বলে! কী আশ্চর্য! শরীরে একটা সাদা দাগ থাকলে কোন মহাভারতটা অশুদ্ধ হত? চোখদুটো কি সবুজ বা নীল হতে পারত না? ধূসরই হতে হল?

    যতই ভাবি, ততই মনে হয় কেউ বুঝি অলক্ষ্যে আমার উপর নজর রাখছে। ভয় হয়… বড় ভয় হয়…

    ৩

    —“তুমি আজকাল কেমন বদলে গেছ।”

    এলোমেলো শাড়ি ঠিক করতে করতে শিল্পাবউদি বলল, “আগের মতো আর গরম নেই…”

    গরম থাকব কী বে! নিজে তো একেবারে ফার্নেস! একবার ঢুকলে জান কয়লা করে ছেড়ে দেয়। আমি মানুষ না গোরিলা!

    এসব কথা বলাই যেত। কিন্তু যেখানে মাল্লু, সেখানে কথা বলা যায় না। শিল্পাবউদির বর মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। মালদার লোক। শিল্পা বউদির হাতেও তাই পয়সার চুলকানি। আমার মাল, সিগারেটের খরচটা ওখান থেকেই আসে। তাই বেশি কিছু বলতে পারি না।

    আমার ব্যাগে বেশ কয়েকটা কড়কড়ে নোট রাখতে রাখতে বউদি বলল,

    –“পরের বার আরেকটু ভালো চাই। ক’দিন ধরে ভালো লাগছে না।”

    আমি উত্তরে তাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু তার আগেই চোখ পড়ল জানলায়।

    বিড়ালটা …!

    ধূসর চোখদুটো থেকে যেন আগুন ঠিকরে পড়ছে। স্থির হয়ে সে দেখছে এদিকেই…

    উদ্যত চুমুটা স্থগিতই থেকে গেল। শিল্পাবউদি অবাক, “কী হল?” বুকের ভিতরে একটা অসহ্য ঘূর্ণিঝড় ক্রমশই পাক খাচ্ছে। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছিল। বিড়ালটা ওখানে কতক্ষণ আছে?…ও কি সব দেখেছে…! ও কি সব জানে…?

    একটা হিংস্র অসহায়তা টের পাই! বিড়ালটাকে হাতের কাছে পেলে শেষ করে ফেলতাম। অসহ্য… অসহ্য… এই সিঁটিয়ে সিঁটিয়ে বেঁচে থাকা। তার চেয়ে যদি ওর গলা টিপে মেরে ফেলতে পারি!

    ও কি আমার উপর নজর রাখছে? যখনই জানলার বাইরে চোখ পড়ে তখনই দেখি হয় জানলায় থাবা রেখে ভিতরে উঁকি মারছে, নয়তো কার্নিশে চুপ করে বসে এদিকেই তাকাচ্ছে! আজকাল ওর ভয়ে বারান্দায় যেতে পারি না। পরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে পারি না। কারণ প্রত্যেকবার চরম মুহূর্তে কোথা থেকে উদয় হয় কে জানে! কুঁকড়ে যাই… শেষপর্যন্ত আর টিকে থাকতে পারি না। উত্তেজনার বদলে ঠান্ডা হিমবাহের স্রোত নেমে আসে শরীর বেয়ে….

    তারপরই একটা অসহ্য রাগ আমার মনে দানা বাঁধে। একটা ভীষণ হিংস্রতা। আমার সঙ্গে ইয়ারকি! শালা, মেরে দু’টুকরো করে ফেলে দেব! ওর ওই অসহ্য চোখ… ওই চোখ যদি উপড়ে না ফেলি তো…

    আমি প্রচণ্ড রাগে ওর দিকে তাকিয়ে থাকি। কিন্তু আশ্চর্য! বিড়ালটা একটু ও ভয় পায় না! বরং আগের মতোই স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে আমার দিকে। ওর চোখ একবারের জন্যও নড়ে না। পলক পড়ে না। তেড়ে গেলে বরং আস্তে আস্তে চলে যায়। কার্নিশ থেকে লাফ মেরে নেমে যায় নীচে। চলে যেতে যেতেও ঘুরে একবার তাকায় আমার দিকে।

    বিড়ালরা হাসতে পারে বলে আমার জানা নেই। কিন্তু আমি স্পষ্ট দেখি বিড়ালটার মুখে একটা অদ্ভুত হাসির আমেজ ভেসে উঠেছে। একটা অদ্ভুত রহস্যময় হাসি। গা শিরশির করে ওঠে!

    ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক কী? এমন নয় যে ওকে আহ্লাদ দিয়ে দিয়ে মাথায় তুলেছি। বরং প্রাণীদের একটা সহজাত ক্ষমতা থাকে। সেই ক্ষমতায় ও বুঝতে পারে যে আমি ওকে অপছন্দ করি। অথচ তা সত্ত্বেও আমার আশপাশেই ঘুরঘুর করে! কাছাকাছি থাকে!

    অসাধারণ কিছু তো নয়। সামান্য বিড়াল! লক্ষ লক্ষ মানবেতর প্রাণীর মধ্যে একটা! অথচ মনে হয় ওকে খুব ভালো করে চিনি…

    ৪

    সেদিন পরী দুপুরে মাছ ভেজেছিল।

    বাজারে আজকে খুব ভালো জাতের মাছ পেয়েছিলাম। একদম রুপোলি আঁশের তাজা ইলিশ। দেখেই লোভ হল। লোভ এতটাই বেশি হল যে দামটা গলাকাটা হলেও কিনেই ফেললাম। কী মনে হতেই আরও কিছু কেনাকাটা করে ফেলি। মুগ ডাল, গোবিন্দভোগ চাল, মোটামোটা তাজা বেগুন। ইচ্ছে ছিল দুপুরে সলিড খিচুড়ির সঙ্গে জমিয়ে খাবো। খিচুড়ির সঙ্গে বেগুনভাজা আর ইলিশমাছ ভাজা। ভাবতেই জিবে জল আসছিল। এত আয়েশ করার সামর্থ্য আমার সবসময় হয় না। কিন্তু এখন পকেট গরম আছে। শিল্পাবউদির দেওয়া নোটগুলো এখনও কড়কড় করছে।।

    বাজার করে ফেরার পথেই শান্তনুদার সঙ্গে দেখা। সে একটা ঢাউস ব্যাগে শাকপাতা ভর্তি করে ফিরছে।

    কী মনে হল কে জানে, ওর দিকে এগিয়ে গেলাম।

    —“কী রে!” ও আমার দিকে তাকিয়ে হাসে, “নদের চাঁদ, ভালোই তো কসাইখানা খুলে বসেছিস। ক’টা পাঁঠা কেটে ঝোলালি?”

    এইজন্যই শালার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করে না। মুখ তো নয়, নর্দমা!

    তবু আজ ওর কাছেই আমার দরকার ছিল। একটু দেঁতো হেসে প্রশ্নটা এড়িয়ে যাই। তারপর একটু কিন্তু কিন্তু করে প্রশ্নটা করেই ফেলি,

    —“আচ্ছা শান্তনুদা, তুমি বিড়াল সম্পর্কে আর কী কী জানো?” শান্তনুদা কিছুক্ষণ হাঁ করে তাকিয়ে থাকল আমার দিকে। পরক্ষণেই সজোরে হেসে উঠেছে,

    —“যাঃ শালা, মাগীবাজি ছেড়ে এখন কি বিড়ালবাজি শুরু করেছিস? কামসূত্রের প্রশ্ন থাকলে কর। বিড়াল নিয়ে এত মগজমারি কেন?”

    কথাগুলো শুনে ঝাঁট জ্বলে গেল। তা সত্বেও হজম করে নিয়েই বললাম,

    —“না, তুমি বলছিলে না, যে মেয়ে আর বিড়াল প্রায় একরকম…”

    “হ্যাঁ…. প্রায় একরকম নয়…” বিরক্ত মুখে শান্তনুদা বলে, “একেবারেই একরকম। আদর দিয়েছিস কি তোর বাপ-চোদ্দোপুরুষের তেরোটা বাজিয়ে ছাড়বে। কিছু বললেই ফ্যাসফোঁস শুরু হল। যত্তসব…”

    সে আরেকটা অশ্লীল শব্দ বলতে যাচ্ছিল। তার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়েছি, “তুমি বিড়াল সম্পর্কে আর কী কী জানো?”

    শান্তনুদা অদ্ভুতভাবে আমার দিকে তাকাল, “তোর কী হয়েছে কৌশিক? সকাল থেকেই বিড়াল বিড়াল করছিস? বিড়াল পুষবি নাকি? না পাগল হয়েছিস?”

    বুঝলাম ওকে ঘাঁটিয়ে বিশেষ লাভ নেই।

    বাড়িতে এসে যা কোনওদিন করিনি তাই করতে শুরু করলাম। গুগল সার্চ খুলে বিড়াল সম্পর্কে পড়তে শুরু করলাম। মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকের সময় এত পড়লে বোধহয় এতদিনে দিগগজ হয়ে যেতাম। কিন্তু এখন মনে হল, বিড়াল সম্পর্কে জানাটা বেশি জরুরী।

    পড়তে পড়তে শিরশিরে ভাবটা আরও বাড়তে লাগল। বিড়ালকে এতদিন একটা আদুরে প্রাণী বলেই জানতাম। যখন খুশি কোলে নিয়ে আহ্লাদ করা যায়। আবার যখন খুশি ক্যাৎ করে এক লাথিও মারা যায়।

    অথচ ইতিহাস অন্য কথা বলে! প্রাচীন মিশরের ইতিহাসে দেবী বাস্টের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে বিড়ালের ইতিহাস! বাস্টের মন্দির বুবাস্টিসে শতাধিক বিড়ালের মমি আছে। সসম্মানে মানুষের মতোই তাদের ওখানে সমাধিস্থ করা হয়েছে। এবং দেবীর মূর্তিটাই আসলে এক বিড়ালরূপী নারীমূর্তি! মিশরীয়রা এই বিড়ালের দেবীকে রীতিমতো পুজো করে ও ভয় পায়!

    বোঝো! বিড়ালের এত ফান্ডা আছে কেউ জানত!

    বিড়ালকে দেবী ফ্রেয়ার বাহনও বলা হয়; এবং ফ্রেয়া যাদুর দেবী! অর্থাৎ বিড়ালের সঙ্গে যাদুর যোগাযোগও আছে। এই যাদুই আবার ডাইনিদের কাছে ব্ল্যাক ম্যাজিকের রূপ ধারণ করেছে। সেখানেও বাহন হিসাবে এক ও অদ্বিতীয়ভাবে হাজির বিড়াল!

    সবমিলিয়ে বিড়াল এক রহস্যময় প্রাণী! যতই পড়ছি ততই ভয়টা আমায় চেপে ধরছে। কোথাও বিড়াল পবিত্রতার প্রতীক, কোথাও ভয়ের! কোথাও ভীষণ অমঙ্গল ডেকে আনে, কোথাও আবার কালোযাদুর বাহক

    এমনকি মৃত ব্যক্তির আত্মাও বহন করতে পারে এই বিড়ালই! পড়তে পড়তেই ক্রমশ একটা অমঙ্গলের আশঙ্কা চেপে ধরতে শুরু করল আমায়। যা সন্দেহ করছিলাম, তাই যেন এখন অমোঘ সত্য বলে মনে হচ্ছে। আর প্রত্যেক ক্ষেত্রেই নারী কোনও না কোনও ভাবে জড়িত বিড়ালের সঙ্গে! এ কি নিতান্তই কাকতালীয়…!

    —“বাবু… খাবে এখন?”

    খুব মন দিয়ে আর্টিকলগুলো পড়ছিলাম। হঠাৎ পরী সামনে এসে দাঁড়াতেই চিন্তাসূত্র ছিঁড়ে গেল।

    —“হ্যাঁ, দে।”

    সে বিনাবাক্যব্যয়ে রান্নাঘরে চলে গেল। পরক্ষণেই থালাবাসন উলটে পড়ার ঝনঝন শব্দ! সঙ্গে সঙ্গেই পরীর পরিত্রাহি চিৎকার।

    আমি ছুটে যাই রান্নাঘরে …

    সেই হতভাগা বিড়াল! সেই বিড়াল… মুখে মাছভাজা! ধূসর চোখদুটো যেন সকৌতুকে তাকিয়ে দেখছে: পরী মেঝের উপর… তখনও চিৎকার করছে!

    “শা-লি… মেরেই ফেলব আজকে…”

    এতক্ষণ ধরে পড়া আর্টিকলগুলো মাথা থেকে বেরিয়ে গেল। বিড়ালটা গ্যাসের টেবিলের উপরে দাঁড়িয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভাবে আমায় দেখছিল। পালাবার বিন্দুমাত্র চেষ্টাও নেই। আমি তড়াক করে লাফিয়ে ওকে ধরে ফেলি। প্রায় জাপটেই ধরে ফেলেছিলাম ওকে। কিন্তু ও কী ভাবে যে হাতের ফাঁক গলে সুড়ুৎ করে বেরিয়ে গেল কে জানে! আমি হতবুদ্ধি হয়ে দেখলাম বিড়ালটা তিড়িক করে বিদ্যুতের মতো শূন্যে লাফিয়ে উঠল! ফ্যাস করে একটা শব্দ পরক্ষণেই ডানগালে প্রচণ্ড জ্বালা! থাবার ভেতর থেকে গুপ্ত নখ বেরিয়ে এসে গভীর আঁচড় কেটে গেল গালে

    আমি অসহ্য যন্ত্রণায় অক্ষমের মতো দেখলাম মাছভাজাটা মুখে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে ও। মুখে যেন ব্যঙ্গের হাসি!

    গাল কেটে গিয়ে রক্ত পড়ছিল। ডাক্তারের কাছে দৌড়োতে হল।

    ডাক্তারবাবু বললেন, —“বিড়ালের আঁচড়! তাও আবার গালে! খেলেন কী করে!”

    কোনওমতে সমস্ত ঘটনা বলার পর তার মুখ গম্ভীর হয়ে গেল। তিনি ক্ষতস্থান ধুয়ে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে দিয়ে বললেন, “ঘরের বিড়াল হলে চিন্তা ছিল না। কিন্তু একেই বাইরের বিড়াল, তার উপর আঁচড়ে রক্ত বের করে দিয়েছে। চান্স নেবেন না। ইঞ্জেকশন নিয়েই নিন।”

    গালটা তখনও চিড়বিড় করে জ্বলছিল। তার চেয়েও বেশি জ্বালা ছিল ভিতরে। অমন দামি ইলিশ মাছের সর্বনাশ করল। বিড়ালের এঁটো আর খেতে পারবো? তার উপর মোক্ষম আঁচড়! বিড়ালটার উপর ভীষণ বিদ্বেষে জ্বলছিলাম আমি। অসহ্য জ্বালায় জ্বলতে জ্বলতে ভাবি, মরে যাক বিড়ালটা… নিকুচি করেছে মিথের… ওগুলো সব গপ্পো ছাড়া আর কিছু না… মরে যাক বিড়ালটা… মরে যাক…. মরে যাক….

    ভগবান হয়তো এবারও প্রার্থনা শুনতে পেলেন না।

    কিন্তু বিড়ালটা সত্যিই মরে গেল! পরদিন রাত্রে কে যেন তাকে বস্তাবন্দী করে ফেলে দিয়েছিল রেল লাইনের উপরে। ট্রেনের চাকায় দু’টুকরো হয়ে গিয়েছিল সে!

    তবু তার সেই ধূসর চোখ দুটো খোলাই ছিল! মৃত্যুও সে চোখ বোজাতে পারেনি।

    ৫

    এত আনন্দ অনেকদিন অনুভব করিনি।

    আপদ গেছে! বুকের উপর থেকে যেন একটা ভার সরল। আর কেউ জানলার কাছে এসে গুঁড়ি মেরে বসবে না। আর কেউ কটা চোখ নিয়ে বিচারকের ভঙ্গিতে তাকিয়ে থাকবে না। খুব বাঁচা বেঁচেছি।

    পরী আর শিল্পাবউদি ছাড়া আজকাল ফূর্তির আরও একটা উৎস হয়েছে। কৃষ্ণকলি। ইন্টারনেটে আলাপ। সেক্স চ্যাট করতে ওস্তাদ। আমার নোংরা নোংরা কথা শোনে। আর পালটা রগরগে কথা বলতেও জানে। কথাতেই যে এত গরম করে, না জানি সে বিছানায় কতটা করবে।

    একদিন মুখ ফসকে সে কথা বলতেই বলল, “বেশ তো, চলে এসো আমার ফ্ল্যাটে। লেটস্ এনজয়।”

    আমি অবাক হই না। কলকাতাতে এমন মেয়ের অভাব নেই। তবু ভদ্রতাবশত একটু কিন্তু কিন্তু করি, “তোমার বাড়িতে? কিন্তু তোমার মা বাবা?”

    —“আমার মা-বাবা এখানে থাকেন না,” তার স্বচ্ছন্দ উত্তর, “আমি একাই থাকি। আর আমার দেখাশোনা করার জন্য আমার মেড থাকে।

    এমন সুযোগ পেয়ে কেউ ছাড়ে? আমিও ছাড়িনি।

    কৃষ্ণকলি বেশ বড়লোকের মেয়ে বলেই মনে হয়। সাউথ সিটির বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থাকে সে। বাড়িতে ওর কাজের মেয়ে ঝরনা ছাড়া আর কেউ থাকে না। তার কথা মতো, সে এখানে একটা কল সেন্টারে মোটা মাইনের চাকরিও করে।

    কৃষ্ণকলি নামটার মধ্যেও একটা অদ্ভুত আকর্ষণ আছে। শুনলেই কেমন বুকের ভিতরে আকুলিবিকুলি টের পাওয়া যায়। আর বন্যতার নমুনা তো আগেই তার কথায় পেয়েছি। বলাইবাহুল্য তাকে দেখার জন্য উদ্‌গ্রীব হয়েছিলাম।

    তার ফ্ল্যাট নম্বর, ফ্লোর নম্বর এবং ফোন নম্বর তিনটেই জানা ছিল। সুতরাং খুঁজে পেতে কোনও অসুবিধে হল না। ফ্ল্যাটের সামনেই নেমপ্লেটে জ্বলজ্বল করছে সোনালি হরফে, কৃষ্ণকলি চ্যাটার্জী। বন্ধ দরজার সামনে এসে দাঁড়াতেই একটা অদ্ভুত উত্তেজনা বোধ করি। মাথায় জেল মেখে যথেষ্ট স্টাইল মেরেই এসেছি। তবু আরেকবার ছোট চিরুনিটা বের করে আরেকবার মাথায় বুলিয়ে নিই। উত্তেজনা যথাসম্ভব গোপন করেই কলিংবেল বাজালাম। একবার… দু’বার…!

    ভিতরে সুরেলা কলিংবেল বেজে উঠেছে। কয়েক সেকেন্ডের অপেক্ষা তারপরই দরজা খুলে গেল।

    ভেবেছিলাম হয়তো কৃষ্ণকলি দরজা খুলবে। আমি তাকে দেখার জন্য যতটা অধীর, সে-ও কি নয়? তাই রীতিমতো ওভার কনফিডেন্ট ছিলাম যে সে-ই হয়তো দরজায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করবে।

    কিন্তু দরজা যে খুলল তাকে দেখে আমি হতভম্ব! এক মধ্যবয়সী মহিলা! গাল ভরতি ব্রণর দাগ। শরীরে চর্বি ঝুলে পড়েছে। আমি তার দিকে তাকিয়ে রীতিমতো বিষম খেতে যাচ্ছিলাম। তার আগেই সে হেসে বলে, “আসুন, দিদিমনি ভিতরের ঘরে আছেন। আপনাকে বসতে বললেন।”

    যাক, বাঁচা গেল। এতক্ষণে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলি। এ তবে কৃষ্ণকলি নয়, ঝরনা।

    ফ্ল্যাটের ভিতরটা বেশ সুন্দর করে সাজানো। দেওয়ালে সুন্দর সুন্দর অয়েলপেইন্টিং। রট আয়রনের টেবিল, দামী সোফায় সুসজ্জিত আর নরম কার্পেটে মোড়া ঘর। মাখনের মতো দেওয়ালের রং। মাথার উপর ছোট্ট অথচ সুন্দর দামী কাচের ঝাড়বাতি। একপাশে শোকেসে শো-পিস সাজানো। দেওয়াল আলমারিতে থাকে থাকে বই। কৃষ্ণকলি বই পড়তে ভালোবাসে। আলতো করে চোখ বোলাতেই হঠাৎ একটা বই চোখে আটকে গেল।

    —“স্কেয়ারি হ্যালোউইন ব্ল্যাক ক্যাট মিথ!”

    কালো বিড়াল! এখানেও! কৃষ্ণকলিও কি তবে বিড়াল নিয়ে চর্চা করে? আমি নিতান্তই কৌতুহলবশত উঠে যাই বইয়ের আলমারির দিকে। ভালো করে দেখি ভেতরের বইগুলোকে। আমার বিস্মিত দৃষ্টি বইগুলোর নামের উপর দিয়ে সরে সরে যায়…

    ক্যাট মিথোলজি… ব্ল্যাক ক্যাটস… দ্য ডেভিল… ইজিপশিয়ান ক্যাটস… দ্য মিথ অফ চাইনিজ ক্যাট… ক্যাটস ক্যান রিমেম্বার…

    সব বিড়ালের উপর বই!

    একটা অদ্ভুত মিষ্টি গন্ধ! তার সঙ্গে চুড়ির মিষ্টি আওয়াজ। পেছন থেকেই ভেসে এল একটা রিনিরিনে কণ্ঠস্বর, “ওখানে কি দেখছ কৌশিক? আমি এখানে।”

    চমকে উঠে পিছনে তাকাই। পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে এক যুবতী। হাতে হুইস্কির বোতল আর কাচের গ্লাস!

    এ কে? কৃষ্ণকলি!

    আপাদমস্তক কুচকুচে কালো। বিড়ালের মতো পিচ্ছিল চিকন শরীর। নরম নরম গড়ন। কোমর দুলিয়ে দুলিয়ে সামনে এল, অবিকল বিড়ালের মতো! টের পেলাম, আমি ঘামছি! হৃৎপিণ্ডটা দ্বিগুণ বেগে চলতে শুরু করেছে! আমার থেকে সামান্য দূরত্বে দাঁড়িয়ে রয়েছে মেয়েটা। স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি ওর দুটো চোখ।

    একদম ধূসর মার্বেলের মতো…! জ্বলজ্বল করে জ্বলছে! একদম নিষ্পলক চাউনি!

    সে দৃষ্টি দাবানলের মতো জ্বলছে… নির্দয় বিচারকের মতো…

    বিড়াল রহস্যময়… বিড়ালের গোপন নখ আছে… বিড়াল নিয়ে ছেলেখেলা করা যায় না।

    কৃষ্ণকলি অবিকল একটা বিড়ালের মতো গুটিগুটি এগিয়ে এল। আমার বুকের উপর হাত রেখেছে ও। বুকে একটা অব্যক্ত কষ্ট! যেন বুকের চামড়া ফুঁড়ে হৃৎপিণ্ডের দিকে কিছু একটা চলে যাচ্ছে একটু একটু করে! ধারালো কিছু! ওর আঙুলের লুকিয়ে রাখা তীক্ষ্ণ নখগুলো কি এবার আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসছে? গোপন নখ? ও কি আমায় শাস্তি দেবে? ও কি সব জানে? সব জানে…?

    —“কে?” আমি প্রায় বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলাম। কথা বলার শক্তি ছিল না। তবু অতিকষ্টে বলি, “কে তুমি?”

    কৃষ্ণকলি হাসল। মুখটা আমার কানের কাছে এনে ফিসফিস করে বলল,

    —“মাছভাজা খাবে?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চতন্ত্র – বিষ্ণু শর্মা
    Next Article মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }