Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    সায়ন্তনী পূততুন্ড এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বীরেনবাবুর প্রশ্ন

    ১

    লোকটাকে প্রথম দর্শনেই কেমন যেন অদ্ভুত মনে হয়েছিল বীরেনবাবুর। দেখলেই মনে হয়, ও হয়তো মানুষ নয়। কিংবা মানুষের খোলসে অন্য কিছু!

    জামাকাপড় পরার মতো করেই একটি মানবদেহ পরে ঘুরছে! বয়স আন্দাজ সত্তরের ওপরে। গায়ের রঙ আলকাতরা কালো। হাসলে সাদা ঝকঝকে দাঁত দেখা যায়। কিন্তু দু’প্রান্তের দুটি শ্বদন্ত আশ্চর্য রকমের তীক্ষ্ণ। বীরেনবাবু সভয়ে লোকটির ধারালো দাঁতের দিকে তাকিয়েছিলেন। তাঁর মনোভাব বুঝতে পেরেই হয়তো লোকটা বলে উঠল, “আমার নিরামিষ খাওয়ার দাঁত নেই। আমি মাংসাশী কি না!”

    তিনি রুমাল বের করে কপালের ঘাম মুছলেন। কী কুক্ষণে যে অতিপ্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে কৌতূহলী হয়ে পড়েছিলেন! এতদিন দিব্যি মনের সুখেই ছিলেন। হঠাৎ সুখে থাকতে ভূতের কিল পড়ল! মৃত্যুর পর ঠিক কী হয়, আত্মা আছে কি না, ইত্যাদি সব প্রশ্ন মনের মধ্যে ঘনিয়ে আসতে শুরু করল। অনেকরকম বই পড়লেন, প্যারাসাইকোলজিস্টদের সঙ্গে আলোচনা করলেন, কিন্তু তবুও সব প্রশ্নের জবাব পেলেন না। মনে হল, অনেক কিছুই অধরা থেকে যাচ্ছে। বিশেষ করে একটা প্রশ্নের উত্তর বড় ভাসা-ভাসা পাচ্ছেন। সেই প্রশ্নটার উত্তর তাঁর চাই।

    এই লোকটির নাম গণপতি হাজরা। একাধারে প্যারাসাইকোলজিস্ট। তার ওপরে আবার ব্ল্যাক ম্যাজিকের চর্চাও করেন। এসব বিবরণ শুনেই যথেষ্ট আগ্রহ বোধ করেছিলেন তিনি। তিনদিনের মধ্যেই গণপতি হাজরার টেলিফোন নম্বরও খুঁজে বের করে যোগাযোগ করেছেন। গণপতি হাজরা তাঁকে নিজের ঠিকানাটা দিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছিলেন। সেই কথামতোই আজ রাত্রে এসে উপস্থিত হয়েছেন ভদ্রলোকের ডেরায়।

    কিন্তু এ বাড়িতে ঢোকার পর থেকেই কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে বীরেনবাবুর। সবই ঠিক আছে, অথচ কিছুই যেন ঠিক নেই! বাড়ির দরজায় পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর শরীরটা ছ্যাৎ করে উঠেছিল। বাইরে প্রচণ্ড গরম। গ্রীষ্মের দাবদাহে পুড়ে যাওয়ার উপক্রম। অথচ এই বাড়ির ভিতরটা আশ্চৰ্য রকমের ঠান্ডা! এতটাই ঠান্ডা যে তাঁর মনে হচ্ছিল, তিনি কোনও মর্গের ভেতরে ঢুকে পড়েছেন! কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার! কোথাও কোনও এসি বা নিদেনপক্ষে একটা কুলারও চোখে পড়ল না! তাহলে বাড়ির ভিতরটা এত ঠান্ডা কেন?

    —“ঠান্ডা লাগছে?” গণপতি তাঁর ধবধবে সাদা তীক্ষ্ণ দাঁতগুলো বের করে হাসলেন, “তা একটু ঠান্ডা তো লাগবেই। জানেনই তো, মৃত মানুষেরা গরম পছন্দ করে না।”

    বীরেনবাবু চমকে উঠলেন। বুকের মধ্যে একটা ভয়ও গুড়গুড় করে উঠল। লোকটা নিজে যেমন অদ্ভুত, তেমন অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে ভয় পাইয়ে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, যখন থেকে এসেছেন, তখন থেকেই মনে হচ্ছে তাঁর আশপাশে বুঝি অসংখ্য মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোথা থেকে যেন একটা হাড় কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া থেকে থেকে স্পর্শ করে যাচ্ছে তাঁকে। হাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়! বীরেনবাবুর মনে হল, হাওয়ার ভেতর থেকেই কেউ ফিসফিসিয়ে কিছু বলছে! কী বলছে তা বুঝতে পারছেন না। কিন্তু কিছু একটা বলছে এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত!

    —“আপনি বোধহয় বুঝতে পেরেছেন যে এ ঘরে আমরা ছাড়াও আরও অনেকেই আছেন।”

    আশ্চর্য! গণপতি তাঁর মনের কথাটা অবিকল বুঝে নিয়েছেন। এ লোকটা কি অন্তর্যামী! বীরেনবাবুকে আরও ঘাবড়ে দিয়ে বললেন তিনি, “কান পাতলে অনেক কিছুই শুনতে পাবেন। ওরা প্রায়ই প্যারালাল ওয়ার্লডের বর্ডার ক্রস করে এদিকে চলে আসে। বুঝতে পারে না যে এদিকে আসতে নেই, এটা ওদের জায়গা নয়!”

    বীরেনবাবু গলা খাঁকারি দিয়ে বললেন, “তার মানে সত্যিই একটা প্যারালাল ওয়ার্লড আছে?”

    —“আছে,” বৃদ্ধ মানুষটি হাসলেন, “সেটা অবিকল আমাদের দুনিয়াটার মতোই। এবং এই দুনিয়ার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে। মৃত্যুর পর আত্মারা সেখানেই বসবাস করে। দুটো ওয়ার্লডই একটা অদৃশ্য বর্ডারলাইনের মাধ্যমে বিভক্ত। ঠিক যেন দুটো দেশ। আমরা ওই বর্ডারলাইন ক্রস করে প্যারালাল ওয়ার্লডে ঢুকতে পারি না। কিন্তু ওরা প্রায়ই অনুপ্রবেশকারীদের মতো এখানে এসে পড়ে। দুটো বিশ্বের মধ্যে পার্থক্যটা বুঝতে পারে না।”

    বীরেন দত্ত কিছুক্ষণ চুপ করে থাকেন। গণপতি হাজরার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে যেন জরিপ করছেন মানুষটিকে। তারপর আস্তে আস্তে জানতে চাইলেন, “ওপারের জগতটা ঠিক কীরকম? যাকে বলছিলেন প্যারালাল ওয়ার্লড? আপনি দেখেছেন কখনও?”

    গণপতি হাজরা তাঁর দিকে অদ্ভুতদৃষ্টিতে তাকালেন। হয়তো এ প্রশ্নটাই তিনি আশা করেছিলেন। এই বৃদ্ধ মানুষটিকে সচরাচর নানারকম আলোচনাসভায় এইরকম প্রশ্নেরই মুখোমুখি হতে হয়। তাঁর চোখে ঝিকমিক করে কৌতুক খেলা করে উঠল। প্রশ্নটার সরাসরি জবাব না দিয়ে হেসে বললেন, “আপনার বয়েস কত? চল্লিশ পেরিয়েছে?”

    — “আজ্ঞে!” বীরেন সবিনয়ে জবাব দিলেন, “এই সদ্যই পেরিয়েছে।”

    —“তবে এই প্রশ্ন আপনার করা উচিত নয়,” বৃদ্ধ মিটিমিটি হাসতে হাসতে বললেন, “এই বয়সটা জীবনকে উপভোগ করার। মৃত্যু এবং তৎপরবর্তী বিষয় নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার জন্য তো গোটা বার্ধক্যটাই পড়ে রয়েছে।”

    —“তবু…” তিনি নাছোড়বান্দা, “বলুন না, আপনি জানেন যে ওপারের দুনিয়াটা ঠিক কেমন?”

    —“আপনি সত্যিই জানতে চান?” গণপতির মুখের হাসি মুছে গিয়েছে। গম্ভীর স্বরে বললেন, “এই প্যারালাল ওয়ার্লডটাকে সত্যিই কি এক্সপেরিয়েন্স করতে চান?”

    — “চাই।”

    —“ব্যাপারটা কিন্তু মোটেই ছেলেখেলা নয়। যথেষ্ট ঝুঁকি আছে।” বৃদ্ধ তাঁকে সতর্ক করলেন।

    —“তবু আমি জানতে চাই,” বীরেনবাবু দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, “সম্ভব?”

    —“সম্ভব,” তিনি আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়ালেন। ওঁর দিকে তাকিয়ে বললেন, “আপনার কপাল ভালো। আজ অমাবস্যা। একটু অপেক্ষা করুন। আসছি।”

    তারপর ধীর পায়ে ভেতরের ঘরের দিকে চলে গেলেন।

    ২

    সামনে-রাখা অঙ্গার পাত্রে আগুন ধমকে ধমকে জ্বলে উঠছে। সেই লেলিহান শিখার মধ্যে মুঠো করে কিছু একটা ফেললেন গণপতি। জিনিসটা কী তা ঠিক বোঝা গেল না। তবে সেটা সুগন্ধী কিছু। পোড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সুগন্ধে ঘর ভরে গেল। এখন ঘরে শুধু গমগম করছে তাঁর কণ্ঠস্বর। মৃদু অথচ সুরেলা গলায় মন্ত্রোচ্চারণ করতে করতে বৃদ্ধ মাটির ওপর রঙিন খড়ি দিয়ে কীসব চিহ্ন আঁকছেন। মন্ত্র পড়তে পড়তেই থেমে গিয়ে বললেন, “এই কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। যা-ই ঘটুক না কেন, আপনি যে আসনে বসে আছেন সেখান থেকে একচুলও নড়বেন না। উঠে পড়ার চেষ্টা তো একেবারেই করবেন না। যে শক্তিগুলোকে নিয়ে আমি কাজ করছি তাদের সঠিকমতন চালনা না করতে পারলে বিপদ ঘটতে পারে। বুঝেছেন?”

    —“আজ্ঞে, বুঝেছি।”

    বীরেনবাবু মাথা নাড়লেন। যদিও এই মুহূর্তে তাঁর বেশ ভয় ভয় করছে। ঘরে এখন অঙ্গারপাত্রের জ্বলন্ত আগুন ছাড়া অন্য কোনও আলো নেই। মনে হচ্ছে, আশপাশের অন্ধকার বুঝি আরও জমাট হয়ে ঘিরে ধরছে তাঁকে। চতুর্দিকে ছায়া ছায়া কাদের যেন অবাঞ্ছিত অস্তিত্ব। তাঁর আচমকা মনে হল, ছায়াগুলো বোধহয় কিছু বলতে চাইছে। বারবার হাত নেড়ে নিষেধ করছে।

    —“অন্যদিকে তাকাবেন না।” গণপতি গম্ভীর গলায় বললেন। তাঁর কণ্ঠস্বরে স্পষ্ট আদেশের সুর, “এদিকে মনোসংযোগ করুন।”

    —“হ্যাঁ”

    দেওয়ালের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে আগুনের দিকে তাকালেন বীরেনবাবু এখনও বৃদ্ধ বিড়বিড় করে কীসব মন্ত্র পড়ে চলেছেন। আগুনটা ক্রমশ উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হচ্ছে! যত উজ্জ্বল হচ্ছে, তার গনগনে রক্তিম রঙটা মুছে গিয়ে নীলাভ আভা ফুটে উঠছে। প্রথমে মনে হয়েছিল, হয়তো তাঁরই চোখের ভুল! কিন্তু এখন ভালোভাবে দেখে নিশ্চিত হলেন। নাঃ, কোনও ভুল নয়। আগুনটা সত্যিই এখন নীলাভ শিখায় জ্বলছে। কী মোহনীয় সে নীল রঙ! গণপতি নিশ্চয়ই আগুনের ভেতরে এমন কিছু ফেলেছেন যার ফলে এমন নীলাভ আভা ঠিকরে পড়ছে।

    —“আমার হাতে হাত রাখুন।” গম্ভীর স্বরে আদেশ করলেন গণপতি বীরেনবাবু যে ওঁর এসব যজ্ঞের ব্যাপারে সঠিক কিছু বুঝতে পারছিলেন, তা নয়। কিন্তু তিনি যা যা বলছিলেন নীরবে তা পালন করে চলেছেন। ওঁর কথামতই এবার বৃদ্ধের হাতে হাত রাখলেন। কিন্তু স্পর্শমাত্রেই চমকে উঠেছেন! একটা বিদ্যুত্তরঙ্গ বয়ে গেল তাঁর দেহে! কী ঠান্ডা হাত গণপতির! বীরেনের মনে হল, তিনি একটা কঙ্কালের হাতে হাত রেখেছেন। সে হাতে কোনও মাংস, পেশী, চামড়ার অস্তিত্ব নেই! শুধু যেন কয়েকটা হাড় অবশিষ্ট!

    গণপতির কণ্ঠস্বর এবারে উচ্চগ্রামে পৌঁছেছে! বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল! এ তো উচ্চারণ নয়, আর্তনাদ! মানুষের আত্মা যখন বিনষ্ট হয়ে যেতে বসে তখনই বোধহয় কোনও মানুষ এইভাবে মন্ত্রোচ্চারণ করতে পারে। বীরেনবাবুর দেহ ক্রমশ শিথিল হয়ে পড়ছিল। তিনি টের পেলেন একটা প্রচণ্ড চৌম্বকশক্তি তাঁকে টেনে নিয়ে চলেছে অন্য কোথাও! তাঁর আত্মাকে দেহ থেকে টেনে বের করে নিচ্ছে কেউ! অঙ্গারপাত্রটা এখন ভলকে ভলকে উগরে দিচ্ছে ধোঁয়া। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে আসছিল বীরেনবাবুর। কোনওমতে বললেন, “এটা কী হচ্ছে! আমার এত কষ্ট হচ্ছে কেন?”

    গণপতি খলখল করে হেসে উঠলেন। এ হাসি শয়তানের হাসি! হাসতে হাসতেই বললেন, “আর কয়েক সেকেন্ড কষ্ট পাবেন! তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।”

    —“কিন্তু …”

    শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছে। চোখে প্রায় অন্ধকার দেখছেন। যন্ত্রণায় কঁকিয়ে ওঠেন তিনি, “আপনি আমার সঙ্গে এটা কী করলেন?”

    গণপতির হিংস্র দাঁতগুলো ঝিকিয়ে উঠল, “কিছুই না। শুধু আত্মা বদল করছি মাত্র। আত্মা কী জানেন? পাখি! প্রাণপাখি বলে না? আর দেহ হল খাঁচা। আমার পাখিটা এই জরাজীর্ণ খাঁচায় আর থাকতে চাইছে না। দু’বার স্ট্রোক হয়ে গিয়েছে। তৃতীয়বার হলে বাঁচব কিনা সন্দেহ। অথচ বাঁচার প্রবল ইচ্ছে! আমার আত্মার একটা নতুন, তাজা, শক্তপোক্ত খাঁচা দরকার। তা-ই আমি আপনার দেহটা ধার নিচ্ছি। আপনার সদ্য চল্লিশ পার করা সুস্থ, সবল দেহে এখন আমি থাকব। আর আমার এই বৃদ্ধ, অশক্ত দেহে আপনি। এতবছর ধরে ব্ল্যাক ম্যাজিকের সাধনা করে আমি এই মন্ত্র পেয়েছি। আজ তার সদ্ব্যবহার করলাম।”

    বীরেনবাবু ততক্ষণে মাটির ওপর লুটিয়ে পড়েছেন। তাঁর চতুর্দিকে ঝলমল করছে নীলাভ জ্যোতি! কোনওমতে বললেন, “বিশ্বাসঘাতক!”

    গণপতি মৃদু হাসলেন। বীরেনবাবুর জন্য মায়াও হল তাঁর। লোকটা কী করে বুঝবে যে একটা নিরীহ প্রশ্নের জালে এমন করে ফেঁসে যাবে! একটা কৌতূহলের দাম এমন সাংঘাতিক হবে তা কে জানত! আস্তে আস্তে তিনি চোখ বুজলেন। শুয়ে পড়লেন মেঝেতে। এবার ওই দেহে যাওয়ার সময় এসে গিয়েছে… অনেকদিন এই বুড়ো, ভারি এবং রোগগ্রস্ত দেহটাকে টেনে বেরিয়েছেন। এখন একটা সুস্থ দেহ তাঁর প্রতীক্ষারত। ওই দেহে এখনও অনেকদিন বাঁচবেন তিনি…! মুক্তি! আঃ…

    কিন্তু এ কী! বীরেনবাবুর দেহটা কোথায় গেল! গণপতির নিজের দেহ থেকে বেরিয়ে এসেছে নীলাভ উজ্জ্বল জ্যোতির মতো তাঁর সূক্ষ্ম শরীর। বেরিয়ে আসার আগেও দেখেছেন বীরেন দত্তর দেহটা পড়ে আছে মাটির ওপরে। অথচ এখন সেখানে কিছুই নেই! তবে প্রবেশ করবেন কোথায়!

    তিনি বিহ্বল হয়ে দেখলেন তাঁর নিজের দেহটা এবার আস্তে আস্তে উঠে বসেছে। গণপতির দেহ থেকে বীরেনবাবুর কণ্ঠস্বর শোনা গেল, “বড়ই দুঃখের কথা গণপতিবাবু। আপনি আমাকে চিনতে পারলেন না! শেষপর্যন্ত দেহবিনিময় করার জন্য একজন অশরীরীকেই বেছে নিলেন, যার কিনা দেহই নেই! দুঃখজনক!”

    গণপতির সূক্ষ্ম দেহ তখনও ছটফট করে চলেছে। এ হতে পারে না! কিছুতেই হতে পারে না! একটু আগেও তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন ওঁকে! এত বড় ভুল হল!

    —“দুমাস আগেই আমার ক্যান্সার ধরা পড়ে,” গণপতিবাবুর দেহে বীরেনবাবুর আত্মাটি বলে উঠল, “তখন থেকেই আমি মৃত্যু এবং তার পরবর্তী বিষয়ে কৌতূহলী হয়ে পড়ি। কিন্তু সে কৌতূহল আমার জীবদ্দশায় মিটল না। কাল রাতেই আমার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু শেষ কৌতূহলটা মেটেনি বলে ওপারে যেতে পারিনি। এখানেই রয়ে গিয়েছি!”

    গণপতির সূক্ষ্ম দেহ তখন একটু একটু করে মিলিয়ে যাচ্ছে! নিয়তির অলঙ্ঘ্য বিধানে আর তিনি এ পারের বাসিন্দা নন। তাঁকে ওপারে চলে যেতেই হবে। তবু তিনি প্রাণপণ চেঁচিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন, “না। আমি যাবো না…. কিছুতেই না…”

    যেতে তো আপনাকে হবেই। এখন আপনার নিজের খাঁচায় ফেরার উপায় নেই। কারণ এখন আমি আরও কিছুদিন বাঁচব। আপনার দেহ অধিকার করে বেঁচে থাকব আমি। তবে কোনওদিন যদি বর্ডারলাইন ক্রস করে এপারে চলে আসেন, তবে আমার একটা প্রশ্নের জবাব দিয়ে যাবেন।” বীরেনবাবু হাসলেন। তাঁর পরিবর্তিত দেহের শ্বদন্ত দুটি ফের ঝিলিক দিয়ে ওঠে। গমগমে স্বরে প্রশ্ন করেন,

    —“ওপারের দুনিয়াটা ঠিক কেমন?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চতন্ত্র – বিষ্ণু শর্মা
    Next Article মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }