Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক কাহিনী সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1544 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রেবা রোধসি

    শেষ পর্যন্ত রাজপুত্র তূণীরবর্মাকে রাজ্য হইতে নির্বাসন দিতে হইল। রাজা শিববর্মা তাঁহার জ্যেষ্ঠপুত্র যুবরাজ ইন্দ্রবর্মাকে ডাকিয়া বলিলেন— ‘তূণীর যে অপরাধ করেছে তাতে মৃত্যুই তার একমাত্র দণ্ড। কিন্তু সে আমার পুত্র, তাকে চরম দণ্ড দিতে আমার হৃদয় ব্যথিত হচ্ছে। তুমি তাকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে এসো। তাকে বলে দিও, আমি তার মুখদর্শন করতে চাই না, সে যেন আর কখনও এ রাজ্যে পদার্পণ না করে।’

    যুবরাজ ইন্দ্রবর্মা বিষণ্ণ মুখে বলিলেন— ‘যথা আজ্ঞা আর্য।’

    ন্যূনাধিক সাত শত বছর পূর্বে নর্মদার উত্তর তীরে মহেশগড় নামে এক রাজ্য ছিল। রাজ্য আকারে বৃহৎ নয়, কিন্তু সমৃদ্ধিশালী। কয়েক বছর আগে আলাউদ্দিন খিল্জি যখন দেবগিরি রাজ্য লুণ্ঠনের জন্য দক্ষিণাত্যে গমন করেন তখন তিনি মহেশগড় রাজ্যের পাশ দিয়া চলিয়া গিয়াছিলেন, রাজ্যে প্রবেশ করেন নাই; কিন্তু তদবধি নর্মদা অববাহিকার রাজ্যগুলিতে শঙ্কা ও সন্ত্রাসের সৃষ্টি হইয়াছিল। যবন জাতি অতি কপট ও নিষ্ঠুর; তাহারা বিশ্বাসঘাতক, বন্ধুত্বের ভান করিয়া সদ্ভাবপ্রতিপন্নকে হত্যা করে। যবন সম্বন্ধে সর্বদা সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

    মহেশগড় রাজ্যেও এই সন্ত্রাসের ছোঁয়াচ লাগিয়াছিল। রাজশক্তি সৈন্যদল গঠন করিয়া আততায়ীর আগমন প্রতীক্ষা করিয়াছিল। কিন্তু বছরের পর বছর কাটিয়া গেল, যবনেরা ফিরিয়া আসিল না। ধীরে ধীরে অলক্ষিতে সতর্কতাও শিথিল হইতে লাগিল। সৈন্যদল হ্রাস পাইল, রাজপুরুষেরা বাহিরের দিক হইতে দৃষ্টি ফিরাইয়া অভ্যন্তরীণ ক্ষুদ্র কূটনৈতিক খেলায় মনোনিবেশ করিলেন।

    ভারতের ইতিহাসে এইরূপ ঘটনা বারংবার ঘটিয়াছে। শত্রু চোখের আড়াল হইলেই মনের আড়াল হইয়া যায়। আবার যখন শত্রু আচম্বিতে ফিরিয়া আসে তখন তাহা অপ্রত্যাশিত উৎপাত বলিয়া মনে হয়। আমরা অতীতকে বড় সহজে ভুলিয়া যাই, তাই বোধহয় আমাদের ইতিহাসের প্রতি আসক্তি নাই।

    মহেশগড়ের রাজা শিববর্মার বয়স হইয়াছে। সেকালে রাজাদের বহুবিবাহ প্রচলিত ছিল, যিনি যতগুলি রাজকন্যা ঘরে আনিলেন তাঁহার মর্যাদা তত বেশি। শিববর্মার সাতটি মহিষী, পুত্রসংখ্যা ত্রিশের ঊর্ধ্বে। তন্মধ্যে কেবল জ্যেষ্ঠপুত্র সিংহাসনের উত্তরাধিকারী, অন্য রাজকুমারদের কোনও কর্ম নাই। তাঁহারা আহার বিহার মৃগয়া এবং প্রয়োজন হইলে যুদ্ধ করিয়া জীবনযাপন করেন। পুরুষানুক্রমে এই উদ্বৃত্ত রাজপুত্রেরা এবং তাঁহাদের পুত্র-পৌত্রেরা রাজপুত জাতিতে পরিণত হইয়াছিলেন। তাঁহাদের সহজাত ক্ষাত্রতেজ ছিল; তাই অদ্যাপি রাজপুত পুরুষের শৌর্যবীর্য বাহুবল ভুবনবিখ্যাত এবং রাজপুত রমণীর গতিছন্দে রাজরানীর গর্ব সুপরিস্ফুট।

    তূণীরবর্মা রাজা শিববর্মার তৃতীয় মহিষীর গর্ভজাত চতুর্থ পুত্র। তিনি কোনোকালে রাজা হইবেন সে সম্ভাবনা নাই। বাল্যকাল হইতেই তাঁহার স্বভাব দুরন্ত ও দুঃশীল, কেহ তাঁহাকে শাসন করিতে পারিত না। তারপর তিনি যখন বয়ঃপ্রাপ্ত হইলেন তখন তাহার স্বভাব আরও প্রচণ্ড ও দুর্দমনীয় হইয়া উঠিল। তাঁহার আকৃতি যেমন সুন্দর, দেহ তেমনই বলশালী, তাঁহার প্রতিকূলতা করিতে কেহ সাহস করে না; উৎসর্গীকৃত বৃষের ন্যায় তিনি স্বচ্ছন্দচারী হইয়া উঠিলেন। ভোগব্যসনে তাঁহার রুচি রাজকবি ভর্তৃহরির পন্থা অবলম্বন করিল। জীবনে ভোগ্যবস্তু যদি কিছু থাকে তবে তাহা মৃগয়া এবং নারীর যৌবন। যৌবনং বা বনং বা।

    রাজপুত্রেরা কেহই শান্তশিষ্ট মিতাচারী হন না; কিন্তু তাঁহাদের উচ্ছৃঙ্খলতা মাত্রা অতিক্রম করিলে প্রজাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়। তূণীরবর্মার আচার-আচরণ লইয়া রাজার নিকট নিত্য অনুযোগ অভিযোগ আসিতে লাগিল। রাজা পুত্রকে সংযত করিবার চেষ্টা করিলেন, কিন্তু কোনও ফল হইল না। অবশেষে তূণীরবর্মা এক অমার্জনীয় অপরাধ করিয়া বসিলেন; এক বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের তরুণী ভার্যাকে অপহরণ করিলেন।

    মহাপাতকের মার্জনা নাই। রাজা পুত্রকে কারারুদ্ধ করিলেন, তারপর তাহার নির্বাসনের আদেশ দিলেন।

    কারাগার হইতে তূণীরবর্মাকে মুক্ত করিয়া যুবরাজ তাঁহাকে অশ্বপৃষ্ঠে আরোহণ করিতে আদেশ করিলেন, স্বয়ং অন্য অশ্বে আরোহণ করিয়া নগরদ্বারের অভিমুখে চলিলেন। আগে পিছে দুই দল ধনুর্ধর রক্ষী চলিল।

    রাজপথের দুই পাশে নাগরিকের ভিড় জমিয়াছে। অধিকাংশই নীরব, ক্বচিৎ কেহ ধিক্ ধিক্ বলিয়া তিরস্কার জানাইতেছে। তূণীরবর্মার মুখে কখনও হিংস্র ভ্রূকুটি, কখনও খরশান ব্যঙ্গহাস্য। তিনি পাশে মুখ ফিরাইয়া যুবরাজকে জিজ্ঞাসা করিলেন— ‘আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ— বধ্যভূমিতে?’

    ইন্দ্রবর্মা ধীর স্বরে বলিলেন— ‘না। মহারাজ তোমাকে নির্বাসন দণ্ড দিয়েছেন।’

    তূণীরবর্মার অধর বিদ্রূপে বঙ্কিম হইয়া উঠিল, তিনি বিকৃত হাস্য করিয়া বলিলেন— ‘অসীম করুণা মহারাজের। তোমার যদি অধিকার থাকত তুমি বোধহয় আমার প্রাণদণ্ড দিতে।’

    ইন্দ্রবর্মা ক্লান্ত নিশ্বাস ফেলিলেন, উত্তর দিলেন না।

    নগর হইতে রাজ্যের সীমান্ত বহু দূরে। নগর ছাড়াইয়া তাঁহারা নর্মদার তীর ধরিয়া পূর্বমুখে চলিলেন। বেলা তৃতীয় প্রহরে রাজ্যের সীমান্তস্তম্ভ দেখা গেল। সীমান্তস্তম্ভের নিকট আসিয়া ইন্দ্রবর্মা অশ্ব স্থগিত করিলেন, একটি কোষাবদ্ধ তরবারি তূণীরবর্মার হাতে দিলেন, স্নেহার্দ্র স্বরে বলিলেন— ‘ভাই, এই অশ্ব এবং এই তরবারিমাত্র এখন তোমার সম্পত্তি। রাজার আদেশে তুমি নির্বাসিত হয়েছ; কিন্তু তুমি ক্ষত্রিয়, তোমার ভুজবলই তোমার ভাগ্য। যাও, আর কখনও এ রাজ্যে ফিরে এসো না। কিন্তু মাঝে মাঝে মাতৃভূমিকে স্মরণ কোরো।

    তূণীরবর্মা তীব্রতিক্ত ব্যঙ্গহাস্য করিয়া বলিলেন— ‘মাতৃভূমি! মহেশগড় আমার মাতৃভূমি নয়, বিমাতৃভূমি। এখানে সবাই আমার শত্রু। যদি কোনও দিন ফিরে আসি, একা ফিরব না, এই তরবারি হাতে নিয়ে ফিরে আসব।’

    ইন্দ্রবর্মা জানিতেন, ইহা ক্রোধের আস্ফালন মাত্র, তিনি দুর্মদ সাহসী ও হঠকারী, কিন্তু সৈন্যদল গঠন করিয়া তাহার নেতৃত্ব করা তূণীরবর্মার সাধ্যাতীত। ইন্দ্রবর্মা শান্ত ভর্ৎসনার কণ্ঠে বলিলেন— ‘ছিঃ তূণীর ভাই, তুমি রাজপুত্র, নিজের বংশে কলঙ্কারোপ কোরো না।’

    তূণীরবর্মা চিৎকার করিয়া উঠিলেন— ‘আমার বংশ নাই, মাতৃভূমি নাই। পৃথিবীতে আমি একা।’ বলিয়া তিনি ঘোড়ার মুখ ফিরাইয়া পূর্বদিকে ঘোড়া ছুটাইয়া দিলেন।

    সে-রাত্রি তূণীরবর্মা নর্মদাতীরের এক বৃক্ষতলে কাটাইলেন, পরদিন আবার পূর্বমুখে চলিলেন। নর্মদার তীর কখনও সমতল, কখনও শৈলবন্ধুর। কদাচিৎ দুই-একটি আরণ্যক জাতির গ্রাম। গ্রাম হইতে খাদ্য মিলিল।

    দ্বিতীয় দিন সূর্যাস্তের প্রাক্কালে তূণীরবর্মা একটি গ্রামের নিকটবর্তী হইলেন; দেখিলেন, নদীসৈকতে কয়েকটি আটবিক জাতীয়া যুবতী গান গাহিয়া গাহিয়া নৃত্য করিতেছে। তাঁহাদের নিরাবরণ বক্ষে বনজ ফুলের মালা, কেশকুণ্ডলিতে শিখিচূড়া।

    তূণীরবর্মা অশ্ব দাঁড় করাইয়া দেখিতে লাগিলেন, তারপর অশ্ব হইতে নামিয়া যুবতীদের মধ্যে গিয়া দাঁড়াইলেন। যুবতীর ভয় পাইল না, খিলখিল করিয়া হাসিয়া উঠিল।

    একটি যুবতী হাসিল না, কাছে আসিয়া তূণীরবর্মা প্রদক্ষিণ করিয়া দেখিতে লাগিল। তারপর নিজের গলার মালা খুলিয়া তাঁহার গলায় পরাইয়া দিল।

    অন্য যুবতীরা কলহাস্য করিতে করিতে ছুটিয়া গ্রামের দিকে চলিয়া গেল।

    তূণীরবর্মা যুবতীকে হাত ধরিয়া কাছে টানিয়া লইলেন, স্মিতহাস্যে জিজ্ঞাসা করিলেন— ‘তোমার নাম কি?’

    যুবতী স্নিগ্ধ চক্ষু দুটি তাঁহার মুখের উপর স্থাপন করিয়া বলিল— ‘রেবা।’

    কিছুক্ষণ পরে একদল আটবিক পুরুষ ভল্ল লইয়া উপস্থিত হইল, তূণীরবর্মা নিরীক্ষণ করিয়া যুবতীকে জিজ্ঞাসা করিল— ‘এ কে?’

    যুবতী বলিল— ‘ওর গলায় আমি মালা দিয়েছি, ও আমার পুরুষ।’

    পুরুষেরা তখন তূণীরবর্মা প্রশ্ন করিল— ‘তুমি কে?’

    তূণীরবর্মা তরবারির মুষ্টিতে হাত রাখিয়া বলিলেন— ‘আমি রাজপুত্র।’

    পুরুষদের মধ্যে যে সর্বাধিক বয়স্ক সে বলিল— ‘রাজপুত্র! এখানে এসেছ কেন?’

    তূণীরবর্মা বলিলেন— ‘আমাকে কেউ ভালবাসে না, তাই রাজ্য ছেড়ে এসেছি।’

    পুরুষ জিজ্ঞাসা করিল— ‘তুমি আমাদের গ্রামে থাকবে?’

    তূণীরবর্মা বলিলেন— ‘থাকব।’

    গ্রামের একান্তে নর্মদার তীরে কুটির বাঁধিয়া তূণীরবর্মা রহিলেন। রেবা এই নূতন ঘরের ঘরনী।

    রেবার শ্যামল দেহটি যেমন পরম কমনীয়, তাহার মনও তেমনি শান্ত-স্নিগ্ধ প্রসন্ন। তূণীরবর্মা এমন রমণী পূর্বে দেখেন নাই; নাগরিকা রমণীদের অন্তরে ক্ষুধা অধিক, তৃপ্তি কম। তূণীরবর্মা রোবাকে লইয়া সুখের সলিলে নিমজ্জিত হইলেন।

    আটবিকদের জীবনে অধিক বৈচিত্র্য নাই; তাহারা অল্প চাষবাস করে, নদীতে মাছ ধরে, ধনুর্বাণ লইয়া বনে শিকার করে। মহুয়া এবং বনমধু হইতে আসব প্রস্তুত করিয়া তাহারা পান করে, নেশায় মত্ত হইয়া নৃত্যগীতে মাতামতি করিতে করিতে কে কাহার স্ত্রী, কে কাহার পুরুষ ভুলিয়া যায়। আদিম অনিরুদ্ধ তাহাদের জীবন, সংস্কারের বন্ধনে তাহাদের মন পঙ্গু হইয়া যায় নাই।

    তূণীরবর্মা মনে চিন্তা নাই; তিনি যখন ইচ্ছা নদীতে ঝাঁপাইয়া পড়িয়া সাঁতার কাটেন, তাঁহার বলিষ্ঠ বাহুক্ষেপে নর্মদার জল তোলপাড় হয়। কখনও তিনি তীরে বসিয়া অলসভাবে মাছ ধরেন। কখনও বা গ্রামের যুবকদের সঙ্গে বনে গিয়া ময়ূর হরিণ বরাহ শিকার করিয়া আনেন। আটবিকদের সঙ্গে তিনি ওতপ্রোতভাবে মিশিয়া গিয়াছেন, তাহারাও রাজপুতকে আপন করিয়া লইয়াছে। তূণীরবর্মা উপলব্ধি করিয়াছেন যে, অন্তরে তিনি বন্য আটবিক মানুষ, এই জীবনই তাঁহার প্রকৃত জীবন; এতদিনে তিনি স্বক্ষেত্রে উপনীত হইয়াছেন। নাগরিক জীবনযাত্রার জন্য তাঁহার অন্তরে বিন্দুমাত্র পিপাসা নাই।

    ক্বচিৎ সূর্যাস্তকালে নর্মদাসৈকতে একাকী বসিয়া নানা জল্পনা তাঁহার মনে উদয় হয়। নদীর স্রোত পশ্চিমদিকে বহিয়া চলিয়াছে; এখন যে-জল এখানে বহিতেছে সেই জল হয়তো কাল প্রাতঃকালে মহেশগড় নগরের পাশ দিয়া বহিয়া যাইবে। মহেশগড়ের কথা স্মরণ হইলেই তাঁহার মন বিমুখ হয়। তিনি ভাবেন, মহেশগড় আমার জন্মভূমি নয়, মহেশগড়ের মানুষ আমার আপনজন নয়। এই নদীতীরস্থ ক্ষুদ্র গ্রাম তাঁহার আপন স্থান, এই বন্য অর্ধনগ্ন মানুষগুলি তাঁহার পরমাত্মীয়, রেবা নাম্নী ওই শ্যামলী মেয়েটি তাঁহার অন্তরতমা। জীবনে তিনি আর কিছু চাহেন না!

    এইভাবে দিন কাটিতে থাকে। বৎসরাধিক কাল অতীত হইয়া যায়।

    একদিন হেমন্তের দ্বিপ্রহরে তূণীরবর্মা রেবাকে বলিলেন— ‘চল্‌ রেবা, বনে শিকার করতে যাই।’

    রেবা উল্লসিত হইয়া বলিল— ‘আমাকে নিয়ে যাবে?’

    তূণীরবর্মা বলিলেন— ‘হ্যাঁ, আজ আর কেউ নয়, শুধু তুই আর আমি।’

    ‘বেশ, চল!’ বলিয়া রেবার মুখে একটু শঙ্কার ছায়া পড়িল— ‘ফিরতে যদি রাত হয়ে যায়? বনে নেকড়ে বাঘ, বুনো কুকুর আছে।’

    তূণীরবর্মা বলিলেন— ‘যদি রাত হয়ে যায়, দু’জনে গাছের ডালে উঠে রাত কাটিয়ে দেব। আয়।’

    নদীর ধারে অশ্বটি চরিতেছিল, তূণীরবর্মা তাহার মুখে রজ্জুর বল্‌গা পরাইলেন, লাফাইয়া তাহার পিঠে উঠিয়া বসিলেন, রেবাকে টানিয়া নিজের সম্মুখে বসাইয়া ঘোড়া ছুটাইয়া দিলেন।

    গ্রাম হইতে ক্রোশেক দূর পশ্চিমে শাল পিয়াল মধুক তিন্তিড়ির বন। বনের কিনারে ঘোড়া ছাড়িয়া দিয়া তূণীরবর্মা রেবার সহিত বনে প্রবেশ করিলেন। তূণীরবর্মা হাতে ধনুর্বাণ আছে বটে, কিন্তু মৃগয়ার দিকে মন নাই। ছুটোছুটি লুকোচুরি খেলা; বালক-বালিকার কৌতুক-কৌতূহলের সহিত যুবক-যুবতীর রতিরঙ্গ মিশিয়া বনবিহার পরম রমণীয় হইয়া উঠিল। তূণীরবর্মা যখন সময় সম্বন্ধে সচেতন হইলেন তখন প্রণয়িযুগল বনের পশ্চিম প্রান্তে পৌঁছিয়াছেন এবং সূর্যাস্ত হইতেও বিলম্ব নাই।

    তূণীরবর্মা বলিলেন— ‘চল্‌ চল্‌, এখনও বেলা আছে, অন্ধকার হবার আগে বন পেরিয়ে যেতে পারব।’ তিনি রেবার হাত ধরিয়া আবার বনের মধ্যে প্রবেশ করিয়া দৌড়িতে আরম্ভ করিলেন।

    কিন্তু কয়েক পদ যাইবার পর তাঁহাদের গতিরোধ হইল। উত্তর দিক হইতে গম্ভীর শব্দ শুনিয়া তূণীরবর্মা থমকিয়া দাঁড়াইয়া পড়িলেন। দূরে যেন দুন্দুভি বাজিতেছে, তাহার সহিত শৃঙ্গনিনাদ। এ শব্দ তূণীরবর্মা অপরিচিত নয়— রণবাদ্য। তাঁহার নাসাপুট স্ফুরিত হইল, তিনি শ্যেনচক্ষু ফিরাইয়া সেই দিকে চাহিলেন।

    দূরে এক সারি ভল্লের ফলক দেখা গেল; তারপর দেখা গেল অসংখ্য অশ্বারোহীর দল। তাহারা এই বনের দিকেই অগ্রসর হইতেছে।

    রেবা ভীতভাবে তূণীরবর্মা হাত টানিয়া বলিল— ‘ওরা কারা? আমার ভয় করছে, চল পালিয়ে যাই।’

    তূণীরবর্মা বলিলেন— ‘সৈন্যদল আসছে, বোধ হয় এই বনে রাত্রি যাপন করবে। — কিন্তু পলাব না। দেখতে হবে ওরা কারা।’ তিনি একবার চারিদিকে চক্ষু ফিরাইয়া একটি বৃহৎ পত্রবহুল শালবৃক্ষ দেখিতে পাইলেন, বলিলেন— ‘চল্‌, ওই গাছে উঠে লুকিয়ে থাকি।’

    দুইজনে শালবৃক্ষের উচ্চ শাখায় উঠিয়া অদৃশ্য হইয়া গেলেন। ঘন পত্রের অন্তরাল হইতে তূণীরবর্মা দেখিতে লাগিলেন, সৈন্যদল বনের মধ্যে প্রবেশ করিল। বিচিত্র তাহাদের লৌহ শিরস্ত্রাণ, মুখমণ্ডল শ্মশ্রুমণ্ডিত। তিনি অস্ফুট স্বরে রেবাকে বলিলেন— ‘ম্লেচ্ছ সৈন্য!’

    সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে বনভূমি তমসাচ্ছন্ন হইল। ম্লেচ্ছ সৈন্যদল বনের মধ্যে রাত্রি যাপনের আয়োজন করিতেছে। কয়েক স্থানে আগুনের চুল্লী জ্বলিয়া উঠিল। যে বৃক্ষে তূণীরবর্মা রেবাকে লইয়া লুকাইয়া ছিলেন সেই বৃক্ষতলে একদল নিম্নতন সেনানী আগুন জ্বালিয়া আহার্য্যদ্রব্য সিদ্ধপক্ক করিতে লাগিল। তাহাদের শূলপক্ক মাংসের পোড়া গন্ধ তূণীরবর্মা নাকে আসিতেছে। তাহারা বাক্যালাপ করিতেছে; তাহাদের ভাষা অধিকাংশ দুর্বোধ্য, তূণীরবর্মা কান পাতিয়া শুনিতে শুনিতে যাহা বুঝিলেন তাহার মর্মার্থ এই : মালিক কাফুর নামক এক সেনাপতি এই ম্লেচ্ছ বাহিনীর অধিনায়ক; তাহারা দাক্ষিণাত্যে অভিযান করিয়াছে, কিন্তু নর্মদা নদী পার হইবার পূর্বে নর্মদার উত্তর তীরে যত হিন্দু রাজ্য আছে, সমস্ত বিধ্বস্ত করিয়া যাইবে, যাহাতে পশ্চাৎ হইতে শত্রু আক্রমণ করিতে না পারে।

    রাত্রি গভীর হইল। সৈন্যদল আহারাদি সম্পন্ন করিয়া ভূমিশয্যায় ঘুমাইয়া পড়িল, আগুন নিভিয়া গেল, বন আবার নিস্তব্ধ হইল। বৃক্ষশাখায় তূণীরবর্মা বৃক্ষের কাণ্ডে পৃষ্ঠার্পণ করিয়া নিঃশব্দে রেবাকে ক্রোড়ে তুলিয়া লইলেন। রেবা যদি ঘুমের ঘোরে বৃক্ষ হইতে পড়িয়া যায় কিংবা চিৎকার করিয়া ওঠে, তবেই সর্বনাশ।

    রাত্রি শেষ হইল। দুন্দুভি ও শিঙা বাজিয়া উঠিল। ম্লেচ্ছ সৈন্যদল ঘোড়ায় চড়িয়া পশ্চিমদিকে চলিয়া গেল।

    তূণীরবর্মা বৃক্ষ হইতে অবতরণ করিলেন। তাঁহার মুখে নিদ্রাহীন রাত্রির ক্লান্তিরেখা, কিন্তু আরক্ত নেত্রে চিন্তার আলোড়ন চলিতেছে। রেবা তাঁহার হাত ধরিয়া বনের ভিতর দিয়া পূর্বদিকে লইয়া চলিল। রেবার চক্ষু সতর্কভাবে চারিদিকে ফিরিতেছে, তূণীরবর্মা চিন্তায় আচ্ছন্ন। বন হইতে নির্গত হইয়া রেবা বলিয়া উঠিল— ‘কই, আমাদের ঘোড়া কোথায়?’

    তূণীরবর্মা চকিত হইয়া চারিদিকে চাহিলেন— ‘ঘোড়া নেই! বনের মধ্যেও নেই?’

    রেবা বলিল— ‘না! থাকলে দেখতে পেতাম।’

    তূণীরবর্মা মুখ কঠিন হইল, তিনি বলিলেন— ‘ম্লেচ্ছ তস্করগুলো চুরি করে নিয়ে গেছে।’

    কুটিরে ফিরিয়া তূণীরবর্মা উদর পূর্ণ করিয়া আহার করিলেন। তারপর নর্মদার তীরে গিয়া বসিলেন। রেবা তাঁহার সঙ্গে আসিয়া পাশে বসিল।

    নর্মদার স্রোত কলকল শব্দ করিয়া চলিয়াছে; যেদিকে তূণীরবর্মা মাতৃভূমি সেইদিকে চলিয়াছে। দেখিতে দেখিতে তূণীরবর্মা চক্ষু বাষ্পাকুল হইল, হৃদয়ে অসহ্য আবেগ উন্মথিত হইয়া উঠিল। তিনি আর বসিয়া থাকিতে পারিলেন না, উঠিয়া দাঁড়াইলেন, গভীর স্বরে বলিলেন— ‘রেবা!’

    রেবা তাঁহার মুখের ভাব লক্ষ্য করিতেছিল, শঙ্কিতকণ্ঠে বলিল— ‘কি?’

    তূণীরবর্মা বলিলেন— ‘আমি চললাম। মহেশগড়ে সংবাদ দিতে হবে, শত্রু আসছে।’

    রেবা কাঁদিয়া উঠিল— ‘তুমি চলে যাবে!’

    তূণীরবর্মা বলিলেন— ‘আমাকে যেতেই হবে। আমার শরীরের সমস্ত নাড়ি আমাকে টানছে, না গিয়ে উপায় নেই।’

    রেবা গলদশ্রুনেত্রে চাহিয়া বলিল— ‘কিন্তু তুমি যাবে কি করে? তোমার ঘোড়া নেই, শত্রু অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। তুমি কি ওদের আগে পৌঁছুতে পারবে?’

    ‘পারব।’ তূণীরবর্মা নদীর দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করিলেন— ‘ওই নদী আমাকে পৌঁছে দেবে। রেবা, কেঁদো না, যদি বেঁচে থাকি, আবার আমি তোমার কাছে ফিরে আসব।’

    তিনি রেবাকে একবার দৃঢ়ভাবে বুকে চাপিয়া লইলেন, তারপর তাহাকে ছাড়িয়া দিয়া হাসিমুখে জলে ঝাঁপাইয়া পড়িলেন।

    সেদিন সূর্যাস্ত কালে ম্লেচ্ছবাহিনী নর্মদার তীরে একটি অটবিতে আশ্রয় লইয়াছিল। তাহাদের মধ্যে কয়েকজন নদীতে জল আনিতে গিয়া দেখিল, স্রোতের মাঝখান দিয়া একটা মানুষ ভাসিয়া যাইতেছে। তাহারা নিরুৎসুক চক্ষে দেখিল, গ্রাহ্য করিল না। একটা কাফের যদি ডুবিয়া মরে, মন্দ কি?

    রাত্রি তৃতীয় প্রহরে মহেশগড় রাজপুরীর পশ্চাতে বাঁধানো ঘাটে একটি মানুষ জল হইতে বাহির হইয়া আসিল। চাঁদের আলোয় তাহার সিক্ত দেহ ঝিক্‌ঝিক্‌ করিয়া উঠিল। ঘাটে প্রহরী নাই, রাজপ্রাসাদ দ্বার বন্ধ করিয়া ঘুমাইতেছে।

    কিন্তু তূণীরবর্মা জানিতেন কী করিয়া রুদ্ধ প্রাসাদে প্রবেশ করা যায়; তিনি গুপ্ত পথে পুরীমধ্যে প্রবেশ করিলেন। তারপর যুবরাজ ইন্দ্রবর্মার মহলে গিয়া দ্বারে করাঘাত করিলেন— ‘দ্বার খোলো— দ্বার খেলো—’

    ইন্দ্রবর্মা নিদ্রাকষায় নেত্রে দ্বার খুলিয়া বাহিরে আসিলেন, তূণীরবর্মাকে দেখিয়া বলিলেন— ‘একি! তূণীর— তুমি!’

    তূণীরবর্মার দেহ এতক্ষণে অবশ হইয়া আসিতেছিল, তিনি বলিলেন— ‘শত্রু আসছে— ম্লেচ্ছ শত্রু মহেশগড় আক্রমণ করতে আসছে— তোমরা প্রস্তুত হও’— এই পর্যন্ত বলিয়া তিনি জ্ঞান হারাইয়া সহসা ভূমিতে লুটাইয়া পড়িলেন।

    সেবার মালিক কাফুরের সৈন্যদল মহেশগড় রাজ্য জয় করিতে পারে নাই।

    ২৮ জুলাই ১৯৬২

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ব্যোমকেশ সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }