Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক কাহিনী সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1544 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. কুন্তল রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে

    কুন্তল রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে সাধারণের উপভোগ্য নগরোদ্যান। উদ্যান ঘিরিয়া চক্রাকার রাজপথ, রাজপথের অপর পার্শ্বে সারি সারি অট্টালিকা, বিপণি, মদিরাগৃহ পতাকা ও তোরণমাল্যে ভূষিত হইয়া শোভা পাইতেছে।

    নগরোদ্যানের কেন্দ্রে একটি অতি সুদৃশ্য মর্মরনির্মিত কন্দর্প মন্দির; মন্দিরের দেয়াল নাই। কেবল চারিটি স্তম্ভ; তাই বাহির হইতে কন্দর্পদেবের ধনুর্ধর মূর্তি দেখা যাইতেছে। স্থানে স্থানে নাগরিকদের উপবেশনের জন্য প্রস্তরবেদিক আছে। উদ্যানের চারি প্রান্তে চারিটি প্রস্রবণ; উহার জল গো-মুখ হইতে নিঃসৃত হইয়া বৃহৎ শ্বেত জলাধারে পড়িতেছে। একঝাঁক পারাবত উদ্যানভূমিতে বসিয়া নির্ভয়ে উঞ্ছবৃত্তি করিতেছে। কুঞ্জের বিতানবাটিকায় নানা বর্ণের ফুল ফুটিয়া নব বসন্তের জয় ঘোষণা করিতেছে।

    আজ মদনোৎসব; তাহার উপর রাজকন্যার স্বয়ংকর। নগরের উত্তেজনা চতুর্গুণ বাড়িয়া গিয়াছে। নানা দিগ্‌দেশ হইতে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং রাজন্যবর্গের সমাগমে নগরী গম্‌গম্‌ করিতেছে।

    উদ্যান ও রাজপথের মধ্যবর্তী স্থানে অগণিত ফুলের দোকান বসিয়াছে। দারু নির্মিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকোষ্ঠ, চারিটি দণ্ডের উপর অবস্থিত; তাহার মধ্যে রাশীকৃত ফুল। ফুলের রাশির মধ্যে এক একটি যুবতী মালিনী বসিয়া আছে, তাম্বূলরঞ্জিত বিম্বাধরে হাসিয়া বিলাসী নাগরিকদের পুষ্পমালা পুষ্পের অঙ্গদ কুণ্ডল শিরোভূষণ বিক্রয় করিতেছে।

    পথে জনস্রোত আবর্তিত। মাঝে মাঝে উষ্ট্রের সারি বাণিজ্যদ্রব্য বহন করিয়া উত্তুণ্ড অবজ্ঞাভরে চলিয়াছে। দোলা চতুর্দোলারও অভাব নাই, সম্ভ্রান্ত পুরুষ ও মহিলাদের বহন করিয়া স্থান হইতে স্থানান্তরে যাতায়াত করিতেছে।

    সহসা এই পথের উপর ক্ষণকালের জন্য এক চাঞ্চল্যকর ব্যাপার ঘটিয়া গেল। প্রধান পথটি হইতে কয়েকটি শাখাপথ বাহির হইয়া গিয়াছিল; এইরূপ একটি পথ দিয়া প্রচণ্ড বেগে একটি উন্মত্ত অশ্ব বাহির হইয়া আসিল। অশ্বের পৃষ্টে একজন আরোহী অতি কষ্টে নিজেকে জুড়িয়া রাখিয়াছে। ক্ষিপ্ত অশ্ব দেখিয়া পথের জনতা সভয়ে চারিদিকে ছিট্‌কাইয়া পড়িল। একটি ফুলের দোকানের সম্মুখ পর্যন্ত আসিয়া অশ্ব দুই পায়ে দাঁড়াইয়া উঠিয়া গতিবেগ সংবরণ করিল, তারপর গতি পরিবর্তন করিয়া উগ্রবেগে অন্য একটা পথ দিয়া অদৃশ্য হইয়া গেল।

    অশ্ব ও অশ্বারোহী আমাদের পরিচিত। তাহারা অন্তর্হিত হইলে পথের কোলাহল ও উত্তেজনা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়া আসিল। যে ফুলের দোকানটিকে অশ্ববর প্রায় বিমর্দিত করিয়া গিয়াছিল, তাহার অধিষ্ঠাত্রী মালিনী এতক্ষণে ফুলের স্তূপ হইতে মাথা তুলিয়া চাহিল। দোকানের সম্মুখে তিনটি নাগরিক ছিলেন, ঘোটকের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে তাঁহারা কে কোথায় তিরোধান করিয়াছিলেন; এখন তাঁহাদের মধ্যে দুইজন দোকানের নিম্নদেশ হইতে গুড়ি মারিয়া বাহিরে আসিলেন। বেশভূষা কিছু অবিন্যস্ত হইয়া পড়িয়াছিল, তাহার সংস্কার করিতে করিতে ও জানুর ধূলা ঝাড়িতে ঝাড়িতে এক ব্যক্তি সশব্দে নিশ্বাস ত্যাগ করিলেন, বলিলেন— ‘বাবাঃ! রগ ঘেঁষে গেছে। আর একটু হলেই উচ্চৈঃশ্রবা বুকের ওপর পা চাপিয়ে দিয়েছিল আর কি।’

    দ্বিতীয় নাগরিক স্খলিত কর্ণভূষা আবার পরিধান করিতেছিলেন, বিরক্তিভরে বলিলেন— ‘অনেক রাজকুমারই তো স্বয়ংবরে এসেছে কিন্তু এমন বেপরোয়া ঘোড়সোয়ার দেখিনি। ভাগ্যে শ্রীমতীর দোকানের তলায় ঢুকেছিলাম, নইলে মুগুটি পিণ্ড করে দিয়ে চলে যেত।’

    দোকানের মালিনী এবার কথা কহিল, উৎসুকভাবে বলিল— ‘নিশ্চয় কোনো রাজকুমার! চিনতে পারলে না?’

    এতক্ষণে তৃতীয় নাগরিকটি, যেন কিছুই হয় নাই এমনিভাবে ফুলের পাখার বাতাস খাইতে খাইতে ফিরিয়া আসিলেন। মালিনীর প্রশ্নের উত্তর তিনিই দিলেন; অবজ্ঞায় ভ্রূ তুলিয়া আর দুইজনের প্রতি দৃক্‌পাত করিয়া বিদ্রূপপূর্ণ স্বরে বলিলেন— ‘চোখ চেয়ে থাকলে তো চিনতে পারবে! ঘোড়া দেখেই শ্রীমানদের পদ্মপলাশ নেত্র কমল কোরকের মত মুদিত হয়ে গিয়েছিল যে!’

    দ্বিতীয় নাগরিক বলিলেন— ‘আরে যাও যাও, তুমি তো দৌড় মেরেছিলে। সরু সরু এক জোড়া পা আছে কিনা—’

    মালিনী এই দেহতাত্ত্বিক আলোচনায় বাধা দিয়া তৃতীয় নাগরিককে জিজ্ঞাসা করিল— ‘তুমি চিনতে পেরেছ বুঝি?’

    তৃতীয় নাগরিক বলিলেন— ‘চেনা আর শক্ত কি? এক নজর দেখেই চিনেছি। মাথায় শিরস্ত্রাণটা দেখলে না!’

    মালিনী বলিল— ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, শিরস্ত্রণটা নতুন ধরনের— রোদ্দুরে ঝক্‌ঝ্ক্‌ করে উঠল—’

    তৃতীয় নাগরিক গম্ভীরভাবে বলিলেন— ‘আর্যাবর্তের দাক্ষিণাত্যের সমস্ত রাজার রাজকীয় লাঞ্ছন আমার নখদর্পণে। ইনি হচ্ছেন সৌরাষ্ট্রের যুবরাজ।’

    মালিনীর চক্ষু বিস্ফারিত হইল, সে বলিল— ‘নিশ্চয় স্বয়ংবর সভায় গেলেন। তাই এত তাড়া।’

    প্রথম নাগরিক হুঁ হুঁ করিয়া আনুনাসিক হাস্য করলেন— ‘যতই তেড়ে যান গুড়্‌গুড়্‌ করে ফিরে আসতে হবে। সে বড় কঠিন ঠাঁই, রাজকুমারীর প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারছে না।’

    তৃতীয় নাগরিকের নাসা অবজ্ঞায় স্ফুরিত হইল— ‘প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে বিদ্যা এবং বুদ্ধি দুই-ই দরকার— বুঝলে হে? অথচ যে-সব রাজা-রাজড়া রথি-মহারথ যাচ্ছেন, সত্যি কথা বলতে কি, তাদের কোনোটাই নেই।’

    দ্বীতীয় নাগরিক শ্লেষভরে বলিলেন— ‘কিন্তু তোমার তো দুই-ই আছে; তুমি গিয়ে সভায় ঢুকে পড় না। চণ্ডাল পামর কারুর তো যেতে মানা নেই।’

    তৃতীয় নাগরিক ঈষৎ রুষ্টমুখে চাহিলেন, তারপর সগর্ব মর্যাদার সহিত বলিলেন— ‘যাব। আগে রাজা-রাজড়াগুলো শেষ হয়ে যাক তারপর যাব।’

    দ্বিতীয় নাগরিক অট্টহাস্য করিয়া উঠিলেন। প্রথম নাগরিকের মুখে কিন্তু একটু বিমর্ষতার ছায়া পড়িল। তিনি বিষণ্ণ কণ্ঠে বলিলেন— ‘আমিও যেতাম। কিন্তু সদর দেউড়িতে যে দুটো আখাম্বা হাব্‌শী খোলা তলোয়ার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে—’

    রাজপ্রাসাদের সম্মুখস্থ তোরণ ও প্রতীহার ভূমি। অতি স্থূল তোরণস্তম্ভের গর্ভে প্রতীহারদের জন্য বিরাম-কক্ষ আছে। স্তম্ভের দুই পাশ হইতে কারুকার্য খচিত উচ্চ প্রাচীর প্রশস্ত প্রাসাদভূমিতে ঘিরিয়া রাখিয়াছে।

    দুইজন ভীমকান্তি হাব্‌শী মুক্ত কৃপাণ হস্তে তোরণ-সম্মুখে প্রহরা দিতেছে। তাহাদের পশ্চাতে প্রায় শত হস্ত দূরে রাজভবনের প্রথম মহল; তাহার পশ্চাতে অন্যান্য যে-সকল মহল আছে সম্মুখ হইতে সেগুলি দেখা যায় না।

    দুর রাজভবন হইতে নিষ্ক্রান্ত হইয়া একটি লোক তোরণের দিকে আসিতেছে দেখা গেল। লোকটি মহার্ঘ বেশভূষায় সজ্জিত, মস্তকে ধাতুময় শিরস্ত্রাণ। তাহার হাঁটিবার ভঙ্গি হইতে মনে হয় সে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হইয়াছে।

    তোরণের বাহিরে আসিয়া লোকটি ইতস্তত দৃষ্টিপাত করিয়া রুক্ষস্বরে বলিল— ‘নারীজাতি রসাতলে যাক। — আমার ঘোড়া কোথায়?’

    হাব্‌শীদ্বয় উত্তর দিল না, প্রস্তরমূর্তির ন্যায় দাঁড়াইয়া রহিল। এই সময় একটি অশ্বের বল্‌গা ধরিয়া একজন অশ্বপাল তোরণ হইতে বাহির হইয়া আসিল। পূর্বোক্ত ব্যক্তি বিনা বাক্যব্যয়ে অশ্বপুষ্ঠে লাফাইয়া উঠিয়া বায়ুবেগে ঘোড়া ছুটাইয়া অদৃশ্য হইলেন। অশ্বপাল মুচ্‌কি হাসিয়া স্বস্থানে প্রস্থান করিল, যাইবার সময় হাব্‌শীদের দিকে একবার চোখ টিপিয়া গেল।

    এইবার বোধকরি অশ্বক্ষুরশব্দে আকৃষ্ট হইয়া একটি প্রবীণ ব্যক্তি বাহির হইয়া আসিলেন। ক্ষৌরিত মস্তকে সুস্পষ্ট শিখা, কর্ণে শরের লেখনী, হস্তে তালপত্রের পুস্তিকা। ইনি রাজ্যের পুস্তপাল।

    পুস্তপাল মহাশয় বিলীয়মান অশ্বারোহীর দিকে একবার দৃক্‌পাত করিয়া নিরুৎসুক কণ্ঠে হাব্‌শীদের জিজ্ঞাসা করিলেন— ‘বিদর্ভরাজকুমার চলে গেলেন?’

    বিশদ হাস্যে হাব্‌শীদ্বয়ের সুকৃষ্ণ মুখমণ্ডল দ্বিধাবিভক্ত হইয়া গেল; তাহারা যুগপৎ মস্তক সঞ্চালন করিতে লাগিল। পুস্তপাল মহাশয় গম্ভীর মুখে কর্ণ হইতে লেখনী লইয়া পুস্তিকায় লিখিতে লিখিতে অস্ফুটম্বরে উচ্চারণ করিলেন— বিদর্ভকুমার— অর্থাৎ— ঊনপঞ্চাশৎ সংখ্যা—’

    অতঃপর আমরা কুন্তলকুমারী হৈমশ্রীর স্বয়ংবর সভায় প্রবেশ করিতে পারি।

    বৃহৎ সভাগৃহ। এত বৃহৎ যে পাঁচশত লোক অনায়াসে তাঁহাতে বসিতে পারে। গোলাকৃতি কক্ষ; প্রাচীর সাধারণ কক্ষ হইতে চতুর্গুণ উচ্চ। প্রাচীরের নিম্নভাগে নানাবিধ পৌরাণিক ঘটনার চিত্র অঙ্কিত রহিয়াছে; ঊর্ধ্বে ছাদের প্রায় নিকটে আলিসার মত প্রশস্ত মঞ্চ প্রাচীর বেষ্টন করিয়া আছে। তাহার উপর শূলধারী দুইজন হাব্‌শী রক্ষী ঘুরিয়া বেড়াইতেছে। চক্রাকারে পরিভ্রমণ করিতে করিতে পরস্পর সম্মুখীন হইবামাত্র তাহারা এক বিচিত্র অভিনয়ের অনুষ্ঠান করিতেছেঃ স্কন্ধ হইতে শূল নামাইয়া যেন পরস্পর আক্রমণ করিবার উপক্রম করিতেছে, তারপর উভয়ে উভয়কে মিত্র বলিয়া চিনিতে পারিয়া শূল স্কন্ধে তুলিয়া আবার বিপরীত মুখে পরিক্রমণ আরম্ভ করিতেছে। তাহাদের অভিনয় বস্তুত অহিংস হইলেও দেখিতে অতি ভয়ঙ্কর।

    সভাগৃহের মধ্যস্থলে মণিকুট্টিমের উপর একটি সুবৃহৎ চক্রাকার বেদী, ভূমি হইতে মাত্র এক ধাপ উচ্চ। মূলত ইহা রাজসভায় সিংহাসন রক্ষার জন্য পট্টবেদিকা; কিন্তু রাজসভা স্বয়ংবর সভায় রূপান্তরিত হওয়ায় সিংহাসন অন্তর্হিত হইয়াছে। এই বেদীর সম্মুখে অল্প দূরে আর একটি অর্ধচন্দ্রাকৃতি ক্ষুদ্র বেদিকা— ইহা রাজার সহিত ভাষণপ্রার্থী মান্য অতিথির জন্য নির্দিষ্ট। উপস্থিত এই বেদিকা শূন্য।

    কিন্তু প্রধান পট্টবেদিকাটি শূন্য নয়, বরঞ্চ কিছু অধিক পরিমাণেই পূর্ণ। প্রায় পঁচিশ-ত্রিশটি সুন্দরী সুবেশা তরুণী এই বেদীর উপর, পদ্মের উপর প্রজাপতির ন্যায় ইতস্তত সঞ্চরণ করিয়া বেড়াইতেছে। বেদীর স্থানে স্থানে স্বর্ণস্থালীতে মালা পুষ্প চন্দন শঙ্খ লাজ ইত্যাদি সজ্জিত রহিয়াছে। তরুণীরা কলকণ্ঠে গল্প করিতেছে, হাসিতেছে, তাম্বূল চর্বণ করিতেছে; কেহ বা বেদীর উপরে অর্ধশয়ান হইয়া অলস অঙ্গুলি সঞ্চালনে বীণার তন্ত্রীতে মৃদু আঘাত করিতেছে।

    বেদীর এক পাশে দীর্ঘ স্বর্ণদণ্ডের শীর্ষে দুইটি শুক পক্ষী চরণে শৃঙ্খল পরিয়া বসিয়া আছে। একটি তরুণী মৃণাল বাহু তুলিয়া তাহাদের ধানের শীষ খাওয়াইতেছেন। এই তরুণীর মুখাবয়ব পশ্চাৎ হইতে দেখা না গেলেও তাঁহার দেহের ও গ্রীবার মর্যাদাপূর্ণ ভঙ্গিমা হইতে অনুমান হয় যে ইনিই রাজকন্যা হৈমশ্রী।

    আর একটি যুবতী বেদীর কিনারায় বসিয়া গভীর মনঃসংযোগে কজ্জলমসী দিয়া ভূমির উপর আঁক কষিতেছে। অন্য কোনো দিকে তাহার দৃষ্টি নাই; মুখে উদ্বেগ ও শঙ্কা পরিস্ফুট। অবশেষে অঙ্ক শেষ করিয়া যুবতী হতাশাব্যঞ্জক মুখ তুলিল, হৃদয় ভারাক্রান্ত নিশ্বাস ছাড়িয়া বলিল— ‘ঊনপঞ্চাশ—’

    যুবতীর কণ্ঠস্বরে রাজকুমারী পক্ষীদণ্ডের দিক হইতে ফিরিলেন। এতক্ষণে তাঁহার মুখ দেখা গেল। এতগুলি সম্ভ্রান্ত কুলোদ্‌ভবা রূপসীর মধ্যে তিনিই যে প্রধানা তাহা তাঁহার মুখের প্রতি একবার দৃষ্টিপাত করিলে আর সন্দেহ থাকে না। অভিমান তীক্ষ্ণবুদ্ধি বৈদগ্ধ্য ও সৌকুমার্য মিশিয়া মুখে অপূর্ব লাবণ্য যেন ঝলমল করিতেছে।

    প্রিয়সখী চতুরিকার হতাশ মুখভঙ্গি দেখিয়া হৈমশ্রীও একটু বিষণ্ণ হাস্য করিলেন, তারপর অলসপদে তাহার কাছে গিয়া দাঁড়াইলেন। বলিলেন— ‘চতুরিকা, ঠিক জানিস ঊনপঞ্চাশটা? আমার তো মনে হচ্ছে, একশো ঊনপঞ্চাশ।’

    চতুরিকা আবার হিসাবের দিকে দৃষ্টি নামাইল, মনে মনে হিসাব পরীক্ষা করিল, তারপর বিমর্ষভাবে মাথা নাড়িল— ‘উঁহু ঊনপঞ্চাশ। এই যে হিসেব— তেরো জন রাজকুমার, সতেরোটি সামন্ত, চৌদ্দজন শ্রেষ্ঠিপুত্র, আর পাঁচটি নাগরিক। কত হল?’

    আরও কয়েকটি সখী চতুরিকার পিছনে আসিয়া দাঁড়াইয়াছিল, একজন চট্‌ করিয়া জবাব দিল— ‘সাতচল্লিশ।’

    দ্বিতীয়া সখী বলিল— ‘দূর মুখপুড়ি, তিপ্পান্ন!’

    রাজকুমারী হাসিলেন— ‘তোরা সবাই অঙ্কশাস্ত্রে বররুচি।’

    চতুরিকা সকৌতুকে ভ্রূভঙ্গি করিয়া রাজকন্যার পানে চোখ তুলিল— ‘শুধু তোমার বুঝি বরে রুচি নেই?’

    সকলে হাসিয়া উঠিল। হৈমশ্রীও হাসিতে হাসিতে চতুরিকার পাশে উপবেশন করিলেন। অন্য সকলে তাঁহাকে ঘিরিয়া বসিল। হৈমশ্রী মুখের একটি কৌতুক-করুণ ভঙ্গি করিয়া বলিলেন— ‘রুচি থেকেই বা লাভ কি বল্‌। ঊনপঞ্চাশ জনের একজনও তো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারল না।’

    চতুরিকা রাজকন্যার সবচেয়ে প্রিয় সখী, তাঁহার মনের অনেক খবর রাখে; সে মিটি মিটি হাসিয়া প্রশ্ন করিল— ‘আচ্ছা সত্যি বল পিয়সহি, এদের মধ্যে কেউ উত্তর দিতে পারলে তুমি সুখী হতে?’

    হৈমশ্রীও হাসিলেন— ‘যদি বলি হতুম।’

    চতুরিকা মাথা নাড়িয়া বলিল— ‘তাহলে আমি বিশ্বাস করতুম না। ওদের মধ্যে একজনকেও তোমার মনে ধরেনি।’

    সখীদের মধ্যে একজন কৌতুক-তরল কণ্ঠে বলিয়া উঠিল— ‘শুধু রামছাগলটিকে ছাড়া।’

    হাসির লহর উঠিল। একটি হতভাগ্য পাণিপ্রার্থীর ছাগ-সদৃশ দাড়ি লইয়া ইতিপূর্বে অনেক রঙ্গ রসিকতা হইয়া গিয়াছিল; রাজকুমারী একমুঠি ফুল ছুঁড়িয়া রহস্যকারিণীকে প্রহার করিলেন, বলিলেন— ‘রামছাগলটিকে মৃগশিরার ভারি মনে ধরেছে, ঘুরে-ফিরে কেবল তারই কথা। তোর জন্যে চেষ্টা করে দেখব নাকি? এখনো হয়তো খুঁজলে পাওয়া যাবে।’

    মৃগশিরা রাজকুমারীর নিক্ষিপ্ত ফুলগুলি কবরীতে গুঁজিতে গুঁজিতে বলিল— ‘তা মন্দ কি! আমি রাজী।’

    দ্বিতীয়া সখী বলিল— ‘রাজযোটক হবে— মৃগশিরা আর রামছাগল।’

    চতুরিকা একটু গম্ভীর হইল, বলিল— ‘ঠাট্টা নয়, ভারি আশ্চর্য কথা। এতগুলো বড় বড় লোক, একটা প্রশ্নের জবাব কেউ দিতে পারল না।’

    তৃতীয়া সখী বলিল— ‘যা বিদ্‌ঘুটে প্রশ্ন!’

    রাজকুমারী শান্ত কণ্ঠে বলিলেন— ‘প্রশ্ন বিদ্‌ঘুটে নয় মালবিকা, লোকগুলো বিদ্‌ঘুটে। ওদের যদি সহজবুদ্ধি থাকত তাহলে সহজেই উত্তর দিতে পারত।’

    একটি সখীর কৌতূহল দুর্নিবার হইয়া উঠিয়ছিল, সে রাজকন্যার কাছে ঘেঁষিয়া বসিয়া আবদারের সুরে বলিল— ‘বল না পিয়সহি, প্রথম প্রশ্নের উত্তর কি?’

    অন্য একজন তাহাকে সরাইয়া দিয়া বলিল— ‘না না, আমরা সকলে তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর শুনতে চাই— পৃথিবীতে সবচেয়ে মিষ্ট কী?’

    রাজকুমারী অলস হাসিয়া বলিলেন— ‘তোরাই বল্‌ না দেখি।’

    সকলে চিন্তান্বিত হইয়া পড়িল। একটি সরলা যুবতী উৎসাহভরে বলিল— ‘আমি বলব? রসাল! রসালের চেয়ে মিষ্টি পৃথিবীতে আর কিচ্ছু নেই।’

    মৃগশিরা মুখ তুলিল— ‘আমি বুঝেছি— আখ! ইক্ষুদণ্ড! আখের চেয়ে মিষ্টি আর কী আছে। আখ থেকেই তো যত সব মিষ্টি জিনিস তৈরি হয়।’

    বিদ্যুল্লতা আপত্তি তুলিল— ‘তাহলে মধু হবে না কেন? মধুই বা কি দোষ করেছে? হ্যাঁ পিয়সহি, মধু— না?’

    হৈমশ্রী হাসিয়া উঠিলেন— ‘দূর হ’ পেটুকের দল। কিন্তু আর তো পারা যায় না। মাথার উপর ঊনপঞ্চাশ পাবনের নৃত্য হয়ে গেল, আর কি সহ্য হবে!’

    তিনি ম্রিয়মাণ চক্ষে চতুরিকার পানে তাকাইলেন। বিদ্যুল্লতা সান্ত্বনার সুরে বলিল— ‘এরি মধ্যে হাঁপিয়ে পড়লে চলবে কেন। — এখনো সমস্ত দিন পড়ে রয়েছে।’

    হৈমশ্রী অধীরভাবে মাথা নাড়িলেন— ‘তা নয় বিদ্যুল্লতা। কিন্তু আর্যাবর্তের এত অধঃপতন হয়েছে! এক অশিক্ষিতা মেয়ের তিনটে সামান্য প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারছে না!’

    চতুরিকা মুখভঙ্গি করিল— ‘তুমি অশিক্ষিতা মেয়ে! বাব্বাঃ! চতুঃষষ্টি কলা শেষ করে বসে আছে!’

    বনজ্যোৎস্না রাজকুমারীকে আশ্বাস দিবার চেষ্টা করিল— ‘হতাশ হয়ে না পিয়সহি, এখনো অনেক আসবে। কেউ না কেউ ঠিক উত্তর দিয়ে ফেলবেই।’

    হৈমশ্রী বলিলেন— ‘উঠন্তি মূলো পত্তনেই চেনা যায়। যাঁরা আসবেন তাঁরা ওই রামছাগলের ভায়রাভাই। তার চেয়ে যদি আমার শুকসারীকে প্রশ্ন করতুম, ওরা ঠিক উত্তর দিতে পারত।’

    চতুরিকা বলিল— ‘তবে তাই কর, সব হাঙ্গামা চুকে যাক। ঘরের মেয়ে ঘরেই থাকবে, শ্বশুরবাড়ি যেতে হবে না। তাহলে মহারাজকে তাই বলি, কী বল?’ রাজকুমারী বিমনাভাবে মৃদু হাসিলেন।

    বাহিরে তোরণের প্রতীহার ভূমিতে কৃপাণধারী হাব্‌শীদ্বয় পূর্ববৎ দাঁড়াইয়া ছিল। অনেকক্ষণ কেহ আসে নাই। সহসা সম্মুখে চাহিয়া হাব্‌শীরা আরো সতর্ক হইয়া দাঁড়াইল।

    যাহাকে দেখিয়া হাব্‌শীরা সতর্ক হইয়াছিল সে আর কেহ নয়, আমাদের অশ্বারূঢ় কালিদাস। নগরের বহু স্থান ঘুরিয়া উন্মত্ত ঘোটক অবশেষে রাজপ্রাসাদের দিকে উল্কার বেগে ছুটিয়া আসিতেছে। কালিদাস ঘোড়ার কেশর। ধরিয়া কোনো মতে টিকিয়া আছেন।

    ঝড়ের মত ঘোড়া হাব্‌শীদ্বয়ের সম্মুখে আসিয়া পড়িল। হাব্‌শীরাও প্রস্তুত ছিল, ডালকুত্তার মত লাফ দিয়া দুই দিক হইতে ঘোড়ার বল্‌গা চাপিয়া ধরিল। হাব্‌শীদের কালো দেহে অসুরের শক্তি; ঘোড়া আর অধিক আস্ফালন করিতে পারিল না, শান্ত হইয়া দাঁড়াইল। কালিদাস আমনি পিছ্‌লাইয়া ঘোড়ার ঘর্মাক্ত পৃষ্ঠ হইতে নামিয়া পড়িলেন।

    দীর্ঘকাল একটা উদ্দাম অসংযত ঘোড়ার পিঠে মরি-বাঁচি ভাবে আঁকড়াইয়া থাকিবার পর কালিদাসের মানসিক ক্রিয়াকলাপ প্রায় লুপ্ত হইয়া গিয়াছিল, তিনি কেবল ফ্যাল ফ্যাল করিয়া তাকাইতে লাগিলেন। অশ্বপাল আসিয়া অশ্বটিকে লইয়া গেল। পুস্তপাল মহাশয় ব্যস্তসমস্তভাবে প্রকোষ্ঠ হইতে বাহির হইয়া আসিলেন, কালিদাসকে দেখিয়া সসম্ভ্রমে অভ্যর্থনা করিলেন— ‘আসুন আসুন কুমার—’

    কালিদাস থাতমত খাইয়া বলিলেন— ‘আমি— আমি—’

    পুস্তপাল বলিলেন— ‘পরিচয় দিতে হবে না সৌরাষ্ট্রকুমার, আপনার শিরস্ত্রাণ কে না চেনে? আসতে আজ্ঞা হোক— এই দিকে— এই দিকে— মহামন্ত্রী প্রতীক্ষা করছেন—’

    পুস্তপাল আমন্ত্রণের ভঙ্গিতে দুই হস্ত ভিতরের দিকে প্রসারিত করিলেন। হতবুদ্ধি অবস্থায় কালিদাস পুস্তপালের সঙ্গে রাজতোরণ-মধ্যে প্রবেশ করিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ব্যোমকেশ সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }