Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক কাহিনী সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1544 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. কালিদাসকে সংবর্ধনা

    রাজপুরীর প্রথম ভবনে মহামন্ত্রী যুক্তকরে কালিদাসকে সংবর্ধনা করিলেন। শীর্ণকায় তীক্ষ্ণচক্ষু বৃদ্ধ মহা আড়ম্বরে সম্ভাষণ আরম্ভ করিলেন— ‘স্বাগতম্‌— শুভাগতম্‌। অষ্টোত্তর শ্রীযুক্ত পরমভট্টারক পরমভাগবত সৌরাষ্ট্রকুমারের জয় হৌক। আসুন মহাভাগ— আপনার পদদ্বন্দ্ব স্পর্শে—’

    কালিদাস সম্মোহিতভাবে শুনিতে শুনিতে এতক্ষণে কেবল ‘পদ’ শব্দটি বুঝিতে পারিলেন। কিন্তু ‘পদদ্বন্দ্ব’ কী বস্তু? তিনি ত্রস্তভাবে নিজের পায়ের দিকে চক্ষু নামাইলেন— ‘পদদ্বন্দ্ব!’

    মহামন্ত্রী স্মিতমুখে বলিলেন— ‘পদযুগল।’

    কালিদাস তথাপি বিভ্রান্ত। বলিলেন— ‘পদযুগল!’

    মহামন্ত্রী সপ্রশংস মুখে একটু হাস্য করিলেন— ‘কুমার দেখছি পরিহাস-প্রিয়। পদদ্বন্দ্ব অর্থাৎ পদযুগল— অর্থাৎ দু’টি পা—।’

    কালিদাসের মুখের মেঘ কাটিয়া গেল— ‘ওঃ! দ্বন্দ্ব মানে দু’টি! তাই পদদ্বন্দ্ব বললেন!’

    মহামন্ত্রী আসিয়া কালিদাসের বাহু ধরিলেন। রসিক ও কৌতুকী রাজপুত্র এ জগতে বড়ই বিরল। বৃদ্ধ স্মিতহাস্যে বলিলেন— ‘বৃদ্ধের সঙ্গে পরিহাস করবেন না কুমার, রসালাপের যোগ্যতর স্থান কাছেই আছে। আসুন, আপনাকে রাজকন্যার কাছে নিয়ে যাই—’

    স্বয়ংবর সভায় বহুক্ষণ কোনো পাণিপ্রার্থীর শুভাগমন হয় নাই; এই অবকাশে সখীদের মধ্যে রঙ্গরস জমিয়া উঠিয়াছিল। রাজকুমারী একটি সখীর পৃষ্ঠে পৃষ্ঠভার অর্পণ করিয়া অলস ভঙ্গিতে বসিয়া ছিলেন; বিদ্যুল্লতা দুইটি ময়ূরপুচ্ছ হাতে লইয়া রাজকুমারীকে ঘিরিয়া ঘিরিয়া নৃত্য করিতেছে এবং অনুচ্চ জনান্তিক স্বরে গান গাহিতেছে। তাহার গানের কথাগুলিতে যে মৃদু রতিরস আছে হৈমশ্রী তাহা উপভোগ করিতেছেন। সখীরা কেহ মুখ টিপিয়া হাসিতেছে, কেহ বা ব্যক্তভাবেই কুন্দদন্ত বিকশিত করিয়া আছে। একটি সখীর অঙ্গুলির মৃদু আঘাতে ভূমিশয়ান বীণার তন্ত্রী হইতে মুগ্ধ মূর্ছনা গুঞ্জিত হইয়া উঠিতেছে।

    সহসা বাধা পড়িল। কয়েকটি সখী দূরে মহামন্ত্রীকে আসিতে দেখিয়া বিদ্যুল্লতার দিকে উৎকণ্ঠ হইয়া সমস্বরে শীৎকার করিয়া উঠিল— ‘স্‌স্‌স্—!’

    বিদ্যুল্লতা ঘাড় ফিরাইয়া একবার দ্বারের দিকে ত্রস্ত দৃষ্টিপাত করিয়াই থপ্‌ করিয়া বসিয়া পড়িল। হৈমশ্রী ঈষৎ চকিতভাবে দ্বারের পানে আয়ত চক্ষু ফিরাইলেন।

    প্রধান দ্বারপথে মহামন্ত্রী কালিদাসকে সঙ্গে লইয়া অগ্রসর হইয়া আসিতেছেন। কালিদাসের চোখেমুখে অকুণ্ঠ বিস্ময়; মাঝে মাঝে কোনো একটি সুন্দর কারুকার্য দেখিয়া তাঁহার মন্থর গতি রুদ্ধ হইয়া যাইতেছে; মহামন্ত্রী তাঁহার বাহু স্পর্শ করিয়া আবার তাঁহাকে সম্মুখে পরিচালিত করিতেছেন।

    উভয়ে দ্বিতীয় বেদীর উপর আসিয়া দাঁড়াইলেন। কালিদাস সম্মুখস্থ যুবতিযূথের প্রতি সুস্মিত বিস্ময়ে চাহিয়া রহিলেন।

    সখীরাও ইতিমধ্যে উঠিয়া দাঁড়াইয়াছিল এবং সহস্রচক্ষু লইয়া এই মুকুটধারী পরম সুন্দর যুবাপুরুষকে নিরীক্ষণ করিতেছিল। রাজকুমারী একবার চক্ষু তুলিয়া আবার চক্ষু নত করিয়াছিলেন; তাঁহার মুখের নিরুৎসুক ঔদাসীন্য অনেকটা কাটিয়া গিয়াছিল। বলা বাহুল্য, এমন কান্তিমান পাণিপ্রার্থী ইতিপূর্বে স্বয়ংবর সভায় পদার্পণ করেন নাই।

    মহামন্ত্রী মহাশয় একবার গলা ঝাড়া দিয়া দক্ষিণ হস্তখানি অভয়মুদ্রার ভঙ্গিতে তুলিলেন— ‘স্বস্তি। — পরমভট্টারক শ্রীমান সৌরাষ্ট্রকুমার রাজকুমারীর প্রশ্নের উত্তর দিতে এসেছেন। শুভমস্তু।’

    রাজকুমারী দুই করতল যুক্ত করিয়া বুক পর্যন্ত তুলিলেন; চোখ দু’টি ঈষৎ উঠিয়া আবার নত হইল। বাহিরে কিছু প্রকাশ না পাইলেও তিনি যেন অন্তরে অন্তরে বিচলিত হইয়া উঠিয়াছেন, জোয়ারের জলস্পর্শে ঘাটে বাঁধা তরণীর মত।

    এদিকে মহামন্ত্রী কালিদাসকে চক্ষু দ্বারা ইশারা করিতেছেন মাথা হইতে শিরস্ত্রাণটি খুলিয়া ফেলিতে; কিন্তু কালিদাস ইঙ্গিতটা ঠিক ধরিতে পারিতেছেন না। মহামন্ত্রী তখন তাঁহার কানের কাছে মুখ লইয়া গিয়া মৃদুস্বরে কথা বলিলেন; কালিদাস তাড়াতাড়ি শিরস্ত্রাণ খুলিয়া ফেলিলেন। কিন্তু ওটা রাখিবেন কোথায়? এদিক ওদিক স্থান না পাইয়া শেষে মহামন্ত্রীর হাতে ওটা ধরাইয়া দিয়া সহাস্য মুখে রাজকুমারীর দিকে ফিরিলেন।

    কালিদাসের শিরস্ত্রাণ-মুক্ত মুখমণ্ডল দেখিয়া যুবতীদের মুণ্ড ঘুরিয়া গেল। তাহারা নিশ্বাস সংবরণ করিয়া দেখিতে লাগিল; এক ঝাঁক খঞ্জন যেন কোন্‌ মায়াবীর মন্ত্রকুহকে স্থির চলৎশক্তিহীন হইয়া গিয়াছে। শেষে মৃগশিরা আর থাকিতে না পারিয়া পাশের সখীর কানে কানে বলিল— ‘কী চমৎকার চেহারা ভাই, যেন সাক্ষাৎ কন্দর্প। এমন আর কখনো দেখেছিস!’

    আশেপাশের দুই তিনজন চাপা গলায় বলিয়া উঠিল— ‘স্‌স্‌স্—!’

    চতুরিকা রাজকুমারীর মনের ভাব বুঝিয়াছিল, সে তাঁহার কানের কাছে মুখ লইয়া গিয়া হ্রস্বকণ্ঠে বলিল— ‘মহেশ্বরের কাছে মানত করো এবার যেন না ফস্কায়।’

    রাজকুমারী মুখ টিপিয়া হাসিলেন, আঙুল দিয়া ঠেলিয়া চতুরিকাকে পাশে সরাইয়া দিলেন। চতুরিকা বড় প্রগল্‌ভা।

    প্রশ্ন করিতে বিলম্ব হইতেছে। সৌরাষ্ট্রকুমারকে কতক্ষণ দাঁড় করাইয়া রাখা যায়! মহামন্ত্রী আর একবার গলা ঝাড়া দিয়া বলিলেন— ‘কুমারি, কুমার-ভট্টারক নিজের ভাগ্য পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন, এবার আপনার প্রশ্ন করুন।’

    রাজকুমারী মুখ তুলিলেন। কালিদাসের সঙ্গে তিনি ঠিক মুখোমুখিভাবে দাঁড়াইয়া ছিলেন না। একটু পাশ ফিরিয়া ছিলেন। এখন মনোরম গ্রীবাভঙ্গি সহকারে তিনি একবার কালিদাসের দিকে মুখ ফিরাইলেন, তারপর আবার সম্মুখ দিকে চাহিয়া অনুচ্চ স্পষ্ট স্বরে বলিলেন— ‘প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে— জগতে সবচেয়ে শক্তিমান কী?’

    সখীরা এতক্ষণ একদৃষ্টে রাজকুমারীর পানে চাহিয়া ছিল, এখন যন্ত্র-নিয়ন্ত্রিতবৎ একসঙ্গে কালিদাসের পানে মুণ্ড ফিরাইল।

    কালিদাস কিন্তু ইত্যবসরে অন্যমনস্ক হইয়া পড়িয়াছেন; চারিদিকে এত মহার্ঘ বৈচিত্র্য ছড়ানো রহিয়াছে যে চক্ষু বিভ্রান্ত হইলে দোষ দেওয়া যায় না। তিনি রাজকুমারীর প্রশ্ন করার ব্যাপারটা ভালরূপ অনুধাবন করিয়াছিলেন কিনা তাহাতেও সন্দেহ আছে। মহামন্ত্রী তাঁহার ভাব দেখিয়া মনে করিলেন ইহা সৌরাষ্ট্রদেশীয় রসিকতার একটা অঙ্গ। তিনি সসম্ভ্রমে প্রশ্নের পুনরুক্তি করিয়া কালিদাসের মনোযোগ আকর্ষণ করিলেন— ‘কুমারী প্রশ্ন করেছেন, জগতে সবচেয়ে শক্তিমান কী?’

    কালিদাসের চক্ষুযুগল এই সময় বিস্ময়-বিমুগ্ধভাবে ঊর্ধ্বে উঠিতেছিল, হঠাৎ তাঁহার মুখে ভয়ের ছায়া পড়িল। ত্রাস-বিস্ফারিত নেত্র ঊর্ধ্বে রাখিয়া তিনি একটি বাহু পাশের দিকে বাড়াইয়া বৃদ্ধ মন্ত্রীর কণ্ঠ জড়াইয়া ধরিলেন। তারপর বিনা বাক্যব্যয়ে তাঁহাকে দুই হস্তে জাপ্টাইয়া ধরিয়া আলিসার পানে তাকাইতে লাগিলেন।

    ঊর্ধ্বে আলিসার উপর যে হাব্‌শী রক্ষীযুগলের ভয়ঙ্কর যুদ্ধাভিনয় আরম্ভ হইয়াছিল এবং তাহা দেখিয়াই যে কালিদাসের ঈদৃশ অবস্থান্তর ঘটিয়াছে তাহা কেহ বুঝিতে পারিল না। বৃদ্ধ মহামন্ত্রী উত্ত্যক্ত হইয়া ভাবিলেন, সৌরাষ্ট্র দেশের রাজকীয় রসিকতা ক্রমশ চরমে উঠিতেছে। গলা ছাড়াইবার চেষ্টা করিতে করিতে তিনি বলিলেন— ‘প্রশ্নের উত্তর দিন কুমার।’

    ব্যাপার বেশিদূর গড়াইতে পারিল না; হাবশী যুগল ইত্যবসরে দ্বন্দ্বাভিনয় শেষ করিয়া আবার শান্তভাবে বিপরীত মুখে চলিতে আরম্ভ করিয়াছিল। কালিদাস কতকটা আশ্বস্ত হইয়া মন্ত্রীকে ছাড়িয়া দিলেন। ক্ষুব্ধ মন্ত্রী কণ্ঠের ঘাম মুছিতে মুছিতে পুনশ্চ বলিলেন— ‘এইবার প্রশ্নের উত্তর!’

    কিন্তু কালিদাস বাঙ্‌নিষ্পত্তি করিবার পূর্বেই রাজকুমারী কথা কহিলেন, বীণার ঝঙ্কারের ন্যায় ঈষৎ কম্পিত কণ্ঠে বলিলেন— ‘প্রথম প্রশ্নের যথার্থ উত্তর পেয়েছি।’

    সকলে অবাক। উত্তেজিত সখীর দল রাজকুমারীকে ভাল করিয়া ঘিরিয়া ধরিল। চতুরিকা বলিয়া উঠিল— ‘অ্যাঁ— কী উত্তর পেলে!’

    কুমারীর গণ্ডদু’টি ঈষৎ অরুণাভ হইল। তিনি ঈষৎ গ্রীবা বাঁকাইয়া স্পষ্ট অথচ সংবৃতকণ্ঠে বলিলেন— ‘প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে— ভয়। কুমার অভিনয়ের দ্বারা যথার্থ উত্তর দিয়েছেন।’

    সখীর দল সশব্দে নিশ্বাস ছাড়িয়া কালিদাসের দিকে ফিরিল।

    কালিদাস মন্ত্রীর পানে চাহিয়া একটু বিহ্বলভাবে হাসিতেছেন, কোন্‌ দিক দিয়া কী হইয়া গেল ধারণা করিতে পারিতেছেন না। মন্ত্রীও কতকটা বোকা বনিয়া গিয়া ঘাড় চুলকাইতে লাগিলেন।

    রাজকুমারী কথা কহিলেন। তাঁহার মুখচ্ছবিতে একটু উদ্বেগ দেখা দিয়াছে; কি জানি কুমার দ্বিতীয় প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পরিবেন কিনা। কিন্তু তাঁহার কণ্ঠস্বর তেমনি সংযত এবং আবেশহীন হইয়া রহিল। তিনি বলিলেন— ‘এবার দ্বিতীয় প্রশ্ন— দ্বন্দ্ব হয় কাদের মধ্যে?’

    প্রশ্ন করিয়াই রাজকুমারী কালিদাসের পানে একটি উৎকণ্ঠা-মিশ্র দৃষ্টি প্রেরণ করিলেন।

    কালিদাস এবার প্রস্তুত ছিলেন; প্রশ্ন শুনিয়া তাঁহার মুখ হর্ষোৎফুল্ল হইয়া উঠিল। তিনি মন্ত্রীর পানে কৌতুক-কটাক্ষপাত করিয়া তর্জনী তুলিলেন, যেন ইঙ্গিতে বলিতে চাহিলেন যে এ প্রশ্নের সমাধান তো পূর্বেই হইয়া গিয়াছে। তারপর বিজয়দীপ্ত চক্ষে রাজকুমারীর দিকে চাহিয়া দুইটি অঙ্গুলি ঊর্ধ্বে তুলিয়া বলিলেন— ‘দ্বন্দ্ব— দুই।’

    রাজকুমারীর চক্ষে চকিত আনন্দ খেলিয়া গেল, তিনি রুদ্ধ নিশ্বাস মোচন করিলেন। চতুরিকা উত্তেজনা-বিকৃত কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করিল— ‘কি হল— ঠিক হয়েছে?’

    রাজকুমারী ক্ষণেক নীরব থাকিয়া বোধ করি নিজের উদ্‌গত হৃদয়বৃত্তি সংবরণ করিয়া লইলেন, তারপর ধীর স্বরে কহিলেন— ‘কুমার দ্বিতীয় প্রশ্নের যথার্থ উত্তর দিয়েছেন— দ্বন্দ্ব হয় দুই-এর মধ্যে।’

    সভাকক্ষের ভিতর দিয়া উত্তেজনার একটা ঝড় বহিয়া গেল। সখীরা প্রায় সকলেই একসঙ্গে কলকূজন করিয়া উঠিয়া তৎক্ষণাৎ ‘স্‌স্‌স্‌’ শব্দের শাসনে নীরব হইল। উত্তেজনায় মৃগশিরা ঘন ঘন নিশ্বাস ফেলিতে লাগিল; বনজ্যোৎস্না ভূলুণ্ঠিত বীণাটার উপর পা চাপাইয়া দিয়া তাহার মর্মতন্তু হইতে যন্ত্রণার কাকুতি বাহির করিল; বিদ্যুল্লতার নীবিবন্ধ খুলিয়া খসিয়া পড়িবার উপক্রম করিতেছিল, হঠাৎ সেইদিকে মনোযোগ আকৃষ্ট হওয়ায় সে ব্যাকুলভাবে বস্ত্র সংবরণ করিয়া সকলের পিছনে লুকাইল। রাজকুমারী সকলের মধ্যে দাঁড়াইয়া নীহারশুভ্র উত্তরীয়টি ভাল করিয়া অঙ্গে জড়াইয়া লইলেন।

    বুড়া মন্ত্রীর গায়েও বোধহয় উত্তেজনার ছোঁয়াচ লাগিয়াছিল, তিনি দুই হস্ত সহর্ষে ঘর্ষণ করিতে করিতে বলিলেন— ‘ধন্য কুমার! ধন্য কুমার। আপনি দু’টি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর দিয়েছেন। এবার শেষ প্রশ্ন। মাত্র একটি প্রশ্ন বাকি।’

    এই সব উত্তেজনা উদ্দীপনার মধ্যে কালিদাস কিন্তু অত্যন্ত নির্লিপ্তভাবে একদিকে তাকাইয়া দেখিতেছিলেন; স্বর্ণদণ্ডের উপর পাখি দু’টি তাঁহার সকৌতুক মনোযোগ আকর্ষণ করিয়া লাইয়াছিল। তাই রাজকুমারী যখন তৃতীয় প্রশ্ন উচ্চারণ করিলেন তাহা কালিদাসের কানে গোল কিনা সন্দেহ।

    যিনি প্রশ্নের উত্তর দিবেন তাঁহার কোনো উৎকণ্ঠা নাই, কিন্তু রাজকুমারীর গলা শুকাইয়া গিয়াছিল, বুকের ভিতর হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ঠিক স্বাভাবিকভাবে চলিতেছিল না। কিন্তু বাহিরে কিছু প্রকাশ করা চলিবে না। কুমার যদি শেষ প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারেন অথচ কুমারীর মনের পক্ষপাত প্রকাশ হইয়া পড়ে, তবে সে বড় লজ্জার কথা হইবে। তিনি যথাসম্ভব স্থির স্বরে কথা বলিলেন, তবু গলা একটু কাঁপিয়া গেল— ‘শেষ প্রশ্ন— পৃথিবীতে সবচেয়ে মিষ্ট কি?’

    যুবতিবৃন্দ যুগপৎ কালিদাসের পানে চক্ষু ফিরাইল।

    কালিদাস ফিক্‌ করিয়া হাসিলেন। কিন্তু তাঁহার মুখে কথা নাই, চক্ষু শুক-মিথুনের উপর নিবদ্ধ। রাজকুমারী ঈষৎ বিস্ময়ে চক্ষু ফিরাইয়া দেখিলেন কালিদাস অন্য দিকে তাকাইয়া আছেন; তাঁহার মুখে ক্ষণিক ক্ষোভের ছায়া পড়িল। পরক্ষণেই কালিদাস সম্মুখে অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া বলিয়া উঠিলেন— ‘ঐ দ্যাখো— ঐ দ্যাখো—’

    সকলে একসঙ্গে তাঁহার অঙ্গুলিসঙ্কেত অনুসরণ করিয়া তাকাইলেন। ব্যাপার এমন কিছু গুরুতর নয়, দণ্ডের উপর বসিয়া শুক-দম্পতি অর্ধমুদিতনেত্রে পরস্পর চঞ্চুচুম্বন করিতেছে; তাহাদের কণ্ঠ হইতে গদ্‌গদ কূজন নির্গত হইতেছে। যিনি ভবিষ্যকালে লিখিবেন— ‘মধু দ্বিরেফঃ কুসুমৈকপাত্রে পপৌ প্রিয়াং স্বামনুবর্তমানঃ—’ তিনি এই দেখিয়াই বিহ্বল আত্মবিস্মৃত।

    রাজকুমারীর চক্ষে কিন্তু আনন্দের বিজলী খেলিয়া গেল; তিনি কালিদাসের পানে সভ্রূভঙ্গ একটি কটাক্ষ নিক্ষেপ করিয়া সলজ্জ রক্তিম মুখখানি নত করিয়া ফেলিলেন।

    কালিদাস হাসিতে হাসিতে রাজকুমারীর দিকে ফিরিলেন, চমকিত হইয়া দেখিলেন তিনি ধীরে ধীরে নতজানু হইতেছেন। যুক্তকরে শির অবনমিত করিয়া কুমারী অর্ধস্ফুট স্বরে বলিলেন— ‘আর্যপুত্র শেষ প্রশ্নের যথার্থ উত্তর দিয়েছেন। পৃথিবীতে সবচেয়ে মিষ্ট— প্রণয়।’

    ক্ষণকালের বিস্ময় বিমূঢ়তা কাটিয়া যেন শত ছিন্ন হইয়া গেল। সখীরা আর সম্ভ্রম শালীনতার শাসন মানিল না। চিৎকার হুড়াহুড়ি অঞ্চল-উত্তরীয়ের উৎক্ষেপে তাহাদের প্রমত্ত উল্লাস একেবারে বাহ্যজ্ঞান শূন্য হইয়া পড়িল। রাজকুমারী উঠিয়া দাঁড়াইতে চার পাঁচজন ছুটিয়া গিয়া তাঁহাকে একসঙ্গে জড়াইয়া ধরিল। কয়েক জন মুঠি মুঠি লাজ লইয়া সকলের মাথার উপর বৃষ্টি করিতে লাগিল। একজন ঘন ঘন শঙ্খ বাজাইয়া তুমুল শব্দ-তরঙ্গের সৃষ্টি করিল। যাহারা অবশিষ্ট রহিল, তাহাদের মধ্যে কেহ কেহ পরস্পর হাত ধরিয়া ঘুরিয়া ঘুরিয়া নাচিতে লাগিল; অন্য কয়জন পরস্পর আঁচল টানিয়া, কবরী খুলিয়া দিয়া কপট কলহে হৃদয়াবেগ লাঘব করিতে প্রবৃত্ত হইল।

    মহামন্ত্রী কালিদাসের দুই হাত চাপিয়া ধরিয়া গদ্‌গদ কণ্ঠে বলিলেন— ‘ধন্য কুমার! ধন্য আপনার কূটবুদ্ধি! আমি মহারাজকে সুসংবাদ দিতে চললাম।’ বলিয়া তিনি দ্রুতপদে সভা হইতে নিষ্ক্রান্ত হইয়া গেলেন।

    বিশ্রস্তকুন্তলা চতুরিকা বেদীর কিনারায় ঊর্ধ্বমুখী হইয়া দাঁড়াইয়া দুই হাত নাড়িয়া উপরিস্থিত হাব্‌শী রক্ষীকে ইশারা করিতেছিল, মুখের কাছে সম্পুটিত করপল্লব যুক্ত করিয়া জানাইতেছিল— শিঙা বাজাও, বিষাণ বাজাও, নগরীতে সংবাদ দাও রাজকন্যা পতিবরণ করিয়াছেন।

    দেখিতে দেখিতে নগরময় রাষ্ট্র হইয়া গেল, রাজকন্যা পতিবরণ করিয়াছেন। নগরোদ্যানে আনন্দ-বিহ্বল নাগরিকেরা ছুটিয়া আসিয়া সমবেত হইল; নৃত্যগীত আরম্ভ হইয়া গেল, যেন সকলের গৃহেই আজ পরমোৎসব। —

    নগরোদ্যান বেষ্টনকারী পথের উপর দিয়া এক সুসজ্জিত হস্তী চলিয়াছে; চারিদিকে বিপুল জনতা। হস্তীপৃষ্ঠে আসীন ঘোষক চিৎকার করিয়া দুই বাহু আস্ফালন করিয়া বোধ করি রাজকুমারীর স্বয়ংবর সংক্রান্ত কোনো রাজকীয় বার্তা ঘোষণা করিতেছে, কিন্তু জনতার কলকোলাহলে কিছুই শোনা যাইতেছে না। ঘোষকের পশ্চাতে বসিয়া দ্বিতীয় এক পুরুষ মুঠি মুঠি স্বর্ণমুদ্র চারিদিকে ছড়াইতেছে। নিম্নে সোনা কুড়াইবার হুড়াহুড়ি মারামারি।

    ক্রমে রাত্রি হইল। রাজপুরীর পূজামন্দিরে অগ্নি সাক্ষী করিয়া কুমারী হৈমশ্রীর সহিত কালিদাসের বিবাহ হইল।

    রাত্রি গভীর হইতেছে। আকাশে পূর্ণচন্দ্র, দীপান্বিতা নগরী। সৌধে সৌধে আলোকমালা; গীতবাদ্যে, সুগন্ধি অগুরু-ধূমে বাতাস আমোদিত। সর্বাঙ্গে দীপালঙ্কার পরিয়া রাজপুরী সখিপরিবৃতা প্রধান নায়িকার ন্যায় শোভা পাইতেছে। রাত্রি যত বাড়িতেছে উৎসাহ উত্তেজনা ততই মন্থর রসঘন হইয়া আসিতেছে, নায়ক নায়িকার নিভৃত মিলনের আর বিলম্ব নাই।

    নগরীর এক মদিরাগৃহের সম্মুখে একদল মশালহস্ত উৎসবকারী সৌরাষ্ট্রের প্রকৃত যুবরাজকে ঘিরিয়া ধরিয়াছিল এবং প্রমত্ত রঙ্গ-কৌতুকের অঙ্কুশে বিঁধিয়া তাঁহাকে প্রায় পাগল করিয়া তুলিয়াছিল। মকরবর্মা দীর্ঘ বনপথ পদব্রজে অতিক্রম করিয়া সবেমাত্র নগরে আসিয়া পৌঁছিয়াছেন; অঙ্গের বসন ছিন্ন কর্দমাক্ত, জঠরে জ্বলন্ত ক্ষুধা— তাঁহার মানসিক অবস্থা সহজেই অনুমেয়। সর্বাপেক্ষা পরিতাপের বিষয় এই যে কেহই তাঁহাকে সৌরাষ্ট্রের যুবরাজ মকরবর্মা বলিয়া বিশ্বাস করিতেছে না।

    মকরবর্মা উত্তপ্ত কণ্ঠে বলিলেন— ‘আমি বলছি আমিই সৌরাষ্ট্রের যুবরাজ।’

    এক ব্যক্তি মুখে চট্‌কার শব্দ করিয়া বলিল— ‘তা তো অনেকক্ষণ থেকেই বলছি, আমরাও শুনে আসছি। কিন্তু তার প্রমাণ কই বাছাধন।’

    মকরবর্মা অধিকতর ক্রুদ্ধ হইয়া উঠিতে লাগিলেন, উদ্ধত স্বরে কহিলেন— ‘প্রমাণ! প্রমাণ আবার কি? দেখতে পাচ্ছ না আমি যুবরাজ?’ বলিয়া তিনি বুক ফুলাইয়া গর্বিত ভঙ্গিতে দাঁড়াইলেন। সকলে হাসিয়া উঠিল। হাসি থামিলে একজন সান্ত্বনার স্বরে বলিল— ‘আচ্ছা আচ্ছা, তুমিই সৌরাষ্ট্রের যুবরাজ। — কিন্তু যার সঙ্গে রাজকুমারীর বিয়ে হল, সে তবে কে?’

    যুবরাজ মকরবর্মা এবার একেবারে ক্ষেপিয়া গেলেন, ফেনায়িত মুখে চিৎকার করিলেন— ‘সে— সে একটা কাঠুরে। চোর— প্রবঞ্চক বাটপাড়! আমার কাপড় জমা জুতো ঘোড়া সব চুরি করে নিয়ে পালিয়েছে।’

    আবার উচ্চহাস্যে তাঁহার কথা চাপা পড়িয়া গেল; রাজকুমার নিষ্ফল ক্রোধে দন্ত কিড়িমিড়ি করিতে লাগিলেন। হাসি মন্দীভূত হইলে প্রথম ব্যক্তি মিটিমিটি চাহিয়া বলিল— ‘সত্যি কথা বলতে কি চাঁদবদন, তোমাদের মধ্যে কাঠুরে যদি কেউ থাকে সে তিনি নয়— তুমি। বলি, ক’ঘড়া তালের রস চড়িয়েছে?’

    সকলে হাসিল। মকরবর্মা দেখিলেন। এখানে কিছু হইবে না; তিনি রূঢ় হস্তে ভিড় সরাইয়া বাহির হইবার চেষ্টা করিলেন— ‘ছেড়ে দাও— সরে যাও। আমি দেখে নেব সেই চোর কাঠুরেটাকে— শূলে দেব। যাবে কোথায় সে! একবার তাকে দেখতে চাই।’

    তাহার কণ্ঠস্বর জনতার বাহিরে মিলাইয়া গেল। প্রথম ব্যক্তি নীরস কণ্ঠে মন্তব্য করিল— ‘কী আর দেখবে যাদু। তিনি এতক্ষণে রাজকন্যেকে নিয়ে বাসর-শয্যায় শয়ন করেছেন।’

    আবার হাসির লহর ছুটিল।

    রাজভবনের উদ্যান-মধ্যে একটি সরোবর। সরোবরের স্থির দর্পণে চাঁদের প্রতিবিম্ব পড়িয়াছে।

    বাঁধানো ঘাটের পাশে মর্মরবেদী; তাহার উপর কালিদাস ও হৈমশ্রী পাশাপাশি বসিয়া আছেন। নব পরিণয়ের পীতসূত্র তাঁহাদের মণিবন্ধে জড়ানো রহিয়াছে। হৈমশ্রীর হাতে একটি ক্ষুদ্র রৌপ্যনির্মিত তীর— যাহা পরবর্তী কালে কাজললতায় রূপান্তরিত হইয়াছে।

    রাজকুমারী নতমুখে তীরটি লইয়া নাড়াচাড়া করিতেছেন; কালিদাস মুগ্ধ উন্মনাভাবে চাঁদের পানে চাহিয়া আছেন। কিছুক্ষণ কথাবার্তা নাই। তারপর কালিদাস একটি নিশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন— ‘কী সুন্দর চাঁদ! ঠিক যেন— ঠিক যেন—’ যে উপমাটি খুঁজতেছিলেন তাহা পাইলেন না। হৈমশ্রী মুখখানি একটু তুলিয়া স্মিত সলজ্জ। কণ্ঠে বলিলেন— ‘ঠিক যেন—?’

    কালিদাস ক্ষুব্ধভাবে মাথা নাড়িলেন— ‘জানি না। মনে আসছে মুখে আসছে না—’

    রাজকুমারী একটু নিরাশ হইলেন; নব অনুরাগের আকাঙ্ক্ষায় যে সুমিষ্ট উপমাটি প্রত্যাশা করিয়াছিলেন কালিদাসের কণ্ঠে তাহা আসিল না।

    এই সময় সহসা বিকট শব্দ শুনিয়া হৈমশ্রী চমকিয়া উঠিলেন।

    শব্দটি আসিল প্রাসাদ বেষ্টনকারী প্রাচীরের পরপার হইতে। প্রাচীরের বাহিরে রাজপথ গিয়াছে, সেই পথ দিয়া এক শ্রেণী ভারবাহী উষ্ট্র চলিয়াছিল। একটি উষ্ট্র বোধ করি প্রাচীরের উপর হইতে গলা বাড়াইয়া অদূরে নবদম্পতিকে দেখিয়া হর্ষধ্বনি করিয়া উঠিয়াছিল।

    ভয় পাইয়া হৈমশ্রী কালিদাসের হাত চাপিয়া ধরিয়াছিলেন। কালিদাস কৌতুক অনুভব করিয়া উচ্চ হাসিয়া উঠিলেন। রাজকুমারীর শিরীষ কোমল হস্তে একটু সস্নেহ চাপ দিয়া বলিলেন— ‘ভয় নেই রাজকুমারি, ও একটা উট— যাকে সাধুভাষায় বলে— উট্র।’

    সাধুভাষা বলিয়া কালিদাস উৎফুল্ল হইয়া উঠিয়াছিলেন। কিন্তু হৈমশ্রীর মুখে সংশয়ের ছায়া পড়িল; তিনি বিস্ফারিত নেত্রে কালিদাসের পানে চাহিয়া ক্ষীণস্বরে কহিলেন— ‘কি— কি বললেন আর্যপুত্র!’

    কালিদাস দেখিলেন ভুল হইয়াছে। তিনি তাড়াতাড়ি ভুল সংশোধন করিলেন— ‘না না— উট্র নয় উট্র নয়— উষ্ট।’

    হৈমশ্রীর মুখ শুকাইয়া গেল; শঙ্কিত সন্দেহে কালিদাসের পানে চাহিয়া থাকিয়া তিনি আপনার অবশে ধীরে ধীরে উঠিয়া দাঁড়াইলেন, অস্ফুট স্বরে বলিলেন— ‘উট্র— উষ্ট—’

    তারপর চকিতে তাঁহার মুখের মেঘ কাটিয়া গেল; কালিদাস আজ প্রথম হইতে যে আচরণ করিয়াছেন তাহা মনে পড়িয়া গেল। তিনি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন— ‘ও— আর্যপুত্র পরিহাস করছেন! কী পরিহাস-প্রিয় আপনি!’

    কালিদাসও উঠিয়া দাঁড়াইয়াছিলেন। তিনি উত্তর দিলেন না, কেবল মৃদু মৃদু হাসিতে লাগিলেন।

    এই সময়ে তোরণের ঘটিকাগৃহে মধ্যরাত্রির প্রহর বাজিল। ক্ষণস্থায়ী রাগিণীর আলাপ বন্ধ হইলে কালিদাস সবিস্ময়ে প্রশ্ন করিলেন— ‘ও কি?’

    হৈমশ্রীর চোখে আবার বিস্ময়মিশ্র সন্দেহ দেখা দিল। রাজপুরীতে প্রহর বাজে সৌরাষ্ট্রের যুবরাজ তাহাও জানেন না। না, ইহাও পরিহাস!

    তিনি বলিলেন— ‘মধ্যরাতের প্রহর বাজল।’

    কালিদাস বলিলেন— ‘ওহো— বুঝেছি, রাত দুপুর হয়েছে। — এবার চল, ভেতরে যাই।’

    তিনি অকুণ্ঠ সহজতায় হৈমশ্রীর দিকে হস্ত প্রসারিত করিয়া দিলেন। হৈমশ্রীর সংশয় আবার দূর হইল। এমন স্বচ্ছন্দ আভিজাত্য, এমন অনিন্দ্যকান্তি, রাজপুত্র নহিলে কি সম্ভব?

    দুইজনে হাত-ধরাধরি করিয়া শয়নমন্দিরের দিকে চলিলেন।

    ঠিক এই সময় প্রাসাদের এক বহিঃকক্ষে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকারের অভিনয় চলিতেছিল। বক্রী পাপগ্রহের ন্যায় সৌরাষ্ট্রের মকরবর্মা তির্যক গতিতে কুন্তলরাজের সম্মুখীন হইয়াছিলেন।

    দীপোৎসব তখনো শেষ হয় নাই; সেই দীপাবলীর আলোকে কক্ষের মধ্যস্থলে চারিটি ব্যক্তি দাঁড়াইয়াছিলেন— সৌরাষ্ট্রের মকরবর্মা, কুন্তলের বৃদ্ধ মহামন্ত্রী, পুস্তপাল মহাশয় এবং স্বয়ং কুন্তলরাজা। সৌরাষ্ট্র কুমারের বেশবাস পূর্ববৎ, তিনি সংহত ক্রোধে ঘন ঘন নিশ্বাস ত্যাগ করিতেছেন; মহামন্ত্রীর মনের ভাব বুঝিবার উপায় নাই, পুস্তপাল মহাশয় যে ত্রস্ত ও বিপন্ন হইয়া পড়িয়াছেন তাহা বুঝিতে কাহারও বেগ পাইতে হয় না। স্বয়ং কুন্তলরাজও বিলক্ষণ বিচলিত হইয়াছেন; তিনি গম্ভীর প্রকৃতির স্বল্পভাষী দৃঢ়শরীর পুরুষ, বয়স অনুমান পঞ্চাশ, মাথার চুল ও গুম্ফ পাকিতে আরম্ভ করিয়াছে। তাঁহার চোখের স্বাভাবিক শান্ত দৃষ্টি আকস্মিক বিপৎপাতে উদ্বিগ্ন হইয়া উঠিয়াছে।

    পুস্তপালের প্রাণে ভয় ঢুকিয়াছে এই অনর্থের জন্য তাহাকেই দায়ী করা হইবে। তিনি করুণ স্বরে আপত্তি করিতেছেন— ‘কিন্তু মহারাজ, এ যে— এ যে একেবারেই অসম্ভব! এই লোকটা— মানে ইনি— এও কি সম্ভব!’

    প্রতিবাদে মকরবর্মা একটি অন্তর্গূঢ় গর্জন ছাড়িলেন। ক্রমাগত চিৎকার করিয়া তাঁহার গলা ভাঙ্গিয়া গিয়াছিল, শরীরও অবসন্ন হইয়া পড়িয়াছিল, তবু দক্ষিণহস্তের মুষ্টি পুস্তপালের নাসিকার অনতিদূরে স্থাপন করিয়া তিনি দন্ত খিঁচাইয়া বলিলেন— ‘সম্ভব! এই দ্যাখো সৌরাষ্ট্রের মুদ্রাঙ্কিত অঙ্গুরীয়। সম্ভব!’

    পুস্তপাল মহাশয় মুষ্টির সান্নিধ্য হইতে নাসিকা দ্রুত অপসারিত করিয়া দেখিলেন তর্জনীতে সত্যই একটি মুদ্রাঙ্কিত অঙ্গুরী রহিয়াছে। তিনি বার কয়েক চক্ষু মিটমিটি করিয়া বলিলেন— ‘কিন্তু— কিন্তু— আপনি যদি সত্যিই—। আপনার সহচর ভৃত্য পরিজন কোথায়?’

    মকরবর্মা বলিলেন— ‘বলছি না পরিজনদের পিছনে ফেলে আমি এগিয়ে আসছিলাম, তোমাদের জঙ্গলে একটা বাটপাড়—’

    কুন্তলরাজ বাধা দিয়া বলিলেন— ‘দেখি অঙ্গুরীয়। সৌরাষ্ট্রের মুদ্রা আমি চিনতে পারব।’

    মকরবর্মা অঙ্গুরীয় খুলিয়া রাজার হাতে দিলেন। রাজা লক্ষ্য করিলেন, তর্জনীর মূলে অঙ্গুরীয় পরিধানের চক্রচিহ্ন রহিয়াছে। এ ব্যক্তি যে অঙ্গুরীয় কুড়াইয়া পাইয়া বা চুরি করিয়া সদ্য অঙ্গুরীয় পরিধান করিয়াছে তাহা নয়। রাজা তখন মুদ্রাঙ্কিত অঙ্গুরীয় উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া শেষে উহা প্রত্যার্পণ করিলেন, অত্যন্ত উদ্বিগ্নভাবে গুম্ফের প্রান্ত টানিতে টানিতে অস্ফুট কণ্ঠে বলিলেন— ‘হুঁ— মুদ্রা সৌরাষ্ট্রেরই বটে।’

    মকরবর্মা অঙ্গুরীয় পুনশ্চ পরিধান করিতে করিতে চারিদিকে বিজয়দীপ্ত চক্ষু ঘুরাইতে লাগিলেন। পুস্তপাল মহাশয়ের মুখ কাঁদো কাঁদো হইয়া উঠিল। মহামন্ত্রী মৃদু গলা ঝাড়া দিলেন— ‘ইনি যদি সৌরাষ্ট্রের যুবরাজই হন, তাহলেও এখন তো আর—’

    কুন্তলরাজ বলিলেন— ‘কোনো উপায় নেই। সে-ব্যক্তি যেই হোক, অগ্নি সাক্ষী করে আমার কন্যাকে বিবাহ করেছে—’

    মহামন্ত্রী জুড়িয়া দিলেন— ‘তাছাড়া রাজকুমারীর প্রতিজ্ঞা ছিল, চণ্ডাল হোক, পামর হোক, যে-কেউ তাঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে—’

    সৌরাষ্ট্রকুমার বিস্ফোরকের ন্যায় ফাটিয়া পড়িলেন— ‘ভস্ম হোক প্রশ্ন আর তার উত্তর! কুন্তলরাজ, আমি আপনার কন্যাকে বিবাহ করিতে চাই না। আমি চাই— বিচার। যে চোর আমার আশ্ব আর বস্ত্রাদি চুরি করেছে সে আপনার জামাতাই হোক, আর—’

    মহামন্ত্রী মোলায়েম সুরে অনুরোধ করিলেন— ‘ধীরে কুমার, সংযম হারাবেন না।’

    মকরবর্মা আরও চড়া সুরে বলিলেন— ‘আমি বিচার চাই। কুন্তলরাজ্যের সীমানার মধ্যে এই চুরি হয়েছে; তস্করকে শূলে দেওয়া হোক। আর, তা যদি না হয়, সৌরাষ্ট্র দেশ নির্বীর্য নয় এ কথা স্মরণ রাখবেন।’

    কুন্তলরাজ এই স্পর্ধিত উক্তি গলাধঃকরণ করিলেন; ক্রোধে তাঁহার মুখ রক্তবর্ণ হইলেও এই ব্যক্তি যে সত্যই রাজপুত্র সে প্রত্যয়ও দৃঢ় হইল। তিনি কণ্ঠ সংযত করিয়া বলিলেন— ‘এ বিষয়ে পরিপূর্ণ অনুসন্ধান না করে কিছুই হতে পারে না। আপনার অভিযোগ যদি সত্য হয়—’ রাজা মহামন্ত্রীর পানে ফিরিলেন।

    চতুর মহামন্ত্রী রাজার প্রতি একটি গোপন কটাক্ষপাত করিয়া পরম আপ্যায়নের ভঙ্গিতে মকরবর্মা দিকে ফিরিলেন— ‘নিশ্চয় নিশ্চয়, সে কথা বলাই বাহুল্য। — কিন্তু শ্রীমন্‌, আপনি আজ রাত্রিটা রাজপ্রাসাদে বিশ্রাম করুন— রাত্রির মধ্যযাম অতীত হয়েছে—’

    মহামন্ত্রী পুস্তপালের পেটে গোপনে কনুইয়ের এক গুঁতা মারিলেন। পুস্তপাল অমনি বলিয়া উঠিলেন— ‘হাঁ হাঁ, কুমার-ভট্টারক, আর কালক্ষয় করবেন না— সারাদিন অভুক্ত আছেন— পরিশ্রমও কম হয়নি— আসুন, কুমার, এই দিকে— এই যে বিশ্রান্তিগৃহ—’

    ক্লান্ত ক্ষুৎপিপাসাতুর যুবরাজের পক্ষে প্রলোভন প্রবল হইলেও তিনি সহজে নরম হইবার পাত্র নয়। তিনি বলিলেন— ‘আমি বিচার চাই, ন্যায়দণ্ড চাই— নইলে—’

    মহামন্ত্রী তাড়াতাড়ি বলিলেন— ‘অবশ্য— অবশ্য। সে তো আছেই। উপস্থিত আপনার বস্ত্রাদি ত্যাগ করা প্রয়োজন—’

    পুস্তপাল সাগ্রহে বলিলেন— ‘ওদিকে ময়ূর মাংস পিণ্ডক্ষীর মাহিষ-দধি, মাধ্বী দ্রাক্ষাসব— সমস্তই প্রস্তুত রয়েছে। আসুন, আর বিলম্ব করবেন না—’

    মহামন্ত্রী বলিলেন— ‘চলুন চলুন— অশুভস্য কালহরণম্‌—’

    সৌরাষ্ট্রকুমার তথাপি বলিলেন— ‘কিন্তু যদি প্রতিবিধান না পাই—’

    তিনি আর লোভ প্রতিরোধ করিতে পারিলেন না, মহামন্ত্রী ও পুস্তপালের সাদর আহ্বানের অনুবর্তী হইয়া বিশ্রান্তিগৃহের অভিমুখে চলিলেন। কুন্তলরাজ একাকী দাঁড়াইয়া উদ্বিগ্ন মুখে গুম্ফের প্রান্ত টানিতে লাগিলেন।

    ইত্যবসরে কালিদাস ও হৈমশ্রী শয়নকক্ষে উপনীত হইয়াছেন। সখী কিঙ্করীরাও বিদায় লইয়াছে। আড়ি পাতিয়া বর-বধূকে বিরক্ত করিবার বিধি যদিচ সেকালেও ছিল, কিন্তু আজিকার দিনব্যাপী মাতামতির পর সকলেই ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছিল। তাছাড়া আজ বসন্তোৎসবের রাত্রে নিজস্ব মিলনোৎকণ্ঠাও কম ছিল না।

    নির্জন সুবৃহৎ শয়নকক্ষটি ফুলে ফুলে আচ্ছন্ন; যূথী ও মল্লী মিলিয়া পালঙ্কের শুভ্র আস্তরণ রচনা করিয়াছে। পালঙ্কের চারিকোণে দীপদণ্ডের মাথায় সুরভি বর্তিকা জ্বলিতেছে।

    প্রাচীরগাত্রে হরপার্বতী রামজানকী প্রভৃতি আদর্শ দম্পতির মিথুন চিত্র। প্রাচীরের একটি অংশ বস্ত্র দ্বারা আবৃত, বস্ত্রের উপর রাজহংসের চিত্র অঙ্কিত রহিয়াছে; হংসের চঞ্চুতে সনাল পদ্মকোরক।

    রাজকুমারী কালিদাসকে লইয়া যবনিকার সম্মুখে দাঁড়াইলেন, কালিদাসের দিকে মৃদু হাসিয়া যবনিকা সরাইয়া দিলেন। দেখা গেল, প্রাচীরগাত্রে একটি কুলঙ্গি রহিয়াছে; কুলঙ্গির থাকে থাকে অগণিত পুঁথি থরে থরে সাজানো।

    কালিদাসের চক্ষু মুগ্ধ আনন্দে ভরিয়া উঠিল। পুঁথির প্রতি এই গ্রামীণ যুবকের অহেতুক আকর্ষণ ছিল; তিনি একবার রাজকুমারীর দিকে, একবার পুঁথিগুলির দিকে হর্ষোৎফুল্ল দৃষ্টিপাত করিতে লাগিলেন। তারপর সন্তর্পণে একখানি পুঁথি হস্তে তুলিয়া পরম স্নেহ ও শ্রদ্ধাভরে নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন।

    পুঁথির মলপট্টের লিখন কালিদাস পড়িতে পারিলেন কিনা তিনিই জানেন; মলপট্টের উপর বিশদ অক্ষরে লেখা ছিল—

    মৃচ্ছকটিকম্‌

    কালিদাস গদ্‌গদ কণ্ঠে বললেন— ‘কত পুঁথি! তুমি সব পড়েছ?’

    হৈমশ্রী গ্রীবা ঈষৎ হেলাইয়া সায় দিলেন। কালিদাসের মুখ একটু ম্লান হইল। তিনি হাতের পুঁথিটির প্রতি বিষণ্ণভাবে চাহিয়া সেটি আবার যথাস্থানে রাখিয়া দিলেন, নিশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন— ‘আমি একটিও পড়িনি। যদি পড়তে পারতাম, আজকের চাঁদ কিসের মত সুন্দর নিশ্চয় বলতে পারতাম।’

    আবার কুমারী হৈমশ্রীর মুখ শুকাইল। তিনি স্খলিতস্বরে বলিলেন— ‘কিন্তু— না না, পরিহাস করবেন না আর্যপুত্র! আপনি সৌরাষ্ট্রের যুবরাজ—!’

    কালিদাসের মুখে কৌতুকের হাসি ফুটিল— ‘কিন্তু আমি তো রাজপুত্তুর নই!’

    হৈমশ্রীর মাথায় আকাশ ভাঙ্গিয়া পড়িল— ‘রাজপুত্র নয়! তবে— কে আপনি?’

    কালিদাস বলিলেন— ‘আমি কালিদাস। — বনের মধ্যে কাঠ কাটছিলাম, এমন সময়—’

    হৈমশ্রী বুদ্ধিভ্রষ্টের মত বলিলেন— ‘কাঠ কাটছিলেন! কাঠুরে! তুমি তবে সত্যিই বর্ণপরিচয়হীন মূর্খ?’

    সরলভাবে কালিদাস ঘাড় নাড়িলেন— ‘হ্যাঁ, আমি লেখাপড়া জানি না। — যখনই কোনো সুন্দর জিনিস দেখি, ইচ্ছে করে তার বাখান করি। কিন্তু পারি না।’

    রাজকন্যা আর শুনিলেন না; ঊর্ধ্বে মুখ তুলিয়া দুই চক্ষু সজোরে মুদিত করিয়া যেন একটা ভয়াবহ দুঃস্বপ্নকে মনশ্চক্ষুর সম্মুখ হইতে দূর করিবার চেষ্টা করিলেন। তারপর টলিতে টলিতে পালঙ্কের পাশে গিয়া নতজানু হইয়া শয্যার পুষ্পাস্তরণের মধ্যে মুখ গুঁজিলেন। প্রবল হৃদয়োচ্ছ্বাসে তাঁহার দেহের ঊর্ধ্বাঙ্গ মথিত হইয়া উঠিল।

    কালিদাস কিছুক্ষণ অবাক হইয়া চাহিয়া রহিলেন, তারপর সসংকোচ পদক্ষেপে রাজকন্যার পাশে গিয়া দাঁড়াইলেন।

    রাজকন্যা জানিতে পারিলেন কালিদাস পাশে আসিয়া দাঁড়াইয়াছেন, তিনি মুখ তুলিয়া তীব্রস্বরে প্রশ্ন করিলেন— ‘রাজপুত্র সেজে তুমি এখানে কি করে এলে?’

    হৈমশ্রীর স্ফুরিতাধর মুখ দেখিয়া কালিদাস শঙ্কা ভুলিয়া গেলেন। ক্রোধেও মুখখানি কী সুন্দর— ঠিক যেন— ঠিক যেন—। তিনি ক্রোধ দেখিতে পাইলেন না, সৌন্দর্যই দেখিলেন। উপরন্তু ভারি মজার কাহিনীটা রাজকুমারীকে শুনাইতে হইবে। কালিদাসের মুখে হাসি ফুটিল, তিনি শয্যাপার্শে বসিয়া সহাস্যে বলিলেন— ‘সে ভারি মজার কথা। শুনবে? তবে বলি শোন—’

    তিনি বলিতে আরম্ভ করিলেন। আখ্যানবস্তু আমাদের প্রত্যক্ষদৃষ্ট, সুতরাং শুনিবার প্রয়োজন নাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ব্যোমকেশ সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }