Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঐতিহাসিক কাহিনী সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1544 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. পাঁচ বৎসর অতীত হইয়াছে

    ন্যূনাধিক পাঁচ বৎসর অতীত হইয়াছে।

    কুন্তল রাজপুরীর অন্তঃপুরে রাজকুমারী হৈমশ্রী নিজ শয়নকক্ষে ভূমির উপর অজিনাসনে বসিয়া আছেন। তাঁহার সম্মুখে কাষ্ঠাসনের উপর একটি উন্মুক্ত পুঁথি, রাজকুমারী তন্ময় হইয়া পুঁথি পড়িতেছেন।

    পাঁচ বৎসরে হৈমশ্রীর দেহলাবণ্যের অতি অল্পই পরিবর্তন হইয়াছে। তাঁহার দেহে সূক্ষ্ম শুভ্র কার্পাসবস্ত্র, কেশ একটিমাত্র বেণীতে আবদ্ধ, ললাটে আয়তির চিহ্ন কেবল একটি কুমকুমের টিপ— অলঙ্কার নাই বলিলেও চলে। চুলের ঈষৎ রুক্ষতায়, চোখের কোলে ছায়ার নিবিড়তায়, দেহের অল্প কৃশতায় তাঁহার রূপ বাহুল্য বর্জন করিয়া নিষ্কলুষ হইয়া উঠিয়াছে— বর্ষার অন্তে স্বচ্ছসলিলা শরতের স্রোতস্বিনীর মত।

    পুঁথি পড়িতে পড়িতে তাঁহার মনে প্রবল ভাবাবেশ উপস্থিত হইয়াছিল, তিনি কম্পিত কণ্ঠে কাব্যের শেষ পংক্তি আবৃত্তি করিলেন—

    ‘মাভূদ্‌ এবং ক্ষণমপি চতে বিদ্যুতা বিপ্রয়োগঃ ॥’

    গবাক্ষপথে বাষ্পাচ্ছন্ন দৃষ্টি প্রেরণ করিয়া তিনি ধীরে ধীরে পুঁথি বন্ধ করিলেন। মলপট্টের উপর বড় বড় অক্ষরে লেখা রহিয়াছে—

    মেঘদূতম্‌

    শ্রীকালিদাস বিরচিতম্‌

    পুঁথির উপর হাত রাখিয়া রাজকুমারী উন্মনা হইয়া রহিলেন। ক্রমে তাঁহার চক্ষু পুঁথির উপর ফিরিয়া আসিল। কালিদাসের নামের উপর ললাট স্পর্শ করিয়া তিনি প্রণাম করিলেন— ‘ধন্য কবি।’

    নামের দিকে চাহিয়া চাহিয়া তাঁহার মুখের ভাব আবার উন্মনা হইল, তিনি অর্ধস্ফুট স্বরে বলিলেন— ‘কালিদাস! কে তিনি?—’ তাঁহার অধর কাঁপিয়া উঠিল, তিনি বিষণ্ণভাবে মাথা নাড়িলেন— ‘না না…সে তো মূর্খ ছিল—’

    অঞ্চলে চোখ মুছিয়া দ্বারের দিকে মুখ ফিরাইতেই চোখে পড়িল, দ্বারের চৌকাঠ ধরিয়া বিষাদ গম্ভীর মুখে রাজা দাঁড়াইয়া আছেন। তাড়াতাড়ি মুখে হাসি আনিবার চেষ্টা করিয়া হৈমশ্রী বলিয়া উঠিলেন— ‘পিতা!— আসুন আর্য।’

    রাজা কক্ষে প্রবেশ করিলেন। হৈমশ্রী আসন ছাড়িয়া উঠিবার উপক্রম করিতেই রাজা হাত তুলিয়া তাঁহাকে নিবৃত্ত করিলেন— ‘বোসো বোসো বৎসে।’

    রাজা আসিয়া দ্বিতীয় একটি আসনে বসিলেন, স্নিগ্ধস্বরে প্রশ্ন করিলেন— ‘কি পড়ছিলে?’

    হৈমশ্রী ঈষৎ লজ্জিতভাবে পুঁথিটি নড়াচাড়া করিতে করিতে বলিলেন— ‘কিছু নয় পিতা— একটি নতুন কাব্য— মেঘদূত।’

    রাজা প্রীতভাবে ঘাড় নাড়িলেন। সেকালে পিতাপুত্রীতে কাব্য আলোচনা, এমন কি আদিরস ঘটিত কাব্যের আলোচনা দূষণীয় বিবেচিত হইত না; আদিরসের প্রতি তাঁহাদের সম্ভ্রম ছিল।

    কুন্তলরাজ বলিলেন— ‘মেঘদূত— বিরহী যক্ষ ও বিরহিণী যক্ষপত্নী! আমি পড়েছি— সুন্দর কাব্য।’

    হৈমশ্রী পিতার দিকে উদ্দীপ্ত চক্ষু তুলিলেন। যে কাব্য পড়িয়া তাঁহার মন আষাঢ়ের মেঘের মতই দ্রবীভূত হইয়া গিয়াছে তাহার এইটুকু প্রশংসা তাঁহার মনঃপূত হইল না; তিনি বলিলেন— ‘সুন্দর কাব্য কী বলছেন পিতা— অপূর্ব। ভাষায় এর প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। আমি বারবার পড়েছি, তবু আবার পড়তে ইচ্ছে করে।’

    কুন্তলরাজ কন্যার উৎসাহ দেখিয়া সানন্দে ঘাড় নাড়িলেন, বলিলেন— ‘সত্যই অপূর্ব। কাব্য জগতে এক অপূর্ব সৃষ্টি। — তুমি যে কাব্যশাস্ত্রের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে দিয়েছ এতে আমার মনে একটু শান্তি হচ্ছে।’

    রাজা কন্যার মুখের পানে চাহিলেন; হৈমশ্রীর চোখের দীপ্তি নিভিয়া গেল, তিনি মুখ নত করিলেন। রাজা একটি নিশ্বাস মোচন করিয়া নিজ মনেই বলিতে লাগিলেন— ‘পাঁচ বছর হয়ে গেল…সেই রাত্রে চুপি চুপি তাকে রাজ্য থেকে নির্বাসিত করেছিলাম, তারপর আর কিছুই জানি না। গোপনে গোপনে কত খোঁজ করিয়েছি—’

    হৈমশ্রী মুখ তুলিলেন কিন্তু পিতার দিকে না চাহিয়া ধীরস্বরে বলিলেন— ‘প্রয়োজন কি পিতা! আমি তো বেশ আছি, ভালই আছি—’

    রাজা বিষণ্ণভাবে মাথা নাড়িলেন— ‘না বৎসে। ভালই যদি থাকবে তবে মাঝে মাঝে তোমার চোখে জল দেখি কেন। তুমি এখনো তাকে ভুলতে পারনি। এই তো এখনি—’

    হৈমশ্রী ব্যাকুল হইয়া বলিলেন— ‘ও কিছু নয় পিতা। কাব্য পড়তে পড়তে—’

    কুন্তলরাজ দীর্ঘশ্বাস ফেলিলেন— ‘মা, আমার কাছে লুকোবার চেষ্টা কোরো না, তুমি এখনো তাকে ভুলতে পারনি। আমিও পারিনি। — কি জানি কী ছিল তার সেই সরল সুকুমার মুখে! যদি কোথাও তাকে পাই, ফিরিয়ে নিয়ে আসি।’

    হৈমশ্রী সহসা পুঁথির উপর মাথা রাখিয়া ফুঁপাইয়া উঠিলেন, রুদ্ধস্বরে বলিলেন— ‘না না পিতা, সে মূর্খ— নিরীক্ষর—’

    রাজা বুঝিলেন কন্যার হৃদয়ে প্রেম ও অভিমানে কঠিন দ্বন্দ্ব চলিতেছে। তিনি শান্তস্বরে বলিলেন— ‘সে তোমার স্বামী।’

    শিপ্রা নদীর মাঝখান দিয়া একটি মধ্যমাকৃতি মহাজনী নৌকা পালের ভরে তরতর করিয়া চলিয়াছে। পাশে শিপ্রার তীরে মালব রাজ্যের রাজধানী উজ্জয়িনী মহানগরী তাহার অসংখ্য ঘাট মন্দির সৌধ লইয়া দ্বিপ্রহরের প্রদীপ্ত আলোকে জ্বল্‌জ্বল্‌ করিয়া জ্বলিতেছে। নগরীর সীমান্তে শষ্প-হরিৎ প্রান্তর; মাঝে মাঝে দুই একটি কুটির, জলের কিনারায় সৈকতলীন হংসমিথুন—

    নৌকার পিছনে বসিয়া মাঝি গান ধরিয়াছে। নৌকার ছাদে পালের ছায়ায় বসিয়া এক পুরুষ একটি তন্ত্রীযুক্ত স্বরযন্ত্র অলসভাবে বাজাইয়া মাঝির গানের সঙ্গে সুর মিলাইতেছেন। পরিধানে অতি সাধারণ শুভ্র বস্ত্র ও উত্তরীয়, ললাটে শ্বেত চন্দনের তিলক। পাঁচ বছরে তাঁহার বহিরাকৃতির কোনো পরিবর্তন হয় নাই, তেমনি সরল হাসিটি মুখে লাগিয়া আছে; কিন্তু তবু মনে হয় এ ব্যক্তি সে ব্যক্তি নয়, অন্তর্লোকে বিপুল পরিবর্তন ঘটিয়া গিয়াছে।

    কালিদাস যে যন্ত্রটি বাজাইতেছেন তাহা বোধ করি নাবিকদের কাহারো স্বরচিত সম্পত্তি, একটি বক্রাকৃতি তুম্বের শূন্যগর্ভ খোলসের উপর তিনটি তার চড়ানো। কালিদাস তাহাই বাজাইতে বাজাইতে মাঝির গানের প্রাকৃত ভাষা লক্ষ্য করিতেছেন—

    আমার মন-তরণী ভাসল দরিয়ায়—

    মরি হয় মারি হায় রে!

    দখিন বায়ে রূপ লহরে চলছে তরী পালের ভরে

    কিনার ডাকে কলস্বরে আয় রে তরী আয়—

    মরি হায় মারি হায় রে!

    কোন্‌ ঘাটেতে পথিক-বধূ আছে রে পথ চেয়

    সেই কিনারে বৈঠা তুলে ভিড়াস্‌ তরী, নেয়ে,

    যেথা কমল চোখে সজল হাসি অঝোর ঝরি যায়—

    মরি হায় মারি হয় রে!

    গান শেষ হইলে কালিদাস যন্ত্র নামাইয়া রাখিয়া চক্ষু তুলিলেন, অমনি উজ্জয়িনীর রবি-করজ্জ্বল দৃশ্যটি তাঁহার দৃষ্টি টানিয়া লইল, তিনি বিস্ময়োৎফুল্ল নয়নে চাহিয়া রহিলেন। তারপর যেন আত্মগতভাবে বলিলেন— ‘কী চমৎকার নগরী! যেন আমার কল্পলোকের অলকাপুরী। — মাঝি ভাই, এ কোন্‌ রাজ্য?’

    মাঝি একবার তীরের দিকে মুখ ফিরাইল, বলিল— ‘ঠাকুর, এটা অবন্তী রাজ্য। আমরা এখন উজ্জয়িনীর পাশ দিয়ে যাচ্ছি।’

    কালিদাস তন্দ্রাচ্ছন্ন চোখে চাহিয়া রহিলেন— ‘অবন্তী! উজ্জয়িনী! এতদিন শুধু কল্পনাই করেছি। — এর পর কোন রাজ্য?’

    মাঝি বলিল— ‘এর পর কুন্তল রাজ্য।’

    কালিদাসের মুগ্ধ তন্দ্রা ছুটিয়া গেল, তিনি সজাগ হইয়া উঠিলেন— ‘কুন্তল রাজ্য!’

    মাঝি বলিল— ‘হ্যাঁ। কিন্তু কুন্তল রাজ্য অবন্তীর কাছে লাগে না। এখানকার রাজা বিক্রমাদিত্য একজন মহাবীর, অসভ্য হূণদের উনিই যুদ্ধে হারিয়েছিলেন। ভারি তেজী রাজা। শুনেছি পণ্ডিতদের খুব আদর করেন।’

    মাঝি যতক্ষণ হূণ-হরিণ-কেশরী বিক্রমাদিত্যের পরিচয় দিতেছিল, কালিদাস ততক্ষণে উঠিয়া দাঁড়াইয়াছিলেন; তাঁহার মুখে দৃঢ় সংকল্প স্পষ্ট হইয়া উঠিয়াছিল। মাঝি থামিতেই তিনি বলিয়া উঠিলেন— ‘ভাই মাঝি, আমাকে তুমি এখানেই নামিয়ে দাও।’

    মাঝি ঈষৎ বিস্ময়ে চোখ তুলিল— ‘এখানেই—?’

    কালিদাসের দৃষ্টি শিপ্রার তীরভূমি চুম্বন করিয়া চলিয়াছিল; তিনি মাঝারি পানে না ফিরিয়াই বেদনা-বিদ্ধ কণ্ঠে বলিলেন— ‘হ্যাঁ, এখানেই। আমার কাছে সব রাজ্যই তো সমান। এই উজ্জয়িনীর উপকণ্ঠে নদীর তীরে কুটির বেঁধে আমি থাকবো—’

    মাঝি একটু চুপ করিয়া রহিল, তারপর বলিল— ‘তা বেশ, আপনার যা ইচ্ছে ঠাকুর। — ওরে ওরে, পাল নামা।’

    মাঝি হালের মুখ ফিরাইয়া ধরিল। অন্য যেসব নাবিকেরা নীচে ছিল তাহারা ছাদে উঠিয়া আসিল।

    কয়েকদিন কাটিয়াছে।

    উজ্জয়িনীর সীমান্তে শিপ্রার উপকূল। তীরভূমি ঢালু হইয়া জলে মিশিয়াছে, তীরে দূরে দূরে উপবনবেষ্টিত কুটির। যাহারা ফুলের চাষ করে নগরের বাহিরেই তাঁহাদের সুবিধা, তাই মালাকরেরা এইদিকেই পুষ্পোদ্যান রচনা করিয়াছে।

    জলের কিনারা দিয়া যে হাঁটা-পথ গিয়াছে সেই পথে মালিনী নগরের দিকে চলিয়াছিল। তাহার বিশেষ তাড়া ছিল না, সূর্যাস্তের এখনো বিলম্ব আছে। বাঁ হাতের মণিবন্ধ হইতে ফুলের সাজি ঝুলিতেছে, ডান হাতে সূচী ও সূত্রের সাহায্যে মালা গড়িয়া উঠিতেছে। মালিনী অস্ফুট গুঞ্জনে গান গাহিতে গাহিতে চলিয়াছিল।

    মালিনীর বয়স পনেরো-ষোল, শ্যামকান্তি পল্লবিতা দেহলতা; মনে ও দেহে দুই-একটি কুঁড়ি ধরিতে আরম্ভ করিয়াছে। মালব দেশের মালিনীদের যৌবন যেমন বিলম্বে আসে তেমনি বিলম্বে যায়। এই তরুণী মালিনীটি দেখিতে ছোটোখাটো চঞ্চলা হাস্যময়ী, চুলগুলি চিকণ করিয়া বাঁধা। পরিধানে বাসন্তী রঙ্‌ শাড়ি, ঊর্ধ্বাঙ্গে বাসন্তী রঙ আঙরাখা সর্বাঙ্গে আঁট হইয়া বসিয়াছে।

    মালিনী চলিতে চলিতে মালা গাঁথিতেছে, তাহার চক্ষু তাহাতেই নিবদ্ধ। যে গানটি ঈষন্মুক্ত অধর হইতে নিঃসৃত হইতেছে তাহা বেশি দূর যাইতেছে না, ফুলের চারিপাশে ভ্রমরের মত গুঞ্জন করিয়া ফিরিতেছে। তাহার গতিভঙ্গিতেও একটু নৃত্যের স্পর্শ আছে।

    মালা গাঁথা শেষ করিয়া সে এক পাক ঘুরিয়া চোখ তুলিয়া সবিস্ময়ে দাঁড়াইয়া পড়িল! এ কি, হঠাৎ একটা নূতন কুটির কোথা হইতে আসিল? সাত দিন আগেও কিছু ছিল না!

    নদীতীর হইতে পঞ্চাশ হাত ব্যবধানে উঁচু জমির উপর সত্যই একটি নূতন কুটির নির্মিত হইয়াছে। ঘন সন্নিবিষ্ট পাহাড়ী বেত্রের উপর মাটির প্রলেপ দিয়া দেয়াল, উপরে কুশের ছাউনি। সম্মুখের খানিকটা স্থানে ছিটে-বেড়ার বেষ্টনী; উঠানের মধ্যস্থলে একটি ক্ষুদ্র বেদিকা।

    কুটির সম্পূর্ণ হইয়াছে বটে কিন্তু তাহার প্রসাধন ও অঙ্গশোভা এখনো বাকি আছে। স্বয়ং গৃহস্বামী অধুনা এই কার্যে ব্যাপৃত। এক হাতে পিটুলি-পূর্ণ ভাঁড় ও অন্য হাতে দাঁতনের মত একটি তুলি লইয়া তিনি অভিনিবেশ সহকারে গৃহদ্বারের উপর শঙ্খ চক্র প্রভৃতি চিত্রলেখায় প্রবৃত্ত।

    দূর হইতে দেখিয়া মালিনী কৌতূহল বশে সেই দিকে অগ্রসর হইল। পা টিপিয়া টিপিয়া কালিদাসের পিছনে গিয়া দাঁড়াইল। কালিদাস চিত্র রচনায় এতই নিমগ্ন যে কিছুই জানিতে পারিলেন না।

    চিত্রবিদ্যায় কবির পটুত্ব কিছু কম। দ্বারের একটি কপাটে তিনি যে-শঙ্খটি আঁকিয়াছেন তাহা যে শঙ্খই এমন কথা জোর করিয়া বলা শক্ত, কুণ্ডলিত বিষধর সর্পও হইতে পারে; এইজন্য কবি তাহার নিম্নে স্পষ্টাক্ষরে চিত্রপরিচয় লিখিয়া দিয়াছেন— ‘শঙ্খ’। বর্তমানে যে-চিত্রটি আঁকিতেছেন তাহাও আশানুরূপ আকার গ্রহণ করিতেছে না। সুদর্শন চক্র গোলাকার হওয়াই বাঞ্ছনীয়, কিন্তু কবির হস্তে উহা ডিম্বের আকৃতি ধারণ করিবার চেষ্টা করিতেছে। তাছাড়া তুলিটাও ভদ্র ব্যবহার করিতেছে না, অতর্কিতে কবির চোখে মুখে রঙ ছিটাইয়া দিতেছে।

    কালিদাস শেষে উত্ত্যক্ত হইয়া তুলির দ্বারা সুদর্শন চক্রের মাঝখানে একটা খোঁচা দিলেন; তুলির রঙ আমনি ধারার মত গড়াইয়া পড়িল। মালিনী এতক্ষণ কালিদাসের পিছনে দাঁড়াইয়া সকৌতুকে দেখিতেছিল; এখন খিল্‌খিল্‌ করিয়া হাসিয়া উঠিল।

    চমকিয়া কবি ফিরিলেন; হাতের তুলিটা কেমন একভাবে ছিট্‌কাইয়া উঠিয়া মালিনীর মুখে চোখে রঙ ছিটাইয়া দিল।

    মালিনী মুখখানি একবার কুঞ্চিত করিয়া আবার হাসিয়া উঠিল— ‘কেমন মানুষ গা তুমি! আমার মুখেও চিত্তির আঁকবে নাকি?’

    কালিদাস অত্যন্ত অপ্রস্তুত হইয়া পড়িলেন— ‘এ হে হে, দেখতে পাইনি— ভারি অন্যায় হয়েছে। — তা, এ চুন নয় পিটুলি গোলা, তোমার মুখের কোনো ক্ষতি করবে না। বরং— বেশ দেখাচ্ছে—।’

    মালিনীর মুখে শ্বেত বিন্দুগুলি তিলকের মত ফুটিয়া উঠিয়া সত্যই সুন্দর দেখাইতেছিল, সে স্মিতমুখে এই কান্তিময় তরুণ ব্রাহ্মণকে ভাল করিয়া নিরীক্ষণ করিল। মানুষটি দেখিতেও সুন্দর, কথাও বলে ভারি মিষ্ট। সে বলিল— ‘তুমি নতুন এসেছ না? সাত দিন আগেও এ পথ দিয়ে গেছি, তোমার কুঁড়ে ঘর তো ছিল না।’

    কালিদাস বলিলেন— ‘না, এই তো ক’দিন হল এসেছি। নিজের হাতে ঘর তৈরি করেছি। কেমন, চমৎকার হয়নি?’ তিনি সগর্বে গৃহের পানে তাকাইলেন।

    মালিনী বলিল— ‘বেশ হয়েছে। ওটা কি হচ্ছিল?’

    মালিনীর তর্জনীনির্দেশ অনুসরণ করিয়া শঙ্খ চক্র দেখিয়া কালিদাস লজ্জিত হইলেন, আম্‌তা আম্‌তা করিয়া বলিলেন— ‘মঙ্গল চিহ্ন আঁকছিলাম, তা ওই হয়েছে।’ বলিয়া নিজেই হাসিয়া ফেলিলেন।

    মালিনীও হাসিল। ফুলের মালা সাজিতে রাখিয়া সাজি কালিদাসের হাতে ধরাইয়া দিয়া বলিল— ‘তুমি সাজি ধরো আমি এঁকে দিচ্ছি। আল্‌পনা দেওয়া কি পুরুষের কাজ!’

    ভাঁড় ও তুলি হাতে লইয়া মালিনী দ্বারের কাছে গেল; কালিদাস পুলকিত হইয়া বলিলেন— ‘তুমি এঁকে দেবে! বাঃ, তাহলে তো কথাই নেই। — আমরা পুরুষেরা শুধু মোটা কাজ করতে পারি, সূক্ষ্ম কাজ মেয়েরা না হলে হয় না।’

    মালিনী হাসিমুখে স্বজাতির এই প্রশংসা আত্মসাৎ করিয়া আল্‌পনা অঙ্কনে মন দিল, পূর্বের অঙ্কন মুছিয়া দক্ষহস্তে নূতন করিয়া শঙ্খ আঁকিতে লাগিল। কালিদাস সপ্রশংস নেত্রে দেখিতে লাগিলেন। দেখিতে দেখিতে বলিলেন— ‘ভাল কথা, তুমি কে তা তো বললে না।’

    ‘ফুলের সাজি দেখে বুঝলে না?— মালিনী।’

    ‘ও— তা বটে। কিন্তু তোমার একটা নাম আছে তো।’

    মালিনী মুখ না ফিরাইয়াই মাথা নাড়িল।

    ‘না, সবাই আমাকে মালিনী বলে ডাকে। আমার কেউ নেই কিনা। — গুরুবারে গুরুবারে আমি রাজবাড়িতে যাই রানী ভানুমতীকে ফুল যোগাতে। রানী ভানুমতী আমাকে খু— ব ভালবাসেন। সবাই আমাকে খুব ভালবাসে। আমার কেউ নেই কিনা।’

    কালিদাস ঘাড় নাড়িতে নাড়িতে শুনিতেছিলেন, মালিনী মুখ ফিরাইয়া প্রশ্ন করিল— ‘তুমি কে?’

    কালিদাস একটু ইতস্তত করিয়া শেষে বলিলেন— ‘আমি কালিদাস।’

    মালিনী পরিতুষ্টভাবে ঘাড় নাড়িল— ‘বেশ নাম। — তুমি কি কাজ কর?’

    কালিদাস চিন্তা করিয়া বলিলেন— ‘কাজ!— আমিও মালা গাঁথি।’

    মালিনীর চক্ষু উজ্জ্বল হইয়া উঠিল— ‘ওমা সত্যি! কিন্তু— কিন্তু তোমার গলায় পৈতে রয়েছে, তুমি তো মালাকর নও।’

    কালিদাস মৃদু হাসিলেন— ‘আমি কথার মালাকর— কবি।’

    চিবুকে একটি আঙুল ঠেকাইয়া মালিনী কিছুক্ষণ অবাক হইয়া রহিল, তারপর রুদ্ধশ্বাসে বলিল— ‘কবি! তুমি গান বাঁধতে পার?’

    কালিদাস হাসিয়া ঘাড় নাড়িলেন, মালিনীর চক্ষু বিস্ময়ে আরো বর্তুলাকার হইল। সে বলিল— ‘তবে— তবে তুমি এখানে কুঁড়ে ঘর বেঁধেছ যে? রাজসভায় যাও না কেন? রাজা কবিদের ভারি ভালবাসেন, কত সোনাদানা দেন, থাকবার বাড়ি দেন—’

    কালিদাসের মুখে ঈষৎ তিক্ততার আভাস খেলিয়া গেল, তিনি আকাশের দিকে চাহিয়া বলিলেন— ‘রাজারানীর সোনাদানা আমার দরকার নেই। নিজের হাতে তৈরি এই কুঁড়ে ঘর আমার অট্টালিকা।’

    মালিনী ক্ষণেক জিজ্ঞাসু নেত্রে চাহিয়া থাকিয়া মৃদু হাসিল, সদয় কণ্ঠে বলিল— ‘বুঝেছি। তুমি রাজারানীদের সঙ্গে কখনো মেশোনি কিনা তাই ভয় করছে। তুমি ভয় পেও না। ওরা খুব ভাল লোক হয়। আমার রানী ভানুমতী খুব ভাল লোক— আর কী সুন্দর! চোখ ফেরানো যায় না।’

    কালিদাস একটু হাসিলেন— ‘তুমিও তো ভাল লোক; জানা-শোনা নেই তবু আমার কত কাজ করে দিচ্ছ। আর দেখতেও সুন্দর— যেন প্রতিমাটি। তবে তোমাকে ফেলে রাজারানীর পিছনে ছোটবার কী দরকার?’

    মালিনী আহ্লাদে বিগলিত হইয়া গেল, বলিল— ‘আমি সুন্দর! যাঃ— তুমি কবি কিনা তাই মিছিমিছি বলছ। এবার এদিকে দ্যাখো দেখি, কেমন আল্‌পনা হয়েছে।’

    কবি সহজ কৃতজ্ঞতার কণ্ঠে বলিলেন— ‘ভাল হয়েছে, যেমনটি হওয়া উচিত তেমনি হয়েছে। নারীই গৃহকে গৃহের রূপ দিতে পারে— সে গৃহদেবতা।’

    মালিনী মাথা হেলাইয়া কিছুক্ষণ কবির পানে চাহিয়া রহিল। এ ধরনের কথাবার্তার সহিত সে পরিচিত নয়, তবু একটু হাসিয়া বলিল— ‘তোমার কথার মানে বুঝেছি। শুনতে হেঁয়ালির মত লাগে, কিন্তু ভাবলে মানে পাওয়া যায়। — আচ্ছা, সব কবিই কি হেঁয়ালির ছন্দে কথা বলে?’

    কালিদাস হাসিয়া বলিলেন— ‘স— ব।’

    ইতিমধ্যে সূর্যদেব শিপ্রার পরপারে অস্তচূড়া স্পর্শ করিয়াছেন; এখন নগর হইতে সন্ধ্যারতির শঙ্খঘণ্টাধ্বনি ভাসিয়া আসিল। মালিনী চকিতে দিগন্তের পানে চাহিয়া সন্ত্রস্ত হইয়া উঠিল— ‘ওমা কি হবে! সৃয্যি যে পাটে বসলেন! আজকেই আমি মরেছি, রানীমার ফুল যোগান দিতে দেরি হয়ে যাবে। দাও দাও, সাজি দাও, আমি চললুম—’

    কালিদাসের হাতে ভাঁড় ধরাইয়া দিয়া এবং সাজিটি প্রায় কাড়িয়া লইয়া মালিনী ক্ষিপ্রপদে অঙ্গনের বাহিরে চলিল। যাইতে যাইতে একবার পিছু ফিরিয়া বলিল— ‘আবার যেদিন আসব তোমার ঘর গুছিয়ে দিয়ে যাব।’

    কালিদাস স্মিতমুখে তাহার দিকে চাহিয়া দাঁড়াইয়া রহিলেন, তারপর মৃদুস্বরে আত্মগতভাবে বলিলেন— ‘মালিনী! যেন সাক্ষাৎ মালিনী ছন্দ— চপল-চরণ-ছন্দা— নন্দিনী— পুষ্পগন্ধা!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ব্যোমকেশ সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }