Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প182 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কৈশোর – ৩

    ৩

    সামনের দিকের এবড়ো-খেবড়ো বারান্দাটায় কোনো আলো নেই। হরিলালের ঘরখানা খুঁজে একটা ছোট্ট মোম পেয়েছিলুম, এতক্ষণে সেটারও নিবু নিবু অবস্থা এরপর অন্ধকারে কি আর বসে থাকা যাবে?

    আমার হ্যাণ্ডব্যাগটায় একটা টর্চ আছে, কিন্তু সেটাও তো এখন বার করবার উপায় নেই। অসম্ভব রাগ হচ্ছে হরিলালের ওপর। ব্যাটা পঁচিশটা টাকা নিয়ে ভেগে পড়ল?

    মুমু আমার কাঁধে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। বাইরে এসেও ও অনেকক্ষণ কেঁদেছে। কান্নার সঙ্গে ঘুমের একটা সম্পর্ক আছে। কান্না আর ঘুম যেন যমজ ভাইবোন।

    আশ্চর্য ব্যাপার, ইংলিশ মিডিয়ামে পড়লে ছেলেমেয়েরা অনেক কিছুই শেখে না তা আমি জানতুম, কিন্তু তা বলে তারা সাপও চেনে না? পায়ের কাছে অত বড় একটা সাপ দেখেও ভয় পায়নি, নিরীহভাবে নাকী সুরে বলছিল, এটা কী?

    শহরের ছেলেমেয়েরা বোধহয় সাপের কথা কখনো চিন্তাও করে না!

    সাপটা কি শতরঞ্চির মধ্যেই দলা পাকিয়ে ছিল? অসম্ভব কিছু নয়, সাপেরা দারুণ অলস হয়। যাদবলাল শতরঞ্চিটা কোলে করে আনল, আমার পায়ের কাছে ছুঁড়ে দিল, আমি সেটা ঘরে নিয়ে গেলুম, মুমু সেটাকে না খুলে ওপরে বসে রইল অতক্ষণ, এর মধ্যে যে-কোনো সময় সাপটা ওকে বা আমাকে কামড়ে দিতে পারত! যাদবলালের কথা ছেড়েই দিলুম, সে ব্যাটা সাপসমেত শতরঞ্চি এনেছে মাতাল অবস্থায়, দোষটা তার নয়, তার নেশার।

    অবশ্য, ঘরের মধ্যেই সাপটা আগে থেকেই ঢুকে পড়তে পারে। নতুন বাড়িতে, ইঁটের পাঁজায় সাপ থাকে, এরকম আমি আগে শুনেছি। যদিও আমি শতরঞ্চির তলা থেকেই ওকে মাথা বার করতে দেখলুম।

    বেশ বড় সাপ, চ্যাপটা মতন ফণা, নির্ঘাৎ বিষ আছে। কামড়ালে আর দেখতে হতো না। জীবনে বোধহয় এত ভয় পাইনি! মুমুকে কামড়ালে আমি চন্দনদা আর নীপা বৌদিকে কী করে সান্ত্বনা দিতুম!

    ঘরের মধ্যে সাপটাকে কোনোরকমে বন্দী করা গেছে, এখন সারা রাত আমাদের বাইরে কাটাতে হবে। কিন্তু মোমবাতিটা শেষ হয়ে গেলে, এখানেও যে আর একটা সাপ আসবে না, তার কি কোনো ঠিক আছে? অন্য জন্তু-জানোয়ার বা ডাকাতদের কথা না হয় বাদই দেওয়া গেল!

    এখন কোথাও কোনো শব্দ নেই, আমাকে চোখের দৃষ্টি যত দূর সম্ভব তীব্র করে একবার সামনের বারান্দাটুকু, আর একবার দূরের অন্ধকারের দিকে নজর রাখতে হচ্ছে। পিঠের দিকে দেয়াল। একটা লাঠি-ফাঠিও নেই, শুধু একখানা থান ইঁট রেখে দিয়েছি পাশে। ক্রমশ মনের জোর কমে আসছে। কিন্তু তা হলে তো চলবে না, এইভাবে আমাকে জেগে থাকতে হবে সারা রাত।

    আকাশে অনেক তারা। মেঘের নামগন্ধও নেই, বাতাস এখনো গরম। এক হিসেবে গরমটাই ভালো। ঠাণ্ডা হাওয়া দিলে ঘুম এসে যেতে পারত!

    বারান্দার এক কোণে হঠাৎ কিছু একটা নড়াচড়া করতেই চমকে উঠলুম। একটা ব্যাঙ! যদিও ব্যাঙ অতি গোবেচারা প্রাণী, আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, কিন্তু ব্যাঙ যে সাপের অতি প্রিয় খাদ্য। কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমনি ব্যাঙের পেছনে সাপও আসতে পারে। এ কী বিপদে ফেললে ভগবান! ভগবান? হ্যাঁ, কাছাকাছি আর কোনো জনমনুষ্য নেই, এখন ভগবানকে ডাকা ছাড়া আর উপায় কী?

    অন্ধকারের মধ্যে আলোর বিন্দু হয়ে ফুটে উঠল ভগবান।

    হাতে একটা হ্যারিকেন ঝুলিয়ে কে যেন এইদিকেই আসছে মাঠ ভেঙে। কী যেন গান গাইছে। গেটের মধ্যেই ঢুকে পড়ল, হ্যাঁ, এই তো আমাদের হরিলাল। একেবারে সাক্ষাৎ হরি। তার হাতে একটা বড় অ্যালুমিনিয়ামের ডেকচি।

    নেশা করেছে যথেষ্ট, বেশ স্ফূর্তির মেজাজে আছে। প্রায় নাচতে নাচতে এসে আমার সামনে দাঁড়িয়ে একটা লম্বা সেলাম ঠুকে বলল, এসে গেছি সাব! আমার ঘরে তো মশল্লা নেই, তাই গাঁয়ে গিয়ে, মুরগি কাটিয়ে এক বাড়ি থেকে ঝোল রান্না করে এনেছি। এখন শুধু জলদি জলদি ভাত ফুটিয়ে নেব। তারপর খেয়ে নেবেন। বেশি দেরি হয়নি তো সাব?

    উত্তর দেব কী, এখন আমার খাওয়ার ইচ্ছেটাই ঘুচে গেছে!

    আমি বললুম, হরিলাল—সাপ!

    হরিলাল সঙ্গে সঙ্গে ডেকচিটা নামিয়ে হ্যারিকেন ঘুরিয়ে চারপাশটা দেখে নিয়ে বলল, কোথায় সাপ?

    আমি বললুম, এখানে না। ঘরের মধ্যে।

    হরিলাল ভুরু কুঁচকে কয়েক মুহূর্ত চেয়ে থেকে বলল, ঘরের মধ্যে সাপ? শালে কো মার ডালুঙ্গা! দাঁড়ান!

    দৌড়ে সে নিজের ঘরে গিয়ে একটা লাঠি নিয়ে ফিরে এলো।

    তারপর বলল, চলুন তো দেখি!

    মুমুর এমন ঘুম যে ধাক্কা দিলেও ওঠে না। তাকে এখানেও একা ফেলে রেখে যাওয়া যায় না। ওকে টেনে তুলে চাকাওয়ালা পুতুলের মতন হাঁটিয়ে নিয়ে গেলুম। আমার হাতে হ্যারিকেনটা দিয়ে হরিলাল বলল, আপনি একটু দূরে দাঁড়ান, সাব।

    ছিটকিনিটা খুলে দরজাটায় একটা জোর ধাক্কা দিল সে। ভেতরে আলো জ্বলছে, সাপটা চোখে পড়ল না।

    আমি বললুম, হরিলাল, সাবধান, শতরঞ্চির নিচে আছে নিশ্চয়ই!

    হরিলাল ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। আগে ভালো করে দেখে নিয়ে তারপর একটানে তুলে ফেলল শতরঞ্চিটা। সেটা জানলার ওপর রেখে বলল, কই, সাপ তো নেই!

    আমি বললুম, হ্যাঁ, আছে। দেখো বোধহয় বাথরুমে ঢুকেছে!

    হরিলাল মেঝেতে লাঠিটা ঠুকতে লাগল। নাচের ভঙ্গিতে বাথরুমের দরজাটায় একটা লাথি মারল। তারপর গান গাইতে গাইতে, লাঠি ঠুকে তাল দিয়ে বাথরুমটা খুঁজে এসে বলল, না, সাব, সাপ নেই। আপনি ভুল দেখেছেন!

    সাপটা আমি ভুল দেখেছি? হতেই পারে না। চ্যাপটা মতন ফণা, শতরঞ্চির তলা থেকে বেরিয়ে এসেছিল অনেকখানি, একবার ফোঁসও করেছে।

    হরিলাল বলল, আপনি ঘরের মধ্যে এসে দেখুন, সাব! কিচ্ছু নেই।

    হরিলাল এতখানি সাহস দেখালে আমার আর দ্বিধা করা চলে না। আমি মুমুকে ধাক্কা দিয়ে বললুম, এই মুমু, ওঠ! চোখ মেলে তাকা! সাপ চলে গেছে!

    মুমু আমার গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, উঁ?

    সেই অবস্থায় তাকে নিয়ে এলুম ভেতরে। সত্যিই সাপটার কোনো চিহ্নমাত্র নেই। হরিলাল শতরঞ্চিটা দু’হাতে নিয়ে ঝাড়ল, তার থেকেও কোনো সৰ্প-বৃষ্টি হলো না। সে শতরঞ্চিটা যত্ন করে পেতে দিয়ে বলল, কোনো ভয় নেই। এখানে একটা দুটো সাপ আছে। কিন্তু কামড়ায় না। আমি একটু পরে ভাত এনে দিচ্ছি, খেয়ে-দেয়ে আরামসে ঘুমিয়ে পড়ুন।

    তারপর সে ট্যাক থেকে কয়েকটা টাকা ও খুচরো পয়সা বার করে বলল, আপনার মুরগি নিয়েছে বারো টাকা, যে রান্না করল তাকে দিলুম তিন টাকা আর দু’পীস মাংস, ঠিক দু’পীস দিয়েছি সার, বেশি দিইনি, আর আমি সাড়ে চার টাকার মহুল খেয়েছি, আগে দু’টাকা বোতল ছিল, আজ দু’ বোতলে আট আনা বেশি নিল শালা! এই নিন সাব আপনার বাকি পয়সা।

    আমি সাপ দেখার চেয়েও বেশি চমকিত হলুম। বাংলোর চৌকিদার টাকা ফেরত দিচ্ছে? এরকম অবিশ্বাস্য ব্যাপার আজও ঘটে? এ যে বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা চলে না।

    আমি বললুম, ঠিক আছে, ঐ পয়সা তুমি রাখো!

    হরিলাল বলল, কেন সাব? দু বোতল মহুল খেয়েছি বলে রাগ করছেন?

    -আরে না-না। খেয়েছ, বেশ করেছ! তুমি তো এর পর ভাত রাঁধবে, সে জন্য খরচ লাগবে না?

    —আপনার পয়সায় মহুল খেয়েছি, আপনার কাছ থেকে ভাতের দাম নেব? ছি ছি, আমি এত নিমকহারাম নই স্যার!

    —পয়সাটা তোমার কাছে রাখো না!

    —আপনি রাগ করেননি বলুন, সাব! পয়সা কেন ফেরত নেবেন না? এ হচ্ছে মাতালের পেড়াপেড়ি। পয়সা সে ফেরত দেবেই ঠিক করেছে। কিছুতেই তাকে বোঝানো যায় না। শেষ পর্যন্ত টাকাপয়সাগুলো একবার আমি নিয়ে আবার তার হাতে গুঁজে দিয়ে বললুম, এখন থাক, কাল সকালে হিসেব নেব। এখন তুমি চটপট ভাত রান্না করে আনো তো!

    শতরঞ্চিটা পেয়েই মুমু সটান শুয়ে পড়েছে। হরিলাল চলে যাবার পর আমি চিন্তা করতে লাগলুম, সাপটা কোনখান দিয়ে পালাল। একটা জানলা রয়েছে, তবে বেশ উঁচুতে। সাপ তো আর দেয়াল বেয়ে উঠতে পারে না। একমাত্র যেতে পারে বাথরুম দিয়ে। বাথরুমের নর্দমার ঝাঁঝরিটা আলগা। কিংবা কমোডের মধ্যে ঢুকে পড়েছে কি না, তাই বা কে জানে!

    একটা জলের বালতি ভেতরে এনে বাথরুমের দরজাটা টেনে বন্ধ করে দিলুম। সারারাত ঐ বাথরুমে যাবার আর দরকার নেই বাবা! হিসি-টিসি পেলে দরজা খুলেই একটু দূরে যে বালির স্তূপটা রয়েছে, সেখানেই সেরে নেওয়া যাবে।

    প্রায় আধ ঘণ্টার মধ্যেই হরিলাল গরম গরম ভাত আর মুরগির ঝোল এনে দিল। সঙ্গে বেশ ভালো প্লেট আর কাঁটা চামচ। সে জানাল যে কন্ট্রাক্টর বাবুরা মাঝে মাঝে দুপুরবেলা তার হাতের ভাত রান্না খায়। সেই জন্য তার কাছে বাসনপত্র রয়েছে।

    হরিলালের মুখ দিয়ে ভক ভক করে মহুয়ার গন্ধ বেরুচ্ছে, হাঁটতে পারছে না ঠিক করে। কিন্তু তার কাজের কোনো ত্রুটি নেই। সব কিছু সাজিয়ে দিয়ে সে বলল, আপনারা খেয়ে-দেয়ে দরজা এঁটে ঘুমিয়ে পড়ুন। এঁটো বাসনপত্ৰ আমি কাল সকালে নিয়ে যাব। আর কিছু লাগবে না তো?

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, তোমার খাবার আছে তো?

    সে হঠাৎ জিভ কেটে বলল, হাঁ সাব। রেখেছি। নিজেরটা আগেই তুলে রেখেছি।

    তার জিভ কাটার মর্ম আমি ঠিক বুঝতে পারলুম না। তবু আমি তাকে কিছুটা ভাত আর কিছুটা মাংস ফিরিয়ে দিলুম। এখনো যা রইল, আমাদের দু’জনের পক্ষে যথেষ্ট।

    এইবার একটা সমস্যা হলো মুমুকে তুলে খাওয়ানো।

    তাকে ধরে ঝাঁকালেও সে উঠতে চায় না, জোর করে তুলে বসিয়ে দিলেও ঢলে ঢলে পড়ে। যত তাকে বলি, মুমু, লক্ষ্মী মেয়ে, একটু খেয়ে নে, সে ততই উঁ উঁ করে। একবার তার মাথার চুল ধরে টানতেই সে চোখ মেলে বলল, কী? কী হয়েছে? আমাকে মারছ কেন?

    আমি খুব নরম করে বললুম, মারব কেন রে? এই দ্যাখ, খাবার দিয়েছে, চট করে খেয়ে নে, তারপর ঘুমোবি!

    মুমু বলল, আমি খাব না, খেতে ইচ্ছে করছে না।

    অনেক বাড়িতে দেখেছি, এই বয়েসী ছেলেমেয়েদেরও তাদের মা খাইয়ে দেয়। সারাদিন অত্যধিক পড়াশুনোর চাপে বেচারিরা রাত আট-ন’টার সময়েই ঘুমিয়ে পড়ে, মায়েরা তাদের ডেকে প্রায় ঘুমন্ত অবস্থাতেই মুখে কিছু খাবার গুঁজে দেয়।

    আমি তো মুমুকে খাইয়ে দিতে পারব না। কিন্তু জানি ওর খিদে পেয়েছে। বিকেল থেকে কিছুই খায়নি। তাই বললুম, এই, তোর ভাত মেখে দেব ঝোল দিয়ে?

    কোনো রকমে একটু চাঙ্গা হয়ে দু গেরাস ভাত খেল। তারপর আবার বসে রইল ঝিম মেরে। আমার বেশ খিদে চনমন করছে। আমি গরম ভাত-মুরগির ঝোল অবহেলা করতে পারি না। কিন্তু পাশে একজন অভুক্ত থাকলে কি খাবার রোচে?

    ওকে একটা খোঁচা মেরে বললুম, এই, কী, হলো?

    -আর খাব না। আর ভাত খাব না।

    -তবে শুধু মাংস খা! মাংস কটা শেষ করে নে!

    —তুমি খাও!

    এবার আমি একটা মুরগির ঠ্যাং প্রায় জোর করে তুলে দিলুম মুমুর মুখে। ও সেটা মোটামুটি খেয়ে নিল। যাক, এই যথেষ্ট হয়েছে। বাকি মাংস চেটেপুটে শেষ করে দিলুম আমি।

    মুমু বাথরুমের দরজা খুলতে যাচ্ছিল, আমি বললুম, ওটা খুলিস না। ওখান দিয়ে আবার সাপ আসতে পারে।

    মুমু জিজ্ঞেস করল, পয়জনাস স্নেক?

    আমি বললুম, হ্যাঁ, দারুণ পয়জনাস। ফণা আছে! মগে করে ঐ বালতির জল নিয়ে জানলার কাছে হাত ধুয়ে নে।

    প্রায় আমাকেই মুমুর হাত-মুখ ধুইয়ে দিতে হলো। মুমু কুলকুচি করে জানলার বাইরে জল ফেলল। জানলাটা রাত্তিরে খোলা রাখতেই হবে। নইলে গরমে টেকা যাবে না। এখন এখান দিয়ে ফুরফুরে হাওয়া আসছে।

    মুমু তার ব্যাগ থেকে একটা চাদর বার করে বলল, পাখা নেই?

    আমি বললুম, পাখা নেই, এয়ার কণ্ডিশনার লাগায়নি, কী আর করা যাবে বল! তুই এই গরমের মধ্যে আবার চাদর গায়ে দিবি নাকি?

    —আমার চাদর গায় দিয়ে ঘুমোনো অভ্যেস! তুমি বুঝি আমার পাশে শোবে?

    –কেন, এখনও তোর আপত্তি আছে নাকি? তা হলে তুই গিয়ে বাইরে শুতে পারিস! তুই কতক্ষণ আমার কাঁধে মাথা দিয়ে ঘুমোলি, তা বুঝি খেয়াল নেই?—ঠিক আছে, তোমাকে অ্যালাউ করছি। কিন্তু তুমি আমাকে বিয়ে করতে চাইবে না কিন্তু!

    –তোর মতন একটা জেদি মেয়েকে বিয়ে করতে আমার বয়েই গেছে!

    মুমু আমার দিকে গাঢ় চোখে চেয়ে রইল কয়েক মুহূর্ত অপলক। তারপর বলল, আমি কোনো দিন বিয়ে করব না। কোনো ছেলেকেই বিয়ে করব না!

    সেই কথার মধ্যে বেশ একটা অভিমানের সুর ফুটে উঠল। সেই সুরটার জন্যই খটকা লাগল আমার। এইটুকু মেয়ের মাথায় বিয়ের চিন্তা কে ঢুকিয়েছে? এরই মধ্যে ওর প্রেম ও বিচ্ছেদ জাতীয় কিছু ঘটে গেছে নাকি? কিছুই বলা যায় না, টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি এসে গেল বলে!

    -কেন, ছেলেদের ওপর তোর এত রাগ কেন রে?

    —পাজি লোকেরাই শুধু বিয়ে করে। আমি কিছুতেই বিয়ে করব না।

    —পাজি মানে, কার মতন? রাজ বব্বর, মিঠুন চক্রবর্তী, না অমিতাভ বচ্চনের মতন?

    —সব্বাই পাজি, সব্বাই! তুমিও!

    —এই রে, আবার কান্নাকাটি শুরু করবি নাকি? থাক, থাক, আজ আর ওসব কথায় দরকার নেই। শুয়ে পড়। আলো জ্বালা থাকবে?

    –না, আলোতে আমার ঘুম আসে না। নিভিয়ে দাও।

    মুমু টানটান হয়ে শুয়ে পড়ে, গায়ের ওপর চাদরটা টেনে দিয়ে পাশ ফিরল দরজার দিকে। আমি আলো নেভাবার আগে একটা সিগারেট ধরালুম।

    তাতে দুটো টানও দিতে পারিনি, মুমু বলে উঠল, এই নীলকাকা, ঐ দ্যাখো, আবার এসেছে!

    আমার চোখ দুটো যে কেন সকেট থেকে ছিটকে বেরিয়ে এলো না সেটাই আশ্চর্যের। দরজাটা বন্ধ করে দিয়েছি একটু আগে, এখন সেই দরজার তলা দিয়ে ফোঁস ফোঁস শব্দ করতে করতে ঢুকে আসছে সাপটা।

    চৌকাঠ তৈরি হয়নি, দরজার তলায় আধ ইঞ্চি মতন ফাঁক, সেখান দিয়ে যে কোনো সাপ ঢুকতে বা বেরুতে পারে, তা কল্পনাই করা যায় না। ফাঁকটা আগে চোখেও পড়েনি।

    ওরে সর্বনাশ! এখন দরজা বন্ধ, এবার পালাবারও উপায় নেই আমাদের! এবারে মুমুও ভয় পেয়েছে। নিজেই লাফিয়ে উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, নীলকাকা, পয়জনাস স্নেক।

    আমি ওকে ধরে চলে এলুম জানলার কাছে। এই জানলা দিয়ে বেরুবার কোনো প্রশ্নই নেই। একটু আগে আমি গ্রিলগুলো টেনে দেখেছি চোর-টোর ঢুকতে পারবে কি না!

    সাপটা আস্তে আস্তে ভেতরে ঢুকে এলো। ও কি আমাদের এঁটো-কাঁটা খেতে এসেছে? সাপ কি ভাত আর মুরগির হাড় চিবোনো খায়? বাইরে এত ব্যাঙ ঘুরছে……

    বিদ্যুৎ চমকের মতন মনে পড়ে গেল, সাপ কানে শুনতে পায় না। কিন্তু নড়াচড়া টের পেলেই কামড়াতে আসে।

    আমি বললুম, মুমু, সাবধান, একটুও নড়বি না। খবর্দার!

    তারপর আমি জানলা দিয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় চ্যাঁচালুম, হরিলাল! হরিলাল! জলদি আও! সাপ!

    কোনো সাড়া নেই। সে বোধহয় এতক্ষণে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। নেশার ঘুম, সহজে ভাঙবে না!

    তবু বাইরের দিকে মুখটা যথাসম্ভব নিয়ে ষাঁড়ের মতন চিৎকার করলুম, হরিলাল! হরিলাল! শিগগির এসো। বাঁচাও! সাপ!

    এবার একটা ক্ষীণ উত্তর এলো, হাঁ!

    হরিলাল এসে যদি দরজায় ধাক্কা দেয়, তা হলে সাপটা ভয় পেয়ে নিশ্চয় আমাদের দিকে চলে আসবে। সাপটা এখনো আমাদের দেখতে পেয়েছে বলে মনে হয় না। খুব আস্তে আস্তে এদিকে-ওদিকে মাথা ঘোরাচ্ছে, কি যে সে চায় তা কে জানে!

    আমি জানলা দিয়ে আবার বললুম, হরিলাল, এদিকে!

    হরিলাল ঠিক এসে পৌঁছল জানলার কাছে। কিন্তু সে আমাদের বাঁচাবে কী করে? দরজাটাই যে খোলা যাবে না। আমি আর মুমু যখন অন্ধকার বারান্দায় জড়োসড়ো হয়ে বসেছিলুম, তখন সাপটা ঐখানেই ঘোরাফেরা করেছে। ওরেঃ বাবা!

    হরিলাল বলল, কোথায় সাপ? হাঁ, হাঁ, ঠিক বটে। এ বহুৎ বদমাস সাপ। চন্দ্রবোড়া। আপনি দরজাটা খুলে দিতে পারবেন না?

    -কী করে খুলব? দরজার কাছেই যে রয়েছে!

    মুমু বলল, নীলকাকা, নীলকাকা, এদিকে তাকাচ্ছে! দেখতে পেয়েছে। হরিলাল দ্রুত জানলা দিয়ে তার লাঠিটা গলিয়ে দিয়ে বলল, সাব, মারুন! সত্যি কথা বলতে কি, আমার হাত কাঁপছে। জীবনে যা করিনি, তা কি হঠাৎ এক দিনে পারা যায়? বন্ধ ঘরের মধ্যে একটা সাপ মারা কি সোজা কথা? আমার প্রথম ঘা-টা যদি ফসকে যায়, তা হলেই সাপটা লাফিয়ে উঠে আমায় ছোবল মারবে না?

    তবু লাঠিটা হাতে পেয়ে একটু ভরসা হলো। সাপটা একেবারে কাছে এসে আক্রমণ করলে আত্মরক্ষার শেষ চেষ্টা করা যাবে!

    হরিলাল আবার বলল, সাব মারুন!

    আমি মুমুকে পেছনে রেখে আড়াল করে দাঁড়িয়ে বললুম, এখন পারব না। কাছে আসুক!

    হরিলাল ব্যগ্রভাবে বলল, জুতার শব্দ করুন! জোরসে জোরসে! ও ভয় পাবে!

    লোকটা বলে কি! সাপ কানে শুনতে পায় না। মাটিতে পা ঠুকলে সেই ভাইব্রেশান ও টের পেতে পারে। ইচ্ছে করে আমাদের দিকে ওর নজর ফেরাব? ভয় পাবার বদলে যদি তেড়ে আসে?

    হরিলাল হাত বাড়িয়ে আমায় ঠেলা মেরে বলল, দু’জনে এক সাথে জুতার শব্দ করুন! লাফিয়ে লাফিয়ে!

    এইসব ব্যাপারে হরিলাল আমাদের চেয়ে জ্ঞানী। তা ছাড়া তার কথার মধ্যে এমন একটা ব্যাকুলতা রয়েছে যে অগ্রাহ্য করা যায় না। মুমু আমাদের দিকে তাকাল, মুমুর খালি পা, আমার পায়ে এখনো চটি গলানো রয়েছে। দু’জনে একসঙ্গে ধপ ধপ শব্দ করলুম।

    হরিলাল বলল, আরও জোরসে!

    সাপটা সত্যি টের পেয়েছে, তার উঁচু করা ফণা থেকে চিড়িক চিড়িক করে বেরিয়ে আসছে জিভ। কোন্ দিকে তরঙ্গটা উঠছে সেটা বুঝে নিল, কিন্তু তেড়ে এল না। আমি লাঠিটা বাগিয়ে ধরে আছি, তেড়ে এলে ওকে না মেরে মরব না, এই একটা প্রতিজ্ঞা নিয়ে।

    সাপটা আমাদের এই নাচন-কোঁদনে বেশ বিরক্তই মনে হলো। সে ফণাটা নামিয়ে দরজার তলায় ঢোকাল।

    হরিলাল বলল, সাব, এবার ছুটে গিয়ে মারুন। কিংবা লাঠিটা আমাকে দিন! আমি লাঠিটা জানলা দিয়ে ফেরত পাঠাতেই হরিলাল ছুটে গেল দরজার দিকে। সাপটা প্রায় চোখের নিমেষেই বাইরে বেরিয়ে গেছে।

    এবার আমরা শুনতে পেলুম দরজার বাইরে লাঠির ঠকঠক শব্দ আর হরিলালের নাচ। সেই সঙ্গে সে মনের ফুর্তিতে গানও গাইছে, ফাগুয়া কি বিটিয়া রে ফাগুয়া কি বিটিয়া, কাঁহা গেইলি পাগলী রে ফাগুয়া কি বিটিয়া!

    ঘামে আমার শার্ট ভিজে গেছে। বেঁচে যে গেছি, এখনও যেন বিশ্বাস হচ্ছে না। সাপটা এত সহজে চলে গেল? কে যেন বলেছিল সাপ আসলে অতি নিরীহ আর ভীতু প্রাণী, সেটা তা হলে মিথ্যে নয়। মাটিতে পা ঠোকার চোটে আমার একটা চটির স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে গেছে, যাক গে। সে কাল সকালে দেখা যাবে!

    মুমু বলল, কী বিচ্ছিরি জায়গা! নীলকাকা, তুমি আলো নিভিয়ে দেবার পর যদি সাপটা ঢুকত?

    ঠিকই তো! নেহাত সিগারেট টানার ইচ্ছে হয়েছিল বলেই তো একটু দেরি করছিলুম! এ কী ঘরে আমাদের শুতে দিয়েছে, যেখানে রাত্তিরবেলা সাপ ঘুরে বেড়াতে পারে!

    গানের মাঝখানেই হরিলাল একবার চেঁচিয়ে বলল, দরজা খুলে দেখুন, সাব, ব্যাটাকে ধরেছি! কোনো ভয় নেই।

    মুমুই দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দিল।

    সাপটাকে এখনো মেরে ফেলেনি হরিলাল। সাপের ঘাড় নেই, কিন্তু যেখানে ঘাড় থাকার কথা, সেরকম জায়গায় দু’খানা থান ইঁট চাপা দিয়েছে। সাপের ল্যাজের দিকটা ছটফট করে চটাস চটাস শব্দ করছে মাটিতে, আর মাথার দিকটায় হরিলাল লাঠি দিয়ে একটু একটু খোঁচাচ্ছে বলে ফোঁস ফোঁস শব্দ বেরুচ্ছে বেশ জোরে। এই দৃশ্য দেখে আমার গা শিরশির করে উঠল। আমি চোখ ফিরিয়ে নিলুম। হরিলাল জিজ্ঞেস করল, খতম করে দেব!

    আমি বললুম, না, মেরো না!

    মুমু বলল, হ্যাঁ, মারো। মেরে ফেলো।

    হরিলাল তিন-চার ঘা জোর লাঠির ঘা দিয়ে থেঁতলে দিল মাথাটা। আমার বেশ খারাপ লাগল। সাপটা শেষ পর্যন্ত তো আমাদের কোনো ক্ষতি করেনি।

    আমি ফিসফিস করে বললুম, ইস, মেরে ফেললে!

    হরিলাল বলল, দিদিমণি যে বলল। শালা, ঘরে ঢুকেছিল!

    মুমু বলল, এরকম আর কটা আছে?

    আমি চমকে গেলুম! এটা খুব দামি কথা বলেছে তো। এই সাপটাই আগের সাপটা কি না তা কে জানে? এটা যদি দ্বিতীয় সাপ হয়, তা হলে তৃতীয় এবং চতুর্থও থাকতে পারে। তারা রাত্তিরে দরজার তলা দিয়ে ঘরে ঢুকে যেতে পারে ইচ্ছে করলেই।

    তা হলে কোথায় শোওয়া নিরাপদ, ঘরের মধ্যে, না বাইরে?

    হরিলাল বলল, খুব গরম পড়েছে তো, তাই শালারা গর্ত থেকে বেরিয়ে আসছে!

    আমি বললুম, কী রকম ঘর তৈরি করেছ হরিলাল, দরজার তলা দিয়ে সাপ ঢোকে?

    হরিলাল কাঁচুমাচু করে বলল, এখনও পুরা তৈয়ারি হয়নি, সাব! আপনাদের আগে এই ঘরে কেউ থাকেনি রাত্তিরে। আমি ইঁট এনে চৌকাঠ বানিয়ে দিচ্ছি, খুব টাইট করে দিব, আর সাপ ঢুকতে পারবে না!

    মরা সাপটা সে লাঠির ডগায় করে নিয়ে গেল। ফিরে এল কয়েকটা থান ইঁট নিয়ে।

    জঙ্গল কেটে, পাহাড় কেটে মানুষ নিজেদের জন্য ঘরবাড়ি বানাচ্ছে। বেচারা সাপ আর জন্তু-জানোয়ারেরা যাবে কোথায়? এই সাপটা বুঝতেও পারল না, ও কোন দোষে মরল! অবশ্য মাস ছয়েকের মধ্যে যখন এই বাংলোটা সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে যাবে, আরও ঘর হবে, অনেক আলো জ্বলবে, পাশের জঙ্গল সাফ হয়ে যাবে, গর্ত বুজবে, রোজ মানুষজনের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যাবে, তখন সাপেরাও জেনে যাবে যে এই বাড়িতে যখন তখন এরকম ভাবে ঢোকা উচিত না!

    এমন ভাবে ইটগুলো সাজিয়ে দিল হরিলাল যে একটুও ফাঁক রইল না। এরপর আর সাপ তো দূরের কথা, একটা টিকটিকিও ঢুকতে পারবে না।

    হরিলালকে আমার মনে হলো যেন দেবতা। নেশা করে এলেও ওর কর্তব্যে একটুও ফাঁকি নেই, বরং কত উৎসাহ। আমার ডাকে যদি ও আজ না সাড়া দিত, তা হলে কী হতো আমাদের?

    হরিলালের মতন একজন সাহসী, সৎ, বিশ্বাসী এবং কত রকমের কাজ জানা লোক একটা গেস্ট হাউসের নিছক চৌকিদার হয়ে সারাটা জীবন কাটাবে। আমার হাতে যদি ক্ষমতা থাকত, তাহলে আমি হরিলালকে মন্ত্রী করে দিতাম। এই সব লোক মন্ত্রী হলে সত্যিকারের দেশের কাজ হতে পারে। কিংবা, একবার মন্ত্রিত্ব পেলে হরিলালরা লালহরি হয়ে যায়?

    আমি হরিলালের হাত জড়িয়ে ধরে বললুম, তুমি আজ আমাদের বাঁচালে! সে একটা বাচ্চার মতো লাজুক মুখ করে বলল, না-না, কী যে বলেন! আপনাদের কিছু হতো না। আমি একলা দরজা খুলে শুয়ে থাকি গরমে, কখনো তো সাপে কাটে না!

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, এদিকে কেউ সাপের কামড়ে মরেনি এ পর্যন্ত? হরিলাল দার্শনিক ভাবে বলল, হ্যাঁ, মরে, যার দিন ফুরিয়ে যায়। আজ এই সাপটারই মরার দিন ছিল!

    দরজা বন্ধ করে আর একবার ভালো করে দেখে নিলুম। আর কোনো উপদ্রব হবার আশঙ্কা নেই মনে হয়।

    মুমু শুয়ে পড়ে বলল, নীলকাকা, আলো নিভিয়ো না।

    –কেন রে, তোর এখন ভয় করছে?

    -ঘরের মধ্যে এখনো একটা ফোঁস শব্দ হচ্ছে মনে হচ্ছে!

    —না রে না। আর কিছু নেই। আমি খুব ভালো করে দেখছি। বাথরুমের দরজাও বন্ধ।

    —সাপটা দেখে ঘেন্না-ঘেন্না লাগছে। আচ্ছা, সাপ একবার কামড়ালেই মানুষ মরে যায়?

    —হ্যাঁ, ওটা বেশ বিষাক্ত সাপ ছিল। তবে মানুষ দেখলেই যে সাপ ছুটে এসে কামড়ায় না তার আজ প্রমাণ পেলুম!

    —আমাকে ঘুমের মধ্যে কামড়ে গেলে বেশ হতো!

    —ছিঃ, ও কি কথা! হঠাৎ তোর এরকম ইচ্ছে হচ্ছে কেন?

    আর কোনো উত্তর না দিয়ে মুমু চোখ বুজল। আমি বসে রইলুম আলো জ্বেলে, তখন সিগারেটটা খাওয়া হয়নি। আলো নিভিয়ে দেবার পর সাপটা ঘরে ঢুকলে যে কী হতো, তা ভেবে এখনও বুক কেঁপে উঠল একবার। বোকা সাপটা হয়তো চলে আসত শতরঞ্চির কাছে, ঘুমের মধ্যে ওর গায়ে আমাদের কারুর হাত পড়লেই দিত একখানা কামড়! মুমুই দরজার দিকে শুয়েছে। মুমু কেন ঐ কথা বলল? সত্যি সত্যি এই বয়েসে কারুর প্রেমে পড়েছে নাকি!

    চোখ বুজে আছে, এখন মুমুর মুখে ফুটে উঠেছে সরল লাবণ্য। বয়েসের তুলনায় খানিকটা বড় দেখালেও আসলে তো ও একটা বালিকা। এখন ওর মুখে আর রাগ রাগ ভাবটা নেই। চোখ বুজে থাকলেই বুঝি মানুষের আসল রূপটা ফুটে ওঠে।

    একটু বাদে মুমু চোখ খুলে বলল, নীলকাকা, আমার ঘুম আসছে না।

    —ঘুমটা চটে গেছে। খাওয়ার সময় তুই চোখ খুলতে পারছিলি না, তারপর এই কাণ্ডটা হলো তো!

    —ঘুমোবার সময় মা আমার মাথায় রোজ হাত বুলিয়ে দেয়!

    —আমি বুলিয়ে দিলে হবে?

    অল্পবয়েসিদের চুলে বেশ নরম সিল্ক সিল্ক ভাব থাকে। যে হাত বুলোয় তারও আরাম লাগে। নীপা বৌদি কোনো ঘুমপাড়ানি গান শোনান কিনা জানি না, আমার গলায় তো আর গান আসবে না।

    মুমুর চোখের পাতা দু-একবার কাঁপল। তারপর দু’ফোঁটা জল গড়িয়ে এলো। আমার বুকটা মুচড়ে উঠল। আহা, এই বয়েসি একটি মেয়ে আপন মনে কেন কাঁদে? কে ওকে দুঃখ দিয়েছে? সে কত বড় পাষণ্ড!

    আমি ফিসফিস করে ডাকলুম, মুমু, মুমু, কী হয়েছে?

    মুমু কোনো সাড়া দিল না। ওর নিশ্বাসের শব্দ শুনে মনে হলো ঘুমিয়েই পড়েছে। ও কাঁদছে স্বপ্নের মধ্যে। থাক, ওকে জাগাবার দরকার নেই।

    মুমুই আমাকে ঠেলে ঠেলে জাগিয়ে তুলল!

    চমকে চোখ মেলে দেখি ঘরের দরজা, বাথরুমের দরজা সব খোলা। ঘরের মধ্যে প্রচুর রোদ্দুর। কতক্ষণ ঘুমিয়েছি, এখন কটা বাজে? আমার হাতে ঘড়ি থাকে না, মুমুরও ঘড়ি নেই।

    কাল রাত্তিরে সাপ-টাপ নিয়ে বিরাট কাণ্ড কি সত্যিই হয়েছিল, না স্বপ্ন? দিনের আলোয় কোনো ভয়ের চিহ্ন নেই

    উঠে বসে চোখ কচলাতে কচলাতে বললুম, কী ব্যাপার, ইয়াং লেডি, এত তাড়াতাড়ি জেগে গেছ?

    মুমু বলল, তাড়াতাড়ি? এর মধ্যে আমার চান করা হয়ে গেছে। কাল একটা সাপ ছিল এই শতরঞ্চির মধ্যে, সেখানে আমি শুয়েছি, এঃ, এমন ঘেন্না লাগছিল!

    সাপের ব্যাপারটা তা হলে স্বপ্ন নয়!

    আমি হাঁক দিলুম, হরিলাল, চা দাও!

    মুমু জানাল যে হরিলাল এর মধ্যে একবার এসে বলে গেছে যে তার কাছে চা নেই। চা খেতে হলে বাস ডিপোতে যেতে হবে।

    সকালবেলা চা না খেয়ে বাড়ির বাইরে বেরুনোটা আমার মোটেই পছন্দ নয়। হরিলাল কেটলি করে চা আনতে পারবে না? অত দূর থেকে চা আনতে আনতে ঠাণ্ডা হয়ে যাবে? কুছ পরোয়া নেই, এখানে এনে আবার গরম করে দেবে! রাজভোগ চাইছি না, বেকন-ডিমসেদ্ধ দিয়ে ব্রেকফাস্ট চাইছি না, শুধু বিছানায় বসে একটু চা খাওয়ার বিলাসিতাও করতে পারব না?

    হরিলাল আসতেই তাকে উদারভাবে একটা দশ টাকার নোট দিয়ে বললুম, তিন-চার কাপ চা এনে দাও ভাইটি!

    হরিলাল বলল, এখন তো যাওয়া যাবে না, সাব। অফিসের বাবুরা এক্ষুনি এসে পড়বেন। আমায় থাকতে হবে।

    —তুমি আমাকে একটু চা খাওয়াবে না?

    —আপনারা শতরঞ্চি গুটিয়ে নিন। যাদবলাল একবার এসে বলে গেছে। এই ঘর খালি করে দিতে হবে, বাবুরা এসে বসবেন।

    কাল সন্ধে থেকে আমাদের কতরকমভাবে সেবা ও উপকার করেছে যে হরিলাল, এখন তার কথাবার্তা কেমন যেন শুকনো আর কাটা কাটা। সে আমাদের এখান থেকে চলে যেতে বলছে। চন্দনদা না ফিরলে আমরা যাব কোথায়?

    এবারে একটু ভারিক্কি চাল নিয়ে আমাকে বলতে হলো, অফিসের বাবুরা আসুক, আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। আমরা ঘোষালসাহেবের আত্মীয়! তিনি না ফেরা পর্যন্ত আমাদের এখানেই থাকতে হবে।

    কথাটা হরিলালের ঠিক যেন পছন্দ হলো না। আমরা এক-দু’ দিনের চিড়িয়া, আমাদের তুলনায় সে এখানকার অফিসের বাবুদের বেশি খাতির করবে, সেটাই স্বাভাবিক। সেটাই তার ডিউটি। কাল রাত্তিরে মহুয়ার নেশা করে সে একজন উদার হৃদয় মানুষ হয়ে গিয়েছিল, এখন সে নেহাতই একজন অল্প মাইনের চৌকিদার।

    হরিলাল মুখ গোঁজ করে চলে গেল।

    আমি মুমুকে বললুম, তা হলে কী করা যায় বল তো? আমাদের এখান থেকে চলে যেতে বলছে যে!

    মুমু বলল, আমরা চলে যাব! জোর করে থাকব নাকি এই পচা জায়গায়? আমার বয়ে গেছে!

    —বাবার সঙ্গে দেখা না করেই ফিরে যাবি? মানে, চন্দনদা না ফিরলে আমরা যাবই বা কী করে? দু’জনের ট্রেন ভাড়া নেই আমার কাছে।

    —এবার বিনা টিকিটে যাব বললুম যে কাল? তুমি আগে উঠে মুখ-টুখ ধুয়ে নাও।

    এইসব বলতে বলতেই একটা জিপ গাড়ির আওয়াজ হলো বাইরে। মুমু ছুটে গেল জানলার কাছে। তারপর সে বাইরেই চেয়ে রইল।

    —কারা এল রে মুমু?

    মুমু কোনো উত্তর দিল না, এদিকে মুখও ফেরাল না।

    একটা জুতোর আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি, সিঁড়ি, চাতাল, বারান্দা পার হয়ে এই দরজার দিকেই আসছে। আমি উঠে দাঁড়িয়ে চুলগুলোর মধ্যে একটু আঙুল চালিয়ে ভদ্রস্থ হবার চেষ্টা করলুম খানিকটা। অফিসবাবুটি আবার কেমন হবে কে জানে।

    দরজার সামনে এসে দাঁড়ালেন চন্দনদা!

    ফিটফাট পোশাক, সাদা প্যান্টের ওপর মেরুন রঙের হাওয়াই শার্ট, পালিশ করা জুতো। হাতে একটা না-ধরানো চুরুট। চন্দনদা ধূমপান ছেড়ে দিচ্ছেন বলে প্রায় বছরখানেক ধরেই হাতে একটা চুরুট রাখেন সকাল থেকে, সেটা জ্বালেন সন্ধের পর, অর্থাৎ দিনে ঐ একটাই।

    চন্দনদা বললেন, কী রে, নীলু, তুই হঠাৎ এদিকে এলি যে?

    -এই চলে এলুম পাকেচক্রে। তুমি যে এখানে আছ এখন, তা তো জানতুম‍ই না!

    —আমি আজ ভোরের ট্রেনে ফিরেছি। আমার জন্য স্টেশনে গাড়ি গিয়েছিল। ফিরেই শুনি যে কে একজন বাবু এসেছে আমার খোঁজ করতে।

    —তুমি হঠাৎ এখানে ট্রান্সফার নিয়ে এলে, চন্দনদা?

    –কেন, এই জায়গাটা ভালো নয়? কাছাকাছি অনেক সুন্দর বেড়াবার জায়গা আছে। এসেছিস যখন, থেকে যাবি নাকি দু’-একদিন?

    কী অদ্ভুত ব্যাপার, চন্দনদা কি মুমুকে দেখতে পাননি? নিজের আদরের মেয়েকে এখনো কিছু না বলে আমার সঙ্গেই কথা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    আমি বললুম, চন্দনদা, ঐ যে মুমু। কাল রাত্তিরে যা কাণ্ড হয়েছে…

    আমাকে থামিয়ে দিয়ে চন্দনদা একটু ভেতরে এসে গম্ভীরভাবে বললেন, আমি কলকাতায় গিয়ে মুমুর স্কুলে দেখা করতে গেসলুম। মুমু স্কুলে যায়নি। স্কুল খোলা, তবু তোকে এখানে কে আসতে বলেছে মুমু? স্কুল ফাঁকি দেওয়া আমি একদম পছন্দ করি না!

    মুমু মুখ ফিরিয়ে তীব্র গলায় বলল, আমি দেখতে এসেছি, তুমি বেঁচে আছ, না মরে গেছ! আমি তোমাকে আর দেখতে চাই না, চাই না, চাই না। কোনোদিন না!

    তারপর ঝরঝরিয়ে কেঁদে ফেলে মুমু ছুটে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে।

    একটা ক্লান্ত দীর্ঘশ্বাস ফেলে চন্দনদা আমাকে বললেন, কোথায় গেল, একটু দ্যাখ তো নীলু। দৌড়ে গিয়ে ধর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }